শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৩০ জন

এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু জ্বরে গত এক দিনে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন।
আজ সোমবার (২২ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
চলতি বছরের প্রথম ২২ দিনে এডিস মশাবাহিত রোগটিতে মারা গেছেন ১৪ জন। দেশে ডেঙ্গু নিয়ে এখন পর্যন্ত ৮৮৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩১০ জন ও ঢাকার বাইরে ৫৭৩ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তাদের মধ্যে ৪ জন ঢাকা মহানগরে এবং বাকিরা ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২৭ জন।

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৫১ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ৪৬ জন ঢাকায় এবং ১০৫ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। তবে ২০২৩ সালে জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। যা ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ২০২৩ সালে সারাদেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার আটজন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জন মানুষ মশাবাহিত রোগটিতে মারা গেছেন।

এখন পর্যন্ত কোনো দেশ থেকে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এখন পর্যন্ত কোনো দেশ থেকে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়নি। তাই আমরা মনে করি— একটি সুন্দর ইলেকশন জাতিকে উপহার দিয়েছে আমাদের নির্বাচন কমিশন।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চীন সরকারের ‘গ্রেট ওয়াল কমোরেটিভ মেডেল’ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ মেডেল হস্তান্তর করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের বন্ধু চায়না সরকার সবসময় বলেছে নির্বাচনটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয়ে আমাদের কোনো মন্তব্য নেই। বাংলাদেশই সিদ্ধান্ত নেবে, তারাই নির্বাচন পরিচালনা করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে ১৫ দিন। এখন পর্যন্ত কোনো দেশ বলেনি নির্বাচন ভালো হয়নি। তার মানে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন ভালো হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক বিরূপ মন্তব্য অনেকে করেছেন, আমি মনে করি তারা এখন বুঝে গেছেন সুন্দর ইলেকশন বাংলাদেশে হয়েছে, আন্ডার দ্য লিডারশিপ অব আওয়ার প্রাইম মিনিস্টার শেখ হাসিনা এবং আমাদের নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, বিদেশ এবং আমাদের অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। আমি মনে করি, এটা আরো শক্তিশালী হবে। আপনারা দেখেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত তাদের সাপোর্টটা কীভাবে আমাদের দিয়ে গেছেন।
চীনের কাছে আমরা কী সহযোগিতা চেয়েছি- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সবসময় সাইবার সিকিউরিটির বিষয়ে উদ্বিগ্ন আছি। আমরা ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম, আন্তর্জাতিক ক্রাইম- এ সমস্ত ক্রাইম যাতে প্রতিরোধ করতে পারি সেগুলোর জন্য আমরা সবসময় সহযোগিতা চাচ্ছি।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, তারা সবসময় আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। এটা আরো দেওয়ার জন্য এবং এর পরিধি বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। তারা কনসিডার করেছেন যে, তারা আমাদের আরো ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ট্রেনিংয়ের জন্য আমাদের পুলিশ মহাপরিদর্শক এরই মধ্যে তালিকা তাদের হস্তান্তর করেছেন। আমরা আশা করি, তারা সেটি গ্রহণ করবে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একনেক পুনর্গঠন, প্রজ্ঞাপন জারি

