বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

বাংলাদেশে সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন চায় চীন : রাষ্ট্রদূত

রাষ্ট্রদূত বলেন, নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশিরাই সিদ্ধান্ত নেবে। চীনের প্রত্যাশা, সব অংশীদার মিলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ জানে কী ধরনের নির্বাচন প্রয়োজন।
নির্বাচনের পরও স্থিতিশীলতা দেখতে চায় চীন।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো বলতে পারবে। চীন বাংলাদেশের সমাজে স্থিতিশীলতা চায়।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন, বাংলাদেশ, মিয়ানমার মিলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর চেষ্টা করছে।
রোহিঙ্গারা এ দেশে অতিথি হিসেবে এসেছে। তাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সমর্থনও প্রয়োজন। চীন দেখতে পাচ্ছে, অনেকেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চায় না।
এর আগে অনুষ্ঠানে চীনা উদ্যোক্তাদের সংগঠন সিইএবির প্রেসিডেন্ট কে চেংলিয়াং বাংলাদেশে চীনা উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন। ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ডিক্যাব) সভাপতি রেজাউল করিম লোটাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস বক্তব্য দেন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন, দ্রুতই তফসিল ঘোষণা : সিইসি

নির্বাচন যথাসময়ে হবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। শিগগিরই তফসিল ঘোষণা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন সিইসি।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি কথা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছি। তিনি সব শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা করেছেন একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন হবে। সেখানে তার যে সহযোগিতা করতে হয় তা করবেন। আমরাও বলেছি আপনার সহযোগিতা প্রয়োজন হলে আমরা অবশ্যই সেটা নেব। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যেকোনো ধরণের সহযোগিতা করতে তিনি সদা প্রস্তুত।
সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি যেকোনো মূল্য সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার কথা বলেছেন। আমরা তাকে বলেছি আমরাও সাংবিধানিকভাবে যে দায়িত্ব পেয়েছি, সে অনুযায়ী যথাসময়ে ও যথানিয়মে নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা রাষ্ট্রপতিকে আশ্বস্ত করেছি ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ করেছি। জনগণের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা কামনা করে যাচ্ছি। আশা করি যথাসময়ে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সক্ষম হব।

নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমরা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছি নির্বাচন অত্যাসন্ন। আমাদের যে শেষ সময়সীমা ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করতে হবে, উনিও জানেন। এখনো আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। এখন আমরা কমিশনে বসে চূড়ান্ত তালিকা ঠিক করে তফসিল ঘোষণা করব এবং সেটা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে।
নির্বাচনের তারিখের বিষয়ে হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা আগে যেটা বলেছি সেভাবেই আছি। এখন আমরা বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব কবে নির্বাচন। সিদ্ধান্ত হলে আপনাদের (সাংবাদিক) জানিয়ে দেব।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে সংলাপের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, না এ নিয়ে কোনো কথা হয়নি। আমরা আশা করি সবাই সহযোগিতা করবেন।
এর আগে দুপুরে পৌনে ১২টার পর বঙ্গভবনে যান সিইসি ও চার কমিশনার।
রেওয়াজ অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রপতির কাছে নির্বাচনের প্রস্তুতির সর্বশেষ অবস্থা জানায় নির্বাচন কমিশন। সেই ধারাবাহিকতায় দুপুরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সভার আয়োজন করবে কমিশন। ওই সভায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করা হতে পারে। একইসঙ্গে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হতে পারে।

এরপর বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণের মধ্য দিয়ে সিইসি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারেন।
সংবিধান অনুযায়ী সংসদের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান সংসদের মেয়াদ ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি শেষ হবে। এক্ষেত্রে ৯০ দিনের গণনা শুরু হবে ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে। নভেম্বরের মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও জানুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে মোট ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩। মোট ভোটারের মধ্যে নারী ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২, পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮৫২ জন।
সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তরুণদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ৫ লাখ ৪০ হাজার ১৯৩ জন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করেছে ইসি। এ তালিকা অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে।ইসি জানায়, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করা দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে। এরপরই তফসিল ঘোষণা হবে। ১৪ অথবা ১৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় ইসি। ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে বা জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে। এরই মধ্যে ১ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইসি।

