শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬

ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি, কার্যকর ঈদের পর

ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সে মোতাবেক ঈদের পর থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংকের লেনদেন ও অফিস কার্যক্রম চলবে।

সূত্র জানিয়েছে, নতুন নিয়মে আগামী ১৯ জুন থেকে ব্যাংকগুলোর লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টায়, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর ব্যাংকগুলোর অফিস খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

আজ রোববার (৯ জুন) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন।

এতে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত অফিস সময়সূচির অনুবর্তনে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ১৯ জুন থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া কমাতে হবে : স্বতন্ত্র এমপি জাহেদী

ঝিনাইদহ-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেছেন, ব্যাংকিং উৎস থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। সরকার বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ কমে যায়। এতে শিল্প বাণিজ্যের অগ্রগতি বিঘ্নিত হয়। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় না।

রোববার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, ২০১৭-১৮ সালে ব্যাংকিং উৎস থেকে সরকার নিয়েছিল ১১ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। চলতি অর্থবছরে এই ঋণ ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা। এদিকে সরকারের দৃষ্টি দেওয়া দরকার। সরকারের উচিত ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ কম নিয়ে বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়তে দেওয়া।

কিশোরগঞ্জ থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রেখেছে সরকার। কালো টাকা সাদা করা নয়, বৈধ অপ্রদর্শিত আয় প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কর ৫ শতাংশ করলেও অসুবিধা নেই। কর যত কমানো হবে তত বেশি টাকা প্রদর্শিত হবে।

সোহরাব উদ্দিন বলেন, ১৫ শতাংশ কর অনেক বেশি। এই হারে অনেকে অপ্রদর্শিত আয় প্রদর্শন করবে না। ১৫ শতাংশ কর দিতে হলে অপ্রদর্শিত আয় কমাতে হবে। তাহলে অপ্রদর্শিত আয়ের প্রদর্শন বেশি হবে। রাষ্ট্রের ট্যাক্স আসবে। দেশে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে। এক্ষেত্রে আরও সুযোগ দেওয়া যায়। আগে এটি ছিল। ইন্ডাস্ট্রি করতে জমি, মেশিনারিজ কেনার ক্ষেত্রে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের রায় আপাতত বহাল থাকছে

সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন চেম্বার জজ আদালত। ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের আদেশটি আপাতত বহাল রইলো বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

তবে এ বিষয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী ৪ জুলাই পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি নিয়ে রোববার (৯ জুন) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে গত ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। এর ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে।

পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। রোববার (৯ জুন) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়। এর শুনানি নিয়েই হাইকোর্টের আদেশটি বহাল রাখেন চেম্বার আদালত।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সাতদিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর এ পরিপত্র জারি করা হয়।

তখন রিটকারীরা জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) বাতিল করে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে রাখা হয়েছে। যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।

ঢাকা মেডিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে যেন বৈষম্য-বিবাদ না হয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এখন থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার বা বক্তব্য দিতে পারবেন না। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের এমন নোটিশ জারির পর তাকে ডেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে যেন বৈষম্য বা বিবাদ না হয়।

আজ রোববার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা। সংলাপের সভাপতিত্ব করেন সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।

পরিচালকের এ নোটিশের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আজকে সকালে পরিচালককে ফোন করেছিলাম যে- কেন এরকম একটি ঘটনা হচ্ছে। আমার কাছে কিছু রং ইনফরমেশন আজ আসছে। পরিচালক আমাকে বললেন, স্যার আপনার সঙ্গে আমি দেখা করব। তিনি কিছুক্ষণ আগে আমার কাছে এসেছিলেন। আমি তাকে বলেছি, দেখেন- সাংবাদিকদের তাদের মতো কাজ করতে বলেন। এখানে যেন কোনোরকম বৈষম্য বা কোনোরকম বিবাদ না হয়। এটা আমি তাকে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি।

মন্ত্রী বলেন, তবে একটা কথা সত্যি আমি নিজেও ফেস করি। অনেক সময় দেখা যায় আমরা যখন রোগী দেখি…। আমার ক্ষেত্রে আমি অনেক সাংবাদিকদের সঙ্গে…। এত বড় বড় ম্যাসিভ ঘটনা বাংলাদেশ ঘটেছে, নিমতলী থেকে শুরু করে যেগুলো আমি ট্যাকেল করেছি।

সামন্ত লাল সেন বলেন, ওইটা একটু নিজেকে ইয়ে করে ট্যাকেল করতে হয়। সেটা আমিও তাকে (ঢামেক পরিচালক) বলেছি, এখানে যেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ না করা হয়। এটা আমি সকালে তাকে ডেকে বলে দিয়েছি।

