শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনাকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

ফিলিস্তিনের গাজা ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনাকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

নিরাপত্তা পরিষদের ১৩টি সদস্য দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে গাজার শাসকদল হামাস এই প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গাজা সংকট সমাধানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এই পরিকল্পনায় গাজার জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, একাধিক দেশ এই বাহিনীতে সদস্য পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তবে দেশগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়নি। নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাভুটিতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও সোমালিয়াসহ ১৩টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। কোনও দেশ বিরোধিতা করেনি। তবে রাশিয়া ও চীন ভোটদানে বিরত থাকে।

অবশ্য হামাস এই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, এটি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের দাবি পূরণ করে না। টেলিগ্রামে দেওয়া বিবৃতিতে হামাস বলেছে, পরিকল্পনাটি গাজায় “আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দিচ্ছে”, যা ফিলিস্তিনি জনগণ ও তাদের বিভিন্ন গোষ্ঠী মানতে রাজি নয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজার ভেতরে আন্তর্জাতিক বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া — যেমন প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করা — এই বাহিনীকে নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সরিয়ে দেবে।

খসড়া অনুযায়ী, আইএসএফ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হবে হামাসসহ “অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করা”। পাশাপাশি বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মানবিক সহায়তার রুটগুলো নিরাপদ রাখা।

আর এজন্য ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী হামাসকে অস্ত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া আইএসএফ ইসরায়েল ও মিসরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গাজায় নতুন করে প্রশিক্ষিত একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ গঠনের কথাও বলা হয়েছে। যদিও এতদিন পুলিশ বাহিনী হামাসের আওতাধীন ছিল।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, আইএসএফ-এর কাজ হবে “এলাকা সুরক্ষিত রাখা, গাজাকে সামরিকীকরণমুক্ত করা, সন্ত্রাসী অবকাঠামো ভেঙে ফেলা, অস্ত্র অপসারণ এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”

হাসিনাকে নিয়ে আব্বার ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতি মানুষের বিশ্বাস ছিল : হুম্মাম কাদের

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে তাঁর ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, ‘ওই কোর্ট রুমে বসে আমার বাবা বলেছিল। কিন্তু এই জিনিসটা বাংলাদেশের প্রত্যেক ব্যক্তির মনের মধ্যে ছিল।’

তিনি বলেন, ‘আমার আব্বার জন্য এটা ভবিষ্যাতবাণী ছিল। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের একটা বিশ্বাস ছিল।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য এ প্রার্থী গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

ভাইরাল ভিডিওতে আদালতে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি চাই এই ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘদিন থাকুক। সেই সঙ্গে আমি বিচারককে বলতে চাই, আপনি লিখে রাখেন, এই ট্রাইব্যুনালে একদিন হাসিনার ফাঁসি হবে।

হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘আমার বাবা এটা বলেছিল ওই কোর্ট রুমে বসে। কিন্তু এই জিনিসটা বাংলাদেশের প্রত্যেক ব্যক্তির মনের মধ্যে চলছিল। গত ১৭ বছর ধরে আমরা জানতাম যে একদিন না একদিন শেখ হাসিনার বিচার বাংলার মাটিতে হবে। আজকে এই দিনটা আমরা দেখতে পেয়েছি। এটার জন্য তো পুরো বাংলাদেশ মনে হয় বেশকিছু দিন ধরে প্রিপারেশন ছিল। এখানে তো কোনো লুকোচুরির কিছু ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার অপকর্ম এবং তিনি যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছেন সেটা সবার চোখের সামনে হয়েছে। আমি মনে করি, আমার আব্বার জন্য এটা ভবিষ্যৎ বাণী ছিল। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের একটা বিশ্বাস ছিল। এই ধরনের ক্রিমিনাল এক্টিভিটিজির জন্য একদিন না একদিন শেখ হাসিনার বিচার বাংলাদেশের মাঠিতে হবে।’
এর আগে আজ সোমবার দুপুরে তিনটি অপরাধের পৃথক অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি আরো দুটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।

