মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

সীমান্তে বিজিবির ধাওয়া খেয়ে পালালেন ভারতীয়রা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা সীমান্তে বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) ধাওয়ায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলে ভারতে পালিয়েছেন পাচারকারীরা।

শনিবার (১৫ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব-উল হক।

এর আগে শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাত ১২টার দিকে উপজেলার পাথরডুবী ইউনিয়নের দিয়াডাঙ্গা বিওপির আওতাধীন পিলার ৯৮৫/৩ এস এর কাছে থেকে এই অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব উল হকের নেতৃত্বে ব্যাটালিয়ন সদর এবং দিয়াডাঙ্গা বিওপির ১৯ সদস্যের বিশেষ টহলদল গোপনে অবস্থান নেয়।
এ সময় কিছু ব্যক্তিকে ভারত হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে এবং তাদের আচরণবিধি সন্দেহ হওয়ায় টহলদল তাদের আটকের জন্য ধাওয়া দেয়। এতে মালামাল ফেলে ভারতের অভ্যন্তরে দৌড়ে পালিয়ে যান ওই ব্যক্তিরা।

টহলদল উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে আট লাখ ২৬ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের মালিকবিহীন অস্ত্র ও গুলি ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে বিজিবি। জব্দ করা অস্ত্র ও মালামালের মধ্যে রয়েছে, ৫টি ভারতীয় গান, একটি পিস্টন অ্যাসেম্বলি, ৩৩ হাজার ১০০ পিস সিসা গুলি এবং একটি মোটরসাইকেল।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন ২২ বিজিবি এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক জানান, সীমান্তে সব ধরনের চোরাচালান ও অস্ত্র পাচার রোধে বিজিবি তৎপর রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রতিটি বিওপির সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।

আট মাসে ২৬.৭৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি

দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকে ধারাবাহিকভাবে সফলতা আসছে। একক বৃহত্তম বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড় সফলতার পর এবার বিশ্ববাজারেও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। প্রধান প্রায় সব বাজারেই পোশাক রপ্তানিতে আয় বেড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ের জন্য দেশভিত্তিক রপ্তানি যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে সারা বিশ্বে গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০.৬৪ শতাংশ। একই সময়ে সারা বিশ্বে ২৬.৭৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে ভালো রপ্তানি আয় অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ যায় ইইউতে, যার মোট মূল্য ১৩.৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
অর্থবছরের প্রথম আট মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৫.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট শেয়ারের ১৮.৯১ শতাংশ। অন্যান্য দেশের মধ্যে কানাডার বাজারে রপ্তানি হয়েছে ৮৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক এবং বাজার শেয়ার ৩.১৬ শতাংশ। যুক্তরাজ্যের বাজারে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২.৯৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের, যা বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির ১০.৯৪ শতাংশ।

এদিকে চলতি অর্থবছরের আট মাসে ইইউতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১.৫৩ শতাংশ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবৃদ্ধি ১৬.৩৮ শতাংশ এবং কানাডায় প্রবৃদ্ধি ১৪.১২ শতাংশ। আর যুক্তরাজ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ৩.৭৪ শতাংশ।

এ ছাড়া ইইউর অন্য দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের জন্য। দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৩.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এ ছাড়া স্পেনে ২.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ফ্রান্সে ১.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ইতালিতে ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, পোল্যান্ডে ১.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং নেদারল্যান্ডসে ১.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে ১১.৩ শতাংশ, নেদারল্যান্ডসে ২৫.৬ শতাংশ, পোল্যান্ডে ১২.৬, ডেনমার্কে ১৪.৫৮ শতাংশ এবং সুইডেনে ২১.১২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

তবে প্রচলিত বাজারের চেয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের নতুন বাজার বা অপ্রচলিত বাজারে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কম হয়েছে। নতুন বাজারে সামগ্রিকভাবে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। যা মোট রপ্তানির ৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ১৬ দশমিক ৯০ শতাংশ। নতুন বাজারের মধ্যে জাপানে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৮৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের, অস্ট্রেলিয়ায় ৫৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ভারতে ৪৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এছাড়া তুরস্ক এবং মেক্সিকোর মতো দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে যথাক্রমে ৩০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। নতুন বাজারের মধ্যে প্রবৃদ্ধির দিক দিয়ে ভারতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ৫৮ শতংশ, মেক্সিকোতে ২৫ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং তুরস্কে ৩২ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে এই সময়কালে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, তুরস্ক এবং মেক্সিকোতে প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক থাকলেও, রাশিয়া, কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মালয়েশিয়ায় রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে।

তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলেন, বড় বড় বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। এ জন্য দেশগুলো থেকে নতুন রপ্তানি আদেশও বাড়ছে। এ মন্তব্য করে বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘রপ্তানির চলমান প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে ইইউ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল, যা বাংলাদেশের প্রধান বাজার হিসেবে অব্যাহত রয়েছে। বড় বাজারগুলোতে আরো ভালো করার সুযোগ তৈরি হয়েছে মূলত মার্কিন শুল্ক যুদ্ধের কারণে। দেশটি চীন ও মেক্সিকোর ওপর যে চড়া শুল্ক হার আরোপ করেছে তার সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ।’

তিনি আরো বলেন, প্রচলিত বাজারের সঙ্গে নতুন বাজারেও মাঝারি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। তবে নতুন বাজারে আরো ভালো করার সুযোগ আছে। কারণ এই বাজারে যথেষ্ট প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। চলমান বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনা বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে। তবে এতে বাংলাদেশের সামনে যে সুযোগ তৈরি করেছে তা আমাদের গহণ করতে হবে। আমাদের প্রয়োজনীয় উৎপাদনশীল সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সাথে আমাদের তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতামূলকতা এবং প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে শক্তিশালী এবং উন্নত করার জন্য পোশাক শিল্পের সহযোগী শিল্পের দিকেও নজর দিতে হবে।’

ঈদ কবে হতে পারে, জানাল আবহাওয়া দপ্তর

এ বছর পবিত্র রোজা হতে পারে ২৯টি। সে অনুযায়ী আগামী ৩১ মার্চ হতে পারে ঈদুল ফিতর। গতকাল শুক্রবার এমন ধারণা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

তবে কবে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে সেই সিদ্ধান্ত জানাবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
এর আগে চাঁদের স্থানাঙ্ক নিয়ে তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

আবহাওয়া দপ্তরের বার্তা অনুযায়ী, আগামী ৩০ মার্চ চাঁদ দেখার নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিট থেকে ৭টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। সে অনুযায়ী ১৩ মার্চ বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৬ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদের স্থানাঙ্ক বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে।

এবার রমজান মাস ২৯ দিনে শেষ হলে ঈদুল ফিতর হবে ৩১ মার্চ (সোমবার)।
তবে রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ হবে ১ এপ্রিল (মঙ্গলবার)।

আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের সই করা শাওয়ালের চাঁদের স্থানাঙ্ক বিবরণীতে বলা হয়, ৩০ মার্চ সূর্যাস্তের সময় ৬টা ১৩.৫ মিনিটে চাঁদের বয়স হবে দেড় দিন (১.০৫২৪ দিন)। সান্ধ্যকালীন গোধূলি শেষ হওয়ার ৪৩.৪ মিনিট পর চন্দ্রাস্ত ঘটবে। ৩১ মার্চ সূর্যাস্তের সময় ৬টা ১৪ মিনিটে চাঁদের বয়স হবে ২.০৫২৮ দিন।
সান্ধ্যকালীন গোধূলি শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা ৫১.৬ মিনিট পর চন্দ্রাস্ত ঘটবে।

আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য মতে, ৩০ মার্চ শাওয়ালের চাঁদের বয়স থাকবে প্রায় দেড় দিন। সে কারণে বাংলাদেশের আকাশে খালি চোখেই চাঁদের দেখা মিলতে পারে।

খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে মায়ানমারের ১০ লাখ মানুষ

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) তহবিল সংকটের কারণে মায়ানমারে ১০ লাখ মানুষ খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে। আগামী মাস থেকে দেশটির ১০ লাখের বেশি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে না বলে গতকাল শুক্রবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

এক বিবৃতিতে ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, সংঘাত বৃদ্ধি এবং প্রবেশাধিকারে একাধিক নিষেধাজ্ঞার ফলে মায়ানমারে এমনিতেই খাদ্য সহায়তা পৌঁছানো বেশ কঠিন। এর মধ্যে সহায়তা হ্রাসের কারণে সংকট আরো ঘনীভূত হবে।

