শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

কৃষিমন্ত্রী যা বলেছেন সেটি তার ব্যক্তিগত অভিমত : আইনমন্ত্রী

বিএনপি নির্বাচনে এলে সব নেতাদের মুক্তি দেওয়া হবে, কৃষিমন্ত্রীর দেওয়া এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, কৃষিমন্ত্রী যা বলেছেন সেটি তার ব্যক্তিগত অভিমত। এটা দলের অভিমত নয়। বিএনপি নেতা যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরকে সুনির্দিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিচার ও জামিনের বিষয়ে একমাত্র আদালত কথা বলতে পারে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার সড়ক বাজার এলাকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলে তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে বিএনপি যখন বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করে স্বৈরশাসন চালাচ্ছিল তখন বিচার বিভাগকে করাপ্ট করা হয়েছে। এখন সে অবস্থা নেই। বর্তমানে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন।
তিনি আরও বলেন, বিগত দশ বছরে কসবা- আখাউড়ায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। জনগণের ভালবাসায় আগামীতেও এই উন্নয়ন অব্যাহত রাখা হবে।
পরে মন্ত্রী খরমপুর কল্লা শহীদ (রহঃ) এর মাজার জিয়ারত করেন।
এ সময় আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মমিন বাবুলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রার্থীরা আন্তরিক না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা কঠিন : সিইসি

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পারস্পারিক আস্থা সংরক্ষণ করে আন্তরিক না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা কঠিন হবে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হাবিবুল আউয়াল।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউসে জেলার ছয় সংসদীয় আসনের প্রাথীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু হয় সে জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, প্রার্থীদের কাছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আস্বস্থ করা হয়েছে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে হবে। প্রার্থীরাও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তারা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে সহযোগিতা করবেন। তারাও আশাবাদী এবারের নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
এ সময় নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল বাতেনসহ অন্য কর্মকর্তারা ছিলেন।

আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামি খেলোয়াড় কামিন্স

প্রথমবারের মতো ভারতের বাইরে চলছে আইপিএলের নিলাম। ২০২৪ সালের আসরকে সামনে রেখে দুবাইয়ে চলছে এবারের নিলাম। মোট ৩৩৩ জন ক্রিকেটারের নাম জমা পড়েছে এবারের নিলামের জন্য। তবে মোট খেলোয়াড় কেনাবেচা হবে ৭৭ জনের স্লটে। যেখানে বিদেশীদের জন্য খালি থাকছে ৩০ জনের স্লট।
নিলামে প্রথম ক্যাটাগরিতে উঠেছে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া ব্যাটারদের। যেখানে রাইলি রুশো ছিলেন অবিক্রীত। আবার সাড়ে সাত সাত কোটি রুপিতে রাজস্থান কিনেছিল উইন্ডিজের রভম্যান পাওয়েলকে। ট্রাভিস হেডের ঠিকানা সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদে।
অলরাউন্ডার ক্যাটাগরিতে নাম উঠেছিল ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার। দেড় কোটি রুপিতে তাকে দলে নেয় সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। বিশ্বকাপে আলো ছড়ানো রাচিন রবীন্দ্র চলে যান মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাইয়ে। তবে লড়াই জমে উঠে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের জন্য।
বিশ্বকাপ জেতা এই ক্রিকেটারকে পেতে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মধ্যে চলতে থাকে তুমুল লড়াই। আইপিএল ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে কেনা খেলোয়াড় স্যাম কারানকেও ছাড়িয়ে যায় তাকে পাওয়ার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ইতিহাস গড়া দামে হায়দ্রাবাদে যান কামিন্স। তার দাম উঠেছিল ২০ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

চীনে ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

চীনের গ্যানসু অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ ভূমিকম্পে শতাধিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্পে অন্তত ১১১ জন মারা গেছেন এবং আরও ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার মাঝরাতের দিকে গ্যানসু প্রদেশে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৯। তবে চীনা কর্তৃপক্ষ বলছে এ মাত্রা ছিল ৬.২।

ম্যান সিটিকে ১ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড জরিমানা

আর্লিং হালান্ডের গোলবন্যার সুবাদে গত মৌসুমের বহুল আরাধ্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা ঘরে তোলে ম্যানসিটি। শুধু তাইই নয়, এই হালান্ডের কারণেই ট্রেবলের স্বাদ পেয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। তবে এবার হালান্ডের কারণেই কিছুটা বিপাকে পড়তে হয়েছে সিটিজেন্স কর্তৃপক্ষকে। রেফারির ওপর খেলোয়াড়দের চড়াও হওয়ার দায়ে ম্যানচেস্টার সিটিকে ১ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করেছে দ্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)।
আরও স্পষ্ট করে বললে, হালান্ডের আগ্রাসী মনোভাবের কারণেই এমন শাস্তির মুখে সিটিজেন্সরা। ঘটনা ঘটেছিল ডিসেম্বরের শুরুতে প্রিমিয়ার লিগে টটেনহামের বিপক্ষে ৩-৩ ড্র ম্যাচের শেষ দিকে ঘটেছিল এ ঘটনা। রেফারির এক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তার উপর চড়াও হয়েছিলেন আর্লিং হালান্ড, মাতেও কোভাচিচ এবং রুবেন ডিয়াজ। এদের মধ্যে হালান্ডই বরং খানিক আগ্রাসী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে টুইটও করেছিলেন তিনি।
এসব ঘটনা একেবারেই সহজভাবে নেয়নি এফএ। সিটির বিরুদ্ধে খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়। সিটি কর্তৃপক্ষও খেলোয়াড়দের অসদাচরণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এবার জরিমানা গুনতে হয়েছে তাদের।

