শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

এবার ইউক্রেনে ব্যাপক সামরিক সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য

ইউক্রেনকে আড়াই বিলিয়ন পাউন্ড সামরিক সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য। শুক্রবার রুশ আক্রমণের পর সবচেয়ে বড় সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। আগামী অর্থবছর এপ্রিল থেকে কার্যক্রম শুরু হবে।
সামরিক সহায়তার নমুনা উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা বলেন, ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান প্রতিরক্ষা ও আর্টিলারি শেল সরবরাহ করা হবে। বলা হয়েছে, ড্রোনের জন্য প্রায় ২ হাজার লাখ পাউন্ড ব্যয় করা হবে, যার বেশির ভাগই যুক্তরাজ্যে তৈরি করা হবে।
ইউক্রেনের জন্য ঘোষণা করা সামরিক প্যাকেজের পরিমাণ উল্লেখ করে কর্মকর্তারা বলেন, ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়া যে কোনও দেশের তুলনায় এই প্যাকেজ বড়। এটি সবচেয়ে বেশি ড্রোন সরবরাহের প্যাকেজ। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে ইউক্রেন সফরে গিয়ে একটি বড় সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছিলেন, ইউক্রেনের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য একটি নতুন চুক্তি করা হবে।
এই চুক্তিতে বিভিন্ন ধরনের সামরিক অস্ত্র থাকবে। এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দিমিত্রি মেদভেদেভ হুমকি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের সরবরাহ করা অস্ত্র দিয়ে যদি রাশিয়ার অভ্যন্তরে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র উেক্ষপণকেন্দ্রে হামলা চালায় ইউক্রেন, তাহলে মস্কোর পক্ষ থেকে পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার তিনি এই হুমকি দেন।
রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বর্তমানে দেশটির প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, পশ্চিমাদের সরবরাহকৃত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনীয় কয়েক জন সামরিক কমান্ডার রাশিয়ার অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্র উেক্ষপণকেন্দ্রে হামলার কথা ভাবছেন। ইউক্রেনীয় কমান্ডারদের নাম বা কথিত হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু তিনি বলেননি।
টেলিগ্রামে মেদভেদেভ লিখেছেন, এর অর্থ কী? এর অর্থ একটাই। আর তা হলো রাশিয়ার পারমাণবিক নীতির ১৯ অনুচ্ছেদ সক্রিয় করা, যা পারমাণবিক প্রতিরোধের ক্ষেত্রে রাশিয়ার রাষ্ট্রনীতি।
তিনি লিখেছেন, এই কথা মনে রাখতে হবে। রাশিয়ার ২০২০ সালের পারমাণবিক নীতির ১৯ অনুচ্ছেদে কয়েকটি পরিস্থিতির বর্ণনা রয়েছে। যেসব পরিস্থিতিতে রুশ প্রেসিডেন্ট পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা বিবেচনা করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে কোনো পারমাণবিক হামলা বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র অথবা প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে রাশিয়ার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়লে তা মোকাবিলায় পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার।
মেদভেদেভ তার মন্তব্যে নির্দিষ্টভাবে যে অনুচ্ছেদের কথা বলেছেন তাতে প্রচলিত অস্ত্রের হামলার জবাবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত পুতিনের হাতে ন্যস্ত। কিন্তু কূটনীতিকরা বলছেন, মেদভেদেভের মতো ক্রেমলিনের যুদ্ধবাজ শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত তুলে ধরে। যারা মনে করেন, পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে রাশিয়া অস্তিত্ব রক্ষায় লড়াই করছে।

জানা গেল শবেমেরাজের তারিখ

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী রোববার (১৪ জানুয়ারি) থেকে ১৪৪৫ হিজরি বর্ষের পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। এ প্রেক্ষিতে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দিনগত রাতে পবিত্র শবেমেরাজ পালিত হবে।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. নায়েব আলী মন্ডল।
সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলো, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।
বিশ্বনবি (সা.) নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে আরোহণ করেন। তিনি আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়ায় প্রত্যাবর্তন করেন। মুহাম্মদ (সা.) ছাড়া অন্য কোনো নবি এ পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি।

ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে অধিনায়কত্ব হারাল প্রোটিয়া ক্রিকেটার

গাজায় ফিলিস্তিনিদের হামলার প্রতিবাদে কালো আর্মব্যান্ড পরাই আইসিসির শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে অজি ওপেনার উসমান খাজাকে। তবে এবার ইসরায়েলকে সমর্থন করায় অধিনায়কত্ব হারিয়েছের দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ডেভিড টিগার। তবে আইসিসি নয়, তাকে অধিনায়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছে প্রোটিয়া ক্রিকেট বোর্ড।
কারণ, আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ এবং গণহত্যার মামলা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। গাজায় নির্যাতিতদের প্রতি সহানুভূতি জানাতে এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার দাবিতে সরব হয়ে ইসরায়েলকে বয়কট করেছে দেশটি। অথচ সেই ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন দেশটির অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ডেভিড টিগার।
গাজায় ফিলিস্তিনিদের উপর চলছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর আগ্রাসন। ইসরায়েলি সেনার হামলা থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না নারী-শিশুরাও। বিশ্বের অনেকগুলো দেশ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের মধ্যে একটি। কিন্তু সেই দেশের যুবা ক্রিকেটার ডেভিড টিগারের অবস্থান ইসরায়েলের পক্ষে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে গিয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষে কথা বলেছেন টিগার। সেখানে ইসরায়েলি যোদ্ধাদের ‘আসল নায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। সম্প্রতি তাদের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টও করেছেন তিনি।
ইসরায়েলি সেনাদের পক্ষে টিগারের মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে দ্রুত সময়ের মধ্যে। দেশটির সব গণমাধ্যমে এই সংবাদ উঠে আসলে প্যালেস্টাইন সলিডারিটি অ্যালায়েন্স (পিএসএ) দক্ষিণ আফ্রিকান স্পোর্টস কনফেডারেশন এবং অলিম্পিক কমিটির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রোটিয়া ক্রিকেট বোর্ড (সিএসএ) এবং টিগারের অন্যান্য ক্লাবগুলো তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
তাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে উইম ট্রেংগ্রোভের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। তবে তাদের রিপোর্ট মতে, টিগার তার মত প্রকাশের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী কাজ করেছেন এবং কোনো অপ্রীতিকর বা ক্ষতিকর আচরণে জড়িত ছিলেন না। সিএসএ প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেছে।
কোনো সাজা না পেলেও অধিনায়কত্ব থেকে সরানো হয়েছে টিগারকে। সিএসএ’র বিবৃতি অনুযায়ী, দল এবং টিগারের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নেতৃত্ব হারালেও দলের একজন খেলোয়াড় হিসেবে স্কোয়াডেই থাকছেন টিগার। নতুন অধিনায়কের নাম দ্রুতই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে তারা।
চলতি মাসের ১৯ তারিখ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শুরু হবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে প্রোটিয়ারা।

বিসিবি সভাপতির পদে লড়াই করবেন যারা

প্রায় এক যুগ ধরে বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছের নাজমুল হাসান পাপন। তবে চলতি বছরেই শেষ হতে যাচ্ছে এই অধ্যায়। কারণ, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। তাই তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।
সেই তালিকায় প্রথমেই ছিলেন মারশাফী বিন মোর্ত্তজা ও সাকিব আল হাসান। কিন্তু সেটা এখনই সম্ভব না। কারণ, বিসিবি সভাপতি হতে হলে আগে তাদের বিসিবি পরিচালক অথবা জেলা ভিত্তিক ক্লাব কিংবা আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থাগুলোর পরিচালনা পরিষদের সদস্য হতে হবে। ফলে এই মুহূর্তে সাকিব কিংবা মাশরাফীকে বিসিবি সভাপতি করতে হলে, নিয়ম পরিবর্তন করতে হবে। তাই বলা যায় এখনই বিসিবি সভাপতি পদে বসতে পারবেন না।
তাই বলা যায়, পাপনসহ ২৪ বোর্ড পরিচালকের মধ্যে থেকে পরবর্তী সভাপতি নির্বাচন করতে হবে। ফলে বোর্ডের হাই প্রোফাইনাল পরিচালকদের নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। যেখানে নাম আসছে অনেকের।
যেখানে সবার প্রথমে নাম শোনা যাচ্ছে মানিকগঞ্জ-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমান বোর্ড পরিচালক নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের। যিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক। পেশাদার ক্রিকেট ছাড়ার পর থেকেই সংগঠকের ভূমিকায় রয়েছেন দীর্ঘ সময় ধরে। বিসিবিতে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তা ছাড়ার আগেও দায়িত্ব পালন করেছেন বিভিন্ন কমিটিতে।
এরপরই রয়েছে আরেক সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানের নাম। তার হাত ধরে আইসিসি ট্রফি জিতেছিল বাংলাদেশ। বিসিবিতে দায়িত্ব পালন করেছেন প্রধান নির্বাচক হিসেবে। ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ পদ, ক্রিকেট অপারেশন্সেও। বর্তমান কমিটিতে আছেন বিসিবির ফ্যাসিলিটিজ কমিটির দায়িত্বে। প্রধানমন্ত্রীর আস্থা-ভাজন হওয়ায় তিনিও বোর্ড সভাপতি পদের অন্যতম দাবিদার।
অন্যদিকে প্রবীণ সংগঠক আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববিকেও বাইরে রাখা যাচ্ছে না বোর্ড সভাপতির দাবিদার থেকে। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ সত্তরের দশকে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর স্নেহধন্য হওয়ায় আলোচনা হচ্ছে তাকে নিয়েও। দীর্ঘদিন আছেন বোর্ড পরিচালকের দায়িত্বে। বর্তমানে রয়েছেন বিসিবির লিগ কমিটির দায়িত্বে।
বোর্ডের অন্য পরিচালক মৌলভীবাজার-২ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন বিসিবি নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে। তার সময়ে বাংলাদেশ নারী দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এশিয়া কাপে। তাই পরবর্তী বোর্ড সভাপতির দাবিদারের আলোচনায় আছেন তিনিও।

সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকে আয়ুশমান খুরানা

অনেকদিন ধরেই গুঞ্জন, বায়োপিক আসছে ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির। এবার জানা গেল, সেই চরিত্রে কে অভিনয় করবেন। ভার্সেটাইল অভিনেতা হিসেবে খ্যাত আয়ুশমান খুরানাকে সৌরভের চরিত্রে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া সিনেমাটির পরিচালক হিসেবে দেখা যাবে উড়ান, লুটেরা খ্যাত বিক্রমআদিত্য মোতয়ানেকে।
আজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে, বলিউডের ভেতরের খবরের জন্য বিশ্বস্ত গণমাধ্যম পিপিংমুন।
সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রযোজক লাভ রঞ্জন এবং অঙ্কুর গর্গ আয়ুশমান খুরানা এবং বিক্রমআদিত্য মোতয়ানে একসঙ্গে এনে ছয় মেরেছে। আয়ুশমান নিজেও বাঁহাতি ব্যাটার সৌরভের মতো, সুতরাং, এই চরিত্রে দারুণভাবে মানিয়ে যাবেন তিনি। মোতয়ানেও উড়ান, লুটেরা, বভেশ যোশী এবং জুবিলি দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। সিনেমাটির ঘোষণা খুব দ্রুতই আসছে।
গাঙ্গুলির বায়োপিকের রাইটস আগেই কিনে রেখেছিলেন লাভ ফিল্মসের লাভ রঞ্জন এবং অঙ্কুর গর্গ। এই প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারেই নির্মিত হবে সিনেমাটি।
উল্লেখ্য, ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়কদের একজন ধরা হয় সৌরভকে। বলা হয়ে থাকে, বর্তমান সময়ে ক্রিকেটে ভারতের এমন দাপটের গোড়াপত্তন করেছিলেন প্রিন্স অব ক্যালক্যাটা খ্যাত সৌরভই।

নতুন শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আসতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

তুমুল আলোচনায় থাকা নতুন শিক্ষাক্রম ও এর মূল্যায়নে পদ্ধতিতে প্রয়োজনে পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে এখন যে একেবারে শতভাগ স্থায়ী তা কিন্তু নয়। আমরা আগেও বলেছি, আমাদের সে কারেকশনগুলো আসবে সেগুলো সমাধান করবো।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) নেতাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
রাজধানীর বনানীতে মন্ত্রীর নিজ বাসায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মূল্যায়ন পদ্ধতির চ্যালেঞ্জের কথা যদি বলেন, সেক্ষেত্রে বলবো- নতুন শিক্ষাক্রমে বেশকিছু সংযোজন আসছে, এগুলো আমরা দেখছি। এখানে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া আরও বেশকিছু পরিবর্তন করতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া মহিবুল হাসান চৌধুরী তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নজর দিতে চান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নতুন সরকারের নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন। আগের অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ করবো। আমরা কর্মসংস্থানের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছি। স্মার্ট বাংলাদেশে, স্মার্ট জেনারেশনের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট যত দক্ষতা আছে, সেগুলো আমরা শিক্ষাক্রমে নিয়ে আসতে চাই। এতে করে আমাদের শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের বিষয়টি মাথায় রেখে নিজেদের শিক্ষা বিষয়ে পরিকল্পনা সাজাতে পারবে। মূলত কর্মসংস্থানের বিষয়টি মাথায় নিয়ে আমরা গোটা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কাজ করতে চাই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন মন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ইরাবের সদস্যরা।
এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শরীফুল আলম সুমন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসাইনসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী ইরাবের সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেন।

কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইয়েমেনে হামলা

মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়াই ইয়েমেনে হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রত্যক্ষ নির্দেশে যুক্তরাজ্যের বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ হামলা চালানো হয়।
অথচ যেকোনো দেশে সামরিক অভিযান পরিচালনার আগে কংগ্রেসের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে মার্কিন সংবিধানে।
কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়াই ইয়েমেনে হামলা চালানোর ঘটনায় মার্কিন রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে বিভক্তি।
ডেমোক্র্যাট পার্টির মার্কিন আইনপ্রণেতা রো খান্না বলেছেন, ‘ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করার এবং মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি সংঘাতে আমাদের জড়ানোর আগে প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই কংগ্রেসে আসতে হবে। মার্কিন সংবিধানে এটিই বলা আছে।’
আরেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ভ্যাল হোয়েল বলেন, ‘(ইয়েমেনে) এই বিমান হামলাগুলো কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত নয়। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে: বিদেশে যেকোনও সংঘাতে সামরিকভাবে জড়ানোর অনুমোদনের একমাত্র কর্তৃত্ব রয়েছে কংগ্রেসের।’
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা জেসন ক্রো বলেছেন, ‘আমেরিকাকে আরও বড় কোনও সংঘাতে জড়ানোর বিষয়টিকে আমি সমর্থন করছি না।’
আরেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা মার্ক পোকান বলেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া আরও কয়েক দশক ধরে চলতে পারে এমন সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি নিতে পারে না।’
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা গ্রেগরি মিকস বলেছেন, যদিও আমি এই টার্গেটেড আংশিক সামরিক হামলাকে সমর্থন করি, তবে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়াতে বাইডেন প্রশাসনকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলব। সেই সঙ্গে আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় কৌশল ও আইনি ভিত্তি অনুযায়ী কংগ্রেসকে বিস্তারিত অবগত করে এ বিষয়ে অনুমতি নেওয়ার আহ্বান জানাই।
খবর আল-জাজিরা

করোনা এখনো বড় ধরনের হুমকি : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে কোভিড-১৯ এ প্রায় ১০ হাজার লোক মারা গেছে এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে ৪২ শতাংশ। বুধবার (১০ জানুয়ারি) এ পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, কোভিড এখনো বড় ধরনের হুমকি হিসেবে বিবেচিত।
সংস্থাটি বলেছে, বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে গত মাসে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। বিশেষ করে ক্রিসমাসের সময়ে বড় জমায়েতের কারণে বিশ্বব্যাপী করোনার জেন-১ সংক্রমণ বেড়ে গেছে।
সংস্থার প্রধান টেডরস গেব্রিয়াসিস আধাণম বলেছেন, কোভিড এখন আর বৈশ্বিক জরুরি স্বাস্থ্যের বিষয় না থাকলেও এটি এখনও ছড়াচ্ছে। বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং মানুষও মারা যাচ্ছে। নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে বিশ্বে ১০ হাজার লোকের মৃত্যু ছাড়াও করোনায় আক্রান্ত রোগীর হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে ৪২ শতাংশ এবং জরুরি সেবা ইউনিটে ভর্তি বেড়েছে ৬২ শতাংশ।
টেডরস বলেন, এসব তথ্য মূলত ইউরোপ ও আমেরিকার ৫০টি দেশের। কিন্তু, নিশ্চিত ভাবে অন্যান্য দেশেও এসব সংখ্যা বেড়েছে যার তথ্য এখানে আসেনি।
সংস্থার প্রধান আরও বলেন, মহামারির সর্বোচ্চ চূড়ার তুলনায় ১০ হাজার লোকের মৃত্যুর সংখ্যাটি অনেক কম। কিন্তু প্রতিরোধযোগ্য এই মৃত্যুর সংখ্যা অগ্রহণযোগ্য।
তিনি বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোকে নজরদারি জারি বাড়াতে এবং সাশ্রয়ী মূল্যের নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানান।

টানা তৃতীয়বার আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন আনিসুল হক

টানা তৃতীয়বারের মতো আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আনিসুল হক এমপি। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি টানা তিন মেয়াদে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন। তার আগে আর কেউ একবারের বেশি আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাননি।
এদিকে আবারও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আনিসুল হক। একইসঙ্গে নিজ নির্বাচনী এলাকা কসবা ও আখাউড়া উপজেলার জনগণকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ২ লাখ ২০ হাজার ৬৬৭টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তিনি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও এই আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আনিসুল হক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকার সেন্ট জোসেফ হাই স্কুল থেকে ও-লেভেল সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে অ্যাডভান্সড লেভেল (এ-লেভেল) সম্পন্ন করেন। এ-লেভেল শেষ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করেন। এরপর আনিসুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংস কলেজ থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
আনিসুল হক ১৯৮৫ সালের নভেম্বরে ঢাকা জেলা বারে এবং ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হন এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন।
পিতার মৃত্যুর পর আনিসুল হক বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জেল হত্যা মামলার চিফ স্পেশাল প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর হাত ধরেই বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা শেষ হয় এবং এ দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় দেয়। এছাড়া আনিসুল হক দুর্নীতি দমন কমিশনের চিফ কাউন্সেল ও স্পেশাল প্রসিকিউটর ছিলেন। আনিসুল হক ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে সম্পর্কিত পিলখানা হত্যা মামলার প্রধান প্রসিকিউটরও ছিলেন। তার নেতৃত্বে এই মামলাটিও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আইনজীবী, গণপরিষদ ও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জেল হত্যা মামলার প্রধান কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের বড় ছেলে আনিসুল হক।

দেশবাসীকে উন্নত পরিবেশ দিতে কাজ করব : সাবের হোসেন চৌধুরী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, নানাবিধ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সমস্যা সত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণকে বাসযোগ্য পরিবেশ ও উন্নত জীবন দিতে কাজ করব।

তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী না হলেও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়তে কাজ করব।’
নবনিযুক্ত পরিবেশমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
সাবের হোসেন চৌধুরী খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং একাদশ জাতীয় সংসদে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।
তিনি ২০২৩ সালের জুন মাসে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত হিসেবে নিযুক্ত হন এবং বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশ ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন।
তিনি প্রথম ১৯৯৯ সালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে (বন্দরের দায়িত্বে) এবং পরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে (এলজিইডির দায়িত্বে) উপমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন।
একজন আইন প্রণেতা হিসেবে, তিনি রাষ্ট্রীয় নীতির অন্যতম মৌলিক নীতি হিসেবে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের (অনুচ্ছেদ ১৮ক) সুরক্ষা ও উন্নতি সম্পর্কিত বাংলাদেশের সংবিধানে একটি নতুন বিধানের প্রস্তাবের সূচনা করেন।
প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে, তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত জেনেভাভিত্তিক ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের ২৮তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইপিইউর বর্তমান সদস্যপদ ১৭৯টি জাতীয় সংসদ নিয়ে গঠিত, যেখানে ৪৫ হাজারেরও বেশি সংসদ সদস্য রয়েছেন যারা সারা বিশ্বে ৬.৫ বিলিয়ন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত, আইপিইউ হল বিশ্বব্যাপী জাতীয় সংসদের সংগঠন এবং বিশ্বব্যাপী সংসদীয় সংলাপ এবং শক্তিশালী সংসদ ও গণতন্ত্র গড়ে তোলার কেন্দ্রবিন্দু।
বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে, তিনি সংসদ, সরকার, রাজনৈতিক দল এবং ক্রীড়া প্রশাসনে বিভিন্ন ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন, ঢাকা বিভাগের দায়িত্বশীল এবং এই সময়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে, তিনি সফলভাবে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য/টেস্ট মর্যাদায় উন্নীত করেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে ভূষিত হয় এবং বিশ্ব ক্রিকেটে তার সেবার জন্য সাবের হোসেন চৌধুরীকে এমসিসির সম্মানসূচক আজীবন সদস্যপদ দেওয়া হয়।
তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের একজন স্নাতক এবং বারে প্রবেশের জন্য একাডেমিক পর্যায় শেষ করে ইউনাইটেড কিংডমের ওয়েস্টমিনিস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও রাজনীতিতে যৌথ সম্মান ডিগ্রির পাশাপাশি আইনে ডিপ্লোমা করেছেন।