শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

আমেরিকা যুদ্ধ চায় না : বাইডেন

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরাক ও সিরিয়ায় অন্তত ৮৫টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, এসব স্থাপনা ইরানের অভিজাত বাহিনী আইআরজিসি ও তার সঙ্গে সম্পর্কিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ব্যবহার করতো। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউহ। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চায় না। কিন্তু কোনো মার্কিন নাগরিকের ক্ষতি করলে তার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।

বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, গত রোববার জর্ডানে আইআরজিসি সমর্থিত গোষ্ঠীর ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সৈন্য প্রাণ হারান। আজ সকালে আমি ডোভার এয়ারফোর্স বেসে সেসব সাহসী সৈন্যের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনে অংশ নিয়েছিলাম। তাদের প্রত্যেকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, বিকেলে আমার নির্দেশনায় ইরাক ও সিরিয়ায় একাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। স্থাপনাগুলো আইআরজিসি ও তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে ব্যবহার করতো।

বাইডেন আরও বলেন, আজ আমাদের প্রতিক্রিয়া দেখানো শুরু হলো। এটি (হামলা) আমাদের পছন্দমতো সময় ও স্থান অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য বা বিশ্বের অন্য কোথাও সংঘাত চায় না যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু যারা আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে তাদের সবাই জানুক: আপনি যদি কোনো মার্কিন নাগরিকের ক্ষতি করেন, তাহলে আমরা প্রতিক্রিয়া জানাবো।

এদিকে ইরাক-সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি তেহরান। ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে তারা।

তবে যেকোনো হামলার চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার জন্য ইরান প্রস্তুত বলে গত বুধবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আইআরজিসির প্রধান হুসাইন সালামি।

২০২০ সালে ইরাকের রাজাধানী বাগদাদে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল ইরান।

গত রোববার জর্ডানে ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিন সৈন্য নিহত এবং আরও ৪০ জনের বেশি আহত হন। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-হামাস সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর ওপর এটিই প্রথম প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

রোববারের ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যানস’ নামে ইরাকের একটি প্রতিরোধ গোষ্ঠী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এর পেছনে ইরানের হাত ছিল।

যদিও হোয়াইট হাউহের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, এই মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।
খবর রয়টার্স

দেশকে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকমুক্ত ঘোষণা করতে চাই : পরিবেশমন্ত্রী

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পানির বোতলসহ সব ধরনের একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকমুক্ত করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমরা দূষণমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক মুক্ত ঘোষণা করতে চাই। এ লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার পরিবারও প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দূষণ সম্পর্কে জানতে পারবে।’

আজ শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শুধু, প্লাস্টিক নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সব প্রকার বর্জ্যমুক্ত হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বৃক্ষরোপণ করতে হবে।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিকের ভয়াবহ দূষণ সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এ জন্য স্কুল, কলেজের সিলেবাসে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী উপহার দিতে চাই।

মন্ত্রী এ সময় প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞানাগারসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ এমাম হোসাইনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি শাহেলী পারভীনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ব ইজতেমা : চলছে ২য় দিনের বয়ান

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমায় শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের আম বয়ান চলছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য নিজের ইমান, আমল ও আখলাককে পরিপূর্ণ শুদ্ধরূপে গড়ে তুলতে বয়ান শুনছেন ইজতেমার শীর্ষ আলেম ও মুরুব্বিরা।

আগামীকাল রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। শনিবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে বলে ইজতেমা সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে হেদায়েতি বয়ান করা হবে। তাবলীগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বিদের পরামর্শের ভিত্তিতে বিশ্ব তাবলিগ জামায়াতের শীর্ষ মুরুব্বি বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আখেরি মোনাজাতে প্রায় ৩৫-৪০ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেবেন বলে আয়োজকদের ধারণা। ইজতেমার প্রথম পর্বে শিল্প নগরী টঙ্গী ইতোমধ্যেই ধর্মীয় নগরীতে পরিণত হয়েছে।

