শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

সবার জন্য সংসদ নির্বাচন উন্মুক্ত না হলে দেশের গণতন্ত্র কেড়ে নেয়া হতো : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবার জন্য সংসদ নির্বাচন উন্মুক্ত না হলে দেশের গণতন্ত্র কেড়ে নেয়া হতো।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘সবার জন্য (আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী) নির্বাচন উন্মুক্ত না হলে শুধু নির্বাচনই কলঙ্কিত হতো না, দেশের গণতন্ত্রকেও কেড়ে নেয়া হতো।’

প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আরও বলেন, তাঁর দলের লোকদের জন্য নির্বাচন না হলে, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মর্যাদা নষ্ট হয়ে যেত।

প্রতিবছর বাজেট প্রণয়নের সময় তাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসরণের কথা উল্লেখ করে- তিনি আরও বলেন, ‘এই অর্জন ধরে রাখতে আমরা নির্বাচনের আগে যে নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছিলাম, তা আমরা ভুলে গেছি, এমন কথা বলবেন না।’

তিনি বলেন, তাঁর দল দলের সকল লোকের জন্য পুনরায় উপজেলা নির্বাচন উন্মুক্ত করেছে, নির্বাচনটি ঘনিয়ে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় গত ১৫ বছরে সাধারণ মানুষের জন্য কে কতটা কাজ হয়েছে এবং কে ইতোপূর্বে তা করতে পারেনি তাও খতিয়ে দেখা হবে। এর মাধ্যমে আমরা দেখব- কাকে জনগণ গ্রহণ করেছে।’

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যে কোনো ধরনের সংঘর্ষের বিরুদ্ধে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের সংঘর্ষ চাই না। দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে- সে যেই হোক না কেন।’

দ্বাদশ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে উল্লেখ করে টানা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া শেখ হাসিনা বলেন, যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চান, তাদের অবশ্যই এর পক্ষে স্পষ্ট প্রমাণ তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু সেগুলোও বিরোধীরা মেনে নিতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু হয়েছে। জনপ্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত সকলে নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি দেখেছেন দ্বাদশ নির্বাচনে যাতে ভোটাররা না আসে, নির্বাচন অবাধ হতে না পারে এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা সহজ হয় তা নিয়ে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে লক্ষ্যে আমি এই নির্বাচনকে উন্মুক্ত করেছি, যাতে, অন্তত একজন প্রতিপক্ষ থেকে যাবে এবং নির্বাচনটি হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। ভোটাররা আসবে, তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী ভোট দেবে, তারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে, জনগণ সেই অধিকার পাবে।’

দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত এবং দলের লোকেরা আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে উল্লেখ করে তিনি দ্বাদশ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে বৈরীতা তা সবাইকে ভুলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যা হয়েছে, আসুন, আমারা সব ভুলে যাই। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে কাজ করতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোথাও কোনো সমস্যা হলে আমরা তার সমাধান করব। কেন্দ্রীয় কমিটি তা করবে। তবে, নিজেদের মধ্যে কোনো আত্মঘাতী দ্বন্দ্ব থাকা উচিত নয়।’

উড়ে এসে জুড়ে বসা লোক আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হবে না : কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অনেকে অনেক কিছু ভাবছেন, অমুকরা এখন কোত্থেকে আসছে, কে আবার জুড়ে আসছে। উড়ে এসে জুড়ে বসা লোক আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হবে না।

আজ শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রাখা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সিম্পল লিভিং, হাই থিংকিং, শেখ হাসিনার মূল মন্ত্র। আমরা এমন নেত্রী পেয়েছি যিনি সততার জন্য সারা বিশ্বে সমাদৃত। বিশ্বের সবচেয়ে সৎ নেতৃত্বের প্রথম সারিতেই আমাদের নেত্রীর নাম রয়েছে।’

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১ হাজার ৫৫০ জন ফরম কিনে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে দিতে হবে মাত্র ৪৮ জন। এটা নেত্রীর ওপর ছেড়ে দিন। নেত্রী কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের নাম কোন জেলায় গিয়ে লিখে রেখেছেন, তিনিই হয়তো স্থান পাবে এই ৪৮ জনের মধ্যে।

