রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬

পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

রোমান ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পৌঁছান তিনি।

এর আগে, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে ইতালির উদ্দেশে কাতার ত্যাগ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি রোমে পৌঁছায়। সেখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান।

বিশ্বের প্রথম লাতিন আমেরিকান পোপ, পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্য হতে চলেছে আগামীকাল শনিবার সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার সামনে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন বিশ্বের নানা দেশের নেতারা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন। তা ছাড়া অন্য বিশ্বনেতাদের মধ্যে ফ্রান্সিসের জন্মভূমি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলি, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা ডি সিলভা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন। চার্চের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এ অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেবেন ক্যাথলিক চার্চের কার্ডিনাল কলেজের ডিন জিওভান্নি বাত্তিস্তা রে।

জানা গেছে, শেষকৃত্যের শেষে তিনি ‘চূড়ান্ত সমর্পণ প্রার্থনা’ পাঠ করবেন, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পোপকে ঈশ্বরের হাতে সমর্পণ করা হবে।

এরপর পোপের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রোমের সান্তা মারিয়া মেজিওর ব্যাসিলিকায়, যেখানে তাকে সমাহিত করা হবে।

পোপ ফ্রান্সিস প্রথা ভেঙে সেন্ট পিটার্সের বদলে রোমের সান্তা মারিয়া ব্যাসিলিকায় সমাহিত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে পোপ ফ্রান্সিসের বহু পূর্বসূরির সমাধি আছে।

৮৮ বছর বয়সী পোপ ফ্রান্সিস চলতি বছরের প্রথম দিকে দুইবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পাঁচ সপ্তাহ হাসপাতালে ছিলেন।

প্রায় এক মাস আগে তিনি হাসপাতাল থেকে ভ্যাটিক্যানের বাসায় ফিরেছিলেন।
ইস্টার সানডে উপলক্ষে রবিবার সেন্ট পিটার্স স্কয়ারেও হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু তার পরদিন সকালে ভ্যাটিকান তার মৃত্যুর খবর জানায়।

২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৬৪২

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৬৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৭২ জন বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। অন্য ৫৭০ জনকে বিভিন্ন ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছ পুলিশ।

আজ শুক্রবার পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।
গত ২৪ ঘণ্টার তথ্য এটি।

ইনামুল হক সাগর জানান, অভিযানিক কার্যক্রমে উদ্ধার হয়েছে একটি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক, পাঁচটি পাইপগান, দুইটি ওয়ান শুটারগান, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, চার রাউন্ড কার্তুজ, পাঁচটি চাইনিজ কুড়াল, একটি রামদা, তিনটি দা, একটি কিরিচ, তিনটি চাকু, একটি কাচি, একটি হাতুড়ি, একটি লাঠি, তিনটি রড, একটি কুচা ও একটি সুলফি।

বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের এই কর্মকর্তা।

আকর্ষণীয় বিনিয়োগ পরিবেশ হচ্ছে বাংলাদেশে: প্রধান উপদেষ্টা

বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি হতে চায় বাংলাদেশ- জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বর্তমানে সরকার এ অঞ্চলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিনিয়োগ পরিবেশ গড়ে তুলেছে বাংলাদেশে। অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে একটি উৎপাদন ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) কাতারের রাজধানী দোহায় কয়েকজন খ্যাতনামা বিদেশি বিনিয়োগকারীর সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বাংলাদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেন মালদ্বীপের সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার রাজপরিবারের এক সদস্য, মালয়েশিয়ার সাবেক এক মন্ত্রী, কাতারের রাজপরিবারের সদস্য, শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকার ও বেশ কয়েকজন ধনাঢ্য প্রবাসী বাংলাদেশি।

দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ক্ষুব্ধ অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী ভারতীয় অ্যাথলেট

টানা দুই অলিম্পিকে পদক জিতেছেন নীরজ চোপড়া। তার মধ্যে টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভলিন থ্রোতে স্বর্ণ জিতেছেন তিনি। সেই ভারতীয় তারকার দেশপ্রেম নিয়েই এবার প্রশ্ন উঠেছে।

সঙ্গে নীরজসহ তার পরিবারকে সামাজিক মাধ্যমে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করছেন দেশটির উগ্র জনতা।
তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। সঙ্গে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন কেন আরশাদ নাদিমকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতীয় জ্যাভলিন তারকা।

সর্বশেষ প্যারিস অলিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনা ধরে রাখার মিশনে রুপা জিতেছেন নীরজ। আরশাদের কাছে সোনা হারিয়েছেন তিনি।
টুর্নামেন্টে খেলার সময় থেকেই দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। তা এখন আর কারও অজানা নয়। এতটাই যে দুজনকেই তাদের বাবা-মায়েরা সন্তানের মতো দেখেন।

