মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

শিরোপার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়তে চান আর্সেনাল কোচ

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে ড্র করে শিরোপা লড়াইয়ে লিভারপুলের চেয়ে ১৫ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছে আর্সেনাল। যদিও এখনো পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে আছে মিকেল আর্তেতার দল। শিরোপার লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়লেও নিজেদের সম্ভাবনা এখনই শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করেন আর্তেতা।

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রবিবার প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচটি ১-১ ড্র করে আর্সেনাল।
প্রথমার্ধে ব্রুনো ফার্নান্দেসের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে সমতা টানেন ডেকলান রাইস।

ম্যানইউর বিপক্ষে ড্র করার পর ম্যাচ শেষে শিরোপা সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল কি না, এমন প্রশ্নে আর্তেতা বলেন, ‘আমি তা বলতে চাই না।’

‘আজ (রবিবার) হতাশাজনক ব্যাপার হলো আমরা ম্যাচটা জিততে পারিনি। আমরা গুরুত্বটা জানি, (শিরোপা জয়ের) কোনো সুযোগ পেতে চাইলে আমাদের প্রতিটি ম্যাচ জিততে হবে।
’

ইউনাইটেডের বিপক্ষে গোল করা মিডফিল্ডার রাইস বললেন, মৌসুমের শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে চান তারা। ‘ম্যানেজার যেমনটা বলেছেন, আমরা মৌসুমের শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব। লিভারপুল গোটা মৌসুম অসাধারণ খেলছে। আমরা আর্সেনাল।
চোট আমাদের ভুগিয়েছে। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’

পোশাক বিতর্কে যা বললেন মাইকেল জ্যাকসনের কন্যা

প্রয়াত মাইকেল জ্যাকসনের কন্যা প্যারিস জ্যাকসন। বাবার মতো বিশ্বনন্দিত তারকা না হলেও শোবিজ অঙ্গনে জ্যাকসনকন্যার প্রভাব কম নয়। বরাবরই নিজের সাহসী ফ্যাশনের জন্য আলোচনায় থাকেন প্যারিস। তবে এবার পড়লেন পোশাক বিতর্কে।
একটি আন্তর্জাতিক ফ্যাশন শোয়ে তিনি হাজির হলেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ পোশাকে।

প্যারিসের কালো পোশাকটি মূলত বিতর্ক তৈরি করে নেটিজেনদের মাঝে। পোশাকে অসংখ্য ছিদ্র এবং সবটাই স্বচ্ছ। পরনে ছিল না অন্তর্বাস।
তাতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে প্যারিসের স্তনবৃন্ত। সমালোচনা শুরু হয় জ্যাকসনকন্যার। এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন প্যারিস। দিলেন নিজের যুক্তি।

প্যারিস জ্যাকসন বলেন, ‘পোশাক নিয়ে প্রত্যেকের মতামত ভিন্ন। আমি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। সবাই নিজের মতো প্রতিক্রিয়া দিতে পারেন। আমি বুঝতে পারছি না এই বিষয়টি নিয়ে এত আলোচনা কেন? শুধুই স্তনবৃন্ত দেখা গিয়েছে। এটা কোনো বড় কথা নয়।
পশুরা পোশাক পরে না। মানুষেরও পশুর মতোই শরীর রয়েছে। তাই তা বড় করে দেখার নেই। এর থেকে পৃথিবীতে আরো নানা বড় কাজ রয়েছে।’