তহবিল সংকটের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেনি সংস্থাটি। এ ছাড়া এই সংকটের নেপথ্যে বিশ্বব্যাপী মার্কিন সহায়তা হ্রাসে ট্রাম্পের আদেশের প্রভাব রয়েছে কি না সে বিষয়েও খোলাসা করেনি ডব্লিউএফপি।

মায়ানমারে ২০২১ সালে নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত করে ক্ষমতায় আসে দেশটির সামরিক বাহিনী। এরপর দেশব্যাপী বিদ্রোহ দেখা দেয়।

তখন থেকেই জান্তা সরকার ও বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে দেশটি ভয়াবহ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পার করছে।
জাতিসংঘ মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দেশটির প্রায় দুই কোটি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। এ ছাড়া দেশটির প্রায় দেড় কোটি মানুষ চরম খাদ্য সংকটে আছে।

ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, এই খাদ্য সংকটের ফলে দেশজুড়েই মানুষ ভুক্তভোগী হবে।
মায়ানমারের অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত এক লাখ রোহিঙ্গাসহ একাধিক গোষ্ঠীর মানুষ খাদ্যের জন্য পুরোপুরিভাবে ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা সামনের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মৌসুম নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে। এই সময়ে চাষাবাদ প্রাকৃতিকভাবেই কম হয় বিধায় খাদ্য সংকটের ধাক্কা আরো তীব্র হতে পারে।

মায়ানমারে খাদ্য সংকটের তীব্রতা কতটা ভয়াবহ তা স্পষ্টভাবে জানা যায় না। এর পেছনে জান্তা সরকারের প্রভাব রয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সে গত বছর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, খাদ্য সংকট নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে ত্রাণকর্মীরা জান্তা সরকারের বাধার মুখে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে একটি জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর আক্রমণে মায়ানমারের একদল জান্তা সেনা থাইল্যান্ডের সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে গেছে। গতকাল ওই সেনাদের ঘাঁটি থেকে উত্খাত করা হলে তারা সীমান্তে পালিয়ে যায় বলে থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী জানিয়েছে। সূত্র : রয়টার্স

ভারত থেকে আসছিল অস্ত্র-গুলি, আটক করল বিজিবি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা সীমান্তপথে ভারত থেকে পাচার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ আটক করেছে কুড়িগ্রাম ২২ ব্যাটালিয়ন বিজিবি। শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাত ১২টার দিকে উপজেলার দিয়াডাঙ্গা বিওপির আওতাধীন পিলার ৯৮৫/৩ এস-এর কাছ থেকে এই অস্ত্র ও গোলাবারুদ আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হকের নেতৃত্বে ব্যাটালিয়ন সদর এবং দিয়াডাঙ্গা বিওপির বিশেষ টহলদল গোপনে অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহভাজন কিছু ব্যক্তিকে ভারত থেকে বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখলে তাদের আটকের চেষ্টা করে।
এ সময় তারা সঙ্গে থাকা মালামাল ফেলে ভারতে পালিয়ে যায়। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ৮ লাখ ২৬ হাজার ২০০ টাকা দামের পাঁচটি ভারতীয় এনএক্স-২০০ এথেনাগান, একটি পিস্টন এসেম্বলি, ৩৩ হাজার ১০০ রাউন্ড ভারতীয় সিসার গুলি ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।

কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন ২২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক অস্ত্র ও গোলাবারুদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্তে সব ধরনের চোরাচালান ও অস্ত্রপাচার রোধে বিজিবি তৎপর রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রতিটি বিওপির সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।

দ. কোরিয়ার প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে একাধিক রুশ যুদ্ধবিমান

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে রুশ বিমান প্রবেশ করে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আজ শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে (কাদিজ) একাধিক রাশিয়ান যুদ্ধবিমান প্রবেশ করেছে। এ বিষয়ে দেশটির জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ (জেসিএস) জানিয়েছে, যার ফলে দক্ষিণ কোরিয়া তাদের যুদ্ধবিমান পাঠাতে বাধ্য হয়েছে।

জেসিএস এক নোটিশে জানিয়েছে, রাশিয়ার সামরিক বিমানগুলো সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে ধারাবাহিকভাবে কাদিজে প্রবেশ করে এবং বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চলের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলে চলে যায়।
তবে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি।

