শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আজ সারা দেশে দোয়া প্রার্থনা

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আজ শুক্রবার (০৫ ডিসেম্বর) দেশের প্রতিটি মসজিদ, মন্দির এবং অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ে দোয়া ও প্রার্থনার কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনায় মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে স্ব স্ব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বিএনপি।

বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান রিজভী।
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের অনন্য রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক। তাকে অসংখ্য জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়ন করেও তার সিদ্ধান্ত এবং অটল মনোভাবকে টলানো যায়নি। তাকে নানা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র এবং নির্যাতন করে হয়তো অসুস্থ করা হয়েছে, কিন্তু দেশের মানুষ এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে তার মনোবলকে দুর্বল করা যায়নি।

রিজভী বলেন, ‘দেশের প্রত্যেক মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও তার জন্য দোয়া করছে।

‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ অবস্থায় বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। টানা ১২ দিন হাসপাতালটিতে আছেন তিনি। এর মধ্যে ৮ দিনই করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত।
তবে চিকিৎসকদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন তিনি। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তার চিকিৎসা চলছে।

ফাঁকা আরো ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিএনপি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আরো ৩৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গুলশানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

এর আগে ৩ নভেম্বর বিএনপি প্রথম পর্যায়ে দুই‘শ ৩৭ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল। একদিন পরেই মাদারীপুর-১ আসনের ঘোষিত প্রার্থীর নাম স্থগিত করে বিএনপি।
একদিন পরেই মাদারীপুর-১ আসনের ঘোষিত প্রার্থীর নাম স্থগিত করে বিএনপি।

৩৬ তালিকা ঘোষণাসহ মোট ২৭২টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিএনপি। বাদ বাকি ২৮ আসনের তালিকা যথা সময়ে ঘোষণা করা হবে বলে জানালেন বিএনপি মহাসচিব।

৩৬ জন প্রার্থী হলেন, ঠাকুরগাঁও –২ আসনে আব্দুস সালাম, দিনাজপুর-৫ একেএম কামরুজ্জামান, নওগাঁ-৫ আসনে জাহিদুল ইসলাম ধলু, নাটোর-৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ -১ আসনে সেলিম রেজা, যশোর-৫ আসনে এম ইকবাল হোসেন, নড়াইল-২ আসনে মনিরুল ইসলাম, খুলনা-১ আসনে আমীর এজাজ খান, পটুয়াখালী-২ আসনে শহীদুল আলম তালুকদার, বরিশাল-৩ আসনে জয়নুল আবেদীন, ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল, টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, ময়মনসিংহ-৪ আসনে আবু ওয়াহাব আখন্দ ওয়ালিদ, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মজিবর রহমান ইকবাল, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এসএ জিন্নাহ কবির, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা- ৭ আসনের হামিদুর রহমান, ঢাকা-৯ আসনে হাবিবুর রশীদ, ঢাকা-১০ আসনে শেখ রবিউল আলম, ঢাকা-১৮ আসনে এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, গাজীপুর-১ আসনে মো. মজিবুর রহমান, রাজবাড়ী-২ আসনে মো. হারুন অর রশীদ, ফরিদপুর-১ খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আখতার, মাদারীপুর-২ আসনে জাহান্দার আলী খান, সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির হোসেন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে নুরুল ইসলাম, সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ আসনে রেজা কিবরিয়া, কুমিল্লা-২ আসনে সেলিম ভুঁইয়া, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনে মো. আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে নাজমুল মোস্তফা আমীন ও কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা আরো ৩৮টি আসনে নাম ঘোষণা করছি এবং আরো অনেকগুলো থেকে যাচ্ছে ২৮টা থেকে যাবে। আমাদের যে এলায়েন্সের সঙ্গে যারা আছেন তাদেরগুলো এবং আমাদের দুই একটা আপনার ডিসিশন হবে সেগুলো আমরা আরো পরে ঘোষণা করব। বাকিগুলো আমরা যথাসময়ে ঘোষণা করব।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইজিপিকে অপসারণে আইনি নোটিশ

বিডিআর হত্যাযজ্ঞের ঘটনার তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে নাম আসায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলমকে অপসারণ করতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করতে বলা হয়েছে।

নোটিশ পাঠানো তিন আইনজীবী হলেন—মো. আব্দুস সামাদ, মো. শাহিন হোসেন, মো. আতিকুর রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ নোটিশ পাঠানো হয়।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণে ব্যর্থ হলে আইনের দ্বারস্থ হব বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

