শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

সুপেয় পানি মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা : তাজুল ইসলাম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, সুপেয় পানি মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা। ওয়াসার আগে অনেক ঘাটতি থাকলেও সেগুলোর সমাধান করে বর্তমানে ঢাকার বাসিন্দাদের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। ঢাকাকে পাঁচ ভাগে ভাগ করে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (১০ মার্চ) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকা ওয়াসার ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিল কালেকশন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনটি বেসরকারি ব্যাংক ও তিনটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, পানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি ব্যবস্থার বিপক্ষে গিয়ে, মানুষের আয় বৃদ্ধির জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালাতে হবে। যাতে মানুষ বিদ্যুৎ এবং পানি নিজের টাকায় কিনে খরচ করতে পারে। তবে কৃষিক্ষেত্রে ভর্তুকির প্রয়োজন রয়েছে। কৃষি ক্ষেত্রে আমাদের কৃষক এবং তাদের উৎপাদিত পণ্যের বিপণন ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এক্ষেত্রেও আমাদের ভর্তুকি দিতে না হয়।

সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, টেকসই ও উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য সেবা সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিকভাবে সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকি দেওয়া হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকরী কোনো সমাধান নয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকেই ধীরে ধীরে নিজের সক্ষমতা তৈরি করে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশের যে পথনকশা তৈরি করেছেন সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে গেলে এ ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প নেই।

তাজুল ইসলাম এ সময় ঢাকার আশেপাশের নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, রাজধানী ঢাকাকে বসবাসযোগ্য রাখতে হলে এই নদীগুলো দূষণমুক্ত করে এগুলোর নাব্যতা নিশ্চিত করা জরুরি।

ঢাকা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, ঢাকা ওয়াসার বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সুজিত কুমার বালা প্রমুখ।

রমজানে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়া হবে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

আগামীতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা করে দাম বেঁধে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

আজ রোববার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে কৃষিপণ্য সরবরাহে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘প্রোডিনটর্গ’-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে দেখলাম ১৮টি অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের রাষ্ট্রীয় সার্কুলার দিয়ে দিয়েছে, এই পণ্যগুলোর দাম কেউ এ মাসে (রমজান) বাড়াতে পারবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এবার হয়তো পারি নাই। ইনশাআল্লাহ আমাদের সাপ্লাই চেইন ইম্প্রুভ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ নিশ্চিত করে আগামীতে কেবিনেটের অনুমোদন নিয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের একটা কমপ্লিট লিস্ট তৈরি করব। সেই অনুযায়ী সাপ্লাই বাড়ানো এবং পণ্যের নির্ধারিত দাম আমরা যাতে ঠিক করতে পারি।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউএইতে (সংযুক্ত আরব আমিরাত) দেখলাম ১৮টি অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের রাষ্ট্রীয় সার্কুলার দিয়ে দিয়েছে, এই পণ্যগুলোর দাম কেউ এ মাসে (রমজান) বাড়াতে পারবে না। আমরা এবার হয়তো পারি নাই। ইনশাআল্লাহ আমাদের সাপ্লাই চেইন ইম্প্রুভ করে পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ ইম্প্রুভ করে আগামীতে কেবিনেটের অনুমোদন নিয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের একটা কমপ্লিটলিস্ট তৈরি করবো। ওইভাবে এটার সাপ্লাই বাড়ানো এবং পণ্যের নির্ধারিত দাম আমরা যাতে ঠিক করতে পারি।

আপনারা বাজার সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছেন, কিন্তু সেভাবে প্রভাব পড়ছে না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই যারা রোজার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানি ও উৎপাদন করেন তাদের সঙ্গে বসেছি। আমদানি এবং উৎপাদন পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে, এটা আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

বাজারে রমজান উপলক্ষে এ মুহূর্তে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত দেড় মাসে চালের বাজারে একটা অস্থিরতা ছিল। সেটা আল্লাহর অশেষ রহমতে স্থিতিশীল পর্যায়ে আছে। চালের দাম নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। তেলের দাম আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি। রমজান উপলক্ষে আজ থেকে বাজার তদারকি আরও বাড়াবো। যাতে কেউ সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬৩ টাকা, খোলা তেল প্রতি লিটার ১৪৯ টাকার ওপরে কেউ বিক্রি না করে। সেই ব্যাপারে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেবো। কোনোভাবে যাতে এটার ব্যত্যয় না হয়, সেই চেষ্টা করবো। রমজান উপলক্ষে আজ থেকে আমরা বাজার পরিদর্শন শুরু করব।

আহসানুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও কিন্তু নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও কিন্তু নির্দেশ দিয়েছেন বাজারে সরবরাহ চেইনে কেউ যদি ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা পদক্ষেপগুলো নিচ্ছি। একেবারে যে উন্নতি হয়নি তা নয়। ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার জন্য তাদের সম্মতি আমরা পেয়েছি। দু-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজও ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশে ঢুকবে।

সুপারশপগুলোতে নির্ধারিত দামের চেয়ে কমে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যখন কাঁচাবাজারে গেলাম তখন দেখলাম প্রত্যেকটি জিনিসের দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে দুই-তিন টাকা বেশি। একেবারে খুচরা পর্যায়ে কাঁচাবাজারগুলো অস্থায়ীভাবে থাকে, ওইগুলো আমরা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করব সেটা এখন বের করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রথমে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই- সরবরাহ নিশ্চিত করা, কোনোভাবেই যেন সরবরাহে ঘাটতি না হয়। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেরেছি। বাজার মনিটরিং ইনশাল্লাহ আমরা বাড়াব। টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে যে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি দেওয়া হয় এটা সম্পূর্ণ শুরু হলে এতেও বাজারে একটা চাপ কমে যাবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করবো কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে কৃষিপণ্যের সর্বোচ্চ একটা মূল্য নির্ধারণ করে দিতে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, হঠাৎ শুনলাম লেবুর দাম বেড়ে গেছে। শসার দাম, পেঁয়াজের দাম…। এটি কিন্তু সারা বাংলাদেশের তুলনায় ঢাকার কয়েকটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই বলব। এটি কিন্তু গুটিকয়েক জায়গায়। সারাদেশের পরিস্থিতি কিন্তু এটা না। অনেক সময় হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যায়। দেখা যাবে আজ বা কাল সবাই বাজারে ঝাঁপিয়ে পড়বো ১০/২০ দিনের সাপ্লাই একদিনে কিনে ফেলবো। ডিমান্ড বেড়ে গেলে হয়তো ওই অনুযায়ী সাপ্লাইটা আসে না। এজন্যও (আকস্মিক দাম বৃদ্ধি) হতে পারে।

তিনি বলেন, আমি আজ সকালে শুনলাম একজন বিক্রেতা বলতেছে বছরে একটাবার রোজা আসে লেবু দিয়ে একটু ই করতে হয়, কৃষকরা একটু পয়সা পায়, আমরাও দুইটা পয়সা পাই। ব্যাপার কিন্তু এটাই। এখানে কিন্তু কোনো বড় গ্রুপ কাজ করতেছে না। একটা ডালা নিয়ে তিনি ব্যবসা করতেছেন, সে চিন্তা করতেছে দুই টাকা বেশিতে পাইলে সে দুই টাকা বেশি লাভ করবে। ভেরি ইনোসেন্টলি সে এ কথাটা বলেছে।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের একটু সততার সঙ্গে ব্যবসাটা করতে হবে। ধর্মীয় অনুভূতিটাকে প্রাধান্য দিয়ে যাতে আমরা ব্যবসাটা করি।

রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন চালের স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও গম, ভুট্টা, ডালের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। এগুলো আমাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে আনতে হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গমের উৎস হলো রাশিয়া। আজ যে প্রোডাক্টগুলো তারা সাইন করলো- রাশিয়ান ফেডারেশন থেকে তারা যদি সাপোর্ট দিতে পারে তাহলে আমাদের ফুড সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির একটা বড় বাফার স্টক আমরা তৈরি করতে পারব।

টিসিবিকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এখন টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে সাবসিডাইজ প্রাইজে পণ্য দিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পরবর্তীতে ফেয়ারপ্রাইজে মাল্টিপল প্রোডাক্ট সরবরাহ করব, যদি আমাদের এই রকম সোর্স থাকে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, শুধু রাশিয়া থেকে নয় কয়েকটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আনতে আমরা ভারতের সঙ্গেও একটি চুক্তি করার জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করছি। মিয়ানমারের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

রমজানে উপলক্ষে সুলভ মূল্যে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন

রোজায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ রোববার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান। প্রথম রোজা থেকে শুরু হয়ে ২৮ রমজান পর্যন্ত ঢাকার ২৫টি স্থানে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে এবার গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯০০ টাকা, ড্রেসড (চামড়া ছাড়া) ব্রয়লার প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা ও ডিম প্রতিটি ৯ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়া দুই সিটির পাঁচ জায়গায় অস্থায়ী দোকানে ৬৫০ কেজিতে গরুর মাংস ও আট জায়গায় সুলভ মূল্যে মাছ বিক্রি হবে। গরু, খাসি, মুরগির মাংস এক কেজি করে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

