শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

হাসিনার ফ্যাসিবাদকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে ভারত : সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে ভারতপন্থী চক্র বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করেছে। বিশেষ করে গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ ভারতের এক ধরনের সাপ্লাই কলোনি হয়ে ছিল। ভারত বাংলাদেশের অর্থনীতি শোষণ করেছে, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালিয়েছে এবং রাজনৈতিকভাবে দেশকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম করতে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে ভারত।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জের ছাতক শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে ছাত্র নাগরিক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডাকসু ভিপি এসব কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবে না। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে দিল্লির দালালদের হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতিকে ছাত্রজনতা দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। দেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান হবে না। গত ১৬ বছর বাংলাদেশকে একটি কলোনি বানিয়ে রাখা হয়েছিল। সুশাসন, আইনের শাসন ও মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশের সব সম্ভাবনা নষ্ট করেছেন। দেশের মানুষকে ১৬ বছর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।

জুলাই বিপ্লবের কথা স্মরণ করে ডাকসু ভিপি বলেন, জুলাই বিপ্লবে দেশের তরুণ ও ছাত্ররা ফ্যাসিবাদ, অন্যায় ও মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল। এতে আমাদের প্রায় ২ হাজার ভাই শহীদ হয়েছেন, বহু মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়া- যেখানে সন্ত্রাস, মাফিয়া, চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি থাকবে না। জুলাইয়ের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, তাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব হলো সামনে জাতীয় নির্বাচনে সঠিক নেতৃত্বকে বেছে নেওয়া- যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করবে এবং দিল্লির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে।

এদিকে ছাত্র নাগরিক সমাবেশে ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম সুনামগঞ্জ-৫ আসন (ছাতক-দোয়ারাবাজার) থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে সবার কাছে দোয়া চান।

নভেম্বরের সেরার লড়াইয়ে তাইজুল

আইসিসির প্লেয়ার্স অব দ্য মান্থের মনোনীত তালিকায় আছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। নভেম্বরের সেরা খেলোয়াড়ের হাতছানি তাইজুল ইসলামের সামনে। এই পুরস্কার জিতলে চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে নাম লেখাবেন তিনি। অক্টোবরের মতো এবারো তিন স্পিনারের লড়াই হবে। তার লড়াই দক্ষিণ আফ্রিকার সিমন হারমার ও পাকিস্তানের মোহাম্মদ নওয়াজের সঙ্গে।

বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টে ২৬.৩০ গড়ে ১৩ উইকেট নেন। ২-০ তে সিরিজ জয়ে শীর্ষ উইকেটশিকারি ছিলেন তিনি। সিলেটে ৫ উইকেট পান তাইজুল। তারপর মিরপুরে দ্বিতীয় ম্যাচে দুটি ইনিংসেই চারটি করে উইকেট দখল করেন। দারুণ বোলিংয়ে সিরিজ সেরা হন এই স্পিনার।

দক্ষিণ আফ্রিকার অফস্পিনার হারমার ভারতের বিপক্ষে ২-০ তে সিরিজ জয়ের অন্যতম নায়ক। ২৫ বছরে প্রথমবার এশিয়ার কোনো দেশে প্রোটিয়াদের প্রথম জয়ে তার ছিল অসামান্য অবদান। মাত্র ৮.৯৪ গড়ে কলকাতা ও গুয়াহাটিতে ১৭ উইকেট নেন তিনি।

প্রথম টেস্টে ৮ উইকেট নেন হারমার। দ্বিতীয় ম্যাচে নেন ৭ উইকেট। বল হাতে দারুণ অবদান রেখে সিরিজ সেরাও হন তিনি।

শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজে অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখান নওয়াজ। তার আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫২ গড় ও ১১৪.২৮ স্ট্রাইক রেটে ১০৪ ওয়ানডে রান করেন, নেন চার উইকেট।

টি-টোয়েন্টিতে এই বাঁহাতি স্পিনার ৫২ রান করার পাশাপাশি ১২.৭২ গড়ে ১১ উইকেট নেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে ১৭ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জয়ী ভূমিকা রাখেন নওয়াজ, হন সিরিজ সেরা।

