শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

জাদু দেখানো পিটার হাসও অভিনন্দন জানিয়েছেন : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগকে গণতন্ত্র শেখাতে হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ভালো প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের উদ্ভাবন করেছেন। জাদু দেখানো পিটার হাসেরও অভিনন্দন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের যৌথসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে যৌথসভার আয়োজন করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার পর্যন্ত আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে গেছেন। যিনি কত জাদু দেখিয়েছেন, সেই পিটার হাসও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এখন কাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। এখন অপেক্ষায় কখন আসবে ভিসানীতি, অপেক্ষা করুন কেয়ামত পর্যন্ত।
এবারের নির্বাচন বানচাল করবে বলে বিএনপি অনেক আস্ফালন দেখিয়েছিল মন্তব্য করে তাদের সেই আস্ফালন এখন কোথায় সেটা প্রশ্ন করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপিসহ কিছু বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করায় এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নতুন রণকৌশল নিয়েছিল বলে জানান তিনি।
এবারের নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হয়েছে। বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করায় নতুন রণকৌশল করতে হয়েছে। তাই এবার সংসদে বড় একটা অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী। এবার নির্বাচনে ৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে।’
কাদের বলেন, ‘এই নির্বাচনে রণকৌশলের সোনালি ফসল আমরা ঘরে তুলেছি। মোটামুটি সংঘাতমুক্ত হয়েছে নির্বাচন। যারা নির্বাচন আসেনি তারা অনেক কথাই বলেছে। তারা বলছিল এই নির্বাচন হতে দেবে না। তাদের সেই আস্ফালন এখন কোথায় গেল?’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা ছিল। কিন্তু কোনো কিছু বলার মতো দেখেনি। শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বহু দেশ। সারা দুনিয়া বলছে, একটা ভালো নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে একটা দল প্রশংসা করতে পারে না। কীভাবে এই নির্বাচন বৈধতা পাবে, জিয়াউর রহমানের মতো ‘হ্যাঁ’ ‘না’ ভোট করে? যা করেছিল জিয়াউর রহমান।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করে দেশের গণতন্ত্র আরও দৃঢ় করেছেন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। যার কারণে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীকেও শোকজ করেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটা স্বাধীন কমিশন গঠিত হয়েছে, যা প্রশংসার দাবিদার।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির মানুষ নেই। তাই নির্বাচনে এলে হেরে যাবে- এই চরম হতাশগ্রস্ত শিবিরে পরিণত হয়েছে বিএনপি। যে দলের মধ্যে গণতন্ত্র নেই সেই দল কীভাবে দেশের মানুষকে গণতন্ত্র দেবে। এই বিএনপি তাদের সাত ধারা বাতিল করেছিল। এই বিএনপি অসুস্থ খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে নেতা বানিয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বানাতে বিএনপি তাদের সাত ধারা বাতিল করেছে।’
বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি নিজেদের অফিসে তালা মেরে বলে সরকার তাদের অফিসে লাগিয়েছে। আবার তাদের অফিসের তালা তারাই ভেঙেছে। যারা অফিসে তালা লাগাতে পারে আবার ভাঙতেও পারে, সংবিধান ভাঙা বিএনপির অফিসের তালা ভাঙার মতো না।’

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, ‘নির্বাচনী ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী পাঁচ বছর পর এই ট্রেন চালু হবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের উপনেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খানসহ কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা।

দুর্নীতির বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, জার্মানি উন্নত দেশ, কৃষিতে তারা অনেক উন্নত। তাদের রাষ্ট্রদূত আমাদের সহযোগিতা করতে চান বলে জানিয়েছেন। তবে আমরা যেকোনো প্রকল্প নেই না কেন উৎপাদনের বিষয় থাকলে মানের দিক থেকে আপস করব না। দুর্নীতির বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স।
আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রীর দপ্তরে জার্মানির রাষ্ট্রদূত অসীম ট্রোস্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে জার্মানির সঙ্গে আমাদের একটা সুসম্পর্ক রয়েছে। তারা আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু।
কৃষি খাতে জার্মানি কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে চায় এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পূর্বাঞ্চলে আমরা একটি ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচার প্ল্যান্ট করতে চাচ্ছি। এ জন্য আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখবেন সেটি কতটুকু আমাদের জন্য সহায়ক হবে। সেক্ষেত্রে আমরা টেকনিক্যাল স্টাডিগুলো করব। এরপর ফলাফল যদি আমাদের পক্ষে আসে তাহলে সে প্রকল্প এগিয়ে নেব। বিদেশ থেকে আমরা যে সহযোগিতা পাব সেটা যাচাই বাছাই করে আমাদের কাজে কতটুকু ব্যবহার করা যাবে তা বের করব।

