মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের বোঝা রেকর্ড ৩৯ ট্রিলিয়ন (৩৯ লাখ কোটি) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। গত বুধবার (১৮ মার্চ) এই অভূতপূর্ব ঋণের তথ্য সামনে আসে, যা ইরান যুদ্ধের প্রাক্কালে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিশাল অঙ্কের এই ঋণের পেছনে একদিকে রয়েছে ব্যাপক কর ছাড় ও অভিবাসন আইন কঠোর করার ব্যয়, অন্যদিকে প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল বরাদ্দ।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারণায় এবং ক্ষমতায় আসার পর ঋণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও বর্তমানে তা উল্টো পথে হাঁটছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, মাত্র পাঁচ মাস আগে দেশটির ঋণ ছিল ৩৮ ট্রিলিয়ন এবং তার মাত্র দুই মাস আগে ছিল ৩৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিস (জিএও) সতর্ক করে বলেছে, ক্রমবর্ধমান এই ঋণের ফলে সাধারণ মার্কিনিদের মর্টগেজ বা গাড়ি কেনার ঋণের খরচ বেড়ে যাবে। এ ছাড়া ব্যবসায়িক বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় মানুষের মজুরি কমবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার দাম আকাশচুম্বী হবে।

পিটার জি পিটারসন ফাউন্ডেশনের সিইও মাইকেল পিটারসন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ঋণ বৃদ্ধির এই হার উদ্বেগজনক। বর্তমান গতিতে চললে আগামী নির্বাচনের আগেই এটি ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার স্পর্শ করবে। কোনো পরিকল্পনা ছাড়া এভাবে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ধার করা টেকসই অর্থনীতির পরিপন্থী।’

এই পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরান যুদ্ধ। গত রোববার হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত ১২ বিলিয়ন (১ হাজার ২০০ কোটি) ডলারেরও বেশি খরচ হয়েছে। যুদ্ধটি কত দিন চলবে বা এর চূড়ান্ত ব্যয় কত হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

তেলের যুদ্ধে জিতে যাচ্ছে ইরান: জাপানের সঙ্গে আলোচনায় তেহরান, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলতেলের যুদ্ধে জিতে যাচ্ছে ইরান: জাপানের সঙ্গে আলোচনায় তেহরান, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল
তবে ঋণের পাহাড় বাড়লেও ঘাটতি কমছে বলে দাবি করেছে হোয়াইট হাউস। মুখপাত্র কুশ দেশাই জানান, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরেই ফেডারেল ঘাটতি কমেছে। ট্রেজারি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে মোট ব্যয় ছিল ৭ দশমিক শূন্য ১ ট্রিলিয়ন এবং আয় ছিল ৫ দশমিক ২৩ ট্রিলিয়ন ডলার। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭৮ ট্রিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪১ বিলিয়ন ডলার কম।

দেশাই আরও দাবি করেন, কর আদায় বৃদ্ধি, সরকারি কর্মীর সংখ্যা ১৯৬৬ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা এবং কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে জালিয়াতি বন্ধ করার কারণেই ঘাটতি কমেছে। তাঁর মতে, এসব পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ও জিডিপির অনুপাত সঠিক পথেই থাকবে।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন রোনালদো

বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভক্ত-সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় রোনালদো লিখেছেন, ‘সবাইকে ঈদ মোবারক! আশা করি পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে তোমাদের দিনটি বিশেষভাবে কাটবে। সবার জন্য শান্তি ও সুখ কামনা করছি।’

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি মুসলিম ভক্তের কথা মাথায় রেখে রোনালদোর এই শুভেচ্ছাবার্তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে তার পোস্টে ভক্তরা কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।

বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের খেলছেন রোনালদো। মধ্যপ্রাচ্যে খেলার সুবাদে মুসলিম সংস্কৃতির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। এর আগেও বিভিন্ন উপলক্ষে মুসলিম বিশ্বকে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেছে এই পর্তুগিজ তারকাকে।