মার্কন ড্রোন ভূপাতিত করলো ইয়েমেনের হুথিরা

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বুধবার (৯ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছিল হুথি বিদ্রোহীরা। তারা বলেছে, ইসরায়েলের পক্ষে ইয়েমেন উপকূলে নজরদারি ও ও গুপ্তচরবৃত্তি করছিল যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোনটি। সেটি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ইয়েমেন উপকূলে মার্কিন সামরিক বহিনীর একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে হুথি বিদ্রোহীরা।
২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে হুথি বিদ্রোহীরা। এছাড়াও দেশটির একটি বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করে তারা।
গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-হামাস সংঘাতে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকবার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা। তবে সেগুলোর বেশিরভাগই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগে ধ্বংস করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
২০০৭ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বহরে যুক্ত হয় অত্যাধুনিক রিপার ড্রোন। এগুলোর একেকটির দাম প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ ডলার (৩৫৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা প্রায়)।
নির্মাতা সংস্থা জেনারেল অ্যাটোমিক অ্যারোনটিক্যাল সিস্টেমসের তথ্যমতে, ড্রোনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৭৫ মাইল (৪৪২ কিলোমিটার) বেগে একটানা ৩৪ ঘণ্টা পর্যন্ত উড়তে পারে। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চালানোর সক্ষমতা রয়েছে এমকিউ-৯ ড্রোনের।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে ৪ কমিশনারসহ সিইসি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য বঙ্গভবনে গেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন চার নির্বাচন কমিশনার।
বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে বঙ্গভবনে যান তারা। উপস্থিত রয়েছেন কমিশন সচিন মো. জাহাংগীর আলমও।
জানা গেছে, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন-তারিখের সম্মতি আনার জন্য গিয়েছে ইসি। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলবেন সিইসি।
এদিকে সংবিধানে সংসদের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হবে।

এক্ষেত্রে ৯০ দিনের গণনা গত ১ নভেম্বর (২০২৩ ইং) থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোসণা এবং জানুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে ইসি জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের একটা পুরনো রীতি রয়েছে। সেই অনুযায়ী সাক্ষাৎ শেষে তফসিল ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করেছে ইসি। মোট ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩। এর মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২, পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন।

