শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

সুযোগ পেলে ব্যাটারদের যে সুবিধা কেড়ে নিতে চান শচীন

ক্রিকেট খেলাকে আরও নিঁখুত ও আকষর্ণীয় করতে নানা নিয়মের প্রচলন করে থাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যার কিছু কিছু আবার অনেক সময় আলোচনার জায়গা দখল করে। তেমনই একটি নিয়মের বিরোধীতা করে আগেও নিজের মতামত দিয়েছিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। তিনি আবারও জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে ‘ডিআরএস বা ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম’ নিয়মটা উঠিয়ে দিতে চান।

সামাজিক গণমাধ্যম সাইট রেডিটের ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনে এক ভক্ত শচীনকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনাকে যদি ক্রিকেটের কোনো একটি নিয়ম পরিবর্তন করতে বলা হয়, তাহলে কোন নিয়মটা পরিবর্তন করতে চাইবেন?’ যার জবাবে শচীন ডিআরএস–এর কথাই বললেন। তার মতে, কোনো ক্রিকেটার ডিআরএস তখনই নেন, যখন তিনি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হন না। এজন্য ক্রিকেটাররা সিড়ির আরেকধাপ ওপরে উঠেন। তার মানে তিনি একই সিদ্ধান্ত বহাল দেখতে চান না।

কেন ক্রিকেট থেকে নিয়মটি তুলে ফেলতে চান তার ব্যাখ্যা দিয়ে ভারতীয় কিংবদন্তি বলেন, ‘আমি ডিআরএস নিয়মটা পরিবর্তন করতে চাই। কারণ ক্রিকেটাররা ফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়েই ডিআরএসের সাহায্য নেয় এবং সিদ্ধান্তটা পাঠায় তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। আমি মনে করি, তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে সিদ্ধান্ত পাঠানোর রাস্তাটা একেবারে বন্ধ হওয়া উচিত। একজন ক্রিকেটারের যেমন খারাপ সময় আসতে পারে, তেমনই আম্পায়ারদেরও খারাপ সময় আসে। প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকলে তাদের ভুলও ধারাবাহিকভাবে হতেই থাকবে।’

এর আগে ২০২০ সালেও শচীন টেন্ডুলকার ‘আম্পায়ার্স কল’ বন্ধ করার দাবি তুলেছিলেন। ওই সময় ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ব্রায়ান লারার সঙ্গে আলোচনার করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এই ব্যাপারে একেবারেই একমত নই। এলবিডব্লিউ আউটের ক্ষেত্রে যখন ডিআরএস নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে ফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলের জন্য বলের ৫০ শতাংশ স্টাম্পে লাগা উচিত। ফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হতে পারে না বলেই ক্রিকেটাররা তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে আবেদন করেন। এই পরিস্থিতিতে তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে যখন সিদ্ধান্ত যায়, তখন প্রযুক্তিকে নিজের কাজ করতে দেওয়া উচিত।’

যখন ডিআরএসে প্রযুক্তিগত প্রমাণ অস্পষ্ট (বেনিফিট অব ডাউট) হয়, তখন অনফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখে বা প্রাধান্য দিয়ে ‘আম্পায়ার্স কল’ ব্যবহার করা হয়। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তি অনুযায়ী– বলের ৫০ শতাংশের কম অংশ স্টাম্পে (বেল বাদে) লাগলে, সেটিকে আম্পায়ার্স কল হিসেবে ধরা হয়। তবে এসব ক্ষেত্রে ডিআরএস নেওয়া দল তাদের রিভিউ হারায় না।

জম্মু-কাশ্মিরে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৩১, আরও হতাহতের আশঙ্কা

ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মিরের রিয়াসি জেলার কাটারা শহরে অবস্থিত বৈষ্ণো দেবীর মন্দিরের কাছে ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পৌঁছেছে ৩০ জনে। কাদা-মাটি ও ধ্বংসস্তূপের তলায় আরো বেশ কয়েক জনের মরদেহ চাপা পড়ে আছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও ২৩ জনকে। তাদেরকে কাটারা শহরের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার (সিএইচসি) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রিয়াসি জেলা পুলিশের প্রধান পরমবীর সিং ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে আজ বুধবার হালনাগাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভারী বৃষ্টির জেরে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মন্দিরের যাত্রাপথে অবস্থিত ইন্দ্রপ্রস্থ ভোজনালয় এবং তার আশেপাশের এলাকায় ধস নামে, আতঙ্ক দেখা দেয় পূন্যার্থীদের মধ্যে। ধসের পরপরই মন্দির কমিটি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতায় নামেন। কিছু সময় পর এতে যুক্ত হয় ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকারী বাহিনী এনডিআরএফ এবং আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের সদস্যরা।