ভারতের হয়ে অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী নীরজ সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে একটি ‘এনসি ক্ল্যাসিক’ প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছেন।
সেখানে অংশ নিতেই আরশাদকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু গত মঙ্গলবার কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ জন মারা যাওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছে। আর এমন সময়ই বন্ধুকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানায় ক্ষিপ্ত হয়েছেন অনেক জনতা।

এ কারণেই নীরজের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সেই সব উগ্র জনতারা। জনতার এমন কাণ্ডে হতাশ নীরজ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘এত বছর ধরে গর্বের সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
সেখানে আমার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন উঠায় খারাপ লাগছে। ভেবে কষ্ট হচ্ছে যে, মানুষকে এটা বোঝাতে হচ্ছে। কোনও কারণ ছাড়া আমার পরিবারকে আক্রমণ করা হয়েছে। আমরা খুবই সাধারণ মানুষ। এই সবের মধ্যে আমাদের টানবেন না। অনেক ভুল তথ্য সংবাদমাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি। আমি চুপ করে আছি বলে সেগুলো সত্যি হয়ে যাবে না।’

আরশাদকে আমন্ত্রণ জানানোর ব্যাখ্যায় নীরজ বলেছেন, ‘আরশাদ নাদিমকে এনসি ক্ল্যাসিকে আমন্ত্রণ জানানোয় প্রচুর কথা হচ্ছে। চারিদিকে শুধু ঘৃণা আর কটুক্তি। আমার পরিবারকেও আক্রমণ করছে তারা। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে আরশাদকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তার চেয়ে বেশি কিছু নয়। আমার লক্ষ্য ছিল এনসি ক্ল্যাসিকের মাধ্যমে বিশ্বের সেরাদের ভারতে আনা। সব ক্রীড়াবিদের কাছে আমন্ত্রণ সোমবার পাঠানো হয়েছিল। পেহেলগাম কাণ্ডের আগেই আমন্ত্রণ চলে গিয়েছিল। পরের ৪৮ ঘণ্টায় যা ঘটেছে, তার পর আরশাদের এই প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়ার আর প্রশ্নই ওঠে না।’

কাশ্মীরে নিহতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরজ আরও বলেছেন, ‘খুব কম কথার মানুষ বলে এই নয় যে, কোনও ভুল দেখলে কথা বলব না। আর যখন আমার দেশপ্রেম এবং পরিবারের সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় তখন তো অবশ্যই মুখ খুলব। সব সময় আমার কাছে দেশ আগে। যারা নিজের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তাদের সমবেদনা জানাই। পেহেলগামে যা ঘটেছে, তা নিয়ে পুরো দেশের মানুষের মতো আমিও শোকাহত এবং ক্ষুব্ধ। আমি এই বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী যে, আমার দেশ ঠিক এর জবাব দেবে এবং দেশের শক্তি প্রদর্শন করবে।’

ভারতের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে পাকিস্তান

জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ বন্দুকধারী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক নতুন করে উত্তেজনার মুখে পড়েছে। এই ঘটনায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত একতরফাভাবে সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দেয়, যা পাকিস্তানের কড়া প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এনএসসি) কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তানের পানিপ্রবাহে হস্তক্ষেপ ‘যুদ্ধ ঘোষণা’র শামিল হবে এবং তার জবাব দেওয়া হবে সর্বশক্তি দিয়ে—যার মধ্যে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিতও রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত সিন্ধু পানি চুক্তিকে এতদিন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরল সহযোগিতার নিদর্শন হিসেবে দেখা হতো।
এই চুক্তির আওতায় পাকিস্তান সিন্ধু নদব্যবস্থার পানি ব্যবহার করে, যা দেশটির কৃষিনির্ভর অর্থনীতির প্রাণ।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিএস) পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর সশস্ত্র হামলার জেরে চুক্তিটি ‘আপাতত স্থগিত’ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের লক্ষ্য হলো পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা এবং দেশটিতে খাদ্য নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলা।

পাকিস্তান জানায়, কোনো পক্ষ একতরফাভাবে এই চুক্তি বাতিল বা স্থগিত করতে পারে না, কারণ এটি একটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের স্থায়ী চুক্তি।
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পানির প্রবাহ বন্ধ বা সরিয়ে দেওয়া যুদ্ধ ঘোষণার শামিল হবে এবং তার জবাবে সম্পূর্ণ জাতীয় শক্তি ব্যবহার করা হবে।’

