শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। সেনা সমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কারাগারের থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির মুখে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এরপর থেকে দিনটি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো।

মুক্তি পেয়েই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে।

এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত হয় মহাজোট সরকার।

সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

ধর্ষণ মামলায় টিকটকার মামুন গ্রেফতার

সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে (২৫) ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে বিয়ে না করার অভিযোগে এক নারী রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ফৌজদারি বিধির ৩২৩, ৩০৭ ও ৫০৬ ধারায় মামলা করেন। মামলার পর আদালতের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমান বলেন, প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা রয়েছে। কুমিল্লার পুলিশ তাকে হস্তান্তর করবে। আমাদের টিম কুমিল্লায় যাচ্ছে।

মামলায় ওই নারী উল্লেখ করেন, ‘মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে আমার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে। সে আমাকে জানায়, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনও বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানায়। তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দিই।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকে। ওই দিন থেকে সে আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার মা-বাবা মাঝেমধ্যেই বাসায় এসে অবস্থান করতো। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয়ে বললে সে বিভিন্ন অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করতে থাকে। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার আমাকে ধর্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে আমি তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে।’

মামলার পর প্রিন্স মামুন সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছিল, ‘গত ডিসেম্বরে মাঝরাতে লায়লা ও আমার মধ্যে কিছুটা ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল। তখন উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। যা পরবর্তী সময়ে মামলায় গড়ায়। বিষয়টি এখন আইনিভাবে মোকাবিলা করবো আমি।’

মামুন আরও বলেছেন, ‘সে (বাদী) বলেছিল মামলাটি তুলে নেবে। এ কারণে আমিও আর আদালতে কোনও হাজিরা দিইনি। আর আদালতে হাজিরা না দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।’

দুঃসংবাদ দিলেন সব্যসাচী চক্রবর্তী

ক্যানসারে আক্রান্ত টলি অভিনেত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তীর স্ত্রী মিঠু চক্রবর্তী। স্ত্রীর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবরটি নিজেই জানিয়েছেন অভিনেতা সব্যসাচী । হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, টিভি নাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সব্যসাচী জানিয়েছেন, মিঠু স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। সোমবার (১০ জুন) তাকে ৬ নম্বর কেমো দেয়া হবে। পাঁচটি কেমো সেশন ভালোভাবেই হয়েছে। জানা গেছে, গেল ফেব্রুয়ারি মাসে অস্ত্রোপচার হয় অভিনেত্রী মিঠু চক্রবর্তীর। তারপর শুরু হয় কেমো থেরাপি। আর সেটি শেষ হলে রেডিও থেরাপি শুরু করা হবে।

এপ্রিলেই শোনা গিয়েছিল ক্যানসারের কারণে হরগৌরী পাইস হোটেল থেকে সরে আসতে বাধ্য হন তিনি। কেননা শরীর শুটিংয়ের ধকল নিতে পারেনি। প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল বিশ্রাম নেওয়ার। আপাতত মিঠুকে আগলে রাখছে গোটা সব্যসাচী পরিবার। বিশেষ করে স্ত্রীর দেখভাল করছেন সব্যসাচী।

যদিও নিজেও শারীরিকভাবে বেশ সব্যসাচী। মার্চ মাসে বড় ছেলে গৌরব ও পুত্রবধূ ঋদ্ধিমা ঘোষের একমাত্র সন্তান ধীরের অন্নপ্রশনের অনুষ্ঠানের পরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। জানা গিয়েছিল, রাতে হঠাৎই বুকে ব্যথা শুরু হয় তারকার। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর জানা যায় হার্টে ব্লক রয়েছে তার। পেসমেকার বসানো হয়েছে। আপাতত তিনি অনেকটাই সুস্থ।

১৯৮৬ সালে বিয়ে করেন সব্যসাচী চক্রবর্তী ও মিঠু চক্রবর্তী। ১৯৮৭ সালে জন্ম হয় তাদের প্রথম সন্তান গৌরবের। আর ছোট ছেলে অর্জুনের জন্ম ১৯৯০ সালে। দুই ছেলেই প্রতিষ্ঠিত সিনেমার জগতে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সিঙ্গাপুর গেলেন ওবায়দুল কাদের

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা গেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ০৫৮৪ ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন তিনি।

এ তথ্য নিশ্চিত করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানান, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ওবায়দুল কাদের শিগগিরই ঢাকায় ফিরবেন বলে আশা করছেন।

এর আগে গত ৩ মার্চ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে যান ওবায়দুল কাদের। মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ৯ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি।