তিনি বলেন, উৎপাদন যাতে বেশি হয়, ফসল বেশি হয় সেদিকে খেয়াল রাখব। কোনো ভূমি আমরা খালি রাখতে চাই না। ফসল উৎপাদনের বিষয়ে আমরা প্রয়োজনে উঠান বৈঠক করব। কৃষি মন্ত্রণালয় এমন একটি মন্ত্রণালয় যেখানে গ্রাম পর্যায়ে আমাদের লোকজন রয়েছে। এসব কর্মকর্তারা গ্রাম পর্যায়ে ঘুরে সার কীটনাশক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দেখভাল করেন।
কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নিজেও আমার নির্বাচনী এলাকায় অনেক যান্ত্রিক চাষাবাদ দেখেছি। যেমন হারভেস্টার মেশিন, ওষুধ দেওয়ার মেশিন, নিঙড়ানোর জন্য মেশিন ব্যবহার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে সুদৃষ্টি থাকার কারণে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
দেশে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন হচ্ছে কিন্তু দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে, এর পেছনের কারণ কী? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে উৎপাদক তাকে যদি দাম দিতেই হয় তাহলে বেশি দামে পণ্য কিনতে হবে। তবে মধ্য-স্বত্বভোগীদের ধ্বংস করতে মন্ত্রণালয় কাজ করবে। ভোক্তাদের জন্য আমরা মার্কেট স্টাডি করতে চাই, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
তিনি বলেন, বেশি মুনাফার জন্য মানুষের বুকে চাকু মারলাম সেটা তো হয় না। এ বিষয়ে বাজার বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা নেওয়া হবে। কৃষির ক্ষেত্রে আবহাওয়া একটা বড় বিষয়। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে উৎপাদন ব্যাহত হয়।

কত দিনের মধ্যে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ সমস্ত বিষয়ে ডেটলাইন দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য যতগুলো সেক্টর আছে সবাই একত্রিত হয়ে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা নেব। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়েই আমরা বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে চাই।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বছরব্যাপী কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারাবছর নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, এ জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ বুধবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধবিষয়ক জাতীয় কমিটির বছরের প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতে মন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থলগুলো চিহ্নিত করে লার্ভা ধ্বংস করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় তিনি বসত বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা যাতে জন্মাতে না পারে সেজন্য ফুলের টব, টায়ার, ফ্রিজের নিচে কিংবা বাসার ভিতর জমা পানি প্রতি তিন দিনে একবার পরিস্কার করার উপর জোর দেন।
এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, হাসপাতাল ও এর মেডিকেল বর্জ্য এবং বিভিন্ন থানায় জব্দকৃত যানবাহনে যাতে এডিস মশা জন্মাতে না পারে সেজন্য বছরের প্রথম থেকেই সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে সচেতন হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
ব্যাংক ও আবাসিক এলাকাগুলোকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেরা সচেতন হলে ডেঙ্গু ও এডিস মশা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সারাদেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদকে কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দেন।
তিনি ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধিতে সারাদেশে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজারের অধিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সক্রিয় করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ গ্রহনের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, গ্রামের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ায় গ্রামেও নগরায়নের ছোঁয়া লেগেছে। ফলে গ্রামেও স্বচ্ছ জমাটবদ্ধ পানি থেকে এডিস মশার লার্ভা উৎপন্ন হতে পারে।
মন্ত্রী আরও জানান, গতবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাওয়ায় আশঙ্কার কথা হচ্ছে যে, এ বছর তা আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে আমরা এডিস মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করতে পারলে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হবে।
তাজুল ইসলাম এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য আমদানি করা কীটনাশকের গুণগতমান পরীক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, গতবার মশার কীটনাশক নিয়ে কিছু বিতর্ক তৈরি হওয়ায় পরীক্ষার মাধ্যমে ওষুদের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।
এ বছরের ডেঙ্গুর গবেষণা ও ডাটা সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ফলাফল সংরক্ষণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশনা দেন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধিতে স্বাস্থ্য ও এডিসসহ নানা ধরনের মশার বিষয় শিক্ষা কারিকুলামে যোগ করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহবান জানান।