পরমাণু অস্ত্রের সম্ভাবনার কথা

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, ভারত যদি পাকিস্তানের পানি রোধে কোনও বাঁধ বা অবকাঠামো নির্মাণ করে, তাহলে পাকিস্তান সামরিকভাবে সেই স্থাপনা ধ্বংস করতে দ্বিধা করবে না। এক বিশ্লেষক বলেন, ‘জাতীয় শক্তির পূর্ণ ব্যবহার’ কথার অর্থ হলো, পাকিস্তান পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের পথেও যেতে পারে।

সাবেক সিন্ধু পানি কমিশনার জামাত আলী শাহ মনে করেন, ভারতের এই সিদ্ধান্ত একটি রাজনৈতিক চাল।
তিনি বলেন, ‘চুক্তিটি একতরফাভাবে স্থগিত করা সম্ভব নয়। এর যে কোনো পরিবর্তনের জন্য দুই পক্ষের সম্মতি লাগবে।’ তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা ‘স্থগিত’ শব্দটি ব্যবহার করেছে ‘বাতিল’ নয়। তাদের বক্তব্য, পাকিস্তান যদি ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ মেটাতে পারে, তাহলে চুক্তি পুনরায় কার্যকর হতে পারে।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে উদ্ভূত নতুন উত্তেজনা দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।
পানির মতো একটি মৌলিক উপাদান এখন দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সংঘাতের সম্ভাব্য কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র : এক্সপ্রেস ট্রিবউন

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত ১০২ রেল কর্মচারী

রেলের পরিবহন বিভাগের চুক্তিভিত্তিক স্টেশন মাস্টার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে অবসর নেওয়া ১০২ জন কর্মচারীকে।রেলে এভাবে অভিজ্ঞ কর্মচারীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার রেওয়াজ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (পার্সোনেল-৩) পলাশ কুমার সাহা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল পরিবহন বিভাগের ১০২ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সংক্রান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত পত্রের ছায়ালিপি প্রেরণপূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

নিয়োগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চিঠিটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপককে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

কাতারের পাওনা ২৫৪ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কাতার থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার পরেও বকেয়া রেখে যাওয়া ২৫৪ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। এই অর্থপূর্ণ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাতার সফরের সময়কালেই।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দোহায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার এলএনজি কিনে কাতারের কাছে ২৫৪ মিলিয়ন ডলার বকেয়া রেখে যায়।
আমাদের সরকার দায়িত্ব নিয়ে সেই বকেয়া ধাপে ধাপে পরিশোধ করেছে। সর্বশেষ বুধবার (২৩ এপ্রিল) সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। এখন কাতারের কোনো পাওনা আমাদের কাছে নেই।’

প্রেস সচিব আরো জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় বিভিন্ন বিদেশি জ্বালানি কোম্পানির কাছে বাংলাদেশের মোট বকেয়া ছিল প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ডলার।
ইতিমধ্যে এই দায় কমিয়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে।

জ্বালানি উপদেষ্টার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই অবশিষ্ট বকেয়াও খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই পরিশোধ করা হবে।’

কাশ্মীর হামলা : ২০ মিনিট পরে পৌঁছায় নিরাপত্তা বাহিনী

কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বন্দুকধারীদের হামলায় ভারতের নানা প্রান্তের মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের তালিকায় কাশ্মীর থেকে কেরালা, গুজরাট থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং আসাম—বিভিন্ন রাজ্যের মানুষের নাম রয়েছে। এই হামলায় কেবল দেশজুড়ে নয়, কাশ্মীরের মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কারণ, পর্যটকরা কাশ্মীরের মানুষের জীবিকা নির্বাহের বড় উৎস।

হামলার পর সামাজিক মাধ্যমে দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এই হামলার সময় নিরাপত্তা বাহিনী কোথায় ছিল? দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২০ মিনিট হামলা চলার পর নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, কিন্তু ততক্ষণে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

‘কেউ সাহায্য করতে আসেনি’

পুণের বাসিন্দা আশাবরী জানান, তিনি তার বাবা-মা ও আত্মীয়দের সঙ্গে পেহেলগাম ছিলেন। হামলায় তার বাবা ও এক আত্মীয় নিহত হন।
তিনি জানান, ‘হামলার সময় আমাদের পাশে কেউ ছিল না। কেবল খচ্চরচালকরাই আমাদের সাহায্য করেছেন।’
তিনি দাবি করেন, ২০ মিনিট পর নিরাপত্তা বাহিনী এলেও তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।

‘নিরাপত্তা আরো কড়া হওয়া উচিত ছিল’

