সোমবার, অক্টোবর ৫, ২০২৬

প্লাস্টিক দূষণ রোধে দক্ষিণ এশীয় ঐক্যের ডাক দিল বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার নদ-নদী ও সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

গতকাল সোমবার শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত ‘প্লাস্টিক-ফ্রি রিভার্স অ্যান্ড সীজ: এ ভিশন ফর সাউথ এশিয়া রিজিওনাল রাউন্ডটেববিল’ এর ‘পলিসি অ্যান্ড রেগুলেটরি চ্যালেঞ্জেস অব ম্যানেজিং প্লাস্টিক ওয়েস্ট’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এ আহ্বান জানান।

ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নদী ব্যবস্থার আবাসস্থল। এখানকার জলাধারে প্লাস্টিক সীমান্ত পেরিয়ে এসে জমা হয় এবং বাস্তুতন্ত্র ও জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলে।

তিনি বলেন, এই সমস্যার সমাধানে দরকার সমন্বিত আঞ্চলিক কৌশল— যেখানে সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও টেকসই অর্থায়ন থাকবে।

পরিবেশ সচিব বলেন, প্লাস্টিক দূষণ সমস্যা মোকাবিলায় তিনটি প্রধান বাধা রয়েছে— অপ্রতুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেমন উন্মুক্তভাবে ফেলা ও পোড়ানো; দুর্বল আইন বাস্তবায়ন; তথ্য বিনিময় ও যৌথ পরিবীক্ষণে আঞ্চলিক সহযোগিতার ঘাটতি। তিনি একটি দক্ষিণ এশীয় বহু খাতভিত্তিক প্লাস্টিক কর্মপরিকল্পনা গঠনের প্রস্তাব দেন। এই পরিকল্পনায় থাকবে— বৃত্তাকার অর্থনীতির জন্য সমন্বিত নীতি, প্লাস্টিক উৎপাদন হ্রাসে অভিন্ন মানদণ্ড এবং গ্লোবাল প্লাস্টিকস চুক্তির সঙ্গে সঙ্গতি।

তিনি আঞ্চলিকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ, আলাদা করা ও প্রক্রিয়াকরণে যৌথ উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্ষতিকর প্লাস্টিক ধাপে ধাপে বন্ধ করার পাশাপাশি নিরাপদ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য বিকল্প ব্যবহারের আহ্বান জানান।

তিনি আঞ্চলিক প্লাস্টিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থা, হটস্পট পরিষ্কারের কর্মসূচি ও আইনের কঠোর প্রয়োগের প্রস্তাব দেন। বলেন, আমাদের অঞ্চল উপযোগী গবেষণায় বিনিয়োগ করতে হবে।
জনসম্পৃক্ততা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাও দরকার। তিনি এক্সটেন্ডেড প্রোডিউসার রেস্পন্সিবিলিটি (ইপিআর) মডেলের ওপর জোর দেন, যাতে শিল্পকারখানাগুলো বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আর্থিকভাবে অংশগ্রহণ করে।

তিনি বলেন, আমাদের আলাদা চেষ্টা যথেষ্ট নয়। এখনই সময় সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার। আমরা সাহসী সিদ্ধান্ত নেব, প্লাস্টিকমুক্ত দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একসঙ্গে কাজ করব।

ড. ফারহিনা আহমদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন—পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব শামীমা বেগম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক রাজিনারা বেগম।

এ গোলটেবিল বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন।

আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা স্থাপন করবে সুইডিশ কম্পানি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার বিএসইজেডে (বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল) কারখানা স্থাপন করবে সুইডিশ কম্পানি নীলর্নের বাংলাদেশ ইউনিট নীলর্ন বাংলাদেশ লিমিটেড।

এ জন্য বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারো কাওয়াচির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন নীলর্ন বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম।

মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।

এর আগে গতকাল সোমবার থেকে দেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষে চার দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২৫’ ঢাকায় শুরু হয়েছে।

চার দিনব্যাপী সামিটের প্রথম দিন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বড় অংশ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, কোরিয়ান ইপিজেড ও মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভ্রমণ করেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

দক্ষিণ কোরিয়ার আগাম নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হ্যান ডাক সু। তিনি বলেছেন, সামরিক আইন জারির কারণে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে পদ থেকে অপসারণের পর ৩ জুন আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খবর আলজাজিরার।

মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু বলেন, নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে সরকার এই তারিখ নির্ধারণ করেছে।

হান বলেন, সরকার জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং অন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে।

এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর দেশজুড়ে সামরিক আইন জারি করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। পরে ১৪ ডিসেম্বর তাকে অভিশংসন ও দেশের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরিয়ে দেয় দেশটির সাংবিধানিক আদালত।

বর্তমানে দেশটিতে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আছেন হ্যান ডাক সু।
দেশটির সংবিধান অনুসারে প্রেসিডেন্টের অপসারণের পর তিন মাসের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নেওয়ার বিধান রয়েছে।

ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে ভাঙচুরের ঘটনায় ৪৯ জন গ্রেপ্তার

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময় দেশের বিভিন্নস্থানে দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অন্তত ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব সচিব শফিকুল আলম এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সোমবার বিভিন্ন শহরে গাজাবিরোধী বিক্ষোভের সময় সংঘটিত হিংস্র ও অবৈধ ঘটনার ওপর বাংলাদেশ পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। এই হামলা এবং ভাঙচুর কাজ জন নিরাপত্তা এবং আইনের শাসনের প্রতি অপমানজনক।
এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্তত ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরো তদন্ত চলছে এবং এই নিন্দনীয় কাজের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মামলা দায়ের করা চলছে।

তিনি আরো বলেন, যারা বিচারের আওতায় আসবে তাদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ প্রচেষ্টায়, পুলিশ গত রাতে অপরাধীদের লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছিল।
এ ছাড়া আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আরো ব্যক্তি জড়িত শনাক্ত করার জন্য বিক্ষোভের সময় তোলা ভিডিও ফুটেজ কঠোরভাবে পর্যালোচনা করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই সহিংসতা ও ধ্বংসের জন্য দায়ী তাদের গ্রেপ্তার না করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা এমন কাউকে অনুরোধ করছি যে তথ্য নিয়ে তদন্ত করতে সাহায্য করতে পারে। আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে, যারা আমাদের সমাজের শান্তি ও স্থায়িত্বকে দুর্বল করতে চায় তাদের জবাবদিহি করা হবে।

ইসরায়েলের লাগাতার বোমা হামলায় আরো ৬০ ফিলিস্তিনি নিহত

ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। তাদের হামলায় সোমবার ভোর থেকে কমপক্ষে ৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো শতাধিক।

এর ফলে অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫০ হাজার ৭৫০ ছাড়িয়ে গেছে।
এছাড়া গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে প্রায় ১৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

এর মধ্যে দেইর আল-বালাহতে একটি বাড়িতে হামলায় নিহত ৯ জন এবং খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের কাছে একটি তাঁবুতে বোমা হামলায় নিহত তিনজনও রয়েছেন।

পৃথক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ৫৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
যার ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক আগ্রাসনে ভূখণ্ডটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজার ৭৫২ জনে পৌঁছেছে বলে সোমবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

চুক্তি সম্পন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে ইউক্রেন

চুক্তি সম্পন্ন করতে আমেরিকায় বিশেষ প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে ইউক্রেন। ট্রাম্প-জেলেনস্কি বাকযুদ্ধের পর এই চুক্তি ভেস্তে গিয়েছিল। চলতি সপ্তাহেই ইউক্রেনের একটি প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটন যাবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মুখপাত্র।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে।
যুদ্ধের পর ইউক্রেনে বড় বাজার পেতে চায় আমেরিকা। পাশাপাশি দেশের খনিজ সম্পদ হস্তগত করতে চায় তারা। ইউক্রেন এই শর্তগুলো মানলে তবেই আমেরিকা তাকে সামরিক সাহায্য দেবে বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মাসখানেক আগে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে ওয়াশিংটন গিয়েছিলেন জেলেনস্কি।
কিন্তু ক্যামেরার সামনে ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রবল বিতর্ক হয়। যার জেরে চুক্তিতে সই না করেই দেশে ফিরে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। শেষ পর্যন্ত আমেরিকার সঙ্গে ওই চুক্তিতে যেতে সম্মত হলেন তিনি।

