বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬

গাজায় নিহত বেড়ে ৪৮,২১৯

দীর্ঘ ১৫ মাসের বেশি সময় পর গত মাসেই ফিলিস্তিনের গাজায় কার্যকর হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি। তবে এরপর থেকেই সেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে নিহতদের লাশ। সবশেষ আরো ৮ ফিলিস্তিনির লাশ উদ্ধারের পর নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ হাজার ২১৯। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মী ও উদ্ধারকর্মীরা গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে আরও ৮ জনের লাশ উদ্ধার করেছেন। এর ফলে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৪৮ হাজার ২১৯ জনে পৌঁছেছে বলে মঙ্গলবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন এবং তারাও প্রাণহানির এই সংখ্যার মধ্যে রয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আরও ১০ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এতে করে ইসরায়েলি আক্রমণে আহতের সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৬৬৫ জনে পৌঁছৈছে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

সুস্থ হয়েই গানের রেকর্ডিংয়ে সাবিনা ইয়াসমিন

বেশ লম্বা এক বিরতির পর কিছুদিন আগে মঞ্চে ফিরেছিলেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তবে তার সে অর্থে ফেরাটা সুখকর ছিল না। গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর দ্রুত গায়িকাকে নিয়ে যাওয়া হয় গুলশানের একটি হাসপাতালে।

সেখানে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরার পর আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে ফেরেন বাসায়। চিকিৎসকরা তাকে পরামর্শ দেন বিশ্রামে থাকার।

এখন কিছুটা সুস্থ আছেন গানের পাখি। তবে সুস্থ হতেই অংশ নিলেন গানের রেকর্ডিংয়ে। কণ্ঠে তুললেন দেশের গান। বরেণ্য গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথায় নতুন এই গানটির সুর-সংগীত করেছেন শওকত আলী ইমন।
সাবিনার সঙ্গে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সৈয়দ আব্দুল হাদীসহ এই প্রজন্মের আরো ১০ জন শিল্পী। তাদের মধ্যে একজন আতিয়া আনিসা।

গতকাল সোমবার সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে আনিসা লিখেছেন, ‘আজ আমার জীবনের এক স্মরণীয় দিন! জীবনে প্রথমবারের মতো কিংবদন্তি গায়িকা সাবিনা ইয়াসমিন ম্যামের সঙ্গে দেখা হলো এবং উনার সঙ্গে গান গাওয়ার দুর্লভ সুযোগ পেলাম। তার কণ্ঠের জাদু শুনে আমরা বড় হয়েছি, আর আজ সেই কণ্ঠের সঙ্গে একটি দেশের গানে গলা মেলাতে পারাটা ছিল স্বপ্নের মতো।’

তিনি আরো বলেন, ‘এত বড় মাপের একজন শিল্পী হয়েও তিনি দারুণ আন্তরিক, যা আমাকে আরো অনুপ্রাণিত করেছে।
স্টুডিওতে তার সঙ্গে সময় কাটানো, তার কাছ থেকে শিখতে পারা- এ অভিজ্ঞতা কখনো ভুলব না। এটা নিঃসন্দেহে আমার সংগীতজীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত।’

গত ৩১ জানুয়ারি রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে ‘আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন : আমি আছি থাকব’ অনুষ্ঠানে গান গাইতে মঞ্চে উঠেছিলেন বরেণ্য এই সংগীতশিল্পী। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা তিনি মঞ্চে সংগীত পরিবেশনের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

সাইফ সুস্থ হতেই শুটিংয়ে ফিরলেন কারিনা

নিজ বাড়িতে আততায়ীর হামলার শিকার হয়ে বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সাইফ আলী খান। যা নিয়ে ভারত জুড়ে তোলপাড় ছিল। এরপর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন পতৌদির ছোট নবাব।

সুস্থ হয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মুখে খুলেন সাইফ।
নিজের আসন্ন সিনেমার প্রচারণা অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে এসব নিয়ে কথা বলেন অভিনেতা। ভয়াবহ পরিস্থিতি ভুলে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে নবাব পরিবার।