খেলা শুরুর আগেই লাল কার্ড, ফুটবলে অদ্ভুত ঘটনা

তখনও খেলা শুরু হতে কিছু সময় বাকি। দুই দলের খেলোয়াড়রাও মাঠে নামেননি। মাঠে ঢোকার টানেলেই লাল কার্ড দেখলেন ফুটবলার! ভারতের প্রথম সারির ফুটবল প্রতিযোগিতায় এমন ঘটনাই ঘটল।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) সুপার কাপ সেমিফাইনালে এফসি গোয়ার ম্যাচ ছিল মুম্বাই সিটি এফসির বিরুদ্ধে। খেলা শুরুর আগে টানেলে দাঁড়িয়েই লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যেতে হয় এফসি গোয়ার অধিনায়ক ইকার গুয়্যারোক্সেনাকে।

খেলা শুরুর আগে দুই দল যখন টানেলে দাঁড়িয়েছিল, তখনই দেখা যায় রেফারির সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েছেন গুয়্যারোক্সেনা। তখনই রেফারি আচমকাই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারকে লাল কার্ড দেখিয়ে টানেল ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলেন!

জানা গেছে, গোটা ঘটনার জন্য দায়ী গুয়্যারোক্সেনার অন্তর্বাস। তার রং নাকি নিয়মবহির্ভূত ছিল। জার্সির নিচে যে টি-শার্টটি পরেছিলেন, সেটি বিপক্ষ দলের জার্সির মতো। রেফারি তাকে তা বদলে নিতে বলেন। এই নির্দেশ মানতে চাননি গুয়্যারোক্সেনা। এরপরই তার সঙ্গে রেফারির বিতণ্ডা শুরু হয়। সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় গুয়্যারোক্সেনাকে।

গোয়ার কোচ মানোলো মার্কেজ ম্যাচ শেষে বলেন, তিনি রেফারির সিদ্ধান্তে অবাক। বলেন, ‘ভেবেছিলাম ব্যাপারটা ওখানেই মিটে যাবে। মাঠে ঢোকার পর জানলাম, গুয়্যারোক্সেনাকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে! ওকে ফাইনালে পাবো না।’ এক ফুটবলার বলছিলেন, তিনি এরকম ঘটনা জীবনে দেখেননি।

তবে সেমিফাইনালে গোয়াকে ১০ জনে খেলতে হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, খেলা শুরুর আগে কেউ লাল কার্ড দেখলে বদলি হিসেবে অন্য ফুটবলারকে নামানো যায়। গুয়্যারোক্সেনার জায়গায় নামেন স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড জেভিয়ের সিভেরিও।

শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে উঠেছে গোয়া। আগামী রোববার তাদের খেলতে হবে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। প্রথম সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে পাঞ্জাবকে।

বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির সঙ্গে কী কথা হয়েছে জানালেন ডি পল

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই জানা যাবে ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে কোন দল কোন গ্রুপে পড়ছে কিংবা বিশ্বকাপে কার অভিযান কেমন হতে যাচ্ছে। আগামী বছরের জুনে পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের। তার আগে আজ রাতে ওয়াশিংটনে হবে সেই বিশ্বকাপের ড্র। বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠান নিয়ে ফুটবল সমর্থকদের মতো অপেক্ষায় আছেন প্রতিযোগিতার টিকিট কাটা দেশগুলোও।

ড্র ঘিরে উত্তেজনা কাজ করছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ফুটবলারদেরও। এ নিয়ে নিজের অনুভূতি জানালেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল। দলনেতা লিওনেল মেসির সঙ্গেও আলাপ হয়েছে বলেও জানালেন। আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তোন এদুলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পল জানালেন, বিষয়টি নিয়ে ঠিক কিছুক্ষণ আগেই মেসির সঙ্গে তার কথা হয়েছে।