জুবাইদা রহমান কাল সকালে দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন : মাহদী আমিন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান বৃহস্পতিবারই লন্ডন থেকে রওনা হয়ে শুক্রবার সকালে ঢাকায় পৌঁছাবেন। তবে তার আগেই ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা গেলে তিনি পৌঁছানোর আগেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে নিয়ে রওনা হবে একটি দল।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি ওই পোস্টে লিখেছেন, ‘মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, দেশবাসীর অনিঃশেষ দোয়া-আন্তরিকতা ও কূটনীতিকদের সহযোগিতায় তার (খালেদা জিয়া) শারীরিক অগ্রগতি হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।
উন্নত ও সর্বাধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ম্যাডামকে অতি শিগগির লন্ডনের হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই চিকিৎসা-প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন ডা. জোবাইদা রহমান, যিনি লন্ডন থেকে সার্বিক সমন্বয় করে যাচ্ছেন। তিনি আজই দেশের উদ্দেশে রওনা হয়ে কাল সকালে ঢাকা পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন, যেন সঙ্গে থেকে দেশনেত্রীকে কাতারের অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে লন্ডন নিয়ে যেতে পারেন।’

মাহদী আমিন বলেন, তবে তার আগেই যদি ফ্লাইট ব্যবস্থা করা যায়, সেই বিবেচনায় লন্ডনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিচার্ড বিল ইতিমধ্যে ঢাকায় এসেছেন।
ম্যাডামের পুত্রবধূ শর্মিলা রহমান, কয়েকজন চিকিৎসক ও পার্সোনাল স্টাফও এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সার্বক্ষণিক পাশে থাকবেন বলে জানা গেছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রক্রিয়ার প্রতিটি বিষয় সরাসরি তত্ত্বাবধান করছেন তারেক রহমান।

নভেম্বরের ২৩ তারিখে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া।

সবশেষ কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর মধ্যে তার চিকিৎসায় দেশি, বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল বোর্ড। অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের অন্যতম সদস্য জোবাইদা রহমান।

মধুপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও বাঙালিদের ৮৮টি বন মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

টাঙ্গাইল বন বিভাগের মধুপুর অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় বাঙালিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৮৮টি বন মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মোট ১৩৬টি মামলার অবশিষ্ট ৪৮টিও আগামী এক বছর পর শর্তসাপেক্ষে প্রত্যাহার করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় টাঙ্গাইল বন বিভাগের আওতায় মধুপুর বনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় বাঙালিসহ ৫০৩ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (উন্নয়ন) আহ্বায়ক করে গঠিত ৮ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সুপারিশ মোতাবেক মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
মোট ১৩৬টি মামলায় ৫০৩ জন অভিযুক্ত। এর মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অভিযুক্ত সংখ্যা ৩১৫ ও স্থানীয় বাঙালি অভিযুক্ত ১৮৮ জন।

সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয়, মধুপুর বনের চারটি রেঞ্জের ১০টি বনবিটে বিট কর্মকর্তার নেতৃত্বে চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হবে। এসব কমিটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর দুজন এবং স্থানীয় সহব্যবস্থাপনা কমিটির দুজন সদস্য থাকবেন।
বন অপরাধ কমানো এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে এসব কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া সভায় বন বিভাগকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর গো-চারণ, পানি ও ভূমি ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীসহ আইন মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, বন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং মধুপুরের জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।

৬ ডিসেম্বর থেকে সচিবালয়-যমুনাসহ বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

বাংলাদেশ সচিবালয় (সংলগ্ন এলাকাসহ) এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ‘জনশৃঙ্খলা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং-III/৭৬) এর ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে আগামী ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সচিবালয় (সংলগ্ন এলাকাসহ) এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় (হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টু রোড ক্রসিং এর মধ্যবর্তী এলাকা) যে কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট, শোভাযাত্রা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।