সব ধরনের কলহ মুছে নেতাকর্মীদের নতুন করে একাট্টা হয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সবাই কাজ করবেন। এই বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য শত্রুরা তৎপর। শত্রুদের হাতে হাতিয়ার তুলে দেবেন না আমাদের ক্ষতি করার জন্য। আর আওয়ামী লীগ নিজেরাই যদি নিজেদের শত্রু হয় বাইরের শত্রুর কোনো দরকার নেই।

সরে দাঁড়ালেন ইলিয়াস কাঞ্চন, সভাপতি খুঁজছেন নিপুণ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৫ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ এপ্রিল।ইতিমধ্যেই প্যানেল গোছানোর কাজ নিয়ে শিল্পীরা তোড়জোড় শুরু করেছেন। গুঞ্জন উঠেছে, সমিতির বতর্মান সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবেন না। আর তাই তার প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার খুঁজছেন নতুন সভাপতি।

এ প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করা হয় নিপুণের সঙ্গে। তার কথা, ‘নির্বাচন আসতে এখনো অনেক সময় বাকি। এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না। তবে হ্যাঁ, যা শুনছেন তা সত্য। ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই এবার নির্বাচন করবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইদের মতো গুণী শিল্পীরা আসলে নির্বাচনে আসতে চান না। গতবার আমরাই তাকে অনুরোধ করে নির্বাচনে এনেছি। এবারের নির্বাচন নিয়ে যখন কথা উঠেছে তখন কাঞ্চন ভাই নিজেই বলেছেন, তিনি নির্বাচন করবেন না।’

তাহলে আপনাদের প্যানেলের সভাপতি কে হবেন? জানতে চাইলে নিপুণ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এখনই কথা বলতে চাই না। আগামী মার্চে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্যানেল নিয়ে কথা বলব। এখন আমরা সমিতির বনভোজন নিয়ে ব্যস্ত আছি।’

এদিকে, আসন্ন নির্বাচনে একজোট হয়েছেন ডিপজল ও মিশা সওদাগর। নির্বাচনে একই প্যানেলের প্রার্থী হচ্ছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে কথাও বলেছেন ডিপজল। তার কথায়, ‘এখনও কিছু চূড়ান্ত না। মিশা যদি সভাপতি প্রার্থী হতে চান আমার কোনো আপত্তি নেই, আবার আমিও যদি সভাপতি হই- এতে তার কোনো আপত্তি নেই। এখন দেখা যাক।’

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে বতর্মান সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার প্যানেল গঠন করছেন কি-না তা এখনও চূড়ান্ত নয়। সম্প্রতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন নিপুণ, তাই তিনি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে থাকছেন কি-না এ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

আখেরি মোনাজাতে আজ শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমা

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে আজ শেষ হচ্ছে এবারের বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব তথা ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে ইজতেমার এ পর্বের আখেরি মোনাজাত।

ইজতেমার শেষ পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ঢাকা, গাজীপুরসহ সারাদেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দলে দলে ইজতেমা ময়দানে আসছেন। এ পর্বের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।

এর আগে শনিবার ইজতেমার ময়দানে সমবেত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে ইজতেমার শীর্ষ মুরুব্বিরা ইমান আমল ও দ্বীনের দাওয়াতে তাবলিগের ওপর গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন।

শেষ পর্বের ইজতেমা ঘিরে গত শুক্রবার থেকে টঙ্গীর ইজতেমার ময়দান মুসল্লিদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আজ আখেরি মোনাজাতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মুসল্লিরা শরিক হবেন। তারা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় নিজের ইমানকে মজবুত করতে এবং দ্বীনের পথে থাকার জন্য পরম করুণাময়ের কাছে আকুতি জানাবেন।

দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম জানিয়েছেন, আখেরি মোনাজাতে নিজ নিজ গুনাহ মাফ এবং আত্মশুদ্ধির জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হবে।

টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব ইজতেমা। দেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসুল্লি তুরাগ তীরে ইজতেমায় অংশ নেন। এছাড়া সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, কাতার ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অসংখ্য মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নিতে আসেন।