তর্কাতর্কির পর উত্তেজিত হয়ে গুলি ছোড়েন কাওসার : ডিএমপি

রাজধানীর বারিধারায় ডিপ্লোম্যাটিক জোনে ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে ডিউটিরত কনস্টেবল মনিরুল হকের সঙ্গে কনস্টেবল কাওছার আলীর তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটে। তর্কাতর্কির পর উত্তেজিত হয়ে কনস্টেবল কাওছার ৮-৯ রাউন্ড গুলি ছোড়েন সহকর্মী মনিরুলকে উদ্দেশ্য করে।

তবে কী নিয়ে তর্ক ও কী কারণে কনস্টেবল কাওছার উত্তেজিত ছিলেন সে বিষয়ে এখনো জানাতে পারেনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তদন্ত করে সেটি বের করা হবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

রোববার (৯ জুন) দুপুরে ডিএমপি সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপ্স) ড. খ. মহিদ উদ্দিন।

তিনি বলেন, দুই পুলিশ সদস্যের মধ্যে বিরোধ ছিল- এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই। কাওছারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, কিন্তু বিরোধের কোনো তথ্য তার কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি অভিযুক্ত কাওছারের গত এক-দুই মাসের ডিউটির রেকর্ড দেখেছি। রেকর্ডে কাওছার যথাযথভাবেই ডিউটি করেছে।

‘গুলি করার আগে তদের মধ্যে কী বিষয় নিয়ে তর্ক হয়েছিল এখনো কনফার্ম হতে পারিনি আমরা। তদন্তে করে জানা যাবে’- যোগ করেন ড. মহিদ উদ্দিন।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে, অভিযুক্ত কনস্টেবল কাওছার আলী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। গুলি করেই তিনি হতভম্ব। এই কারণে বারবার বলছিলেন, ‘এটা কীভাবে হয়ে গেলো। আমি জানি না।’

‘অর্থাৎ নিজের সহকর্মীকে এ ধরনের ঘটনা ঘটার পর মাসনিকভাবে নার্ভাস থাকে। যে কারণে ঘটনা ঘটানোর পরও অস্ত্র রেখে কনস্টেবল কাওছার সেখানে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। কারণ তিনি স্ট্রেসটা নিতে পারছিলেন না। ঘটনার পর তিনি বুঝতে পেরেছেন হয়তো কত বড় অন্যায় ও অমানবিক কাজ করেছেন। হয়তো দু-একদিন গেলে বোঝা যাবে গুলি করার কারণ।’

অতিরিক্ত ডিউটির কারণে কনস্টেবল কাওছার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. খ. মহিদ বলেন, ‘না, ডিউটির কারণে কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। এখন কোথাও ডিউটির অতিরিক্ত চাপ নেই। স্বাভাবিকভাবেই ডিউটি করছেন সবাই।’

সামগ্রিকভাবে পুলিশ সদস্যদের কাউন্সেলিংয়ের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না- জানতে চাইলে ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাউন্সেলিংয়ের সিস্টেম নেই। তবে আমরা নিয়মিত ব্রিফিংয়ে কী করা যাবে, কী করা যাবে না; সে সম্পর্কে বলা হয়। এটাও এক ধরনের কাউন্সেলিং।

গাজা যুদ্ধের জেরে ইসরায়েলের কাছে কয়লা বিক্রি স্থগিত করেছে কলম্বিয়া

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে মারাত্মক যুদ্ধের বিরুদ্ধে তিরস্কার হিসেবে তার দেশ থেকে ইসরায়েলে কয়লা রপ্তানি স্থগিত ঘোষণা করেছেন। শনিবার তিনি এ ঘোষণা দেন।

বোগোটায় ইসরায়েলি দূতাবাস বলেছে, মে মাসে পেট্রোর সরকার ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পরেও কয়লা রফতানি চালু ছিল। কলম্বিয়া ২০২৩ সালে ইসরায়েলে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের কয়লা রপ্তানি করেছে, কলম্বিয়া ইসরায়েলের প্রধান কয়লা সরবরাহকারী।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কড়া সমালোচক, কলম্বিয়ার প্রথম বামপন্থী প্রেসিডেন্ট পেট্রো শনিবার এক্স-এ বলেছেন, ‘গাজায় গণহত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত’ ইসরায়েলে কয়লা রপ্তানি স্থগিত থাকবে।

একটি সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) জারি করা অস্থায়ী ব্যবস্থার আদেশ সম্পূণরূপে মেনে না চলা পর্যন্ত’ নিষেধাজ্ঞাগুলো জারি থাকবে।