ইউক্রেনের একাধিক মন্ত্রী এই প্রতিনিধিদলে থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।
ইউক্রেনের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের একটিই চাহিদা। জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সামরিক সাহায্যের বিষয়ে যে চুক্তি হয়েছিল, তা বহাল থাকবে। সামরিক সাহায্য কোনোভাবেই তারা ঋণ হিসেবে গ্রহণ করবে না।

শুল্ক কমানোর অনুরোধ জানানো দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা শিগগির : ট্রাম্প

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে আমদানির ক্ষেত্রে যে নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়েছে তা নিয়ে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে শুল্ক কমানোর অনুরোধ জানিয়ে অনেক দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এর প্রেক্ষিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এসব দেশের সঙ্গে শিগগির সমঝোতা আলোচনা শুরু করা হবে। খবর বিবিসি’র।

সোমবার (৭ এপ্রিল) নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি। এ ঘোষণা একই সঙ্গে চীন নতুন করে যে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে, সেটা প্রত্যাহার না করলে দেশটির ওপর আরো ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি।

চীনের ওপর আরো ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি : ট্রাম্প লিখেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরোপ করা ৩৪ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার না করে চীন, তাহলে ৯ এপ্রিল থেকে দেশটির ওপর অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তার দাবির সঙ্গে বেইজিং যদি একমত না হয়, তাহলে চীনের সঙ্গে পরিকল্পনায় থাকা সব আলোচনা বাতিল করা হবে।
তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের বিরুদ্ধে কোনো দেশ প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিলে তাদের ওপর আরোপ করা প্রাথমিক শুল্কের ওপর দ্রুত নতুন এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক আরোপ করা হবে।

তিনি বলেন, এ ছাড়া চীনের অনুরোধের ভিত্তিতে যেসব বৈঠকের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেগুলোর সব বাতিল করা হবে। আর অন্য যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের অনুরোধ করেছে, তাদের সঙ্গে শিগগিরই আলোচনা শুরু হবে।

গত ৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে।
দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার, বিশেষ করে তৈরি পোশাকের বড় রপ্তানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় বুধবার বিকেল ৪টায় হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে উচ্চ মাত্রার এই শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে কত শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে তা উল্লেখ করে, এর প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র সেসব দেশে কত শতাংশ শুল্ক আরোপ করল সেই তালিকা তুলে ধরেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের পাল্টা এই শুল্ক আরোপে ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ, পাকিস্তানের পণ্যের ওপর ২৯ শতাংশ এবং চীনের পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সব ধরনের বিদেশি গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের শুরুতেই ‘আজ খুব ভালো খবর’ থাকবে বলে জানান। ট্রাম্প তার বক্তব্যে আজকের এই দিনকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছে। আজকের দিনটি আমেরিকান শিল্পের ‘পুনর্জন্ম’। আমেরিকাকে ‘আবার সম্পদশালী’ করার দিন।

ট্রাম্প বলেন, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কখনো ‘বন্ধু শত্রুর চেয়ে খারাপ হয়’। দক্ষিণ কোরিয়ায় যেসব গাড়ি উৎপাদন করা হয়, তার ৮০ শতাংশের বেশি সে দেশে বিক্রি হয়। আর জাপানে যেসব গাড়ি বিক্রি হয়, সেগুলোর ৯০ শতাংশের বেশি সে দেশে তৈরি হয়। এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি বিক্রি হয় খুব সামান্য। ফোর্ড অন্যান্য দেশে খুব কম গাড়ি বিক্রি করে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, অন্য যে দেশে তৈরি মোটরযানের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হবে এবং এটা আজ মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বাধার মুখে রয়েছে। অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে অশুল্ক বাধা আরো খারাপ অবস্থা তৈরি করেছে।

জন্মদিনে সমুদ্রসৈকতে একান্তে বিজয়-রাশমিকা!

গত ৫ এপ্রিল ছিল রাশমিকা মান্দানার জন্মদিন। জন্মদিনে সমুদ্রসৈকত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছিলেন অভিনেত্রী। ঠিক এক দিন পর একই রকম দেখতে ছবি শেয়ার করতে দেখা যায় তার চর্চিত প্রেমিক অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে। এখান থেকেই শুরু হয় জল্পনা-কল্পনা।
তাহলে কি তারা একসঙ্গে ছুটি কাটালেন?

