মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বন্ধ সব কোচিং

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার শুরু থেকে শেষ দিন পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের।

আজ রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা-২০২৫ এর জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ কথা জানান তিনি।

সিনিয়র সচিব বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পরীক্ষা চলাকালীন দিনগুলোতে পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।
’

তিনি এ-ও বলেন, ‘পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ দিন পর্যন্ত দেশের সর্বত্র সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। আগাম বন্যাপ্রবণ এলাকায় পরীক্ষা গ্রহণে ব্যাঘাত সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।’

সভায় শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, ‘২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ও সুশৃংখলভাবে গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণ একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ, যার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়।
এবারের এসএসসি পরীক্ষায় নানাবিধ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করাসহ পরীক্ষার সময়ে যে কোনো সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবর্তিত বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। ন্যাচারাল আবহাওয়া এবং বর্তমান পারিপার্শ্বিক অস্থিরতা মোকাবেলা করতে হবে। এ ছাড়াও অসাধু চক্রের যেকোনো অপতৎপরতাগর প্রতি নজর রাখতে হবে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ সহযোগিতা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের সাথে সংবেদনশীলতার সাথে আচরণ হবে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য প্রাপ্ত নম্বর নিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় পরীক্ষা চলাকালে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে অনুরোধ জানানো হয়। গুজব প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক জনসচেতনতার জন্য প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ করা হয়। বোর্ড থেকে দূরবর্তী কেন্দ্রগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত পূর্বক উত্তরপত্র দ্রুততম সময়ে বোর্ডে পৌঁছানোর জন্য ডাক বিভাগকে অনুরোধ জানানো হয়। বোর্ডের নিকটবর্তী কেন্দ্রগুলো থেকে উত্তরপত্র দ্রুততম সময়ে সরাসরি বোর্ড পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে বলেও জানানো হয়।

২০২৫ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪,৯০,১৪২ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৭,০১,৫৩৮ জন ও ছাত্রী ৭,৮৮,৬০৪ জন। পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২,২৯১টি, প্রতিষ্ঠান সংখ্যা ১৮,০৮৪টি।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২,৯৪,৭২৬ জন। এরমধ্যে ছাত্র ১,৫০,৮৯৩ জন, ছাত্রী ১,৪৩,৮৩৩ জন।পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ৭২৫টি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯,০৬৩টি।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১,৪৩,৩১৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র ১,০৮,৩৮৫ জন ও ছাত্রী ৩৪,৯২৮জন।

সাশ্রয়ী দামে আধুনিক ফার্নিচার সরবরাহ করবে সরকার : রিজওয়ানা

সরকার সাশ্রয়ী দামে টেকসই ও আধুনিক ডিজাইনের ফার্নিচার সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, ‘এজন্য বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফআইডিসি) আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।’

রবিবার (১৬ মার্চ) সচিবালয়ে বিএফআইডিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় এসব কথা জানান তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, ‘করপোরেশনের সব ফার্নিচারের ডিজাইন ও পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
ফলে এখন থেকে ক্রেতাদের পছন্দ মতো যেকোনো ডিজাইনের আসবাবপত্র তৈরি করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএফআইডিসিকে আধুনিক করতে প্রথমে সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করতে হবে। রাবার গাছের উৎপাদন বাড়াতে উন্নতমানের ক্লোন আনতে হবে। এ ছাড়া সুপারি পাতা, বাঁশ ও বেত দিয়ে পরিবেশবান্ধব পণ্য তৈরি করে সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিকের বিকল্প আনতে হবে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বিএফআইডিসির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. জহিরুল ইসলাম, পরিচালক (উৎপাদন ও বাণিজ্য) সাইফুল ইসলাম, পরিচালক (অর্থ) ড. মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান ভূঁইয়া, এনডিসি ও বিএফআইডিসির সচিব জাহান আরা উপস্থিত ছিলেন।

স্ত্রী-সন্তানসহ পাপনের ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন, তার স্ত্রী মিসেস রোকসানা হাসান, মেয়ে সুনেয়া রহমান, রুশমিলা রহমান ও ছেলে রাফসান হাসানের নামে থাকা ২৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ৩৩ কোটি ৭৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা রয়েছে।

