বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

অবরোধের নামে গাড়ি পোড়ানো রাজনীতির ভেতরে পরে না : হানিফ

অবরোধের নামে গাড়ি পোড়ানো রাজনীতির ভিতরে পরে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।
আজ রোববার সকালে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হরতাল-অবরোধ থাকবে কিন্তু অবরোধের নাম করে গাড়ি ভাঙচুর, পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরানোসহ মানুষকে হত্যা করা, এটা কোন রাজনীতির ভিতর পরে না বরং এটা হচ্ছে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। বিএনপি অবরোধের নামে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তবে, জনসাধারণ বিএনপির অবরোধে আর ভয় না পেয়ে দূর পাল্লার গাড়িতে চলাচল করছে। এতে জনসাধারণের মধ্যে ধীরে ধীরে আতঙ্ক কমছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ দেশের মানুষ বিএনপিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে চিনে। রাজনৈতিক দলের কাজ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা। অবরোধের নামে আগুন দিয়ে বাস পোড়ানো রাজনৈতিক কর্মসূচি হতে পারে না। এসব কর্মকান্ড থেকে বিএনপিকে সরে আসতে হবে, তা না হলে ভবিষ্যতে জনগণের কাছে জবাব দিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে গাজার হাসপাতালগুলোয় বিপর্যয়

