শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

নির্বাচনে জয়ী হয়ে মার্কিন গণতন্ত্রকে কটাক্ষ করলেন পুতিন

অনেক পশ্চিমা দেশের চেয়ে রাশিয়ার গণতন্ত্র বেশি স্বচ্ছ বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভের পর এই মন্তব্য করেন তিনি। পুতিন বলেছেন, এটি স্বচ্ছ, একেবারেই বস্তুনিষ্ঠ। এই নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের মেইল-ইন ভোটের মতো নয়, সেখানে ১০ ডলার দিয়ে একটি ভোট কেনা যায়।

রাশিয়ায় ১৫ থেকে ১৭ মার্চ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। নির্বাচনে পুতিন ৮৭ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। এক বুথফেরত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। এই জয়ের ফলে বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও ছয় বছরের জন্য দেশটির ক্ষমতায় থাকছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন ইতিমধ্যে রাজধানী মস্কোতে বিজয়ভাষণ দিয়েছেন। তিনি তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান-সংশ্লিষ্ট বাকি কাজগুলোর সমাধানকে অগ্রাধিকার দেবেন তিনি। রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে তিনি শক্তিশালী করবেন।

পুতিন বলেন, সামনে অনেক কাজ আছে। কিন্তু রুশরা যখন ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন যে-ই ভয় দেখাতে চায়, দমন করতে চায় না কেন, ইতিহাস বলে, কেউ সফল হয়নি। তারা এখন সফল হয়নি। ভবিষ্যতেও সফল হবে না।

রুশ প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। পুতিন বলেন, তিনি রাশিয়ার এই নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলে মনে করেন।

মার্কিন টিভি নেটওয়ার্ক এনবিসি পুতিনের কাছে জানতে চেয়েছিল, তার পুনর্নির্বাচিত হওয়া গণতান্ত্রিক কি না। জবাব দিতে গিয়ে পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও বিচারব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করেন।

পুতিন বলেন, (যুক্তরাষ্ট্রে) যা ঘটছে, তাতে সারা বিশ্ব হাসছে। এটা কেবল একটি বিপর্যয়, গণতন্ত্র নয়।

পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে একজন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে আক্রমণ করার জন্য প্রশাসন, বিচারব্যবস্থাসহ অন্যান্য বিষয়ের ব্যবহার করা কি গণতান্ত্রিক?

পুতিনের এই মন্তব্য স্পষ্টতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে। তার বিরুদ্ধে এখন চারটি ফৌজদারি মামলা আছে।

আসালাঙ্কাকে ফেরালেন মোস্তাফিজ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত এক জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশ। লঙ্কানরা সিরিজে সমতায় ফেরায় আজ দুই দলের শেষ ম্যাচটিই হয়ে দাঁড়িয়েছে সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টাইগারদের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস। আর বল করতে নেমে আজ দুর্দান্ত খেলেছেন তাসকিন-মোস্তাফিজরা। টাইগার বোলারদের বোলিং তোপে ৭৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়েছিল সফরকারীরা। এরপর জুটি গড়ে দলের হাল ধরেছিলেন লিয়ানাগে ও আসালাঙ্কা। তবে আসালাঙ্কাকে মুশফিকুর রহিমের মুঠোবন্দী করে এ জুটি ভেঙেছেন মোস্তাফিজ।

টসে হেরে টাইগারদের হয়ে বল হাতে ইনিংসের সূচনা করেন শরিফুল ইসলাম। টাইগার পেসারের করা প্রথম ওভারে স্কোরবোর্ডে ১ রান যোগ করতে সক্ষম হয় দুই লঙ্কান ওপেনার। এরপর দ্বিতীয় ওভারে বল করতে আসেন আরেক পেসার তাসকিন।

তাসকিনের করা দ্বিতীয় ওভারের প্রথম দুইটি বল দেখেশুনেই খেলেছিলেন আগের ম্যাচে শতক হাঁকানো লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। তবে তৃতীয় বলেই লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন তিনি। ফলে ফিরতে হয়েছে ১ রানেই।

এদিকে নিজের করা দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসে আরেক লঙ্কান ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দোকেও ফিরিয়েছেন তাসকিন। চতুর্থ ওভারে টাইগার স্পিডস্টারের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে আউট হন ফার্নান্দো।

ফার্নান্দো ফেরার পর ক্রিজে মেন্ডিসের সঙ্গী হন সাদিরা সামারাবিক্রমা। দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর এ দুজন মিলে ইনিংসের হাল ধরেন। দুজন মিলে গড়েন ২৬ রানের জুটি। তবে একাদশ ওভারে বোলিংয়ে এসেই সামারাবিক্রমাকে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজ। টাইগার এই পেসারের বলে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসবন্দী হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন লঙ্কান এই ব্যাটার।

এরপর ক্রিজে অধিনায়ক মেন্ডিসের সঙ্গী হন চারিথ আসালাঙ্কা। এ দুজন মিলে টাইগার বোলারদের দেখেশুনে খেলে গড়েছিলেন ৩৩ রানের জুটি। তবে অষ্টাদশ ওভারে নিজের প্রথম বলেই মেন্ডিসকে সাজঘরের পথ দেখান রিশাদ। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তাঁর প্রথম এটি। তরুণ এই লেগ স্পিনারের বলে সাজঘরে ফেরার আগে ৫১ বল খেলে ২৯ রান করেছেন মেন্ডিস।

মেন্ডিস ফেরার পর ক্রিজে আসালাংকার সঙ্গী হন জানিথ লিয়ানাগে। এ দুজন মিলে টাইগার বোলারদের দেখেশুনে খেলে সচল রেখেছিলেন রানের চাকা। দুজন মিলে জুটি গড়ে স্কোরবোর্ডে তুলেন ৪৩ রান। তবে পচিশতম ওভারে মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হয়ে উইকেটরক্ষকের মুঠোবন্দী হন আসালাঙ্কা। দলীয় ১১৭ রানে সাজঘরে ফেরার আগে ৪৬ বল খেলে ৫ চারে ৩৭ রান করেছেন লঙ্কান এই ব্যাটার।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ২৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান।

অঘোষিত ফাইনালে যে একাদশ নিয়ে নামতে পারে বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ৬ উইকেটের বড় জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সফরকারীরা। তাই তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডের ওপরই নির্ভর করছে, সিরিজ কাদের পকেটে যাচ্ছে।

টি-টোয়েন্টি সিরিজেও এমন পরিস্থিতি হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশকে হারিয়ে টাইম আউট উল্লাসে মেতেছিল লঙ্কানরা। তাই স্বাভাবিকভাবেই ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ হাতছাড়া করতে চাইবে না লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

সোমবার (১৮ মার্চ) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু হবে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি।

এদিকে সিরিজ নির্ধারণী এই ম্যাচে টাইগারদের সেরা একাদশে নিশ্চিতভাবেই দুটি পরিবর্তন আসছে। কারণ, দিন-দুয়েক আগেই তৃতীয় ওয়ানডের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন ওপেনার লিটন দাস। এ ছাড়া রোববার পেসার তানজিম হাসান সাকিবের ইনজুরির বিষয়টিও প্রকাশ্যে আসে। পরে এই পেসারের পরিবর্তে আরেক তরুণ পেসার হাসান মাহমুদকে স্কোয়াডে ভেড়ানো হয়েছে। তাই সবমিলিয়ে একাদশে দুই পরিবর্তন আসছে, এটা একপ্রকার নিশ্চিত।

ওপেনিংয়ে লিটনের পরিবর্তে এনামুল হক বিজয়কে দেখা যেতে পারে। ডানহাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশন বিবেচনায় এগিয়ে থাকছেন বিজয়। অন্যদিকে একাদশে ফিরতে পারেন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ফর্মহীনতায় থাকলেও অভিজ্ঞ ফিজেই আস্থা রাখতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।

অন্যদিকে প্রথম দুই ওয়ানডেতে বেশ খরুচে ছিলেন তাইজুল। আপন-মহিমায় দুই-হাতে রান খরচ করেছেন বাঁহাতি এই স্পিনার। তাই বাজে পারফরম্যান্সের কারণে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাদ পড়তে পারেন তিনি। তার পরিবর্তনে একাদশে রিশাদকে দেখা যেতে পারে। সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় এগিয়ে থাকছেন এই লেগি। এ ছাড়া একাদশে আর কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ : সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।

গাজায় ১৩ হাজারের বেশি শিশু নিহত : ইউনিসেফ

টানা পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের গাজার উপত্যকায় হামলা চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। চলমান এই হামলায় এখন ৩১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি শিশু।

জাতিসংঘের শিশু নিরাপত্তা ও অধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের বরাতে সোমবার (১৮ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় আল জাজিরা।

ইউনিসেফ বলছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ১৩ হাজারেরও বেশি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। বর্তমানে গাজায় যেসব শিশু বেঁচে রয়েছে, তারাও গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছে। এমনকি তাদের কান্না করার শক্তিও নেই।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল সিবিএস নিউজকে বলেন, আমরা বিশ্বের অন্য কোনো সংঘাতে এতো শিশু মৃত্যুর হার দেখিনি। সেখানে আরও হাজার হাজার শিশু আহত হয়েছে। তারা কোথায় আছে তাও আমরা জানি না। তবে তারা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারে।

‘আমি শিশুদের ওয়ার্ডে ছিলাম যারা মারাত্মক রক্তস্বল্পতা ও অপুষ্টিতে ভুগছে। পুরো ওয়ার্ড ছিল একেবারেই শান্ত। কারণ শিশুদের কান্না করার শক্তিও নেই,’ বলেন ক্যাথরিন রাসেল।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে গাজায় অব্যাহতভাবে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই হামলায় গাজার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। সেখানকার প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

আগুনে পুড়ে তছনছ মার্কিন অভিনেত্রী ডেলেভিনের বিলাসবহুল বাড়ি

মার্কিন সুপারমডেল ও অভিনেত্রী কারা ডেলেভিনের লস অ্যাঞ্জেলসের বিলাসবহুল বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুটিংয়ের কাজে ডেলেভিন এ সময় লন্ডনে ছিলেন বলে জানা গেছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অভিনেত্রীর প্রিয় এই বাড়িটিতে আগুন লাগার কারণ এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, শুক্রবার মাঝরাতে আই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এরপর স্থানীয়দের খবরে ১৩টি ইঞ্জিনসহ ৯৪ দমকল কর্মী সেখানে গিয়ে পৌঁছান। আগুনের তীব্রতা এতোটাই ছিলো যে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে গুরুতর আহত হন দুজন দমকল কর্মী। লস অ্যাঞ্জেলসের পুলিশ জানায়, তারা আগুনের কারণ খতিয়ে দেখছেন।

এদিকে ডেলেভিন নিজের ইনস্টাগ্রামের একটি স্টোরিতে ভয়াবহ সেই অগ্নিকাণ্ডের ছবি শেয়ার করেছেন। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একের পর এক দমকল কর্মী আসছেন।

একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি সকল দমকল কর্মী ও সেই সকল মানুষকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা এ ঘটনায় সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। ’

এদিকে স্থানীয়রা জানান, প্রতিবেশীদের খবরে উপস্থিত হওয়া দমকল বাহিনী দুই ঘন্টারও কিছু বেশি সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ২০১৯ সালে বিলাসবহুল এই বাংলোটি কিনেছিলেন অভিনেত্রী কারা ডেলেভিনে।

মুম্বাইয়ের কনসার্টে আগুন ঝরালেন এড শিরান

মার্কিন পপতারকা এড শিরান এসেছিলেন পাঁচদিনের ভারত সফরে। শনিবার (১৬ মার্চ) মুম্বাইয়ের কনসার্ট হয়ে উঠেছিলো লোকে-লোকারণ্য। কনসার্টের সেইসব ছবি এবং ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

গত ১২ মার্চ ভারতে এসেছিলেন এড শিরান।

পাঁচদিনের সফরে তিনি মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শের পাশাপাশি শাহরুখ খান এবং বলিডের অন্যান্য তারকাদের সাথে দেখা করেছেন। মুম্বাইয়ে শাহরুখ খানের বিলাসবহুল বাড়ি মন্নতে গিয়ে শাহরুখের সঙ্গে দিয়েছেন আইকনিক পোজ। শেষমেশ কনসার্টে নিজের কণ্ঠের দ্যুতি ছড়িয়ে মুগ্ধ করেছেন ভক্তদের।

ভারতের গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের সাথে করেছেন যুগলবন্দী। ওইসময় এড শিরানের কণ্ঠে ভারতীয় গান শুনে উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকরা। অনুষ্ঠান শেষে দর্শক-অনুরাগীদের উদ্দেশ্য করে কৃতজ্ঞতাও জানান এই মার্কিন পপতারকা।

এর আগে, গ্র্যামিজয়ী এড শিরান জানান, আমি জানি ভারত একটি বড় দেশ। আজ এই কনসার্টে দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এসেছেন। কেউ বিমানে, কেউ ট্রেনে-বাসে আবার কেউ বা বাচ্চাদের নিয়ে এসেছেন। শনিবার রাতটা আমার সঙ্গে কাটানোর জন্য আপনারা অনেকটা সময় ব্যয় করেছেন আমি জানি।

উল্লেখ্য, এটি এড শিরানের দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে ২০১৭ সালে গ্র্যামিজয়ী এই পপ গায়ক সর্বপ্রথম ভারত সফরে এসেছিলেন।

জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে

বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর মালিকপক্ষ কবির গ্রুপ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর জাহাজে আটকে থাকা ২৩ নাবিককে উদ্ধারে বেশ কয়েকটি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সাথে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছে। যদিও জলদস্যুরা এখনো মুক্তিপণের বিষয়ে যোগাযোগ করেনি। রোববার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ‘সোমালিয়া উপকূলে ছিনতাই হওয়া জাহাজ ও জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারে সারাবিশ্বে বেশকিছু ‘মধ্যস্থতাকারী’ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আছে।
যদিও দস্যুরা এখনো যোগাযোগ করেনি। তবে আমরা একটু আগেভাগে ‘মধ্যস্থতাকারী’দের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। যদি জলদস্যুদের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব পাওয়া যায়, তা যেন আমরা জানতে পারি। ’

তবে কয়টি প্রতিষ্ঠানের সাথে এখন পর্যন্ত যোগাযোগ করা হয়েছে তা জানানো হয়নি।

তিনি বলেন, এখনো নির্দিষ্টভাবে বলতে পারছি না। কারণ জলদস্যুদের পক্ষ থেকে এখনো কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি।

এ সময় তিনি আরও জানান। জলদস্যুরা এখন নিজেরাই সেফ নয়। যেহেতু তারা বারবার স্থান পরিবর্তন করছে সেহেতু ধরা হচ্ছে একটু সময় নিয়ে সেটেল হয়ে তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। কারণ এটা তাদের ব্যবসা। মুক্তিপণ আদায় করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

এ সময় জিম্মি নাগরিকদের উদ্ধারে তিনি আরও জানান, আমরা জাহাজের নাগরিকদের জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা করছি। জাহাজ উদ্ধারের বিষয়টি পরে।

এদিকে জিম্মি নাগরিকদের উপর কড়া নজরদারি রেখেছে জলদস্যুরা। জলদস্যুদের কবলে থাকা মাল্টার পতাকাবাহী জাহাজ এমভি রুয়েনে ভারতীয় বাহিনীর অভিযানের পর থেকে নাবিকদের উপর এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি কবির গ্রুপের গণমাধ্যম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুরে ভারত মহাসাগরে শিল্প গ্রুপ কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। ওই দিন বিকেলে জাহাজটি সোমালিয়ার দিকে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে প্রায় ৬০০ নটিক্যাল মাইল পূর্ব দিকের মহাসাগরে কয়েকটি স্পিড বোট ও মাছ ধরার বড় নৌকা নিয়ে সশস্ত্র দস্যুরা জাহাজে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর সব নাবিককে জিম্মি করে ফেলে তারা।

খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার : আইনমন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি ও বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদনের বিষয়ে মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে গত ৬ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। আবেদনে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চাওয়া হয়। পরে সেই আবেদনের বিষয়ে মতামত নিতে সেটি আইন মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়।

খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার জন্য পরিবারের আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে, এই চিঠিতেও তারা আগের মতোই স্থায়ী মুক্তি চাচ্ছেন। আমি বুঝলাম না স্থায়ী মুক্তি মানে কী? এছাড়া, বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চাচ্ছেন। আমার কাছে আজকে সচিব ফাইলটা দিয়েছেন। ওনারা (খালেদার পরিবার) কী আবেদন করেছেন, সেটি দেখে ভালো করে বিবেচনা করে আমি অতিসত্বর নিষ্পত্তি করব। আগামীকাল (মঙ্গলবার) নাগাদ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, ফাইলটা আজকেই পেয়েছি। আমাকে বিবেচনা করতে হবে, পড়তে হবে, আমাকে দেখতে হবে। তবে, একটা বিষয় বলতে পারি, সেটি হলো… খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন হবে না।

এর আগে, ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং এই সময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না— এ দুটি শর্তে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আটবার বাড়ানো হয়েছে। এবার বাড়ানো হলে নয়বারের মতো খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়বে। সর্বশেষ গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ আগামী ২৪ মার্চ শেষ হবে।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা শেষে গত ১৪ মার্চ গুলশানের বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। এর আগে, ১৩ মার্চ রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস ও চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতা বাড়লে মাঝে মাঝে তাকে হাসপাতালে নিতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়।

এরপর একই বছরের ৩০ অক্টোবর এই মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এরপর ২০২০ সালের মার্চে করোনা মহামারি শুরু হলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত করে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে সরকার শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়।

এ দেশে বঙ্গবন্ধু পরিবারই সবচেয়ে বড় আদর্শের জায়গা : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এ দেশে বঙ্গবন্ধু পরিবারই সবচেয়ে বড় আদর্শের জায়গা। সততা, সাহস দেখতে চান তাহলে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের দিকে তাকান।

সোমবার তেজগাঁওয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গেলো ১৫ বছরে এই পরিবারের কেউ ক্ষমতার বিকল্প কেন্দ্র হয়ে ওঠেননি। গায়ের জোরে নয়, লুটপাট করে নয়, এই পরিবারের সবাই সততার আদর্শে উজ্জীবিত।

তিনি আরও বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশে নীরবে এসে, নিঃশব্দে চলে যান। কেউ টেরও পায় না। তার জন্যই ডিজিটাল বিপ্লব হচ্ছে দেশে। অথচ কোনো সাড়াশব্দ নেই।

একই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রাজনীতির ব্যাঙদের (বিএনপিকে ইঙ্গিত করে) আওয়াজ বেড়ে গেছে৷ আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই৷ বিএনপি যেনো ছোবল দিতে না পারে, সেজন্য পাঁচবছর দেশ পাহারা দেবে আওয়ামী লীগ৷

ক্ষমতা কোনো ভোগের বস্তু নয় : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমতা কোনো ভোগের বস্তু নয় কোনো রাজনৈতিক নেতার জন্য। ক্ষমতা হচ্ছে জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালন করার মাধ্যম।

সোমবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মদিন উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ মানুষকে দিতে জানে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে জানে। আওয়ামী লীগ যখন মানুষকে ইফতার বিতরণ করছে, তখন যারা প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চায়, উৎখাত করতে চায়, অগ্নিসন্ত্রাস করে তারা মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেরা ইফতার পার্টি করছে। আর সেই ইফতার পার্টিতে যেয়েও তারা আল্লাহ-রাসূলের নাম না নিয়ে আওয়ামী লীগের গীবত গায়। কবে আওয়ামী লীগকে উৎখাত করবে সেই পরিকল্পনা করে। কিন্তু তারা কিভাবে ভুলে যায় যে, আওয়ামী লীগ তো মানুষের পাশে আছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যে মানুষগুলো ছিল নির্যাতিত নীপিড়িত, দারিদ্র ক্ষুধার্থ মানুষ সেই মানুষগুলোর ভাগ্য পরিবর্তন করাই ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একমাত্র সাধনা, একমাত্র লক্ষ্য। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য। তিনি সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন বাঙালিদের জন্য।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জাতির পিতা শৈশব থেকেই মানুষের কল্যাণে কাজ করতেন। তিনি বড় মানুষ হবেন তা ছোটবেলায় তাঁর বিভিন্ন কাজের মাঝেই ফুটে ওঠে। শেখ মুজিবুর রহমানের বাবা-মা শৈশব থেকেই তাঁকে রাজনীতিতে যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন তাও ছিল বিরল ঘটনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর একটা বিশ্বাস সবসময় ছিল যে বাঙালিরা তাকে কখনো মারবে না। অনেকেই তাকে সাবধান করেছেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেননি। বলেছেন, ‘না ওরা তো আমার ছেলের মতো। আমাকে কেন মারবে।’ বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে এতো গভীরভাবে ভালোবেসেছিলেন যে, এ দেশের কোনো মানুষ তার গায়ে হাত দেবে, তাকে হত্যা করবে তিনি ভাবতে পারেননি। কিন্তু আমরা দেখলাম, যারা আমাদের বাড়িতে প্রতিনিয়ত এসেছে, আমার মায়ের হাতের খাবার খেয়েছে। ১৫ আগস্ট তারাই ঘাতক হিসেবে হত্যাকাণ্ড চালালো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ আমলে দুর্ভিক্ষ লেগেই থাকত। দুর্ভিক্ষের সময় সেই ছোট্ট খোকা (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) তার বাবার ধানের গোলা খুলে দিয়ে গরিব মানুষকে সাহায্য করেছে। এভাবেই ছোটোবেলা থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে মানুষের প্রতি দরদ ও কর্তব্যবোধ জেগে উঠে। আমার দাদা-দাদি তার খোকাকে যেভাবে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে উৎসাহিত করেছেন, সেটিও বিরল ঘটনা।

তিনি বলেন, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট এবং তার লেখা বইগুলো নেতাকর্মীদের পড়া উচিত। তিনি অত্যন্ত সাদাসিদে জীবন-যাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা যেন নষ্ট না হয় তার জন্য শোক ব্যথা বুকে নিয়েও মানুষের পাশি আছি।

বিএনপি ইফতার পার্টি খায় আর আওয়ামী লীগের গিবত গায় বলে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি আহ্বান করেছিলাম, কোনো ইফতার পার্টি নয়। আমরা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করব। আমি ধন্যবাদ জানাই, আমাদের নেতাকর্মীদের তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে৷ সেই কোভিড ১৯ এর মতো। সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও সহযাগী সংগঠন, ইফতার বিলি করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা (বিএনপি) কাউকে ইফতার দেয় না। ইফতার পার্টি খায়। আল্লাহ রাসুলের নাম নিয়ে ইফতার পার্টি খায় আর আওয়ামী লীগের গিবত গায়।

সরকারপ্রধান বলেন, আওয়ামী লীগের অপরাধ কী? এই দেশ স্বাধীন করেছে, গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এটা অপরাধ? দেশটাকে উন্নত করছে এটা অপরাধ?

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এক সময় দেশের মানুষ ‘ভাতের ভ্যান’ ভাতের মার খেত। লবণ দিয়ে ভাতের মাড় খেতেও মানুষকে হিমশিম খেতে হতো। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে ভাতের কষ্ট মানুষের নাই।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেন, অ্যাড. কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, ডা. দীপু মণি, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেরিনা জাহান কবিতা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।