তবে প্যারিসের সমর্থনের কথা বলতে দেখা গেছে অনেক অনুরাগীকে। অনেকের মতে, মাইকেলকন্যা আসলে মানব বিবর্তন এবং পোশাক সম্পর্কে একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। এমনিতেই পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলিতে ২০১২ সাল থেকে শুরু হয়েছে ‘নিপ্‌ল ফ্রি মুভমেন্ট’। সমাজের খ্যাতনামী নারীরা সমর্থন করেছেন এই পদক্ষেপকে। সম্প্রতি কান চলচ্চিত্র উৎসবে খ্যাতনামা মডেল বেলা হাদিদও স্বচ্ছ পোশাকে হাজির হন। সেই সময় লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মডেল কিন্তু অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছিলেন বেলাকে। আবার প্রায় অনাবৃত শরীরে গ্র্যামি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে হাজির হন কাইনে ওয়স্টের স্ত্রী সেই নিয়ে সমালোচিত হন তিনি। এবার প্যারিসও সেই পদক্ষেপ নিতেই কটাক্ষের শিকার হলেন। যদিও এই পোশাক কেন পরেছিলেন তা ব্যাখ্যা করেননি জ্যাকসনকন্যা।

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস আজ

আজ ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস’। প্রতি বছর ১০ মার্চ এ দিবসটি উদযাপন করা হয়। ‘দুর্যোগের পুর্বাভাস প্রস্তুতি, বাঁচায় প্রাণ ক্ষয়ক্ষতি’-এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ (১০ মার্চ) পালিত হচ্ছে দিবসটি। দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ থেকে শুরু করে নানান কর্মসূচি নিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি ১০ মার্চকে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস হিসেবে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। সেই হিসেবে ৯ বছর ধরে এ দিবসটি যথাযোগ্য আয়োজনের মাধ্যমে দেশব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস থাকা সত্বেও জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, কেননা, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ।

দুর্যোগের আঘাতে আমাদের দেশে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়।
শুধু উপকূল অঞ্চল নয়, গোটা দেশই এখন দুর্যোগের মুখোমুখি। ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশে মার্চ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন করা হয়ে আসছিল।

মন্ত্রিসভায় দিবসটি পালনের অনুমোদন দেওয়া হয় ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর। ২০১৫ সালে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ছিল একই দিনে (অর্থাৎ ২৬ মার্চ)।
এ কারণে ওই বছর ৩১ মার্চ জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস হিসেবে পালিত হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্মতিপত্রে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে মার্চের শেষ সপ্তাহের পরিবর্তে অন্য কোনো দিনে এটি উদযাপন করার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়। এরই আলোকে ১০ মার্চ জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস হিসাবে নির্ধারিত হয়।

গণ-অভ্যুত্থানের সময় জাতিসংঘ থেকে সেনাবাহিনী কোনো বার্তা পায়নি

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার থেকে কোনো বার্তা পায়নি বলে জানানো হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎকারভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘হার্ডটক’-এ গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের মন্তব্য নিয়ে একটি সংবাদ প্রচার করা হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানবাধিকারের তাৎপর্য যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে এবং যেকোনো গঠনমূলক সমালোচনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে, তবে অধিকতর সঠিকতা ও স্বচ্ছতার উদ্দেশ্যে উক্ত মন্তব্যের কিছু বিষয়ে স্পষ্টিকরণ প্রয়োজন বলে মনে করে।

এখানে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার থেকে এ বিষয়ক কোনো ইঙ্গিত কিংবা বার্তা সম্পর্কে অবগত নয়। যদি এসংক্রান্ত কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়ে থাকে, তবে তা তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়ে থাকতে পারে, সেনাবাহিনীকে নয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতীয় নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করে এবং সর্বদা আইনের শাসন ও মানবাধিকার নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে, ভলকার তুর্কের মন্তব্য কিছু মহলের মাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে, যা সেনাবাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি এবং এর পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।

নিরপেক্ষতা ও সততার মহান ঐতিহ্য ধারণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অতীতের ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষত ১৯৯১ সালের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কখনো জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করেনি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময়ও সেনাবাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং কোনো পক্ষপাত বা বাহ্যিক প্রভাব ছাড়াই জননিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। প্রসঙ্গত, বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