জেসিএস জানিয়েছে, তারা কেএডিআইজেডে (কাদিজ) প্রবেশের আগেই রাশিয়ান বিমানগুলো শনাক্ত করেছিল এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিমানবাহিনীর জেটগুলো ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেছিল।

সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রশিক্ষণের সময় এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘনের কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।
বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চলটি আঞ্চলিক আকাশসীমা নয়, তবে দুর্ঘটনাজনিত সংঘর্ষ রোধ করার জন্য বিদেশি বিমানগুলো চিহ্নিত করা হয়।

সূত্র : রয়টার্স, কোরিয়া জুঙ্গাং ডেইলি

আছিয়ার মৃত্যু দেশের মানুষকে লজ্জিত করেছে

মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশু আছিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনা সারা দেশের মানুষকে লজ্জিত করেছে। এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়।’ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এ কথা বলেন তারেক রহমান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পোস্টে লিখেছেন, ‘মাগুরায় ধর্ষণের শিকার আট বছরের শিশু আছিয়া গত কয়েক দিন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় মৃত্যুবরণ করে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। নির্মম পাশবিকতায় আছিয়ার মৃত্যুর ঘটনা দেশবাসীর মতো আমাকেও ব্যথিত করেছে। তার মৃত্যুর সংবাদে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে গোটা দেশ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
এ ঘটনা সারা দেশের মানুষকে লজ্জিত করেছে।’

তিনি লিখেছেন, ‘আছিয়ার ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম পাশবিক ঘটনার প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে শহর থেকে গ্রামে। রাজপথ উত্তপ্ত হয়েছে মিছিল আর স্লোগানে। একই সঙ্গে তার ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা ছিল প্রতিটি মানুষের।
বৃহস্পতিবার দুপুরের পর সিএমএইচ থেকে আসা খবরে শোক আর ক্ষোভে এলাকার মানুষ ধিক্কার জানাচ্ছে মানুষরূপী কুলাঙ্গারদের।’

তারেক রহমান লিখেছেন, ‘আমি শুরুতে এ ঘটনা জানার পর তার চিকিৎসা ও আইনি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিলাম। অতীতের ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে ধর্ষণকারীদের বিচারের আওতায় না এনে বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করার ফলে দেশে ধারাবাহিকভাবে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। বিচারের দীর্ঘসূত্রতার ফলে আইনের ফাঁক দিয়ে ধর্ষণকারীরা বারবার রক্ষা পেয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ধর্ষণের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে।
’ তিনি বলেছেন, ‘ধর্ষণ শুধু অপরাধই নয়, মানবতার বিরুদ্ধে চরম আঘাত এবং সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের ভয়াবহ চিত্র। আমাদের সমাজে যে নির্মম ও বর্বরোচিত ঘটনাগুলো ঘটে চলছে, তা মানবতা ও নৈতিকতার মৌলিক ভিত্তিকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমরা দেখছি পবিত্র মাহে রমজান মাসেও ধর্ষণের ঘটনা থামছে না। দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হেনস্তা ও ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য কাজ রোধে সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।’ তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ‘গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে নারী হেনস্তা, হয়রানি, ধর্ষণ বা ধর্ষণের হুমকির মতো ঘটনা মানুষ আর প্রত্যাশা করে না। তারপরেও এ ঘটনাগুলো ঘটেই চলেছে। নারী, কিশোরী ও শিশুদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা হয়রানি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। এ ছাড়া একটি বিস্তৃত শিশু সুরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করে নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ চলাচল, নাগরিক স্বাধীনতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখতে হবে। ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে হবে আইনিভাবে। এ ধরনের অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এ ঘটনা শুধু বর্তমান সমাজকে কলুষিত করছে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও এক ভয়ংকর দৃষ্টান্ত তৈরি করছে। এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ যেন এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়।’

তারেক রহমান আছিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারটির সদস্যবর্গ, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ইউএন হাউস উদ্বোধন করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব

রাজধানীর গুলশানে ইউএন হাউস উদ্বোধন করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শনিবার সকালে তিনি এটি উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন শেষে জাতিসংঘের কার্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। আলোকচিত্র প্রদর্শনীর ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আলোকচিত্র ঘুরে ঘুরে দেখেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ণ এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

এই অনুষ্ঠান শেষে দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাবনা নিয়ে একটি গোলটেবিল আলোচনায় যোগ দেবেন গুতেরেস। এ বৈঠক শেষে তরুণ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া বিকেলে জাতিসংঘ মহাসচিব এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন বলেও জানা গেছে।

