শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

চমক রেখে দল ঘোষণা ইতালির

ইউরোপিয়ান শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে ভেনেজুয়েলা ও ইকুয়েডরের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের জন্য ২৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ইতালি ফুটবল ফেডারেশন। তিনজন নতুন খেলোয়াড়কে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছেন কোচ লুসিয়ানো স্পালেত্তি।

তুরিনোর ২৩ বছর বয়সী ডিফেন্ডার রাউল বেলানোভা, হেলাস ভেরোনা মিডফিল্ডার মাইকেল ফোলোরানশো (২৬) ও উদিনেস স্ট্রাইকার লরেঞ্জো লুকা (২৩) প্রথমবারের মতো ইতালিয়ান জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন। সিরি-এ লিগে এবারের আসরে লুকা ৭ গোল করেছেন।

নাপোলির সাবেক কোচ স্পালেত্তি মূলত জার্মানিতে জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য ইউরো-২০২৪ এর বাছাইপর্বের দলটির বেশিরভাগ খেলোয়াড়কেই ধরে রেখেছেন। সিরি-এ লিগের শীর্ষে থাকা ইন্টার মিলান থেকে ছয়জন খেলোয়াড় এবারের দলে ডাক পেয়েছেন।

২০২১ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের জন্য গোল স্কোরিং ব্যর্থতা বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেশির ইনজুরির কারণে সাসুলোর ডোমেনিকো বেরারদিও দল থেকে ছিটকে গেছেন। জেনোয়ার আর্জেন্টাইন বংশোদ্ভূত ফরোয়ার্ড মাতেও রেটেগুই দলে ডাক পেয়েছেন। তবে গত সেপ্টেম্বরে সর্বশেষ ক্যারিয়ারের ৫৭তম ম্যাচ খেলা ল্যাজিওর অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সিরো ইমোবিলে আবারও বাদ পড়েছেন।

আগামী ২১ মার্চ ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলে ভেনেজুয়েলা ও তিনদিন পর নিউইয়র্কে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে আজ্জুরিরা। ইউরো ২০২৪-এ গ্রুপ-বি’তে ইতালির প্রতিপক্ষ স্পেন, ক্রোয়েশিয়া ও আলবেনিয়া।

ইতালির স্কোয়াড :

গোলরক্ষক : গিয়ানলুইগি ডোনারুমা, মার্কো কারনেচ্চি, এ্যালেক্স মেরেত, গুগলিয়েমো ভিকারিও

ডিফেন্ডার : ফ্রান্সেস্কো আকারবি, আলেহান্দ্রো বাস্তোনি, রাউল বেলানোভা, আলহান্দ্রো হুনগিরোনো, আন্দ্রে কামবিয়াসো, মাত্তেও ডারমেইন, গিওভান্নি ডি লরেঞ্জো, ফেডেরিকো ডিমারকো, গিওর্গিও স্কালভিনি, ডেসটিনি উদোগি।

মিডফিল্ডার : নিকোলো বারেলা, গিওকোমো বোনাভেঞ্চুরা, মাইকেল ফেলোরানশো, ডেভিড ফ্রাত্তেসি, জর্জিনহো, ম্যানুয়েল লোকাতেল্লি, লরেঞ্জো পেলেগ্রিনি।

ফরোয়ার্ড : ফেডেরিকো চিয়েসা, লরেঞ্জো লুকা, রিকার্ডো ওরসোলিনি, গিয়াকোমো রাসপাডোরি, মাতেও রেটেগুই, মাত্তিয়া জাকাগনি, নিকোলো জানিয়োলো।

রমজানেও গাজায় বর্বরতা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বর্বর হামলা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় আরও ৬৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩১ হাজার ৫০০ এর বেশি।

আনাদোলুর খবরে বলা হয়, চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত আহত আরও ৭৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে তারা বলছে, ইসরায়েলের হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৬৩ ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও ১১২ জন আহত হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় পরিবারগুলোর বিরুদ্ধে সাতটি গণহত্যা চালিয়েছে এবং এতে ৬৩ জন নিহত এবং আরও ১১২ জন আহত হয়েছে। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছে কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে চালানো বর্বর এই আগ্রাসনে অন্তত ৩১ হাজার ৫৫৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু। এছাড়া ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় আহত হয়েছে আরও ৭৩ হাজার ৫৪৬ জন।

এক সিনেমায় তিন খান প্রসঙ্গে মুখ খুললেন আমির

বলিউডের তিন খানকে একসঙ্গে সিনেমায় দেখা না গেলেও সম্প্রতি আম্বানিদের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে। এদিকে ভক্তদের বহু দিনের অপেক্ষা তিন খান (শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খান) একসঙ্গে সিনেমা করবেন। এবার ভক্তদের আশা পূরণ হতে পারে!

তিন খানের মধ্যে গত ১৪ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ছিল আমির খানের ৫৯তম জন্মদিন। এদিন সকালে মিডিয়াকর্মীদের সঙ্গে কেক কাটেন তিনি।
সেই সময় পাশে ছিলেন সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাও।

জন্মদিন উপলক্ষে আমির খান তার প্রোডাকশন হাউসের অফিশিয়াল পেজ থেকে লাইভে আসেন। এদিনই লাইভে এসে শাহরুখ ও সালমান দুই বন্ধুকে নিয়ে মুখ খোলেন এই অভিনেতা। ভবিষ্যতে শাহরুখ খান এবং সালমান খানকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন আমির।

লাইভে ভক্তদের সঙ্গে কথোপকথনে তিন খানের একসঙ্গে পর্দায় আবির্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে আমির জানান, তারা অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে চিন্তা করছেন। তারা ৩ জনই একসঙ্গে কাজ করা এবং তাদের দর্শকদের জন্য বিশেষ কিছু তৈরি করার জন্য মুখিয়ে আছেন।

আমির খান আরও বলেন, আমিও মনে করি আমাদের একসঙ্গে একটি ফিল্ম করা উচিত। আমরা যখন একসঙ্গে ছিলাম, শাহরুখ, সালমান এবং আমি- আমরাও ভাবছিলাম যে আমাদের ক্যারিয়ারে একসঙ্গে একটি সিনেমা করতে হবে। আমাদের চেষ্টা করা উচিত যাতে সেরকম একটা সিনেমা বানানো যায়। আমাদের দর্শকদের জন্য এমন ভাবনা আমাদের মাথায়ও আছে। আমি আশা করি, ভালো স্ক্রিপ্ট পেলে তাতে তিনজনই হ্যাঁ বলব।

আমার জীবনে যা যা হয়েছে তা আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল : মাহি

সময়টা ২০১২ সাল, ‘ভালোবাসার রঙ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় নিজের নাম লেখান মাহিয়া মাহি। এরপর বেশকিছু দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তার ক্যারিয়ারের একযুগ। কিন্তু কখনও ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন ছিলেন না এই অভিনেত্রী। তবে জীবনে বড় একটি ধাক্কা খেয়ে এখন ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন মাহি। নতুন ভাবনায় এই ‘অগ্নি’ কন্যা।

সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে মাহি বলেন, চলতি বছর থেকে আমি যত সিনেমা করব সব ভালো প্রজেক্ট। আমি আর কোন নরমাল কাজ করব না। জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে মানুষের একেক রকেমর একেক অভিজ্ঞতা হয়। প্রত্যেকটা শিল্পী যদি বড় রকমের ধাক্কা না খায় তাহলে সে প্রকৃত শিল্পী হতে পারে না। এটা আমার কাছে এই সময়ে মনে হচ্ছে। এখন আমি কাজ নিয়ে যেভাবে সিরিয়াস, ক্যারিয়ার নিয়ে যেভাবে চিন্তা করছি ১২ বছরে ক্যারিয়ার নিয়ে এত চিন্তা করিনি।

মাহি আরও বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে এখন আবার আমার জিরো থেকে সবকিছু শুরু করি। নতুন করে শুরু করে ‘অগ্নি’ ও ‘পোড়ামন’ সিনেমার সময়ে যে রকম জনপ্রিয়তা ছিল, সে রকম আরও একবার কিভাবে অর্জন করা যায় কিংবা সেটা কিভাবে ছাড়িয়ে যাব তা নিয়ে রাত-দিন যেভাবে চিন্তা করি আমার কাছে মনে হয়, আমার জীবনে যা যা হয়েছে তা আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। তাহলে হয়ত নতুন করে জীবনটা আরও আগে শুরু করতে পারতাম। আমি কখনোই ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন ছিলাম না। তবে আমার ভাগ্য খুবই ভালো। সে জন্যই আপনাদের সামনে এখনো বসে আছি। কখনোই আমি বেশি প্রফেশনাল ছিলাম না। এখন যেভাবে চিন্তা করছি, সেটা যদি আগে থেকে চিন্তা করতাম তাহলে আমার অবস্থা আরও অনেক ভালো থাকত।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাজ মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ মন্তব্য করে বলেছিলেন, মাহি যদি ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন থাকত তাহলে শাকিব খানকে টপকে যেত। একথা মাহি নিজেও মনে করেন। তিনি বলেন, নিজেকে শাকিব খানের সঙ্গে তুলনা করব না। কারণ, তিনি অনেক বড় মাপের একজন শিল্পী। অনেক যুগ পর এ রকম শিল্পী আসে। তবে আজিজ ভাই যেটা বলেছেন সেটা উড়িয়ে দেয়া যাবে না।

আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মিশা-ডিপজল প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মাহির অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনে আসলে মিশা ভাইয়ের প্যানেল থেকেই অংশ নেব। কারণ, এই প্যানেলে গুণী সব শিল্পীরা আছেন। তাই এ প্যানেলের প্রতি দুর্বলতা বেশি। আমার যে কোনো বিপদে যাকে আমি পাশে পাব তাদেরকেই তো সবসময় সাপোর্ট করব। যখন যে সমস্যা হয়েছে মিশা ভাইদের ফোন করা মাত্রই তারা এগিয়ে এসেছেন। রিয়াজ ভাইকেও পাশে পেয়েছি। কিন্তু অন্য কাউকে কখনোই পাশে পাইনি।

শিল্পী সমিতির নির্বাচন করলে মাহিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হতো না—জাতীয় নির্বাচনের সময় চিত্রনায়িকা মাহিকে নিয়ে এমনই মন্তব্য করেছিলেন আরেক চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার। তার ভাষ্যমতে, মাহি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিলে অভিজ্ঞতা অর্জন করে তা জাতীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে পারত। তার এমন মন্তব্যর পর শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে নতুন করে ভাবছেন মাহি।

তিনি বলেন, তিনি (নিপুণ) সিনিয়র শিল্পী, যেহেতু বলেছেন এ জন্যই নির্বাচন নিয়ে বেশি চিন্তা ভাবনা করছি। তার এ কথার জন্য নির্বাচনে আসার সম্ভাবনা বেশি। আমার নির্বাচনে কাউকে পাশে পাইনি। একমাত্র ফেরদৌস ভাই ফোন করেছিল। তিনি অনেক বড় মনের পরিচয় দিয়েছিলেন।

যোগ করে ‘তবুও ভালবাসি’ সিনেমার এই নায়িকা বলেন, সে সময় সবচেয়ে আমার বড় শক্তি সাংবাদিক ভাইয়েরা পাশে ছিল। পুরো বাংলাদেশ সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে আমার কার্যক্রম দেখেছেন। এখন সহকর্মীদের চেয়ে অনেক আপন লাগে সাংবাদিকদের।