শনিবার ওমানে সমুদ্রসৈকতের ধারে বসে রাশমিকা যে ছবিগুলো পোস্ট করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি একটি কালো রঙের পোশাক পরে সমুদ্রসৈকতে বসে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। কখনো বালির সঙ্গে খেলা করছেন কখনো আবার সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন। ছবিগুলো পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘কিছু সমুদ্রসৈকত…কিছু বালি…কিছু সূর্যাস্ত…কিছু ফুল এবং তোমার সব ভালোবাসা, শুভেচ্ছাসহ অনেক হাসি।’

রাশমিকার ছবি পোস্ট করার ঠিক এক দিন পর, অর্থাৎ রবিবার বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে দেখা যায় ঠিক একই রকম ছবি পোস্ট করতে।
বিজয় যে ছবিগুলো পোস্ট করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি সাদা রঙের ঢিলেঢালা শার্ট এবং সাদা পাজামা পরে রয়েছেন অভিনেতা। তিনি কখনো সমুদ্রসৈকতে হেঁটে বেড়াচ্ছেন, কখনো আবার ঘোড়ার পিঠে চেপে রয়েছেন। ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ঘোড়ায় চড়ে বেড়াচ্ছি এবং বারেফিটে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

ছবি দেখে অনেকেরই মনে হয়েছে তারা দুজনে একই জায়গায় ছিলেন।
ছবির মধ্যে বেশ কিছু মিলও খুঁজে পেয়েছেন ভক্তরা। দুটি ছবির পেছনেই নীল ছাতা, তালগাছ এবং সাদা বালি রয়েছে যা ইঙ্গিত করে দুই তারকা একই দিনে একই জায়গায় ছিলেন।

দুটি ছবির মিল দেখে বিজয়ের পোস্টে এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘ফটোগ্রাফার রাশমিকা।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘রাশুর জন্মদিনে একই স্থানে।’ তৃতীয় একজন মন্তব্য করে লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় আমি কিছু মিল দেখতে পাচ্ছি, আমরা সবাই জানি কোথায়!!!’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই একে অপরের সঙ্গে ডেটিং করছেন রাশমিকা এবং বিজয়।
ভালোবাসার কথা স্বীকার করলেও তারা যে একে অপরকে ডেটিং করছেন সে কথা এখনো স্বীকার করেননি তারা। তবে তারকা জুটি ডেটিং করার কথা অস্বীকার করলেও প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে দেখতে পাওয়া যায় তাদের।

সংস্কারে সাধারণের মতামত নিতে জরিপ করবে ঐকমত্য কমিশন : আলী রীয়াজ

রাষ্ট্র সংস্কারে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমে দেশের সব শ্রেণি-পেশার অংশগ্রহণ নিশ্চিতে জরিপ চালানো হবে। একই সঙ্গে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মতামত জানাতে পারবেন আগ্রহীরা।

সোমবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে এবি পার্টির সঙ্গে হওয়া সংলাপে এ কথা জানান জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

বৈঠকে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে দলটির ১৩ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ গত ২০ মার্চ শুরু হয়। ঈদের ছুটির কারণে বন্ধ থাকলেও সোমবার থেকে আবারও শুরু হয়েছে।

সংলাপে অংশ নিয়ে এবি পার্টি সংস্কার প্রশ্নে তাদের দীর্ঘ বক্তব্য তুলে ধরেছে।
তারা জানিয়েছে, ঐকমত্য কমিশন উত্থাপিত ১৬৬টি প্রস্তাবের মধ্যে ১০৮টির সঙ্গে একমত তারা। ৩২টি প্রস্তাবে তাদের দ্বিমত রয়েছে। আর ২৬টি প্রস্তাবে তারা আংশিক একমত।

এদিকে বৈঠকের শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য জাতীয়ভাবে হতে হবে।
শুধু সমাজের বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর, বিশেষ কোনো অংশের প্রতিনিধিত্ব না করে, রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন, এর বাইরেও যারা আছেন তাদের মতামত আমরা নিতে চাই। আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা হচ্ছে সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা। যাতে করে সংস্কার কার্যক্রমের মধ্যে মনোনিবেশ করতে পারি।’

