মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬

নির্বাচনের ১০ দিন আগেই মাঠে নামছে বিজিবি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে সাড়ে সাত লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৭ হাজার সদস্য মাঠে নামবেন নির্বাচনের ১০ দিন আগেই।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বিজিবি সবার আগে মাঠে নামবে। ভোটের পরে দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের আগে ১০ দিন, মোট ১৩ দিনের জন্য এই বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন। তবে প্রয়োজন হলে আরও বেশি দিন তাদের রাখা হতে পারে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলতে- পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), আনসার বাহিনী, ব্যাটালিয়ন আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও কোস্টগার্ডকে বোঝায়। আর সশস্ত্র বাহিনী বলতে নৌ-বাহিনী, বিমান বাহিনী ও সেনা বাহিনীকে বোঝায়। গতবারের মতো এবারও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মোতায়েন করা হতে পারে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো তাদের লোকবল ও চাহিদার কথা জানিয়েছে ইসিকে। আর সশস্ত্র বাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হলে সেই সময় তারা তাদের ছক ও চাহিদা জানাবে।
জানা গেছে, আনসার মোতায়েন থাকবে ভোটের আগের পরে মোট ছয় দিন। আর পুলিশ মোতায়েন থাকবে পাঁচ দিন। অন্যান্য বাহিনীও একই সময়ের জন্য নিয়োজিত হতে পারে। তবে সশস্ত্র বাহিনীকে ভোটের দায়িত্ব দিলে আরও বেশি দিনের জন্য মোতায়েন করা হতে পারে।
সংসদ নির্বাচনের জন্য এবার সাড়ে সাত লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এক্ষেত্রে আনসারের পাঁচ লাখ ১৬ হাজার সদস্য, কোস্টগার্ডের দুই হাজার ৩৫০ জন, বিজিবির ৪৬ হাজার ৮৭৬ সদস্য, র‌্যাবসহ থাকবে এক লাখ ৮২ হাজার ৯১ জন। অর্থাৎ সাত লাখ ৪৭ হাজার ৩২২ জন সদস্য ভোটের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।
এদিকে আনসার জনপ্রতি ৬৩৭ টাকা থেকে এক হাজার টাকা, কোস্টগার্ড ৬৩৭ টাকা থেকে এক হাজার ৮২০ টাকা, বিজিবি ৪শ টাকা থেকে এক হাজার ২২৫ টাকা এবং পুলিশ ৪শ টাকা থেকে এক হাজার ৬০৬ টাকা জনপ্রতি পাবে। এর সঙ্গে যোগ হবে খাবার ও ফুয়েলের মতো খরচ। ইতোমধ্যে বাহিনীগুলো মোট এক হাজার ৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে। সবচেয়ে বেশি টাকা চেয়েছে পুলিশ। এই বাহিনী চাহিদা দিয়েছে ৪৩০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আনসার বাহিনী চেয়েছে ৩৬৬ কোটি ১২ লাখ টাকা। এছাড়া বিজিবি ১৪৫ কোটি ৮৭ লাখ, র‌্যাব চেয়েছে ৫০ কোটি ৬৩ লাখ, কোস্টগার্ড ৭৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা চেয়েছে। সংসদ নির্বাচনে এবার বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ ২০ হাজার সদস্যকে ১০ দিনের জন্য এবং অন্যান্য বাহিনীর সাত লাখের মতো সদস্যদের ছয় থেকে ১১ দিনের জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল। তখন বিজিবি ও র‌্যাব ১১ দিনের জন্য মাঠে ছিল। সেই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৬৫ কোটি টাকা। দ্রব্যমূল্য বাড়ায় এবার সেই ব্যয় বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিয়োজিত করা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন বাহিনী একটি বরাদ্দ অ্যাডভান্স চেয়েছে। সবকিছু পর্যলোচনা করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানাবে কমিশন।
ইসি সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবারের সংসদ নির্বাচনেও দুই হাজারের মতো বিচারিক ও নির্বাহী হাকিম ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হতে পারে। তাদের পেছনেও একটি মোটা অংকের টাকা ব্যয় হবে।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।
এবার নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। আর ভোটকেন্দ্র হচ্ছে ৪২ হাজার ১০৩টি। এক্ষেত্রে প্রায় ১০ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রয়োজন হবে, যাদের নিয়োগ দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

যুদ্ধবিরতি : হামাস-ইসরাইলের আরও ৪৪ জন মুক্তি পেলো

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ এলাকা গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস ও ইসরাইলের সম্মতিতে যুদ্ধবিরতি বর্ধিত করার পর আরও ১১ ইসরাইলি ও ৩৩ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) গভীর রাতে হামাস তিন বছর বয়সী যমজ শিশুসহ আরও ১১ ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়। এ নিয়ে মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরায়েলি জিম্মির মোট সংখ্যা ৫০ জনেরও বেশি বলে জানিয়েছে দেশটি। মুক্তি পাওয়া ইসরাইলি বন্দিদের মধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি বা আর্জেন্টিনার দ্বৈত নাগরিকও ছিল। খবর বিবিসির।
বিনিময়ে ৩৩ ফিলিস্তিনিকে ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৩০ জন শিশু এবং তিনজন নারী।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর গাজার সীমান্ত সংলগ্ন ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের নজিরবিহীন হামলায় ১২০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ সময় হামাস ইসরাইল থেকে প্রায় ২৪০ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায়।
হামাসের হামলার পর ওইদিন থেকেই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী। ৪৮ দিন ধরে তাদের অবিরাম হামলায় গাজার বাসিন্দা সাড়ে ১৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়। কাতারের মধ্যস্থতায় ৪৮ দিন পর তারা হামলা থামিয়ে যুদ্ধে চার দিনের যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে পৌঁছায় হামাস ও ইসরাইল।
গত শুক্রবার শুরু হওয়া চার দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কথা ছিল গতকাল সোমবার। পরে কাতারের মধ্যস্ততায় ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই দিন বাড়াতে রাজি হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে হামাস আরও ২০ জন নারী ও শিশুকে মুক্তি দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