এবার শুটিংয়ে ফিরলেন নবাব-পত্নী কারিনা কাপুর খান। বন্দি হলেন ছবিশিকারিদের ক্যামেরায়।
মেকআপ ভ্যানে ঢুকছেন, অভিনেত্রী— সে ছবি এই মুহূর্তে সয়লাব সমাজমাধ্যমে। অনুরাগী থেকে সহ-অভিনেতা— প্রত্যেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাকে।

ধূসর সোয়েট শার্ট, কালো জিন্স আর রোদচশমায় দ্যুতিময় কারিনা। হাসিমুখে নবাব-পত্নী ছবিশিকারিদের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান।
‘খান’দানের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান তাদের। তার পর মেকাপ ভ্যানে উঠে যান। এদিনও কারিনাকে ঘিরে ছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারির গভীর রাত নাড়িয়ে দিয়েছিল পতৌদি পরিবারকে। মধ্যরাতে নিজের বাড়িতে হামলা।
স্বামী গুরুতর জখম। কী করে তাঁকে বাঁচাবেন? কিছুতেই বুঝতে পারছিলেন না কারিনা।

সাইফের কথা অনুযায়ী, অভিনেত্রী নাকি চিৎকার করে আশেপাশের সবাইকে ডাকছিলেন যদি কেউ এসে সাইফকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু পড়শিরা নাকি ঘুমে অচৈতন্য! কেউ কারিনার ডাক শুনতে পাননি। পরিবারের সবাইকে আতঙ্কিত দেখে শেষে হাল ধরেন সাইফ। তিনি কারিনা-তৈমুরকে আশ্বস্ত করে বলেন, “তোমরা চিন্তা করো না। ঠিক আছি। আমি মরব না!”

জার্মানিতে ট্রেন-লরি সংঘর্ষ

জার্মানিতে একটি লেভেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে লরির সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। দেশটির জরুরি সেবা বিভাগ ও স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় শহর-রাজ্য হামবুর্গের ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ‘১২ জন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ১০ জনের আঘাত তুলনামূলকভাবে কম।’

এ ছাড়া প্রায় ৮০ জন দমকলকর্মী দুর্ঘটনাস্থলে কাজ করছেন বলে সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে জানিয়েছে।

অন্যদিকে জার্মান রেল সংস্থা ডয়চে বান জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি হামবুর্গের দক্ষিণাঞ্চলীয় রেনেবুর্গ এলাকায় ব্রেমেনগামী রুটের একটি লেভেলক্রসিংয়ে ঘটে।

বিল্ড পত্রিকা জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় আন্ত নগর এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিল। অন্যদিকে স্থানীয় পত্রিকা হামবুর্গার আবেন্ডব্ল্যাট জানিয়েছে, লরিটি একটি রেলপথ নির্মাণকারী কম্পানির ছিল।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার পরের ছবিতে দেখা যায়, রেলপথের অংশ ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে, লরিটিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

যাত্রীর তথ্য না দিলে বাতিল হবে গ্রুপ টিকিট

আকাশপথের যাত্রীদের প্রকৃত ভাড়ায় গন্তব্যে পৌঁছাতে বিভিন্ন নির্দেশনাসহ পরিপত্র জারি করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সিএ-২ অধিশাখা থেকে পরিপত্রটি জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব রুমানা ইয়াসমিন।

পরিপত্রের নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, অনতিবিলম্বে গ্রুপ টিকিট বুকিংসহ যেকোনো প্রকার টিকিট বুকিংকালে ভ্রমণেচ্ছু যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর ও পাসপোর্টের ফটোকপিসহ বুকিং সম্পন্ন করতে হবে।
বুকিং প্রদানের তিন দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর নামে টিকিট ইস্যু না হলে এয়ারলাইনস স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ওই টিকিট বাতিল করবে।

মঙ্গলবার পর্যন্ত এয়ারলাইনস/ট্রাভেল এজেন্সি কর্তৃক গ্রুপ বুকিংয়ের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ব্লককৃত টিকিট আগামী সাত দিনের মধ্যে ভ্রমণেচ্ছু যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর এবং পাসপোর্টের কপিসহ বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস এমন টিকিট স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বাতিল করবে।

