সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় চক্রে রঙিন শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে প্রথম ম্যাচে জয় নিয়ে; বাংলাদেশ সিরিজে এগিয়ে আছে ১-০ ব্যবধানে। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার মিশনে আজ শের-ই-বাংলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচে কিউইদের মুখোমুখি বাংলাদেশ। সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেট টেস্ট জয়ের পর ফুরফুরে মেজাজে আছে বাংলাদেশ দল। ফলে উইনিং কম্বিনেশন পরিবর্তন করেনি টাইগাররা, বিশেষ করে মিরপুরে ঐতিহাসিকভাবে তিনজন স্পেশালিস্ট স্পিনার থাকে টাইগারদের সেরা একাদশে। ফলে সিলেট থেকে মিরপুরের পিচ স্পিন সহায়ক হওয়ায় এক পেসার নিয়েই খেলছে বাংলাদেশ।
তবে নিউজিল্যান্ডের একাদশে রয়েছে একটি পরিবর্তন। ইশ সোধির পরিবর্তে মিচেল স্যান্টনারকে নেওয়া হয়েছে। এদিকে অনুশীলনের সময়ে ডান হাতের আঙুলে চোট পেয়েছিলেন স্পিনার নাঈম হাসান। তার মাঠে নামা নিয়ে সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেটি কেটে গিয়েছে। গুরুতর চোট না থাকায় মিরপুর টেস্টেও খেলবেন নাঈম।
মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের একাদশ: মাহমুদুল হাসান, জাকির হাসান, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, শাহাদাত হোসেন, নুরুল হাসান (উইকেটক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলাম।
মিরপুর টেস্টে নিউজিল্যান্ডের একাদশ: ডেভন কনওয়ে, টম লাথাম, কেন উইলিয়ামসন, ড্যারিল মিচেল, টম ব্লান্ডেল (উইকেটরক্ষক), গ্লেন ফিলিপস, হেনরি নিকোলস, মিচেল স্যান্টনার, কাইল জেমিসন, এজাজ প্যাটেল, টিম সাউদি (অধিনায়ক)।

নিউক্যাসলে যোগ দিচ্ছেন ডি গিয়া

নিক পোপের কভার হিসেবে নিউক্যাসলে যোগ দিতে যাচ্ছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়া। ম্যান ইউ ক্লাব সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শনিবার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচটিতে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েন পোপ। পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে তার ঘাড়ের চোট গুরুতর। ইংলিশ এই গোলরক্ষক হয়তো পাঁচ-ছয় মাসের জন্য ছিটকে যেতে পারেন।
ক্লাবের একটি সূত্র ইএসপিএনকে জানিয়েছেন ডি গিয়া নিউক্যাসলের সঙ্গে আলোচনায় অনেকটাই এগিয়ে গেছেন। গত মৌসুমের শেষে ইউনাইটেড ছাড়ার পর এখনো পর্যন্ত কোনো ক্লাবে যোগ দেননি ডি গিয়া। ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তি শেষ হবার পরেই ডি গিয়া ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ছেড়েছিলেন।
ইউনাইটেডের ১২ বছরের ক্যারিয়ারে ডি গিয়া ৫৪৫ ম্যাচ খেলেছেন। ২০১২-১৩ মৌসুমে লিগ শিরোপা জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। চারবার ক্লাবের সেরা খেলোয়াড় মনোনীত হয়েছে।
তার স্থানে ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন ক্যামেরুনের জাতীয় দলের গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা। এবারের গ্রীষ্মে ইন্টার মিলান থেকে ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ডে ওনা ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এসেছেন। কিন্তু ইউনাইটেড জার্সিতে শুরুটা ভাল করতে পারছেন না।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গ্যালাতাসারের সঙ্গে ৩-৩ গোলের ড্রয়ের ম্যাচটিতে দুটি গোলই হয়েছিল ওনানার ভুলে। এই ড্রয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়েছে রেড ডেভিলসরা।
শনিবার শেষ চার মিনিট পোপের পরিবর্তে দুই নম্বর গোলরক্ষক মার্টিন ডুব্রাভকা খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। এডি হাউয়ের দলে অবশ্য লোরিনস কারিয়াস ও মার্ক গিলেস্পিও রয়েছেন।
ইউনাইটেড ছাড়ার পর ম্যানচেস্টারে রয়ে গেছেন ডি গিয়া। অক্টোবরে লেই স্পোর্টস ভিলেজে নারীদের একটি ম্যাচে তাকে গ্যালারিতে দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
সূত্রমতে জানা গেছে, ডি গিয়া নিয়মিত অনুশীলনের মধ্যে রয়েছেন এবং এই মুহূর্তে যেকোনো একটি শীর্ষ ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করার মতো প্রস্তুতি তার রয়েছে।

নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে প্রথম দিনে ৪২ জনের আপিল

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে সারা দেশের প্রার্থীদের অবৈধ মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফেরতের আপিল কার্যক্রম শুরুর দিন মোট ৪২টি আবেদন জমা পড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসির অস্থায়ী বুথের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
তারা জানান, সকাল ১০টায় আপিল আবেদন শুরুর পর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সর্বমোট ৪২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে রংপুর অঞ্চলের বুথে ২টি, খুলনা অঞ্চলের বুথে ৮টি, বরিশাল অঞ্চলের বুথে ২টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলের বুথে ৯টি, ফরিদপুর অঞ্চলের বুথে ৫টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বুথে ৬টি, ঢাকা অঞ্চলের বুথে ৬টি, কুমিল্লা অঞ্চলের বুথে ৩টি এবং সিলেট অঞ্চলের বুথে ১টি আবেদন জমা পড়েছে।
তবে রাজশাহী অঞ্চলের বুথে কোনো আপিল আবেদন জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিলের আবেদন শুরু হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে সারা দেশে প্রার্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে সোমবার (৪ ডিসেম্বর)। সারা দেশে ১৯৮৫ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৭৩১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র।

ইন্দোনেশিয়ায় মাউন্ট মারাপির অগ্ন্যুৎপাতে নিহত বেড়ে ১

ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট মারাপির আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) আরও দুই পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহত পর্বতারোহীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১০ জন।
নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন শতাধিক মানুষ। মঙ্গলবার সকালে অনুসন্ধানে সহায়তার জন্য আরও ২০০ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে। এ সময় সেখানে অগ্ন্যুৎপাত হচ্ছিল বলে সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।
মারাপির মনিটরিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা আহমেদ রিফান্দি এএফপিকে বলেছেন, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৮ টা পর্যন্ত পাঁচবার অগ্ন্যুৎপাত দেখেছেন তিনি।
ক্রমাগত অগ্ন্যুৎপাতের কারণে নিরাপত্তার উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় সোমবার অনুসন্ধান বন্ধ রাখা হয়েছিল।
রোববার দেশটির পশ্চিম সুমাত্রা দ্বীপের ২ হাজার ৮৯১ মিটার চূড়ায় মাউন্ট মারাপি থেকে আকাশে ছাই উদগিরণ শুরুর মাধ্যমে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। ফলে আগ্নেয়গিরিটির আশপাশের গ্রামগুলো ছাইয়ে ঢেকে যায়। অগ্নুৎপাতের সময় এলাকাটি থেকে ৭৫ জন হাইকারের বেশির ভাগই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
মাউন্ট মারাপি বা ‘আগুনের পর্বত’ নামে পরিচিত এই আগ্নেয়গিরিটি ইন্দোনেশিয়ার ১২৭টি আগ্নেয়গিরির মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয় এবং এটি হাইকারদের মধ্যেও জনপ্রিয়।
জানুয়ারী থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছাই অগ্ন্যুৎপাতের কারণে এর ট্রেইল বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে গত জুনে কিছু ট্রেইল পুনরায় খোলা হয়।
১৯৭৯ সালে, মারাপির সবচেয়ে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটেছিল। তখন ৬০ জনের প্রাণহানি হয়েছিল।
খবর বিবিসি

আরব আমিরাত ও সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন চলতি সপ্তাহের শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। পুতিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ এ কথা জানান।
টেলিগ্রাম চ্যানেলকে তিনি বলেন, এটি হবে একটি কর্মময় সফর। সৌদি আরবে পুতিন সেদেশের যুবরাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করব।

পুতিন এর আগে কোভিড ১৯ এর আগে ২০১৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব সফর করেন।