আজকের শিশুরাই ২০৪১ সালের স্মার্ট জনগোষ্ঠী : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকের শিশুরাই হবে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট জনগোষ্ঠী। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে আজকের শিশুরাই। দলমত নির্বিশেষে সকলে মিলে একযোগে কাজ করে শিশুদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করে তাদের ব্যক্তিত্ব গঠন, সৃজনশীলতার বিকাশ, আত্মবিশ্বাসী এবং মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী’ এবং ‘জাতীয় শিশু দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানান। এসময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং দেশের সকল শিশুসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জাতীয় শিশু দিবসে এবছরের প্রতিপাদ্য- ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ধরে, আনব হাসি সবার ঘরে’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি ছিলেন নির্ভীক, দয়ালু এবং পরোপকারী। স্কুলে পড়ার সময়েই তার নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ লাভ করতে থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এই বিশ্ববরেণ্য নেতার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করা। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের শেষ আশ্রয়স্থল।

শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন। ১৯৪৮ সালে তার প্রস্তাবে ছাত্রলীগ, তমদ্দুন মজলিশ ও অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট পালনকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। কখনও জেলে থেকে কখনও বা জেলের বাইরে থেকে তিনি ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ছাত্র-জনতার চূড়ান্ত আন্দোলনে কারান্তরীণ অবস্থায় থেকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায়, ’৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮-র আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ’৬২-র শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ’৬৬-র ছয় দফা, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন এবং ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শিশুদের প্রতি অপরিসীম মমতা ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ; শিশুরাই তার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। শিশুদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে সবার আগে- এই ভাবনা থেকেই জাতিসংঘ শিশুসনদের ১৫ বছর আগে ১৯৭৪ সালে তিনি শিশু আইন প্রণয়ন করেন। শিশু শিক্ষার বিকাশ নিশ্চিত করতে প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে ১৭ মার্চ ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে এবং শিশুদের কল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আমরা ‘জাতীয় শিশুনীতি’, ‘শিশু আইন’, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন’ প্রণয়ন করেছি। এছাড়া সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পুনর্বাসন এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিকাশে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে বিনামূল্যে নতুন বই প্রদান করা হচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, প্রায় শতভাগ শিশু আজ স্কুলে যাচ্ছে। আমরা শিশুদের জন্য জাতির পিতার জীবন ও কর্মভিত্তিক বই প্রকাশ এবং পাঠ্য বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরেছি। এছাড়াও শিশুদের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তথ্য-প্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার উপযোগী সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী’ এবং ‘জাতীয় শিশু দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

সিরিজ খেলতে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়া দল

আগামী সেপ্টেম্বর–অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির হিসেবে দুই ফরম্যাটের সিরিজ খেলতে ঢাকায় পা রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।

শনিবার (১৬ মার্চ) মধ্যরাতে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখে অজি দলের একটি অংশ। রোববারের মধ্যে বাকি ক্রিকেটারদের আসার কথা রয়েছে।

এদিকে টাইগারদের বিপক্ষের এই সিরিজকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে অস্ট্রেলিয়া। যে কারণে দুই ফরম্যাটেই শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে অজি টিম ম্যানেজমেন্ট।

এই সফরে টাইগ্রেসদের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে তারা। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে দুই দলের মাঠের লড়াই শুরু হবে। সিরিজের সবগুলো ম্যাচ মিরপুর শের-ই-বাংলায় গড়াবে।

২১, ২৪ ও ২৭ মার্চ হবে ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচ। এরপর ৩১ মার্চ এবং ২ ও ৪ এপ্রিল গড়াবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলো। ২০২২-২৫ আইসিসি নারী চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ ওয়ানডে সিরিজটি। সকাল সাড়ে ৯টায় ওয়ানডে এবং দুপুর ১২টায় টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো শুরু হবে।

২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশে এসেছিল অস্ট্রেলিয়া নারী দল। এবার ১০ বছর পর প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসছে অজি মেয়েরা।

বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড : নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), ফারজানা হক পিংকী, মুরশিদা খাতুন, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, সুলতানা খাতুন, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, দিশা বিশ্বাস, সুমাইয়া আক্তার, নিশিতা আক্তার নিশি, ফারজানা হক লিজা।

স্ট্যান্ডবাই : ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, শরিফা খাতুন ও লতা মন্ডল।

অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড : অ্যালিসা হিলি (অধিনায়ক), গ্রেস হ্যারিস, অ্যাশলে গার্ডনার, কিম গার্থ, গ্রেস হ্যারিস (শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টি), অ্যালানা কিং, ফোবি লিচফিল্ড, তাহলিয়া ম্যাকগ্রা (সহ-অধিনায়ক), সোফি মলিনেক্স, বেথ মুনি, এলিস পেরি, মেগান স্কাট, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড, জর্জিয়া ওয়ারহাম, টায়লা ভ্লাইমিঙ্ক।

ম্যানসিটিকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী আনচেলত্তি

সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলছে ম্যানচেস্টার সিটি। সেই দলটির বিপক্ষে চলতি চ্যাম্পিয়নস লগের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে সিটি যতই শক্তিশালী দল হোক না কেন তাদের হারানোর ব্যাপারে দারুণ আত্মবিশ্বাসী রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ইউরোপের সর্বোচ্চ ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের নিয়নে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাব প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচ পড়ে রিয়াল মাদ্রিদের। একই দিনে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের ড্রও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিটি শক্তিশালী দল হলেও তাদের হারানোর আত্মবিশ্বাস রয়েছে জানিয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি মনে করি, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সবসময়ই কোয়ার্টার ফাইনালে খেলাটা কঠিন। আমি একটি জিনিস মনে করি এবং মাদ্রিদও তাই মনে করে, সেটা হলো প্রতিযোগিতায় জিততে হবে। এর জন্য আপনাকে সেরা দলকে হারাতে হবে। এরজন্য সব আত্মবিশ্বাস আমাদের রয়েছে।’

গত মৌসুমে সেমি-ফাইনালে সেবার ঘরের মাঠে প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্র করলেও অ্যাওয়ে ম্যাচে সিটির কাছে ৪-০ গোলের ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছিল রিয়াল। আগের মৌসুমেও সেমিতে মুখোমুখি হয় তারা। সেবার সিটির মাঠে ৪-৩ গোলে হেরে আসলেও পরে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয় পায় দলটি।

এবার অবশ্য আগে ঘরের মাঠে খেলে এরপর ইতিহাদে আতিথেয়তা নেবে রিয়াল এটা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা রয়েছে কি-না জানতে চাইলে রিয়াল কোচ বলেন, ‘প্রতিযোগিতার এই পর্যায়ে সবাইকেই ফেভারিট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটা একটা কঠিন ড্র, কিন্তু এখানে আমাদের ভালো করার আত্মবিশ্বাস আছে। ম্যানচেস্টারে ফিরতি লেগ নিয়ে আমাদের কাছে কোনো ব্যাপার নয়।’

আনচেলত্তি আরও বলেন, ‘আমি আশাবাদী, চিন্তিত নই। তবে একটি দুর্দান্ত কোয়ার্টার ফাইনাল হতে চলেছে এবং আমরা তাদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলব। আমি জানি না তারা এটা নিয়ে কী ভাবছে। আমার মনে হয় এখানেও একই রকম হবে। এক বছর আমরা জিতেছি আর আরেক বছর তারা জিতেছে। এবার দেখা যাক কি হয়।

জিম্মি নাবিকদের নিরাপত্তায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর ২৩ নাবিকের নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের গণমাধ্যমগুলোকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার (১৬ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুর লেনে ওয়াইএনটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আহ্বান জানান তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের টেলিভিশনে কী দেখাচ্ছে, কী হচ্ছে সেটা কিন্তু যারা হাইজ্যাক করেছে তারা দেখে, স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশের সব টেলিভিশন দেখার সুযোগ আছে। যখন এই বিষয়টাকে অতি গুরুত্ব দেওয়া হয়, জিম্মিদের পরিবারের প্রতিক্রিয়া যখন ওরা দেখে, তখন হাইজ্যাককারীদের অবস্থান আরও অনমনীয় হয় এবং হচ্ছে। এই নেগেটিভ ইম্পেক্টটা হচ্ছে।

বিষয়টিকে সবারই সতর্কভাবে দেখা দরকার উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য জিম্মি নাবিকদের মুক্ত করা। আমরা সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলভাবে আচরণ করি তাহলে এই পরিস্থিতি উত্তরণ সহজ হবে।

তিনি বলেন, এটি নিয়ে সরকার কাজ করছে, অতীতেও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ১০০ দিনের মাথায় একই কোম্পানির জাহাজ এবং নাবিকদের মুক্ত করা সম্ভব হয়েছিল। এখনও আমরা আশা করছি, আমাদের যে সমন্বিত প্রচেষ্টা আছে, সুস্থভাবে নাবিকদের মুক্ত করে নিয়ে আসতে পারব।

জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ লাখ টাকার লাক্ষা মাছ

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ লাখ টাকার লাক্ষা মাছ। ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের পূর্ব চরবলেশ্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. দুলাল ফকিরের জালে ধরা পড়েছে মাছগুলো।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) পিরোজপুরের বাদুরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে পাইকারি আড়তে মাছগুলো বিক্রি করা হয়। পরে পাইকাররা মাছগুলো চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেন বিক্রির জন্য।

ট্রলারের জেলেরা জানান, সাগরে যাওয়ার পর মাত্র দুই বার জাল ফেলে ৯২টি লাক্ষা মাছ ধরতে সক্ষম হয়েছেন তারা। যার প্রতিটির ওজন সাত থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত। একবার সাগরে গিয়ে ফিরতে তাদের দুই সপ্তাহ সময় লাগে। তবে এবার সাগরে গিয়ে মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরে তারা ফিরে আসতে পেরেছেন।

ট্রলারের মালিক দুলাল ফকির জানান, পর পর কয়েক বার সাগরে ট্রলার পাঠিয়ে তার লোকসান হয়েছে। তবে এবার ভালো মাছ পাওয়ায় আগের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন।

পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরের আড়তদার আবু আলী বলেন, এই মৎস্য বন্দরের সমুদ্রগামী ট্রলারে দুই টানেই ৯২টি লাক্ষা মাছ ধরা পড়েছে। যার প্রতিটির ওজন ৭-২০ কেজির মধ্যে। ৯২টি লাক্ষা মাছ ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন জানান, গত শুক্রবার রাতে মাছগুলো পাড়েরহাট মৎস্য অবতারণ কেন্দ্রে পাইকারি ক্রেতাদের কাছে বিক্রির পর চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য মাছের তুলনায় লাক্ষা মাছের চাহিদা এবং দামও বেশি।

রোববার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রবিবার (১৭ মার্চ) সকালে হেলিকপ্টারযোগে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। তাদের এই সফর ঘিরে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।

জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ঘিরে তার জন্মভিটায় বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে আয়োজন করা হয়েছে শিশু সমাবেশ। থাকবে নাচ-গান ও কবিতা আবৃত্তির আয়োজন।

এরই মধ্যে শেষ হয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভা বর্ধনের কাজ। জেলার বিভিন্ন স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। উৎসাহের কমতি নেই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝেও। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে এরইমধ্যে নিরাপত্তাসহ সব প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে শেষ করেছে প্রশাসন।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে নিরাপত্তাময় ও উৎসবমুখর করার লক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় আমাদের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

জানা গেছে, টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেবেন তারা।

এরপর রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানিয়ে সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের ১ নম্বর গেটে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত শিশু দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকা ফিরবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন। তবে গোপালগঞ্জে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।