রবিবার (১৬ মার্চ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ দিন দুদকের উপ-পরিচালক সাইদুজ্জামান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, নাজমুল হাসান পাপন ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও সরকারি অর্থ আত্মসাতপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে বিদেশে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।

গোপন ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, নাজমুল হাসান পাপন ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে (কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা এলাকা ছাড়াও অন্যান্য এলাকায়) এবং দেশের বাইরে- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ অন্যান্য দেশে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর করার চেষ্টা করছেন।
সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

প্রিয়সিনী হয়ে আসছেন তটিনী

এবারের ঈদে যেন নিজেদের এক ধাপ এগিয়ে নিলেন জোভান-তটিনী। যার শেষ নজির হচ্ছে ‘প্রিয় প্রিয়সীনি’ নাটক। ঈদের বিশেষ এই নাটকটির চিত্রনাট্য ও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ মাহিন। যাতে জোভানের প্রিয় প্রিয়সীনি চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তটিনী।

‘প্রিয় প্রিয়সিনী’ নাটকে জোভান অভিনয় করেছেন প্রবাসী ইকবালের চরিত্রে। যিনি ৩ মাসের ছুটি নিয়ে গ্রামে এসেছেন বিয়ে করার জন্য। কিন্তু শিল্পী নামের যে পাত্রীকে ইকবালের পছন্দ হয়েছে, তার পরিবার আবার মানতে নারাজ বিয়ের ৩ মাস পর ইকবালের বিদেশ চলে যাওয়ার বিষয়টি। এটা গল্পের শুরু মাত্র।
ভেতরে ও শেষে রয়েছে অনেক নাটকীয়তা।

নির্মাতা জানান, গল্পটির সঙ্গে অবিবাহিত প্রবাসীদের প্রায় সবার জীবনেরই ছায়া রয়েছে। কারণ প্রবাসীরা এমন জটিলতায় প্রায় সবাই পড়েন। তবে এখানে সেই জটিলতা ছাড়াও নিখাদ প্রেমের একটা দারুণ গল্পও রয়েছে।

নাটকটির প্রযোজক-পরিবেশক এস কে সাহেদ আলী পাপ্পু বলেন, ‘প্রিয়সিনী’সহ মোট ২০টি নাটক এবারের ঈদে মুক্তি পাচ্ছে সিএমভির ব্যানারে। যা চাঁদ রাত থেকে নিয়মিত উন্মুক্ত হবে প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।

বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভোশি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার (১৬ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টার অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়ন ও বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইরানের ট্রেড ভলিউম সক্ষমতার চেয়ে ছোট।
উভয় দেশেরই প্রচুর রপ্তানি সম্ভাবনা রয়েছে। বাণিজ্যিক সম্পর্কোন্নয়ন দুই দেশেকেই লাভবান করবে উল্লেখ করে। এ সময় বাণিজ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশে কৃষি ফার্মিং খাতে ইরানকে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভোশি বলেন, ইরান বাংলাদেশের ভালো বন্ধু রাষ্ট্র।
সংস্কৃতি, ধর্ম ও ভাষার মিল দুই দেশের মানুষকে শক্ত বন্ধনে আবদ্ধ করলেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনেও শক্ত ভিত পায়নি। এখন বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে ইরান আগ্রহী।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন ও ইরান দূতাবাসের সেক্রেটারি ফর ইকনমিক অ্যাফেয়ার্স মাহমুদ খোশরাভি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে যা বললেন আবরারের মা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আবরারের মা রোকেয়া খাতুন। তিনি দ্রুত রায় কার্যকর ও পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে আজ রবিবার (১৬ মার্চ) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতকক্ষে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের রায় শোনার পরে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের বাসায় আবরারের মা রোকেয়া খাতুন, দাদা আব্দুল গফুর বিশ্বাস, মেজো চাচি নিলুফা ইয়াসমিন ও সেজো চাচি মমতাজ বেগমও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