অনিবার্য পরিস্থিতি ছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে যেতে চাই না : নজরুল ইসলাম খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আমরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আছি। আজকেও আরো কিছু প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছি। খোদা না করুন, অনিবার্য কোনো পরিস্থিতি ছাড়া আমরা এই প্রক্রিয়ার বাইরে যেতে চাই না। আমরা চাই যথাসময়ে নির্বাচন হোক।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণা করার সময় নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। আমরা বরাবরই দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই।
জনগণ যেন ঠিক করতে পারে রাষ্ট্র কে চালাবে। এটা বিলম্বিত হোক আমরা চাই না। তাই আমরা এখনো বলছি যথাসময়ে নির্বাচন হোক।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচন বিষয়ে অবস্থান একই।
আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যাকে দেশবাসী শ্রদ্ধা করে তার রোগমুক্তির জন্য সবাই দোয়া করছে। আমরা তার সুচিকিৎসার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। আল্লাহর মেহেরবানিতে সম্ভবত কাল (শুক্রবার) ভোরে তিনি দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন। আমরা আশা করি তিনি দ্রুত সুস্থ হবেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভোটার হওয়া নিয়ে সিইসির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এ নিয়ে কোনো সংকট নেই।
এটা নিয়ে বিশেষ আলোচনা করার কিছু নেই। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে, নাম ওঠানোর জন্য সময় পার হয়ে যায়নি। এ বিষয়ে দুশ্চিন্তা আমাদের নেই।

সিইসির সঙ্গে আলোচনার বিষয় তুলে ধরে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, আমাদের ব্যালট পেপার সাধারণত সরকারি প্রিন্টিং প্রেসে ছাপা হয়। এবার আমরা শুনছিলাম যে এর বাইরেও কোথাও ছাপানোর চিন্তাভাবনা আছে। তো আমরা আলোচনা করেছি যেন কোনো প্রাইভেট প্রেসে ব্যালট পেপার ছাপানো না হয়। তারা আমাদের জানিয়েছেন যে, কোনো প্রাইভেট প্রেসে ব্যালট পেপার ছাপানো হবে না।

প্রাইভেট প্রেসে ব্যালট ছাপানো নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আশঙ্কা থেকেই এই আলোচনা করেছি। অনেক কারণ আছে। কারণ কোনো সময় ব্যালট পেপার কোনো প্রাইভেট অর্গানাইজেশনে ছাপা হয় না। একবার চেষ্টা হয়েছিল, সম্ভবত ২০০৮ সালে। আমরা জানি যতটুকু ছাপানো হয়েছে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে সরকারি ব্যবস্থাপনায়।

তিনি আরো বলেন, আগে শুধুই সংসদ নির্বাচন বা অন্য নির্বাচনের জন্য ভোট হতো এবং সেখানে প্রতিটি পোলিং বুথে কতজন ভোট দেবে সেটা একটি নির্ধারিত সংখ্যা ছিল। এবার যে ভোটটা হচ্ছে সেখানে দুইটা ব্যালট থাকছে। একটা সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালট, আরেকটা গণভোটের ব্যালট। যেখানে একটা ব্যালটে ভোট দিতে যথেষ্ট সময় লাগে, সেখানে দুইটা ব্যালটে ভোট দেওয়া আরো বেশি সময় লাগার কথা। কিন্তু আমরা দেখলাম যে নির্বাচন কমিশন একটা প্রস্তাব করেছে, যেখানে ভোট কেন্দ্রে প্রত্যেকটা বুথে ভোটারের সংখ্যা বেশি হয়ে যাচ্ছে। তো এই বিষয়টা আমরা নির্বাচন কমিশনের নজরে এনেছি। আমরা চাই যে সব ভোটার যেন ভোট দিতে পারে। কেউ যেন ভোটের অধিকার ও সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আলোচনার মূল পয়েন্ট ছিল যাতে সবাই ভোট দিতে পারে। যেমন সময় বাড়ানোর প্রস্তাব আছে, কারো কারো পোলিং বুথ বাড়ানোর প্রস্তাব আছে, কারো ব্যালট বাক্স বাড়ানোর প্রস্তাব আছে, মার্কিং প্লেসের সংখ্যাও বাড়ানো যেতে পারে। যাতে করে কাজটা দ্রুত হয়। এটাই একটি পয়েন্ট।

বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় ২ অধ্যাদেশ পাস

দেশের বন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় নতুন দুটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক অধ্যাদেশ দুটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন দুই অধ্যাদেশ সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পাস হওয়া এই দুটি নতুন অধ্যাদেশ বনসম্পদ, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
এর মাধ্যমে পরিবেশগত নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ প্রকৃতি সংরক্ষণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন সংরক্ষণে প্রায় ১০০ বছর ধরে কার্যকর ১৯২৭ সালের বন আইন বর্তমান পরিবেশগত বাস্তবতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আর পর্যাপ্ত নয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়নের চাপ, অবৈধ দখল, বনভূমি উচ্ছেদসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ অধ্যাদেশে প্রাকৃতিক বন রক্ষা, বনভূমির রেকর্ড ও সীমানা সংরক্ষণ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর তদারকির মাধ্যমে অবৈধ দখল প্রতিরোধ, অবক্ষয়িত বন পুনরুদ্ধার, আগ্রাসী প্রজাতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্তনযোগ্য ও কর্তন নিষিদ্ধ বৃক্ষের তালিকা হালনাগাদের মতো বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২’ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিবর্তনের কারণে নতুন ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণীত হয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ, শিকার, পাচার, হত্যা ও বাণিজ্যিক ব্যবহার নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় করা হয়েছে।

এ অধ্যাদেশে বিলুপ্তপ্রায় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা, বন্যপ্রাণী উদ্ধার, শুশ্রুষা, পুনর্বাসন, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষ-বন্যপ্রাণীর সুসমন্বিত সহাবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বন্যপ্রাণী ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সংরক্ষণ কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়েছে।

হাসনাত-সাদিকসহ অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণ পেলেন যারা

অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আয়োজনে ‘বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লব’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নিতে বেশ কয়েকজন তরুণ নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আমন্ত্রিত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, ইউনাইটেড পিপল’স বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ)-এর আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান।

আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন ও অক্সফোর্ড বাংলা সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে এটি অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিয়ন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট মুসা হিরাজ স্বাক্ষরিত আলাদা আলাদা চিঠিতে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

এ বিষয়ে ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, আলাদা আলাদা চিঠিতে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কয়েকজনের নাম জানতে পেরেছি। আমরা যারা আমন্ত্রণ পেয়েছি তারা সবাই বসব। তারপর জানা যাবে আমন্ত্রিতদের সংখ্যা।

ইনভাইটেশনের চিঠিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং বাংলাদেশে ক্ষমতার রূপান্তরের ক্ষেত্রে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে আপনাদের নেতৃত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ভূমিকা রেখেছেন। একজন তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে তার অভিজ্ঞতা ও বিশ্লেষণ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে।

এতে আরো বলা হয়, প্যানেল আলোচনায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি অক্সফোর্ডের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে বিভিন্ন নীতি, রাজনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন। অক্সফোর্ড ইউনিয়ন তার পুরো সফর সমন্বয় ও স্থানীয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে বলে চিঠিতে জানানো হয়।

সব ঠিক থাকলে খালেদা জিয়াকে মধ্যরাতের পরে অথবা ভোরে লন্ডনে নেওয়া হবে

সবকিছু ঠিক থাকলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পরে অথবা আগামীকাল শুক্রবার ভোরে লন্ডনে নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে তাঁকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার আগে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সাংবাদিকদের খালেদা জিয়ার চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ কথা জানান।

বেলা তিনটার পরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্রিফ করেন। তিনি জানান, আজ রাতের মধ্যেই কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ‍্যাম্বুলেন্স এখানে এসে পৌঁছাবে। কাল ভোরের মধ্যে খালেদা জিয়াকে নিয়ে এয়ার অ‍্যাম্বুলেন্স লন্ডন যাত্রা করবে।

এর আগে ব্রিফিংয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এবং খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে তাঁকে কাতার রয়্যাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনের একটি নির্ধারিত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

জাহিদ হোসেন বলেন, বিমানে যাতে যেকোনো প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁকে সুস্থভাবে চিকিৎসা দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে কিছু চিন্তা করা হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে আজ তিনবার ভার্চ্যুয়ালি মিটিং করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য ও চীনের চিকিৎসকেরা সশরীর দেখেছেন। তাঁদের সবার সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনা হয়েছে।

১২ দিন ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁকে নিয়ে দেশের মানুষ উদ্বেগে রয়েছে।

এভারকেয়ার হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, সেটা কিছুটা উন্নতির দিকে। তবে হৃদ্‌যন্ত্রে জটিলতা রয়েছে। বাকি সমস্যাগুলো অনেকটাই অপরিবর্তিত।

গতকাল রাতে চীন থেকে দেশটির চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ঢাকায় আসেন। রাতেই তাঁরা খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডে যোগ দেন। এর আগে দুপুরে যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় আসেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিচার্ড বেলে। তিনি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। খালেদা জিয়াকে দেখেন। এই চিকিৎসকেরা গতকালই খালেদা জিয়ার সর্বশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদনগুলো দেখেছেন।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত জানুয়ারি মাসে লন্ডনে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে প্রথমে হাসপাতালে, পরে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় থেকে তিনি চিকিৎসা নেন। প্রায় চার মাস পর গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন।

গত ২৩ নভেম্বর রাতে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষায় ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়। গত রোববার ভোরের দিকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে এসডিইউ থেকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।