২৩ জানুয়ারি থেকে স্মার্টকার্ড বিতরণের নির্দেশ ইসির

নির্বাচনের কারণে স্থগিত হয়েছিল স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংস্থাটির জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশনস) ফয়সাল কাদেরের সই করা নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।
ইসির পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সারা দেশে মাঠ পর্যায়ে চলমান স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম গত বছরের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
এতে আরও বলা হয়, এ সময় যেসব উপজেলা ও থানা পর্যায়ে স্মার্ট কার্ড মুদ্রণপূর্বক পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাদেরকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

ইসি আরও জানায়, স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ থাকা উপজেলা ও থানায় স্মার্ট কার্ড আগামী ২৩ জানুয়ারি তারিখ থেকে কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী উপজেলাগুলো নির্ধারিত তারিখ অনুসারে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

টানা দ্বিতীয় বছর কমল চীনের জনসংখ্যা

চীনের জনসংখ্যা আবারো কমল। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় বছরেও দেশটির জনসংখ্যা কমার প্রবণতা অক্ষুণ্ণ থাকল। ২০ লাখেরও বেশি কমেছে চীনের জনসংখ্যা। জন্মহার কম থাকা এবং করোনাভাইরাসে মৃত্যুর কারণে জনসংখ্যা কমেছে বলে জানানো হয়েছে।
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৩ সালে চীনের জনসংখ্যা ছিল ১৪০ কোটি ৯০ লাখ। দপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, আগের বছর ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে মোট জনসংখ্যা কমেছে ২০ লাখ ৮ হাজার।
এর আগে ২০২২ সালেও জনসংখ্যা অন্তত ৮ লাখ ৫০ হাজার হ্রাস পেয়েছিল চীনে। পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুসারে, ১৯৬১ সালের মহাদুর্ভিক্ষের পর এই প্রথম টানা দুই বছর ধরে জনসংখ্যা হ্রাসের ধারা দেখছে দেশটি।
২০২২ সালে জনসংখ্যা হ্রাসের প্রধান কারণ ছিল কোভিড। টানা আড়াই বছর কঠোর করোনাবিধি জারি রাখার পর ওই বছর নভেম্বরে ব্যাপক জনবিক্ষোভের মুখে আকস্মিকভাবে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয় বেইজিং। তার জেরে ওই বছরের শেষ থেকে ২০২৩ সালের শুরু পর্যন্ত লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে চীনে।
কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে চীনের মোট মৃত্যুর ঘটনা ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছেছে ১ কোটি ১১ লাখে। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম এক বছরে এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু দেখেছে দেশটি।
একই বছর ৯০ লাখ ২০ হাজার শিশু জন্ম নিয়েছে দেশটিতে। শতাংশ হিসেবে এই হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। ইতিহাসে এর আগে এত কম জন্মহার দেখেনি চীন। ২০২২ সালে দেশটিতে জন্মহার ছিল ৬ দশমিক ৭৭।
এক শিশু নীতি
একসময় এশিয়ার উন্নয়নশীল এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মতো চীনেও অতিরিক্ত জনসংখ্যা একটি সমস্যা হিসেবে হাজির ছিল। ১৯৮০ সালে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি সেই সমস্যার সমাধান হিসেবে এক সন্তান নীতি চালু করে।
কিন্তু ২০১০ সাল থেকে জন্মহার কমা শুরু হওয়ার ৫ বছর পর, ২০১৫ সালে সেই নীতি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় চীন।
কিন্তু তবুও কাঙ্ক্ষিত জন্মহার অধরাই থেকে যায়। কারণ, বর্তমানে চীনে সন্তানদের বড় করার খরচ, শিক্ষাব্যয় এত বেশি যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দম্পতিই একটির অধিক সন্তান নিতে আগ্রহী হন না।
এই সংকটকে আরও প্রকট করেছে চীনের কঠোর করোনানীতি। আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে লকডাউন, কোয়ারেন্টাইনসহ যাবতীয় কঠোর নীতি জারি থাকায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছিল, আরও তিন-চার বছর তার রেশ থাকবে বলে ধরণা করা হচ্ছে।
চীনের সরকার অবশ্য জন্মহার বাড়ানোর ব্যাপারটিতে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। গত বছর এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চীনের নারীদেরকে আরও বেশি সন্তান ধারণের জন্য উৎসাহ দিয়ে বলেছেন, ‘চীনের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ বড় পরিবার। নারীদের প্রতি আমার অনুরোধ, নিজেদের পূর্বপ্রজন্মের নারীদের অনুসরণ করুন এবং পরিবারের আকার বড় করুন।’
দম্পতিদের অধিক সন্তান নিতে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিও হাতে নিয়েছিল বেইজিং। কিন্তু তহবিল সংকট ও স্থানীয় সরকারের উৎসাহের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে সেসব কর্মসূচি।
৩৬ বছর বয়সী ওয়াং ওয়েইডং বেইজিংয়ের একটি ইন্টারনেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। এক সন্তানের পিতা ওয়াং জানান, তিনি এবং তার স্ত্রী— উভয়ই দ্বিতীয় সন্তান নেওয়া থেকে বিরত থাকতে চান।
‘সরকার যেসব কর্মসূচি নিয়েছে, তাতে আসলে কোনো কাজ হবে না। মূল সমস্যা হলো— সাধারণ জনগণের আয় কমে গেছে। আয় না বাড়লে জন্মহার বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব নয়,’ বলেন ওয়াং।
খবর রয়টার্স