শহীদ আবরার ফাহাদের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় হাইকোর্ট আজ যে রায় দিয়েছেন তাতে আমি সন্তোষ প্রকাশ করছি। শুধু আমরা নয়, সারা দেশের মানুষও সন্তুষ্ট।
২০২২ সালের রায় বহাল রয়েছে। প্রথম যখন রায় ঘোষণা করা হয়েছিল, সে রায়েও দেশবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছিল। আমি বর্তমান সরকার, বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্টরা, ছাত্রজনতা, সাংবাদিক ও দেশবাসীর সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মৃত্যুর চার বছর পরেও আমার সন্তানকে কেউ ভুলে যায়নি।
সবাই আমার আবরারকে মনে রেখেছে, কেউ ভুলে যায়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান র‍্যাগিংমুক্ত থাক। বর্তমানে যেমন জুলুম-অত্যাচার নেই। তেমন যেন সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব সময় নিরাপদ থাকে। ভবিষ্যতে যেন আমার মতো কাউকে সন্তান হারাতে না হয়।
শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন লক্ষ্য যেন ধ্বংস না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যে রায় হয়েছে, সেটা দ্রুত কার্যকর করা হোক। যাতে আবরারের মতো কাউকে জুলুম-অত্যাচার করতে না পারে কেউ। এ রকম কাজ করার কেউ সাহস না পাই। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের উচিত, শিক্ষার্থীদের ছেলের মতো করে দেখা। পিতামাতার মতো শাসন করতে হবে।’

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল (সিই বিভাগ, ১৩তম ব্যাচ), সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৫তম ব্যাচ), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার অপু (মেকানিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির (ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), সদস্য মুনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ), সদস্য মোজাহিদুর রহমান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), সদস্য হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), সদস্য এহতেশামুল রাব্বি তানিম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মাজেদুর রহমান মাজেদ (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), খন্দকার তাবাক্কারুল ইসলাম তানভীর (মেকানিক্যাল, ১৭তম ব্যাচ), মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), এস এম নাজমুস সাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মিজানুর রহমান (ওয়াটার রিসোসের্স, ১৬ ব্যাচ), শামছুল আরেফিন রাফাত (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং), উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ (কেমিকৌশল) এবং এসএম মাহামুদ সেতু (কেমিকৌশল)।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন— বুয়েট ছাত্রলীগের সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, সিই বিভাগ), গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না (মেকানিক্যাল, তৃতীয় বর্ষ), আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), সদস্য আকাশ হোসেন (সিই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ) ও মোয়াজ আবু হোরায়রা (সিএসই, ১৭ ব্যাচ)।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অসম চুক্তি এবং পানি আগ্রাসন নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের জেরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নৃশংস কায়দায় পিটিয়ে হত্যা করে সংগঠনটির ক্যাডাররা। পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরদিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। মাত্র ৩৭ দিনে তদন্ত শেষ করে একই বছরের ১৩ নভেম্বর চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।

আবরার ফাহাদ ১৯৯৮ সালে ১২ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রায়ডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মো. বরকত উল্লাহ এবং মায়ের নাম রোকেয়া খাতুন।

আবরার কুষ্টিয়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা এবং পরে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে পড়াশোনা করেন। নটর ডেম কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা শেষে ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ আবরার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন। তার ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বর্তমানে বুয়েটে মেকানিক্যাল বিভাগে অধ্যয়নরত।

নন-ক্যাডার শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠি

সরকারি চাকরিতে বিপুলসংখ্যক পদ খালি থাকলেও সে সব শূন্য পদে নিয়োগে কার্যকর উদ্যোগ নেই। এ অবস্থায় মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং অধীন দপ্তর/সংস্থাগুলোতে ৯ম থেকে ১২তম গ্রেডের নন-ক্যাডার শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য চেয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১৫ মার্চ) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারীদের পরিসংখ্যান, ২০২৩ অনুযায়ী ৯ম থেকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারের অনুমোদিত নন-ক্যাডার শূন্য পদের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৭২ হাজারটি।
এর মধ্যে ৪৩তম থেকে ৪৭তম বিসিএস পর্যন্ত নন-ক্যাডার (৯ম-১২তম গ্রেড) ৬ হাজার ২৬৯টি পদে নিয়োগে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে অধিযাচন পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বরের একটি স্মারকে সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীন দপ্তর/সংস্থার শূন্যপদ পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হলেও গৃহীত পদক্ষেপ সন্তোষজনক মর্মে প্রতীয়মান হয় না।