কেবল মাঠের পারফরম্যান্সেই নয়, ভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমেও বিশ্বব্যাপী ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন রোনালদো। যা তাকে ক্রীড়াজগতের বাইরেও এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

ঈদের দিন বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী নীলা

বিয়ে করেছেন এই সময়ের অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা নীলা। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তবে আজ ঈদের দিন (২১ মার্চ) বিয়ের খবর প্রকাশ করেন নীলাঞ্জনা নীলা।

তার স্বামীর নাম কাউসার মাহমুদ সায়ান।

এ প্রসঙ্গে নীলাঞ্জনা নীলা বলেন, ‘দীর্ঘদিনের পরিচয় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার পর দুই পরিবারের সম্মতিতে আমরা আমাদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছি। অনুষ্ঠানটি ঘনিষ্ঠ পারিবারিক পরিবেশে সীমিত আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে।’

এই নতুন পথচলার জন্য সবার দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

২০১৪ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন নীলা।
সে আসরে তিনি দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছিলেন। এরপর নাটকে কাজ শুরু করেন।

বদরুল আনাম সৌদের ‘গহীন বালুচর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড়পর্দায় পা রাখেন তিনি। এরপর কয়েকটি সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি।
বর্তমানে দুই পর্দার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই অভিনেত্রী।

ঈদের পর বড় তিন চ্যালেঞ্জের সামনে নতুন সরকার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। যার প্রভাব পড়তে পারে কৃষি ও শিল্প-কলকারখানাসহ দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে। আর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও ঠিক সুবিধাজনক অবস্থায় নেই। পুরোপুরি স্থির নয় রাজনীতির ময়দানও।
সব মিলিয়ে ঈদের পর নানামুখী চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে মাত্র এক মাস আগেই গঠিত বাংলাদেশের নতুন সরকারের সামনে।

অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট মোকাবেলা, অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা— মোটাদাগে এই তিনটিই সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের একটি বিশেষ পরিস্থিতির পর দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা মেটানোই নতুন সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা। যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি।

এছাড়া নির্বাচনের আগে সরকারি দল তাদের ইশতেহারে প্রত্যাশা পূরণে যেসব বার্তা দিয়েছে সেগুলো তারা কতটা ধারণ করতে পারে— সেদিকেও নজর থাকবে সাধারণ মানুষের।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনসহ নানা ইস্যু রাজনৈতিকভাবেও নতুন সরকারকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আর ঈদের পর দেশের অর্থনীতি এবং রাজনীতিতে যে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে সেটি মানছেন সরকারের মন্ত্রীরাও।

তারা বলছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরই দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে নতুন সরকার, ঈদের পর যার গতি আরো বাড়বে।

‘জ্বালানি নিরাপত্তা’ নিয়েই বেশি চিন্তা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলা এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠনই এই মুহূর্তে আমাদের জন্য সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ।’

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় এক মাস ধরে অতি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিও বন্ধ। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে এ মুহূর্তে গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের জন্যও সব চেয়ে গুরুত্ব জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি।

ঈদের আগেই জ্বালানি নিয়ে দুর্ভোগের আঁচ কিছুটা হলেও পেয়েছে সাধারণ মানুষ।
যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘ হওয়ার সঙ্গে যে সংকট আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে বাংলাদেশে এপ্রিল-মে মাসে প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুতের চাহিদা এবং ফসল আবাদে জ্বালানির চাহিদা বড় চিন্তার কারণ হতে পারে বলেই মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তামিম বলছেন, ঈদের পর অফিস-আদালত এবং শিল্প-কারখানাগুলো পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। এ ছাড়া কৃষি উৎপাদনে সার ও সেচের জন্য জ্বালানি তেলের চাহিদাও বাড়বে। এক্ষেত্রে জ্বালানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি-এর সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলছেন, ‘জ্বালানি তো এখনই বেশ চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। এমন একটি সময় যখন আমাদের দেশের রাজস্ব আয়েও বড় ঘাটতির মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি।’

