মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম দুর্নীতির বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পানি ভবনে বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার জন্য জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে। অতীতে খাল খননের নামে অর্থ আত্মসাৎ হয়েছিল। এ মন্ত্রণালয়ে এখন থেকে আর কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, জনগণের উপকারে আসবে না, এমন কোনো প্রকল্প সরকার গ্রহণ করবে না।

পানির অপচয় রোধ, দূষণ ও সঠিক ব্যবহারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

স্কুল চলাকালে যানজট নিরসনের উপায় বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীতে স্কুল চলাকালীন যানজট কীভাবে নিরসনে করা যায় সেই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীতে স্কুলের সময়ে যেভাবে যানজট হয় তা কিভাবে নিসরস করা যায় এবং এ ব্যাপারে বিকল্প ব্যবস্থা কী কী হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলেছেন।’
অতিরিক্ত প্রেসসচিব বলেন, ‘উদাহরণ হিসেবে দেখা গেছে রাজধানীর একটি স্কুলে দেড়শ শিক্ষার্থীর জন্য ১০০ গাড়ি স্কুলের সামনে ভিড় করে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে বেগ পেতে হয়।

এই সমস্যাগুলো এড্রেস করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিকল্প খুঁজতে মন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন।’
শিক্ষামন্ত্রীর পরে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেসসচিব। পরে নৌ বাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: নৌপরিবহন মন্ত্রী

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সহ নৌপরিবহন খাতের সব প্রতিষ্ঠানকে জনবান্ধব, কার্যকর ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর বাংলা মোটরে অবস্থিত বিআইডব্লিউটিসির প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে তারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বিআইডব্লিউটিসি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। তাই সেবার মান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা মেনে চলার পাশাপাশি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। কোনো রকম অনিয়ম ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না মর্মে মন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিআইডব্লিউটিসিকে আরও কার্যকর ও গতিশীল হতে হবে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান অসংগতি দূর করার ওপর জোর দেন এবং ফেরি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও উন্নত করার নির্দেশনা দেন।

উন্নয়ন কার্যক্রম দৃশ্যমান করার পাশাপাশি উপকূলীয় ও প্রান্তিক অঞ্চলে সেবা সম্প্রসারণের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। ফেরীতে যাত্রী পারাপারের সময় যাত্রী সেবার মান উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধি করে একে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে এখন থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

একইসঙ্গে ফেরিঘাটের সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসি, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মো. সলিম উল্লাহ এবং মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হয়েছেন অর্থ বিভাগে সংযুক্ত যুগ্নসচিব নুরজাহান খানম।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার চাকরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর সাথে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক

সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ এবং বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদের) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে হজ্ব ও উমরাহ সেবা ও সহযোগিতা আরও জোরদারে উভয় দেশ ঐকমত্যে পৌঁছায়।

মদিনার কিং সালমান আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী সৌদি আরবের হজ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর অগ্রগতির জন্য বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং সৌদি সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং ধর্মীয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ ওমরাহ ও ১ লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী সৌদিতে আগমন করে উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী হাজীদের কল্যাণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

এর মধ্যে রয়েছে ১০ জিলহজে কুরবানি সম্পন্ন করা, মিনা ও আরাফাতে সমন্বিত ক্যাম্প ব্যবস্থা, মাশায়ার ট্রেনের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট চালু, নুসুক প্ল্যাটফর্মে অ্যাক্সেস প্রদান, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ, বছরব্যাপী বাংলাদেশ হজ অফিস চালু রাখা, রিয়েল টাইম সমন্বয় জোরদার, বাংলা ভাষায় সহায়তা এবং কিউআর কোড ভিত্তিক ক্যাম্প ট্র্যাকিং।

সৌদি মন্ত্রী প্রস্তাবগুলো মনোযোগসহকারে গ্রহণ করেন এবং বাস্তবায়নে ইতিবাচক আশ্বাস প্রদান করেন। উভয় দেশ ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং বাংলাদেশি হাজীদের জন্য সেবা আরও সহজ, নিরাপদ ও উন্নত করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সৌদি মন্ত্রীকে সৌজন্য উপহার প্রদান করা হয়। সৌদি মন্ত্রীও ধর্মমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন।