বিদ্যুৎহীন কিউবার লাখ লাখ মানুষ

জাতীয় গ্রিডে গোলযোগের কারণে কিউবাজুড়ে মারাত্মক বিদ্যুৎবিভ্রাট দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। কিউবার জাতীয় বৈদ্যুতিক দেশটির জ্বালানি ও খনি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী হাভানা এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জজুড়ে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাত ৮টা ১৫ মিনিট নাগাদ হাভানায় একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন ব্যর্থ হয়, যার ফলে রাজধানীসহ পশ্চিম কিউবার একটি বিশাল অংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
গ্রিড মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় আনার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী দেখেছেন, হাভানাজুড়ে আলো নেই। কেবল কয়েকটি পর্যটন হোটেল জ্বালানিচালিত জেনারেটরে চালিয়েছে। সিএনএনের একটি ভিডিওতে রাজধানী হাভানার পথঘাট ও ভবনগুলোকে অন্ধকারে ডুবে থাকতে এবং লোকজনকে বৈদ্যুতিক টর্চ নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করতে দেখা গেছে।

রাজধানীর পূর্ব এবং পশ্চিম উভয় প্রান্তের প্রদেশ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাতে কিউবার বিদ্যুতের মূল সরবরাহ লাইনে সমস্যা দেখা দিলে প্রায় এক কোটি মানুষ অন্ধকারে ডুবে যায়।

ভঙ্গুর অবকাঠামো, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার সঙ্গে লম্বা সময় ধরেই হিমশিম অবস্থা ক্যারিবিয় দেশটির। এর মধ্যে বড় ধরনের এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়কে সরকারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার আরেকটি ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত বছরের শেষের দিকেও দেশব্যাপী একাধিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর গ্রিড ব্যর্থতা দেখা দেয়।
গত অক্টোবরে প্রায় এক সপ্তাহের জন্য বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছিল কিউবা। সে সময় দেশটির বেশিরভাগ অংশে বিদ্যুৎবিভ্রাট দেখা দিয়েছিল, যা ছিল গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক। কয়েক মাস ধরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন স্বাভাবিক ঘটনা। খাদ্য, ওষুধ এবং পানির তীব্র সংকট অনেক কিউবার জীবনকে ক্রমশ অসহনীয় করে তুলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রেকর্ড সংখ্যক কিউবান দ্বীপ ছেড়ে চলে গেছে।

সূত্র: রয়টার্স

এবারও ছিটকে গেলেন নেইমার

১৬ মাস পর কলম্বিয়া ও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এই মাসে ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নামার কথা ছিল নেইমারের। সেই লক্ষ্যে দরিভালের ঘোষিত ২৩ সদস্যের দলেও জায়গা হয়েছিল তার। কিন্তু চোটে এবারও দল থেকে ছিটকে গেছেন এই তারকা ফুটবলার। তার জায়গায় ডাকা হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড এনদ্রিককে।

২ মার্চ ব্রাগান্তিনোর বিপক্ষে ম্যাচে পেশিতে চোট পান নেইমার। সেই চোট-ই কাল হলো তার। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) শুক্রবার নিশ্চিত করেছে, চোটের কারণে নেইমারকে দলে রাখা হচ্ছে না।

নেইমার ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে।
উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর এক বছরের বেশি সময় তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। সম্প্রতি শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন এই তারকা। দলটির হয়ে ব্রাজিলের ফুটবল লিগে ৭ ম্যাচে গোল করেছিলেন ৩টি। করিয়েছেন আরো ৩টি।

ম্যানচেস্টার সিটির গোলকিপার এদেরসন ও ফ্ল্যামেঙ্গোর দানিলোও চোটের কারণে খেলতে পারছেন না। তাদের বদলে দলে ডাক পেয়েছেন লিওঁর গোলরক্ষক লুকাস পেরি এবং ফ্ল্যামেঙ্গোর ডিফেন্ডার অ্যালেক্স সান্দ্রো।

দক্ষিণ আমেরিকান বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে বৃহস্পতিবার ব্রাসিলিয়ার গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে দলটি খেলবে কলম্বিয়ার বিপক্ষে। এরপর বুয়েনস এইরেসে গিয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ ২৬ মার্চ।