পাপুয়া নিউগিনিতে ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

পাপুয়া নিউগিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৫। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এই দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলে শক্তিশালী এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
অবশ্য ভূমিকম্পের জেরে সুনামির কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার পাপুয়া নিউ গিনির উত্তর উপকূলে ৬.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। তবে সুনামির কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।
এএফপি বলছে, ভূমিকম্পটি উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার (১২ মাইল) দূরে আঘাত হানে। এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দ্বীপ রাষ্ট্রটির ইস্ট সেপিক প্রদেশের রাজধানী উইকাক শহর থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ১২ কিলোমিটার (সাত মাইল) গভীরতায় ছিল বলে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র পৃথক এক বুলেটিনে বলেছে, ‘কম্পনের জেরে সুনামি হওয়ার কোনও হুমকি নেই’।
উল্লেখ্য, পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিকম্পের ঘটনা বেশ সাধারণ। এই দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত। এছাড়া টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে ঘর্ষণের কারণে ভূমিকম্পের ক্রিয়াকলাপের জন্য এই অঞ্চলটি একটি হটস্পট।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামতে পারে বাংলাদেশ

ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্যর্থ মিশন শেষে পুনরায় মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এবার যাত্রা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভালো কিছু করে দেখানোর। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আগের দুই চক্রেই টেবিলের তলানিতে ছিল বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সকাল সাড়ে ৯টায় ম্যাচটি শুরু হবে। গাজী টিভি ও টি স্পোর্টস সরাসরি ম্যাচটি দেখাবে।
২০১৩ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে টেস্ট সিরিজ খেলবে নিউজিল্যান্ড। গত ১০ বছরে অন্য দুই ফরম্যাট- ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এই সময়ের মধ্যে টেস্ট সিরিজ খেলতে তিনবার নিউজিল্যান্ড সফর করেছে টাইগাররা।
বাংলাদেশের মাটিতে সর্বশেষ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ০-০ সমতায় শেষ করেছিল কিউইরা। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে টেস্ট ড্র করলেও, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দিয়ে ওই দু’টি টেস্ট সমতায় শেষ করেছিল টাইগাররা। ওই দুই টেস্টে ব্যাটিংয়ে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল স্বাগতিকরা।
সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৭ টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। এরমধ্যে ১৩টিতে জয়, মাত্র একটিতে হার এবং তিনটি ড্র করেছে নিউজিল্যান্ড।
এদিকে ঘরের মাঠে ম্যাচ হলেও ম্যাচ শুরুর আগেই বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। ইনজুরির কারণে দলে নেই সাকিব, তাসকিন ও এবাদতের মতো ক্রিকেটার। নেই তামিম ইকবাল ও লিটন দাসও। সবমিলিয়ে কিউইদের বিপক্ষে তারুণ্য নির্ভর দল নিয়ে নামতে হবে নাজমুল হোসেন শান্তকে।
তবে এমন অনভিজ্ঞ বাংলাদেশকেও হালকাভাবে নিচ্ছে না কিউইরা, তার প্রমাণ মিলেছে স্কোয়াডে ৫ জন স্পিনার রেখে। ব্যাটিংয়েও রয়েছে কেন উইলিয়ামসন, ডেভন কনওয়ে, রাচিন রবীন্দ্র, ড্যারিল মিচেলদের মতো তারকারা। অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ দলের নেতৃত্ব উঠেছে টিম সাউদির কাঁধে।
দলে ৫ তারকা ক্রিকেটার না থাকায় কেমন হবে টাইগারদের স্কোয়াড তা নিয়ে আগ্রহে টাইগার ভক্তরা। ঘরের মাঠে স্পিনেই আস্থা রাখবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে একাদশে থাকতে পারে তিন স্পিনার। অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন হাসান মাহমুদ।
ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে তরুণ মাহমুদুল হাসান জয়কে। যদিও ব্যাডপ্যাচের মধ্যদিয়ে যাচ্ছেন এ ব্যাটার। তার সঙ্গী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন জাকির হাসান। এর আগে তিন টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়ে এ ক্রিকেটার ৪৩ গড়ে এক সেঞ্চুরি আর দুই ফিফটিতে করেছেন ২৫৮ রান।
তিনে থাকবেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। চার নম্বরে অভিজ্ঞ মুমিনুল হক। পাঁচে মুশফিকুর রহিম। ক্যারিয়ারের ৮৭তম টেস্ট ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় মিস্টার ডিপেন্ডেবল।
জাতীয় লিগে দারুণ পারফরম্যান্সের সুবাদে এবং লিটনের অনুপস্থিতিতে ছয়ে থাকবেন নুরুল হাসান সোহান। সাত নম্বরে নিশ্চিত নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। আট নম্বরে থাকবেন অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম। সাদা বলে অনিয়মিত হলেও লাল বলে দেশের হয়ে নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন এ বোলার।
এ ছাড়া অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা হাসান মুরাদের তুলনায় এগিয়ে আছেন নাঈম হাসান। সবশেষ জাতীয় লিগে ৩৬ উইকেট নেয়া নাঈমের সম্ভাবনা বেশি প্রথম টেস্টের একাদশে। দলে থাকবেন দুই পেসার। এ ম্যাচে অভিষেক হতে পারে হাসান মাহমুদের। জাতীয় লিগে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে নজর কেড়েছেন তিনি। আর একজন পেসার শরিফুল ইসলাম। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বাঁহাতি এ বোলারের জায়গা প্রায় নিশ্চিত।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:
মাহমুদুল হাসান জয়, জাকির হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম।