এ সময় ধর্ম সচিব, সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, তৃতীয় উমরাহ ও ভিজিট ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য ধর্মমন্ত্রী বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কর্মা হামু দর্জি সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রী বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে চলমান অগ্রগতি, ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উভয়পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি বিনিময় এবং ডিজিটাল সেবা উন্নয়নে একযোগে কাজ করার বিষয়ে একমত হন।

এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, ভুটান দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর জিগড্রেল ওয়াই শেরিং এবং বাণিজ্যবিষয়ক কাউন্সিলর দাবা শেরিং উপস্থিত ছিলেন।

সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ২৮ মার্চ দুদফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। অবশ্য তার আগে টানা সাত দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ৩৫ হাজার ৫৭৫ টাকা।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ২১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

এর আগে গত ২৮ মার্চ বিকেল ৪টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ১৪০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬১৬ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে।

এখন সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯২ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৪ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘তেল নেই’ লেখা পাম্প থেকে ৩৪ হাজার লিটার উদ্ধার করলো বিজিবি

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে বন্ধ থাকা একটি ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৩৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

কোনাবাড়ির বাইমাইল এলাকায় ‘তেল নেই’ অজুহাতে বন্ধ রাখা মেসার্স আব্দুল আলী ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ২৮ হাজার ৫২১ লিটার ডিজেল এবং ৫ হাজার ৪১৯ লিটার অক্টেন উদ্ধার করে বিজিবি।

গাজীপুর ব্যাটালিয়ন (৬৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাসুদ আল ফেরদৌস সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (৩০ মার্চ) এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বিজিবির গাজীপুর ব্যাটালিয়ন (৬৩ বিজিবি) একটি অভিযানিক দল মেসার্স আব্দুল আলী ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, পাম্পটিতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত থাকা সত্ত্বেও ‘তেল নেই’ অজুহাতে সাধারণ গ্রাহকদের কাছে বিক্রয় বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা বলে প্রতীয়মান হয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পাম্পের ম্যানেজার মো. হেলালের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবি দেশের স্বার্থে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে অবৈধ মজুত ও বাজার অস্থিতিশীল করার যেকোনও অপচেষ্টা প্রতিরোধে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আইএলওতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে ৪৭ দেশের পূর্ণ সমর্থন

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশ বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ৪৭টি দেশ বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দেশগুলো।

আওয়ামী লীগ শাসনামলে ২০১৯ সালের জুন মাসে আইএলও কনভেনশন ৮১, ৮৭ ও ৯৮ প্রতিপালনে ব্যর্থতার অভিযোগে সংস্থাটির সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি একটি মামলা দায়ের করে।

ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সরকার ২০২১ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি শ্রম খাত সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন করে আইএলওর গভর্নিং বডিতে দাখিল করে। দাখিলকৃত এ রোডম্যাপে অর্জিত অগ্রগতির বিষয়ে গত পাঁচ বছরে গভর্নিং বডির আটটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বর্তমান সরকার নবম অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করে।

সোমবার মামলাটির আলোচনায় অংশ নিয়ে সকল দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমান সরকারের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সংস্থাটির ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির ১৯টি রাষ্ট্র, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপভুক্ত ২৮টি দেশ ও মালিকপক্ষ শ্রম খাত উন্নয়নে নতুন সরকারের সুদৃঢ় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কারের অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করে চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে।

মামলা সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশগ্রহণ করেন।

জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও শ্রমসচিব আব্দুর রহমান তরফদার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত গভর্নিং বডির সকল সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং শ্রম অধিকার, শ্রমিক সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার রয়েছে বলে জানান।

উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের জনগণ আমাদের নির্বাচিত সরকারকে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট দিয়েছে।