হারের পর মাহমুদুল্লাহ’র আবেগঘন বার্তা

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের পরও হেরে গেল বাংলাদেশ। ইনিংসের একেবারে শেষ দিকে প্রতিটি মুহূর্তই ছিল রোমাঞ্চকর। টানটান উত্তেজনাকর স্নায়ু চাপের ম্যাচে পারল না বাংলাদেশ। বাংলাদেশের লক্ষ্য খুব বড় ছিল না, মাত্র ১১৪ রানের। টাইগাররা শেষ পর্যন্ত থামে ১০৯ রানে।

সোমবার নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শেষ ২ বলে দরকার ৬ রান। মাহমুদুল্লাহ তখন স্ট্রাইকে। টানটান উত্তেজনা। কেশভ মহারাজের হাই ফুলটস বলে মাহমুদুল্লাহ সজোরে হাঁকালেনও। ছক্কা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু লংঅন বাউন্ডারিতে দৌড়ে এসে দারুণ এক ক্যাচ নেন এইডেন মার্করাম। তাতেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয় টাইগারদের।

এইডেন মার্করাম বলটি তালুবন্দি করার পর মাহমুদুল্লাহ ব্যাট ছেড়ে দুই হাতই মাথায় দিয়ে আফসোস করেছেন। তিনি হয়তো ভেবে ছিলেন আরেকটু জোর দিতে পারলে ছক্কা হয়ে যেত। তাই তো ম্যাচ শেষে নিজের আবেগঘন বার্তা দিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।

মাহমুদুল্লাহ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ভাগ্য আজ কঠিন ছিল। আমরা আমাদের সব দিয়েছি এবং এত কাছাকাছি এসেছি। অবিশ্বাস্য সমর্থনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা এগিয়ে যেতে থাকব….

জাতিসংঘে আমেরিকা প্রস্তাবিত ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস

জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলে সোমবার আমেরিকার প্রস্তাবিত ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৪টি দেশ। অবশ্য আমেরিকার এ প্রস্তাবে ভোট দেয়নি রাশিয়া।

আমেরিকার প্রস্তাবে একটি ‘পূর্ণ ও সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি’, হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি, নিহত জিম্মিদের দেহাবশেষ ফেরত এবং ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময়ের শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

আমেরিকার তৈরি করা খসড়া প্রস্তাবে তিনটি পর্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রথম ধাপে জিম্মি-বন্দি বিনিময়ের পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি সম্পর্কিত।

দ্বিতীয় ধাপে ‘শত্রুতার স্থায়ীভাবে অবসান’ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের পুরোপুরি প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে যুদ্ধের কারণে ব্যাপকভাবে ধ্বংস হওয়া গাজার জন্য বহু বছরের পুনর্গঠন পরিকল্পনার রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গাজায় স্থায়ীভাবে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে তিন ধাপের পরিকল্পনায় সম্মত হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর এই প্রস্তাব পাস হলো।

প্রস্তাবটি পাস হওয়ার পর জাতিসংঘে নিযুক্ত ইউএস অ্যাম্বাসেডর লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড নিরাপত্তা পরিষদের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, আজ আমরা শান্তির পক্ষে ভোট দিয়েছি।

ব্রিটেনের অ্যাম্বাসেডর বারবারা উডওয়ার্ড গাজার পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, দুর্ভোগ দীর্ঘদিন ধরে চলছে।

তিনি বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্থায়ী শান্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এটি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

গত মার্চে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালালে এই যুদ্ধ শুরু হয়। হামাস প্রায় ১,২০০ জনকে হত্যা করে এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ৩৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

বাংলাদেশের সঙ্গে অনেক দেশ ব্যবসা করতে চায় : ইইউ রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিনিধিদলের প্রধান চার্লস হোয়াইটলি বলেছেন, অনেক দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে চায়।

সোমবার তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিসিএবি) ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট ডিসিএবি টকে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পছন্দ করার অবস্থানে রয়েছে। কারণ অনেক দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে চায়। এটা সহজ ও সরল বিষয়। ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বাংলাদেশে আরও ব্যবসা করতে চায়। কারণ দেশটির জিডিপি অনুপাতে ঋণের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে ভালো।

হোয়াইটলি বলেন, বাণিজ্য হচ্ছে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের মূল ভিত্তি এবং সেই ভিত্তি ক্রমবর্ধমান।

ইইউ রাষ্ট্রদূত নতুন বিধিবিধানের প্রতি বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, জিএসপি প্লাসে উত্তরণের প্রত্যাশায় বাংলাদেশ অত্যন্ত শক্তিশালী অগ্রগতি করেছে।

তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের মনস্তাত্ত্বিক পদ্ধতিতে খুব খুশি। তারা এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে নেয়। তারা এটিকে খুব প্রাথমিক পর্যায়ে দেখে। তাই এটা খুব চিত্তাকর্ষক।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব এবং গ্লোবাল গেটওয়ে এর নতুন উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেন যার মাধ্যমে ব্রাসেলস অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য গুণমান অফার করছে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডিক্যাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিব ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অপু।

সূত্র : বাসস

বাংলাদেশ সেমিফাইনাল-ফাইনাল খেলার মতো দল : হৃদয়

বিশ্বকাপ আসে বিশ্বকাপ যায়, তবে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সের খুব একটা পরিবর্তন হয় না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলেছে টাইগাররা। চলমান আসরেও একই লক্ষ্য তাদের, অবশ্য এখন পর্যন্ত তাদের সামনে সেই সুযোগ রয়েছে। যে সুযোগটি তৈরি হয়েছে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারানোয়। যদিও গতকাল (রোববার) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিততে জিততেও হেরে গেল বাংলাদেশ। তবুও আশা ছাড়ছেন না তাওহীদ হৃদয়।

৪ রানে হারের পর দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মোলনে এসেছিলেন হৃদয়। এ সময় জানান বাংলাদেশ সেমিফাইনাল বা ফাইনাল খেলার মতো সামর্থ্য রাখে। ডানহাতি এই ব্যাটার বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় শুধু সুপার এইট না, আমরা সেমিফাইনাল-ফাইনাল খেলার মতো দল। এটা আমার বিশ্বাস। আমার এই বিশ্বাসটা আছে।’

চলমান বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারছেন না দলের বাকি ব্যাটাররা। হৃদয় মনে করেন তারা চলতি টুর্নামেন্টেই ঘুরে দাঁড়াবেন, ‘ব্যাটাররা রান করছে না, প্রত্যেক ম্যাচেই সব দলের সবাই রান করে না, ১-২ জন খেলে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট, এখানে ১১ জন খেলে না। যে ২-৩ জন খেলবে, সেদিন যেন খেলাটা শেষ করতে পারে। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। ব্যাটাররা রান করছে না, ইনশা আল্লাহ সামনের ম্যাচগুলোতে করবে। আশা করি তাড়াতাড়ি ঘুরে দাঁড়াব।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে বড় অভিযোগ টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতা নিয়ে। যা দ্বিপাক্ষিক সিরিজের পর চলতি বিশ্বকাপেও দেখা যাচ্ছে। তাওহীদ হৃদয় আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাদে বাকিরা সেভাবে ভরসা হতে পারছেন না। যার নেতিবাচক প্রভাব সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সিরিজ থেকে শুরু করে এই ম্যাচেও পড়েছে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে দলের গুরুত্বপূর্ণ ৪৪ রানের জুটিও এসেছে হৃদয়-মাহমুদউল্লাহ’র কল্যাণে।

এই ম্যাচ জিতলে সুপার এইটে ওঠার দৌড়ে এগিয়ে যেত বাংলাদেশ। এখন তাদের পরবর্তী দুটি ম্যাচে জয়ের লক্ষ্যে নামতে হবে। আজকের ম্যাচ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অধ্যায় শেষ হলো টাইগারদের, বাকি দুই ম্যাচে শান্তরা নেদারল্যান্ডস ও নেপালের মোকাবিলা করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংসটন ওভালে।

মাহমুদউল্লাহকে ভুলভাবে আউট দেয়া হয়েছিল: ওয়াসিম

বাংলাদেশের চার রানের হার আর দক্ষিণ আফ্রিকার সুপার এইট নিশ্চিতের দিনে সব আলো যেন কেড়ে নিয়েছেন দুই আম্পায়ার স্যাম নোগাস্কি এবং রিচার্জ ইলিংওর্থ। পরপর দুটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত একেবার কাছাকাছি গিয়ে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। শেষ বলে গিয়ে নির্ধারিত হয়েছে ম্যাচের ভাগ্য। তাতে জয়ের পাশাপাশি সুপার এইটও নিশ্চিত করে ফেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

তবে তাদের এমন জয় নিয়ে আছে বিতর্ক। সবচেয়ে বড় বিতর্কটা ডেডবল ইস্যুতে। ইনিংসের ১৭তম ফুলার লেংথের ডেলিভারিতে খানিকটা আড়াআড়িভাবে গিয়ে ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ব্যাটে-বলে না হওয়ায় লেগ বিফোর উইকেটের জন্য আবেদন করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