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পুনর্গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিটির চেয়ারপারসন এবং অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বিকল্প চেয়ারপারসন হয়েছেন।
সোমবার (২২ জানুয়ারি) এ কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) গঠন করেছে।
১৫ সদস্যের কমিটির কার্যপরিধি মোট ৭টি বিষয়ে বিভক্ত।
এগুলো হলো:
সকল বিনিয়োগ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বিবেচনা ও অনুমোদন: এই কার্যাবলির মাধ্যমে কমিটি সকল বিনিয়োগ প্রকল্পের ডিপিপি পর্যালোচনা করে এবং এর সার্বিক বিষয়গুলো বিবেচনা করে। কমিটি প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্ভব কিনা, এর অর্থনৈতিক প্রভাব কী হবে, এর জন্য কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে, ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে।
সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মোট বিনিয়োগ ব্যয় সংবলিত প্রকল্পগুলোর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার সুপারিশ বিবেচনা ও অনুমোদন: এই কার্যাবলির মাধ্যমে কমিটি সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মোট বিনিয়োগ ব্যয় সংবলিত প্রকল্পগুলোর জন্য পিইসি কর্তৃক প্রণীত সুপারিশ বিবেচনা করে। কমিটি সুপারিশগুলোর যৌক্তিকতা ও বাস্তবসম্মততা বিবেচনা করে এবং এর আলোকে প্রকল্পটি অনুমোদন বা অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা: এই কার্যাবলির মাধ্যমে কমিটি সকল বিনিয়োগ প্রকল্পের বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। কমিটি প্রকল্পগুলোর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা, এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সরবরাহ হচ্ছে কিনা, ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে।
বেসরকারি উদ্যোগ, যৌথ উদ্যোগ অথবা অংশগ্রহণমূলক বিনিয়োগ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিবেচনা: এই কার্যাবলির মাধ্যমে কমিটি বেসরকারি উদ্যোগ, যৌথ উদ্যোগ অথবা অংশগ্রহণমূলক বিনিয়োগ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিবেচনা করে। কমিটি প্রস্তাবগুলোর যৌক্তিকতা ও বাস্তবসম্মততা বিবেচনা করে এবং এর আলোকে প্রস্তাবগুলো অনুমোদন বা অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবীক্ষণ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারণী বিষয়সমূহ পর্যালোচনা: এই কার্যাবলির মাধ্যমে কমিটি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবীক্ষণ করে। কমিটি অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের অবস্থা, অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, ইত্যাদি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে। কমিটি সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারণী বিষয়সমূহও পর্যালোচনা করে।

বৈদেশিক সহায়তার বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনা ও অনুমোদন এবং এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতি পর্যালোচনা: এই কার্যাবলির মাধ্যমে কমিটি বৈদেশিক সহায়তার বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনা ও অনুমোদন করে। কমিটি বৈদেশিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা, বৈদেশিক সহায়তার মাধ্যমে কী কী লক্ষ্য অর্জন করা হবে, ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে। কমিটি বৈদেশিক সহায়তার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কমিটির বৈঠক প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। পরিকল্পনা বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
এই কমিটির মাধ্যমে সরকার সকল বিনিয়োগ প্রকল্পের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে চায়। কমিটির মাধ্যমে সরকার দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও নীতি-নির্ধারণী বিষয়সমূহ পর্যালোচনা করতে পারবে। এছাড়াও, কমিটির মাধ্যমে সরকার বৈদেশিক সহায়তার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে পারবে।

ইসরায়েলে ৭ অক্টোবরের হামলা ছিল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ : হামাস

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস বলেছে, ইসরাইলে ৭ অক্টোবরের হামলা ছিল ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে একটি ‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।’
তবে সংগঠনটি কিছু ভুলত্রুটির কথা স্বীকার করে বলেছে, ‘কিছু ত্রুটি ঘটেছে … ইসরায়েলি নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থার দ্রুত পতন এবং গাজার সীমান্ত এলাকায় বিশৃঙ্খলার কারণে।’
হামাস ৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে এ প্রথম মুখ খুলেছে। সংগঠনটি হামলার বিষয়ে রোববার ইংরেজি ও আরবী ভাষার ১৬ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলেছে।
তারা বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবেলার জন্য এটি ছিল একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

প্রতিবেদনে হামাস বলেছে, ‘আমরা জোর দিচ্ছি যে ফিলিস্তিনি জনগণের তাদের ভবিষ্যত সিদ্ধান্ত নেয়ার এবং তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো নির্ধারণের ক্ষমতা রয়েছে। বিশ্বের কোনো পক্ষের ‘তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নেই।’
এ ছাড়া হামাস গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ, গাজার পুরো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ এবং জাতিগত নিধন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘যদি বেসামরিক লোকদের টার্গেট করার কোনও ঘটনা ঘটে থাকে; এটা দুর্ঘটনাক্রমে ঘটেছে এবং দখলদার বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ঘটেছে।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থার দ্রুত পতনের কারণে এবং গাজার নিকটবর্তী অঞ্চলে বিশৃঙ্খলার কারণে আক্রমণের সময় ‘সম্ভবত কিছু ত্রুটি ঘটেছে’। অনেক ইসরায়েলি তাদের বিভ্রান্তির কারণে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং পুলিশের হাতে নিহত হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েল হামলার সময়ে হামাসের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ এনেছে। হামাস দৃঢ়তার সাথে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে একে চক্রান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায়। এ সময়ে এক হাজার ১৪০ ইসরায়েলি নিহত এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করা হয়।
ইসরায়েল একই দিন থেকে গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে। অব্যাহত এ হামলায় এ পর্যন্ত ২৫ হাজার ১০৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৬২ হাজার ৬৮১ জন আহত হয়েছে।

কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনতির কোনো আশঙ্কা নেই : আইনমন্ত্রী

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন মহলে একাধিক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক টানাপোড়েনের যে শঙ্কা ছিল, নির্বাচনের পর তা কেটে গেছে।
সোমবার (২২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
কূটনৈতিক সংকট যেটা ছিল সেটা কী কেটে গেছে, নাকি কিছু কিছু দেশের সঙ্গে এখনো আছে এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংকট আমি বলবো না। আপনাদের মনে একটা দুশ্চিন্তা ছিল, সেটাই আমি বলবো। একটা কূটনৈতিক সংকট হতে পারে। কিন্তু নির্বাচনের পরে আপনারাও দেখেছেন সেইরকম কোনো সম্ভাবনাই নেই।’
হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশি দেশ হিসেবে আমাদের যেসব ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (উন্নয়ন অংশীদারত্ব) রয়েছে, সেইসব ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপের মধ্যে আইনের প্রয়োগ, আইনের ধারাগুলোর স্পষ্টীকরণ এগুলো সবসময় প্রয়োজন হয়। সেইসব সমস্যা এবং আমাদের আইনের যে অবকাঠামো- সেটা অনেকদিন আগে থেকেই (বাংলাদেশ ও ভারতের) প্রায় এক। যেসব পরিবর্তন ভারতে হয়েছে, সেই সব পরিবর্তন বাংলাদেশেও সম্ভাবনা কিনা, আমাদের দেশে আইনের যে পরিবর্তন করেছি সেগুলো ভারতে সম্ভাবনা আছে কিনা, সেটা আমরা সবসময় আলাপ করে থাকি। আজকেও আলাপ করেছি।’

আনিসুল হক আরও বলেন, ‘বিশেষ করে যেটা আলাপ করেছি- ওনাদের ভূপালে একটা ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি আছে। সেখানে আমাদের এক হাজার ২০৬ জন ট্রেনিং নিয়েছেন। প্রায় ২ হাজার ট্রেনিং নেবেন। আমরা একটি ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি করতে চাচ্ছি। সেখানে ওনাদের অভিজ্ঞতা আমাদের প্রয়োজন হবে। সেগুলো নিয়েই আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি।’
বৈঠকের বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্কের যাবতীয় বিষয় নিয়েই কথা হয়েছে। বিশেষ করে কথা হয়েছে দুই দেশের জুডিশিয়ারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে, যেখানে পারস্পরিক জ্ঞান ও জানাশোনা বিনিময় হবে।

টেশিসকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চান পলক

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে (টেশিস) লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই। সে জন্য টেশিসের পরিচালককে অনুরোধ করব, গত ৫ বছরের আয়-ব্যয় বিশ্লেষণ করে আগামী ৫ মাসের একটা পরিকল্পনা তৈরি করুন। এর ভিত্তিতে এই প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারব।
আজ সোমবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেডের (টেশিস) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন। আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলার অধিকার দিয়েছেন এবং সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তি রচনা করে গেছেন। দেশে উৎপাদিত পণ্যের মাধ্যমে আমাদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের ২৪ এপ্রিল টেলিফোন শিল্প সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আইসিটি সেক্টর থেকে ১.৯ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করছে। আইসিটি সেক্টরে আমরা ২০ লক্ষ্য তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান তৈরি করতে পেরেছি, দেশের ১৩ কোটি মানুষকে ইন্টারনেট সেবায় যুক্ত করতে পেরেছি, প্রায় ২৫০০ সরকারি সেবাকে ডিজিটাল মাধ্যমে জনগণের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিতে পেরেছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে আগামী ৫ বছরে আমাদের জন্য বিশেষ ৩টি লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেগুলো হলো- রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা ও তরুণ প্রজন্মের জন্য স্মার্ট কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