ভূমি ব্যবহারে উপজেলায় মহাপরিকল্পনা করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভূমি ব্যবহারে প্রত্যেক উপজেলায় মাস্টারপ্ল্যান (মহাপরিকল্পনা) করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
মাহবুব হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে নির্দেশনা এসেছে, ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেক উপজেলায় যেন মাস্টারপ্ল্যান থাকে। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে থেকে জানানো হয়েছে যে তারা এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং এই লক্ষ্যে তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বল্পতম সময়ের মধ্যে যেন এটি সম্পন্ন হয়। এটি থাকলে যেটি হবে তা হলো, এখন উন্নয়ন হচ্ছে, ভূমির ব্যবহারও খুবই যৌক্তিক হবে। যেখানে-সেখানে যেন ঘরবাড়ি, শিল্পকারখানা কিংবা অন্য কোনভাবে যেন ভূমির ব্যবহার না হয়, সেটির দিকে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) নজর রাখতে বলেছেন। এটি হয়ে গেলে ভূমির ক্ষেত্রে একটি শৃঙ্খলা আসবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, উপজেলা ভিত্তিক ভূমি ব্যবহারে মাস্টারপ্ল্যান করতে হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এখন থেকে এই বিষয়ে কাজ করবে।
মাহবুব হোসেন বলেন, সভায় ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষায় একটি বোর্ড গঠনের বিধান রেখে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৩’র খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
তিনি বলেন, ‘তথ্য এখন সবচেয়ে বড় রিসোর্স। এই ডিজিটাল যুগে তথ্য ব্যবহার সবচেয়ে বেশি কৌশলগত রিসোর্স হিসেবে পরিগণিত হয়। তথ্যটাই হলো এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। সেক্ষেত্রে যাতে তথ্য ব্যবহারের ব্যবস্থাপনা কিংবা একজন ব্যক্তির তথ্য-উপাত্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির গোপনীয়তা, ব্যক্তি স্বতন্ত্র এবং তার যে সম্মতির প্রয়োজন হয়, সেটি নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ উপাত্ত সুরক্ষা বোর্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে। সেই বোর্ড এই ব্যাপারগুলো দেখাশোনা করবে। ’ উপাত্ত সুরক্ষা বোর্ডের একজন চেয়ারম্যান থাকবে এবং চারজন সদস্য থাকবে। অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর মতই এই বোর্ড পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, ‘উপাত্ত যারা সংগ্রহ করবেন তাদের জন্য অনুসরণীয় কিছু নীতিমালা থাকবে, কিছু বিধি-বিধান থাকবে। বোর্ড বিধি-বিধান তৈরি করবে এবং সেই বিধি-বিধানের আলোকে সবার তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং তথ্য বিতরণ করতে হবে। যারা তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করবেন, তাদের বোর্ডের কাছে নিবন্ধিত হতে হবে। নিবন্ধনের ভিত্তিতে তারা এ কাজগুলো করতে পারবেন। সেই বিধান রেখে এই আইনটি করা হচ্ছে। ’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এছাড়াও সভায় ‘ জয়িতা ফাউন্ডেশন আইন, ২০২৩’র খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

২৮৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল জাতীয় পার্টি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। সোমবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ২৮৯ আসনের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

জাপার মনোনীত প্রার্থীরা হলেন-

পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর,তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী উপজেলা) মোঃ আবু সালেক/মোঃ আব্দুর রহিম

পঞ্চগড়-২ (বোদা উপজেলা এবং দেবীগঞ্জ উপজেলা) লুৎফর রহমান রিপন

ঠাকুরগাঁও-১ (ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা) মোঃ রেজাউল রাজী স্বপন চৌধুরী

ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর উপজেলা) জনাবা নুরুন্নাহার বেগম

ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ ও রানীসংকৈল) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (সাবেক এমপি)

দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ উপজেলা এবং কাহারোল উপজেলা) মোঃ শাহিনুর ইসলাম

দিনাজপুর-২ (বোচাগঞ্জ উপজেলা এবং বিরল উপজেলা) এ্যাড. জুলফিকার হোসেন মাহবুবুর রহমান

দিনাজপুর-৩ (দিনাজপুর সদর উপজেলা) আহমেদ শফি রুবেল

দিনাজপুর-৪ (খানাসামা ও চিরিরবন্দর উপজেলা) মোঃ মোনাজাত চৌধুরী

দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পাবর্তীপুর) এ্যাড. নুরুল ইসলাম

দিনাজপুর-৬ (হাকিমপুর এবং ঘোড়াঘাট উপজেলা) মোঃ ফিরোজ সুলতান আলম

নীলফামারী-১ (ডোমার উপজেলা এবং ডিমলা উপজেলা) লেঃ কর্ণেল (অবঃ) তসলিম

নীলফামারী-২ (নীলফামারী সদর উপজেলা) মোঃ শাহজাহান আলী চৌধুরী

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলা) মেজর (অবঃ) রানা মোঃ সোহেল

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর উপজেলা) আহসান আদেলুর রহমান

লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম এবং হাতিবান্ধা উপজেলা) মোঃ হাবিবুল হক বশু মিয়া

লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ এবং আদিতমারী উপজেলা) মোঃ দেলোয়ার