গ্রুপ বুকিংয়ের ক্ষেত্রে টিকিটের প্রকৃত বিক্রয়মূল্য বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে এবং মন্ত্রণালয় তা জনগণকে জানাতে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে।

পরিপত্রে আরো বলা হয়েছে, সব ধরনের এয়ার টিকিট অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে এবং বিক্রয়কৃত টিকিটের মূল্য অনলাইনে এবং টিকিটের গায়ে প্রদর্শিত থাকতে হবে। এয়ারলাইনস এবং ট্রাভেল এজেন্সি আবশ্যিকভাবে বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, ১৯৮৪-এর বিধি ২৮৯-এ বর্ণিত বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী যথাযথভাবে ‘ট্যারিফ ফিলিং’-এর বিধান পালন করবে এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) অনুমোদিত ট্যারিফ বেবিচকের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে।

এয়ারলাইনস কিংবা ট্রাভেল এজেন্সিসমূহ সংশ্লিষ্ট বিমানসংস্থা কর্তৃক বেবিচক বরাবর দাখিলকৃত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়ায় টিকিট বিক্রি করা থেকে বিরত থাকবে। একই সাথে ট্রাভেল এজেন্সি বাধ্যতামূলকভাবে যাত্রীকে এয়ারলাইনস থেকে প্রাপ্ত মূল্য-সংবলিত টিকিট প্রদান এবং সেও টিকিট বিক্রির রসিদ প্রদান করবে।

মন্ত্রণালয় ওই নির্দেশনায় আরো জানায়, চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও কিংবা চাহিদার অতিরিক্ত টিকিট মজুদ করে অন্য এজেন্টের মাধ্যমে এয়ার টিকিট বিক্রির কারণে টিকিটের দাম বৃদ্ধি পাইলে বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২ এর বিধি-১৫ অনুযায়ী মূল ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ স্থগিত/বাতিল করা হবে।

বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনস এবং ট্রাভেল এজেন্সি ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে বিদেশগামী শ্রমিক/কর্মীদের জন্য বিশেষ বিমান ভাড়ার ব্যবস্থা করবে। মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়াসহ প্রবাসী কর্মীদের টিকিট ভাড়া কমানোর জন্য আগামী সাত দিনের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ সব এয়ারলাইনস ও বোর্ড অব এয়ারলাইন্স রিপ্রেজেন্টেটিভস (বিএআর) পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী অনিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয় পরিপত্রে।

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) পরিদর্শন করেছেন বিএমটিএফ লিমিটেডের চেয়ারম্যান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের বিএমটিএফ লিমিটেড পরিদর্শন করেন তিনি।

সেনাপ্রধান বিএমটিএফ লিমিটেডের বোর্ড অব ডিরেক্টরস মিটিং ১/২০২৫-এ যোগদান করেন।

বোর্ড অব ডিরেক্টরস মিটিং শেষে সেনাবাহিনী প্রধান বিএমটিএফ লিমিটেডের বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় বিএমটিএফ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল মো. নাহিদ আসগর সেনাবাহিনী প্রধানকে উৎপাদন ক্ষেত্রে বিএমটিএফের সর্বশেষ অগ্রগতি, জাতীয় শিল্প প্রবৃদ্ধিতে এর অবদান এবং বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতে এর ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট পরিদর্শনের সময় শিল্পপণ্য ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে স্বনির্ভরতার জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং উদ্ভাবনী উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন। তিনি স্থানীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি, উচ্চমান বজায় রাখা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে অবদান রাখার ক্ষেত্রে বিএমটিএফ লিমিটেডের অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সামরিক ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, বিএমটিএফ লিমিটেড পরিচালিত আর্মি ফার্মা লিমিটেড দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত সাশ্রয়ী দামে, গুণগত মানসম্পন্ন ওষুধ ও প্রসাধনসামগ্রী উৎপাদন করে আসছে।

পরিদর্শনকালীন সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল ও বিএমটিএফ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসেম্বর ধরেই জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন

চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস ধরে নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই জানিয়ে আসছে যে, নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার অভিপ্রায় অনুযায়ী কাজ করছে ইসি।