গত রোজায় গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৪০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯৪০ টাকা ও ডিম প্রতি পিস ১০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ৩৮ কর্মকর্তা ১০টি টিম পুরো কার্যক্রম দেখভাল করবেন।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলো হলো- নতুনবাজার (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), খামারবাড়ী (ফার্মগেট), আজিমপুর মাতৃসদন (আজিমপুর), গাবতলী, দিয়াবাড়ী (উত্তরা), জাপান গার্ডেন সিটি (মোহাম্মদপুর), ষাটফুট রোড (মিরপুর), খিলগাঁও (রেল ক্রসিংয়ের দক্ষিণে), সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), সেগুনবাগিচা (কাঁচাবাজার), আরামবাগ (মতিঝিল), রামপুরা, কালসী (মিরপুর), যাত্রাবাড়ী (মানিকনগর গলির মুখে), বসিলা (মোহাম্মদপুর), হাজারীবাগ, লুকাস (নাখালপাড়া), আরামবাগ (মতিঝিল), কামরাঙ্গীর চর, মিরপুর ১০, কল্যাণপুর (ঝিলপাড়া), তেজগাঁও, পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার) কাকরাইল।

স্থায়ী বাজার : মিরপুর শাহ আলি বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, নতুন বাজার (১০০ ফুট), কমলাপুর, কাজি আলাউদ্দিন রোড (আনন্দবাজার)।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, প্রাণিজাত পণ্যগুলো বিক্রয়ের জন্য সুসজ্জিত পিকআপ কুলভ্যান ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি বিক্রয় কেন্দ্রে সকাল ৯টার মধ্যে প্রাণিজাত পণ্য নিয়ে কুলভ্যানগুলো পৌঁছে যাবে এবং সকাল ১০টা থেকে বিক্রয় হবে।

উদ্বোধন করে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার বাংলাদেশে কেউ ভাত ও মাছের কষ্ট পাবেন না। যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটার প্রভাব বাজারে পড়বে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক, সচিব সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান।

ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে নিউজিল্যান্ড

ঘরের মাটিতে প্রায় ৩১ বছর ও সবমিলিয়ে ১২ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়ের সুবাস পাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তারা। তৃতীয় দিন শেষে মাঠ ছেড়েছে মাথা উঁচু করে।

প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের করা ১৬২ রানের বিপরীতে ২৫৬ রান করে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে ভালোই জবাব দেয় নিউজিল্যান্ড। ২ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে আজকের দিন শুরু করে তারা। চার ফিফটিতে ৩৭২ রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে দাঁড় করায় ২৭৯ রানের বড় লক্ষ্য।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এই লক্ষ্য পাড়ি দিয়ে জয়ের ইতিহাস নেই কারোই। অস্ট্রেলিয়া সেই ইতিহাস নতুন করে লিখতে পারবে কি না তা সময়ই বলে দেবে। আপাতত ৪ উইকেটে ৭৭ রান দিয়ে দিন শেষ করেছে তারা। ট্রাভিস হেড ১৭ ও মিচেল মার্শ ২৭ রানে অপরাজিত আছেন।

সফরকারীদের টপ অর্ডারে ধস নামান ম্যাট হেনরি ও বেন সিয়ার্স। ৩৪ রানের ভেতরই তুলে নেন অস্ট্রেলিয়ার চার উইকেট। দুই ওপেনার স্টিভেন স্মিথ (৯) ও উসমান খাজা (১১) শিকার হন হেনরির। লাবুশেনকে (৬) কট এন্ড বোল্ড ও ক্যামেরন গ্রিনের (৫) স্টাম্প উড়িয়ে দেন সিয়ার্স।

নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৮২ রান আসে রাচিন রবীন্দ্রর ব্যাট থেকে। এছাড়া টম ল্যাথাম ৭৩, কেইন উইলিয়ামসন ৫১ ও ড্যারিল মিচেল করেন ৫৮ রান। শেষ দিকে ৪৪ রানের কার্যকরী এক ইনিংস খেলেন স্কট কুগেলেইন। অজিদের হয়ে প্যাট কামিন্স ৪টি ও ন্যাথান লায়ন শিকার করেন ৩ উইকেট।

ব্রেন্টফোর্ডকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

প্রিমিয়ার লিগে হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার সিটি। শিরোপা লড়াইয়ে বেশ ভালোই প্রভাব রাখবে তা। তবে এর আগেই শীর্ষস্থান দখলে নিল আর্সেনাল। গতকাল ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে তারা।