লালমনিরহাট-৩ ( লালমনিরহাট সদর উপজেলা) জাহিদ হাসান

রংপুর-১ (গংগাচরা এবং রংপুর সদর উপজেলা) এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ

রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আনিসুল ইসলাম মন্ডল

রংপুর-৩ (রংপুর সদর উপজেলা) গোলাম মোহাম্মদ কাদের

রংপুর-৪ (পীরগাছা উপজেলা এবং কাউনিয়া উপজেলা) মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর উপজেলা) মোঃ আনিছুর রহমান

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ উপজেলা) মোঃ নূর আলম মিয়া

কুড়িগ্রাম-১ ভুরুঙ্গামারী এবং নাগেশ্বরী উপজেলা) একেএম. মোস্তাফিজুর রহমান

কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর ও ফুলবাড়ী, রাজারহাট উপজেলা) পনির উদ্দিন আহমেদ

কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর উপজেলা) আব্দুস সুবহান

কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা) একেএম সাইফুর রহমান

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী

গাইবান্ধা-২ (গাইবান্ধা সদর) আব্দুর রশীদ সরকার

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) ইঞ্জিনিয়ার মাইনুর রাব্বী চৌধুরী

গাইবান্ধা-৪ ( গোবিন্দগঞ্জ) কাজী মোঃ মশিউর রহমান

গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) মোঃ আতাউর রহমান সরকার (রাজশাহী বিভাগ)

জয়পুরহাট-১ (জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলা) ডা. মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন

জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আবু সাঈদ নুরুল্লাহ

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি এবং মোসাদলা উপজেলা) মোঃ গোলাম মোস্তফা বাবু মন্ডল

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ উপজেলা) শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি

বগুড়া-৩ (আদমদিঘি ও দুপচাচিয়া উপজেলা) এ্যাড. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি

বগুড়া-৪ (কাহালু উপজেলা এবং নন্দীগ্রাম উপজেলা) শাহীন মোস্তফা কামাল ফারুক

বগুড়া-৫ ( শেরপুর উপজেলা) মোঃ ওমর ফারুক

বগুড়া-৬ (বগুড়া সদর উপজেলা) আজিজ আহমেদ রুবেল

বগুড়া-৭ (গাবতলি-শাহাজানপুর) এটিএম আনিসুল ইসলাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ উপজেলা) মোঃ আফজার হোসেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (ভোলাহাট,গোমস্তাপুর ও নাচোল) এ্যাড. আব্দুর রশীদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল

নওগাঁ-১ (পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুর উপজেলা) মোঃ আকবর আলী

নওগাঁ-২ (ধামইরহাট-পত্নীতলা) এড. মোঃ তোফাজ্জল হোসেন

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) মাসুদ রানা

নওগাঁ-৪ (মান্দা) মোঃ আলতাফ হোসেন

নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) মোঃ ইফতারুল ইসলাম বকুল

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আবুবেলাল হোসেন

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) সামসুদ্দিন মন্ডল

রাজশাহী-২ (রাজশাহী মহানগর) সাইফুল ইসলাম স্বপন

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) সোলায়মান হোসেন

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) মোঃ আবু তালেব প্রামাণিক

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দূর্গাপুর) অধ্যাপক আবুল হোসেন

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) মোঃ শামসুদ্দিন রিন্টু

নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া) মোঃ আশিক হোসেন

নাটোর-২ (নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলা) ডা. মোঃ নুরুন্নবী মৃধা

নাটোর-৩ (সিংড়া উপজেলা) আনিসুর রহমান

নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুর উপজেলা) অধ্যাপক মোঃ আলাউদ্দিন মৃধা

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর আংশিক) মোঃ জহিরুল ইসলাম

সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) মোঃ আমিনুল ইসলাম ঝন্টু

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা আংশিক) মোঃ জাকির হোসেন

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা আংশিক) মোঃ আব্দুল্লাহ আল হাসেম

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর) মোঃ ফজলুল হক

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর ও এনায়েতপুর আংশিক) মোঃ মোক্তার হোসেন

পাবনা-১ (বেড়া-সাথিয়া) সরদার শাহজাহান

পাবনা-২ (সুজানগর) শহিদুল ইসলাম দায়েন

পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গরা, ফরিদপুর) মীর নাদির মোঃ ডাবলু

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদি-আটঘরিয়া) মোঃ রেজাউল করিম

পাবনা-৫ (পাবনা সদর) তারিকুল আলম স্বাধীন (খুলনা বিভাগ)

মেহেরপুর-১ ( মেহেরপুর সদরও মুজিবনগর উপজেলা) মোঃ আব্দুল হামিদ

মেহেরপুর-২ (দৌলতপুর উপজেলা) কেতাব আলী

কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর উপজেলা) শাহরিয়ার জামিল জুয়েল