এখানে উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অর্জিত আয়ের একটি ক্ষুদ্র অংশ শান্তিরক্ষীরা পেয়ে থাকেন এবং এর সিংহভাগ জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, যার পরিমাণ গত ২৩ বছরে প্রায় ২৭০০০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ককে গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে এবং দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি দায়িত্ব পালনে সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ। সেনাবাহিনীর ভূমিকা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে উদ্বেগ অথবা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে তা গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে ফলপ্রসুভাবে সমাধান করা সম্ভব বলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মনে করে।

নতুন দলের নিবন্ধন আবেদন চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক নতুন দলগুলোর নিবন্ধন আবেদন চেয়ে আজ সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন কোনো দল নিবন্ধন করতে চাইলে আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে।

দেশে সব মিলিয়ে বর্তমানে ৫৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে। নিবন্ধনের কার্যক্রম শেষ হলে এ সংখ্যা আরো বাড়বে।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এবি পার্টি, নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), মাহমুদুর রহমানের নাগরিক ঐক্য এবং গণসংহতি আন্দোলন ইসির নিবন্ধন পায়।

এদিকে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মেলবন্ধনে নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আগুন, যা বলছে কর্তৃপক্ষ

রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে জাদুঘরের জেনারেটর কক্ষে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ৪৬ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে— প্রিয় দর্শনার্থীগণ, আজ সকাল ৯টা নাগাদ শর্ট সার্কিটের কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের জেনারেটর কক্ষে আগুন লেগে যায়।
যার কারণে নিয়মিত কার্যক্রমে সামান্য বিলম্ব হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। জাদুঘরের সব কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর থেকে ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ঘরের জেনারেটররুমে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে আইসিসি ট্রফি গম্ভীরের, এই কীর্তি আর কার আছে

কোচ হিসাবে প্রথম আইসিসি ট্রফি জিতলেন ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর। শিরোপা জিতে নজির গড়েছেন তিনি। ক্রিকেটার ও কোচ হিসাবে আইসিসি ট্রফি জেতার নজির গড়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার।

গম্ভীর ক্রিকেটার হিসাবে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ সালের ওয়ানেডে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন।
এ বার ভারতের কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতলেন। যদিও কোচিং কেরিয়ারের শুরুটা ভাল হয়নি গম্ভীরের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হার, দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ, বোর্ডার-গাভাস্কার সিরিজে হারের পর গম্ভীরের সমালোচনা শুরু হয়েছিল। চাকরি বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছিল তার।
কিন্তু চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতে নিজের জায়গা পাকা করে ফেলেছেন তিনি।

এর আগে ভারতের আর এক কোচ দ্রাবিড়ও একই কীর্তি করেছিলেন। ২০০২ সালে ক্রিকেটার হিসাবে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জিতেছিলেন তিনি। সে বার ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছিল।
আর ২০২৪ সালে কোচ হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছেন দ্রাবিড়।

গম্ভীর ও দ্রাবিড় ছাড়াও আরো তিন জনের এই কীর্তি রয়েছে। ১৯৯৯ ও ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার হিসাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ড্যারেন লেহম্যান। পরে কোচ হিসাবে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন লেহম্যান। অস্ট্রেলিয়ার আর এক সাবেক ক্রিকেটার জিওফ মার্শ ১৯৮৭ সালে খেলোয়াড় ও ১৯৯৯ সালে কোচ হিসাবে এক দিনের বিশ্বকাপ জিতেছিলেন।

তালিকায় রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্যারি কার্স্টেনও। ১৯৯৮ সালে ক্রিকেটার হিসাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছিলেন তিনি। পরে ২০১১ সালে ভারতের কোচ হিসাবে এক দিনের বিশ্বকাপ জিতেছিলেন কার্স্টেন। সেই তালিকাতেই ঢুকলেন গম্ভীর।

এবার টেলিভিশনে দেখা যাবে ‘দরদ’