দ্বিতীয়বার দেশে ফেরা লিটনের ওপর চটেছে বিসিবি

বিশ্বকাপের মাঝপথে দেশে ফেরায় সাকিবের ওপর ক্ষেপেছিলেন অনেকেই। এবার একই ঘটনা ঘটলো লিটন দাসের ক্ষেত্রে।
এই নিয়ে দুইবার দেশে ফিরেছেন তিনি। যে কারণে তার দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
আসরের শুরু থেকে ব্যাট হাতে তেমন কোনো রান পাচ্ছিলেন না সাকিব আল হাসান। পরবর্তীতে নিজের ব্যাটিংয়ের উন্নতির জন্য দেশে ফিরেছেন তিনি। অনুশীলনও করতে দেখা গেছে টাইগার এই অধিনায়ককে। তারপর সমালোচনা কম হয়নি তার। দর্শকদের থেকে শুনতে হয়েছে দুয়ো। যদিও বিসিবি তাকে অনুমতি দিয়েছিল দেশে ফেরার।
একইভাবে দেশে ফিরেছেন লিটন দাস। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর কলকাতা থেকে দেশে ফেরেন তিনি, একদিন পর ভারতে গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেন। এবার আরও এক দফায় তিনি দেশে ফিরেছেন। বিসিবি তাকে কালকের মধ্যে পুনেতে ফিরে দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দিতে বলেছে অবশ্য।
বিসিবি থেকে অনুমতি দেওয়া হলেও দ্বিতীয়বার দেশে ফেরার ব্যাপারটি স্বাভাবিকভাবে নেওয়া হয়নি। টিম ম্যানেজম্যান্টের সদস্যদের কেউ কেউ তার এই সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফেরার জন্য প্রধান কোচ চান্ডিকা হাথুরুসিংহের কাছে ছুটি চান লিটন। লঙ্কান কোচ জানান, তার আপত্তি নেই; তবে দেশে ফিরতে হলে তাকে বিসিবির কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
দলের সঙ্গে থাকা বাংলাদেশের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনকে ছুটি চাওয়ার বিষয়টি জানান লিটন। বিসিবির এই পরিচালক যোগাযোগ করেন দেশে। আলোচনা করে সবুজ সংকেত মেলায় লিটনকে ছুটি দেন খালেদ মাহমুদ। যদিও এই আলোচনা স্বাভাবিক ছিল না। লিটন দ্বিতীয়বার দেশে ফিরতে ছুটি চাইলে বিসিবি থেকে আপত্তি তোলা হয়, না করে দেওয়া হয়। খালেদ মাহমুদ বিষয়টি নিজের মতো সামলে তাকে ছুটির ব্যবস্থা করে দেন।
নিয়ম মেনেই সব হয়েছে, কিন্তু ক’দিনের মাথায় দুইবার দেশে ফেরায় লিটনের দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিসিবির অনেকেই। দলের খারাপ সময়ে এভাবে বারবার দেশে ফেরার ব্যাপারটিকে তার ‘অজ্ঞতা’ মনে করেন কেউ কেউ। এ কারণে তাকে বারবার করে বলে দেওয়া হয়েছে কালকের মধ্যেই পুনেতে গিয়ে অনুশীলনে যোগ দিতে।
নিজেদের শেষ ম্যাচে আগামী ১১ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার মোকাবেলা করতে হবে বাংলাদেশকে। এই ম্যাচের আগে নির্দেশনা মতো অনুশীলনে যোগ না দিলে লিটনের ব্যাপারে কঠোরও হতে পারে বিসিবি।

হামাস-ইসরায়েল উভয়েই যুদ্ধাপরাধী : জাতিসংঘ

মধ্যপ্রাচ্যের আল আকসা অঞ্চলে গত এক মাস ধরে চলমান যুদ্ধের জন্য ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস— উভয়কেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের দপ্তর।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভোলকের তুর্ক বলেছেন, ‘গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী যে সহিংসতা চালিয়েছে তা কেবল ঘৃণ্য, নিষ্ঠুর এবং বেদনাদায়কই নয়; বরং যুদ্ধাপরাধ। কারণ, তারা এখনও শতাধিক জিম্মিকে আটকে রেখেছে।’
‘একইভাবে সেই হামলার জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী গত এক মাস ধরে গাজায় বোমা বর্ষণ ও সাধারণ ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তরের মাধ্যমে যে সামষ্টিক শাস্তি দিয়ে চলেছে, তা ও যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে।’
মঙ্গলবার গাজা ও মিসর উপত্যকার সীমান্তপথ রাফাহ ক্রসিং পরিদর্শনে গিয়ে এই কথা বলেন ভোলকের তুর্ক।
জাতিসংঘের হাই কমিশনার বলেন, ‘ইসরায়েল, গাজা ও পশ্চিম তীরের বাসিন্দারা যে অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তাকে এই অঞ্চলের গত ৫৬ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায় বলা যায়।’
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চলানোর পর সেদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। সেই অভিযান এখনও চলছে।
হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া হামলার প্রথম দিনই ইসরায়েল থেকে অন্তত ২৩৪ জনকে জিম্মি হিসেবে গাজায় ধরে নিয়ে গেছে হামাস। অন্যদিকে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর অভিযানে গাজায় নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ১০ হাজার। এই নিহতদের অর্ধেকেরও বেশি শিশু ও নারী।