ডি পল বলেন, “ঠিক এখনই লিওর (মেসি) সঙ্গে এটা নিয়ে কথা হচ্ছিল। সূচি, প্রস্তুতি সব নিয়েই। ক্লাব পর্যায়ে হঠাৎ করে ড্র এসে যাচ্ছে, একটু অপ্রস্তুতই লাগে। কিন্তু এটা খুবই বিশেষ কিছু। কোন গ্রুপে পড়ব, কাদের মুখোমুখি হবো, এ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা আছে।” ৩১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার ড্র অনুষ্ঠানটিকে আক্ষরিক অর্থেই বিশ্বকাপের ‘শুরু’ বলে মনে করেন। তিনি বলছিলেন, “অনেকের জন্য এখান থেকেই বিশ্বকাপ শুরু হয়ে যায়।”

দীর্ঘ শিরোপাখরা কাতারে ঘুছিয়েছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায় আকাশী-সাদা জার্সিধারীরা। আসন্ন বিশ্বকাপেও শিরোপা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ তাদের সামনে। এ নিয়ে ডি পল বলেন, আবারও শিরোপা জয়ের আশা তারা ছাড়ছেন না। বাছাইপর্বে নিজেদের দাপুটে পারফরম্যান্সের কথাও উঠে আসে তার কথায়। বলছিলেন, “আমরা আবার চেষ্টা করব। আমাদের ওপর প্রত্যাশা আছে। আমরাই সেটা তৈরি করেছি বাছাইপর্বের পারফরম্যান্স দিয়ে। তাই আমরা শিরোপা রক্ষায় নামব। জানি, এটা কত কঠিন।”

তিনি আরও যোগ করেন, দল একজোট হয়ে সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেবে, আর চারপাশের পরিবেশও যদি ২০২২-এর মতোথাকে, তবে পথচলা সহজ হবে। আমরা সর্বোচ্চটা দেব, আবারও করতে চাই। আশা করি সবাই এক থাকবে, আর সবকিছু ২০২২-এর মতোই হবে।”

প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে নাম লিখিয়েছেন জাতীয় দল সতীর্থ ডি পল। বিশ্বকাপের আগে ক্লাব ফুটবলেও বড়সড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে তাদের সামনে। আগামীকাল চেজ স্টেডিয়ামে এমএলএস ফাইনালে থমাস মুলারের ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপসের মুখোমুখি হবে মেসি-পলের মায়ামি। এটি হবে দুই দলেরই প্রথম লিগ শিরোপা জয়ের সুযোগ।

প্রসঙ্গত, আসন্ন বিশ্বকাপে মেসির খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছেই না। সম্প্রতি ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ৩৮ বছর বয়সী মহাতারকা। আগামী বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত রেখেই তিনি বলছিলেন, ‘আশা করি আমি সেখানে (বিশ্বকাপ) থাকতে পারব। আগেও বলেছি, সেখানে থাকতে আমি ভীষণ চাই।’ তবে মেসির ঠিক পরের কথাটা শুনলে খানিকটা শঙ্কা জাগতেই পারে ভক্তদের। বিশ্বকাপজয়ী আলবিসেলেস্তা বলেছেন, ‘পরিস্থিতি যদি কোনোভাবে খুব প্রতিকূল হয়, সবচেয়ে খারাপ হয়, যদি খেলতে না-ও পারি, অন্তত দর্শক হিসেবেই দেখব—তবু তা হবে এক বিশেষ অনুভূতি।’

তবে একটা কথা পরিষ্কার, মেসি বুটজোড়া পায়ে খেলুক আর না খেলুক আসন্ন বিশ্বকাপে মেসিকে ঘিরেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান আবর্তিত হবে।

হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে অ-আরব দেশে ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কা

অ-আরব দেশে নিজেদের নেতাদের লক্ষ্য করে দখলদার ইসরায়েল হামলা চালাতে পারে বলে শঙ্কা করছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এজন্য নেতাদের জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা জারি করেছে তারা।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সৌদির সংবাদমাধ্যম আশরাক আল-আসওয়াত এক প্রতিবেদেন এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি হামাসের কয়েকটি গোপন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে কাতারের রাজধানী দোহায় শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েল যে ধরনের হামলা চালিয়েছে, সামনে অ-আরব দেশে একই রকম হামলা হতে পারে।

দোহায় যে ভবনে হামাস নেতারা বৈঠক করছিলেন ওই ভবনে ইসরায়েলি মিসাইল আঘাত হানলেও; তারা বেঁচে যান।