বাংলাদেশ টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, আমি টেশিসের প্রতিটি ফ্লোর, অপারেশন্স রুম, অ্যাসেম্বলিং প্ল্যান্ট ঘুরে দেখেছি। আমি বুঝতে চেয়েছি, আমাদের সম্পদ ও সক্ষমতা কতটুকু আছে, সমস্যা ও সংকট কতটুকু আছে এবং সেই যায়গা থেকে আমরা সম্ভাবনার দিকে কতটুকু এগিয়ে যেতে পারি। আমার কাছে মনে হয়েছে- আমাদের মেধা, শ্রম ও অর্থের অপচয় রোধ করে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করলে সেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি টেশিসের কর্মকর্তারা দেশের ও মানুষের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকা অপচয় করবেন না বা অলাভজনক খাতে বিনিয়োগ করবেন না। আমরাও চাইবো একটা গর্বিত প্রতিষ্ঠানের সদস্য হতে, যারা দেশ ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি যেটা উপলব্ধি করছি- আমাদের অপারেশন্স, ম্যানেজমেন্ট, প্রোডাকশন, মার্কেটিং ও আফটার সেলস সার্ভিসিং এর জায়গাগুলোতে উন্নতি করতে না পারলে আমরা প্রোডাক্ট সেলস বা বিনিয়োগ বাড়াতে পারবো না।
স্মার্ট টেশিসের স্মার্ট সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে, যেমন- মূলধনের ঘাটতি পূরণ করতে হবে, টেশিসকে আধুনিকায়ন করতে হবে, প্ল্যান্টে আধুনিক ইকুইপমেন্ট লাগবে, স্মার্ট আইওটি ডিভাইস লাগবে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে, পণ্য বিপণন বৃদ্ধি করতে হবে এবং বেদখলকৃত সম্পদ উদ্ধার করতে হবে।

টেশিসের জন্য নতুন কোনো মূলধন সরকারের কাছে চাওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আমাদের সম্পদের যথার্থ ব্যবহার নিশ্চিত করে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, আমরা যদি সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করি তাহলে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারব।

বিএনপি বিভিন্নভাবে সরকারবিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি বিভিন্নভাবে সরকারবিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গুজব সন্ত্রাস। কথার বোমা মেরে এ সরকারকে উৎখাত করা যাবে না।
আজ সোমবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি সব কিছু হারিয়ে শোক সাগরে নিমজ্জিত। এখন আর তাদের সামনে কিছু নেই। কালো পতাকার সঙ্গে কালো ব্যাচ ধারণ করতে বলব। কালো ব্যাচ ধারণ করলে ষোলোকলা পূরণ হবে।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে যতদ্রুত সম্ভব কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বেই দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, এ বিষয়টিকে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে বিএনপি। যতদ্রুত সম্ভব দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে। আজকে দলের জরুরি বৈঠকে সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল কে হচ্ছে? নির্বাচনের ১৫ দিন পার হলেও বিষয়টি এখনো সুরাহা হয়নি। আগামী ৩০ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। তার আগেরই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অপজিশন কে হবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন করেন, বিরোধী দল কে হওয়া উচিত? পরে সাংবাদিক দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হবে বলে উত্তর দিলে তিনি আবার বলেন, ‘তাহলে ধরে নিন তারাই হচ্ছে।’
তাহলে আওয়ামী লীগ ভার্সেস আওয়ামী হয়ে যাচ্ছে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তারা একটা রাজনৈতিক দল, আওয়ামী লীগ ভার্সেস আওয়ামী লীগ মানে?
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক যোগ করে বলেন, তাদের পার্টি হচ্ছে জাতীয় পার্টি, নট আওয়ামী লীগ। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা স্বতন্ত্র আছে। আর দল যদি বলেন, তাহলে বিরোধী দল তো জাতীয় পার্টি।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, পারভীন জামান কল্পনা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৬২

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (২১ জানুয়ারি) ভোর ৬টা থেকে সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি জানান, এ সময় তাদের কাছ থেকে ২১ হাজার ৪৯১ ইয়াবা, ১৪২ গ্রাম হেরোইন, ৫ কেজি ৯৬০ গ্রাম গাঁজা ও ২ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।
তাদের নামে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৪টি মামলা করা হয়েছে।

মুক্তির আগেই জুনিয়র এনটিআরের সিনেমার আয় ১৪৪ কোটি টাকা!

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জুনিয়র এনটিআর। ২০১৬ সালে পরিচালক কোরাতলা শিবা তাকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘জনতা গ্যারেজ’ সিনেমা। অর্ধযুগ পর এ নায়ককে নিয়ে ফের নির্মাণ করছেন ‘দেবারা’ শিরোনামে একটি সিনেমা।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘দেবারা’। কিন্তু মুক্তির আগেই ডিস্ট্রিবিউটর মার্কেটে সিনেমাটির দারুণ চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের একটি রাজ্যের থিয়েট্রিক্যাল রাইটস কিনতে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতে চাচ্ছে বিভিন্ন পরিবেশক প্রতিষ্ঠান।
সিয়াসাত ডটকম জানিয়েছে, ‘দেবারা’ সিনেমাটি তেলেগু রাজ্যের (অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা) থিয়েট্রিক্যাল রাইটস ক্রয়ের অনেক প্রস্তাব পেয়েছে। ১০০-১১০ কোটি রুপিতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বেশি) থিয়েট্রিক্যাল রাইটস কেনার প্রস্তাব পেয়েছেন নির্মাতারা।
তেলেগুর স্বনামধন্য প্রযোজনা ও পরিবেশক কোম্পানি মিথরি মুভি মেকার্স ‘দেবারা’ সিনেমার তেলেগু রাজ্যের থিয়েট্রিক্যাল রাইটস কিনতে অধিক আগ্রহী। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি জুনিয়র এনটিআর-এর সঙ্গে ‘জনতা গ্যারেজ’ সিনেমায় কাজ করেছে। মজার ব্যাপার হলো, এ সিনেমাও পরিচালনা করেন কোরাতলা শিবা।

এর আগে বলিউড লাইফ ডটকম জানায়, বিশাল বাজেট নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘দেবারা’ সিনেমা। সিনেমাটির ভিএফএক্স-এর কাজে ব্যয় হবে ১৫০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯৮ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি)।
নিউজ১৮ জানায়, ‘দেবারা’ সিনেমার ভিএফএক্স-এর জন্য ১৪০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮৫ কোটি টাকার বেশি) ব্যয় করা হবে। বিশাল বাজেটের ৩৩ শতাংশ এ বাবদ ব্যয় করছেন নির্মাতারা। যদিও এ বিষয়টি নিশ্চিত করেননি নির্মাতা কিংবা প্রযোজক।
‘দেবারা’ সিনেমায় জুনিয়র এনটিআরের বিপরীতে অভিনয় করছেন শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী কাপুর। এ সিনেমার মাধ্যমে তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হতে যাচ্ছে তার। তা ছাড়াও সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান।
জুনিয়র এনটিআর অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ট্রিপল আর’। ২০২২ সালের ২৫ মার্চ মুক্তি পায় এটি। মুক্তির পর দর্শকের ভালোবাসা যেমন কুড়িয়েছে, তেমনি বক্স অফিসও কাঁপিয়েছে এটি।

ব্যলন ডি অর, ফিফা দ্য বেস্ট নিয়ে যা বললেন রোনালদো

কদিন আগেই ফিফা দ্য বেস্টের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার ফিফার শীর্ষ এই পুরস্কার জেতার পথে টপকে গেছেন আর্লিং হলান্ড এবং কিলিয়ান এমবাপেকে। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। মেসির দ্য বেস্টের পুরস্কার জেতা মেনে নিতে পারেননি অনেকেই। এবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও।
গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়সহ ট্রেবল জিতেছিলেন হলান্ড। ব্যক্তিগত অর্জনেও তিনি ছিলেন বেশ এগিয়ে। ফলে ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কার জেতার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন তিনি। তবে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই এই পুরস্কার জিতে নেন মেসি।

পর্তুগালের ক্রীড়া দৈনিক রেকর্ডের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেছেন রোনালদো। পর্তুগীজ মহা তারকা বলেন, ‘আমি মনে করি, এই পুরস্কারগুলো কোনো না কোনোভাবে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। আমাদের পুরো মৌসুম বিশ্লেষণ করতে হবে।’

এরপর তিনি বলেন, ‘এই পুরস্কারের লড়াইয়ের জন্য মেসি, হালান্ড ও এমবাপ্পের লড়াই ঠিক আছে, ‘আমার কথার মানে এই নয় যে মেসি এর যোগ্য ছিল না কিংবা হলান্ড এমনকি এমবাপ্পেও এর যোগ্য ছিল না।’
রোনালদো আরও বলেন, ‘আমি গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ড জিতেছি বলেই এমনটা বলছি তা নয়। আমাদেরকে সংখ্যার দিকে তাকাতে হবে কারণ সংখ্যা কখনোই ধোকা দেয় না। আমি ৫৪টি গোল করেছি, এবং এটাই সত্য। তাই তারা চাইলেও আমার কাছে থেকে ট্রফি ছিনিয়ে নিতে পারবে না।’