সেনাবাহিনীর শ্রীনগরভিত্তিক ১৫ কোরের সাবেক কমান্ডার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল কে জে এস ধিলোঁ বলেন, ‘বৈসরন উপত্যকার মতো পর্যটক-ভরা জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি থাকা উচিত ছিল।
নিরাপত্তাব্যবস্থা গতিশীল হলেও এটি নিয়মিত পর্যালোচনা দরকার।’

অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার যশোবর্ধন আজাদ বলেন, ‘এই হামলার পেছনে স্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল। পেহেলগাম দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণ ছিল, পর্যটকনির্ভর এই এলাকায় সাধারণ মানুষ এমন হামলার বিরুদ্ধে। হামলাকারীরা কৌশলে এই জায়গাটি বেছে নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পারছি হামলাকারীদের সম্পর্কে আগে থেকেই গোয়েন্দা তথ্য ছিল।
তবুও তারা সফল হয়েছে। এর বিশ্লেষণ দরকার, এবং এটিকে বড়সড় শিক্ষা হিসেবেও নেওয়া উচিত।’

সহিংসতা কি কমেছে?

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে কাশ্মীরে ৩৪ লাখ পর্যটক গিয়েছিলেন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় দুই কোটি ১১ লাখে। ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত তা এক কোটি আট লাখ ছাড়ায়। পর্যটনের ওপর নির্ভর করে কাশ্মীরের অর্থনীতি—২০১৯-২০ সালে পর্যটনের অবদান ছিল জিডিপির ৭.৮৪ শতাংশ, যা ২০২২-২৩ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৮.৪৭ শতাংশে। তবে সহিংসতা পুরোপুরি থেমে যায়নি।

সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টাল বলছে, ২০২৩ সালে ১২ জন বেসামরিক, ৩৩ জন নিরাপত্তাকর্মী এবং ৮৭ জন চরমপন্থী নিহত হয়। আর ২০২৪ সালে (এখন পর্যন্ত) ৩১ জন বেসামরিক, ২৬ জন নিরাপত্তাকর্মী এবং ৬৯ জন চরমপন্থী নিহত হন। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই বলছেন, বড় ঘোষণা দেওয়ার আগে আরও ভালো করে পরিস্থিতি সামলানো উচিত ছিল।

‘পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে’

এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘পর্যটকরা সফট টার্গেট, তাই তাদের ওপর হামলা অনেক সহজ। অমরনাথ যাত্রার মতো বড় আয়োজনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা থাকে। তেমনভাবেই পর্যটনকেও সামলাতে হবে। পর্যটকদের নির্দিষ্ট নিরাপদ এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।’

অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ধিলোঁ বলেন, ‘পর্যটকদের সংখ্যা এত বেশি, যে প্রতিটি মানুষকে পর্যবেক্ষণ করা কঠিন। স্থানীয় গাইড, হকার, চালকসহ অনেকেই ভিড়ে থাকেন। এর মধ্যেই চরমপন্থীরা লুকিয়ে থাকতে পারে।’

ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট-এর পরিচালক অজয় সাহনি বলেন, ‘এই ধরনের হামলার ফলে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সরকারের উচিত সাময়িক হলেও কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া, না হলে কাশ্মীরের পর্যটন ধ্বংস হয়ে যাবে।’ ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর সরকার পর্যটনসহ নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু এ ঘটনার পর কি সেই নীতি বদলাবে?

এরপর কী হবে?

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, হামলার জবাব শিগগিরই দেওয়া হবে। তবে কবে এবং কিভাবে, তা জানা যায়নি।
যশোবর্ধন আজাদের মতে, ‘এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। তারা চায় আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে। হামলাকারীদের জীবিত ধরে পাকিস্তানের ভূমিকা প্রমাণ করতে হবে এবং তারপর উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি সংলাপের পক্ষে, কিন্তু এখন যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা নিয়েও ভাবার সময় এসেছে। পাকিস্তান এতে বেশি লাভবান হচ্ছে।’

অজয় সাহনি মনে করেন, ‘কাশ্মীরে দীর্ঘ ৩০ বছরের সন্ত্রাসবাদ এখন শেষ পর্যায়ে। ভারত সফল হয়েছে অনেকটা। তবে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে একাত্মতা না গড়ে তুললে সন্ত্রাসের মূল টেনে তোলা সম্ভব নয়।’ তার কথায়, ‘রাজনীতিবিদদের উসকানিমূলক বক্তব্য বন্ধ করতে হবে। গোয়েন্দা তথ্য জোগাড় ও পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে হবে। স্থানীয়দের পাশে না থাকলে কোনো অভিযান সফল হবে না।’