এ ছাড়া জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অধিক মূল্য পরিশোধ করতে রিজার্ভ থেকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করা লাগতে পারে বলেও মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ঈদের পরে ‘জ্বালানি নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করাই সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

তিনি বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, এর নেতিবাচক প্রভাব এরইমধ্যে বিশ্বব্যাপী পড়তে শুরু করেছে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে আমেরিকা, এশিয়াসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জ্বালানিমন্ত্রীদের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে মাহমুদ বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় বিশ্বের প্রায় সব দেশই।

এ ছাড়া জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে তার ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ অন্য সব সেক্টরেও পড়তে পারে বলেও মনে করেন জ্বালানি মন্ত্রী।

বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের সঙ্গে সব কিছু সম্পর্ক যুক্ত—অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উন্নয়ন যা-ই বলেন না কেন।’

পরিস্থিতি মোকাবেলায় এরই মধ্যে জ্বালানির বিকল্প উৎস অনুসন্ধান, সাশ্রয়ী ব্যবহার এবং স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি সংগ্রহের মতো প্রস্তুতি সরকার নিচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তবে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতি তো আমাদের হাতে নেই, তাই ধৈর্য ধরে, সাশ্রয়ী ব্যবহার করার মাধ্যমে আমাদেরকে টিকে থাকতে হবে।’

ঈদের পর জ্বালানির দাম বাড়বে কী-না এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদ বলেন, ‘দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আমরা এখনো নিইনি। তবে যুদ্ধ চলতে থাকলে তো কিছু করার থাকবে না।’

রাজনীতির মাঠে যেসব চ্যালেঞ্জ

ঈদের পর দেশের রাজনীতির মাঠেও নতুন সরকারকে নানা সমীকরণের মুখোমুখি হতে হবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, বিরোধী দলের দাবি ও আন্দোলন, এমন নানা বিষয় ঈদের পর সরকারের সামনে খুব কম সময়ের মধ্যেই হাজির হবে।

এমন প্রেক্ষাপটে সরকার ঠিক কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, সেটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে সেগুলো সরকারে বসে দলটি কতটা ভুল প্রমাণ করতে পারবে সে প্রশ্ন রয়েছে।

রাজনীতি বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলছেন, ‘স্থানীয় সরকার বা প্রশাসনে যেসব নিয়োগ হয়েছে, সেগুলো পুরোপুরি দলের লোক দিয়েই। এ ধরনের দলীয়করণ জুলাই সনদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’ এ ছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও জুলাই সনদ ইস্যুতে বিরোধী দলের দাবিদাওয়া ও আন্দোলনের মতো কর্মসূচিও সরকারকে চাপে ফেলতে পারে।

তিনি বলেন, ‘সংসদের বিরোধীরা যে জুলাই সনদ ইস্যুতে সরকারকে চাপে রাখবে—এটা নিশ্চিত।’ এ ছাড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং জুলাইয়ের বিভিন্ন মামলায় আসামিদের বিচার নিয়েও সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে পারে বিরোধীরা। তবে এই মুহূর্তে রাজনীতি নয় দেশের অর্থনীতি ঠিক করাই সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ।

তিনি বলছেন, ‘রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তো সব সময়ই থাকবে, আমরা এগুলো আলোচনা করে সমাধান করব। তবে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি-অনিয়মের কারণে দেশের অর্থনীতিতে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এমন পেক্ষাপটে দেশকে স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে নেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’

তিনি আরো বলছেন, ‘দেশের অর্থনীতিতে সামগ্রিকভাবে যে একটা ডিজাস্টার হয়ে গেছে সেটাকে তুলে আনাটাই তো আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’