প্রিমিয়ার লিগ অন্য পর্যায়ে চলে গেছে : আর্তেতা

প্রিমিয়ার লিগ অন্য পর্যায়ে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা । বিশেষ করে গত মৌসুমের সঙ্গে তুলনা করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
শনিবার উল্ফসকে ২-১ গোলে পরাজিত করে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিভারপুলের থেকে দুই পয়েন্ট এগিয়ে আর্সেনাল এখন টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে তারা ৩ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে।
গত মৌসুমেও প্রায় বেশির ভাগ সময় টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করেছে আর্সেনাল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পেপ গার্দিওলার সিটির উদ্দীপনার কাছে পেরে ওঠেনি।
২০০৪ সালের পর প্রথমবারের মত প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয়ে আর্সেনালকে সহযোগিতা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্প্যানিশ আর্তেতা। এ বছর লিগ আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে আর্তেতা বলেন, ‘এবারের খেলার মান অন্য পর্যায়ে চলে গেছে, সবাই এটা দেখতে পাচ্ছে। গতকাল আমি বেশ কিছু ম্যাচ দেখেছি। সেখানে স্পষ্টই ধরা পড়েছে কিভাবে ম্যাচের গতি মুহূর্তেই পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। প্রতি মুহূর্তেই মনে হয়েছে দুই দলেরই সম্ভাবনা সমান। প্রতিপক্ষ দলগুলোর মান, কোচদের মান, সত্যিকার অর্থেই এবারের লিগকে কঠিন করে তুলছে। আমি জানিনা এভাবে চলতে থাকলে শেষ পর্যন্ত লিগের অবস্থান কি হবে। যদিও আমরা এই মুহূর্তে ভালো পজিশনে আছি। কিন্তু আমাদের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।’
আর্তেতা আরও জানিয়েছে, গত বছর এই সময়ে তার দলের যে অবস্থা ছিল এবার তার থেকে ভালো কি না, এটা তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না। এ সম্পর্কে গানার্স বস বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় প্রতিটা দিনই নতুন। প্রতিদিনই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হচ্ছে, এখানে ধারাবাহিতা ধরে রাখা সত্যিই কঠিন। সম্ভাব্য সেরা উপায়ে কিভাবে খেলোয়াড়দের ব্যবহার করে ম্যাচ জয় করতে হয় তা প্রতিদিনই শিখতে হচ্ছে। এখনো আমাদের সামনে লম্বা পথ বাকি। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয়।’
টানা তিন ম্যাচে সিটির ড্র দেখে আর্সেনাল অনুপ্রাণীত হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে আর্তেতা বলেছেন, ‘অনুপ্রেরণা তখনই আসে যখন আমার দল ভালো খেলে। প্রতিটি আলাদা দিনে খেলোয়াড়রা কীভাবে নিজেদের প্রমান করছে সেখান থেকেই অনুপ্রেরণা খোঁজার চেষ্টা করি। অন্যরা কি করছে সেখানে তো আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।’

