রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬

সবার সঙ্গে কথা বলেই মানবিক করিডরের সিদ্ধান্ত : প্রেসসচিব

জাতিসংঘ উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশ মায়ানমারের রাখাইনে মানবিক করিডরে রাজি হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘করিডরের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে সবার সঙ্গে কথা বলে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

শুক্রবার (২ মে) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পরে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘মানবিক করিডরে আমরা রাজি যদি জাতিসংঘ এটার উদ্যোগ নেয়।
এই পুরো জিনিসটা হবে দুইটা দেশের সঙ্গে কথা বলে। জাতিসংঘ যখন কাজ করে তারা সেখানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অর্থাৎ মায়ানমার সরকারের সঙ্গেও কথা বলবে, আমাদের সঙ্গেও কথা বলবে। বলে তারপরই তো সিদ্ধান্তে আসবে।’

মানবিক করিডোর নিয়ে সাম্প্রতিক নানা আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যে শফিকুল আরও বলেন, ‘রাখাইনে এটা (মানবিক করিডরের) কথা আসছে, কারণ সেখানে গৃহযুদ্ধের মতো একটি সহিংসতা চলছে।
সেখানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যারা আছে, রাখাইনে যারা আছে, সেখানে মানবিক একটা সংকট হয়েছে।’

করিডর নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যকে ‘প্রিম্যাচিউর’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা সর্বসম্মতিক্রমে হবে। আর আমরা মনে করি যে এখনো এটা অনেক অনেক দূরের বিষয়। আমরা তো বলেছি, এটা যখন চূড়ান্ত বিষয়ে আসবে তখন সবার সঙ্গে কথা বলে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি প্রমুখ।

নারী কমিশন তৈরির জন্য কেউ জীবন দেয় নাই : মাহমুদুর রহমান

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন গঠনের জন্য কেউ জুলাই বিপ্লবে জীবন দেয় নাই বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেছেন, হেফাজত ইসলাম নারীবাদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আমি এখানে ড. ইউনূস সরকারের প্রতি প্রশ্ন করতে চাই, আপনারা কেন অপ্রয়োজনীয় ইস্যু তৈরি করছেন? আমি বলতে চাই, নারী কমিশন তৈরির জন্য জুলাই বিপ্লবে কেউ জীবন দেয় নাই।

আজ শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মাহমুদুর রহমান বলেন, তারা জীবন দিয়েছিল এদেশ থেকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করার জন্য। কাজেই আপনারা সরকারে বসেছেন যাতে করে বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে। বাংলাদেশ থেকে ভারতের আগ্রাসন মুক্ত করার জন্য।

তিনি বলেন, আমি মনে করি আপনাদের দায়িত্ব শুধু সে সংস্কারগুলো করা-যে সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে পারবে না।

অন্তর্বর্তী সরকারের সরকারের উদ্দেশে মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের একজন প্রবীণ নাগরিক হিসেবে আমার অনুরোধ, আপনারা অপ্রয়োজনীয় ইস্যু তৈরি করবেন না। আমরা দেখেছি, আপনারা অনেকগুলো সংস্কার কমিশন করেছেন- যেগুলোর কোনো প্রয়োজনই ছিল না। আপনারা রাষ্ট্রের সময় এবং সম্পদ নষ্ট করছেন। সুতরাং আমার অনুরোধ- আপনারা এই সমস্ত কমিশন বাতিল করে দেন।
আমাদের এই সমস্ত কমিশনের প্রয়োজন নাই।

হেফাজত ইসলামের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর বলেন, আপনারা নারীবাদ নিয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন থেকে আপনারা সরে যাবেন না। আমাদের বৃহত্তর লড়াই ভারতের সাম্রাজ্যবাদীর বিরুদ্ধে লড়াই। আমাদের বৃহত্তর লড়াই ইসলামের জন্য আমাদের লড়াই।

তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা একটু ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।
আমি মনে করি, বাংলাদেশের আলেমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকেন- তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না।

শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে : হাসনাত

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের মধ্য দিয়ে সংস্কার দেখতে চেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‌ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।

শনিবার (৩ মে) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমরা এই তরুণ প্রজন্ম শেখ হাসিনার ফাঁসি নিশ্চিত করা অবধি আন্দোলন চালিয়ে যাব।

আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশে, তার দাফন হয়েছে ভারতে। আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়। শেখ মুজিব বাকশাল কায়েম করে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছেন। ৩০ হাজার জাসদ কর্মীকে হত্যা করেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, যারা বায়তুল মোকাররমের সামনে হেফাজতকর্মীদের টেনে রাস্তায় নামিয়েছিল, সেই আওয়ামী লীগের আর পুনর্বাসন হবে না। কিন্তু আট মাস পরে এসেও অনেক রাজনীতিবিদ আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেন আওয়ামী লীগ নাকি রাজনৈতিক দল। দলটিকে নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার তাদের নেই।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা কিছুদিন আগে বলেছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেবে কি নেবে না সেটার সিদ্ধান্ত নাকি দলটির।
ড. ইউনূস আপনি ভুলে যাবেন না আমরাই আপনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে কি না সে সিদ্ধান্ত আমাদের।

এ সময় নারী কমিশনের ইসলামবিরোধী ধারাগুলো বাতিলের আহ্বান জানান তিনি।

এবার ভারতে নিষিদ্ধ হলেন আতিফ আসলাম-ফতেহ আলী

কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার ইস্যুতে পাকিস্তানি তারকা হানিয়া আমির ও মাহিরা খানের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এবার একই কারণে ভারতে নিষিদ্ধ হলেন আতিফ আসলাম, রাহাত ফতেহ আলী খান ও ফাওয়াদ খান।

শুক্রবার তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টগুলো ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু শিল্পীর প্রোফাইল হাইড করে রাখা হয়েছে যেমন— সানাম সাঈদ, বিলাল আব্বাস, ইকরা আজিজ, ইমরান আব্বাস এবং সজল আলিসহ আরো অনেকের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, পেহেলগাম কাণ্ডের পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে চলছে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। এই ঘটনার জন্য পাকিস্তানকেই দায়ী করছে ভারত। এ কারণে প্রতিবেশী দেশটির বিরুদ্ধে বেশ কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে ভারত। পাকিস্তানি শিল্পীদেরও যাতে এই দেশে নিষিদ্ধ করা হয়, সেই দাবিও উঠেছে।
তার জেরে হানিয়া আমির ও মাহিরা খানের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়।

তাদের অ্যাকাউন্ট ব্লক করার একদিন পরই শুক্রবার ফাওয়াদ খান, রাত ফতেহ আলী খান ও আতিফ আসলামের অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়। ভারতে এসব তারকার অসংখ্য অনুরাগী ও ভক্ত রয়েছেন। তাদের সামাজিক মাধ্যম বাতিল হওয়ায় মনখারাপ তাদেরও।

এখন যদি ফাওয়াদ খান, আতিফ আসলাম এবং রাহাত ফতেহ আলি খানের অ্যাকাউন্টে খুঁজতে যান, তখনই ইনস্টাগ্রাম জানান দেবে, ‘ভারতে এই অ্যাকাউন্ট সচল নেই। এর কারণ হলো, আমরা এই অ্যাকাউন্টগুলো সীমাবদ্ধ করার জন্য একটি আইনি অনুরোধ মেনে চলেছি।’

সৌদিতে পৌঁছেছেন ১৭৬৯৪ হজযাত্রী

চলতি বছর হজ করার উদ্দেশ্যে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ৪৩টি ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে গেছেন ১৭ হাজার ৬৯৪ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৫৬৪ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৩ হাজার ১৩০ জন হজযাত্রী রয়েছেন। এসব ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ১৩টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ১২টা ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

শনিবার হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
এয়ারলাইনস, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।

এর আগে গত ২৯ এপ্রিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট ৩৯৮ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশে যাত্রা করে। এর মধ্য দিয়েই চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৭ হাজার ১০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যাবেন।
এর মধ্যে পাঁচ হাজার ২০০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৮১ হাজার ৯০০ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

হেফাজতের মহাসমাবেশ শুরু, সোহরাওয়ার্দীতে নেতাকর্মীদের ঢল

নারী অধিকার সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রস্তাব বাতিল, শাপলা ট্র্যাজেডিসহ আওয়ামী শাসনামলে সব গণহত্যার বিচারসহ চার দফা দাবিতে আজ রাজধানীতে মহাসমাবেশ করছে হেফাজতে ইসলাম। শনিবার (০৩ মে) সমাবেশ উপলক্ষে সমাবেশস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশালাকার মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে এ সমাবেশ।

শনিবার (০৩ মে) ফজরের নামাজের পর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসতে থাকেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
সকাল ৭টার আগেই মূল সমাবেশস্থলে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। এর আগে, গত শুক্রবার (২ মে) বিকেলে মঞ্চসহ সমাবেশের মাঠ পরিদর্শনে আসেন সংগঠনের নেতারা। এ সময় তারা সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচিতে যোগদান করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

ঢাকার বাইরে থেকে আগতদের জন্য তিনটি নির্ধারিত পয়েন্ট থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নেতারা বলেছেন, এই নির্দেশনা অনুসরণ করলেই সমাবেশে বিশৃঙ্খলা এড়ানো যাবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে দাবিগুলো উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে এর আগেই রাজধানীর বাইতুল মোকাররম এলাকায় মিছিল ও গণসংযোগ করেছেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। তারা মিছিল থেকে সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং দেশের ধর্মপ্রাণ জনতাকে কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ‘ইসলাম ও ন্যায়বিচারের’ পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সমাবেশ ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি।
প্রশাসন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা সতর্ক থাকবে। হেফাজত নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এই মহাসমাবেশ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের ভাবনা সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলে পৌঁছে দিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফরম হিসেবে কাজ করবে।

গতকাল শুক্রবার হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান বিবৃতিতে বলেছেন, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের কোরআনবিরোধী প্রতিবেদন ও কমিশন বাতিলের দাবিতে ৩ মে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে আমাদের অনেক মা-বোন তাঁদের সন্তান ও ভাইদের সঙ্গে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। রাষ্ট্র সংস্কারে তাঁদেরও হক রয়েছে।
কিন্তু ঔপনিবেশিক মানসিকতা ও পশ্চিমা অ্যাজেন্ডা নিয়ে কুখ্যাত নারীবাদীরা কমিশন দখল করে ইসলামবিরোধী প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

এরা এ দেশের ধর্মপ্রাণ বৃহত্তর নারীসমাজের শত্রু। অধিকারের নামে নারীকে ইউরোপের মতো বাজারি পণ্য ও যৌনদাস বানানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেমেছে। কথিত নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন যৌনকর্মীকে ‘শ্রমিক’-এর মর্যাদা দেওয়ার প্রস্তাব করে মূলত নারীর মর্যাদাহানি করেছে। পতিতাবৃত্তি কোনো সম্মানজনক পেশা নয়।

এটা বরং সমাজের গভীর ক্ষত; নাগরিকের মৌলিক অধিকার পূরণে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার ফোঁড়। সম্মানজনক কর্মসংস্থানের অভাব, ক্ষুধার তাড়না ও নারীপাচারের ঘটনা ছাড়া কোনো নারী স্বেচ্ছায় এ পেশায় আসেন না। নারীর সম্ভ্রম ও আত্মমর্যাদার পরিবর্তে শরীর বিক্রিকে প্রাধান্য দিয়ে নারীসত্তার চরম অবমাননা করেছে ওই নারীবাদী কমিশন। আমরা আবারও এর তীব্র নিন্দা জানাই।

সমাবেশ সম্পর্কে সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘নারী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ইসলামের শাশ্বত বিধান আল্লাহর কোরআনের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষিক। শুধু সাংঘর্ষিকই নয়, বরং কোরআনকে কটাক্ষকারী প্রস্তাব। আমাদের দেশে আবহমানকাল থেকে যে সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, পরিবারভিত্তিক সমাজব্যবস্থা; এই প্রস্তাবের মূল কথা হলো, আমাদের দেশের চলমান পরিবার ও সমাজব্যবস্থা ভেঙে পাশ্চাত্যের একটি সমাজব্যবস্থা, পরিবারবিহীন কালচার গড়ে তোলা, এলজিবিটিকিউ বা সমকামিতার বৈধতা দেওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। মোট চার দফা দাবিতে শনিবার মহাসমাবেশ হতে যাচ্ছে। এই দাবির সঙ্গে দেশের সব ইসলামপন্থী একমত ও সবার অভিন্ন দাবি।’