এ ছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং মামলার রাজসাক্ষী সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গণতন্ত্রের লড়াইয়ে ভাসানী পথপ্রদর্শক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় মওলানা ভাসানী সবসময় প্রেরণার উৎস এবং পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবেন। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ‘তাঁর অগাধ দেশপ্রেম, দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষা এবং গণতন্ত্র ও মানবতার শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে যুগ যুগ ধরে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তাঁর আদর্শকে সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলেই আমরা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হব।
’ তিনি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, মওলানা ভাসানী আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ নাম। সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশবাদ ও আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের প্রবাদ পুরুষ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে উপমহাদেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের পক্ষে আপসহীন ও সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তারেক রহমান বলেন, মওলানা ভাসানী দেশমাতৃকার মুক্তির পথপ্রদর্শক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ছিলেন এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক।

তার অবস্থান ছিল শোষণের বিরুদ্ধে এবং শোষিতের পক্ষে। অধিকার আদায়ে তিনি সর্বদা এ দেশের মানুষকে সাহস জুগিয়েছেন তার নির্ভীক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের দ্বারা।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, তাঁর হুঙ্কারে অত্যাচারী শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর মসনদ কেঁপে উঠত।
জাতির ভয়াবহ দুর্দিনে তিনি জনস্বার্থের পক্ষে থাকতেন বলেই জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন।

যারা ফাঁসি দিয়েছে, আজ তাদেরই ফাঁসির রায় হয়েছে : ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, মানুষ যেমন কর্ম করবে, তেমনই ফল পাবে। যারা এক সময় মানুষকে ফাঁসি দিয়েছে, আজ তাদেরই ফাঁসির রায় হয়েছে। আল্লাহ কাউকে কখনোই ছেড়ে দেন না।

আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফে আল জামিয়া আল ইসলামিয়া মাদরাসার বার্ষিক সভা ও দাওরায়ে হাদিসের দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ‘অতীতের অন্যায় ও অবিচার ইতিহাসের হাতে ধরা পড়ে। তাই ক্ষমতার ঔদ্ধত্যে গা ভাসিয়ে নয়, বরং ন্যায়, সত্য ও নৈতিকতার পথে চলার মধ্যেই মুক্তি। এ ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত—কোনো অন্যায় কখনোই অদৃশ্য থাকে না।’

এ সময় ধর্ম উপদেষ্টা ইয়াবা কারবার ও মাদক নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘ইয়াবার ব্যবসা করবেন না, ইয়াবা বিক্রি করবেন না—এগুলো হারাম। এ ইয়াবা খেয়ে সমাজে খুনোখুনি, অশান্তি, পরিবারে ভাঙন তৈরি হচ্ছে। মাদক থেকে দূরে থাকুন, সমাজকে রক্ষা করুন। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে হলে পরিবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—সবার সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জাতির স্বার্থে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় ইসলামিক দলগুলো এক হলে বাংলাদেশ আরো সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।’

নিজের দায়িত্বকাল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার ধর্ম মন্ত্রণালয় আমি দুর্নীতিমুক্ত করেছি। অনেক টাকা আমি রাষ্ট্রের কোষাগারে ফেরত দিয়েছি। সুস্থ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করা সম্ভব।’

আলেম সমাজের ভূমিকা উল্লেখ করে বলেন, ‘এ রাষ্ট্র একদিন আলেমদের হাতে আসবে, ইনশাআল্লাহ।
আলেমদের নেতৃত্বেই দেশ আলোকিত হবে, উজ্জ্বল হবে।’

বেহেশতের টিকিট বিক্রির কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না : ফারুক

বিএনপির চেয়ারপারনের উপদেষ্টা ও নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, দয়া করে বেহেশতের টিকিট বিক্রির কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না। যদি সাহস থাকে নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। কখনো পিআর, কখনো গণভোট, আবার ভোট করব না—এ ধরনের কথা থেকে বিরত থাকুন। জনগণ আপনাদের ৭১-এর ভূমিকার কথা জানে।

আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে জয়নুল আবদিন ফারুকের সেনবাগ উপজেলার ইয়ারপুর গ্রামের বাসভবন থেকে বিশাল মোটর শোভাযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর আগে তিনি এসব কথা বলেন।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘খালেদা জিয়া সুস্থ থাকলে বাংলাদেশ সুস্থ থাকবে, তারেক রহমানের ৩১ দফা ছড়িয়ে দিয়ে বিগত ১৬ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রাণ দিয়েছে, সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে তাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানবে এ দেশের জনগণ।’