দেশের প্রেক্ষাগৃহের পর ওটিটি প্ল্যাটফরমে মুক্তি পায় শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘দরদ’। সেই ধারাবাহিকতায় এবার টেলিভিশনে দেখা যাবে সিনেমাটি।

প্রতি ঈদেই বাংলাদেশের সিনেমার টিভি প্রিমিয়ারের আয়োজন করে চ্যানেল আই। এবারও বেশ কয়েকটি সিনেমার ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ারের আয়োজন করেছে চ্যানেলটি।
ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটি প্রচারিত হবে ‘দরদ’।

অনন্য মামুন পরিচালিত সাইকো থ্রিলার গল্পের ‘দরদ’-এ দুলু মিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান। তার বিপরীতে আছেন বলিউডের সোনাল চৌহান। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এ সিনেমায় আরো আছেন পায়েল সরকার, রাহুল দেব, রাজেশ শর্মা, সাফা মারওয়া, ইমতু রাতিশ প্রমুখ।

জুলাই শহীদের লাশ শনাক্তে সিআইডিতে যোগাযোগের পরামর্শ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের মধ্যে কয়েকজনের লাশ এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তাদের ডিএনএ প্রোফাইল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) সংরক্ষিত রয়েছে।

পরিচয়হীন শহীদদের ডিএনএ প্রোফাইল শনাক্তে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার (১০ মার্চ) এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় সিআইডি থেকে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর শহীদদের মধ্যে কিছু অশনাক্ত শহীদের ডিএনএ প্রোফাইল সিআইডির সদর দপ্তরে সংরক্ষিত রয়েছে। কোনো শহীদের পরিচয় জানতে চাইলে শহীদের নিকটতম আত্মীয়-স্বজনকে নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যোগাযোগের ঠিকানা : ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাব, সিআইডি সদর দপ্তর, মালিবাগ, ঢাকা। মোবাইল : ০১৩২০-০১০৫৭২।

ডিসেম্বরের টাইমলাইন অতিক্রম করতে চায় না নির্বাচন কমিশন

চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে অক্টোবর মাসে তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। সোমবার (১০ মার্চ) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিইসি এ কথা বলেন।

এর আগে, সিইসি বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘ডিসেম্বরকে মাথায় রেখে আমরা এগোচ্ছি। আমাদের টাইমলাইন ডিসেম্বর, এটা মাথায় রেখে কাজ করছি। ডিসেম্বরে ভোট হলে অক্টোবরে শিডিউল (তফসিল) ঘোষণা করতে হবে। টাইমলাইন যাতে মিস না করি সেইভাবে প্রস্তুতি নিয়ে যাচ্ছি।

জাতীয় নির্বাচন ট্রেনে উঠেছে কি— এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা যেদিন ঘোষণা দিয়েছেন, সেদিন থেকে আমরা জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছি। জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা কিন্তু প্রধান উপদেষ্টাই দেবেন।’

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা আমাদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছি।
আমরা তাদের কাছে সহায়তা চেয়েছি। প্রার্থীর এজেন্ট ও পর্যবেক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে সহায়তা চেয়েছি। তারা আমাদের হেল্প করতে চান। কী ধরনের সহযোগিতা লাগবে তারা তা জানতে চেয়েছেন।’

সিইসি বলেন, ‘ওনারা জানতে এসেছিল পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে, আমরা কোন পর্যায়ে আছি, কী ধরনের প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাদেশের ডেমোক্রেটিক ট্রানজিশনের বিষয়ে যুক্তরাজ্য আমাদের সহায়তা করতে চায়। বিদেশি পর্যবেক্ষক সম্পর্কে তারা জানতে চেয়েছেন, আমরা সব কিছু জানিয়েছি। আমরা যা কিছু করছি জানিয়েছি। ভোটার নিবন্ধন ও পার্টির নিবন্ধন বিষয়ে আমরা জানিয়েছি। বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগের কাজ সময়মতো করব।’

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা হয়নি বলেও এ সময় জানান সিইসি।