অর্থনীতি নিয়ে বাড়তি ভাবনা

এদিকে, অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, সরকারের জন্য সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি এবং জটিল চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনীতির সামষ্টিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা। দেশের অর্থনীতিতে আগে থেকেই নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। সেখানে এখন বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি সংকট আরো বাড়াতে পারে বলেই মত তাদের।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলছেন, অন্য সব পণ্যের মূল্য নির্ধারণের বড় নির্ণায়ক হলো জ্বালানি। তাই জ্বালানির দামে প্রভাব পড়া মানে সব পণ্যের দামই প্রভাবিত হবে। এ ছাড়া ঈদের পরেই নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে সামনের অর্থ বছরের বাজেট। কেননা, নির্বাচনী ইশতেহারে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে বাজেটে কী বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে—এবার সেদিকে নজর থাকবে সাধারণ মানুষের। এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার যেসব পদক্ষেপ স্বল্প পরিসরে সরকার ইতিমধ্যেই নিয়েছে সেগুলোও বাজেটে সম্প্রসারণ করতে হবে।

মোস্তাফিজুর রহমান বলছেন, ‘সরকার তো ইতোমধ্যেই বাজেট তৈরির কাজে হাত দিয়েছে। এই বাজেটে ব্যয়ের সঙ্গে রাজস্ব আয়ের সামঞ্জস্য করাটা তাদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জ হবে।’

কৃষি উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টিও ঈদের পর সরকারকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলবে বলেই মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে জ্বালানি নিয়ে যে অনিশ্চয়তার শঙ্কা তৈরি হয়েছে তাতে সার উৎপাদন এবং সেচের জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চিন্তার কারণ হতে পারে।

অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তাফিজুর রহামান বলছেন, কৃষি উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত সার রাখা এবং কৃষকদের কাছে পৌঁছানো জরুরি। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাও এই সরকারের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

এ ছাড়া নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ, মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সচেষ্ট হতে হবে সরকারকে।

রমজানের এ আত্মসংযম যেন আমাদের সবার জীবনের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতে পারি: হাসনাত

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস‍্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ‍্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, আমরা যদি সামাজিকভাবে অপরাধ, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে পারি, ইনশাআল্লাহ আমরা একটা সমৃদ্ধ ও সুন্দর সমাজ সবাইকে উপহার দিতে পারব।

শনিবার (২১ মার্চ) ঈদুল ফিতর নামাজ আদায়কালে নিজ গ্রাম গোপালনগর ঈদগাহ মাঠে ওই বক্তব্য দেন তিনি।

তিনি বলেন, রমজানের এ আত্মসংযম যেন আমাদের সবার জীবনের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতে পারি, আল্লাহ যেন সেই তৌফিক দান করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, পুরো রমজান মাসে আমরা যেভাবে সব ধরনের অপরাধ এবং অনৈতিক কাজ থেকে নিজেকে বিরত রেখেছি, এই বিরত রাখার শিক্ষাটা যেন আমরা আমাদের সামাজিক জীবনে, জাতীয় জীবনে, রাজনৈতিক জীবনে সব জায়গায় প্রয়োগ করতে পারি।

এ সময় হাসনাত তার নিজ এলাকার লোকজনের সুস্থতা কামনা করে বলেন, আল্লাহ যেন আমাদের সার্বিক কল‍্যাণ দেয়, এ আত্মসংযম যেন আমাদের সবার জীবনের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতে পারি, আল্লাহ যেন সেই তৌফিক দান করেন।

ঈদের দিনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১টার দিকে জিয়া উদ্যানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিএনপি নেতারাও তার সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে এদিন সকালে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেন তারেক রহমান।

পরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহুবছর পর দেশের মাটিতে ঈদ উৎসব পালন করতে পেরে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

দেশের নাগরিক হিসেবে আল্লাহর কাছে দোয়া করি দেশের মানুষ যেভাবে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করেছে আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি করে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন করতে সক্ষম হই সেই প্রত্যাশা করি।

তিনি আরও বলেন, দেশবাসীর কাছে অনুরোধ থাকবে তাদের সহযোগিতা থাকলে নির্বাচিত সরকার আপনাদের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনের কাজে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে। দলমত নির্বিশেষে সবাই ভালো থাকবেন।