ইসরায়েলি বাহিনী এবং হামাসের মধ্যে রোববার প্রচন্ড লড়াইয়ে গাজার হাসপাতালে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়েছে। চিকিৎসক ও সাহায্যকর্মীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যুদ্ধে বিরতি নাহলে জরুরি জীবনরক্ষাকারী সুবিধাগুলোর অভাবে রোগীরা মারা যাবে।
এএফপি টেলিভিশনের চিত্রগুলোতে দেখা যায়, বোমা বিষ্ফোরণের উজ্জ্বল শিখাগুলো গাজা শহরের রাতের আকাশ আলোকিত করে বিস্ফোরণের প্রচন্ড শব্দ শহরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। হামাসকে ধ্বংস করতে ইসরায়েলের বিমান এবং স্থল অভিযান মূল চিকিৎসা স্থাপনার কাছে নিয়ে এসেছে।
চিকিৎসা সহায়তা গোষ্ঠী ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস রোববার ভোরে সতর্ক করে দিয়েছে, ‘যদি আমরা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এই রক্তপাত বন্ধ না করি বা রোগীদের হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা না করি, তাহলে এই হাসপাতালগুলো মর্গে পরিণত হবে।’
ভূখন্ডের সবচেয়ে বড় গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতাল ‘পুরোপুরি ঘিরে রাখা হয়েছে এবং কাছাকাছি বোমা হামলা চলছে।’ হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া শনিবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসক দল কাজ করতে পারছে না এবং কয়েক ডজন মৃতদেহ পড়ে আছে, তাদের সরিয়ে নেয়া বা কবর দেয়া যাচ্ছে না।’
ডক্টরস উইদাউট বর্ডার সার্জন মোহাম্মদ ওবেদ বলেন, হাসপাতালের অভ্যন্তরে প্রায় ৬০০ পোস্ট-অপারেটিভ রোগী, ৩৭-৪০ নবজাতক এবং ১৭ জন নিবিড় পরিচর্যায় থাকা রোগীর জন্য পানি, বিদ্যুৎ ও খাবার নেই, ইন্টারনেট সুবিধা নেই। হাসপাতালের চত্বরে আরও অগণিত মানুষ আশ্রয় খুঁজছেন।
সার্জন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি অডিও বার্তায় বলেছেন, আল-শিফা নবজাতক ইউনিটে তাদের ইনকিউবেটরগুলোর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পরে দুটি শিশু মারা গেছে এবং ভেন্টিলেটর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এক ব্যক্তি মারা যায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা হাসপাতালের চারপাশে ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছি। তারা হাসপাতালের চারপাশের সবকিছুকে আঘাত করেছে।’
তিনি বলেন, একজন স্নাইপার হাসপাতালের মধ্যে চারজন রোগীকে গুলি করেছে, এদের একজনের ঘাড়ে এবং আরেকজন পেটে গুলিবিদ্ধ হয়। সার্জন বলেছেন, নিরাপত্তার জন্য গাজার আরও দক্ষিণে যাওয়ার চেষ্টাকারী লোকেরা বোমা হামলার সম্মুখীন হয়েছে। জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আল-শিফা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ডব্লিউএইচও এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ডব্লিউএইচও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশুসহ শত শত অসুস্থ ও আহত রোগী এবং হাসপাতালের অভ্যন্তরে থাকা বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আল-শিফা হাসপাতালে হামলা বা অবরোধের কথা অস্বীকার করেছে এবং বারবার হামাসকে কমান্ড সেন্টার এবং আস্তানা হিসাবে চিকিৎসা সুবিধা ব্যবহার করার অভিযোগ করেছে। হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা জানায়, গাজার ৩৬ টি হাসপাতালের মধ্যে বিশটি ‘আর কাজ করছে না’।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি গাজা শহরের আল-কুদস হাসপাতালেও মানুষের সুরক্ষার জন্য ‘অবিলম্বে এবং জরুরি’ পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবিক সহায়তা গোষ্ঠীগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
রেড ক্রিসেন্ট শনিবার বলেছে, আল-কুদস হাসপাতালেও কাছাকাছি কামানের গোলাগুলিতে ‘হাসপাতাল ভবন কেঁপে উঠেছে। হাসপাতালে গুলি চালানো হয়েছে।’ যেখানে প্রায় ৫০০ রোগী এবং ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় খুঁজছিল। এতে বলা হয়েছে, বুকের দুধের বিকল্পের অভাবের কারণে শিশুরা ডিহাইড্রেশনের মুখোমুখি হয়েছে।
যুদ্ধের কারণে অচল হয়ে পড়া অন্যান্য হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে উত্তর গাজার ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতাল, যেখানে পরিচালক আতেফ আল-কাহলোট বলেছেন, জ্বালানির অভাবে তাদের ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট, মেডিকেল স্ক্যানার এবং লিফ্টগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিতে বাধ্য করেছে।
আল-কাহলোট বলেছেন, ‘হাসপাতালটি তার ক্ষমতার ৩০-৪০ শতাংশ নিয়ে কাজ করছে।’
হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইসরায়েলের অভিযানে গাজায় ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক এবং তাদের মধ্যে হাজার হাজার শিশুও রয়েছে।
হাসপাতালের পরিষেবা পতনের কারণে দুই দিন ধরে মৃত্যু সংখ্যার আপডেট করেনি মন্ত্রণালয়।
তীব্র লড়াই গাজার দক্ষিণের দিকে মানুষের যাত্রা ত্বরান্বিত করেছে। গাজার দক্ষিণ রাফাহ প্রান্তে ভবনগুলোতেও হামলা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, ৭ অক্টোবর থেকে প্রায় ১৬ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এটি গাজার জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের সমান।
সংঘাত আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতে যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। লেবাননের সাথে সীমান্ত বরাবর আন্তসীমান্ত গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটেছে নিয়মিত।
সৌদি রাজধানী রিয়াদে আরব ও মুসলিম নেতৃবৃন্দের এক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য ইসলামি সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবমুখী শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সরকার নতুন শিক্ষাক্রম চালু করেছে। মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে বাস্তবমুখী শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (১২ নভেম্বর) সকালে চাপড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়বে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একসঙ্গে ৩৭ হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণ করেন। তার সুযোগ্য কন্যা পরবর্তী সময়ে প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেন।
শেখ হাসিনা একজন শিক্ষানুরাগী উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নওগাঁবাসীকে তিনি একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিয়েছেন।
নিয়ামতপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি রুপম দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান বিপ্লব, ভাবিচা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ওবাইদুল হক ও চাপড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোকসেদ আলী।