মে মাসের শেষের দিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার আনা একটি মুলতুবি মামলার অংশ হিসাবে, আইসিজে ইসরায়েলকে দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে তার আক্রমণ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়, পাশাপাশি জিম্মিদের মুক্তি এবং ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে মানবিক সাহায্যের ‘নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের বিধান’ মেনে চলার নির্দেশ দেয়।

কলম্বিয়ান সরকারের ঘোষণায়, কয়লা রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার পাঁচ দিন পরে কার্যকর হবে এবং ইতিমধ্যে চালানের জন্য অনুমোদিত পণ্যগুলোকে প্রভাবিত করবে না।

বোগোটা কয়লার ভূমিকাকে ‘অস্ত্র তৈরি, সৈন্য সংগঠিত করা এবং সামরিক অভিযানের জন্য একটি কৌশলগত সম্পদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পেট্রো আরও বলেছেন, কলম্বিয়া ইসরায়েলের তৈরি অস্ত্র কেনা বন্ধ করবে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর অন্যতম প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী ইসরায়েল।

উপজেলা চেয়ারম্যানদের ৭৯ শতাংশই ব্যবসায়ী : টিআইবি

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের প্রায় ৭৯ শতাংশই ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

আজ রোববার (৯ মে) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। ‘৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হলফনামা বিশ্লেষণ ও চূড়ান্ত ফলাফল’ শীর্ষক এক আয়োজনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

টিআইবি জানায়, স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে তিনটি পদের ভোটে ১ হাজার ২১০ জন নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে ৯৩০ জনই নতুন মুখ। তাদের মধ্যে ২৭৯ জন জনপ্রতিনিধি রয়েছেন যারা ৫ম উপজেলা পরিষদে ছিলেন।

টিআইবি আরও জানায়, দেশে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি। এবার চারধাপে উপজেলা পরিষদ ভোটের ঘোষণা দিয়েছিল কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন। তবে ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে কমিশন তা আর করতে পারেনি৷ চারধাপে ৪৪২ উপজেলায় ভোট শেষ করে কমিশন। আজ রোববার ১৯ উপজেলায় স্থগিত নির্বাচনের ভোট হচ্ছে। সবমিলিয়ে ৪৬১ উপজেলায় ভোট শেষ হবে আজ। আইনি জটিলতা ও মেয়াদ শেষ না হওয়ায় বাকি ৩৪ উপজেলায় ভোট হবে পরে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নবনির্বাচিত মুখ ৩১৭ জন। বিগত ৫ম উপজেলা পরিষদে ছিলেন ৬৫ জন। নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১০ জন নতুন মুখ। ৮৪ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছে যারা গত উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

টিআইবির তথ্য অনুযায়ী ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনে তিন পদে মোট প্রার্থী ৫ হাজার ৪৭২ জন প্রার্থী ছিলেন। চেয়ারম্যান পদে ১ হাজার ৮৬৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ হাজার ৯৫জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণ করেছেন ১ হাজার ৫১৩ জন।

আইন অনুযায়ী, দলীয় প্রতীকে ভোটের বিধান থাকলেও নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করতে এবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলগতভাবে কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী। ভোটে মন্ত্রী এমপিদের স্বজনদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশনা থাকলেও দলীয় নিয়ম অমান্য করে ৫৪ জন স্বজন অংশ নিয়েছেন। এছাড়া বিএনপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মোট ১৩১ উপজেলায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এতে বহিষ্কৃত হয়েছেন ২০১ জন।

টিআইবি জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায়ও কম। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র ৭৬ জন যার মধ্যে ১৪ জন জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে উচ্চশিক্ষিত বেশি; নারী ভাইস চেয়ারম্যানদের অধিকাংশ নিম্ন মাধ্যমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়েছেন।

জাতীয় নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচনের সকল ধাপে ব্যবসায়ী প্রার্থীদের দাপট অক্ষুণ্ণ রয়েছে বলে মনে করে টিআইবি। টিআইবির তথ্যমতে, নির্বাচিতদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের হার ৫ বছরে বেড়েছে ৬.৫ শতাংশ; চেয়ারম্যানদের প্রায় ৭৯ শতাংশই ব্যবসায়ী।

নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ৫০.৯৬ শতাংশ নিজেকে গৃহিণী/গৃহস্থালি কাজকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন। গৃহিণী/গৃহস্থালিকে পেশা হিসেবে দেখানো প্রার্থীদের ১৫.৬৮ শতাংশের আয় আসে ব্যবসা থেকে। ১৫.৭৯ শতাংশ প্রার্থীর কোনো না কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। নির্বাচিতদের ক্ষেত্রে এ হার ২০ শতাংশ।