নির্বাচন কমিশন ভবনে আজ মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউএনডিপির প্রতিনিধিসহ ১৮টি উন্নয়ন সহযোগী দেশের রাষ্ট্রদূতরা। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন নিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জও দেখছে না কমিশন।

জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই স্থানীয় সরকারের ভোট করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে সরকার চাইলে বাধ্য হয়েই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের ভোট করবে কমিশন।

‘মজার ছলে’ আসিফ মাহমুদকে বিয়ে করার পরামর্শ হাসনাতের

অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে বিয়ের পরামর্শ দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের এক পোস্টের মন্তব্য ঘরে এই পরামর্শ দেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘মতপার্থক্য হবে, পক্ষে-বিপক্ষে কথা হবে, যুক্তিতর্ক হবে, ভুল হবে আবার ভুল থেকে সংশোধন হবে, কিন্তু খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ।
২৪-এর গণহত্যার বিচারের দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ, যেকোনো বহিঃশক্তির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ।’

সারজিসের ওই পোস্টে কমেন্ট করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। তিনি লেখেন, ‘আমি ছাড়া কিসের ঐক্য!’। আসিফ মাহমুদের মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়ে মজার ছলে তাকে বিয়ের পরমর্শ দেন হাসনাত।
তিনি লেখেন, ‘আগে বিয়ে করো। অবিবাহিত মানুষের সাথে ঐক্য সাস্টেনেবল নয়।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম এই দুই সহযোদ্ধার এমন রসিকতায় আনন্দ পেয়েছেন নেটিজেনরাও। আসিফ মাহমুদের ওই মন্তব্যে ২২ হাজার আইডি থেকে রিঅ্যাক্ট করা হয়েছে এবং হাসনাতের মন্তব্যে রিয়েক্ট করেছেন ১১ হাজার মানুষ।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সামনের সারিতে থেকে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের মধ্যে নাহিদ, আসিফ, হাসনাত ও সারজিস অন্যতম। এদের মধ্যে নাহিদ ইসলাম আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন। সম্প্রতি বিয়ে করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সারজিস আলম।

বিচ্ছেদ ভুলতে চিরতরে হলিউড ছাড়তে চান অ্যাঞ্জেলিনা জোলি!

দীর্ঘদিন ধরেই লস অ্যাঞ্জেলেসের হলিউডে বাস করছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। যার দরুণ সেখানে রয়েছে তার বহু স্মৃতি। ব্র্যাড পিটের সঙ্গে দীর্ঘ স্মৃতি, বিবাদ, তিক্ত বিবাহবিচ্ছেদ-সবকিছুই ভুলে থাকার জন্য চিরতরে স্থানটি ত্যাগ করতে চান জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

লস অ্যাঞ্জেলেসই নয়, আমেরিকাও ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তিনি।
অন্য কোনো দেশে গিয়ে নতুন করে সবকিছু শুরু করতে চেয়েছেন। সেটা হতে পারে ইউরোপি কিংবা কম্বোডিয়া। কিন্তু চাইলেও সেটা পারছেন না। কারণ, সন্তানেরা লস অ্যাঞ্জেলেস ত্যাগ করতে রাজি নন।
বহু চেষ্টার পরেও সেটি হচ্ছে না।

সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির হলিউড থেকে পালানোর পরিকল্পনা সন্তানদের কারণেই ভেঙে পড়ছে। কারণ, তার সন্তানরা- ম্যাডক্স, প্যাক্স, জাহারা, শিলোহ এবং যমজ সন্তান নক্স এবং ভিভিয়েন লস অ্যাঞ্জেলের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। তাদের বন্ধুবান্ধব, ক্যারিয়ার এবং তাদের নিজস্ব স্বপ্ন-সবকিছুই এই লস অ্যাঞ্জেলেসকে ঘিরে, যা অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে একটি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে।