বিএনপি দেশের গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে চায় : তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তারা দেশের গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে চায়। দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। স্বপ্ন দেখতে দেখতে ১৫ বছর কেটেছে, আগামী কত বছর কাটবে জানি না।
আজ রোববার (১২ নভেম্বর) তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশ কি বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, নাকি আপনারা শেষ পর্যন্ত বিএনপির অংশগ্রহণের জন্য অপেক্ষা করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তাদের এত জনপ্রিয়তা তারা বলেন, সেটি যাচাই করুক। তাদের এত উদ্যোগী কর্মী যারা ২০ মিনিটে ময়দান ছেড়ে চলে গেছেন, তারা কতটুকু নামে আমরা একটু দেখি। তাদের এত জাদরেল নেতা, পুলিশের আওয়াজে- কোনো গুলি হয়নি, কোনো টিয়ার গ্যাসও (নিক্ষেপ) হয়নি, ছোটবেলায় যে বড় বাজি ফোটাতাম সেই বাজির আওয়াজ হয়েছে, সেই আওয়াজে মঞ্চ ছেড়ে চলে গেলেন। তারা নির্বাচনে আসুক, এসে দেখুক তাদের কতটুকু জনপ্রিয়তা। কর্মীরা কতটুকু নামে, এই নেতাদের ওপর কতটুকু আস্থা রাখে। আমরা চাই তাদের সঙ্গে নির্বাচন করতে। নির্বাচনের সিডিউলের মধ্যে তারা এলে তাদের নিয়েই নির্বাচন হবে।
যদি তারা না আসে? এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি দেশে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে অব্যাহত রাখার জন্য নির্বাচন হতে হবে। কোনো একটি দল না এলেও আরও অনেক দল তো অংশগ্রহণ করবে। জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে।
তিনি বলেন, যেখানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রতিটি শহর প্রতিটি গ্রাম বদলে যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশ ধ্বংসের জন্য পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে জনগণের ওপর, জনগণের গাড়ি-ঘোড়ার ওপর এবং তারা কোনো উন্নয়ন দেখতে পায় না।
সবাই মিলে সোচ্চার হয়ে এগুলো বন্ধ করতে হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।
অবরোধ ডেকে আগের দিনই বিএনপি হামলা চালাচ্ছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি কি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে? এগুলোকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বললেও কম বলা হয়। তারা রাস্তায় নেমে এসে ব্যারিকেড দিক। আমরা অবরোধ দেখেছি, আপনারা পালন করুন। সেটি তো তারা করে না, চোরাগোপ্তা হামলা চালায়। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে না।
বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে জাতিসংঘের বিবৃতির বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, তাদের (বিএনপি) আন্দোলন করার অধিকার আছে। সরকারের পদত্যাগ চাওয়ার অধিকার আছে, আমার পদত্যাগ চাওয়ার অধিকার আছে। সেই অধিকার মানে তো গাড়ি-ঘোড়া পোড়ানো নয়। এটিকে কেউ সমর্থন করেনি, করে না। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের অনেকে তাদের এ কর্মকাণ্ডকে কনডেম করেছে। তারা অনেককে নানাভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। তাদের এই কর্মকাণ্ডকে কেউ সমর্থন করে না করতে পারে না।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বৈঠকের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতে যে বৈঠকটি হয়েছে সেটি ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। সেই বৈঠকের বিষয় একান্তই তাদের। সেখানে কী আলোচনা হয়েছে সেটি পত্রপত্রিকায় এসেছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্বাচন, উন্নয়ন- এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অবশ্যই ভারত যেটি বলেছে, যথার্থ বলেছে। বাংলাদেশের জনগণের ঠিক করবে নির্বাচনের মাধ্যমে কারা ক্ষমতায় আসবে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়েছে- এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি সরকারের হাতে নেই। খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনের হাতে, আদালতের হাতে। সরকার চাইলেই তো মুক্তি দিতে পারবে না। সরকারের কাছে যেটুকু ক্ষমতা ছিল সেটা দিয়ে তার সাজা স্থগিত রেখে তাকে ঘরে থাকার ব্যবস্থা সরকার করে দিয়েছে, বাকিটা আদালতের বিষয়।
বিএনপি নির্বাচন করতে দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে- এ বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া সেটি যেকোনো রাজনৈতিক দলের অধিকার আছে। কিন্তু নির্বাচন প্রতিহত করার এখতিয়ার কারো নেই। নির্বাচন প্রতিহতের কথা বলা মানেই দেশবিরোধী ও গণতন্ত্রবিরোধী কথাবার্তা। সুতরাং দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী বক্তব্য যারা রাখবে কিংবা অপচেষ্টা চালাবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। সরকার, জনগণ, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে অব্যাহত রাখা। সেজন্য যা কিছু করা প্রয়োজন, সেগুলো করা হবে।