তাবলিগ জামাতের বিরোধের কারণে গত কয়েক বছর ধরে দুই পর্বে হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। এবারও প্রথম পর্বে শুরায়ে নিজাম অনুসারী মুসল্লিরা এবং দ্বিতীয় পর্বে নিজামুদ্দিন অনুসারী মুসল্লিরা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। ৪ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতে শেষ হয় প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা।

এরপর গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় দ্বিতীয় পর্বের আনুষ্ঠানিকতা। আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

এদিকে ইজতেমা ময়দানের গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে শনিবার দিনগত রাত ১২টা থেকে টঙ্গী-কামারপাড়া রোডসহ আশপাশের এলাকার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস পর্যন্ত এবং আবদুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে দ্বিতীয় পর্বেও আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে আখাউড়া, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন রুটে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। মোনাজাতের আগে ও পরে সব ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে ৫ মিনিট যাত্রাবিরতি করবে।

উপজেলা নির্বাচনে কোনো সংঘাত চাই না : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উপজেলা নির্বাচন উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে কোনো সংঘাত চাই না।

আজ শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে এ দেশের মানুষ অস্ত্র তুলে নিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। জাতির পিতাকে হত্যা করার পরে ২১ বছর ক্ষমতা জনগণের হাতে ছিল না। ক্ষমতা বন্দী ছিল ক্যান্টনমেন্টে। জনগণের কোনো অধিকার ছিল না। আওয়ামী লীগ ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্যাংশনের ভয় দেখানো হয়েছিল। আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে চেয়েছে বিএনপি। সাথে ছিল বিদেশি প্রভু। সমালোচকরা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেনি।

আওয়ামী লীগের আমলে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে সবাইকে কাজ করতে আহ্বান জানাই। এছাড়া মজুতদারি ও চাঁদাবাজিতে দ্রব্যের দাম যেনো না বাড়ে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।

আজ সকাল পৌনে ১০টায় গণভবনে এই বিশেষ সভা শুরু হয়। এর আগে সকাল ৮টা থেকে সারাদেশ থেকে আসা নেতারা গণভবনের সামনে জড়ো হন এবং সাড়ে আট থেকেই এক এক করে নেতারা গণভবনে প্রবেশ শুরু করেন।

সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা-মহানগর ও উপজেলা-থানা-পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় ও স্বতন্ত্র সদস্য এবং জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

৪৮ বছরে শেখ হাসিনার মতো জনপ্রিয় নেতা সৃষ্টি হয়নি : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনা হচ্ছেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির উত্তরাধিকারী। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর গত ৪৮ বছরে তার মতো জনপ্রিয় নেতা সৃষ্টি হয়নি।

আজ শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা নির্বাচন করি পাঁচ বছর পরে এক মাস। শেখ হাসিনা নির্বাচন করেন প্রতিদিন। তিনি যখন কোনো অঞ্চলে যান, সেখান থেকে এক দুজনের নাম লিখে রাখেন। যখন জাতীয় সংসদ বা সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন হচ্ছে, তখন ওই ডাইরি থেকে নামগুলো এনে ঠিক করে নেন। ১৫ বছরে আগের এবং ১৫ বছরে পরের বাংলাদেশ ছবির রূপান্তরের রূপকার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা হচ্ছেন অর্থনৈতিক মুক্তির উত্তরাধিকারী। গত ৪৮ বছরে দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা। সাহসী রাজনৈতিকের নাম শেখ হাসিনা। তিনি বাংলাদেশের রূপান্তরের রূপকার। যিনি মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে বারবার বাংলার জয়গান গেয়েছেন।

এতে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা।

শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে আইএমও

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও)।

শেখ হাসিনাকে পাঠানো এক শুভেচ্ছাপত্রে আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার পুনর্নিযুক্তি হওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, ‘আমি এই উচ্চ কার্যালয়ের দায়িত্ব পালনের প্রতিটি সাফল্যের জন্য আপনাকে আমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, শিপিং নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বরত জাতিসংঘের সংস্থা হিসেবে আইএমও একটি নিরাপদ, সুরক্ষিত ও পরিবেশগতভাবে নিরাপদ শিপিং সেক্টরের পরিচালনায় আমাদের মহাসাগরগুলোকে রক্ষা করতে এবং বিশ্বব্যাপী নির্ভরযোগ্য ও দক্ষতার সাথে একটি টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খলকে পরিচালনা করতে তার সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তায় ব্যাপকভাবে নিয়োজিত রয়েছে।

