শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

নাশকতা এড়াতে ১০ লোকাল ট্রেন বন্ধ

নাশকতা এড়াতে দশটি লোকাল ট্রেন বন্ধ করা হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে এসব ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বন্ধ করা ট্রেনের মধ্যে রয়েছে, ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ থেকে ভূয়াপুর, জামালপুর থেকে সরিষাবাড়ি একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেন, উত্তরা এক্সপ্রেস ও ঈশ্বরদী রহনপুরগামী লোকাল ট্রেন। রাত্রিকালীন ঝুঁকিপূর্ণ মনে করায় এগুলো বন্ধ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার শফিকুর রহমান।
ম্যানেজার শফিকুর রহমান বলেন, নাশকতার ধরন যেহেতু পরিবর্তন হয়েছে, সেজন্য আমরা দুই হাজার ৭০০ আনসার সদস্য পেয়েছি। অলরেডি তারা মোতায়েন আছেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নাশকতার ফলে আমরা ট্র্যাক পেট্রোলিং করছি। সেই সেই সঙ্গে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের স্থাপনাগুলো দেখছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিরাপত্তার বিষয় দেখছে রেলওয়ে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, এর আগে ২০১৪ সাল আমরা আনসার বাহিনীর মাধ্যমে ট্রাক পেট্রোলিং করেছিলাম। এজন্য এ বছরও রেলের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফিরেছেন কোহলি

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারতের টেস্ট সিরিজ শুরু হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে। টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রামে থাকা বিরাট কোহলির টেস্ট সিরিজ দিয়ে ফেরার কথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে।
টেস্ট সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকায় উড়েও গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। তবে এখন দলের সঙ্গে নেই বিশ্বকাপের সর্বশেষ আসরের সেরা এই ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফিরে এসেছেন বিরাট কোহলি।
পারিবারিক কারণে বোর্ডের অনুমতি নিয়ে তিন দিন আগে দেশে ফিরেছেন তিনি। তবে সেঞ্চুরিয়নে আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাওয়া যাবে বিরাট কোহলিকে।
এমন খবরই দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম। সন্তানসম্ভবা স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা, এ খবর ইতোমধ্যে জেনেছে ক্রিকেট বিশ্ব। দ্বিতীয় সন্তানের মুখ দর্শনেই কী তাহলে দেশে ফিরেছেন বিরাট কোহলি ? এটাই প্রশ্ন।
এদিকে ওয়ানডে সিরিজে আঙুলের চোট পাওয়ার পর এখনো সেরে ওঠেননি টপ অর্ডার রুতুরাজ গায়কোয়াড়। টেস্ট খেলার সম্ভাবনা নেই বলে ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়েছে ভারতের টিম ম্যানেজমেন্ট। শনিবার দেশে ফেরার কথা তার।

৫ দিন কোনো ধরনের প্রচার-মিছিল করা যাবে না

আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা ও মিছিলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনার আলোকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে।
এতে হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ অনুসারে কোনো নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণ শুরুর আগের ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা তাতে যোগদান থেকে বিরত থাকতে হবে।
এছাড়া কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা আয়োজন বা তাতে যোগদান না করার বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। আগামী ৭ জানুয়ারি সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু। এ হিসাবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে বলে পরিপত্রে বলা হয়। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে কোনো প্রার্থী নির্বাচন ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবে না বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছিল ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তির সময় ছিল ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দের সময় ছিল ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ ২০২৪ সালের সাত জানুয়ারি।

৭ জানুয়ারি ইন্টারনেট সচল রাখতে নির্দেশনা

৭ জানুয়ারি ভোটের ফলাফল দ্রুত পাঠানোর জন্য টেলিফোন, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেট সংযোগ সচল রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-৬ পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্রে ভোটকেন্দ্রে ধূমপান থেকে বিরত রাখা ও দিয়াশলাই, লাইটারসহ দাহ্য পদার্থ বহনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের ভিতরে বৈদ্যুতিক হিটার বা যেকোন ধরনের চুলা ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিশেষ এই পরিপত্রে বলা হয়, কোনো ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে না।
এ নিষেধাজ্ঞায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৭৯ (৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রদত্ত রিটার্নিং অফিসারের এখতিয়ার ক্ষুণ্ন হবে না। আইনানুগভাবে ভোটগ্রহণ করতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ পরিপত্রে উল্লেখ নেই এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জারি করা পরিপত্র, আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানের নির্দেশনা/পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
পরিপত্রে সাহসী ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের ভোট গ্রহণে নিযুক্ত করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের জন্য যানবাহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রিটার্নিং অফিসারকে বলা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণ এবং ভোটগণনা শেষে প্রিসাইডিং অফিসাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় দ্রুত সময়ে ভোটগণনার তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে সরবরাহ করবেন। পরিপত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে নিজ নিজ সংস্থার যানবাহন ব্যবহারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যদিও ইসির আইন অনুযায়ী ভোটের কার্যক্রম বন্ধ করার বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১ (এ) ধারায় বলা আছে, ‘বলপ্রয়োগ, ভীতিপ্রদর্শন, চাপ সৃষ্টিসহ অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত এবং আইনানুগভাবে যদি নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব না হয়, তাখন নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমতে সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় যে কোনো পর্যায়ে ভোট গ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে।’
এর আগে বুধবার (২০ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান বলেছেন, ‘নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অনিয়ম করলে ছাড় নয়। ভোটকেন্দ্রের বাইরে কেউ ঝামেলা করলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। কোথাও অনিয়ম হলে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দায়িত্বরতদের সাসপেন্ড করা হবে।’