নতুন শিক্ষাক্রমে অন্যান্য বিষয়ের মতো ধর্মীয় শিক্ষাও মূল্যায়ন হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, অনেকে বলছেন নতুন কারিকুলামে পরীক্ষা থাকবে না, ধর্মশিক্ষাও থাকবে না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অন্য বিষয়ে মূল্যায়ন যেমন হবে, ধর্মীয় শিক্ষাও সেভাবেই মূল্যায়ন হবে। আমরা শিক্ষার সঙ্গে জীবন এক করে দিতে চাই। ছাত্র-ছাত্রীরা এখন জীবনমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। চার দেয়ালের মধ্যে এখন আর শিক্ষার সীমাবদ্ধ থাকবে না।
বুধবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন অ্যাপ নৈপুণ্যের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মতামত সেশন সঞ্চালনার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী আরো বলেন, একটি মহল গুজব ছড়াচ্ছে নতুন কারিকুলামে ধর্ম শিক্ষাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। বাস্তবতা হলো সব বিষয়কে সমানভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
এর আগে মন্ত্রী নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন অ্যাপ নৈপুণ্যের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন।
দৈনিক আমাদের বার্তার পক্ষ থেকে করা এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংগ্রহ করতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ অ্যাপটিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে এ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষার্থীদের রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করবে।
জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে চালুকৃত মূল্যায়ন পদ্ধতির তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য ‘নৈপুণ্য’ নামের অ্যাপটি উন্নয়ন করা হয়েছে। এটুআইয়ের কারিগরি সহায়তায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এর দায়িত্বে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে এনসিটিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ অ্যাপে শিক্ষকদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমেই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। প্রধান শিক্ষকদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে অ্যাপে লগইন করা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠানো হয়েছে। তা ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষকরা অ্যাপে লগইন করতে পারবেন। শিক্ষক ব্যবস্থাপনা অপশন থেকে শিক্ষকদের যুক্ত করা যাবে এবং বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করা যাবে। কোনো শিক্ষককে যুক্ত করা হলে তার মুঠোফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড চলে যাবে। যা দিয়ে ওই শিক্ষক অ্যাপের ড্যাশবোর্ডে লগইন করতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে৷ এটি ব্যবহার করেই সক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করতে হবে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, সুন্দর করে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বিষয় এই অ্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশের যে যাত্রা শুরু হয়েছে এটি তার প্রমাণ। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই স্মার্ট নাগরিক তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল সংস্কার শুরু হয়েছে- যা অনেকের প্রত্যাশা ছিল। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখন অন্য এক দিগন্তে এগিয়ে যাচ্ছে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বক্তব্যে বলেন, নতুন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে অনেক অপপ্রচার হচ্ছে। নতুন শিক্ষা কারিকুলামে মুখস্তবিদ্যা থেকে বের হতে পারবো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দ্র মজুমদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক সুভাষ সিংহ রায়, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম, সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদসহ শিক্ষা প্রশাসনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থল অভিযানে নাকাল, যুদ্ধবিরতিতে রাজি হচ্ছে ইসরায়েল!