দেশের চা-শিল্পের ১৭০ বছরের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ

দেশে এক বছরে (২০২৩) ১০ কোটি কেজিরও বেশি চা উৎপাদন করে ১৭০ বছরের ইতিহাসে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।
চা বোর্ড সূত্র জানায়, গত সোমবার রাত পর্যন্ত পাওয়া হিসাবে সদ্য সমাপ্ত ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট প্রায় ১০ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে।
প্রতি মাসে চা উৎপাদনের তথ্য দেশের মোট ১৬৮টি বাগান থেকে সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে সোমবার রাত পর্যন্ত ১৩০টি চা বাগানের তথ্য পাওয়া যায়। বাকি ৩৮ টি চা বাগানের তথ্য এলে চা উৎপাদনের পরিমান আরো বাড়বে।
২০২৩ সালে দেশে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি। ইতোমধ্যে তা অর্জিত হয়েছে। এখনও ৩৮ টি চা-বাগানের হিসাব পেতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এতে নিঃসন্দেহে ধরা নেয়া যায়, নতুন রেকর্ড সৃষ্টি বাংলাদেশের চা শিল্পের ১৭০ বছরের ইতিহাসে একটি বিশাল অর্জন।
এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে সবগুলো বাগান থেকে মোট ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৩৮ হাজার কেজি চা উৎপাদনের তথ্য এসেছিল। সে হিসেবে ২০২৩ এর ডিসেম্বর মাসে ১৩০টি বাগানে আরো ৬৬ লাখ ৫২ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে।
এর আগে ২০২১ সালে ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছিল, এতদিন সেটাই ছিল চা-শিল্পের রেকর্ড।
এরপর ২০২২ সালে ১০ কোটি কেজির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বছর শেষে উৎপাদন পাওয়া যায় ৯ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার কেজি। সবশেষ ২০২৩ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি।

