শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৬

শিক্ষায় অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া হবে না : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০০১ সালে সর্বপ্রথম কুমিল্লার আমড়াতলী হাই স্কুল থেকে নকল প্রতিরোধ শুরু হয়েছিল। ওই সময়ে দু’জন শিক্ষককে গ্রেপ্তারও করা হয়। আবার সেই কুমিল্লায় এসেছি। শিক্ষকদের আমি সবসময় প্রটেকশন দিতাম, না দিলে তো হবে না।

কোনো শিক্ষক আহত হলে তাকে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দিতাম। তবে শিক্ষায় অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া যাবে না। কারণ এটা শিক্ষা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এসএসসি ও সমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লা অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে ছাত্রদের লেখাপড়া শেখান তাহলে সদকায়ে জারিয়া পাবেন। আমি বলেছিলাম শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা। এখানে আপনি ওজু ছাড়া ঢুকতে পারবেন না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থেকে অসৎ কাজ করা যায় না।

এই মন্ত্রণালয়কে আমি পবিত্র করেছিলাম। সেখানে আপনারা কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা অনেক কাজ করেছি, স্বপ্ন একটি, তারেক রহমানের আগামীর বাংলাদেশ গড়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো না।

এখানে যারা কাজ করছেন তারা সবাই সদকায়ে জারিয়া পাবেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা। আবার ২০০১ সালে থেকে ২০০৬ সালে আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। ওই সময়েও আমাকে সহাযোগিতা করেছিলেন শিক্ষকরাই। তার মানে যেভাবে সরকার চায় আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। এবার আমরা এসেছি, আমরা নকল চাই না।

মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় যেসব স্কুলে পাসের হার শূন্য থাকবে; সেসব স্কুলের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আজ শিল্পকলাতে আমি আপনাদের বলে গেলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামসুল ইসলাম, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিঞা মো. নূরুল হক, কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানসহ আরো অনেকে।

আফগানিস্তানে ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে একই পরিবারের নিহত ৮

আফগানিস্তানে গত রাতে আঘাত হানা এক ভূমিকম্পে কাবুল প্রদেশে একই পরিবারের আট সদস্য নিহত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) অনুসারে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪২ মিনিটে উত্তর-পূর্ব বাদাখশান প্রদেশের কেন্দ্রস্থলে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮৬ কিলোমিটার (১১৫ মাইল) গভীরে ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কম্পন দেশের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে রাজধানী কাবুলে অনুভূত হয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শরাফাত জামান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘কাবুল প্রদেশের গোসফান্দ দারা এলাকায় ভূমিকম্পের কারণে একই পরিবারের ৮ জন নিহত হয়েছে।’

তিনি আরো জানিয়েছেন, ওই পরিবারের দুই বছর বয়সি এক শিশু জীবিত আছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ওই শিশু ভূকম্পনের সময় আহত হয়েছে।

আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান, বিশেষ করে হিন্দুকুশ পর্বতমালা অঞ্চল, ইউরেশীয় এবং ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের মিলনস্থলে হওয়ায় সেখানে প্রায়শই শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়।

গত আগস্টে পূর্ব আফগানিস্তানে ৬ মাত্রার একটি অগভীর ভূমিকম্পে ২ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক ভূমিকম্প।

লাক্স সুপারস্টার বিজয়ীরা কে কী পেলেন?

দীর্ঘ সাত বছর পর আবারও জমকালো আয়োজনে ফিরেছে জনপ্রিয় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ‘লাক্স সুপারস্টার’। এবারের আসরে বিজয়ের মুকুট উঠেছে রাজশাহীর মেয়ে বিদুষী বর্ণিতার মাথায়। ঘোষণার মুহূর্তেই আবেগে ভেঙে পড়েন তিনি, আর সেই আবেগঘন দৃশ্য ছুঁয়ে যায় উপস্থিত দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের।

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই চূড়ান্ত পর্ব ছিল চোখ ধাঁধানো।

বিজয়ী বর্ণিতার হাতে তুলে দেওয়া হয় স্বরোভস্কি ক্রিস্টালের ট্রফি এবং একটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবি—যা ছিল এবারের আসরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার। পাশাপাশি, তিনি পাচ্ছেন ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে রায়হান রাফী পরিচালিত একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ।
প্রথম রানারআপ হয়েছেন পাবনার নাযাহ নাওয়ার বিনতে নুরুল। তাঁর প্রাপ্তি পাঁচ লাখ টাকার চেক।

আর দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন চট্টগ্রামের আমিনা ইসলাম, যিনি পেয়েছেন তিন লাখ টাকা।
লাক্স সুপারস্টার ২০২৫ হলেন বিদুষী বর্ণিতা