দলীয় প্রতীকে এককভাবে নির্বাচন করবে জাতীয় পার্টি : চুন্নু

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, দলীয় প্রতীকে এককভাবে নির্বাচন করবে জাতীয় পার্টি। আমরা চাই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ। নির্বাচনের পরিবেশ পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রতীক বরাদ্দের পর। এখন পর্যন্ত জাতীয় পার্টির নয়জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া ২৭২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ আছে। বাতিল হওয়া নয়জন আপিল করবেন।
আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বনানীর জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, গত কয়েক বছরের স্থানীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না। নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর হবে। নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছে বলেই নির্বাচনে এসেছি।
তিনি বলেন, বর্তমানে এন্টি আওয়ামী লীগের ভোট ডাবল। ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে পারলে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে আমরা আওয়ামী লীগের থেকে বেশি ভোট পাব।
বিএনপি না এলেও ভোট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে কি না- জানতে চাইলে চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচন অবশ্যই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। ভোটার কেন্দ্রে আসতে পারলে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভালো করতে পারব। ২০০১ সালে আমার আসনে দেখেছি আওয়ামী লীগের চেয়ে অ্যান্টি আওয়ামী লীগ ভোট ডাবল। বিএনপি কেন নেই (নির্বাচনে) সেটা তো আপনারা জানেনই। তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে। এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। বিএনপি তাদের টেকনিকে চলে, জাতীয় পার্টি তার নিজস্ব কৌশলে চলে। এ জন্য আমরা ভোটে এসেছি। ভোটের পরিবেশ নিয়ে আমাদের দ্বন্দ্ব ছিল। ইসি আমাদের জোরালোভাবে আশ্বস্ত করেছে, সরকার বলছে তারাও একটা পরিবেশ করার চেষ্টা করবে যাতে ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে পারেন। সাধারণ মানুষ যদি কেন্দ্রে আসার সুযোগ পান আমার মনে হয় আমরা আওয়ামী লীগের চেয়ে ভালো করব।
ভোটের পরিবেশ প্রসঙ্গে চুন্নু বলেন, ইসি আমাদের সর্বোচ্চ আশ্বস্ত করেছে। আমাদের যে দাবি, যেন ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসতে পারেন, আসার যেন উৎসাহ পান, সেরকম একটা পরিবেশ ও ভোটাধিকার যাতে প্রয়োগ করতে পারেন, তার পরিবেশ। ইসি আমাদের আশ্বস্ত করেছে। ইসিকে সহযোগিতা করার সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব সরকারের, তারাও আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে ভালো পরিবেশ হবে। সেই ভালো পরিবেশে আশ্বস্ত হয়ে বা আশ্বাস পেয়ে আমরা নির্বাচনে কাজ শুরু করেছি। ১৮ তারিখের পর মাঠে যাবো, তখন বুঝবো অবস্থা কী।
তিনি বলেন, ‘আচরণবিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থীর তো মাঠে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা নির্বাচনের প্রাথমিক কাজগুলো সারছি। মনোনয়নপত্র দাখিল, অনেকের বাতিল হয়েছে। এসব জিনিস আমরা মনিটর করছি। আমরা নির্বাচনে পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝবো প্রতীক বরাদ্দের পর, এর আগে কোনো প্রার্থীর ভোট চাওয়া বা প্রচার করার কোনো সুযোগ নেই। ফিল্ডে গিয়ে যদি জনগণের সঙ্গে বসে কথা বলা না যায়, তাহলে বাস্তবভাবে নির্বাচনে কী অবস্থা সেটা এখন বলা মুশকিল। নির্বাচনের কী অবস্থা, মাঠের কী অবস্থা ১৮ তারিখের পরে হয়তো বলতে পারব।

নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যদের বিষয় অবশ্যই সমঝোতা করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শরিকদের মধ্যে যারা নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য, তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই সমঝোতা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে বরেণ্য রাজনীতিক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬০তম প্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে আহমেদ ফিরোজ গ্রন্থিত ‘সোহরাওয়ার্দী’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও মতবিনিময়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
১৪ দল নিয়ে আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথম মতো আমাদের সিদ্ধান্ত, জোটগতভাবেই আমরা নির্বাচন করব। আর নির্বাচনে আসল সমঝোতা করার এখনো অনেক সময় আছে। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষ হয়েছে, প্রত্যাহারের এখনো অনেক সময় আছে। সুতরাং বরাবরের মতোই আমরা একটি সমঝোতায় উপনীত হব। এবার আমার দৃষ্টিতে অনেক বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। ২৭ শতাংশ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাতিলের এই হার অন্যবারের তুলনায় একটু বেশিই। আপিল করলে হয়তো অনেকে টিকে যাবে, সেটিই আমি আশা করছি।
অনেকেই বলছেন যে আওয়ামী লীগে শরিকদের গুরুত্ব কমে গেছে। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সবসময়ই শরিকরা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্যই জোটগতভাবে এবারেও নির্বাচন করছি। এককভাবে নির্বাচন করার শক্তি, ক্ষমতা ও সামর্থ্য আমাদের আছে। কিন্তু শরিকদের গুরুত্ব দেওয়া হয় বিধায় জোটগতভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
শরিকদের কতগুলো আসন দেওয়া হতে পারে? সাংবাদিকদের এমন আর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সেটি সমঝোতায় উপনীত হলে বলা যাবে, তার আগে বলা যাবে না। যারা নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য, তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই সমঝোতা করা হবে।
জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে কোনো সমঝোতা হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে হাছান মাহমুদ বলেন, জাতীয় পার্টি প্রায় ৩০০ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে। এ জন্য জাতীয় পার্টিকে অভিনন্দন জানাই। ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আমরা মহাজোটগতভাবে নির্বাচন করেছি। গতবার আমাদের সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক্যাল (কৌশলগত) জোট ছিল, এবারও সেটা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আগামী ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবসে বিএনপি মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়েছে। আবার আওয়ামী লীগও সমাবেশ করবে। এ নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন? সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেখুন ১০ ডিসেম্বর হচ্ছে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বিচারবন্ধ করার মধ্যদিয়ে। দায়মুক্তি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করা হয়েছিল। সেটি জিয়াউর রহমানের হাত দিয়েই হয়েছিল। এরপর বাংলাদেশে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে ১৯৭৭ সালে নির্বিচারে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের হত্যা করার মধ্যদিয়ে।
তিনি বলেন, বিচার ছাড়া হত্যাকাণ্ড। এমনও ঘটনা ঘটেছে, যে ব্যক্তি অভিযুক্ত, তাকে না দিয়ে নামের মিল থাকায় আরেক ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। সেই ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি চিৎকার করেছেন, আমি সেই ব্যক্তি না। কিন্তু কে শোনে কার কথা! ওপরের নির্দেশে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, এমন ঘটনাও ঘটেছে, ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। আর রায় হয়েছে পরে। দিজ আর ডকুমেন্টেড (এগুলো নথিভুক্ত)। জিয়াউর রহমানের এডিসি হিসেবে যিনি কাজ করতেন, তিনি নিজে বলেছেন- জিয়াউর রহমান যখন সকালের নাস্তা করতেন, তখন তিনি এ ফাইলগুলো নিয়ে যেতেন এবং জিয়াউর রহমান নাস্তা করতে করতে সেগুলোতে সই করতেন। এমন ঘটনাও আছে, জিয়াউর রহমান বিদেশ যাচ্ছেন, প্লেনের সিঁড়িতে ওঠার আগে মৃত্যু পরোয়ানায় সই করতেন।
তিনি বলেন, এভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। মানবাধিকারকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে। এরপরে ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে যেভাবে নির্বিচারে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনা সমসাময়িক বিশ্বের কোথাও ঘটেনি রাজনীতির নামে। এগুলো মানবাধিকার লঙ্ঘন।
তিনি আরও বলেন, ২০০৪ সালে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের ২২ নেতাকর্মী ও দুজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০০ জন। সেই হামলার পর বিচারবিভাগীয় তদন্ত করে গাঁজাখুরি রিপোর্ট, আর পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ তার সংসদ সদস্যদের হাস্যরস, এগুলো সব মানবাধিকার লঙ্ঘন।
হাছান মাহমুদ বলেন, আজ যে মানুষ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, ড্রাইভার পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের ওপর পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে, চোরাগোপ্তা হামলা করা হচ্ছে, এগুলো কী মানুষের অধিকার লঙ্ঘন না? সুতরাং তাদের নিয়ে আগামী ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে এবং যারা মানবাধিকারের ধুয়া তুলে বিভিন্ন দেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালায়, আর ফিলিস্তিনে যখন নারী-শিশুদের পাখি শিকারের মতো হত্যা করা হয়, গাজায় হাসপাতাল গুঁড়িয়ে দিয়ে একসঙ্গে ৫০০ মানুষকে হত্যা করা হয় এবং সাধারণ মানুষের ওপর বোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে, তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছানোর জন্য বাংলাদেশে যারা মানবাধিকার বঞ্চিত হয়েছে, তাদের নিয়ে সমাবেশ করবো।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত এখন দুষ্কৃতকারী। আমরা দুষ্কৃতকারীদের দমন করার লক্ষ্যে কাজ করছি। আমরা তাদের নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর।