আরও এক শহরের নিয়ন্ত্রণ হারাল মিয়ানমার জান্তা

বিদ্রোহীদের কাছে আরও এক শহরের নিয়ন্ত্রণ হারাল মিয়ানমার জান্তা সরকার। কয়েক দিনের তুমুল সংঘর্ষের পর জাতিগত বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলোর সমন্বয়ে গঠিত স্থানীয় প্রতিরোধ জোটের কাছে উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যের নমশান শহরের নিয়ন্ত্রণ হারায় দেশটির সামরিক বাহিনী।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ), তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মির (এএ) সমন্বয়ে গঠন করা জান্তাবিরোধী জোটের চলমান অপারেশন-১০২৭ এর অংশ হিসেবে শান রাজ্যজুড়ে হামলা চালাচ্ছে জাতিগত বিদ্রোহীগোষ্ঠী। তারা সামরিক বাহিনীর কাছ থেকে শান রাজ্যের নমশান শহরের দখল নেওয়ার দাবি করেছে। গত ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সামরিক ব্যাটালিয়ন, ঘাঁটি এবং পুলিশ স্টেশনের বিরুদ্ধে ছয় দিনের টানা আক্রমণের পর শহরটির দখল নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে টিএনএলএ।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ওয়াই-১২, এআরটি-৪২ পরিবহন বিমান, এমআই-৩৫ যুদ্ধবিমান থেকে হামলা সত্ত্বেও নমশান দখল করেছে টিএনএলএ বিদ্রোহীরা। বিমান হামলার পাশাপাশি নমশান শহরের কাছের মানতং শহেরে বিদ্রোহীদের অবস্থানে জান্তা-নিয়ন্ত্রিত সামরিক বাহিনীর আর্টিলারি ইউনিট গোলাবর্ষণ করেছে।
জাতিগত ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী বলছে, শহরটির দখল নেওয়ার সময় জান্তা সৈন্যদের ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। তুমুল আক্রমণের মুখে সামরিক বাহিনী পালিয়ে যাওয়ার পর শহরের বিভিন্ন স্থানে ৬০ জান্তা সৈন্যের মরদেহ পাওয়া গেছে। এছাড়াও পরিবারের ২৯ সদস্যসহ ৩৬ সৈন্য এবং পুলিশকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
টিএনএলএ নমশানের জান্তা ঘাঁটি থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও অস্ত্র উদ্ধারেরও তথ্য জানিয়েছে। গোষ্ঠীটি বলছে, জান্তার গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় তিন বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটেছে। সামরিক বাহিনীর হামলায় অর্ধ-শতাধিক বাড়ি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং একটি স্কুল ধ্বংস হয়েছে।
জাতিগত বিদ্রোহীদের জোট ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স গত ২৭ অক্টোবর দেশটির সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে অপারেশন-১০২৭ নামে অভিযান শুরু করে। তখন থেকে এই জোটের সদস্যরা মিয়ানমার-চীন সীমান্তের শান রাজ্যের অন্তত ৮টি বাণিজ্যিক শহরের দখল নিয়েছে। একই সময়ে ওই রাজ্যে জান্তা বাহিনীর ২৫০টিরও বেশি ঘাঁটি দখল করেছে তারা।
গোষ্ঠীটি বলছে, টিএনএলএর সৈন্যরা শান রাজ্যের নামখাম, কুটকাই এবং মান্টং শহরের আরও কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। রবিবার শান রাজ্যের উত্তরে সামরিক বাহিনীর সাথে বিদ্রোহীদের ভয়াবহ সংঘর্ষ শুরু হয়।
অন্যদিকে, সামরিক বাহিনীর কাছ থেকে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম অধ্যুষিত মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি করেছে ওই অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন করে আসা বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। রাখাইন ছাড়াও মিয়ানমারের চীন ও ভারত সীমান্ত লাগোয়া একাধিক রাজ্যের বেশিরভাগ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সামরিক বাহিনীর সাথে লড়াইরত সেখানকার বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলো।

বিশ্বের সেরা বিমানবন্দরের স্বীকৃতি পেল ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্ট

বিশ্বের সেরা বিমানবন্দরের স্বীকৃতি পেল তুরস্কের ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্ট। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল-বিষয়ক সাময়িকী গ্লোবাল ট্রাভেলার পরিচালিত জরিপে এই স্বীকৃতি পেল তুর্কি বিমানবন্দরটি।
বিশ্বের সেরা বিমানবন্দরের পাশাপাশি এ সম্পর্কিত আরও কয়েকটি সূচকে শীর্ষে রয়েছে ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্ট। সেগুলো হলো বিমানবন্দরে খাদ্য ও পানীয় পরিষেবা, বিমান বন্দরে কেনাকাটার অভিজ্ঞতা এবং করবিহীন কেনাকাটা।
সোমবার জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে গ্লোবাল ট্রাভেলার।
এতে বলা হয়েছে, জরিপটিতে অংশ নিয়েছেন মোট ৫ লাখ পাঠক, যাদের ৯৬ শতাংশই বিভিন্ন কারণে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিষেবা গ্রহণ করেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের সবাই নিজ নিজ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
গ্লোবাল ট্রাভেলার্সের জরিপের এই ফলাফলে উচ্ছ্বসিতভাবে স্বাগত জানিয়েছে ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্ট কর্তপক্ষ।
বিমানবন্দরটির গণযোগাযোগ বিভাগের পরিচালক গোখান সেনগুল এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিশ্বের সেরা বিমানবন্দরসহ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্ট শীর্ষে রয়েছে, এটিট আমাদের জন্য খুবই আনন্দের খবর।
বিমানবন্দরের প্রত্যেক কর্মীর কঠোর পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের কারণে এই স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ওআইসিকে একসঙ্গে কাজ করা উচিত : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) রাষ্ট্রগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওআইসির সদস্য দেশগুলোকে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
বাংলাদেশে কাতারের রাষ্ট্রদূত সেরায়া আলী মাহদি সাইদ আল-কাহতানি আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি একথা বলেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
করিম বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কাতারের রাষ্ট্রদূত বৈঠকে গাজা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন। বৈঠকে কাতারের রাষ্ট্রদূত শেখ হাসিনার কাছে ৪ থেকে ৬ মার্চ, ২০২৪ তারিখে কাতারে অনুষ্ঠেয় অষ্টম দোহা ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্সে (ডিআইএমডিইএক্স) যোগদানের জন্য আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।
আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে তিনি জয়ী হলে প্রদর্শনীতে যোগ দেবেন।
প্রদর্শনীটি প্রতি দুই বছর অন্তর কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়।
গাজা ইস্যু সম্পর্কে সেরায়া আলি মাহদি সাঈদ জানান, এই বছর তার দেশ ১৮ ডিসেম্বর জাতীয় দিবস উদযাপন করেনি এবং জাতীয় দিবসের উৎসব অনুষ্ঠানের বাজেট ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গাজার জনগণের জন্য পাঠিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনিদের জন্য শুকনো খাবার ও কাপড়সহ ত্রাণ সামগ্রীও পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, এমনকি বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস পাস করা ফিলিস্তিনি চিকিৎসকবৃন্দ এখন ফিলিস্তিনের হাসপাতালে কাজ করছেন।
কাতারের রাষ্ট্রদূত বলেন, কাতারভিত্তিক আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক গাজা ইস্যুতে সংবাদ প্রচার করছে বলে বিশ্ব গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সফর করবেন।
প্রেস সচিব শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমরা অতি দ্রুত আমিরকে স্বাগত জানাতে অপেক্ষায় আছি।’
কাতারের আমির ২০২০ সালের মে মাসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নিকট থেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী গাজা ইস্যুতে উদ্যোগ নেয়ার জন্য কাতার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
খবর বাসস

নিরাপদ রেলযাত্রাকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে : রেলমন্ত্রী

নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নিরাপদ রেলযাত্রাকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে বলে জানিয়ে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো যে রাজনৈতিক কর্মসূচি দিচ্ছে, এ সময়টাতে রেল সম্পর্কিত সহিংসতা বাড়ছে।
মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে রেলভবনের সভাকক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলে নাশকতা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ কথা বলেন তিনি।
রেলমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে রেল চলাচলে হুমকি তৈরি হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকের সহযোগিতা চাই। রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে রেলকে সম্পৃক্ত করে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ফেলে জনজীবন যে হুমকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো প্রতিটি ফৌজদারি অপরাধ। আমাদের দিক থেকে আমরা নিরাপদ রেল যাত্রার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।
নূরুল ইসলাম সুজন ব‌লেন, তেজগাঁওয়ে ট্রেনে আগুনের ঘটনায় রেলের ডিস্ট্রিক্ট ট্রান্সপোর্ট অফিসারকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ কমিটিকে আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে৷
আগুনের ঘটনায় দুর্বৃত্তরা যাত্রী‌বে‌সে ট্রেনেই ছিল ব‌লে জানান তি‌নি।
এর আ‌গে মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নেত্রকোণা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাকিবুল জানান, নেত্রকোণা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি তেজগাঁও স্টেশন ছেড়ে চলা শুরু করতেই আগুন লাগে। ভোর ৫টা ৫ মিনিটে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ছুটে গিয়ে ৫টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কে বা কারা ট্রেনটিতে আগুন দিয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

রাজধানীতে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫৩

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) থেকে মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি জানান, আসামিদের কাছ থেকে ছয় হাজার ৯০২টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৯ গ্রাম হেরোইন, চার কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা ও ৮০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪২টি মামলা করা হয়েছে।