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে ২৯ রাজনৈতিক দল মতামত দিয়েছে বলে জানান আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে।
আশা করি, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ রাজনৈতিক দল ও জোটগতভাবে পথম পর্যায়ের সংলাপ শেষ হবে। এরপর মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ শুরু হবে। সে ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য দেখব, বাইরেও কিছু কিছু বিষয়ে ভিন্ন মত আছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে। তা নিয়ে মের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে আলোচনা করতে পারব বলে আশা করছি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করাই কমিশনের লক্ষ্য।

আলোচনায় অংশ নিয়ে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবনা আমাদের পছন্দ হয়েছে। যেসব বিষয়ে দ্বিমত এবং আংশিকভাবে ঐকমত্য এসব বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংকট নিরসনে আনুষ্ঠানিক আলোচনার বাইরেও পর্দার অন্তরালে আলোচনা করতে হবে। অনেক বিষয়ে আমরা হয়তো একমত হইনি। কিন্তু ভবিষ্যতে সংলাপের মাধ্যমে একমত হবো। অথবা আমাদের মতামতের ভিত্তিতে আপনাদের মতামত প্রত্যাহার করে, একটি জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছাব। আমাদের দলের অবস্থান ফ্ল্যাক্সিবল। আমাদের মতামতের ওপরই যে আমরা স্থির থাকব তা না, যৌক্তিকতার আলোকে যেকোনো আলোচনাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এটা আমাদের নীতিগত অবস্থান।’

তিনি আরো বলেন, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরেও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে তৎপরতা চালাতে হবে, কারণ সবাইকে নিয়ে একমতে আসার মতো কঠিন কাজ কিছু হতে পারে না। তার পরেও আমরা আশাবাদী জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সফল হবে, বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। সঠিক দিক-নির্দেশনায় চলবে।

উল্লেখ্য, সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান, নির্বাচন, বিচার বিভাগ, দুদক, জনপ্রশাসন সংস্কারে গঠিত পাঁচটি কমিশনের ১৬৬ সুপারিশে ৩৮টি রাজনৈতিক দলের কাছে মতামত চায় কমিশন। এতে ২৯টি দল তাদের মতামত দিয়েছে। মতামত দেওয়া দলগুলোর সঙ্গে গত ২০ মার্চ থেকে প্রথম দফার সংলাপ শুরু হয়েছে।

এরআগে এলডিপি, খেলাফত মজলিস, লেবার পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে দলগুলোর জমা দেওয়া মতামত নিয়ে আলোচনা করেছে কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনার মাধ্যমে যেসব বিষয়ে একমত হবে, সেগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিতে সই হবে জুলাই সনদ।

আবারও ক্যান্সারে আক্রান্ত আয়ুষ্মান খুরানার স্ত্রী

সাত বছর আগে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলিউড তারকা আয়ুষ্মান খুরানার স্ত্রী নির্মাতা তাহিরা কাশ্যপ। নিয়মিত চিকিৎসার পর সেটি ভালোও হয়ে গিয়েছিল। তবে ফের দুঃসংবাদ।

আজ সোমবার সকালে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে সাত বছর পর ক্যান্সার ফিরে আসার কথা জানিয়েছেন তাহিরা।
জানান, আবারও স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে তাহিরা লিখেছেন, ‘সাত বছর ধরে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। এবার পরীক্ষার পর দ্বিতীয়বারের মতো এটার (ক্যান্সার) অস্তিত্ব পেয়েছি।’

তাহিরার পোস্টের পর অনুরাগীরা তার জন্য প্রার্থনা করেছেন।
একজন লিখেছেন, ‘ঈশ্বর তার নিজের সন্তানদের নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেন, আমরা একটা কাটিয়ে উঠব।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শক্ত থাকুন। আগেরবারের মতো এবারের যুদ্ধেও আপনি জিতবেন।’

এর আগে ২০১৮ সালে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন তাহিরা।
কেমোথেরাপি চলার সময় ন্যাড়া মাথার ছবি দিয়ে সে কথা নিজেই অনুসারীদের জানিয়েছিলেন তিনি। এরপর বিভিন্ন সময়ে ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা তৈরি করতে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তাহিরা।

সম্প্রতি বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ক্যান্সার আসলে আপনার মানসিক শক্তি, সামর্থ্য আর বিশ্বাসের পরীক্ষা নেয়। দ্রুত ধরা পড়লে ভালোভাবে সেরে ওঠা যায়। সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, এটা অনেকের উপকারে আসবে।