বর্ণাঢ্য এ মোটর শোভাযাত্রাটি উদ্বোধন করে বক্তব্য দেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো।
এরপর ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক একটি হুডখোলা গাড়িতে চড়ে মোটর শোভাযাত্রাটির নেতৃত্ব দিয়ে উপজেলার ছমিরমুন্সির হাট থেকে বটতলা বাজার, নতুন বাজার, বাক্সিরহাট, আইচেরটেক, নবীপুর চৌরাস্তা, নবীপুর বাজার, মজুমদারহাট, সেবারহাট, ভূঁইয়ারদিঘী, কল্যাম্দী বাজার, সেনবাগ রাস্তার মাথা, সেনবাগ পৌর শহর, কাদরা মোড়, সাতবাড়িয়া ফকিরের হাট, গাজীরহাট চৌমোড়, কানকিরহাট, ছাতারপাইয়া বাজারসহ পুরো আসনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজারগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ মোটর শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় ও দলীয় পতাকা ছাড়াও বিভিন্ন ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, সেনবাগ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, সেনবাগ পৌর বিএনপির সদস্যসচিব মো. শহীদ উল্ল্যা, সেনবাগ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া মো. ইলিয়াস, সেনবাগ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান লিটন, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক বাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির, সেনবাগ উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সুলতান সালাউদ্দিন লিটন, সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম রুবেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে : বিএনপি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন।

একই অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত। অপর আসামি ও পরে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন আদালত।

এদিকে ট্রাইবুনালের এই রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। সোমবার রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ এর ছাত্র-গণঅভ্যূত্থানের মধ্যদিয়ে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। এই দীর্ঘ রক্তাক্ত সংগ্রামে শত সহস্র বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সমাজের সর্বস্তরের অসংখ্য নাগরিক গুম, খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মামলা-হামলা, নির্যতন-নিপীড়ন ও অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হয়েছে।
অবশেষে ছাত্র-গণঅভ্যূত্থানে ছাত্র-জনতা-শ্রমিক, নারী-শিশুসহ সহশ্রাধিক নাগরিকের আত্মদান, অন্ধত্ব, চিরপঙ্গুত্ব বরণের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের জঘণ্যতম ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও আওয়ামী বাকশালী শাসনামলের পতন হয়েছে।

তিনি বলেন, সারা বিশ্বের জনমত এবং বাংলাদেশের জনগণের দাবী ও প্রত্যাশা ছিল যেন পতিত স্বৈরাচার ও তার দোষরদের মানবতাবিরোধী ও নৃশংস, জঘন্য হত্যাকাণ্ড এবং গণহত্যায় অপরাধের বিচার করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে আজকে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার দুই দোষরের বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হয়েছে।

এই রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আইনের বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করা হয়েছে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার দোসর সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের।
পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার কারণে প্রাপ্য সাজা কমিয়ে ৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনের শাসন এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বিএনপি এ ব্যাপারে জনগণকে সদা সর্বদা সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। একই সাথে বিএনপি অন্যান্য মামলায় অভিযুক্তদের সুবিচারের দাবী জানাচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা মনেকরি, দীর্ঘ ১৬ বছরের গুম-খুন ও বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার এবং ২০২৪ ছাত্র গণঅভ্যূত্থানে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার সহশ্রাধিক শহীদের আত্মা শান্তি পাবে এবং তাদের পরিবার পরিজনদের ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে।

দেশে কোনো আতঙ্ক দেখছি না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় দেশে কোনো আতঙ্ক দেখছেন না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, ‘এখানে আমি কোনো আতঙ্ক দেখতে পাচ্ছি না। সবাই তো এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করছেন।
আমি তো কোথাও কোনো আতঙ্ক দেখছি না।’

চুক্তি অনুসারে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়া ভারতের দায়িত্ব : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজকের রায়ে পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এটি ভারতের জন্য অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে।

এর আগে আজ দুপুরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে মামলার অপর দুই আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে ফাঁসি এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
যদিও সাবেক আইজিপি মামুন ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী নামে পরিচিত) হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।’