বাংলাদেশ সবসময়ই আইএমওর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে উল্লেখ করে- তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে, আপনার বিচক্ষণ নেতৃত্ব আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

আর্সেনিও ডোমিংগুয়েজ বাংলাদেশের সক্রিয় পদক্ষেপ-বিশেষত জাহাজের নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধক রিসাইক্লিংয়ের জন্য হংকং আন্তর্জাতিক কনভেনশনে চুক্তিবদ্ধ রাষ্ট্র হতে এর সাম্প্রতিক উদ্যোগ ও সামুদ্রিক সুরক্ষার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি পরিবেশগত তত্ত্বাবধানের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির উদাহরণ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, এই প্রশংসনীয় পদক্ষেপ কেবল কনভেনশন কার্যকর করার ক্ষেত্রেই সহজতর করেনি, বরং আমাদের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কার্যক্রমের প্রভাবশালী ফলাফলের ওপরও জোর দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পদক্ষেপগুলো অন্যান্য দেশের জন্য আরও টেকসই সামুদ্রিক ভবিষ্যত তৈরির লক্ষ্যে বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় যোগ দিতে উৎসাহিত করতে একটি আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে।

আইএমওর মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আইএমওর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অব্যাহত সম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছি।’

ক্ষমতা ভাগাভাগিতে রাজি নওয়াজ ও বিলওয়ালের দল

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি কোনো রাজনৈতিক দল। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিতরা ৯৯ আসনে জয় পেয়েছেন।

অন্যদিকে নওয়াজের শরিফের পাকিস্তান মুসলীম লীগ (পিএমএলএন) জয় পেয়েছে ৭১ আসনে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বিলওয়াল ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৩ ও এমকিউএম ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দল পেয়েছে ১০টি আসন। এখনো বেশ কয়েকটি আসনের ফলাফর বাকি রয়েছে।

দেশটির জাতীয় পরিষদের মোট আসন ২৬৫টি। এককভাবে সরকার গঠনের জন্য কোনো দলকে অন্তত ১৩৪ আসনে জয় পেতে হবে, যা কোনো দলই পায়নি। ফলে জোট সরকারের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজ (পিএমএ-এন) ও বিলওয়াল ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি জোট সরকার গঠন করতে রাজি হয়েছে।

পিএমএল-এন প্রেসিডেন্ট ও নওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ শরিফ বিলওয়াল ভু্ট্েটা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিল আলী জারদারির সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র জানিয়েছে, পাঞ্জাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের বাসায় শাহবাজ শরিফ পাকিস্তান পিপলস পার্টির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এ সময় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
খবর জিও নিউজ

জোট গঠনের পথে হাঁটবে না পিটিআই : গহর খান

পাকিস্তানের নির্বাচনে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) জানিয়েছে, অপর দুই দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) বা পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) কিংবা অন্য কোনো দলের সঙ্গে জোট করার কোনো পরিকল্পনা নেই দলটির।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর খান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে ফলাফল এসেছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে পিটিআই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তাছাড়া পাঞ্জাবের প্রাদেশিক আইনসভায় আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু এককভাবে সরকার গঠনের সুযোগ আমাদের রয়েছে, তাই জোট গঠনের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই। পিএমএলএন অথবা পিপিপির সঙ্গে কোনো যোগাযোগও আমাদের হয়নি।’

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নির্বাচন হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার। অ্যাসেম্বলির মোট আসনসংখ্যা ২৬৬টি। এসব আসনের মধ্যে একটি ব্যতীত বাকি সবগুলোতে নির্বাচনী ভোটগ্রহণ হয়েছে বৃহস্পতিবার।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার রাত পর্যন্ত ২৪৫টি আসনের ফলাফল জানা গেছে। সেখানে দেখা গেছে, ৯৮টি আসনে জয়ী হয়েছেন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই), ৬৯টি আসন পেয়েছে নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এবং বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫১টি আসন।