তে খানিকটা দ্বিধা নিয়েই আঙুল তুলেছিলেন অনফিল্ড আম্পায়ার স্যাম নোগাস্কি। আম্পায়ার যখন আঙুল তুলছেন আউটের, ততক্ষণে বল সীমানাছাড়া। রিয়াদ রিভিউ নিয়েছেন, তাতে সিদ্ধান্তও বদলেছে। কিন্তু, লেগবাই থেকে চার রান বাংলাদেশের স্কোরকার্ডে যুক্ত হয়নি। নোগাস্কি বলটিকে ডেডবল ঘোষণা করেন।

পরে ম্যাচের ভাগ্যটাও নির্ধারণ হয়েছে ওই চার না হওয়ার সুবাদে। দেশের সাধারণ ক্রিকেটভক্তদের পাশাপাশি সমালোচনায় মুখর হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটাররাও। বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত আছেন ভারতের সাবেক ব্যাটার ওয়াসিম জাফর।

নিজের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে ভারতের সাবেক এই ব্যাটার বলেন, ‘মাহমুদউল্লাহকে ভুলভাবে লেগ বিফোর উইকেট আউট দেয়া হয়েছে। লেগ বাই হয়ে বলটা চার হয়েছিল। ডিআরএসে সিদ্ধান্ত বদলে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশ চার রান পায়নি কারণ একবার যখন ব্যাটার আউট দেয়া হয় তখন বল ডেড হয়। যদি এটা ভুলভাবেও হয়। এবং সাউথ আফ্রিকা শেষ পর্যন্ত ৪ রানে জিতেছে। বাংলাদেশের জন্য খারাপ লাগছে।’

মাহমুদউল্লাহর পাশাপাশি হৃদয়ও আউট হয়েছেন বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে। কাগিসো রাবাদার বল ব্যাটে করতে না পারায় তা আঘাত হানে ডানহাতি এই ব্যাটারের প্যাডে। রিভিউ নিলেও শেষ পর্যন্ত আম্পায়ার্স কলের কারণে ফিরে যেতে হয়েছে হৃদয়। ম্যাচ শেষে তাই আম্পায়ারিং নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনিও।

সংবাদ সম্মেলনে এসে হৃদয়ের মন্তব্য, ‘সত্যি বলতে এটা গুড কল ছিল না। ম্যাচটা টাইট ছিল। আম্পায়ার আউট দিয়ে দিলেন। আমাদের জন্য এটি মেনে নেওয়া কঠিন। ওই ৪ রান হলে ম্যাচের দৃশ্য বদলে যেত। এ নিয়ে আমার আর কিছু বলা ঠিক হবে না।’

সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে অখুশি শত্রুঘ্ন, বললেন ‌‘কিছু জানি না’

বিয়ে নিয়ে এখনো মুখে কুলুপ সোনাক্ষী-জাহিরের। তবে মেয়ের বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন ‘খামোশ’ তারকা ও সংসদ সদস্য শত্রুঘ্ন সিনহা। তার কথা সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে রহস্য আরও বাড়িয়ে দিলো। তারকা এমপি বলেন, তার কোনো ধারণাই নেই মেয়ের বিয়ে নিয়ে। মিডিয়া সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে যতটুকু জানেন, মেয়ের বাবা হিসেবে তার কাছেও নাকি সেই তথ্যই রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি কারও সঙ্গে কথা বলিনি মেয়ের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে। তাহলে যদি প্রশ্ন হয়, সোনাক্ষী কি বিয়ে করছে? বলব, আমাকে সে এখনো কিছু জানায়নি। মিডিয়াতে যেটুকু পড়েছি সেইটুকুই জানি। যখন সে (মেয়ে) আমাকে সবটা জানাবে তখন আমি নিঃসন্দেহে দম্পতিকে আমার আশীর্বাদ দেব। চাই মেয়ে সবসময় খুশি থাকুক।’

শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, মেয়ে বড় হয়েছে, জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো পরিণতি এসেছে তার মধ্যে।

তবে খানিক আক্ষেপের সুরেই তিনি বলেন, আজকাল প্রজন্ম বাবা-মার থেকে বিয়ের জন্য অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজনবোধ করে না, শুধু নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়।

ভিন্ন ধর্মে বিয়ে করছে বিহারীবাবুর মেয়ে। তাই কি সোনাক্ষীর বিয়েতে আপত্তি তার? প্রশ্ন নিন্দকদের।

শত্রুঘ্ন বলেন, মেয়ে কোনোদিন অসাংবিধানিক কিংবা বেআইনি সিদ্ধান্ত নেবে না। প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে সোনাক্ষীর পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে বিয়ে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

মেয়ের বিয়ের খবর সত্যি হলে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে নাচবেন বলেও জানান তিনি।