‘ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু, বর্ণিত তথ্যমতে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও তা পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না’ বলে জানানো হয় চিঠিতে।

এ অবস্থায় ‘ছক’ মোতাবেক আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ, অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থার নন-ক্যাডার (৯ম-১২তম গ্রেড) শূন্য পদগুলোর তথ্য (ওয়ার্ড ফাইলসহ) পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বইটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, সম্পূর্ণ গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস নয় : আসিফ মাহমুদ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের মধ্যে অন্যতম এবং অন্তর্বর্তী সরকারের যুব, ক্রীড়া ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জুলাই স্মৃতিকথা নিয়ে বই লিখেছেন। ‘জুলাই : মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ শিরোনামের বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানও হয়ে গেছে। বইয়ের ভূমিকা লিখেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

গতকাল শনিবার বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর এ নিয়ে মন্তব্য জানিয়েছেন পাঠকরা।
রবিবার দুপুরে বইটির বিষয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।

তিনি বলেন, “গতকাল প্রকাশনা অনুষ্ঠানেও বলেছি, আবারও বলছি। জুলাই : মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু- বইটা আমার চোখে গণ-অভ্যুত্থানকে যেভাবে দেখেছি সেই অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। সম্পূর্ণ গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস নয়।
ব্যক্তি আসিফ মাহমুদের অভ্যুত্থানের অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস হিসেবে ধরে নেওয়া ভুল হবে।”

তিনি আরো বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস তখনই পূর্ণতা পাবে যখন অন্তত আরো কয়েক শ জন তাদের অভিজ্ঞতা লিখবে। তখনই কেবল পাঠক সব মেলাতে পারবেন। জুলাইয়ের স্মৃতিকে সংরক্ষণ করার জন্য সারা দেশের সব সংগঠককে লিখতে আহ্বান জানাচ্ছি।
’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এ ছাড়া বইটি সংক্ষিপ্ত, এখানে অনেক বড় ঘটনাকেও ১ লাইনের মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। মাত্র ১২০ পৃষ্ঠায় আমার নিজের অভিজ্ঞতার বিস্তারিত বর্ণনা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে ফ্রি সময় পেলেই এই বইয়ের টাইমলাইন ধরে ধরে বিস্তারিত লিখবো ইনশাআল্লাহ। বিস্মৃত হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই ছোট আকারে প্রাথমিকভাবে লিখে রাখা।’

তিনি বলেন, ‘এত বিস্তৃত গণ-অভ্যুত্থান, লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ, শত শত জায়গায় শত শত ঘটনা।
সব আমার চোখের সামনে ঘটেনি, যা ঘটেছে তাই জায়গা করে নিয়েছে এই বইতে। এ জন্যই আরো লেখা আসা প্রয়োজন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মতো বড় ঘটনার ইতিহাস লেখাটা সব সময় চ্যালেঞ্জিং, প্রথম চ্যালেঞ্জটা আমিই নিলাম। শুরুটা করলাম, এবার আপনারাও লিখুন। পূর্ণতা পাক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস।’

শিয়েরারের রেকর্ড ভেঙে দিলেন হালান্ড

একটু যেন দেরিই হলো! তবে ঠিকই রেকর্ডটা নিজের করে নিয়েছেন আর্লিং হালান্ড। ম্যাচের হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে ১০০ গোলে অবদান রাখা দ্রুততম খেলোয়াড় তিনি।

ঘরের মাঠ ইতিহাদে গতকাল রেকর্ডটি গড়েছেন হালান্ড। ব্রাইটনের বিপক্ষে ১১ মিনিটে সফল স্পটকিকে মাইলফলকটি স্পর্শ করেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড।
৯৪ ম্যাচে ১০০ গোলে অবদান রেখেছেন তিনি। এতে ভেঙে গেছে অ্যালান শিয়েরারে রেকর্ড। ১০০ ম্যাচে ১০০ গোলে অবদান রেখে এত দিন রেকর্ড নিজের কাছে ধরে রেখেছিলেন নিউক্যাসল ও ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি।