৭১’র মুক্তিযোদ্ধাদের ও ‘২৪ এর ছাত্রজনতার আন্দোলনে শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তিনি।

সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করলে সংসদ ও সংসদের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করব: নাহিদ

সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করলে সংসদ ও সংসদের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করব বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে রাজধানীর বেরাইদ এলাকার পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনের পর প্রথমেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ পাঠ করার থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশার সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদের গঠনের দিকে না যায় ঈদের পর সংসদ ও সংসদের বাইরে থেকে বিরোধীদল হিসেবে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করবে।

একটি সরকারের গতিবিধিকে মূল্যায়নের জন্য তাদের আরও সময় দিতে হবে জানিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ বেশ কিছু কাজ তারা দ্রুততার সঙ্গে করেছে।

ফ্যাসিবাদ পতনের পর এবারের ঈদ অনেক বেশি আনন্দের: ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদ পতনের পর মুক্ত বাংলাদেশে এবারের ঈদ সাধারণ মানুষের জন্য অনেক বেশি আনন্দের ও স্বস্তির।’

শনিবার (২১ মার্চ) লালমনিরহাট শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সাধারণ মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ পতনের পর এবারের ঈদে এক মুক্ত-স্বাধীন আবহাওয়ায় আমরা সবাই একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছি। এতে আমরা সবাই অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা সারা বছর সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকি। জনগণকে দেওয়া আমাদের যে প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল, সেগুলো যেন আমরা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, এজন্য সর্বস্তরের মানুষের কাছে আমি সহযোগিতা চেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘লালমনিরহাটবাসী আমাকে কথা দিয়েছেন, আগামীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। আমার প্রিয় লালমনিরহাটকে একটি সমৃদ্ধশালী ও ভালোবাসার জনপদে পরিণত করব। মানুষ যেহেতু আমার ওপর আস্থা রেখেছে এবং ভালোবেসেছে, আমিও আমার কাজের মাধ্যমে সেই ভালোবাসার সর্বোচ্চ প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।’

এর আগে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ এবং গোটা মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করা হয়। মোনাজাত শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সব মুসল্লির সঙ্গে কোলাকুলি করেন। ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

আমরা চাই, প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে : অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আজকে আমার মনে হয়, আমাদের সবার জন্য ঈদের আনন্দ তো আছেই, একটি দেশের পরিবর্তিত পরিবেশে, গণতান্ত্রিক আবহে এবারের আনন্দটা কিছুটা ভিন্ন। আমরা সবাই আজ আমাদের যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল, মনে হয় নির্বাচনের পর তা অনেকাংশেই ফিরে পেয়েছি। তাই এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি এক অনুভূতি।

শনিবার (২১ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী নাজির বাড়ি মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আমির খসরু বলেন, আমরা চাই, দেশটা যেন এভাবেই থাকে—সবাই মুক্তভাবে থাকতে পারে, মুক্তভাবে কথা বলতে পারে এবং স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে। প্রত্যেকে যেন তার সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করতে পারে। ঈদের সঙ্গে এই বিষয়গুলোরও একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কারণ মানুষ যদি মুক্ত না থাকে, তাহলে ঈদের প্রকৃত আনন্দ অনুভব করা যায় না।

তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয়, এবারের ঈদের আনন্দ সত্যিই ভিন্ন। তাই দেশবাসী সবাইকে জানাচ্ছি ঈদের শুভেচ্ছা। এই ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি যেন আমাদের মাঝে অব্যাহত থাকে— বাংলাদেশের জন্য, সকল মানুষের জন্য। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার মধ্যে এই অবিরাম বন্ধন অটুট থাকুক।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ড. ইউনূসের

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেছেন বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ শনিবার ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে যমুনায় ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ঈদের নামাজ শেষে যমুনায় প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সকাল সোয়া ৯টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য প্রধান ফটক খুলে দেওয়া হয়। এতে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলা ঘটে। এরমধ্যে বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও অংশ নেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।