শনিবার সকালেই টঙ্গী শহর এবং ইজতেমাস্থল ও এর আশপাশের এলাকা যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমায় আগত লাখ লাখ মুসল্লির আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে। শনিবারও টঙ্গী অভিমুখী বাস, ট্রাক, ট্রেন, লঞ্চসহ বিভিন্ন যানবাহনে ছিল মানুষের ভিড়। রোববার আখেরি মোনাজাতের আগ পর্যন্ত মানুষের এ ঢল অব্যাহত থাকবে।

যারা বয়ান করছেন
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে শনিবার বাদ ফজর মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান, তার বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মতিন।

বাদ জোহর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা ইসমাইল গোদরা। বাদ আসর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা জুহাইরুল হাসান। বাদ আসর যৌতুকবিহীন বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা।

সকালে বয়ানে ওলামায়ে কেরাম বলেন, পরকালের চিরস্থায়ী সুখ শান্তির জন্য আমাদের প্রত্যককে দুনিয়াতে জীবিত থাকা অবস্থায় দ্বীনের দাওয়াতের কাজে জানমাল দিয়ে মেহনত করতে হবে। ঈমান আমলের মেহনত ছাড়া কেউ হাশরের ময়দানে কামিয়াব হতে পারবে না।

বয়ানে বলা হয়, দাওয়াতের মেহনত হলো নবুওয়াতি মেহনত। এই মেহনত খুলুসিয়াত ও আজমতের সাথে যারা করবে তাদের যেকোন আমলের ফজিলত বহুগুণ বেড়ে যায়। ইজতেমায় মূল বয়ান উর্দুতে হলেও অংশ নেওয়া বিভিন্ন ভাষাভাষি মুসল্লিদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে বাংলা, ইংরেজি, আরবি, তামিল, মালয়, তুর্কি ও ফরাসিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

শেখ হাসিনাকে স্পেনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

টানা চতুর্থ মেয়াদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সানচেজ। এ সময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি এক বার্তায় এ অভিনন্দন জানান স্পেনের প্রেসিডেন্ট।

গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে পুনরায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে বার্তায় পেদ্রো সানচেজ লেখেন, নতুন ম্যান্ডেড নিয়ে আপনি সফল হবেন, এই প্রত্যাশা করছি। আমার বিশ্বাস, আপনার মাধ্যমে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় এবং বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন সাধন হবে। এটির জন্য আপনার প্রতি আমার এবং আমার সরকারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

ইরাক ও সিরিয়ায় হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

জর্ডানে সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার জবাবে সিরিয়া-ইরাকের বিভিন্ন স্থাপনায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী ও তাদের সঙ্গে সম্পর্কিত মিলিশিয়াদের অবকাঠামোতে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে রোববার (২৮ জানুয়ারি) জর্ডানের সিরিয়া সীমান্ত এলাকায় মার্কিন সেনা ঘাটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ৩ মার্কিন সেনা নিহত ও অন্তত ৪১ সেনা আহত হন।

এই হামলার জন্য ইরান সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সিরিয়া-ইরাকে থাকা ইরানি ও তাদের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা চালানোর পরিকল্পনার অনুমোদন দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছিল, টানা কয়েক দিন এ হামলা অব্যাহত থাকবে। তবে কখন কোথায় এ হামলা হবে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি তারা। পরিবেশ ও পরিস্থিতি বুঝে মার্কিন বিমান হামলা করার কথা জানিয়েছিল তারা।

এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, সিরিয়া ও ইরাকে থাকা ইরানের এলিট বাহিনী কুদস ফোর্সসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ৮৫টি স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনারা।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন জানান, তার নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ইরাক ও সিরিয়ায় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। যা মার্কিন বাহিনীকে আক্রমণ করার জন্য ব্যবহার করা হতো। আমাদের প্রতিক্রিয়া আজ শুরু হলো, এটি চলমান থাকবে।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্য কোথাও সংঘাত চায় না। তবে যারা আমাদের ক্ষতি করতে চায় তাদের জানা দরকার, কেউ যদি একজন আমেরিকানের ক্ষতি করেন তবে আমরা তার জবাব দেবো।