কুষ্টিয়া-২ ( ভেড়ামারা-মিরপুর) শহীদুল ইসলাম ফারুকী

কুষ্টিয়া-৩ (সদর উপজেলা) নাফিজ আহমেদ খান টিটু

কুষ্টিয়া-৪ ( খোকসা-কুমারখালী) মোঃ আয়ান উদ্দিন

চুয়াডাঙ্গা-১ (আলমডাঙ্গা ও চুয়াডাঙ্গা সদর)অ্যাড.সোহরাব হোসেন

চুয়াডাঙ্গা-২ (জীবন নগর ও দামুড়হুদা উপজেলা) মোঃ রবিউল ইসলাম

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) মনিকা আলম

ঝিনাইদহ-২ (ঝিনাইদহ সদর) মেজর (অব.) মাহফুজুর রহমান

ঝিনাইদহ-৩ (কোটঁচাঁদপুর-মহেশপুর) মোঃ আব্দুর রহমান

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু

যশোর-১ (শার্শা- বেনাপোল) মোঃ আক্তারুজ্জামান

যশোর-২ (চৌগাছা উপজেলা) ফিরোজ শাহ

যশোর-৩ মোঃ মাহবুব আলম

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া) মোঃ জহুরুল হক

যশোর-৫ (মনোহরপুর ইউনিয়ন ব্যতিত মনিরামপুর) এম এ হালিম

যশোর-৬ (অভয়নগর,কেশবপুর ও মনিরাম উপজেলার মনোহরপুর) জি এম হাসান

মাগুরা-১ (মাগুরা, শ্রীপুর) মোঃ সিরাজুস সায়েফিন সাঈফ

মাগুরা-২ (মহম্মদপুর-শালিখা) মোঃ মুরাদ আলী

নড়াইল-১ (কালিয়া উপজেলা) মিল্টন মোল্লা

নড়াইল -২ (নড়াইল সদর উপজেলা) অ্যাড. খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ

বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট,মোল্লাহাট ও চিতলমারী) মোঃ কামরুজ্জামান

বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর এবং কচুয়া উপজেলা) হাজারা শহীদুল ইসলাম

বাগেরহাট-৩ (রামপাল উপজেলা এবং মংলা উপজেলা) মোঃ মনিরুজ্জামান মনি

বাগেরহাট-৪ (মোড়লগঞ্জ এবং শরণখোলা উপজেলা) সাজন কুমার মিস্ত্রী

খুলনা-১ (বটিয়াঘাটা উপজেলা এবং দাকোপ উপজেলা কাজী হাসানুর রশিদ

খুলনা-২ (খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নং ১৬ থেকে ৩১ পর্যন্ত) গাউসুল আজম

খুলনা-৩ (খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নং-০১ থেকে ১৫ এবং দৌলতপুর মেট্রোপলিট্রন থানাধীন আড়ংঘাটা ইউনিয়ন ও খানজাহান মেট্রোপলিট্রন থানাধীন যোগীপোল ইউনিয়ন) আব্দুল্লাহ আল মামুন

খুলনা-৪ (দিঘলিয়া উপজেলা) মোঃ ফরহাদ আহমেদ

খুলনা-৫ (ফুলতলা উপজেলা) মোঃ শহীদ আলম

খুলনা-৬ (কয়রা উপজেলা) মোঃ শফিকুল ইসলাম মধু

সাতক্ষীরা-১ (তালা ও কলারোয়া) সৈয়দ দিদার বখত

সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর) মোঃ আশরাফুজ্জামান আশু

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ আংশিক এড. মোঃ আলিফ হোসেন

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) মোঃ মাহবুবুর রহমান

বরগুনা-১ (বরগুনা সদর ও আমতলী উপজেলা) মোঃ খলিলুর রহমান

বরগুনা-২ (বামনা,পাথরঘাটা ও বেতাগী উপজেলা) মিজানুর রহমান

পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর উপজেলা) এ.বি.এম. রুহুল আমিন হাওলাদার

পটুয়াখালী-২ (বাউফল উপজেলা) মোঃ মহসিন হাওলাদার

পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা উপজেলা) মোঃ নজরুল ইসলাম

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া উপজেলা) আব্দুল মান্নান হাওলাদার

ভোলা-১ (ভোলা সদর উপজেলা) শাহজাহান মিয়া

ভোলা-২ (দৌলতখান ও বোরহানউদ্দীন উপজেলা) মোঃ মিজানুর রহমান

ভোলা-৩ (তজুমদ্দিন এবং লালমোহন উপজেলা) মোঃ কামাল উদ্দিন

ভোলা-৪ (মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলা) মোঃ মিজানুর রহমান

বরিশাল-১ গৌরনদী ও আগৈলঝরা উপজেলা) ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী

বরিশাল-২ (উজিরপুর এবং বানারীপাড়া উপজেলা) রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ

বরিশাল-৩ (মুলাদী উপজেলা এবং বাবুগঞ্জ উপজেলা) গোলাম কিবরিয়া টিপু

বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ এবং হিজলা উপজেলা) মোঃ মিজানুর রহমান

বরিশাল-৫ (বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সদর উপজেলা) ইকবাল হোসেন তাপস

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ উপজেলা) নাসরিন জাহান রত্না

ঝালকাঠী-১ (কাঠালিয়া-রাজাপুর) মোঃ এজাজুল হক

ঝালকাঠী-২ (ঝালকাঠি সদর এবং নলছিটি উপজেলা) মোঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার

পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও জিয়ানগর ) মোঃ নজরুল ইসলাম

পিরোজপুর-২ মোঃ খলিলুর রহমান খলিল

পিরোজপুর-৩ ( মঠবাড়িয়া,ভান্ডারিয়া ও তেলিখালী ইউপি) মোঃ মাশরেকুল আজম রবি

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর এবং ধনবাড়ী উপজেলা) মোহাম্মদ আলী

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর এবং ভুঞাপুর উপজেলা) ১. মোঃ হুমায়ুন কবির তালুকদার

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল উপজেলা) মোঃ আব্দুল হালিম

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি উপজেলা) মোঃ লিয়াকত আলী

টাঙ্গাইল-৫ (টাঙ্গাইল সদর উপজেলা) মোঃ মোজাম্মেল হোসেন

টাঙ্গাইল-৬ (নাগলপুর এবং দেলদুয়ার উপজেলা) আবুল কাশেম

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর উপজেলা) জহিরুল ইসলাম জহির

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল উপজেলা এবং সখিপুর উপজেলা) মোঃ রেজাউল করিম