ক্ষমতা যতই হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় : প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আজ বাংলাদেশের আদালত এমন এক স্পষ্টতার সঙ্গে রায় দিয়েছেন, যা দেশজুড়ে এবং দেশের সীমানা পেরিয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এই দণ্ড ও সাজা একটি মৌলিক নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ক্ষমতা যাই হোক না কেন, কারো অবস্থান আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এই রায় জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষের জন্য এবং যেসব পরিবার এখনো তাদের প্রিয়জনের শোক বয়ে বেড়াচ্ছে তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইউনূস বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে নিপীড়নের দ্বারা ধ্বংস হয়ে যাওয়া গণতান্ত্রিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের মুহূর্তে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। তরুণ এবং শিশুদের বিরুদ্ধে তাদের অপরাধ ছিল প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের আদেশ, যাদের একমাত্র অস্ত্র ছিল তাদের কণ্ঠস্বর—আমাদের আইন এবং সরকার ও নাগরিকদের মধ্যে মৌলিক বন্ধন উভয়ই লঙ্ঘন করেছে। এসব কাজ বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক মূল্যবোধ-মর্যাদা, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়ের প্রতি অঙ্গীকারকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রায় এক হাজার ৪০০ জন মানুষের জীবন নিভে গেছে। তারা কোনো সংখ্যা নয়, তারা ছিল ছাত্র, বাবা-মা, অধিকারপ্রাপ্ত নাগরিক। মাসব্যাপী সাক্ষ্যে উঠে এসেছে কিভাবে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা এমনকি হেলিকপ্টার থেকেও চালানো হয়েছিল, তা বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে। এই রায় তাদের কষ্টকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং নিশ্চিত করেছে যে আমাদের বিচারব্যবস্থা অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনবে।

বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন জবাবদিহির বৈশ্বিক স্রোতে আবার যোগ দিচ্ছে। শিক্ষার্থী এবং নাগরিকরা যারা পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল, তারা এটি বুঝতে পেরেছিল এবং অনেকে তাদের জীবন দিয়ে মূল্য দিয়েছিল। আমাদের আগামীকালের জন্য তাদের আজকের দিনটি উৎসর্গ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘সামনের পথের জন্য কেবল আইনি জবাবদিহি নয়, প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিকদের মধ্যে আস্থা পুনর্নির্মাণ করা দরকার। মানুষ কেন সত্যিকারের প্রতিনিধিত্বের জন্য সব কিছুতে ঝুঁকি নেয়—তা বোঝা এবং সেই বিশ্বাসের যোগ্য সিস্টেম তৈরি করা অপরিহার্য।
আজকের রায় সেই যাত্রাপথেরই একটি পদক্ষেপ ‘

প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো সাহস ও বিনয়ের সঙ্গে মোকাবেলা করবে। আইনের শাসন, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রতিটি মানুষের সম্ভাবনাকে মূল্য দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার শুধু টিকে থাকবে না—এদেশে তা প্রতিষ্ঠিত হবে, বিকশিত হবে এবং টিকে থাকবে।

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন। একই অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত। অপর আসামি ও পরে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন আদালত।

এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। দুপুর সোয়া ১টার দিকে গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্নজনের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোনে কথোপকথনগুলো পড়ে শোনানো হয়। এ ছাড়া গণহত্যার সংজ্ঞা এবং এই মামলায় বিভিন্ন সাক্ষীর সাক্ষ্য পড়ে শোনানো হয়।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা প্রথম অভিযোগে তার মৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। তার বিরুদ্ধে আনা দ্বিতীয় অভিযোগে তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

ট্রাইব্যুনাল বলেন, অভিযুক্ত শেখ হাসিনা হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন।

গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা এটিই প্রথম মামলার রায়। গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান পলাতক। দুজনই এখন ভারতে অবস্থান করছেন। এই মামলায় একমাত্র আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালত কক্ষে তাকে বিমর্ষ মুখে চুপচাপ রায় শুনতে দেখা গেছে। এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তায় সকালে কারাগার থেকে তাকে আদালতে আনা হয়। মাথা নিচু করে তিনি প্রিজন ভ্যান থেকে আদালতে প্রবেশ করেন।