এমিরেটস স্টেডিয়ামে বেন হোয়াইটের ক্রস থেকে ১৯তম মিনিটে গানারদের এগিয়ে দেন ডেকলান রাইস। দাপুটে আর্সেনাল লিড ধরে রেখেই বিরতিতে যাচ্ছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ে গোলরক্ষক অ্যারন রামসডালের ভুলে ধাক্কা খায় তারা। সমতায় ফেরে ব্রেন্টফোর্ড।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য দারুণ দুটি সেভ দেন রামসডালে। ডেভিড রায়া না থাকায় চার মাস পর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। তার শাপমোচন করেন কাই হাভার্টজ। ৮৬তম মিনিটে হোয়াইটের ক্রস থেকে দারুণ হেডে দলকে প্রাপ্য জয় এনে দেন এই জার্মান ফরোয়ার্ড।

এই জয়ে ২৮ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। ২৭ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে লিভারপুল ও ৬২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ম্যান সিটি। আজ দুই দলের মধ্যে যে জিতবে সে-ই দখলে নেবে শীর্ষস্থান।

কেইনের হ্যাটট্রিকে বায়ার্নের গোল উৎসব

মৌসুম শুরুর আগে টটেনহ্যামকে ১০০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে হ্যারি কেইনকে দলে ভিড়িয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। এরপর যেন গোলের জন্য চিন্তাই করতে হচ্ছে না তাদের।

প্রিমিয়ার লিগে গোলের বন্যা বইয়ে দেওয়া কেইন তার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন বুন্দেসলিগায়ও। গতকাল মৌসুমের চতুর্থ হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন তিনি। যার সুবাদে মাইঞ্জের বিপক্ষে ৮-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন।

বুন্দেসলিগায় অভিষেক মৌসুমে কোনো খেলোয়াড়ই চারটি হ্যাটট্রিক করতে পারেননি। শুধু তা-ই নয়, আটটি ভিন্ন দলের বিপক্ষে অন্তত দুটি গোল করা ফুটবলারও কেইন। এখন পর্যন্ত লিগে ২৫ ম্যাচে ৩০ গোল করেছেন তিনি। ছুঁয়ে ফেলেছেন অভিষেক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৩০ গোল করা উইয়ি সিলারকে।

আলিয়েঞ্জ অ্যারেনায় গোল উৎসবের ম্যাচে ১৩তম মিনিটে খাতা খোলেন হ্যারি কেইন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় ও ৭০তম মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। জোড়া গোল করেন লিওন গোরেৎস্কা। এছাড়া একটি করে গোল সার্জ গ্যানাব্রি, থমাস মুলার, জামাল মুসিয়ালার।

এই জয়ে ২৫ ম্যাচে ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে আছে বায়ার্ন। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ বায়ার লেভারকুসেন।

বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নের উপনির্বাচনে এনামুল হক চেয়ারম্যান নির্বাচিত

পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে অটোরিক্সা প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক অপু ৭ হাজার ৪৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আবদুল মালেক মিয়া পেয়েছেন ৩ হাজার ২৯০ ভোট। নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্যে ভোটারগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন। গত শনিবার সকাল ৮ টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

কেশবপুরে মোট ভোটার ২৫ হাজার ২৯০জন। এদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭০ জন পুরুষ এবং ১২ হাজার ২২০ জন নারী ভোটার। ভোট প্রয়োগ করেছেন ১২ হাজার ৫৬৬ জন। প্রয়োগকৃত ভোটের হার শতকরা ৪৯.৬৮ ভাগ।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট কেশবপুর ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এ কারণে গত ২৪ জানুয়ারি উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

কোস্টগার্ডে ‘ভি-স্যাটনেট’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বিভিন্ন ভৌত অবকাঠামো ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সহায়তায় বাহিনীতে সংযোজিত ‘ভি-স্যাটনেট’ যোগাযোগ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রোববার (১০ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টার দিকে শেরেবাংলানগরে কোস্টগার্ড সদর দফতরে এ যোগাযোগব্যবস্থার উদ্বোধন করেন তিনি।

শেরেবাংলা নগরে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে ভি-স্যাটনেট যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়াও নবনির্মিত পাঁচটি স্টেশন ও একটি আউটপোস্টের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে কোস্টগার্ডের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কোস্টগার্ডের সদর দফতরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

পরে বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা, নাবিক ও অসামরিক ব্যক্তিদের হাতে পদক তুলে দেন তিনি।

৪১ সালের মধ্যে দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার আশা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে ২০৪১ সালের মধ্যে দুর্যোগ সহনশীল, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