জামালপুর-১ (বকশিগঞ্জ এবং দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা) এস.এম আবু সায়েম

জামালপুর-২ ইসলামপুর এবং মেলান্দহ উপজেলা) মোস্তফা আল মাহমুদ

জামালপুর-৩ (মাদারগঞ্জ উপজেলা) মীর সামসুল আলম লিপটন

জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী-জামালপুর) বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদ

জামালপুর-৫ (জামালপুর সদর উপজেলা) মোঃ জাকির হোসেন খান

শেরপুর-১ (শেরপুর সদর উপজেলা) মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান মোঃ মাহমুদুল হক মনি

শেরপুর-২ (নকলা এবং নালিতাবাড়ি উপজেলা) —

শেরপুর-৩ (শ্রীবর্দি এবং ঝিনাইগাতি উপজেলা) মোঃ সিরাজুল হক

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট এবং ধোবাউড়া উপজেলা) কাজল চন্দ্র মহন্ত

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর উপজেলা) মোঃ এনায়েত হোসেন

ময়মনসিংহ-৩ ( গৌরিপুর উপজেলা) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ

ময়মনসিংহ-৪ —

ময়মনসিংহ -৫ (মুক্তাগাছা) সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুর রহমান বাবুল

ময়মনসিংহ -৭ (ত্রিশাল) মোঃ আব্দুল মজিদ

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা) ফখরুল ইমাম এমপি

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আলহাজ¦হাসমত মাহমুদ তারিক

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) মোঃ নাজমুল হক

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) মোঃ হাফিজ উদ্দিন

নেত্রকোণা-১ (কলমাকান্দা এবং দূর্গাপুর উপজেলা) গোলাম রাব্বানী

নেত্রকোণা-২ (সদর উপজেলা) রহিমা আক্তার আসমা সুলতানা

নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া এবং কেন্দুয়া) মোঃ জসীম উদ্দীন ভূঁইয়া

নেত্রকোণা-৪ (মোহনগঞ্জ) এডভোকেট লিয়াকত আলী খান

নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা এবং নেত্রকোণা সদর) ওয়াহিদুজ্জামান আজাদ

কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর এবং হোসেনপুর উপজেলা) ডা. মোঃ আব্দুল হাই

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদি এবং পাকুন্দিয়া উপজেলা) আবু সাঈদ আজাদ খুররম ভূইঁয়া

কিশোরগঞ্জ-৩ (তাড়াইল এবং করিমগঞ্জ উপজেলা) এ্যাড. মুজিবুল হক চুন্নু

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠাইন এবং অট্টগ্রাম উপজেলা) মোঃ আবু ওহাব

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলি এবং বাজিতপুর উপজেলা) মোঃ মাহবুবুল আলম

কিশোরগঞ্জ-৬ (কুলিয়ারচর এবং ভৈরব উপজেলা) নুরুল কাদের সোহেল

মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর, ঘিওর এবং শিবালয় উপজেলা) জহিরুল আলম রুবেল মোঃ হাসান সাঈদ

মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর এবং হরিরামপুর উপজেলা ) এস.এম. আব্দুল মান্নান

মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা) জহিরুল আলম রুবেল

মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদীখাঁন, শ্রীনগর) এ্যাড. শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম

মুন্সিগঞ্জ-২ (টঙ্গিবাড়ী-লৌহজং) মোঃ জয়নাল আবেদীন

মুন্সিগঞ্জ-৩ (মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়া) এএফএম রফিকুল্লাহ সেলিম

ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ) এ্যাড. সালমা ইসলাম এমপি

ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ মডেল) শাকিল আহমেদ শাকিল

ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ) মোঃ মনির সরকার

ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি

ঢাকা-৫ মীর আব্দুস সবুর আসুদ

ঢাকা-৬ এ্যাড. কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি

ঢাকা-৭ তারেক এ আদেল

ঢাকা-৮ মোঃ জুবায়ের আলম খান রবিন

ঢাকা-৯ কাজী আবুল খায়ের

ঢাকা-১০ হাজী মোঃ শাহজাহান

ঢাকা-১১ মোঃ সিরাজ উদ্দিন আহমেদ শামীম আহমেদ রিজভী

ঢাকা-১২ খোরশেদ আলম খুশু

ঢাকা-১৩ শফিকুল ইসলাম সেন্টু

ঢাকা-১৪ শফিকুল ইসলাম সেন্টু মোঃ আলমাস উদ্দিন

ঢাকা-১৫ মোঃ শামসুল হক

ঢাকা-১৬ মোঃ আমানত হোসেন আমানত

ঢাকা-১৭ গোলাম মোহাম্মদ কাদের

ঢাকা-১৮ শেরীফা কাদের

ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ

ঢাকা-২০ (ধামরাই) খান মোঃ ইসরাফিল খোকন

গাজীপুর-১ (কালীয়কৈর) এমএম নিয়াজ উদ্দিন আল আমিন সরকার

গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর) জয়নাল আবেদীন

গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর) আলহাজ¦ মোঃ কামরুজ্জামান মন্ডল এফএম সাইফুল ইসলাম

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) মোঃ সামসুদ্দিন খান

গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ) এ মএম নিয়াজ উদ্দিন মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান খান

নরসিংদী-১ (সদর উপজেলা) মোঃ ওমর ফারুক মিয়া

নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদর উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন) এ এন এম রফিকুল ইসলাম সেলিম

নরসিংদী-৩ (শিবপুর উপজেলা) এ এস এম জাহাঙ্গীর পাঠান

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী ও বেলাব উপজেলা) মোঃ কামাল উদ্দিন