পোশাক খাতের অস্থিরতায় ইন্ধন দিচ্ছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তৈরি পোশাক খাতে যে অস্থিরতা চলছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা তা উসকে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
তিনি বলেন, সব জায়গায় ব্যর্থ হয়ে এই জায়গায় এসে সফলতা পাওয়ার চেষ্টা করছে তারা।
রোববার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে এ দাবি করেন মন্ত্রী।
আজকেও মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ হয়েছে। এর কারণ কী জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‌‘প্রধানমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের ৫৬ শতাংশ মজুরি বাড়িয়েছেন। অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছেন। ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। অনেকের মনের সংশয় আছে, দ্বিধা আছে, এরকম আমরা শুনতে পাচ্ছি। সেকেন্ড গ্রেড, থার্ড গ্রেড, ফোর্থ গ্রেড এগুলোর কি হবে। মালিকপক্ষ নিশ্চয়ই এগুলোর সমাধান করবেন, তারা তো ব্যবসা-বাণিজ্য করবেন। সমাধান করার ক্ষেত্রটি আগুন নয়, সমাধান করার ক্ষেত্রে ভাঙচুর নয়, সমাধান করার ক্ষেত্রে রাস্তা অবরোধ করা নয়।’
তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে প্রণিধানযোগ্য যে বিষয়গুলো, ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে আমরা যা পাচ্ছি। এর প্রায়গুলোই বিএনপির অ্যাক্টিভিস্ট। আমরা দেখেছি কুষ্টিয়ার একজন নেতা কোনাবাড়িতে এসে শ্রমিকদের উৎসাহ দিচ্ছিল, তাদের ঐক্যবদ্ধ করছিল। ‌বিভিন্ন স্থানে যেগুলো ক্যামেরাবন্দি হয়েছে, যাদের আমরা ধরতে পেরেছি- এর সবগুলোই বিএনপির অ্যাক্টিভিস্ট।’
‘এরাই এ নিরীহ শ্রমিকদের উসকে দিচ্ছেন। তাদের জড়ো করছেন। সর্বক্ষেত্রে ফেল করে এ জায়গায় সফলতা পাওয়া যায় কিনা, তারই একটা ব্যবস্থা হয়তো তারা করতে চাচ্ছেন।’
মজুরির বিষয়ে কোনো আপত্তি থাকলে শ্রমিকরা মালিকদের সঙ্গে বসে সমাধান করতে পারতো জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটি না করে তারা এসব করলে নিজেদের যেমন ক্ষতি হয়, দেশেরও ক্ষতি হচ্ছে, এটা তাদের চিন্তা করা উচিত।’
এর মানে শ্রমিক আন্দোলনে বিএনপির ইন্ধন রয়েছে- জিজ্ঞাসা করতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই ইন্ধন আছে, আমরা সেটিই বলছি যে ইন্ধন রয়েছে।’