সূত্র : বিবিসি

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের বেশির ভাগ ঢাকার বাইরের : ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হওয়া বেশির ভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ঢাকার বাইরের বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক শাহজাহান মিয়া।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমণ্ডি আবাসিক এলাকার রবীন্দ্র সরোবরে ‘৮০০ জন মশক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ি’ স্লোগানে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, বর্ষার মৌসুম এলে বা সামান্য বৃষ্টি হলে মশা বংশবিস্তার করে।
মশার বংশবিস্তার রোধে বর্ষার আগেই আমাদের এই বিশেষ অভিযান। আসন্ন বর্ষাকে সামনে রেখে এখন থেকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এবার মশক নিধন অভিযানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভবনগুলো আওতায় আনা হবে। এ বছর আমরা কার্যক্রম নিয়েছি দক্ষিণ সিটির ১৫টি খাল ও চারটি কালভার্ট আজ (শুক্রবার) রাত থেকে পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু হবে।
এ ছাড়া খালগুলো পরিচ্ছন্ন করার কার্যক্রম চলমান। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে এবার আমাদের খাল, নর্দমা ও ড্রেনগুলো পরিষ্কার করে ফেলব। মশার আবাসস্থল আমরা পরিষ্কার রাখব।

নাগরিকদের দায়িত্বের কথা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের গাছের টবে, আঙিনায় যেন পানি না জমে।
আপনারা আপনাদের বাড়িঘর পরিষ্কার রাখেন। ডোবা, নালা ও নর্দমা আমরা (সিটি করপোরেশন) পরিষ্কার রাখব। সম্মিলিতভাবে আমরা সবাই কাজটি করলে সুন্দর নগরী তৈরি করতে পারব।

বিভিন্ন বাসাবাড়ি, অফিসে ও নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালানো হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযান পরিচালনার জন্য ২৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে চিঠি দিয়েছি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পেলেই আমরা এই অভিযান কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করব।
আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিযান পরিচালনা করার জন্য। জুন মাস আসার আগেই যেসব স্থানে মশার জন্ম হয়, এই স্থানগুলোতে আমরা অভিযান চালাব।

স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, রাস্তার ফুটপাত দখল করে যত্রতত্র যেসব দোকান আছে, সেসব নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছি। নগরীতে যেকোনো জায়গায় খাবারের দোকান থাকবে না। একটি সুনির্দিষ্ট জায়গায় খাবারের দোকান থাকবে, যেখানে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকবে।

আমাকে স্টোররুমে আটকে রাখা হতো : দীপিকা

দীপিকা পাড়ুকোন ক্যারিয়ারে একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। অল্প কিছুদিন হলো, কোলে সন্তান এসেছে তার; এখন অভিনেত্রীর সময় কাটছে মাতৃত্ব নিয়ে। এমন সময় দীপিকার ছোটবেলার একটি স্মৃতি নিয়ে বেশ আলোচনা।

মাঝে মাঝেই ছোটবেলার নানা ঘটনা অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেন দীপিকা পাড়ুকোন।
কখনো সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে, আবার কখনো কোনো শো-তে এসে। একবার কাপিল শর্মার শো-তে গিয়ে দীপিকা জানিয়েছিলেন, তাকে বেশ কড়া শাসনের মধ্যে রাখতেন বাবা-মা। দুষ্টুমি করলে মিলত শাস্তি।

দীপিকা বলেন, ‘আমরা যে ফ্ল্যাটে থাকতাম আর আগে সেখানে একটা বড় রান্নাঘর ছিল, একটা স্টোররুমও ছিল সেটার সঙ্গে।
যখনই আমি দুষ্টুমি করতাম, বা অসভ্যতা করতাম বাবা-মায়ের সঙ্গে কিংবা হোমওয়ার্ক করতাম না, তখন আমাকে ওই স্টোররুমে আটকে রাখা হতো। ওই ঘরের সুইচ বাইরে ছিল। বাবা আমায় ওখানে ঢুকিয়ে বাইরে দিয়ে আলো নিভিয়ে দিত।’

দীপিকা একই সঙ্গে জানিয়েছেন, তার ব্যক্তিজীবন থেকে কর্মজীবন— সর্বত্রই তার বাবার অবদান বিশাল।
অভিনেত্রী বাবার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আবুধাবির একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমার বাবা সব সময় আমায় বলেছেন যা খুশি করো, মানুষ তোমায় মনে রাখবে তুমি কেমন মানুষ সেটার জন্য। আমি তাই সেটাই মনে রেখে চলার চেষ্টা করি।’

গত বছর দীপিকার কোলে আসে তাদের প্রথম কন্যাসন্তান দুয়া। তবে এখনো মেয়ের মুখ দেখাননি দীপিকা-রণবীর দম্পতি।