শুধু এখানেই শেষ নয়, প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও সেরা প্রতিযোগীদের জন্য আরো বড় সুযোগের দুয়ার খুলে যাচ্ছে। নির্মাতা শিহাব শাহীন তাঁদের নিয়ে একটি ওয়েব চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন, যা নতুনদের জন্য শোবিজে শক্ত অবস্থান তৈরির সুযোগ করে দেবে।

এবারের আসরে মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জয়া আহসান, মেহজাবীন চৌধুরী এবং রায়হান রাফী।

তাঁদের দিকনির্দেশনায় প্রতিযোগীরা নিজেদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস আরো শাণিত করেছেন।
এবারের আসরে চূড়ান্ত পর্ব সঞ্চালনা করেন মোশাররফ করিম ও আরিফিন শুভ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যা সিনহা মিম, আজমেরী হক বাঁধনসহ শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকা।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে শুরু হওয়া ‘লাক্স সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতা ২০১৮ সালের পর বন্ধ ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন উদ্যমে ফিরে এসেছে এটি।

ডিজেল ও অকটেন আমদানির জন্য বিকেলে জরুরি বৈঠকে বসছেন অর্থমন্ত্রী

মোট ১৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির জন্য সরকারি ছুটির দিন আজ শনিবার জরুরি ভিত্তিতে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক বসছে। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন উভয় কমিটির প্রধান অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বিভিন্ন ধরনের মোট ১৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদনের জন্য প্রথমে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদন পেলে এ বৈঠকের পর অনুষ্ঠেয় ক্রয় কমিটির বৈঠকে তা অনুমোদন পেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এ বাস্তবতায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

ক্রয় কমিটির বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক (ইউএই) ডিবিএস ট্রেডিং হাউস এফজেডসিওর কাছ থেকে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে ১০ লাখ টন ডিজেল ও ১ লাখ টন অকটেন আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হতে পারে। এ ছাড়া ইউএইর আরেক কোম্পানি ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে এক লাখ টন ডিজেল ও কাজাখস্তানের কোম্পানি কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপির কাছ থেকে পাঁচ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হতে পারে।

গত ৩১ মার্চ মোট ২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদিত হয় ক্রয় কমিটির বৈঠকে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, চলতি এপ্রিলে ডিজেলের চাহিদা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টন। আজ যে প্রস্তাব উঠছে, তাতে ১৭ লাখ টনের মধ্যে ১৬ লাখ টনই ডিজেল। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে আগামী মে ও জুনের দিকে এসব তেল দেশে ঢুকবে বলে সূত্রগুলো জানায়। তবে এর নানা ধাপ আছে। ক্রয় কমিটিতে অনুমোদনের পর কোম্পানিগুলো থেকে পারফরম্যান্স গ্যারান্টি (পিজি) নেবে বিপিসি। এরপর বিপিসি ঋণপত্র (এলসি) খুলবে এবং কোম্পানিগুলোকে কার্যাদেশ দেবে।

যোগাযোগ করা হলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব ও মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্যই সরকার জরুরি বৈঠক ডেকেছে। তিনি জানান, দেশে অকটেনের সরবরাহে সংকট নেই, অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন আছে। চলতি এপ্রিলে ডিজেলেরও সংকট নেই।

রাজনৈতিক প্রভাব নয়, প্রকৃত কৃষকই কৃষি সুবিধা পাবে : পাট প্রতিমন্ত্রী

রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে প্রকৃত কৃষকদের সুবিধা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেন, ‘সরকার কৃষকদের যে কৃষি সুবিধা দিচ্ছে, তা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। প্রকৃত কৃষক, যাঁরা তা পাওয়ার যোগ্য তাঁরাই যেন এ সহায়তা পান। সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
’

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে ধান ও পাট বীজসহ সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রায় ১ হাজার ৮০০ কৃষকের মাঝে পাট বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

এখন দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। অপ্রয়োজনীয় মজুদের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে।
বর্তমানে একটি জনবান্ধব সরকার বলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও সরকার অর্থনীতি সচল এবং দ্রব্যমূল্য নাগালে রাখতে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এখনো দাম বাড়ায়নি, ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে।’

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শরীফুল আলম বলেন, ‘হামের বিস্তাররোধে সরকার ইতিমধ্যে টিকা আমদানি করছে। আগামী রবিবার থেকে দেশব্যাপী শিশুদের হামের টিকা প্রদানের কর্মসূচি নিয়েছে। আশা করি দ্রুতই এর নিয়ন্ত্রণ হবে।
’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াছিন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি কর্মকর্তা ফরিদা বেগম। এ ছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির সভাপতি-সম্পাদক বক্তব্য দেন।

প্রসঙ্গত, চলতি মৌসুমে আউশ ধান ও পাট চাষ বৃদ্ধিতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার মোট ৩ হাজার ৭০০ কৃষককে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০০ কৃষককে জনপ্রতি ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে। ১ হাজার ৯০০ কৃষককে ১ কেজি করে উন্নত তোষা পাটের বীজ দেওয়া হয়।

দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জোনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলনের ‘প্রধান সমন্বয়কারী’ পদ থেকে সরে যাচ্ছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতা জোনায়েদ সাকি। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে শনিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হাতিরপুলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আজ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান সমন্বয়কারীর দলীয় দায়িত্ব বিষয়ে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দীন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন।
ওই সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়।

নওগাঁয় বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

জমির খাজনা দেওয়ার নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করায় হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (টুটুল) নামে এক বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনির বিরুদ্ধে। বুধবার বিকালে বদলগাছী উপজেলার ইউএনও অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (৬২) উপজেলার কয়াভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে রজনীগন্ধা ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বলে পরিচয় দেন।

হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, আমার নামে ৫ কাঠা জমি আছে। আমি আমার অংশের খাজনা দিতে চাই। কিন্তু ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন- আমার জমি যে খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ওই খতিয়ানে থাকা সব দাগের (মোট ৯ একর) খাজনা নাকি আমাকে দিতে হবে। আমি এর প্রতিবাদ করায় আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও মারধর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জমির খাজনা দেওয়ার এই কালাকানুন পরিবর্তন করার জন্য এবং মানুষকে সচেতন করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে একটি ভ্যানের ওপর চড়ে মাইকে বক্তব্য রাখছিলাম। তখন ভূমি অফিসের লোকজন আমাকে তুলে নিয়ে ইউএনও অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একপর্যায়ে ইউএনও আমাকে লক্ষ্য করে পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপার ওয়েটটি আমার বুকে এসে লাগে।
ইউএনওর রুমে থাকা অন্যান্য লোকজন আমাকে মারধর করে। পরে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছি।

ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান বলেন, একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যদি ওয়েটপেপার ছুড়ে মেরে আহত করেন, আমি হতবাক হই। আমার চোখে লাগলে কী হতো? ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আমি এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বদলগাছীর ইউএনও ইসরাত জাহান ছনি মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাকে আমার অফিসে ডেকে আনা হয়েছিল জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য।
তিনি কার প্ররোচনায় মাইকিং করছিলেন সেটি জানার জন্য। তিনি যে আইনের ভুক্তভোগী সেটা তো ইউএনও বা এসিল্যান্ড তৈরি করেননি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তার গায়ে পেপারওয়েট ছুড়ে মারা বা মারধর করার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি নিজে খোঁজখবর নিয়েছি। কিন্তু এর সত্যতা পাইনি। কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে একজন নাগরিককে ইউএনওর মারধরের প্রশ্নই আসে না। আমি এর কোনো সত্যতা পাইনি। আপনারা ভালো করে খোঁজখবর নিয়ে দেখতে পারেন।

এদিকে বুধবার বিকালে খাজনা দেওয়ার নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে আসাদুজ্জামান যে মাইকিং করছিলেন তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। খাজনা দেওয়ার এই আইনের সংশোধনের জন্য মাইকিং করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তার প্রশংসা করছেন এবং তাকে তুলে নিয়ে মারধর করায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

ওই ভিডিওতে আসাদুজ্জামানকে উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে একটি ভ্যানের ওপর বসে মাইকে সর্বসাধারণের উদ্দেশে কথা বলতে দেখা যায়। সেখানে তিনি বলেন, নিজেরা ইচ্ছামতো আইন করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। তারই প্রতিবাদে রজনীগন্ধা ফাউন্ডেশন ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি প্রেরণ করবে। স্মারকলিপির বিষয়বস্তু, বাংলাদেশের ভূমি আইনে যেকোনো জমির একটি খতিয়ান নম্বর থাকে। সেই খতিয়ানে অনেকগুলো দাগ নাম্বার থাকে এবং এই দাগ নাম্বারে অনেকগুলো জমির সমষ্টি থাকে। ধরে নিন ৮২ নাম্বার খতিয়ানে ৩০২ নাম্বার দাগে আমার পাঁচ কাঠা জমি আছে। এই পাঁচ কাঠা জমি যেকোনো কারণেই হোক আমি যদি বিক্রি করতে যাই। তাহলে ভূমি অফিসকে ওই ৮২ নম্বর খতিয়ানের সব জমির খাজনা দিতে হবে। যেটা একজন সাধারণ মানুষের কাছে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। আমি পাঁচ কাঠা জমির মালিক হয়ে কেন সব জমির খাজনা দিতে যাব। এটা কোন আইনের বলে কাদের প্ররোচনায় সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে মোট খতিয়ানের জমির টাকা আদায় করা হয়। মাইকে এসব কথা বলার সময় কিছু লোক তাকে সেখান থেকে একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায়।

সাদেকুল ইসলাম উজ্জ্বল নামে প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বলেন, ওই বৃদ্ধ লোকটি ভূমি অফিসের সামনে ভ্যানের ওপর মাইক ঝুলিয়ে জমির খাজনার আইন পরিবর্তনের জন্য মাইকিং করছিলেন। লোকটি ভালোই কথা বলছিলেন। কিন্তু পরে ভূমি অফিসের লোকজন তাকে ইউএনও অফিসে তুলে নিয়ে যায় ভ্যান-মাইকসহ। পরে শুনলাম তাকে নাকি মারধর করা হয়েছে।

নির্যাতিত গণমাধ্যমকর্মীদের তালিকা করা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদ আমলে নির্যাতনের শিকার গণমাধ্যমকর্মীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি। পাশাপাশি ফ্যাসিবাদ আমলে নির্যাতনের শিকার গণমাধ্যমকর্মীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পাবনা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে বইমেলার উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘গণমাধ্যমের ওপর নির্যাতনের যে ইতিহাস তা ফ্যাসিবাদের কর্মকাণ্ডের অঙ্গ। আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করে ফ্যাসিবাদকে উৎখাত করেছি।’

তিনি জানান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে গণমাধ্যমের অধিকার এবং স্বাধীনতা যারা চর্চা করেছেন সেই গণমাধ্যমকর্মীদের নির্যাতনের যে অপরাধ তার বিচার করতে হবে।
এই অপরাধকে চিহ্নিত করতে সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ইতিমধ্যেই তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক ও প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগের সভাপতিত্বে এবং পাবনা বইমেলা উদযাপন পরিষদের সদস্যসচিব ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমানের পরিচালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা জে

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব সারা বিশ্বকে আক্রান্ত করেছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব আছে, তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনে কতদিন এভাবে চলবে তা ভাবনার বিষয়, তাই শিগগিরই তেলের দামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রামের কেইপিজেড ইয়ংওয়ান করপোরেশন মিলনায়তনে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অধিকাংশ তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তেলের সংকট মোকাবেলায় সারা বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে জ্বালানি তেল ব্যবহারে আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে।
ইতিমধ্যে সাশ্রয় প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে মন্ত্রী থেকে সাধারণ মানুষ সবাইকে অংশ নিতে হবে।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, আমেরিকাসহ সব দেশে তেলের দাম বেড়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ভালো আছে। ঈদের সময় সবাই নির্বিঘ্নে বাড়ি গেছে এবং কাজে ফিরেছে।
কলকারখানা ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থাৎ দেশে কোনো সংকট তৈরি হয়নি।

পুঁজিবাজারের অস্থিরতা কাটিয়ে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। আমরা এমন পরিবেশ তৈরি করব যাতে বিনিয়োগকারীরা স্বস্তি পায়। পুঁজিবাজারকে সঠিক জায়গায় নিয়ে যেতে আমরা কাজ করছি।
এ সময় তিনি ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগের ওপর জোর দিতে বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বর্তমান সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন সরকার এখন পর্যন্ত খুবই ভালো করছে। সবকিছুর সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখাই এখন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।

সিআইইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কোরিয়ান ইপিজেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ শাহজাহান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কিহাক সাং, সিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লুৎফি এম আইয়ুব এবং সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাল খনন বিপ্লব সমাপ্ত হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত : পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব ছিল। এই বিপ্লবটা সমাপ্ত হয়নি। বিপ্লবটি যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার চিন্তা-ধারণা দূরদর্শিতার আলোকে সমাপ্ত হতো তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত।’

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের কাফিলাতলি বাজার এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কাফিলাতলি বাজার থেকে হামছাদী এলাকার ১২.৬ কিলোমিটার সি-খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন বিপ্লবটি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। চর্চা নেই, এখন চর্চা শুরু হয়েছে। তার মানে অসমাপ্ত কাজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এদেশে সমাপ্ত হবে।
যত বাধা-বিপত্তি বিপত্তিই থাকুক, কোনো কিছুই থাকবে না। খাল খালের গতিতে চলবে, প্রবাহ প্রবাহের গতিতে থাকবে। এটি হলো জনগণের চাওয়া, জনগণের পাওয়া।’

তিনি আরো বলেন, ‘খাল খনন করতে গিয়ে দেখি খালের মাঝখানে দোকান-বাড়িঘর গড়ে উঠেছে।
যদি স্বনির্ভর বাংলাদেশের কাজ অব্যাহত থাকত তাহলে খালের মধ্যে দোকান-বাড়িঘর হতো না। কলকারখানার বর্জ্য বা মানুষের বাসাবাড়ির ড্রেন খালে পড়ত না।’

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক ও লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে সবশেষ খনন হওয়া সি-খালটি খননে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটি খনন হলে সদরের হামছাদী ও রায়পুরের বামনী ইউনিয়নসহ ৪টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা ও কৃষি কাজে সুফলভোগী হবেন।