গত তিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে রিয়াসি জেলাসহ জম্মু-কাশ্মিরজুড়ে। ভারী বৃষ্টির জেরে জম্মু-কাশ্মিরের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভূমিধস ও হড়পা বানের সংবাদ আসছে। পরমবীর সিং বলেছেন, উপদ্রুত বেশিরভাগ এলাকার সড়ক যোগাযোগ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বা অনেকাংশে ধ্বংস হয়ে গেছে। সেসব এলাকাতেও উদ্ধারকারী বাহিনী পাঠানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে শিগগিরই জম্মু-কাশ্মিরের আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)। আইএমডি’র সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আরও অন্তত দু’-তিন দিন এমন থাকবে জম্মু-কাশ্মিরের আবহাওয়া এবং অনেক অঞ্চলে আরও ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি, কাটরা, জম্মু, সাম্বা, রিয়াসি, উধমপুর, ডোডা এবং কিশ্তওয়াড় জেলায় ভূমিধস এবং হড়পা বানের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

সার্বিক রিস্থিতি বিবেচনা করে বৈষ্ণোদেবী মন্দির যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকাজে কাঙিক্ষত গতি তোলা যাচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন এনডিআরএফের এক কর্মকর্তা। সাংবাদিকের ওই কর্মকর্তা বলেন, “অবিরাম বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ বার বার বাধা পাচ্ছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি সকলকে যেন যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।”

ট্রাম্পের ৫০% শুল্ক কার্যকর, কঠিন হয়ে পড়েছে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ বাস্তবায়ন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ভারতীয় পণ্যে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। ট্রাম্পের ঘোষিত এই শুল্ক কার্যকর হয়েছে আজ থেকে।

ট্রাম্পের শুল্কের জবাবে ভারতে উৎপাদন ও ভোগ বা বেচাকেনা বাড়াতে হবে বলে বার্তা দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমন অবস্থায় ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, চলতি মাসের মাঝামাঝিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে শিগগিরই সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় কর-ছাড়ের উপহার আসছে।

স্বাধীনতা দিবসে দিল্লির লালকেল্লা থেকে জনসভায় উজ্জ্বল গেরুয়া পাগড়ি পরে ভাষণ দেন তিনি। মোদি তখন ‘আত্মনির্ভরতার’ ডাক দেন এবং দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের দোকানের সামনে ‘স্বদেশি’ বা ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ সাইনবোর্ড লাগানোর আহ্বান জানান।

সেসময় মোদি বলেন, “আমাদের আত্মনির্ভর হতে হবে— হতাশা থেকে নয়, গর্ব থেকে। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক স্বার্থপরতা বাড়ছে। আমাদের কাঁদলে চলবে না, আমাদেরকে নিজেদের শক্তি দিয়ে উঠে দাঁড়াতে হবে।”

তিনি এই বক্তব্য অন্তত আরও দুটি জনসভায় পুনরাবৃত্তি করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এ বার্তাটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাব, যা ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হচ্ছে। এতে ভারতের রপ্তানি নির্ভর খাতগুলো— পোশাক, হীরা, চিংড়িসহ বহু শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এই ধাক্কার মধ্যে মোদির বার্তা ছিল স্পষ্ট— “ভারতে তৈরি করো, ভারতে খরচ করো”। তবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ভর্তুকি ও প্রণোদনা দেওয়ার পরও ভারতের জিডিপিতে উৎপাদন খাতের অংশীদারিত্ব ১৫ শতাংশেই থেমে আছে।

তাই এবার তিনি জোর দিচ্ছেন কর ব্যবস্থায় সংস্কারে। বাজেটে ঘোষিত ১২ বিলিয়ন ডলারের আয়কর ছাড়ের পর এবার লক্ষ্য পরোক্ষ কর ব্যবস্থায়— গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স (জিএসটি) সরলীকরণ ও হ্রাস করা।

আট বছর আগে জিএসটি চালুর লক্ষ্য ছিল নানা করপদ্ধতির জটিলতা কমানো। কিন্তু বাস্তবে বহু স্তর ও ছাড় থাকায় এটি জটিল হয়ে উঠেছে। তাই মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই স্তরের সহজ জিএসটি ব্যবস্থার।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান জেফরিজ বিশ্লেষণে জানিয়েছে, আয়করের ছাড়ের সঙ্গে মিলিয়ে এই সংস্কার ভোক্তা খাতে ২০ বিলিয়ন ডলারের প্রবাহ তৈরি করবে।

ভারতের অর্থনীতির প্রায় ৬০ শতাংশ আসে ভোক্তা ব্যয় থেকে। যদিও গ্রামে ভালো ফসলের কারণে চাহিদা স্থিতিশীল আছে, শহরে চাকরি ছাঁটাই ও মজুরি কমে যাওয়ায় খরচ কমেছে। কর ছাড় এটিকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারে।

মরগান স্ট্যানলির মতে, এ পদক্ষেপ জিডিপি বাড়াবে, মুদ্রাস্ফীতি কমাবে। বৈশ্বিক অস্থিরতা ও বাণিজ্য সংকটের মধ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণোদনা। বিশেষত মোটরসাইকেল, ছোট গাড়ি, পোশাক, সিমেন্টের মতো খাতগুলো এতে বেশি উপকৃত হবে, যেগুলোর চাহিদা দীপাবলির সময় বাড়ে।

আয় হ্রাসের ঝুঁকি থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত কর আদায় ও ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেশি লভ্যাংশ পেয়ে তা পূরণ হবে। সুইস বিনিয়োগ ব্যাংক ইউবিএস মনে করছে, ভোক্তা পর্যায়ে সরাসরি প্রভাব ফেলায় জিএসটি ছাড়ের প্রভাব আগের আয়কর বা করপোরেট কর ছাড়ের চেয়েও বেশি হবে।

এ ছাড়গুলো ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আবার সুদের হার কমাতে উৎসাহিত করতে পারে, যা ঋণপ্রবাহ বাড়াবে। পাশাপাশি অর্ধ মিলিয়ন সরকারি কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধি আগামী বছর থেকে কার্যকর হলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে।

শেয়ারবাজার ইতোমধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। আর বৈশ্বিক বাণিজ্য অস্থিরতার মাঝেও ১৮ বছর পর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল ভারতের ঋণমান উন্নীত করেছে, যা সরকারের ঋণখরচ কমাতে ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সাহায্য করবে।

তবে এত সংস্কারের পরও ভারতের প্রবৃদ্ধি গত কয়েক বছরের ৮ শতাংশ হার থেকে অনেকটাই কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কও সংকটে— বিশেষত রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে। নির্ধারিত বাণিজ্য আলোচনাও বাতিল হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্যে ‘নিষেধাজ্ঞার’ সমান— যা কয়েক মাস আগেও ছিল অকল্পনীয়।

স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক, আবেগঘন বার্তা

২০০৬ সালে মুখে স্কিন ক্যান্সারের প্রাথমিক উপসর্গের (নন মেলানোমা লেসন) কথা টের পেয়েছিলেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। এরপর বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা বিভিন্ন দফায় এর চিকিৎসাও নিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে সেসবের আপডেট তথ্য জানিয়ে আসছিলেন ক্লার্ক। নতুন করে ক্যান্সারের একটি অংশ অপসারণের পর তিনি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন।

আজ (বুধবার) ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি ছবির সঙ্গে ক্লার্ক লিখেছেন, ‘ত্বকের ক্যান্সার এখন বাস্তব ঘটনা, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায়। আজ আবার আমার নাক থেকে (স্কিন) ক্যান্সারের একটি অংশ কেটে ফেলা হয়েছে। সবাইকে আন্তরিকভাবে মনে করিয়ে দিতে চাই, আপনার ত্বক নিয়মিত পরীক্ষা করুন। প্রতিরোধই সর্বোত্তম সমাধান, তবে আমার ক্ষেত্রে নিয়মিত চেকআপ আর প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণই মূল।’

আজ প্রকাশ হবে চূড়ান্ত সীমানা তালিকা

সীমানা পুনর্নির্ধারণের শেষ দিন আজ বুধবার রাজধানীর‎‎ আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে চলছে শুনানি। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও সিলেট অঞ্চলের দাবি-আপত্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এই শুনানি চলছে। শুনানি শেষে কমিশন চূড়ান্ত সীমানা তালিকা প্রকাশ করবে।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পঞ্চগড়-১, ২, রংপুর-১, কুড়িগ্রাম-৪, সিরাজগঞ্জ-২, ৫, ৬, পাবনা-১; আড়াইটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল-৬, জামালপুর-২, কিশোরগঞ্জ-১, সিলেট-১, ফরিদপুর- ১, ৪, মাদারীপুর-২, ৩, শরীয়তপুর-২ ও ৩ আসনের শুনানি হবে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৮৩টি আসনের জন্য এক হাজার ৭৬০টি দাবি ও আপত্তি জমা পড়েছিল। এসব দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য গত রবিবার থেকে শুনানি শুরু করা হয় এবং আজ তা শেষ হচ্ছে।

শুনানি শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানাবেন।

পূজারার অবসরে হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া বার্তা কোহলির

টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ভারতের অন্যতম ভরসার ব্যাটার চেতেশ্বর পূজারা। রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যাটার। পূজারার অবসরের পর ভারতীয় ক্রিকেট মহলে শুরু হয়েছে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া।

দীর্ঘদিনের সতীর্থ বিরাট কোহলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ পূজি, চার নম্বরে আমার কাজটা সহজ করে দেওয়ার জন্য।
তোমার ক্যারিয়ার অসাধারণ। অভিনন্দন এবং আগামীর জন্য শুভকামনা। ঈশ্বর আশীর্বাদ করুন।’

প্রায় এক দশক ধরে ভারতের মিডল-অর্ডারে একসাথে ছিলেন কোহলি ও পূজারা।
দু’জন মিলে ৮৩ ইনিংসে করেছেন ৩৫১৩ রান, যার মধ্যে রয়েছে ৭টি সেঞ্চুরি জুটি ও ১৮টি অর্ধশতক পার্টনারশিপ।

২০১০ সালে বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক হয় পূজারার। এরপর ১০৩ টেস্টে ৪৩.৬০ গড়ে করেছেন ৭১৯৫ রান। রয়েছে ১৯টি সেঞ্চুরি ও ৩৫টি অর্ধশতক।
বিশেষ করে ২০১৮-১৯ অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে (২-১) ছিল তার অসাধারণ ভূমিকা, করেছিলেন ৫২১ রান। ২০২০-২১ সিরিজেও লড়াকু ব্যাটিংয়ে নজর কাড়েন, করেছিলেন ২৭১ রান।

ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটেও পূজারার রেকর্ড ঈর্ষণীয়। খেলেছেন ২৭৮ ম্যাচ, করেছেন ২১ হাজারের বেশি রান, ৫১.৮২ গড়ে করেছেন ৬৬টি সেঞ্চুরি।

ভারতের হয়ে তার শেষ ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালে ওভালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

পূজারার বিদায়ের পর সতীর্থ ও ক্রিকেট মহল তাকে স্মরণ করছে ‘দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ ও নিবেদনের প্রতীক’ হিসেবে।

ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণে আগ্রহের তুঙ্গে সুইফটের নতুন অ্যালবাম

কিছুদিন আগেই ১২তম স্টুডিও অ্যালবামের ঘোষণা দিয়েছেন আমেরিকান পপ সেনসেশন টেলর সুইফট। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে অ্যালবামটির প্রি-অর্ডার ও বিক্রি। এই বিশেষ প্রক্রিয়া চলবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর বাজারে আসবে অ্যালবামটি।

তবে অ্যালবামটির ব্যতিক্রম দিক হলো, এটির অনেকগুলো সংস্করণ করেছেন সুইফট। সংখ্যাটা ঠিক কত, তা এখনো জানা যায়নি। তবে এ পর্যন্ত পাঁচটি ভার্সনের কথা সামনে এসেছে। যারা চড়া দামে অগ্রিম কিনে নিচ্ছেন, তারাই পাচ্ছেন এসব বিশেষ সংস্করণ।

ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুসারে, অ্যালবাম এক হলেও এগুলোর ভিনাইলে রয়েছে ভিন্নতা। এ ছাড়া প্রচ্ছদের নকশা, ভিনাইলের রং, প্যাকেজিং সবকিছুতেই ভিন্নতা রাখা হচ্ছে। এবং এসব সংস্করণ সাধারণ বাজারে কিনতে পাওয়া যাবে না। শুধু অগ্রিম ক্রেতাদের জন্যই বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।

এখনো পর্যন্ত সর্বশেষ যে সংস্করণ এসেছে, তার নাম ‘টিনি বাবলস ইন শ্যাম্পেন কালেকশন’। সোমবার প্রকাশ্যে আসা এ অ্যালবামে দুটি আলাদা ভিনাইল রয়েছে, সঙ্গে দেওয়া হয়েছে একটি কবিতা।

প্রতিটি সংস্করণ প্রকাশের পর বিক্রির সময় বাঁধা থাকে ৪৮ ঘণ্টা। তবে প্রতিবারই এক ঘণ্টার মধ্যেই সমস্ত অ্যালবাম বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এমন আকাশচুম্বী আগ্রহ সাম্প্রতিক সময়ে কোনো অ্যালবামের প্রতি দেখা যায়নি।

ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসছে আজ

আজ থেকে ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ ট্রাম্প শুল্ক কার্যকর হবে। পণ্যের ওপর উচ্চ হারে শুল্ক বসানোর সিদ্ধান্তকে এক প্রকারের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞাই বলা যায়। শুল্কের কারণে দেশটির গার্মেন্টসশিল্পের কেন্দ্রস্থল তিরুপুরে গুমট পরিবেশ বিরাজ করছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদক সরজমিনে ঘুরে এক প্রতিবেদনে জানান, তিরুপুরের গার্মেন্টসপাড়ার কর্মীদের চোখেমুখে এখন দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট।
এন কৃষ্ণমূর্তি’স নামের একটি গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটে নেই চিরায়ত কর্মযজ্ঞ। ২০০ সেলাই মেশিনের মধ্যে মাত্র কয়েকটি সচল আছে।

গার্মেন্টস মালিক এন কৃষ্ণমূর্তি বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের পর থেকে হয়তো কোনো কাজই থাকবে না। সব গ্রাহক অর্ডার স্থগিত করেছে।
ব্যবসা বড় করার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। সদ্য নিয়োগ দেওয়া ২৫০ কর্মীকে বসিয়ে রাখতে হয়েছে। শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণার পর আর তাঁদের নিয়োগ দেওয়া যায়নি। সামনের মৌসুমেই ক্রিসমাস।
এ উপলক্ষে বছরের অর্ধেক অর্ডার এ সময়ই আসে। শুল্ক আরোপের ঘোষণায় উত্সবের মৌসুম ঘিরে ব্যবসার সুযোগ হাতছাড়া করতে হচ্ছে। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে স্থানীয় বাজারের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে।’

শুধু তিরুপুর থেকেই ১৬ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে থাকে ভারত। তিরুপুরের গার্মেন্টসপাড়া থেকে বানানো পোশাক যায় টার্গেট, ওয়ালমার্ট, গ্যাপ ও জারার মতো বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ডের কাছে।
রাফট গার্মেন্টসের মালিক শিবা সুভ্রামানিয়াম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত একটি শার্ট ১০ ডলারে বিক্রি করে। সেখানে একই শার্ট চীন ১৪.২০ ডলার, বাংলাদেশ ১৩.২০ ডলার ও ভিয়েতনাম ১২ ডলারে বিক্রি করে থাকে। শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হলেও এশিয়ার অন্য প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে থাকতে হবে।’

শুল্কের প্রভাবের তীব্রতা কমাতে কাঁচামালের ওপর আরোপিত আমদানি শুল্ক কমিয়েছে ভারত সরকার। এ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের বাজারে প্রবেশের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। কিন্তু এসব পদক্ষেপ খুব বেশি কার্যকর হবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রে শুধু পোশাক নয়, হিমায়িত চিংড়ি, রত্ন ও গয়নাও রপ্তানি করে থাকে ভারত। ভারত থেকে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের রত্ন ও গয়না রপ্তানি করা হয়। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে তিন-চার বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের গয়না রপ্তানি করে ভারত। গয়না ব্যবসায়ীরা এখন যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বাজার ধরার চেষ্টা করছেন। গয়না তৈরির শিল্পের সঙ্গে ৫০ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। মার্কিন ক্রেতারা অর্ডার স্থগিত করায় কারখানাগুলোতে মাসে কাজ চলছে মাত্র ১৫ দিন। ফলে চাকরি হারিয়েছেন হাজারো কর্মী।

এশিয়া গ্রুপের অ্যাডভাইজরি ফার্মের গোপাল নাদ্দুর বলেন, ‘ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বাণিজ্যচুক্তি হবে কি না তা এখন ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর নির্ভর করছে। তবে ভারতের নীতিনির্ধারক ও ব্যাবসায়িক নেতাদেরও এখন দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। একই সঙ্গে অন্য দেশগুলোর বাজারে প্রবেশেরও চেষ্টা চালাতে হবে।’ সূত্র : বিবিসি

রাজপথে লড়াই করা রুমিন আপাকে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে : হাসনাত

রুমিন ফারহানাকে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। এ সময় তিনি সবাইকে এ চর্চা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানও জানান।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে মায়ের ডাকের উদ্যোগে আয়োজিত গুমের স্মৃতির আলোকচিত্রমালা শীর্ষক প্রদর্শনী পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলে তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি দীর্ঘদিন রাজপথে লড়াই করা আমাদের রুমিন আপাকে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে।
বিভিন্নভাবে উনাকে নিয়ে বাজে কমেন্ট করা হচ্ছে। আমি আহ্বান জানাব, এ ধরনের চর্চা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। কোনো রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা, নারীকে নিয়ে কোনো বাজে মন্তব্য করা, শুধু মতপার্থক্যের কারণে সিলেক্টিভভাবে কাউকে আক্রমণ করা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

হাসনাত বলেন, ‘আমাদের মতপার্থক্য থাকবে, ভিন্ন মত থাকবে এবং সেগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হবে এবং আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ছোট ছোট পার্থক্য ভুলে গিয়ে একটা বেটার বাংলাদেশ গড়ে তুলব।
’
হাসনাত বলেন, ‘সদিচ্ছা থাকলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সংস্কার ও বিচার সম্ভব। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা প্রয়োজন।’

এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘রাষ্ট্র নিজেই ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। গুমের জন্য যারা দায়ী তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
শুধু নির্বাচন নয়, গুমের ঘটনাগুলোর বিচার করাও এ সরকারের দায়িত্ব।’

হাসনাত আরো বলেন, ‘সরকার নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতার পালাবদল করে হয়তো চলে যাবে, তবে গুমের শিকার হওয়া পরিবারের দায় তারা বহন করতে পারবেন কি না, তা তাদের বিবেচনা করতে হবে।’

হিটের প্রকল্প মূল্যায়নে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে : ইউজিসি

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পে উপ-প্রকল্প মূল্যায়নে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ।

হিট প্রকল্পের সাব-প্রজেক্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়নে চুক্তি স্বাক্ষর বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট ২০২৫) কমিশনের অডিটরিয়ামে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রফেসর ফায়েজ বলেন, হিটের বিভিন্ন সাব প্রজেক্ট প্রকল্প মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে সব ধরনের ধরনের উদ্যোগ ইউজিসি নিশ্চিত করেছে।
প্রকল্প মূল্যায়নের প্রতিটি ধাপের খোঁজ তিনি নিয়মিত নিয়েছেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইউজিসি’তে যোগদানের পূর্বে আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। দীর্ঘ চাকরি জীবনের অর্জিত সম্মান কোন কারণে বিনষ্ট হোক-তা আমি কোনোভাবেই চাইবো না।’ তিনি গণমাধ্যমকর্মী ও উচ্চশিক্ষার অংশীজনদের গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করেন।

তিনি আরো বলেন, হিট প্রকল্পে ব্যক্তিগতভাবে উপ-প্রকল্প প্রস্তাব জমাদানের কোনো সুযোগ নেই। উপ-প্রকল্প প্রস্তাবসমূহ শিক্ষকরা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কমিটি ও উপাচার্যের অনুমোদনের মাধ্যমে জমা দিয়েছেন। ফলে প্রকল্প প্রস্তাব নির্বাচনে আবেদনকারীর রাজিনৈতিক আদর্শ দেখা ইউজিসি’র এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। নিরপেক্ষ রিভিওয়ার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষক ও গবেষকদের মাধ্যমে প্রকল্প মূল্যায়ন করা হয়েছে।
উপ-প্রকল্প নির্বাচনে দেশ ও জাতির স্বার্থ বিবেচনা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। হিট’র প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও উপ-প্রকল্প নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধলেন।

জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে ইউজিসি’র সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, বিভাগীয় প্রধানসহ হিট ও ইউজিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আগামীকাল (২৭ আগস্ট) নির্বাচিত ১৫১টি উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে ইউজিসি’র চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে পাঁচ বছর মেয়াদী হিট প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫০ দশমিক ৯৬ শতাংশ বহন করবে বাংলাদেশ সরকার। বাকি ৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ বহন করবে বিশ্বব্যাংক।

প্রকল্পে বাজার চাহিদাভিত্তিক কারিকুলাম প্রণয়ন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিজিটাল সংযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠা, বিডিরেনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের কার্যক্রম বেগবান করা, ইনোভেশন ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা, প্রতিযোগিতামূলক গবেষণার উদ্ভাবনী প্রকল্প চালু করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।