গাজার ফিল্ড হাসপাতালের জন্যে বিমান থেকে ত্রাণ ফেলেছে জর্ডান

গাজা উপত্যকায় আম্মান পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতালের জন্যে বিমান থেকে মানবিক ত্রাণ ফেলেছে জর্ডান। জর্ডানের সামরিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে টাইমস অব ইসর্ইাল এ খবর জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্যারাসুট ব্যবহার করে এসব ত্রাণ গাজায় ফেলা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস ইসরাইলে হামলা চালালে ইসরাইলও গাজায় পাল্টা অভিযান শুরু করে। ইসরাইলের বর্বর এ অভিযান অব্যাহতভাবে চলছে। গাজার পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

আটকেপড়া বিদেশিদের সরিয়ে নিতে ফের খুলবে রাফাহ ক্রসিং

গাজা-মিসর সীমান্তের রাফাহ ক্রসিং রোববার আবারও খুলে দেওয়া হতে পারে। শনিবার অবরুদ্ধ গাজায় আটকেপড়া বিদেশি পাসপোর্টধারী ও তার নির্ভরশীলদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য এই ক্রসিং খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে গাজা সীমান্ত কর্তৃপক্ষ।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মিশরের এই রাফাহ ক্রসিং গাজায় প্রবেশের একমাত্র প্রবেশদ্বার যেখানে ইসরাইলের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। অবরুদ্ধ গাজায় ত্রাণবহর প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে রাফাহ ক্রসিং। এই ক্রসিং দিয়ে সরে যাচ্ছেন দেশি-বিদেশি হাজার হাজার মানুষ।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অনির্দিষ্ট নিরাপত্তার স্বার্থে গাজা-মিশর সীমান্ত ক্রসিং বুধবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
মিসরীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত ক্রসিং স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় বিদেশি এবং চিকিৎসাকর্মীদের স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে।