জোলির ঘনিষ্ঠ সূত্র এ প্রসঙ্গে মার্কিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে সব সুযোগ ত্যাগ করে বিদেশে বসবাস করার ধারণাটি তাদের (জোলি ও তার সন্তান) কাছে আকর্ষণীয় নয়। বরং এটি তাদের মধ্যে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এদিকে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দীর্ঘদিন ধরে কম্বোডিয়ায় দাতব্য কাজে জড়িত। এমনকি তার সংস্থার আবাসিক স্থাপনা তৈরির জন্য জমিও কিনেছেন। সেটার কাজও শুরু হয়েছে।
শুধু তাই নয়, বহু বছর ধরে তিনি তার সন্তানদের নিয়ে একটি পারিবারিক কম্পাউন্ডের স্বপ্ন দেখে আসছেন, যা হবে লস অ্যাঞ্জেলেসের বাইরে। দুর্ভাগ্যবশত, এটি খুব জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ ম্যাডক্স এবং প্যাক্স দুজনেই সিনেমায় কাজ করেছেন।

অন্যদিকে ভিভিয়েন প্রযোজনা ‘দ্য আউটসাইডার্স’র সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। স্বভাবতই জোলি একটি কঠিন পরিস্থিতিতে আছেন। সন্তানদের ক্যারিয়ার নষ্ট করে কোথাও স্থায়ীভাবে চলে যাওয়াটা তার জন্য এখন খুবই কষ্টের, এবং তিনি যেতেও চান না।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে সহায়তার স্থগিতাদেশ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘ পরিচালিত বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহায়তার ওপর দেওয়া স্থগিতাদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে সমুদ্রপথে জাহাজে করে ৫ লাখ মেট্রিক টন খাবার সরবরাহে আর অনিশ্চিয়তা থাকল না। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এই তথ্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) গতকাল রবিবার জানিয়েছে, টাইটেল ২ ফান্ড দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের কাছ থেকে খাদ্য ক্রয়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর ফলে ইউএসএআইডি চুক্তি অনুযায়ী ডব্লিউএফপি খাদ্য ক্রয় এবং বিরতরণ করতে পারবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৯০ দিনের জন্য সকল বিদেশি সাহায্য স্থগিত রাখে। তবে জরুরি খাদ্য সহায়তার ওপর স্থগিতাদেশ ছিল না। তারপরও মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য কেনা বন্ধ করে দিয়েছিল ওয়াশিংটন।
‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বিদেশ নীতির সঙ্গে সকল সহায়তা সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা পর্যালোচনা করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএফপিকে মার্কিন অর্থায়নে প্রদত্ত বহু অনুদানের কাজ বন্ধ করতেও বলেছিল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও খাদ্য মওকুফ জারি করার পাঁচ দিন পরে এই আদেশ দেওয়া হয়েছিল। বাতিল করা অনুদানগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল ‘ফুড ফর পিস টাইটেল ২’ কর্মসূচির অধীনে। এই কর্মসূচির অধীনে মার্কিন পণ্য অনুদানে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়।
কমূসূচিটি মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার) এবং মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) যৌথভাবে পরিচালনা করে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মন্তব্যের জন্য কোনো অনুরোধের জবাব দেয়নি।

ডাব্লিউএফপি-কে যে ইউএসএআইডি অনুদানের কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছিল, তার মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার এবং এটি ইয়েমেন, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, সুদান, দক্ষিণ সুদান, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, হাইতি এবং মালিসহ দরিদ্র দেশগুলোতে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

মার্কিন বৈদেশিক সাহায্য হ্রাস এবং পুনর্গঠনের ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টায় বিস্তারিত তথ্যের অভাব বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।

সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইউএসএআইডির মহাপরিদর্শকের কার্যালয় জানিয়েছে, ‘অনিশ্চয়তার কারণে বন্দর, পরিবহন এবং গুদামে ৪৮৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি খাদ্য সহায়তা নষ্ট, অপ্রত্যাশিত সংরক্ষণের চাহিদা এবং অন্যত্র স্থানান্তরের ঝুঁকিতে পড়েছে।
’

নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএআইডি কর্মীরা পাঁচ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি খাদ্য শনাক্ত করেছেন, যা বর্তমানে সমুদ্রে রয়েছে অথবা পাঠানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং টাইটেল ২ প্রোগ্রামের অধীনে সংগ্রহ করা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স