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা উপজেলা) প্রকৌশলী মোঃ শহীদুল ইসলাম

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ উপজেলা) মোঃ সাইফুল ইসলাম

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার উপজেলা) আলমগীর সিকদার লোটন

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও উপজেলা) লিয়াকত হোসেন খোকা

নারায়ণগঞ্জ-৪ (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নিম্নলিখিত ইউনিয়নসমূহ- ফতুল্লা, কুতুবপুর, এনায়েতনগর, কাশিপুর ও বক্তাবলী) আলহাজ্ব ছালাহ্ উদ্দিন খোকা মোল্লা

নারায়ণগঞ্জ-৫ (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলাধীন নিম্নলিখিত এলাকাসমূহনারায়ণগঞ্জ পৌরসভা, গোগনগর ইউনিয়ন ও আলীরটেক ইউনিয়ন এবং বন্দর উপজেলা একেএম সেলিম ওসমান

রাজবাড়ী-১ (রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা) ১এ্যাড. খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু

রাজবাড়ী-২ (পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলা) এ্যাড মোঃ শফিউল আজম খান

ফরিদপুর-১ (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) আক্তারুজ্জামান খান

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা)

ফরিদপুর-৩ (ফরিদপুর সদর উপজেলা) এস.এম. ইয়াহিয়া

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা উপজেলা) —

গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর উপজেলা) শহিদুল ইসলাম মোল্লা

গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা) কাজী শাহীন

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেরা

মাদারীপুর-১ (শিবচর উপজেলা) মোঃ মোতাহার হোসেন সিদ্দিকী

মাদারীপুর-২ (মাদারীপুর সদর উপজেলা) একেএম নুরুজ্জামান জামান

মাদারীপুর-৩ (কালকিনি উপজেলা) মোঃ আব্দুল খালেক

শরীয়তপুর-১ (শরীয়তপুর সদর উপজেলা)

শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া উপজেলা) মোঃ ওয়াহিদুর রহমান

শরীয়তপুর-৩ (ডামড্যা উপজেলা) এডভোকেট মোঃ আব্দুল হান্নান

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা ও গোসাইহাট উপজেলা) মোঃ আব্দুল মান্নান তালুকদার

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই উপজেলা ও শান্তা উপজেলা)

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা)

সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা) পীর ফজলুল রহমান মিজবাহ

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক উপজেলা) নাজমুল হুদা হিমেল

সিলেট-১ (সিলেট সিটি কর্পোরেশন, সদর উপজেলা) নজরুল ইসলাম বাবুল

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ উপজেলা) মাকসুদ ইবনে আজিজ লামা

সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা) আতিকুর রহমান আতিক

সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট উপজেলা) এটিইউ তাজ রহমান

সিলেট-৫ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলা) আলহাজ¦ সাব্বির আহমদ

সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) সেলিম উদ্দিন

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আহম্মদ রিয়াজ উদ্দিন

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া-কমলগঞ্জ আংশিক) আব্দুল মালিক

মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার-রজনগর) রুহুল আমিন

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমগঙ্গল-কমলগঞ্জ আংশিক) —

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলা) এম.এ. মুনিম চৌধুরী বাবু

হবিগঞ্জ-২ (আজমীরিগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলা) —

হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর ও লাখাই উপজেলা) আব্দুল মুমিন চৌধুরী

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট,মাধবপুর উপজেলা) আহাদ উদ্দিন চৌধুরী শাহীন

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১ (নাছিরনগর) মোঃ শাহানুল করিম

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এডভোকেট আব্দুল হামিদ

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) এ্যাড. মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) তারেক আহমেদ আদেল

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) মোঃ মোবারক হোসেন দুলু

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্জারামপুর) এডভোকেট আমজাদ হোসেন

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-তিতাস) মোঃ আমির হোসেন ভূঁইয়া

কুমিল্লা -২ (হোমনা-মেঘনা) এটিএম মঞ্জুরুল ইসলাম

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) মোঃ আলমগীর হোসেন

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) এ্যাড. ইউসুফ আজগর

কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং+ব্রাহ্মণবাড়িয়া) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

কুমিল্লা-৬ (সদর উপজেলা-কুমিল্লা মহানগর) এয়ার আহমেদ সেলিম বীর মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল করিম মোহন

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) লুৎফর রেজা খোকন

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) এইচ এন এম ইরফান

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) মোঃ গোলাম মোস্তফা কামাল

কুমিল্লা-১০ (লাঙ্গলকোর্ট, লালমাই, সদর দক্ষিণ) জোনাকী মুন্সি

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) মোস্তফা কামাল

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) একে এস এম শহীদুল ইসলাম

চাঁদপুর-২ (উপজেলা মতলব) মোঃ এমরান হোসেন মিয়া

চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর) এ্যাড. মহাসিন খাঁন

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ উপজেলা) সাজ্জাদ রশিদ

চাঁদপুর-৫ (হাজী শাহরাস্তি উপজেলা) মোঃ ওমর ফারুক

ফেনী-১ (পশরুরাম উপজেলা) শাহরিয়ার ইকবাল

ফেনী-২ ( ফেনী সদর উপজেলা) খন্দকার নজরুল ইসলাম

ফেনী-৩ (সোনাগাজী উপজেলা ও দাগনভুঞা উপজেলা) লেঃ জেঃ (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

২৬৮ ২৬৮ নোয়াখালী-১ (চাটখিল উপজেলা) ফজলুল করিম

মোঃ ইয়াসিন
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ উপজেলা) মোঃ তালেবুজ্জামান

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ উপজেলা) ফজলে এলাহী সোহাগ মিয়া

নোয়াখালী-৪ (সদর) মোবারক হোসেন আজাদ

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা) ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) মুশফিকুর রহমান

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ উপজেলা) মাহমুদুর রহমান মাহমুদ

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর উপজেলা) বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠু

লক্ষ্মীপুর-৩ (লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা) মোঃ রাকিব হোসেন

লক্ষ্মীপুর-৪ (রাম গতি এবং কমলনগর উপজেলা)

চট্টগ্রাম-১ (মীরশ্বরাই উপজেলা) মোঃ এমদাদ হোসেন চৌধুরী

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি উপজেলা) মোঃ শফিউল আজম চৌধুরী

চট্টগ্রাম-৩ (সীতাকুন্ডু উপজেলা) এম এ সালাম

চট্টগ্রাম-৪ (হাটহাজারী উপজেলা) মোঃ দিদারুল কবির

চট্টগ্রাম-৫ (রাউজান উপজেলা) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

চট্টগ্রাম-৬ (রাংগুনিয়া উপজেলা) মোঃ শফিউল আলম চৌধুরী

চট্টগ্রাম-৭ ( বোয়ালখালী উপজেলা) মুসা আহমেদ রানা

চট্টগ্রাম-৮ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

চট্টগ্রাম-৯ সানজিদ রশীদ চৌধুরী

চট্টগ্রাম-১০ —

চট্টগ্রাম-১১ —

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) মোঃ নুরুচ্ছফা সরকার

চট্টগ্রাম-১৩ (অনোয়ারা-কর্ণফুলী) আব্দুর রব চৌধুরী

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আবু জাফর মোঃ ওলিউল্ল্যাহ

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগড়া) মোঃ সালেম

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) খোসনেআরা

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) মাহমুদুল করিম

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) এ্যাড. মোঃ তারেক

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া- টেকনাফ) নুরুল আমিন সিকদার ভুট্টু

পার্বত্য খাগড়াছড়ি সোলায়মান আলম শেঠ

পার্বত্য রাঙ্গামাটি হারুনুর রশীদ মাতুব্বর

ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯২০

দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯২০ জন। নতুন এসব শনাক্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১৯ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০১ জন। একইসঙ্গে এই সময়ে ভাইরাসটিতে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৩ হাজার ৪৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ১১ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ৪৮২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৯ হাজার ৮৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১ লাখ ৭ হাজার ২৯৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৭৮৯ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৮৮ জন। ঢাকায় ১ লাখ ৫ হাজার ৩৫৭ এবং ঢাকার বাইরে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৩৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৬০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রওশনের প্রতি সম্মান রেখে ফাঁকা থাকলো ময়মনসিংহ-৪

সংসদের বিরোধী দলের নেত্রী রওশন এরশাদের প্রতি সম্মান রেখে ময়মনসিংহ-৪ আসন খালি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন মহাসচিব।
তিনি বলেন, রওশন এরশাদ এখনও মনোনয়ন নেননি। তবে তার প্রতি সম্মান রেখে ময়মনসিংহ-৪ আসন শূন্য রাখা হয়েছে।

এ সময় তিনি জানান, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও রংপুর-৩ আসনে লড়বেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
এছাড়া ৩০০ আসনে লাঙল প্রতীকের চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণার কথা থাকলেও ২৮৯ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানান চুন্নু।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সভাপতিত্বে বোর্ডের সদস্যদের নিয়ে আলোচনায় বাছাই শেষে বিকেলে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টানা চার দিনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রায় ১৮০০ নেতাকর্মী। এরমধ্যে ২০ নভেম্বর ৫৫৭টি, ২১ নভেম্বর ৬২২টি, ২২ নভেম্বর ৩৩১টি, ২৩ নভেম্বর ২২৭টি এবং ২৪ নভেম্বর ১৫টি ফরম কেনেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

রংপুর-৩ ও ঢাকা-১৭ আসনে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করবেন কাদের

রংপুর-৩ ও ঢাকা-১৭ আসনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোয়নয়ন পেয়েছেন জাপার চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
গত শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) বনানীর জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, নির্বাচনের মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসা। আমরা চেয়েছি, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে, ভোটাররা নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এর আগে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গত ২০ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে জাপা। ২৩ নভেম্বর ছিল ফরম বিক্রির শেষ দিন। পরে তা শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

মন্ত্রী ও সচিবদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

৫ বছর একত্রে কাজ করে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সচিবদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ দেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিকেলে সচিবালয়ে ব্রিফ করেন মাহবুব হোসেন।

বৈঠকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের ২০২২-২৩ অর্থবছরের কার্যাবলি সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে এই ধন্যবাদ জানানো হয় বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

নির্বাচনের আগে মন্ত্রিসভার আর বৈঠক হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘হবে না, এ রকম কোনো তথ্য জানা নেই। তবে আজ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সব মন্ত্রী ও সচিব উপস্থিত ছিলেন। পাঁচ বছর তারা একত্রে কাজ করেছেন। দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী সব মন্ত্রী ও সচিবকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।’
আজকের বৈঠকে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৩’ এবং ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন আইন, ২০২৩’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
নির্বাচনকালীন সরকারের সময় কোনো আইন অনুমোদন কনফ্লিক্ট করে কি না, এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা তো আরেকবার কেবিনেটে আসতে হবে। এটা চূড়ান্ত অনুমোদন নয়। তা ছাড়া সংবিধানে বর্তমান যে বিধান আছে সেটা যদি খেয়াল করেন, সেখানে কিন্তু যে সরকার আছে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান রাখার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। সেই অনুযায়ী এই সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হয়েছে।’
নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো বিষয় ছিল কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয় না।