৭ বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

বাঙালির গৌরব, আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার প্রতীক জাতির সূর্যসন্তান সাত বীরশ্রেষ্ঠ স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
আজ রোববার (১২ নভেম্বর ) ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় নির্মিত এ ভাস্কর্য উদ্বোধন করেন তিনি।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে আপামর জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর বাঙালি সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এ স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে রয়েছে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী ৩০ লাখ শহীদ এবং সাতজন অকুতোভয় বীরশ্রেষ্ঠর চিরস্মরণীয় অবদান।
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’- সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে। ভাস্কর্যের সম্মুখে ‘ফোয়ারা’- নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’- যা দিয়ে নির্দেশ করা হয়েছে, বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্য সন্তান এবং তারা সূর্যরশ্মির ন্যায় দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারী ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।
অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা, অন্যান্য অফিসার, জুনিয়র কমিশনড অফিসার, অন্যান্য পদবির সেনাসদস্য ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফিলিস্তিন যুদ্ধ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর ৫ সুপারিশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসন বন্ধে পাঁচটি সুপারিশ পেশ করেছেন। অবিলম্বে এই আগ্রাসন বন্ধের জন্যে বিশ্ব ক্রমাগত আহ্বান জানিয়ে আসছে। তা সত্ত্বেও ইসরায়েলের এই আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে।
পূর্বে রেকর্ডকৃত এবং ৮ম বিশেষ ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলনে সম্প্রচারিত ভাষণে তিনি এ পরামর্শ দেন। গত ৯ নভেম্বও থেকে রিয়াদে এই শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে।
ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নৃশংস ও নজিরবিহীন আগ্রাসন নিয়ে আলোচনার জন্য সৌদি আরবের আমন্ত্রণে এই শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী প্রথমে, ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইসরাইল পরিচালিত জঘন্য একতরফা যুদ্ধ বন্ধে অবিলম্বে ‘যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানান (এটা দরকার)।
তিনি বলেন, এই যুদ্ধ অন্যায্য এবং এটি মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের নির্মম লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজা জ্বলছে এবং এখনো তা অব্যাহত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইসরায়েল কোনো বিরতি ছাড়াই নির্দয় তা-ব চালাচ্ছে, হাসপাতাল ও বেসামরিক অবকাঠামোতে বোমাবর্ষণ করছে এবং হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।’
প্রধানমন্ত্রী তার দ্বিতীয় সুপারিশে বলেন, বিধ্বস্ত গাজার আটকে পড়া বাসিন্দাদের জন্য খাদ্য, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জীবন রক্ষাকারী উপকরণের অবিচ্ছিন্ন, দ্রুত এবং নিরাপদ সরবরাহের জন্য অবিলম্বে একটি মানবিক করিডোর খোলার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, বিরামহীন ইসরায়েলি বোমা হামলায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার এ সময়ে, মনে হচ্ছে আমরা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্য দেখে অচল হয়ে পড়েছি।
তিনি বলেন, ‘অন্তত একটি নিরাপদ মানবিক করিডোরের জন্য আমাদের দ্রুত কাজ করা দরকার।’
তৃতীয়ত, শেখ হাসিনা বলেন, নিরপরাধ বেসামরিক মানুষ হত্যা এবং বর্বর উপায়ে এলাকাগুলো উচ্ছেদ করায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, ‘এই ধরনের জঘন্য কাজের শাস্তি হওয়া উচিত যাতে গাজায় যাদের বাড়িঘর রয়েছে তারা আবারও তাদের নিজ দেশে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে।’
চতুর্থত, তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই জাতিসংঘ, আরব শান্তি উদ্যোগ এবং কোয়ার্টেট রোড ম্যাপে সম্মত হওয়া সিদ্ধান্তগুলো পুনরায় দেখে নেয়া এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে যা এই অঞ্চলের জনগণের মধ্যে স্থায়ী শান্তি আনবে।’
পঞ্চম পরামর্শে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের ভাই ও বোন যারা গত ৫৫ বছর ধরে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং তাদের নিজস্ব মাতৃভূমির অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন সময় এসেছে যে আমরা সবাই একসাথে তাদের পাশে দাঁড়াই এবং তাদের ন্যায্য দাবিটি উপলব্ধি করতে তাদের সহায়তা করি।’
তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুরা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং যুবকরা তাদের জীবন দেয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা শান্তিতে বিশ্বাসী এবং অন্য দেশের সব ধরনের যুদ্ধ ও দখলদারিত্বের বিরোধিতা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই যে কোনো সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হোক। সবার কাছে আমার আবেদন: যুদ্ধ বন্ধ করুন; অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। প্রতিটি দেশ তার সার্বভৌমত্ব এবং শান্তিতে বসবাসের অধিকার ফিরে পাক। এতেই নিহিত রয়েছে মানবজাতির কল্যাণ।’
প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে এবং আল-কুদস আল-শরীফকে রাজধানী করে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তিতে আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই ও বোনদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার অধিকারকে সমর্থন করে এবং তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি আপনারা সকলেই তা করবেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, আজকের শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য তিনি মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বৈঠকটি ইসরায়েলকে প্রতিরক্ষাহীন ফিলিস্তিনিদের ওপর নিষ্ঠুর আক্রমণ বন্ধ করার জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।’
কয়েক দশক ধরে গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ উন্মুক্ত কারাগার হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, একসময় নির্যাতিত ইহুদি জনগণ এখন নির্মমভাবে তাদের ঘরবাড়ি, আশা-আকাঙ্খা ও পরিবারগুলোকে ধ্বংস করছে যারা তাদের কঠিন দিনগুলোয় আশ্রয় দিয়েছিল।
খবর বাসস

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৫

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
শনিবার (১১ নভেম্বর) ৬টা থেকে রোববার (১২ নভেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি বলেন, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৭ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ গ্রাম ১০০ পুরিয়া হেরোইন ও ৬০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৯টি মামলা করা হয়েছে।