রাজধানীতে কাভার্ড ভ্যান থেকে ১৪০ কেজি গাঁজা জব্দ

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় একটি কার্ভাড ভ্যান থেকে ১৪০ কেজি গাঁজা জব্দ করে পুলিশ বলেছে, কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় বিক্রির জন্য এই মাদক নিয়ে আসা হয়েছে সীমান্ত এলাকা থেকে।
গাঁজা জব্দের পাশাপাশি ওই কাভার্ড ভ্যানের চালক, মাদক কারবারি মো. সালু মিয়াকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
তেজগাঁও বিভাগের গোয়েন্দা পুলিশ সহকারী পুলিশ কমিশনার এম রাকিবুল হাসান ভূঞা জানান, তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তার কাছে মিনি ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় সোমবার রাতে কাভার্ড ভ্যানসহ সালু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমাদের কাছে খবর ছিল, মিনি ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় গাঁজাভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যান রাখা হয়েছে। এরপর সেখানে গিয়ে ভ্যানের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে আমরা গাঁজা জব্দ করি এবং একজনকে গ্রেপ্তারই করি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সালু অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা রাকিবুল বলেন, ‘তিনি (সালু) কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসব গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তারপর কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছিলেন। এই মাদক কারবারি নামে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার একটি মামলা আছে।

ম্যান সিটির বিপক্ষে অভিযোগ এনেছে এফএ

টটেনহ্যামের বিপক্ষে রোববার প্রিমিয়ার লিগে ৩-৩ গোলে ড্রয়ের ম্যাচটির শেষ মুহূর্তে ম্যানচেস্টার সিটির খেলোয়াড়দের আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেছে ফুটবল এসোসিয়েশন (এফএ)।
আর্লিং হালান্ডসহ বেশ কয়েকজন তারকা খেলোয়াড় রেফারি সাইমন হুপারের একটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে তাকে ঘিড়ে ধরে। ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে নাটকীয় ম্যাচটিতে ওই সিদ্ধান্তে সিটিকে কেন অ্যাডভানটেজ দেয়া হবে না, খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ ছিল মূলত সে কারণেই।
হালান্ডকে টটেনহ্যামের এমারসন রয়্যাল ফাউল করার পর নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার পড়ে গিয়েও আবারো উঠে দাঁড়িয়ে জ্যাক গ্রিলিশের দিকে বল বাড়িয়ে দেন। প্রথমে হুপার খেলা চালিয় যাবার সঙ্কেত দিলেও হঠাৎ করেই বাঁশি দিয়ে সিটিকে ফ্রি-কিকের নির্দেশ দেন। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে স্বাগতিক শিবির। মাঠ ছাড়ার সময়ও হালান্ডকে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে। এমনকি ম্যাচ শেষে টুইটারে রেফারিকে উদ্দেশ্য করে গালিও দিয়েছেন হালান্ড।
সিটি বস পেপ গার্দিওলা বলেছেন, তিনি হালান্ডের রাগের বিষয়টি বুঝতে পারছেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলা বলেছেন, ‘সে কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছিল। আমার তো মনে হয় রেফারি যদি আজ ম্যান সিটির হয়ে মাঠে খেলতো তবে তিনিও এই ধরনের সিদ্ধান্তে হতাশা ব্যক্ত করতেন। স্বাভাবিক নিয়মে ফ্রি-কিক দিলে সমস্যা ছিলনা। কিন্তু একবার খেলা চালিয়ে যাবার ইঙ্গিত দিয়ে পরবর্তী সময়ে আবারও তা থামিয়ে দেয়া কোনোভাবেই শোভনীয় নয়।’
সোমবার এক বিবৃতিতে এফএ জানিয়েছে সিটির বিপক্ষে অভিযোগ আনা হয়েছে। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘ম্যানচেস্টার সিটিকে এফএ আইন ই২০.১ ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রিমিয়ার লিগে রোববার টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে ম্যাচে সিটির খেলোয়াড়রা রেফারিকে ঘিড়ে ধরেছিল। এখানে উল্লেখ্য যে, ম্যাচের ৯৪ মিনিটে যে ঘটনাটি ঘটেছে তাতে সিটি মাঠে তার খেলোয়াড়দের আচরণ সংযত করতে ব্যর্থ হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই অভিযোগের বিপক্ষে নিজেদের বক্তব্য জানানোর সময় পাবে সিটি।’