সেঞ্চুরির অবদানের মধ্যে ৮৪ গোলের বিপরীতে ১৬ অ্যাসিস্ট করেছেন হালান্ড।
তার চেয়ে কম অ্যাসিস্ট করেছেন শুধু হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার আগে টটেনহামের হয়ে প্রথম ১০০ গোলের অবদানে ১৩ অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। কেইন সব মিলিয়ে সেঞ্চুরির গোলে অবদান রাখতে খেলেছেন ১২৮ ম্যাচ।

রেকর্ডটা আরো আগেই পেতে পারতেন হালান্ড।
২০২২ সালে সিটিতে যোগ দেওয়ার পর যেভাবে গোল করছিলেন। অতিমানবীয় পারফরম্যান্স করে প্রথম দুই মৌসুমের গোল্ডেন বুট জিতেছেন তিনি। এ মৌসুমে অবশ্য শীর্ষে থাকা মোহাম্মদ সালাহর থেকে ৬ গোলে পিছিয়ে আছেন। লিভারপুলের ফরোয়ার্ডের ২৭ গোলের বিপরীতে ২১ গোল হালান্ডের। তবে প্রথম পাঁচ ম্যাচে ১০ গোল করে যেভাবে শুরুটা করেছিলেন তা ধরে রাখতে পারলে সালাহকে এবারও পেছনে তা ফেলতেনই সঙ্গে আরো কম ম্যাচে দ্রুততম ১০০ গোলের অবদান রাখার রেকর্ড গড়তে পারতেন।

গতকাল হালান্ড হাসলেও তার দল অবশ্য হাসিমুখে মাঠ ছাড়তে পারেনি। ঘরের মাঠে ব্রাইটনের বিপক্ষে দুইবার এগিয়ে গিয়েও ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। ২-২ গোলের ড্রয়ে আগামী চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি সুযোগ পাওয়াটাও তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে ৫ নম্বরে আছে তারা। ৭০ পয়েন্টে লিগ জয়ের আরো কাছে লিভারপুল। অল রেডদের পরেই আছে আর্সেনাল (৫৫), নটিংহাম ফরেস্ট (৫৪) ও চেলসি (৪৯)। চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি সুযোগ পেতে হলে মৌসুম শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চারে থাকতে হবে সিটিকে।

নাসিম-শাহীন-হারিসরা প্রতিভাবান, কিন্তু সেরা নন : মঈন আলী

পাকিস্তানের পেস বোলারদের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ইংল্যান্ড ক্রিকেটার মঈন আলী। পেস আক্রমণে পাকিস্তানের সোনালি এখন অতীত বললেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের আরেক ক্রিকেটার আদিল রশিদের সঙ্গে এক পডকাস্টে এই বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

মঈন স্বীকার করেছেন যে, নাসিম শাহ, শাহীন আফ্রিদি এবং হারিস রউফরা প্রতিভাবান।
তবে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে তারা বিশ্বের সেরা পেস আক্রমণ গড়ে তুলেছেন কি না। পডকাস্টে মঈন বলেন, ‘বিশেষ করে পাকিস্তানি পটভূমির লোকজনের মধ্যে একটা ধারণা আছে যে পাকিস্তানের পেস বোলিংই সেরা। কিন্তু আমি সেটা মনে করি না। ওরা ভালো, তবে সেরা নয়।
নাসিম শাহ, শাহীন আফ্রিদি ও হারিস রউফ নিঃসন্দেহে খুব ভালো বোলার। আমরা এটা বলছি না যে তারা খারাপ, তবে তারা বিশ্বের সেরা বোলারও নয়।’

মঈনের এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়ে কঠিন সময় পার করছে। আর টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের পেসাররা পুরোপুরি ব্যর্থ।
বিশেষ করে শাহীন আফ্রিদি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ওভারে কোনো উইকেট না নিয়ে ৬৮ রান দেন এবং ভারতের বিপক্ষে ৮ ওভারে ৭৪ রান দিয়ে পান মাত্র দুটি উইকেট।

নাসিম শাহ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ওভারে ৬৩ রান খরচায় দুটি উইকেট পেলেও ভারতের বিপক্ষে ৮ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে কোনো উইকেট নিতে পারেননি। অন্যদিকে, হারিস রউফ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বোলার ছিলেন, ১০ ওভারে ৮৩ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন। ভারতের বিপক্ষে তিনি ৭ ওভারে ৫২ রান দিলেও কোনো উইকেট পাননি।