এ ম্যান্ডেটের মূলে রয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার, যেখানে নাগরিক অধিকার বিশেষত মানবাধিকার, আইনের শাসন ও বাক-স্বাধীনতা, ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও যোগ্যতা বৃদ্ধি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের এসব অগ্রাধিকারের সঙ্গে আইএলওর ডিসেন্ট ওয়ার্ক এজেন্ডা সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫-কে আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে বলে তিনি অধিবেশনে উপস্থিত সকলকে জানান। সরকার এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জোর প্রচেষ্টা চালাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে প্রণীত সংশোধনীগুলোর বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বলে তিনি জানান। এর মধ্য দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও কর্মসংস্থান নির্ভর উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুসংহতকরণে, শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা এক্ষেত্রে আইএলও সহ সংশ্লিষ্ট সকলের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনায় ২২ সদস্যবিশিষ্ট আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যবিশিষ্ট উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ, নাইজার, চীন, রাশিয়া, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, তানজানিয়া, ইরান, লিবিয়া, ওমান, ফিলিপাইন, নেপাল, তিউনিসিয়া, ইথিওপিয়া, লাওস, কিউবা, মোজাম্বিক, গ্যাবন, উজবেকিস্তানসহ মোট ১৯টি দেশ, মালিকপক্ষ ও দু’টি আঞ্চলিক গ্রুপ শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে। সমর্থনকারীদের মধ্যে ১৪টি দেশ, ২২ সদস্যের আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ ও মালিকপক্ষ মামলাটি দ্রুত তুলে নেয়ার জন্য জোর দাবি জানায়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রম আইন সংশোধনের অগ্রগতি, পরিদর্শক নিয়োগ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতির প্রশংসা করে রোডম্যাপ পুরোপুরি বাস্তবায়নের জন্য আরো পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

সূত্র: বাসস

ট্রাম্পের দখল হুমকির মধ্যেই কিউবার পাশে দাঁড়ালো রাশিয়া

রাশিয়া মনে করে যে কিউবার জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা সচল রাখতে দেশটিকে জরুরি জ্বালানি সম্পদ সরবরাহ করা মস্কোর নৈতিক দায়িত্ব, কারণ চরম সংকটের মুখে তারা তাদের মিত্রকে একা ফেলে যেতে পারে না।

সোমবার (৩০ মার্চ) মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে কঠোর অবরোধের মধ্যে থাকা আমাদের কিউবান বন্ধুদের পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং তেলের খুব প্রয়োজন। দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা সচল রাখতে এবং সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে এই জ্বালানি অপরিহার্য। মস্কো থেকে পাওয়া এই বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, মিত্রদের প্রতি রাশিয়ার এই সমর্থন কেবল রাজনৈতিক নয় বরং মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ।

মার্কিন কোস্ট গার্ড কেন রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাঙ্কারটিকে কিউবার পথে যেতে বাধা দেয়নি—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পেসকভ জানান, কিউবায় মানবিক কারণে তেল সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে মস্কো আগে থেকেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল।

তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে পেট্রোলিয়াম পণ্যের এই চালানটি সফলভাবে দ্বীপে পৌঁছেছে।’ অর্থাৎ, একটি পূর্ব-নির্ধারিত সমঝোতার ভিত্তিতেই এই জাহাজটি গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছে। এই ঘটনাটি নির্দেশ করে যে, বৈশ্বিক উত্তেজনার মাঝেও নির্দিষ্ট কিছু মানবিক ইস্যুতে বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলমান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব-এর একটি বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পেসকভ জানান, রাশিয়ায় নতুন করে কোনো সামরিক সংহতি বা মোবিলাইজেশন ডাকার পরিকল্পনা নেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, এই বিষয়টি বর্তমানে ক্রেমলিনের আলোচ্যসূচিতেই নেই।

এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে জ্বালানি সম্পদ বিক্রির সম্ভাবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, রাশিয়া এখনো ইউরোপীয় বাজারসহ বিশ্বের যেকোনো বাজারে জ্বালানি সম্পদের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করতে প্রস্তুত। পেসকভ পুনরায় নিশ্চিত করেন, রাশিয়া তার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় সর্বদা সচেষ্ট এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা তাদের সরবরাহ চেইন বজায় রাখতে চায়।

ক্রেমলিনের এই মুখপাত্র আরও নিশ্চিত করেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সার্বিয়ার গ্যাস সরবরাহ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সোমবার সকালেই সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিক ঘোষণা করেছিলেন, ৩১ মার্চ শেষ হতে যাওয়া এই চুক্তির মেয়াদ আরও তিন মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে।

পেসকভ এই প্রসঙ্গে বলেন, রাশিয়া তার বন্ধুপ্রতিম এবং ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ সার্বিয়ার প্রতি করা প্রতিশ্রুতি রক্ষায় বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সার্বিকভাবে রাশিয়ার এই কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, পশ্চিমা দেশগুলোর নানা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মস্কো তার মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং জ্বালানি কূটনীতি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরান ও ভেনিজুয়েলায় সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের পর এবার কিউবা হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী লক্ষ্য।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি