শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬

উগান্ডাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু আফগানিস্তানের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নবাগত উগান্ডা পাত্তাই পেল না আফগানিস্তানের কাছে। আগে ব্যাট করে বড় সংগ্রহই গড়ে আফগানরা। পরে তাদের পেসার ফজলহক ফারুকি ও অন্য বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আফ্রিকান দলটির ব্যাটাররা। আর তাতে বিশাল জয় দিয়ে আসর শুরু করল আফগানরা।

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আজ গ্রুপ ‘সি’-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১২৫ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। রানের হিসাবে এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বোচ্চ জয়। আগে ব্যাট করে দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরানের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। জবাবে ১৬ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করলেও সব উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৮ রান তুলতে পারে উগান্ডা। সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার দিক থেকে এটি বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বনিম্ন।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা আফগানরা দুই ওপেনারের ব্যাটেই তুলে ফেলে ১৫৪ রান। গুরবাজ ও জাদরান যেভাবে ব্যাট করছিলেন, তাতে আফগানদের দুইশ পার ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ১৫তম ওভারে উগান্ডার অধিনায়ক ও লেগ স্পিনার ব্রায়ান মাসাবা বিদায় করেন জাদরানকে। ৪৬ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৭০ রান করা জাদরান ফিরেছেন সরাসরি বোল্ড হয়ে।

পরের ওভারেই ফেরেন গুরবাজও। উগান্ডার বোলার আলপেশ রামজানির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৪৫ বলে ৭৬ রান করেছেন গুরবাজ; হাঁকিয়েছেন ৪টি করে ছক্কা ও চার। তবে এরপর অদ্ভুতভাবে রানের চাকার গতি কমে যায় আফগানিস্তানের। উইকেটও পড়ে নিয়মিত বিরতিতে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ নবি। বাকিরা দুই অঙ্কও ছুঁতে পারেননি। ফলে দুইশ থেকে অনেকটা দূরেই থামে তাদের ইনিংস।

তবে বোলিংয়ের শেষদিকে সাফল্য পেলেও উগান্ডার আসল দুর্বলতা প্রকাশ পায় ব্যাটিংয়ে। আফগান পেসারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি কেউ। প্রথম ওভারেই তাদের জোড়া ধাক্কা দেন ফারুকি। পর পর দুই বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জানিয়েছিলেন তিনি। সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি উগান্ডা। টানা উইকেট পতনে একসময় ১৮ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। ইনিংসের তখন কেবল চতুর্থ ওভার।

পঞ্চম উইকেট পতনের পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে উগান্ডা। ক্রিজ কামড়ে পড়ে থাকেন রিয়াজাত আলী শাহ ও রবিনসন ওবুয়া। কিন্তু রান তুলতে পারছিলেন না তারা। যদিও দুজনেই কোনোমতে দুই অঙ্কে পৌছান। এর মধ্যে রিয়াজাত গড়েছেন টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম স্ট্রাইক রেটের ইনিংস খেলার রেকর্ড। কমপক্ষে ২৫ বল খেলে সর্বনিম্ন স্ট্রাইক রেট এখন রিয়াজাতের (৩৪ বলে ১১ রান, স্ট্রাইক রেট ৩২.৩৫।

রিয়াজাত ও রবিনসনের প্রতিরোধ ভাঙে ১৩তম ওভারে। যেখানে প্রথম বলেই রিয়াজাত ও পরের বলে মাসাবাকে ফিরিয়ে ফের একবার হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন ফারুকি। তবে এবারও হয়নি। কিন্তু ওভারের শেষ বলে রবিনসনকে বিদায় করেন ফারুকি। শেষ পর্যন্ত ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যা চতুর্থ সেরা বোলিং ফিগার। বল হাতে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আফগানিস্তানের নাভিন-উল-হক ও রশিদ খান। বাকি উইকেট মুজিব উর রহমানের।

গাজায় ইসরায়েলি হামলা, ৪ জিম্মির মৃত্যু

গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের সময় হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্য হতে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

বর্তমানে তাদের মরদেহ হামাসের জিম্মায় র‍য়েছে।

নিহত চারজন হলেন ব্রিটিশ–ইসরায়েলি নাদাভ পোপেলওয়েল (৫১), চেইম পেরি (৭৯), ইয়োরাম মেতজার (৮০) এবং আমিরাম কুপার (৮৫)।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে সংগ্রহ করা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই চার ব্যক্তির মৃত্যুর খবর জানা গেছে।

গত মাসে হামাস জানিয়েছিল, গাজায় গত এপ্রিলে ইসরায়েলি হামলায় নাদাভ পোপেলওয়েল নামে এক জিম্মির মৃত্যু হয়েছে। ওই সময় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, হামাসের এমন দাবি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদিও পরে আর কখনোই ব্রিটিশ–ইসরায়েলি নাদাভ পোপেলওয়েলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানানো হয়নি।

নাদাভসহ বাকি তিনজনকে গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজার পাশের কিবুতজেস এলাকা থেকে জিম্মি করেছিল হামাস। খবর বিবিসি

জিম্মি এবং নিখোঁজদের পরিবার ফোরাম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই মৃত্যুর খবর শোনার পর প্রত্যেক নেতাকে গভীর আত্মা-অনুসন্ধান করা উচিত। চাইম, ইয়োরাম, আমিরাম এবং নাদাভকে জীবিত অপহরণ করা হয়েছিল, তারা অন্য জিম্মিদের সঙ্গে ছিল যারা আগের চুক্তিতে মুক্তি পেয়েছিল। এই চার জনেরও তাদের দেশে এবং তাদের পরিবারের কাছে জীবিত ফিরে আসা উচিত ছিল।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ক্যামেরন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এক পোস্টে বলেছেন, তিনি নাদাভ পপলওয়েলের মৃত্যুর কথা শুনে অত্যন্ত ব্যথিত, এই ভয়ঙ্কর সময়ে তিনি নাদাভের প্রিয়জনদের সমব্যথী।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ ঘেছে ৩৬ হাজারের বেশি মানুষের।

জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন চা কোম্পানি/ব্যক্তিকে ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৪’ দেবেন সরকারপ্রধান। এরপর চা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চা মেলা পরিদর্শন করবেন তিনি।

দেশে চতুর্থবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য- ‘চা দিবসের সংকল্প, শ্রমিকবান্ধব চা শিল্প।’

গত সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সম্মেলন কক্ষে জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম জানান, চা শিল্প টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি দেশে প্রায় ১.০৪ মিলিয়ন কেজি চা রফতানি করা হয়েছে, যা গত বছরের প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী চা তৈরিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

দীর্ঘ লড়াই শেষে না ফেরার দেশে অভিনেত্রী সীমানা

অবশেষে অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবনী সীমানার ১৪ দিনের দীর্ঘ লড়াই শেষ হলো। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় মাত্র ৩৯ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। মৃত্যুকালে স্বামী, দুই ছেলে রেখে গেছেন সীমানা।

গত ২১ মে রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সীমানা। সেদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে দ্রুত ধানমন্ডির বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে জানতে পারেন, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরদিন আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য সীমানাকে ধানমন্ডির আরেকটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গেল কয়েকদিন সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত শনিবার এই হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়। গত বুধবার বিকেল থেকে সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সীমানার শারীরিক অবস্থা প্রতিনিয়ত অবনতি হয়েছে। শুরুর দিকে তাকে আইসিইউতে রাখা হলেও বুধবার থেকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনার পর পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। গতকাল রোববার সীমানার ভাই এজাজ বিন আলী জানান, তার অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। আজ সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সীমানা চলে যান না ফেরার দেশে।

২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন সীমানা। এরপর থেকে তিনি নাটক, বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করেন। দেখা গেছে, তৌকীর আহমেদ পরিচালিত বহুল প্রশংসিত ছবি ‘দারুচিনি দ্বীপ’ এর মতো সিনেমাতেও। কিন্তু হঠাৎ ২০১৬ সাল থেকে অভিনয়ে বিরতি। পরে জানা যায়, মা হওয়ার জন্যই এই বিরতি। দুবার মা হওয়ার কারণে তার এই দীর্ঘ বিরতি। বিরতি ভেঙে গত বছর আবার নাটকে অভিনয় শুরু করেন। সীমানার দুই সন্তান। বড় সন্তান শ্রেষ্ঠর বয়স আট, আর ছোট সন্তান স্বর্গ তিন বছর বয়সী।

দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো থেমে নেই : সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও অনেকেই দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। কিন্তু আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। একই সাথে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলার সাথে প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

রোববার ঢাকার তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ঢাকা জেলা পরিষদ আয়োজিত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে সালমান এফ রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে আপনারা দেশ স্বাধীন করেছেন, একমাত্র আপনাদের জন্যই আজ স্বাধীনতার লাল সবুজের পতাকা পেয়েছি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস অসম্পূর্ণ। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের ইতিহাসের অংশ। তাদের কারণেই আজ আমরা স্বাধীন দেশের গর্বিত নাগরিক। পরে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপস্থিত থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে যেভাবে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছি, ঠিক একইভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত হয়ে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রকে রুখে দিতে হবে। যুদ্ধাপরাধীরা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য কলঙ্ক। এই কলঙ্ককে মুছে ফেলতে না পারলে আগামী প্রজন্মকে এর খেসারত দিতে হবে।

বক্তরা নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠান শেষে ঢাকা জেলা পরিষদ হতে ঢাকা জেলার ২০০ মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞা না থাকলে বেনজীর যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিষয়ে কোর্ট বা দুদকের দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায়, তিনি চাইলে যেকোনো জায়গায় যেতেই পারেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ সোমবার (৩ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এন্টিগা ও নিউইয়র্ক সফর পরবর্তী মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার (বেনজীর) দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। আদালতও দেয়নি, দুদকও দেয়নি। কারও ওপর যখন দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তিনি যেকোনো জায়গায় যেতেই পারেন।

আগামী ৬ জুন দুদকের বেনজীরের হাজিরার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ জুন তিনি হাজির হচ্ছেন কি হচ্ছেন না, সেটা দেখার বিষয়, নাকি তিনি সময় নিচ্ছেন।

বেনজীর-আজিজ এ সরকারের সৃষ্টি বলে বিএনপির অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছে। সরকারের কোনো হাত নেই বিধায় দুদক অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে স্বাধীনভাবে কাজ করছে, যার কারণে বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, আদালত অত্যন্ত স্বাধীনভাবে কাজ করছে বিধায় এই বিষয়গুলো উঠে এসেছে। এটা তো অন্য কেউ তুলে আনেনি। সরকার এ ব্যাপারে অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং সরকারের অবস্থান অত্যন্ত পরিস্কার।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী মিশন নিয়ে ডয়চে ভেলের সাম্প্রতিক তথ্যচিত্রের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনের সারমর্ম বোঝা বড় মুশকিল। কোনো তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়নি। মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিবেদন করা হয়েছে জাতিসংঘে আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অবদানকে খাটো করতে।

মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা শ্রমিকদের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে সময়টাকে বর্ধিত করার জন্য। ৩১ মে পর্যন্ত যে ডেডলাইন ছিল, সেটা যেন বর্ধিত করা হয়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কাদের গাফিলতি ছিল, সেটিও তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চেষ্টা করছি, মালয়েশিয়া যে ডেডলাইন ইমপোজ করেছে, সেটি যেন আরও কিছুদিন বাড়ানো হয়।

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সঙ্গে বিএনপির গভীর বন্ধন রয়েছে : কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী উগ্রসাম্প্রদায়িক অপশক্তি জামায়াত সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যে এ কথা আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা যেখানেই যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতসহ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সঙ্গে বিএনপির গভীর বন্ধন রয়েছে।

আজ সোমবার (৩ জুন) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অযৌক্তিক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ বক্তব্য নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ওবায়দুল কাদের।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান এদেশে স্বাধীনতাবিরোধী উগ্রসাম্প্রদায়িক অপশক্তির রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবেই বিএনপির সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী এই অপশক্তির গভীর আঁতাত ও সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা তাদের প্রতি এক ধরনের দায়বদ্ধতা অনুভব করে এবং সর্বদা পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে থাকে। স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির রাজনীতির সামাজিক বৈধতা ও স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠায় বিএনপি বরাবরই প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিএনপির রাজনীতি এই চক্রেই আবর্তিত। তারা স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে নিজেদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী উগ্রসাম্প্রদায়িক অপশক্তি জামাত সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যে এ কথা আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা যেখানেই যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতসহ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সঙ্গে বিএনপির গভীর বন্ধন রয়েছে। জামায়াত নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা সুস্পষ্টভাবে অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক। জামায়াতের রাজনীতি বাংলাদেশের মূল চেতনা, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধের পরিপন্থি। রাজনীতির এ ধারা বার বার দেশবিরোধী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক কখনোই ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের আখরে রচিত পবিত্র সংবিধান ও রাষ্ট্রের মৌলিক চেতনাবিরোধী এই রাজনীতিকে কোনোভাবেই স্বীকৃতি দিতে পারে না। যাদের রাজনীতি দেশের ভিত্তিমূলে আঘাত হানে তাদের কৌশলও কখনো বিজ্ঞানসম্মত বা যৌক্তিক হতে পারে না। মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে প্রগতিশীলতার মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে রাখা তার আসল চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। একই সঙ্গে তার বক্তব্যে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার দুরভিসন্ধি প্রকাশিত হয়েছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শের ভিত্তিতে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শবিরোধী কোনো রাজনৈতিক অপশক্তিকে আওয়ামী লীগ

কখনো স্বীকৃতি দেয়নি— ভবিষ্যতেও দেবে না।

রাফা ক্রসিং থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার চায় মিসর

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তের রাফা ক্রসিং দিয়ে ফের তৎপরতা শুরু করার জন্য এর ফিলিস্তিনি পাশ থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার চায় মিসর।

রোববার কায়রোতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মিসরের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে, এই বৈঠকে মিশর নিজেদের দাবিতে অনড় ছিল বলে দেশটির দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

মে মাসে রাফা শহরে আক্রমণ শুরু করার সময় ইসরায়েল এই ক্রসিংটির ফিলিস্তিনি পাশটি দখল করে নেয়, পরে তারা গাজার সঙ্গে মিশরের পুরো সীমান্ত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এতে ক্ষুব্ধ মিসর এই গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংটিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধের হুমকি দেয়।

মিসরের ওই দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ক্রসিংটি ফের চালুর বিষয়ে কোনো চুক্তি না হলেও রোববারের বৈঠকটি ইতিবাচক ছিল।

বৈঠকে মিসরের প্রতিনিধিরা বলেছেন, যদি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কাজ ফের শুরু করতে রাজি হয় তবে তাদের কার্যক্রম তদারকি করার জন্য সীমান্তটি ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এর জবাবে ইসরায়েলি ও মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাফা ক্রসিংয়ের কার্যক্রমের বাধাগুলো অপসারণে তারা দ্রুত কাজ করবেন।

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা নিয়ে মিসর ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, ২৯ মে-তে তারা গাজা-মিসর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্পন্ন করেছে।

হামাসের বিরুদ্ধে অভিযানের কথা বলে ইসরায়েল তিন সপ্তাহ আগে রাফা ক্রসিংয়ের গাজা অংশের নিয়ন্ত্রণ নিলে মিসরের সঙ্গে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। পরে রাফা সীমান্তে ইসরায়েল সেনাদের সঙ্গে গোলাগুলিতে মিসরীয় এক সেনা নিহত হয়।

মিসর বরাবরই ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিয়ে আসছে এবং গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে হাজারো বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির নিন্দা জানাচ্ছে।

২০০৬ সালে হামাস ক্ষমতায় আসার পর ইসরায়েলের মত মিসরও গাজা সীমান্ত বন্ধ রেখেছে। তবে হামাসের সঙ্গে যোগাযোগের পথ তারা খোলা রেখেছে এবং ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধবিরতির আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।

গাজায় ইসরায়েলের আগাসনের প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা প্রায় আট মাস ধরে চালানো এ হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। বর্বর এই আগ্রাসনের জেরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ।

এমন অবস্থায় পাকিস্তানে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। করাচিতে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী।

রোববার (২ জুন) বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানাতে রোববার পাকিস্তানের বন্দর নগরী করাচিতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করেছেন। দেশটির মূলধারার ধর্মীয় রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর (জেআই) আয়োজিত এই বিক্ষোভে হাজার হাজার নারী ও শিশুরাও অংশ নিয়েছিল।

মূলত ‘অল আইজ অন রাফাহ’ নামের বৈশ্বিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।

আনাদোলু বলছে, পাকিস্তানে বর্তমানে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। আর এই তাপপ্রবাহের মধ্যেই ফিলিস্তিনি পতাকা ও ব্যানার নিয়ে এবং ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে বিক্ষোভকারীরা বিকেল ৪টায় করাচির শাহরাহ-ই-ফয়সাল রোডে জড়ো হতে শুরু করেন।

প্রতিবাদ-বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা অনেকেই ফিলিস্তিনি স্কার্ফ ‘কেফিয়েহ’ পরেছিলেন। এ ছাড়া সেখানে রাস্তার ওপরে থাকা একটি ব্রিজে প্রদর্শিত প্রধান ব্যানারে ‘স্টপ জেনোসাইড ইন গাজা’ লেখা ছিল, অন্যটিতে লেখা ছিল ‘লাব্বাইক ইয়া আকসা’ (আকসা, আমরা এখানে) এবং ‘হামাসের প্রতিরোধ যুদ্ধের প্রতি স্যালুট’।

এ ছাড়া গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে যারা মারা গেছে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ৩০ মিটার লম্বা (প্রায় ১০০ ফুট) ফিলিস্তিনি পতাকা বহন করেন একদল তরুণ বিক্ষোভকারী। সমাবেশে বিপুলসংখ্যক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীও অংশ নেন।

আনাদোলু বলছে, প্রায় আট মাস ধরে গাজায় আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। অঅগ্রাসন শুরুর পর চলতি বছর পাকিস্তানের এই বাণিজ্যিক রাজধানীতে এ নিয়ে তৃতীয় বড় ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। এছাড়া ইসরায়েলের আক্রমণের পরে পাকিস্তানে অন্যান্য অঞ্চলেও ব্যাপক প্রতিবাদ-সমাবেশ দেখা গেছে।

পাকিস্তান জামায়াতের নবনির্বাচিত প্রধান হাফিজ নাঈম-উর-রেহমান তার ভাষণে বলেন, ‘ইসরায়েল মানবতাকে অপমান করছে। তার বাহিনী যেভাবে বোমাবর্ষণ করছে এমনকি সেইসব এলাকাতেও বোমাবর্ষণ করছে, যেগুলো নিজেরাই তথাকথিত নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে।’

তিনি ইসরায়েলের কাছে ‘সব ধরনের প্রাণঘাতী অস্ত্র’ সরবরাহ করে তেল আবিবকে রাফা আক্রমণ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘একদিকে, ওয়াশিংটন দাবি করছে- তারা যুদ্ধবিরতি চায় এবং অন্যদিকে, ইসরায়েলকে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র মারাত্মক অস্ত্র সরবরাহ করেই চলেছে।’

গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি এই আক্রমণের ফলে গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং আরও ৮২ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

তুফান আতঙ্কের মাঝেও থাকছে ‘ময়ূরাক্ষী’

কোরবানির ঈদে মুক্তির দৌড়ে ছিল এক ডজন চলচ্চিত্র। ভক্ত-দর্শকদের অনেকে ভেবেছিল শাকিব খান, আরিফিন শুভ, সিয়াম আহমেদ, শরিফুল রাজদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জমে উঠবে ঈদ। কিন্তু না, একে একে সরে দাঁড়াচ্ছে ছবিগুলো।

শুরুতে জানা গিয়েছিল শরিফুল রাজ অভিনীত ‘কবি’ ঈদের দৌড় থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।

এরপরই জানা গেল, আজমেরী হক বাঁধন অভিনীত ‘এশা মার্ডার—কর্মফল’ও আসবে না। পরশু জানা গেল সিয়াম আহমেদ অভিনীত ‘জংলি’ও পিছিয়ে যাচ্ছে। আরিফিন শুভ অভিনীত ‘নীলচক্র’ ঈদে আসবে কি না সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু জানা যায়নি।
এদিকে, শাকিব খান ও রায়হান রাফী জুটির ‘তুফান’-এর টিজার ও গান মুক্তির পর বেশ সাড়া পড়েছে।

অনেকে ভাবছেন, এই ছবির কারণে অন্যরা একে একে সরে পড়ছেন। তবে গতকাল জানা গেল, ‘ময়ূরাক্ষী’ থাকছে ঈদে। রাশিদ পলাশের ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ইয়ামিন হক ববি, সুদীপ বিশ্বাস দীপ, সুমিত সেনগুপ্ত প্রমুখ। এরই মধ্যে প্রযোজক সমিতিতে নিবন্ধনও করা হয়েছে ছবিটি।

পলাশ বলেন, ‘সাত মাস আগেই সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছি আমরা। ঈদের দৌড়ে যে ছবিগুলো আছে, বেশির ভাগের তো শুটিংই সম্পন্ন হয়নি। দুই মাস আগেই ঈদে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছি। সেভাবে প্রচার-প্রচারণাও শুরু করেছি। এই সপ্তাহে নতুন গান প্রকাশিত হবে।

সামনের সপ্তাহে আসবে ট্রেলার। আমরা হল মালিকদের সঙ্গেও আলোচনা করছি। দর্শকরা ঈদে ছবিটি দেখতে পারবেন বলে কথা দিলাম।’