এখন অ-আরব দেশেও ইসরায়েল একই রকমের হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট করে দেশের নাম উল্লেখ করেনি সূত্রটি।

সতর্কতার অংশ হিসেবে এখন বিদেশে থাকা নেতাদের নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, এক জায়গায় যেন একবারের বেশি বৈঠক না করেন। প্রত্যেকটি বৈঠক ভিন্ন ভিন্ন জায়গা করতে হবে।

যারা বৈঠকে অংশ নেবেন তারা বৈঠকস্থলের ৭০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না। কারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তের ঝুঁকি থাকে।

এছাড়া যেসব ভবনে এসি, ইন্টারনেট রাউটার, টেলিভিশন এবং ইন্টারকম আছে সেসব ভবনেও বৈঠক করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

সূত্র: আশরাক আল-আসওয়াত

গাজা যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, দুই মাস আগে হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি অক্ষুন্ন রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে পরবর্তী ধাপ ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।

দ্বিতীয় ধাপ শুরু হলে হামাসের জায়গায় গাজা পরিচালনার দায়িত্ব নেবে একটি অন্তর্বর্তী সরকার। এছাড়া গাজার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ঘোষণার অংশ হিসেবে অন্তবর্তী সরকারের সদস্য এবং নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানো দেশগুলোর নাম ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

কারা কারা এতে যোগ দেবে এ নিয়ে এখনো কাজ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে এ বছরের শেষ দিকে নতুন সরকার গঠন নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে। তবে এর আগে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে না।

কারণ হামাস কীভাবে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর ও অস্ত্র জমা দেবে এ ব্যাপারে এখনো কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

হামাস স্পষ্ট করেছে ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটদের নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে তারা ক্ষমতা ছাড়তে রাজি আছে। কিন্তু ট্রাম্পের ঘোষিত বোর্ড অব পিসের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না। এই বোর্ড অব পিসে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারসহ বেশ কয়েকজন বিতর্কিত ব্যক্তির নাম শোনা গেছে।

দুই মাস আগে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর হামাস অনেকটা নিরবে আবারও গাজার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে নিয়েছে।

এছাড়া হামাস জানিয়েছে, তারা কখনো রক্ষণাত্মক অস্ত্র জমা দেবে না। কারণ যেহেতু ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব রয়েছে, তাই এ ধরনের অস্ত্র রাখা তাদের অধিকার।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

আজ আসছে না এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা পেছাল

কারিগরি ত্রুটির কারণে শেষ মুহূর্তে আটকে গেল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাত্রার প্রক্রিয়া। তাকে বহন করার জন্য কাতারের আমিরের পক্ষ থেকে বিশেষ যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আজ (শুক্রবার) ঢাকায় আসার কথা ছিল, সেটি নির্ধারিত সময়ে আসছে না। এর ফলে খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার বিষয়টি এক দিন পিছিয়ে গেল।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আগামীকাল (শনিবার) ঢাকায় পৌঁছাতে পারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকেই খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন বলেও খবর পাওয়া যায়। কিন্তু শুক্রবার সকালে বিএনপি মহাসচিব গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন যে, যাত্রার পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আজ আসছে না। আমরা আশা করছি, সব ঠিক থাকলে সেটা আগামীকাল শনিবার পৌঁছাতে পারে।

তিনি আরও যোগ করেন, বিমান কখন ছাড়বে তা নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর। মহাসচিব বলেন, ‘‘ম্যাডামের শরীর যদি যাত্রার উপযুক্ত থাকে এবং মেডিকেল বোর্ড যদি সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে ইনশাল্লাহ ৭ তারিখ ফ্লাই করবেন।’’

খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়ার প্রক্রিয়া পিছিয়ে গেলেও গতকাল রাতেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বিএনপির একটি সূত্র বলছে, ঢাকায় পৌঁছানোর পর সরাসরি এভার কেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন জুবাইদা। তারপর তার কিছু শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হবে।