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় স্থল অভিযানে গিয়ে বেকায়দায় পড়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসের সশস্ত্র শাখা বুধবার ঘোষণা করেছে যে, গাজায় ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ১৩৬টি ইসরায়েলি সামরিক যান ধ্বংসের তথ্য নথিভুক্ত করেছে। এদিকে গাজায় এক বা দুইদিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিতে ইসরায়েল রাজি হতে পারে বলে জানিয়েছে কাতার।
হামাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত আল-আকসা টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি বক্তৃতায় মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেছেন, ‘আমরা ইসরায়েলি স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ১৩৬টি ইসরায়েলি সামরিক যান ধ্বংসের নথিভুক্ত করেছি শত্রু (ইসরায়েল) বিদেশি বন্দীদের মুক্তিতে বাধা দিচ্ছে বিমান হামলা জোরদার করে এবং গণহত্যা করে। তারা কয়েকদিন আগে তাদের ১২ জনের মুক্তিতে বাধা দিয়েছিল।’
সম্ভাব্য বন্দী বিনিময় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের একমাত্র পদ্ধতি হলো বন্দীদের বিনিময়ের জন্য একটি ব্যাপক চুক্তি, তা সম্পূর্ণভাবে হোক বা আংশিকভাবে হোক বা দলগতভাবে হোক। ইসরায়েলের কারাগারে থাকা আমার বন্দী।’
বুধবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ২৭ অক্টোবর থেকে অবরুদ্ধ গাজায় স্থল অভিযানের সময় ৩৩ সেনা নিহত হয়েছে। একটি সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উত্তর গাজা উপত্যকার যুদ্ধে আর্টিলারি কর্পসের একজন সৈন্য নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুই সেনা।
ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উত্তর গাজা উপত্যকায় সংঘাতের সময় বিমান বাহিনীর অভিজাত শালদাগ ইউনিটের আরেক সৈনিকও নিহত হয়েছে। ইসরায়েল বলেছে যে ২৭ অক্টোবর থেকে অবরুদ্ধ গাজায় স্থল অভিযানের সময় তাদের ২৬০ সেনা আহত হয়েছে।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় স্থল অভিযান চালাতে যাওয়া সেনারা বেশ ভালোই এগিয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জোনাথান কনরিকাস। তবে তিনি সঙ্গে এও স্বীকার করেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য হামাসও বেশ ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে।

‌‘জার্নি টু পার্লামেন্ট’ বইটি ইতিহাসের অমূল্য দলিল: স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, কাজী ফিরোজ রশীদের আত্মজীবনীমূলক বইটিতে ভিন্ন ধাঁচে ঘটনাবহুল জীবনের কাহিনী উঠে এসেছে। বইটিতে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন ঘটনাবলী বিবৃত হয়েছে। ‌‘জার্নি টু পার্লামেন্ট’ বইটি ইতিহাসের অমূল্য দলিল।
বুধবার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের এল.ডি হলে রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশীদের লেখা ‘জার্নি টু পার্লামেন্ট’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে অনন্যা প্রকাশনীর সত্ত্বাধিকারী মনিরুল হক এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ, বিচারপতি শামসুদ্দিন আহমেদ মানিক এবং জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বইটি প্রসঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এবং রুস্তম আলী ফরাজী উপস্থিত ছিলেন।
স্পিকার বলেন, বইটিতে লেখকের জন্ম থেকে শুরু করে কৈশোর, শিক্ষা জীবন, রাজনীতিতে হাতে খড়ি এবং গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসা সবই চমৎকারভাবে বিবৃত হয়েছে। এই বইটির মাধ্যমে লেখক সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যাহত থাকার প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন।
স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে কাজী ফিরোজ রশীদ যুক্ত ছিলেন। কাজী ফিরোজ রশীদ ভাগ্যবান যে, তিনি বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু তাকে যুবলীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

অবরোধের ৬ দিনে ক্ষতি ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি : জয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, শুধুমাত্র ২৮ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত অবরোধে দেশের অর্থনীতির আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি।
বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে জয় লেখেন, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সহযোগীদের ডাকা মোট ছয় দিনের অবরোধ ও হরতালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দিনমজুর এবং এসএমই খাত। সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যা আমদানিকারক এবং রফতানিকারক উভয়কেই ইতিমধ্যেই সংকটজনক অর্থনৈতিক সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। শিশু ও যুবকদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

রাজনীতি বিষয়ে বাংলাদেশি ইংরেজি ভাষার ব্লগ ‘bdanalytica’-এ প্রকাশিত একটি নিবন্ধের ওয়েব লিঙ্ক শেয়ার করে জয় লিখেছেন, ‘প্রধানত বাস এবং ট্রাকগুলোকে লক্ষ্য করে অন্তত ১১০টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ‘
জয় আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি ও তাদের সহযোগীরা তাদের গুন্ডাদের প্রতিটি হামলার জন্য ৩ হাজার টাকা দিচ্ছে। পরিবহন খাতের দুর্দশা জীবনযাত্রার সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে, কারণ, বেশি ঝুঁকির কারণে ভাড়া আকাশচুম্বী হয়েছে।