ঢাকায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভা ১ জানুয়ারি

আগামী ১ জানুয়ারি (সোমবার) রাজধানীতে নির্বাচনী জনসভা করবে আওয়ামী লীগ। ওই দিন বিকেল ৩টায় মোহাম্মদপুরে শারীরিক চর্চা কেন্দ্র মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান জানান, আগামী ৩০ ডিসেম্বর (শনিবার) গোপালগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) এবং মাদারীপুর-৩ নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
২০ ডিসেম্বর সিলেটে হযরত শাহজালাল ও শাহ পরানের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা। এরই অংশ হিসেবে গতকাল (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট, রাজশাহী বিভাগের নাটোর ও পাবনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়িতে ভার্চুয়ালি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা।

কাল ৬ জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামীকাল (২৩ ডিসেম্বর) ৬ জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখবেন।
আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, আগামীকাল শনিবার বিকেল ৩টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবন প্রান্ত থেকে ৬টি জেলার নির্বাচনী ভার্চুয়াল জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন। তিনি পর্যায়ক্রমে খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা, বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা, ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোণা জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙ্গামাটি জেলার নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা, সংশ্লিষ্ট জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা/থানা/পৌর আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন/ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতারা এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর নির্বাচনী এলাকাসমূহের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আগামীকালের ভার্চুয়াল জনসভা সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ৫ জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশ গ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি খুনের রাজানীতি করে আবার ক্ষমতায় আসতে চায় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিএনপি খুনের রাজনীতি করে আবার ক্ষমতায় আসতে চায়। তারা এখনও নির্বাচন বানচাল করতে চায়। কিন্তু আপনারা আগামী নির্বাচনে দলে দলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন। যে এলাকা যত বেশী ভোট দিবে, সেই এলাকায় তত বেশী উন্নয়ন করা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) জেলার সাটুরিয়ায় উপজেলার হাজিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তেব্য এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি শুধু ধ্বংসের রাজনীতি করে। এ রাজনীতি করে তারা মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করতে চায়। তারা আগুন নিয়ে খেলে। আগুন দিয়ে প্রতিষ্ঠান, মানুষ, পশু, বই পুড়ায়। তারা গ্রেনেড হামলা করে। আওয়ামী লীগ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ধ্বংস করে। এই বালিয়াটি বাজার আমার পিতা কর্নেল মালেক তৈরি করে দিয়েছিল। আর বিএনপি সেটা ভেঙ্গে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, করোনার সময় বিএনপি কোথায় ছিল। কোন সাহায্য করেছে? মানুষের হাতে কিছু দিছে ? আমরা বিনা মূল্য করোনা ভ্যাকসিন দিয়েছি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বিএনপি এখনও ভোটের বিরোধীতা করছে। বিএনপি চায় ভোট বন্ধ হয়ে যাক। ভোট না দিলে সরকার গঠন হবে না। তখন দেশে অরাজাকতা সৃষ্টি হবে। নির্বাচন বন্ধ হয়ে গেলে দেশে মারামারি হবে। অরাজকতা সৃষ্টি হবে।
পথ সভায় সাটুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুল মজিদ ফটো, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রুহুল আমিন, বালিয়াটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মীর সোহেল আহমেদ চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
এ পথসভায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারন মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি অসহযোগের নামে মানুষ হত্যা করছে : দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বিএনপি অসহযোগের নামে মানুষ হত্যা করছে। তারা ট্রেন-বাস ও ট্রাকে আগুন দিচ্ছে। জনগণকে ছাড়া অসহযোগ করা যায় না।
আজ শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে উঠান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
দীপু মনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে লোকজন দেখা যায় না। হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটা ঘোষণা দিয়ে, দুজন-পাঁচজন নিয়ে রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি করে নাশকতা করেন। অসহযোগ মানে নাশকতা নয়। যারা নাশকতা-সহিংসতা করেন তারা যুদ্ধাপরাধীদের দোসর। তারা অসহযোগের মানেও বুজে না। কারণ জনগণের তাদের সঙ্গে নেই।
এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটোয়ারী, চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারীসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কাজ করছে ইসি’

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রাখতে সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। কারও অবহেলা থাকলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। কারোর কোন প্রকার অভিযোগ থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সকল পর্যায়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে। এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করা হয়েছে। পরিবেশ আরো উন্নত হবে। সবাইকে আইন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
আজ শুক্রবার পাবনা জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং আইশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে মতবিনিময় শেষে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভোটারদের কেন্দ্রে আনার দায়িত্ব প্রার্থীদের আর ভোটারদের নির্বিঘেœ ভোট প্রয়োগের পরিবেশ সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের। আশা করি ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক মো. আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জসিম উদ্দিন হায়দার, বিভাগীয় নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. আসাদুজ্জামান, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী প্রমুখ।
এর আগে তিনি পাবনা শিল্পকলা একাডেমীতে প্রিজাইডিং অফিসারদের সাথে মতবিনিময় করেন।

নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে চলতে হবে : ওবায়দুল কাদের

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নিজ আসন নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট)-এ নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ভোটের মাঠে নেমেই দলীয় প্রার্থীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের শীর্ষ এই নেতা বলেছেন, নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। ফাউল করলে খবর আছে। আমরা কারও জন্য তদবির করবও না।
আজ শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের বসুরহাটে নির্বাচনী এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে বাংলাদেশকে বাঁচাতে হবে। গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে সংবিধানকে বাচাতে হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে।
এদিন বিকেলে সাড়ে ৩টায় বসুরহাট পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামের মিয়া বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণার শুরু করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই নেতা।
এ সময় তার ছোট ভাই নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কাদের মির্জা ও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।