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল ছাড়া আরো তিনটি দাবির মধ্যে রয়েছে সংবিধানে বহুত্ববাদের পরিবর্তে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল, ফ্যাসিবাদের (শেখ হাসিনার) আমলে করা সব মামলা প্রত্যাহার, শাপলা চত্বরসহ সব গণহত্যার বিচার, ফিলিস্তিন ও ভারতে মুসলিম গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধের দাবি।

সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে হেফাজতে ইসলামের আরেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সমাবেশে সারা দেশ থেকে লোক আসবে। অন্তত পাঁচ হাজার বাসে তারা আসবে। এ নিয়ে আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি, সফলভাবে মহাসমাবেশ শেষ করতে পারব।’

এসব দাবি পূরণ না করা হলে ঢাকাসহ সারা দেশ অচল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। গতকাল জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি না মানা হলে আগামীকাল ঢাকা অচল হয়ে যাবে।’ সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে গতকাল বিক্ষোভ সমাবেশ করে সংগঠনের পল্টন জোন। সমাবেশে সারা দেশ থেকে মানুষ অংশগ্রহণ করবে জানিয়ে জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, এরই মধ্যে দিনাজপুর থেকে ৪২টি বাস আসার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। চার থেকে সাড়ে হাজার মানুষ বরিশাল থেকে লঞ্চে আসবে।

সমাবেশ সফল করতে তিনি সবাইকে শনিবার ফজরের নামাজের পর মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান। হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী বলেন, আগামীকাল (আজ শনিবার) আলটিমেটাম দেওয়া হবে। হেফাজতের নেতাদের নামে, আলেমদের নামে থাকা মামলা প্রত্যাহার এবং নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল না হলে প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

জানা গেছে, শুধু চট্টগ্রাম থেকেই সমাবেশে অর্ধলক্ষাধিক হেফাজত নেতাকর্মী যোগ দেবেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। সমাবেশ সফল করতে দেশে সংগঠনের নেতাকর্মীরা জোর প্রস্তুতি নিয়েছেন জানিয়ে সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের কোরআন-সুন্নাহবিরোধী প্রতিবেদনসহ কমিশন বাতিল, সংবিধানে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আমলে করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যাসহ সব হত্যার বিচার এবং ফিলিস্তিন ও ভারতে মুসলিম গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধের চার দফা দাবিতে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ সূত্রে জানা গেছে, মহাসমাবেশ সফল করতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের সব জেলা, উপজেলায় এবং মাদরাসাকেন্দ্রিক প্রস্তুতিসভা করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মহাসমাবেশ সফল করতে এবং ভারতে প্রণীত ওয়াক্ফ আইন ও ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে গত ২২ এপ্রিল থেকে সারা দেশে গণসংযোগ করেছে সংগঠনটি।

গত শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) জেলা-উপজেলা সদরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সব কর্মসূচিতে আসন্ন মহাসমাবেশের প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মীর ইদ্রিস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা সব স্তরে, একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে মহাসমাবেশের প্রচারণা চালিয়েছি। আমরা দেখতে পেয়েছি, মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সবার মধ্যে একটা জাগরণ তৈরি হয়েছে। আমরা কমপক্ষে পাঁচ লাখ লোকের সমাবেশ করতে পারব বলে আশা করছি।’

চট্টগ্রাম থেকেই অর্ধলক্ষাধিক নেতাকর্মী মহাসমাবেশে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির। হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র মুফতি এবং মুহাদ্দিস মাওলানা জসিমুদ্দিন বলেন, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন যে প্রস্তাব দিয়েছে তা কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ প্রস্তাব সরকারকে বাতিল করতেই হবে, পাশাপাশি বিতর্কিত এ নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনও বাতিল করতে হবে।

ইসরায়েলি হামলায় এক দিনে ৪৩ ফিলিস্তিনি নিহত

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৭৭ জন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) বিমান অভিযানে শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর আলজাজিরার।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবারের অভিযানের পর গত দেড় বছরে উপত্যকায় মোট নিহত ও আহতের সংখ্যা পৌঁছেছে যথাক্রমে ৫২ হাজার ৪১৮ জনে এবং এক লাখ ১৮ হাজার ৯১ জনে। এই নিহত এবং আহতদের ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা।
এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে এক হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা।

জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্য দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল। কিন্তু গাজায় বন্দি ইসরায়েলি জিম্মি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির ইস্যুতে হামাসের সঙ্গে মতানৈক্যের জেরে বিরতির দুই মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার এ অভিযানে গত প্রায় দেড় মাসে গাজায় নিহত হয়েছেন নতুন দুই হাজার তিন শতাধিক এবং আহত হয়েছেন ছয় হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে বাংলাদেশ

বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে গত বছরের তুলনায় ১৬ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। তবে সূচকে এবারও বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিস্থিতি ‘বেশ গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) তাদের ২০২৫ সালের সূচক প্রকাশ করেছে।

সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম, স্কোর ৩৩.৭১।
২০২৪ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬৫তম, এর আগের বছর ছিল ১৬৩তম। ২০১৮ সালের পর এই প্রথম সূচকে ১৫০-এর ভেতর অবস্থান করছে বাংলাদেশ।

আরএসএফের এ বছরের সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৫১তম, পাকিস্তানের ১৫৮তম ও ভুটানের ১৫২তম। সূচকে এই তিনটি দেশ বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে আছে।
তবে নেপাল (৯০তম), শ্রীলঙ্কা (১৩৯তম) ও মালদ্বীপ (১০৪তম) বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে।

২৩ বছর ধরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বার্ষিক সূচক প্রকাশ করে আসা প্রতিষ্ঠানটির মতে, এবার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছেছে।

এবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, সূচকের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বের অর্ধেক দেশের জন্য সাংবাদিকতার অনুকূল পরিবেশ ‘খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এক-চতুর্থাংশেরও কম দেশে পরিস্থিতি ‘সন্তোষজনক’।

সূচকে ২০২৪ সালে ১১ ধাপ পেছানোর পর এ বছর আরো দুই ধাপ পিছিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ৫৭তম স্থানে অবস্থান করছে। এই সূচকে দেশটির অবস্থান এখন পশ্চিম আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিয়েরা লিওনেরও নিচে।

আরএসএফের মতে, দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় ‘আশঙ্কাজনক অবনতি’ ঘটিয়েছেন, যা দেশটিতে ‘স্বৈরাচারী মোড়ের’ ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে টানা নবমবারের মতো সূচকের শীর্ষে আছে নরওয়ে। এবার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে দখল করেছে এস্তোনিয়া ও নেদারল্যান্ডস।

সূত্র : এএফপি

ভারতের মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু

ভারতের গোয়ায় একটি মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো ১৮ জন ভক্ত। শনিবার ভোরে শ্রীগাওয়ের লায়রাই মন্দিরে বার্ষিক শোভাযাত্রায় এ ঘটনা ঘটে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

উত্তর গোয়ার পুলিশ সুপার অক্ষত কৌশল জানিয়েছেন, গোয়ার শ্রীগাওয়ের লায়রাই দেবী মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ জন নারীও আছেন। আহত ভক্তদের উত্তর গোয়া জেলা হাসপাতাল এবং গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত নিজে হাসপাতালে গিয়ে আহত ভক্তদের সঙ্গে দেখা করেছেন।
তিনি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাত থেকে ওই মন্দিরের বার্ষিক শোভাযাত্রা উপলক্ষে বহু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। সেখানেই ভিড়ের চাপে পদপিষ্টের পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভোরের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
অনেকে ভিড়ের ঠেলায় পড়ে গিয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

গোয়ার শ্রীগাও গ্রামের লায়রাই দেবী মন্দিরে প্রতি বছর বার্ষিক শোভাযাত্রা হয়। এই যাত্রায় যোগ দেওয়ার জন্য দূরদূরান্ত বহু মানুষ শ্রীগাওয়ে ভিড় করেন। শুক্রবার রাত থেকে হাজার হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল সেখানে। তবে ঠিক কী কারণে কখন হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সরকারি সফরে কাতার গেলেন সেনাপ্রধান

সরকারি সফরে কাতার গেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সফরকালে তিনি কাতারের সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সামরিক বাহিনী সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মতবিনিময় করবেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সফর শেষে আগামী ৫ মে বাংলাদেশে ফেরার কথা রয়েছে সেনাপ্রধানের।