গত ৭ অক্টোবর হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাটিগুলো বিভিন্ন গোষ্ঠীর হামলার শিকার হচ্ছে। এবার এসব ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ইজতেমায় পুলিশ সদস্যসহ সাতজনের মৃত্যু

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দিন পর্যন্ত একজন পুলিশ সদস্যসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ইজতেমা ময়দানে চারজন, ময়দানে আসার পথে একজন পুলিশ সদস্যসহ তিনজন নিয়ে মোট সাতজন মারা গেছেন।

বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদগুলো নিশ্চিত করেন।

ইজতেমা ময়দানে মারা যাওয়া চার মুসল্লিরা হলেন- ভোলা জেলার ভোল্লা গ্রামের নজির আহমেদের ছেলে শাহ আলম (৬০), নেত্রকোনার থানার কুমারী বাজার গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবদুস সাত্তার (৭০), একই জেলার বুড়িঝুড়ি গ্রামের স্বল্পদুগিয়া গ্রামের আব্দুস ছোবাহানের ছেলে এখলাস মিয়া (৬৮), জামালপুর জেলার তুলশীপুর এলাকার পাকুল্লা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৬০)।

ময়দানে আসার সময় মারা যাওয়া তিনজন হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬০)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার চৌহদ্দী টোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ইজতেমায় আসার পথে বাসচাপায় পুলিশ সদস্য হাসান উজ্জামান (৩০) মারা যান।

একই দুর্ঘটনায় আহত এসআই আমীর হামজাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তারা উভয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ থেকে ইজতেমায় দায়িত্ব পালন করতে এসেছিলেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইব্রাহিম খান পুলিশ সদস্যের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ইজতেমায় যোগ দিতে সারাদেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও তাবলিগ জামাতের অনুসারীরা টঙ্গীর তুরাগ তীরে আসছেন দুদিন আগে থেকেই। বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপে করে দলে দলে ইজতেমায় আসছেন তারা। শুক্রবার ফজরের পর পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাটলারের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার মূল কার্যক্রম শুরু হয়।

টঙ্গীর তুরাগ তীরে তাবলিগ জামাতের এ বার্ষিক সম্মিলন হবে আগের বারের মতই দুই পর্বে। ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমার প্রথম পর্ব এবং চার দিন বিরতি দিয়ে ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব হবে।

৭ মাসের মধ্যে জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ২১০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাঙালিরা। যা গত ৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত বছরের জুনে ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার এসেছিল। এরপর গত ছয় মাসে রেমিট্যান্স ২০০ কোটি ডলারের ঘর অতিক্রম করেনি। সর্বশেষ সদ্য সমাপ্ত জানুয়ারি মাসে দেশে আবারও ২শ কোটির ঘর অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। আর আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় বেড়েছে ৬ শতাংশ।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলার সংগ্রহের নির্ধারিত দামের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছুটা নমনীয়তার কারণে রেমিট্যান্স কিছুটা বেড়েছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামীতে রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও কিছুটা বাড়ছে বলে আশা করছেন তারা। রেমিট্যান্সপ্রবাহে এই বৃদ্ধির পেছনে অনুকূল বিনিময় হারের কথা উল্লেখ করেছেন ব্যাংকাররা।

বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশ (বাফেদা)-এর বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেমিট্যান্স সংগ্রহের জন্য ব্যাংকগুলো ডলারের সর্বোচ্চ দাম ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা দেওয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে ব্যাংকগুলো নিজস্ব তহবিল থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিতে পারে। সে হিসেবে ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১১২ টাকা পর্যন্ত দিতে পারে। তবে বাফেদা ও এবিবির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারণ করে দেওয়া ডলারের এই দাম অনেক ব্যাংকই মানছে না। ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১২২ টাকায় এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে রেমিট্যান্সের ডলার কিনছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি সময়ে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম নিয়ে ব্যাংকগুলোকে খুব বেশি চাপ দেওয়ার ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমে যায়। এরপর থেকে এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছুটা নমনীয় রয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স কিনলেও এখন আর তেমন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যদিও গত সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম বেশি অফার করায় ১০টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ওই মাসে রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে গিয়েছিল। অর্থাৎ, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ওই মাসে রেমিট্যান্স অনেক কম এসেছিল। ওই ঘটনার পর থেকে ব্যাংকগুলোকে নানা সময়ে সতর্ক করলেও বাংলাদেশ ব্যাংক কিছুটা নমনীয় আচরণ করছে।

ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, বেশকিছু ব্যাংক রেমিট্যান্সের ডলারের দাম বেশি দেওয়ার কারণে ডলারও বেশি পাচ্ছে। আবার অনেক ব্যাংক বাফেদা নির্ধারিত দাম মেনে চলায় তাদের রেমিট্যান্স আয় কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সপ্রবাহ ভালো থাকায় চলতি অর্থবছরের সাত মাসে মোট রেমিট্যান্সপ্রবাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২৮৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা গত বছরের একই সময়ে ছিল এক হাজার ২৪৫ কোটি ১৯ লাখ ডলার। সেই হিসাবে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৪ কোটি ৬১ লাখ ডলার।

এদিকে, রেমিট্যান্স বাড়লেও রিজার্ভ কমে ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। গত বুধবার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। এর আগের দিন মঙ্গলবার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে ছিল। এর আগে ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ রেকর্ড ৪৮ বিলিয়নের ওপর উঠেছিল। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভ কমেছে।

তবে দেশের বাইরে শ্রমিক যাওয়ার তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে কম। ২০২৩ সালে রেকর্ড ১৩ লাখের বেশি শ্রমিক দেশের বাইরে যান। গত বছর ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৯২ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় মাত্র ৬৩ কোটি ডলার বা ২ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্সের এ পরিমাণ অবশ্য ২০২১ সালের তুলনায় কম। মূলত হুন্ডিতে ব্যাপক চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে আশানুরূপ হারে রেমিট্যান্স বাড়ছে না।

১১৪ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিল ইসরায়েল

গাজায় উপত্যকায় চলমান সংঘাতের মধ্যে আটক করা চার নারীসহ অন্তত ১১৪ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার গাজা ক্রসিং কর্তৃপক্ষের এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের দক্ষিণ গাজা উপত্যকার কারম আবু সালেম (কেরেম শালোম) বাণিজ্যিক ক্রসিংয়ের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এসব আটককৃতকে। এক নারীসহ মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ১০ জনকে স্বাস্থ্যগত কারণে রাফাহ শহরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মেডিকেল সূত্র থেকে জানা গেছে, আটককৃত অনেকেই ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের অনেকেরই শরীর, হাত ও পায়ে গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। কয়েকজনের হাত ও পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।

সূত্র থেকে আরও জানা গেছে, আটককৃতদের বেশ কয়েকজনের ঘাড়ে ও মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে আছে, অন্যদের শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়েছিল, ক্ষত ও আঁচড় ছিল এবং তাদের হাত ফুলে ছিল, হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আনাদোলু রিপোর্টার।

এর আগে গত ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজার বিরুদ্ধে স্থল অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শতাধিক ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজায় গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের অবস্থান বা অবস্থা সম্পর্কে তথ্য দিতে অস্বীকার করে চলেছে।

ইসরায়েল ২৭ অক্টোবরের অনুপ্রবেশের প্রতিক্রিয়া হিসাবে গাজা উপত্যকায় হঠাৎ আক্রমণ চালায়, প্রায় ১ হাজার ১৪০ ইসরায়েলি নিহত হয়।

এর পর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী সংঘাত শুরু করে। এতে এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ১৯ নিহত এবং ৬৬ হাজার ১৩৯ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
খবর আনাদোলু

প্রধানমন্ত্রীকে আইটিইউ মহাসচিবের অভিনন্দন

ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) মহাসচিব ডোরেন বোগদান-মার্টিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনাকে পাঠানো লিখিত চিঠিতে মহাসচিব, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা পুনর্র্নিবাচিত হওয়ায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এই গুরুত্বপূর্ণ এই পদে আপনার সাফল্যের জন্য আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই এবং আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশের জনগণের সমৃদ্ধি, ঐক্য, প্রবৃদ্ধি এবং প্রতিটি সাফল্য কামনা করছি।’

ডোরেন বোগদান-মার্টিন উল্লেখ করেছেন, আইটিইউ বছরের পর বছর ধরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং জাতীয় সম্প্রচার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সার্বজনীন সংযোগ এবং একটি টেকসই ডিজিটাল দেশে রুপান্তর করার জন্য বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতা করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আইসিটির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের অগ্রগতিতে আপনার দেশের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি এবং পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাই এবং আমি ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আমাদের অব্যাহত সহযোগিতার প্রত্যাশা করছি।’

মহাসচিব আরও বলেন, ‘জেনেভাতে আমার অফিস এবং ব্যাংককে অবস্থিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য আইটিইউ আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে, আমি আপনাকে বাংলাদেশ ও আইটিইউ-এর মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রাখতে আমার পূর্ণ সমর্থনের নিশ্চয়তা দিতে পারি।’

মহাসচিব এই বলে শেষ করেন, ‘আমরা আপনার দেশকে টেলিকমিউনিকেশন এবং আইটি ক্ষেত্রে যেকোনো উপায়ে সহায়তা করার জন্য বরাবরের মতো প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত সফল সহযোগিতার জন্য অপেক্ষায় আছি।’

কিমের যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শন করেন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন একটি শিপইয়ার্ডে যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শন করেছেন। তার দেশ যখন ‘যুদ্ধের প্রস্তুতি’ বাড়াচ্ছে তাই দেশের নৌবাহিনীর শক্তিশালী করার প্রস্তুতি দেখতে তিনি এই পরিদর্শনে যান। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ কথা জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিম দক্ষিণ কোরিয়াকে তার দেশের ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। পুনর্রেকত্রীকরণ এবং প্রচারের জন্য নিবেদিত সংস্থাগুলোকে জেটিসন করা হয়েছে এবং ‘এমনকি ০.০০১ মিমি’ আঞ্চলিক সীমানা লঙ্ঘনের জন্য যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন।

তিনি সম্প্রতি একটি সাবমেরিন থেকে নতুন কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের প্রশংসা করেছেন। এটিকে উত্তরের নৌ শক্তির বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন কিম।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, নামফো ডকইয়ার্ডে কিম বলেন, ‘দেশের সামুদ্রিক সার্বভৌমত্বকে নির্ভরযোগ্যভাবে রক্ষা করতে এবং বর্তমানে যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়াতে নৌবাহিনীর শক্তিশালীকরণ নিজেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করে।’

হাইপারসনিক ওয়ারহেড, গুপ্তচর উপগ্রহ এবং কঠিন-জ্বালানি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ একটি পরমাণু চালিত সাবমেরিন ২০২১ সালে মূল পার্টি কংগ্রেসে সেট করা কিমের কৌশলগত অস্ত্রের ইচ্ছের তালিকায় ছিল।

পিয়ংইয়ং থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে নামফো শিপবিল্ডিং ঘাঁটিতে পরিদর্শনের সময় কিমকে নির্মাণাধীন বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দলের নির্ধারিত একটি ‘নতুন বিশাল পরিকল্পনা’র প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল।

পরিকল্পনার বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
‘কেসিএনএ’ বলেছে, কিম ‘আশা প্রকাশ করেছেন, ডকইয়ার্ডের কর্মীরা বিশ্ব পর্যায়ে সফলভাবে বড় যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবে।’

উত্তর কোরিয়া গত বছর চালু করেছিল যাকে তারা তাদের প্রথম ‘কৌশলগত পরমাণু হামলার সাবমেরিন’ বলে অভিহিত করেছিল। যাকে তখন সিউলের সামরিক বাহিনী বলেছিল এটি কার্যকর বলে মনে হচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, জাহাজটি একটি বিদ্যমান ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন থেকে পরিবর্তিত হয়েছে যা মূলত ১৯৫০’র দশকে ডিজাইন করা হয়েছিল এবং একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর সীমাবদ্ধতা এবং দুর্বলতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে।