শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬

হৃতিক থেকে বিপাশার স্বামী, সুরভির প্রেম নিয়ে যত কানাঘুষা

ভারতীয় টিভি ও চলচ্চিত্রাভিনেত্রী সুরভি জ্যোতি। ১৯৮৮ সালের ২৯ মে পাঞ্জাবের জালন্ধরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জালন্ধরে বাবা-মা, ভাইয়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। সেখান থেকে স্কুল-কলেজের পড়াশোনা শেষ করেন সুরভি। পরবর্তীতে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ইংরেজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন সুরভি।

রেডিও জকি হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন সুরভি। পাশাপাশি মঞ্চে নাটকও করেন। ২০১০ সালে পাঞ্জাবি সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন সুরভি। ‘ইক কুরি পাঞ্জাব দি’, ‘রাওলা পে গয়া’, ‘মুন্ডে পটিয়ালা দে’ শিরোনামে পাঞ্জাবি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। পাঞ্জাবি ভাষার টিভি ধারাবাহিকেও অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। ‘আঁখিয়া তো দূর যায়ে না’, ‘কাচ দিয়া ওয়াঙ্গা’ নামে দু’টি পাঞ্জাবি ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছেন।

ছোট পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে পাঞ্জাব ছেড়ে মুম্বাই পাড়ি জমান সুরভি। ২০১২ সালে ‘কবুল হ্যায়’ নামে একটি হিন্দি ধারাবাহিকের জন্য অডিশন দিয়ে কাজের সুযোগ পান। ধারাবাহিকটি প্রায় চার বছর টিভিতে প্রচার হয়। এতে পাঁচটি চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

গুঞ্জন রয়েছে, পাঞ্জাবি অভিনেতা-গায়ক জোরাবার সিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সুরভি। কিন্তু অভিনেত্রী পাঞ্জাব ছেড়ে মুম্বাই চলে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। শোনা যায়, এই দূরত্বের কারণে নাকি দুই তারকার বিচ্ছেদ হয়।

‘কবুল হ্যায়’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন অভিনেতা বরুণ তুর্কির সঙ্গে পরিচয় হয় সুরভির। পেশাগত সূত্রে পরিচয় হলেও দু’জনের মধ্যে বন্ধুত্ব বাড়তে থাকে। অধিকাংশ সময় তাদের একসঙ্গে দেখা যেত। এমনকি তাদের একসঙ্গে তোলা ছবিও মাঝেমধ্যে সমাজিক যোগযোগমাধ্যমে পোস্ট করতেন এই দুই তারকা। এসময় গুঞ্জন চাউর হয়, জোরাবারের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সহ-অভিনেতা বরুণের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন সুরভি। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানান, বরুণের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক নেই।

‘কবুল হ্যায়’ ধারাবাহিকে সুরভির সঙ্গে করণ সিংহ গ্রোভারের জুটি পছন্দ করেছিলেন দর্শক। বিপাশা বসুর স্বামী করণের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছেন সুরভি, তেমনি ব্যক্তিগত জীবনে করণের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর গুঞ্জনে খবরে উঠে আসেন এই নায়িকা।

এক সাক্ষাৎকারে করণের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সুরভিকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার আর করণের কোনো সম্পর্ক নেই। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। করণকেও এই বিষয়ে জানিয়েছিলাম।’ এ বিষয়ে সুরভিকে করণ বলেছিলেন, ‘বিনোদনজগতে তোমাকে স্বাগত জানাই। এখানে এসব চলতেই থাকে।’

‘কবুল হ্যায়’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তার পর ‘ইশকবাজ’, ‘কোয়ি লওট কে আয়া হ্যায়’, ‘নাগিন থ্রি’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন সুরভি। ‘নাগিন’ ধারাবাহিকের সহ-অভিনেতা পার্ল ভি পুরির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর গুঞ্জনও চাউর হয়েছিল। কিন্তু বরাবরের মতো এ অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন— তারা ডেট করছেন না। সবই রটনা।

‘পবিত্র রিস্তা’ ধারাবাহিকের অভিনেতা হৃতিক ধঞ্জানির সঙ্গেও নাম জড়িয়েছে সুরভির। একসঙ্গে ইস্তাম্বুলে ঘুরতে গিয়েছিলেন তারা। শুধু তাই নয়, বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশানের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল সুরভির। কিন্তু অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, হৃতিকের সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হচ্ছেন নাঈমুল ইসলাম খান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের এমিরেটাস এডিটর মো. নাঈমুল ইসলাম খান।

গত ২৮ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের এমিরেটাস এডিটর মো. নাঈমুল ইসলাম খানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল পর্যন্ত অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে সচিব পদমর্যাদায় নির্ধারিত বেতন ও সরকারি অন্যান্য সুবিধাদিসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদানের বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।

এমতাবস্থায় মো. নাঈমুল ইসলাম খানকে সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমের মৃত্যুর পর থেকেই এই পদটি শূণ্য ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করলে নাঈমুল ইসলাম খানের নিয়োগ চূড়ান্ত হবে।

মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার বাংলাদেশি

মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, বন্ধ হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। শুক্রবারের (৩১ মে) পর থেকে আর কোনো বাংলাদেশি শ্রমিক প্রবেশ করতে পারবে না মালয়েশিয়ায়।

এতে অপেক্ষমাণ কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুয়ালালামপুরের দুটি আন্তর্জাতিক টার্মিনালে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পৌঁছেছেন, যারা দেশটিতে প্রবেশ করতে পারেননি। তারা অবস্থান করছেন বিমানবন্দরের ফ্লোরে। এতে দুর্ভোগ বাড়ছে কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের। নিজেদের কর্মী শনাক্তে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়োগকর্তাদের। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে কর্মীদের।

বিজ্ঞাপন

এদিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে দৈনিক বিদেশি কর্মীদের আগমন হয় ৫০০ থেকে ১ হাজার। কিন্তু ২২ মে থেকে আগমনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত ও যানজট নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

একটি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার কর্মীর বাংলাদেশ থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যু হয়েছে। কর্মী প্রবেশের সময় আর মাত্র একদিন বাকি থাকায় বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীরা উল্টো পথে দুবাই, কাতার, চীন, হংকং, সিংগাপুর, ইন্দোনেশিয়া হয়ে স্রোতের মতো দেশটিতে ঢুকছেন।

এরই মধ্যে অনেকের অভিযোগ, টিকিটের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিন্ডিকেট চক্র মালয়েশিয়ার ৩০ হাজার টাকার ওয়ানওয়ে টিকিটের দাম এখন ৯৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছে। এভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চক্রটি।

নির্ধারিত ১০০ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে এফডব্লিউ সিএমএস প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের দেশটিতে প্রবেশের সবশেষ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয় ৩১ মে। এর ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের ৩১ মের মধ্যে দেশটিতে প্রবেশের হিড়িক পড়েছে।

এ নিয়ে প্রবাসী কমিউনিটি নেতা রাশেদ বাদল বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জন্য অন্যতম বড় শ্রমবাজার হওয়ায় এ সিদ্ধান্তের ফলে আমাদের বিরাট ক্ষতি হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়া ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক প্রবাসী বলেন, সিন্ডিকেট চক্রের অনিয়ম দুর্নীতি এবং অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের কারণে ৩১ মের পর থেকে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দালালদের হাত বদল হয়ে প্রায় চার থেকে ৫ লাখ টাকা ব্যয় করে কর্মীরা দেশটিতে যাচ্ছে।

বায়রার যুগ্ম মহাসচিব মো. ফখরুল ইসলাম ফোনে আলাপকালে বলেন, প্রায় ১০ লাখ কর্মীর মেডিকেল করেও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটিতে প্রবেশের সময় বৃদ্ধি না হলে প্রায় ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া গমনে অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হলে কোনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যাতে কর্মী নিয়োগ না হয় সে ব্যাপারে প্রবাসী মন্ত্রণালয়কে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।

টিকিট সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নিয়ে ব্যবসায়ী দাতুশ্রী কামরুজ্জামান কামাল বলেন, মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের টিকিট কয়েকটি এয়ারলাইন্স গতকাল থেকে অস্বাভাবিক বাড়িয়েছে। ৩০ হাজার টাকার টিকিট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করছে। এটা বিদেশগামী কর্মীদের ওপর মারাত্মক জুলুম।

তিনি বলেন, ইউএস-বাংলা ১ লাখ ২ হাজার টাকায় বিক্রি করছে। এটা ডাকাতি ছাড়া কিছু নয়।

২০২৫ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার মোট শ্রমিকের ১৫ শতাংশ অন্যান্য দেশ থেকে আগতদের জন্য নির্ধারিত করে দেশটির সরকার। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ পর্যন্ত দেশটিতে ২০ লাখ বিদেশি শ্রমিক কাজ করছেন।

যে দু’জন বিশ্বকাপের সেরা ব্যাটার-বোলার হবেন

আর মাত্র একদিন। এরপরই মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জমজমাট আসর। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট হবে কোন চার দল, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই।

এবার বিশ্বকাপের সেরা ব্যাটার-বোলার নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং। আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়ে দিলেন, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের মালিক হতে পারেন তার স্বদেশি ট্রাভিস হেড। বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট দখলে থাকতে পারে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহর, বলছেন অসিদের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।

ট্রাভিস হেড এবারের আইপিএলে ৫৬৭ রান করে অরেঞ্জ ক্যাপের তালিকায় চতুর্থ স্থানে ছিলেন। তাকে নিয়ে পন্টিং বলেন, ‘আমার মতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের মালিক হতে পারে ট্রাভিস হেড। শেষ কয়েক বছর ধরে, লাল বলে হোক বা সাদা বলে, সুযোগ পেলেই অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে হেড। আর এই মূহূর্তে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলছে ও।’

‘আইপিএলে ওঠানামা গেছে, কিন্তু ছন্দে থাকলেই ও দলকে জিতিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রেও সেটা হবে। হয়তো ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরমেন্স নাও করতে পারে, তবে আমার মনে হয় ও সর্বোচ্চ রানের মালিক হিসেবে প্রতিযোগিতা শেষ করবে। উইকেটে টিকে থাকলেই ও দলকে জেতাতে পারবে।’

এদিকে বিশ্বকাপের সেরা বোলার হিসেবে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহকে নিয়ে বাজি পন্টিংয়ের। তিনি বলেন, ‘আমার মতে এই প্রতিযোগিতায় সব চেয়ে বেশি উইকেট পাবে জাসপ্রিত বুমরাহ। অসাধারণ পারফর্ম করে আসছে ভারতের হয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে। আর আইপিএলেও দুরন্ত ছন্দে ছিল।’

পন্টিং যোগ করেন, ‘নতুন বলের ক্ষেত্রে বুমরাহ অনেক কিছু পারে, সুইং করানোর বৈচিত্র্য রয়েছে ওর মধ্যে। আইপিএলে ৭ রানেরও কম ইকোনমি ছিল। ও স্লগ ওভারে বোলিং করে, উইকেট নেয়। আর ডেথ ওভারে বোলিং করলে উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাই আমার মতে বুমরাহ সর্বোচ্চ উইকেট পাবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।’

‘গদর ২’ অভিনেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

বলিউড অভিনেতা সানি দেওল। এই অভিনেতার সিনেমা ‘গদর ২’-এর সাফল্যের পর বেশ কিছু বড় বাজেটের ছবির প্রস্তাবও রয়েছে তাঁর হাত। এর মাঝেই অভিনেতার নামে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন বলিউড প্রযোজক সৌরভ গুপ্ত। তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

প্রযোজক দাবি করেছেন, সানি দেওল তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। ছবি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবু কথা রাখেননি। সানির সঙ্গে প্রযোজকের চার কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। তার মধ্যে ২ কোটি টাকা অগ্রিমও দিয়েছিলেন। এর মাঝেই অভিনেতা অন্য একটি ছবির কাজে হাতে দিয়ে বসেন।

সৌরভ বলেন, ‘‘সানি আামাকে চাপ দিয়ে আরও আড়াই কোটি টাকা নেন। একজন পরিচালক ঠিক করা হয়। তাঁকে টাকা দেওয়া হয়। শুটিংয়ের জন্য ফিল্মিস্তান স্টুডিও ভাড়া করা হয়। ’’

তবে এত কিছু পর যখন চুক্তিপত্র দেখেন প্রযোজক, ততক্ষণে সানি নাকি জালিয়াতি করে চুক্তিপত্রে টাকার অঙ্ক বদলে দিয়ে ৪ কোটিকে ৮ কোটি করে দেন। তবে সৌরভ একা নন, ‘জানোয়ার’ ও ‘আন্দাজ’ ছবির প্রযোজক সুনীল দর্শনের সঙ্গেও নাকি একই ঘটনা ঘটান অভিনেতা। যদিও এই প্রসঙ্গে অভিনেতার তরফে কোনও বিবৃতি মেলেনি।

গত বছরের মাঝামাঝি সময় মুক্তি পায় সানি দেওল অভিনীত ‘গদর ২’। বক্স অফিসে ৫০০ কোটির বেশি ব্যবসা করে এই ছবি।

স্মার্ট প্রজন্মের জন্য মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়তে হবে : জেলা প্রশাসক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক মো: সহিদুজ্জামান বলেছেন, সরকার জাতির পিতার দর্শনকে মাথায় রেখে তরুণদেরকে যুগোপযোগী এবং তথ্যপ্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন মানসিকতায় বিকশিত করতে চাই। সেজন্য স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন প্রসারিত করছেন সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাার এই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিতে হলে তরুণদের মধ্য থেকে মাদকের বিপরীতে সৃজনশীরতার অনুশীলন বাড়াতে হবে। স্মার্ট প্রজন্মের জন্য মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ার কোনই বিকল্প নেই।

তিনি বুধবার বিকেলে মাদকদ্রব্যের ভয়াবহতা রোধকল্পে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাদকবিরোধী সেমিনারে এসব কথা বলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সহকারী পরিচালক একেএম দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: সহিদুজ্জামান।

এতে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম(বার), জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবির, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: জসিম উদ্দিন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাফিজা আইরীন, বিআরটিএ’র মোটরযান পরিদর্শক কাওসার হোসেন, জেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সুদর্শন দত্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় এনজিও ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অংশগ্রহণ বক্তারা জেলায় মাদকদ্রব্যের ভয়াবহতা রোধকল্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও প্রচারণা কমিটির সমম্বয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।

গাজীপুর জেলায় ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু

সরকারের অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ পরিকল্পনার আওতায় গাজীপুর জেলার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এনসিডি কর্ণার কে ডিজিটালাইজ করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (এনসিডিসি) প্রোগ্রামের সহায়তায় একটি গবেষণা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

উক্ত গবেষণা কার্যক্রম এর ওরিয়েন্টেশন সভা গত ২৯ মে ২০২৪ তারিখে গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। এই গবেষণা প্রকল্পটির মাধ্যমে গাজীপুর জেলার গ্রামে বসবাসকারী সকল প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নির্ণয় এবং ডব্লিউ এইচ ও পেন প্রোটোকল অনুসারে তার সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। এবং বর্তমান সরকারের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার রেফারেল পদ্ধতিকে জোরদার করা হবে।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মাহমুদা আক্তার, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এনসিডিসি প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডাঃ মোঃ রোবেদ আমিন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রোগ্রাম ম্যানেজার-১ ডাঃ নুরুল ইসলাম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারগণ। এই গবেষণা কার্যক্রমটির প্রধান গবেষক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সাইন্সেস এর অসংক্রামক রোগ বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মিথিলা ফারুক।

এবিএন/অমিত বনিক/জসিম/গালিব

সরকার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে : ভূমিমন্ত্রী

সরকারের ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপকূলীয় অঞ্চলে জীবনযাপন কঠিন করে তুলছে। যদিও দুর্যোগ প্রশমনে সরকারের উদ্যোগ এবং আন্তরিকতার কোন অভাব নেই। ইতোমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলসহ দুর্যোগ প্রবণ এলাকার জন্য সরকার দুর্যোগ প্রতিরোধে নানামূখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অতিতের চেয়ে অনেকাংশে কমে এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর আঘাতে যেসব স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে পোল্ডারের ভিতরে প্লাবিত হয়েছে এর বেশির ভাগ বাঁধ দুর্বল ছিল বলে জানা গেছে। কেন দুর্বল ছিল এবং কেন মজবুত করা যায়নি সেটি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি পানি উন্নয়ন কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের নামে কোন বাঁধ নির্মাণ কাজ আটকিয়ে রাখা যাবে না। সরকার এখন ভূমি অধিগ্রহণে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি মূল্য দেয়।

তিনি বুধবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর আঘাতে পাইকগাছা উপজেলার দেলুটী ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত তেলিখালী এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে ফুলবাড়ী বাজারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র বলেন, দেলুটীর ২ নং পোল্ডার কৃষিতে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এলাকা। এখানে লবণ পানি ওঠানো হয় না। কৃষি ফসল হয়, সবুজে ভরা গাছ-পালা, গবাদি পশু ও মিষ্টি পানির মাছ চাষ করে এখানকার মানুষ সুন্দর জীবন যাপন করতো। এখান থেকে বছরে কোটি কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হয়। দুর্যোগ এখানকার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে থাকবে। অর্থের কারণে বাঁধ মেরামত কাজ আটকে থাকবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ সম্পর্কে অবহিত আছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। দ্রুত মেরামত এবং মজবুত বাঁধ যাতে হয় সে ব্যাপারে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এমপি রশীদুজ্জামান ভূমি মন্ত্রীর মাধ্যমে দ্রুত বাঁধ মেরামত, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লবণ পানি নিষ্কসন ও দুর্গত মানুষকে যতদ্রুত সম্ভব তাদের ঘরে ফিরিয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত কুমার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পিতান কুমার মন্ডল, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাস, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, জনস্বাস্থ্যের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহাদাৎ হুসাইন, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন ও দেলুটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্মল মন্ডল।

কয়রায় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

গত ২৬ মে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রা সদর এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিবুর রহমান। এ উপলক্ষে গত বুধবার দুপুর ১২টায় তিনি হেলিকপ্টারযোগে কয়রার কপোতাক্ষ কলেজ মাঠে অবতরণ করেন।

দুপুর ১টায় প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিদর্শন শেষে কপোতাক্ষ কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান, ভোলা-৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব, ত্রান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ কামরুল হাসান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফিন, পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম তারিক উজ-জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মামুনার রশিদ। প্রধান অতিথি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের মানুষের সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণ করা সহ উপকূলের রাস্তাঘাট সংস্কার জরুরী ভিত্তিতে করা হবে। পরে রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের হাতে প্রতিমন্ত্রী ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর নির্মাণ করে দেওয়াসহ যা যা প্রয়োজন সব করে দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ শেষে আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা আছে বলেই দেশে উন্নতি হচ্ছে। ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার। আর ধারাবাহিক গণতন্ত্র আছে বলেই দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরেছে সরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এসেছে বলেই এই উপকূলীয় অঞ্চলে শান্তি এসেছে। অনেকেই ক্ষমতায় ছিল কিন্তু কেউ তা পারেনি। এই অঞ্চলের বাংলাদেশের কেউ ভূমিহীন থাকবে না। উপকূলীয় অঞ্চলে সবাইকে ঘর করে দিয়েছি। ঘূর্ণিঝড়ে আমাদের দেওয়া কোনো বাড়ি নষ্ট হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট-বাঁধ মেরামত শুরু হয়ে গেছে। আমরা উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেবে। যাতে কোনো দুর্যোগে সেগুলো নষ্ট না হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দল ও সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে। সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার। অতীতে এমন দুর্যোগ হয়েছে কিন্তু কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। দুর্যোগ আসবেই কিন্তু তা মোকাবিলা করে টিকে থাকার সামর্থ অর্জন করতে হবে। সেটাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে সমসময় মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকদের ক্ষতিপূরণে সার-বীজসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। ভেঙে যাওয়া বাঁধ ও ঘরবাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেওয়া হবে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল কবলিত এলাকা পরিদর্শনে বেলা পৌনে ১২টার দিকে পটুয়াখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে গিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মে রাত থেকে ২৭ মে শেষ রাত পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় রিমাল। এর প্রভাবে ঝড়, বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসে দেশের বিভিন্ন জেলার মতো উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

পটুয়াখালী জেলায় ৩ লাখ ২৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ২৩৫টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ১ হাজার ৮৬৫টি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষি খাতে ২৬ কোটি টাকা এবং মৎস্য খাতে ২৮ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়।