সার্বিকভাবে প্রার্থীদের প্রায় ৪০ শতাংশ আয় দেখিয়েছেন সাড়ে তিন লাখ টাকার নিচে, অর্থাৎ করযোগ্য আয় নেই তাদের। সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি আয় দেখিয়েছেন ১০ শতাংশ প্রার্থী।

চেয়ারম্যান ও অন্যান্য প্রার্থীদের মাঝে উল্লেখযোগ্য আয় বৈষম্য লক্ষ্য করা গেছে বলেও জানায় টিআইবি।

চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রায় ২৩ শতাংশের আয় ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওপরে, অন্যান্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে এ হার ৩.০৩ শতাংশ। আবার, চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রায় ২১ শতাংশের আয় সাড়ে তিন লাখ টাকার নিচে, অন্যান্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এ হার ৫০.২৫ শতাংশ।

বছরে ১০ লাখ টাকা আয় করেন এমন নির্বাচিত প্রার্থীর সংখ্যা ২৮০ জন। চেয়ারম্যানদের ৫১ শতাংশ বছরে ১০ লাখ টাকা আয় করেন। বছরে ১ কোটি টাকা আয় করেন এমন নির্বাচিত প্রার্থীর সংখ্যা ৪০। এর মাঝে ২ জন ভাইস চেয়ারম্যান আর বাকি সবাই চেয়ারম্যান।

৭.১৩ শতাংশ বা ৩৯০ প্রার্থীর কোটি টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে। ৫ বছরে প্রায় তিন গুণের বেশি হয়েছে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা। নির্বাচিতদের ১৫০ জন বা ১২.৩৭ শতাংশ কোটিপতি; চেয়ারম্যানদের ১৩২ জন বা ৩০.৪১ শতাংশ কোটিপতি।

প্রায় ২৪.৪ শতাংশ বা ১৩৩৫ জন প্রার্থীর ঋণ/দায় রয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৫২৮.৯১ কোটি টাকা ঋণ/ দায় রয়েছে একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর। গত নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ বেড়েছে দায় বা ঋণগ্রস্তের সংখ্যা; নতুন চেয়ারম্যানদের প্রায় ৪৪ শতাংশের বর্তমানে ঋণ আছে।

৫ বছরে একজন জনপ্রতিনিধির আয় বেড়েছে সর্বোচ্চ ৩১ হাজার ৯০০ শতাংশ; এ সময়ে জনপ্রতিনিধিদের স্ত্রী অথবা স্বামী ও নির্ভরশীলদের সম্পদ বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৪০০ শতাংশ।

৫ বছরে অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধিতে উপজেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা পেছনে ফেলেছেন সংসদ সদস্যদের। একজন সংসদ সদস্যের অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ ৩০৬৫ শতাংশ, যেখানে একজন চেয়ারম্যানের বেড়েছে ১১ হাজার ৬৬৬ শতাংশ।

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদে একজন বিজয়ীর ৫ বছরে আয় বেড়েছে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৮৬৬.৬৭ শতাংশ; অস্থাবর সম্পদ সর্বোচ্চ বেড়েছে ২৩ হাজার ৯৩৭.৬৫ শতাংশ। প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রার্থীর হলফনামার সঙ্গে আয়কর রিটার্নের সম্পদের হিসেবের পার্থক্য দেখা যায়।

৫ বছরে ১ কোটি টাকার উপরে অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৫১ জন। ১০ বছরে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৪১ জন। দেশের মধ্যাঞ্চল, কুমিল্লা-ফেনী অঞ্চল ও খুলনা অঞ্চলে প্রার্থীদের গড় আয় ও অস্থাবর সম্পদ বেশি। বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা অঞ্চলে প্রার্থীদের গড় অস্থাবর সম্পদ ৫ বছরে বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে গাজীপুর, ময়মনসিংহ অঞ্চলে।

অস্থায়ী জেটি থেকে গাজায় সাহায্য বিতরণ ফের শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র অস্থায়ী একটি জেটি থেকে গাজায় ত্রাণ সরবরাহ ফের শুরু করেছে। সামুদ্রিক ঢেউয়ের আঘাতে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার এবং পার্শ্ববর্তী একটি বন্দরে মেরামতের পর তারা এ ত্রাণ সরবরাহ শুরু করলো। শনিবার মার্কিন সামরিক বাহিনী এ কথা জানিয়েছে।