গতকাল শুক্রবার রাতে লাহোরে নিজ বাসবভবনের সামনে জড়ো হওয়া কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে পিএমএলএনকে বিজয়ী বলে দাবি করেন নওয়াজ শরিফ। তিনি আরও জানান, অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে জোট সরকার করতে চায় পিএমএলএন।

পিএমএলএনের জ্যেষ্ঠ নেতা ও পাকিস্তানের সাবেক অর্থমন্ত্রী ইসাক দার জানিয়েছেন, অনেক ‘পিটিআই-স্বতন্ত্র’ বিজয়ী প্রার্থী ইতোমধ্যে পিএমএলএনের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সংবিধান অনুসারে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী যদি নির্বাচনে জয়ী হন, তাহলে ফলাফল প্রকাশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে হয়।

তবে পিটিআই-স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিষয়টি ভিন্ন। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন এবং উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে নিজেদের দলীয় প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট ব্যবহার করতে পারেননি পিটিআই প্রার্থীরা। বাধ্য হয়েই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ প্রতীক ব্যবহার করতে হয়েছে তাদের।

পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খান বর্তমানে কারাগারে আছেন। তার অনুপস্থিতিতে দলের কার্যক্রম চালিয়ে নিতে গত নভেম্বরের শেষ দিকে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করে পিটিআই। গত ২ ডিসেম্বর গঠিত নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হন ইমরানের প্রধান আইনজীবী এবং তার আস্থাভাজন ব্যারিস্টার গহর খান।

চলছে ধর্মীয় বয়ান, ইজতেমায় যৌতুকবিহীন গণবিয়ে আজ

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিন আজ। শনিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর চলছে ধর্মীয় বয়ান। বয়ান করছেন ভারতের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ। বাংলা তরজমা করছেন মুফতি ওসামা ইসলাম। আসরের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে যৌতুক বিহীন গণবিয়ে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ফজরের পর বয়ান শুরু করেছেন ভারতের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ। বাংলা তরজমা করছেন মুফতি ওসামা ইসলাম। আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শুরু হবে আখেরি মোনাজাত। আর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সাদপন্থিদের তাবলিগ জামাতের এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

ইজতেমার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ইজতেমা ময়দানের ৮৯টি খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি। ফজরের নামাজের পর পিনপতন নীরবতায় ধর্মীয় বয়ান শুনছেন তারা। তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বিরা আরবি, উর্দু ও হিন্দিতে বয়ান করলেও তাৎক্ষণিকভাবে এগুলো বাংলা, ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া যারা তাবলিগের দাওয়াতি কাজে বের হবেন, খিত্তা অনুযায়ী তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।

বয়ানের পর এগুলো থেকে নেওয়া শিক্ষা নিয়ে প্রতিটি খিত্তায় দলবেঁধে নিজস্ব আমিরের (দলনেতা) নেতৃত্বে হবে আলোচনা।

সকাল সাড়ে ১০টায় তালিমে হালকা মোয়াল্লেমদের নিয়ে কথা বলবেন মাওলানা আব্দুল আজিম। ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই মূল বয়ান মঞ্চের পাশে অনুষ্ঠিত হবে গণবিয়ে। শরিয়া আইন অনুযায়ী কনের অনুপস্থিতিতে তার অভিভাবক, বর ও আত্মীয়স্বজনের উপস্থিতিতে এ বিয়ে হবে। ইতিমধ্যে পাত্র এবং তাদের স্বজনরা আসতে শুরু করেছেন।

ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বলেন, ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জোহরের নামাজের পরে বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা শরিফ, বাংলা তরজমায় মাওলানা মাহমুদুল্লাহ, আসরের পরে বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা ওসমান, বাংলা তরজমায় মাওলানা আজিম উদ্দিন। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি ইয়াকুব, বাংলা তরজমায় মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

রোববার ফজরের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি মাকসুদ, বাংলা তরজমায় মাওলানা আব্দুল্লাহ। বয়ানের পরেই হেদায়াতি বয়ান ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মজলিশে শুরার সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১ টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন ভারতের মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।