ইউক্রেনকে সাহায্য দেয়া নিয়ে আলোচনা করবেন বাইডেন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা সমর্থন নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ বাড়ার কারণে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের জন্য ‘সমালোচনামূলক’ সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বুধবার কংগ্রেসের নেতাদের আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। হোয়াইট হাউস এ কথা জানিয়েছে।
ইউক্রেনের জন্য ওয়াশিংটনের সামরিক সহায়তা শুকিয়ে গেছে। রিপাবলিকানরা ইউক্রেনের জন্য ৬০ বিলিয়ন ডলার সাহায্যের জন্য ডেমোক্র্যাট বাইডেনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন। কারণ, বাইডেন যদি মার্কিন অভিবাসন আইন কঠোর না করেন।
ইউক্রেনের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া নিয়ে একটি তিক্ত পক্ষপাতমূলক রাজনৈতিক বিভক্তি দেখা দেয়ায় শুক্রবার একটি নতুন মার্কিন সরকার সাহায্য বন্ধ এড়াতে কংগ্রেস একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিয়েরে সাংবাদিকদের বলেন, বাইডেন ‘তার জাতীয় নিরাপত্তা সম্পূরক অনুরোধের সমালোচনামূলক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করতে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট নেতাদের আমন্ত্রণ জানাবেন।’
জিন-পিয়েরে বলেন বাইডেন ‘সেদিকে অগ্রসর হওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ’ তা নিয়ে চাপ দিবেন।
আলোচনাটি ইউক্রেনের জন্য মার্কিন তহবিল নিয়ে এক ধাপ আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। কারণ, বাইডেন কয়েক সপ্তাহ ধরে রিপাবলিকানদের সাথে বৈঠকে বসতে অস্বীকার করে আসছেন।
হোয়াইট হাউস বলেছে, ‘বাইডেন মঙ্গলবার জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজের সাথেও কথা বলেছেন এবং তারা রাশিয়ার আগ্রাসনের মুখে ইউক্রেনের প্রতি তাদের দেশগুলোর চলমান অবিচল সমর্থনের বিষয়ে সমন্বয় করেছেন।’

‘রমজানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায্যমূল্যে মাছ-মাংস-ডিম বিক্রি’

রমজানকে সামনে রেখে চাল ডালের মতো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য মাছ, মাংস ও ডিম ন্যায্যমূল্যে বিক্রি হবে বলে মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।
আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সোয়া ১২টায় মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন। সব পণ্যই উৎপাদন এবং মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এরপরও দাম বেশি কেন, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাংস ডিম এবং মাছের মূল্য কেন বেশি, এসব কেন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, রমজানকে সামনে রেখে, সরকার ভর্তুকি দিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে এসব পণ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। রমজানের কয়েকদিন আগে থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হবে। বস্তি এলাকা এবং কিছুটা দরিদ্রপ্রবণ এলাকায় এ কার্যক্রম চলবে।

মো. আব্দুর রহমান বলেন, যারা সিন্ডিকেট করে ডিমসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বাড়াচ্ছে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কোথায় কীভাবে কারসাজি হয় সেটি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জনসচেতনতাও বাড়াতে হবে।
গরু ছাগলে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ায় সীমান্ত পথে তা দেশে প্রবেশ কমার ফলে সীমান্তে হত্যা কমেছে বলেও জানান মন্ত্রী

বেনাপোলে ৭০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ২

যশোরের বেনাপোল সীমান্তরে পুটখালী গ্রামের একটি আমবাগান থেকে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা সোমবরে বিকেলে ৪টি বস্তায় থাকা ৭শ’ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে। এ সময় চিহ্নিত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক সহ তাদেও কাছ থেকে ২৯ হাজার ৫শ’ টাকা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলেন বেনাপোলের পুটখালী গ্রামের নয়ন হোসেন ও বিল্লাল হোসেন ।
র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাকিব হোসেন জানান, গোপন সংবাদেও ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন ঘটনাস্থলে একদল মাদক ব্যবসায়ী বিপুল পরিমাণ মাদকসহ অবস্থান করছেন। তাৎক্ষণিক তারা অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করে।
পরবর্তিতে তাদের দেখানো মতে নদীরপাড় থেকে চারবস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। একই সাথে তাদের ব্যবসার ২৯ হাজার
৫শ’ টাকা তাদের কাছথেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় আরও একটি মামলা করা হয়েছে।

একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র : পিটার হাস

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান পিটার হাস।
সাক্ষাৎ শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ দেখা করার সুযোগ হয়েছে। ভবিষ্যতে আমাদের দুই পক্ষের সম্পর্কের কার্যক্রম নিয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা দুই পক্ষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কীভাবে এগিয়ে নেব, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।
পিটার হাস আরও বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং রোহিঙ্গা সংকটে একে অপরকে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি, সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। সামনের মাসগুলোতে আমাদের পারস্পরিক স্বার্থ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও কাজ করব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে এটি ছিল মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ।
গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়। পরে ১১ জানুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।