রোববার (১০ মার্চ) ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস’ উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে এ আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরের মতো দেশব্যাপী ১০ মার্চ ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস’ উদযাপন করা হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, স্মার্ট সোনার বাংলা গড়ব’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টেকসই ও সমন্বিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মসূচি প্রণয়নের পথিকৃৎ। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭৩ সালে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে আগাম সতর্কবার্তা উপকূলীয় এলাকার জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুর্যোগ মোকাবিলার উন্নত টেলিযোগাযোগ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। জাতির পিতা ঘূর্ণিঝড় থেকে জনগণের জানমাল রক্ষায় সেই সময় উপকূলীয় অঞ্চলে ১৭২টি উঁচু মাটির কিল্লা তৈরি করেন, যা ‘মুজিব কিল্লা’ নামে পরিচিত।

সরকারপ্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের সরকারের দুর্যোগ নিয়ে পূর্বপ্রস্তুতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে দুর্যোগে প্রাণহানি এক ডিজিটে নামিয়ে আনা সক্ষম হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে দুর্যোগ মোকাবিলায় চিরাচরিত ‘দুর্যোগ পরবর্তী সাড়াদান ব্যবস্থাপনা’ থেকে ‘আগাম ব্যবস্থাপনা’ কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। আমরা ‘মুজিব কিল্লা’কে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করে মানব ও প্রাণিসম্পদের জন্য নিরাপদ ও টেকসই আশ্রয়স্থল করেছি। একইভাবে পুরুষের সঙ্গে নারী স্বেচ্ছাসেবক অন্তর্ভুক্ত করে আধুনিক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। আমরা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচিতে (সিপিপি) নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেছি। ফলে দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস ব্যবস্থাপনায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এ কারণে জেন্ডার রেসপনসিভ ক্যাটাগরিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্মানসূচক জাতিসংঘ জনসেবা পদক-২০২১ অর্জন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সরকারের বিনিয়োগ, দুর্যোগের পূর্বাভাস ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন, নতুন বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং দুর্যোগের প্রস্তুতি ও উদ্ধার কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবীদের নিবেদিত প্রচেষ্টাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যেকোনো দুর্যোগে প্রাণহানির সংখ্যা ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে, যা পরিসংখ্যানগত তথ্য বিশ্লেষণ করলে উপলব্ধি করা যায়।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭০ সালের ভোলা সাইক্লোনে প্রাণহানির সংখ্যা ১০ লাখ জন, ১৯৯১ সালের সাইক্লোনে প্রায় এক লাখ ৩৮ হাজার জন, ২০০৭ সালের সাইক্লোন সিডরে তিন হাজার ৬৬৩ জন, ২০০৮ সালের সাইক্লোন আইলায় ১৯০ জন, ২০১৬ সালের সাইক্লোন রুয়ানুতে ২৭ জন, ২০১৯ সালের সাইক্লোন বুলবুলে ২৪ জন, ২০১৯ সালের সাইক্লোন ফণিতে আট জন, ২০২০ সালের সাইক্লোন আম্ফানে আটজন, ২০২১ সালের সাইক্লোন ইয়াসে সাতজন, ২০২২ সালের সাইক্লোন সিত্রাংয়ে একজন এবং ২০২৩ সালের সাইক্লোন মোখায় মৃতের সংখ্যা শূন্য। বাংলাদেশের এই ক্রমোন্নয়ন ‘সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন’ এর শর্ত শতভাগ অর্জন করেছে এবং বিশ্বব্যাপী বিপুলভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ দেশ এবং বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও একটি শক্তিশালী ও কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সময়োপযোগী আইন, বিধি পরিকল্পনা, দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগজনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের ওপর গুরুত্বারোপ করে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

জেলা ডাক বিভাগ ৬ মাসের মধ্যে লাভজনক করা হবে : প্রতিমন্ত্রী পলক

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, ছয় মাসের মধ্যে দেশের ৬৪ জেলার ডাক বিভাগকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। এজন্য কীভাবে এবং কী কী জিনিস প্রয়োজন হবে, কত অর্থের প্রয়োজন তা লিখিত আকারে সাতদিনের মধ্যে ডাক বিভাগের কর্মকর্তারা পাঠাবেন।

শনিবার (৯ মার্চ) রাত ৯টার দিকে কুষ্টিয়ার প্রধান ডাকঘর চত্বরে ডাক অধিদপ্তরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নবনির্মিত ডাকভবনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল আমিনুর রহমান, কুষ্টিয়া ডেপুটি পোস্ট মাস্টার মিরাজুল হক, ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল (ইএমসি) খন্দকার মাহবুব হোসেন, কুষ্টিয়া প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার আবুল কালাম আছাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী কালিশংকপুরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।