সেন্টকম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্ট করা বার্তায় বলেছে, ‘আজ সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে (গাজার সময়) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গাজা উপকূলে মানবিক সহায়তা বিতরণ শুরু করেছে। আজ গাজার লোকজনের মাঝে মোট প্রায় ৪৯২ মেট্রিক টন একেবারে জরুরি মানবিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।’

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা উপত্যকা একেবারে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের এমন অভিযান এখন নবম মাসে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। ইসরায়েলের হামলায় গাজার উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দারা গৃহহীন হয়ে পড়ায় তাদের মানবিক সহায়তা দেওয়া একেবারে প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে।

গত মাসে অস্থায়ী ওই জাহাজ ঘাট দিয়ে ২০ লাখ পাউন্ডেরও বেশি মানবিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। তবে ওই পথে ত্রাণ বিতরণ শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর সামুদ্রিক ঢেউয়ের আঘাতে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেটি মেরামত করে শুক্রবার পুনরায় ত্রাণ সরবরাহ শুরু করা হয়।
খবর এএফপি

খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে : আইনমন্ত্রী

খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে অর্থঋণ আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি।

রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচারকদের জন্য আয়োজিত ১৬তম ওরিয়েন্টেশন কোর্সের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আজ রোববার এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বিদ্যমান ৪টি অর্থঋণ আদালতের পাশাপাশি আরও ৩টি অর্থঋণ আদালত প্রতিষ্ঠা করা হবে। এছাড়া চট্টগ্রামে আরও ২টি অর্থঋণ আদালত প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রয়োজনে আদালত সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার সমৃদ্ধ অর্থনীতির শত্রু হিসেবে খ্যাত খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনতে চায়। তাই ঋণ খেলাপি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতিকে আরও কার্যকরভাবে অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়ে বিচারকদের উদ্দেশ্যে আনিসুল হক বলেন, এই মামলার শুনানী পর্যায়ে বিবাদীর অযৌক্তিক কালক্ষেপণ রোধ করতে হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, অর্থঋণ আদালত আইনের ৪৬(৫) ধারা মতে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আদালত, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (আর্থিক প্রতিষ্ঠান/ব্যাংকার) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিয়মিত সমন্বয় সাধন করা দরকার এবং বাদীপক্ষ/ডিক্রীদার পক্ষের সময়মত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। এছাড়া ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ মঞ্জুরির বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ও ঋণ আদায়ে বাদীপক্ষের দায়-দায়িত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আইনমন্ত্রী জানান, বিগত প্রায় সাড়ে ১৫ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বাস্তব ভিত্তিক ও বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলেই আজ বিচার বিভাগের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিচার বিভাগ অনেকটাই আধুনিক ও গতিশীল হয়েছে। বিচার বিভাগের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণে আরও বেশকিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। যার অন্যতম হলো মাদারীপুরের শিবচরে ৩৭.২৭ একর জমির ওপর একটি বিশ্বমানের ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি প্রতিষ্ঠা।এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ১৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। আশা করছি,এই টাকা দিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ শেষ করে আগামী অর্থবছরে জুডিসিয়াল একাডেমির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা সম্ভব হবে। এছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উদ্যোগে কক্সবাজারে একটি বিশ্বমানের রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই ৩.৩৪ একর ভূমি বরাদ্দ দিয়েছেন।

বিচার বিভাগের বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে অন্যান্য সরকারের সঙ্গে তুলনা করে আনিসুল হক বলেন, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, বিএনপি-জামায়াত সরকার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৮ বছরে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য ব্যয় করেছিল মাত্র ১৬৫০ কোটি টাকা। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কেবল ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেটে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য বরাদ্দ রেখেছে ২০২২ কোটি টাকা। এর বাইরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জন্যও বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৪৮ কোটি টাকা।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শেখ আশফাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্টের

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং একটি রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় সফরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠককালে শনিবার তিনি এ আহ্বান জানান।

একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘৯ মাস সংঘাতের পর, রাফাহ পরিস্থিতি এবং মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা অগ্রহণযোগ্য।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কয়েক মাস ধরে দাবি জানানো সত্ত্বেও এটা অসহনীয় যে ইসরায়েল মানবিক সাহায্য প্রবেশের সমস্ত ক্রসিং পয়েন্ট বন্ধ রেখেছে।’

বাইডেন বলেছেন, তারা সব জিম্মিকে তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্য এবং গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ চালিয়ে যাবেন।

ফ্রান্সের নরম্যান্ডি অবতরণের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নরম্যান্ডি উপকূলে মিত্রবাহিনীর অবতরণ) ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার অংশগ্রহণের দুই দিন পরে ফ্রান্সে বাইডেন তার রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করেন।