গতকাল খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছিলেন, মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এবং খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে তাকে কাতার রয়্যাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনের একটি নির্ধারিত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে কিছু চিন্তা করা হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গতকাল তিনবার ভার্চ্যুয়ালি সভা হয়েছে। যুক্তরাজ্য ও চীনের চিকিৎসকেরা সশরীর দেখেছেন।

তিনি জানান, বিমানে যাতে যেকোনো প্রতিকূলতার মধ্যে তাকে সুস্থভাবে চিকিৎসা দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, লিভার সিরোসিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। আওয়ামী লীগ শাসনামলে দলের পক্ষ থেকে বারবার তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে দেওয়ার অনুমতি চাওয়া হলেও শেখ হাসিনা সরকার সে অনুরোধ রাখেনি।

কোনো ছাড় নয়, ইউক্রেনকে ডনবাস ছাড়তে হবে নয়তো শক্তি প্রয়োগে স্বাধীন করব

ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চল নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেবেন না বলে হঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

পুতিন বলেন, “হয় আমরা শক্তি প্রয়োগ করে এ অঞ্চলগুলো স্বাধীন করব। অথবা ইউক্রেনের সেনাদের এখান থেকে সরে যেতে হবে।” বর্তমানে ডনবাসের ৮৫ শতাংশ অঞ্চল রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আগে থেকেই বলে আসছেন তারা তাদের ভূখণ্ড নিয়ে কোনো ছাড় দেবেন না।

পুতিন এমন সময় এ মন্তব্য করলেন যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন রুশ নেতা ‘যুদ্ধ বন্ধ করতে চান’। গত মঙ্গলবার রাশিয়ার আলোচকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মার্কিনিরা। এছাড়া পুতিনের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেছিলেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ।

তার ফ্লোরিডায় ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কথা আছে।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রস্তাব দিয়েছে সেগুলোর কিছুতে সম্মত আর কিছুতে রাশিয়ার আপত্তি আছে বলেও জানিয়েছেন পুতিন। তবে কোন পয়েন্টগুলো নিয়ে তাদের আপত্তি আছে সেটি স্পষ্ট করেননি তিনি।

সম্প্রতি রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে কিছু সফলতা পেয়েছে। এরপরই তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়ে গেছে।

গত ২৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রথম শান্তি চুক্তির প্রস্তাব দেয়। ওই প্রস্তাবে ২৮টি দফা আছে। যার একটিতে বলা আছে চুক্তি হলে ডনবাসের যেসব অঞ্চল এখনো ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে আছে সেগুলো রাশিয়াকে দিয়ে দিতে হবে। এই দফার কঠোর বিরোধীতা করেছে ইউক্রেন এবং ইউরোপের দেশগুলো। তবে গত সপ্তাহে এই চুক্তির কিছু দফায় পরিবর্তন আনতে সমর্থ হয় কিয়েভ।

সূত্র: বিবিসি

কেউ কেউ জুলাইয়ের স্পিরিটকে বিক্রি করে দিচ্ছে : শিবির সভাপতি

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আমুল পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশেষ একটি মহলের মধ্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। কেউ কেউ জুলাইকে ৭১ এর মতো ব্যবসায়ীক কার্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। জুলাই আন্দোলনের ক্রেডিটের রাজনীতি করতে গিয়ে জুলাইয়ের স্পিরিটকে তারা হারিয়ে ফেলছে।
জুলাইয়ের স্পিরিটকে তারা বিক্রি করে দিচ্ছে।’

‎বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে পাবনার সাঁথিয়ার ফুটবল মাঠে আয়োজিত বিশাল ছাত্র ও যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জুলাইকে তারা বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা কামাই করছে। আজকে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়গুলোতে যান এখনো দুর্নীতি বন্ধ হয়নি।
এজন্য কি শহীদরা জীবন দিয়েছে? এজন্য কি শহীদ পরিবারে আজো কান্না চলছে? জুলাইয়ের পর আবার বাংলাদেশে দুর্নীতি চলবে এটা হবে না। আমরা বলতে চাই আপনারা ভালো হয়ে যান। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। ইতিহাস বেশি দূরে নয় অনেক কাছেই রয়েছে।
বাংলাদেশে আর কোনো সন্ত্রাসবাদ চলবে না। আর চাঁদাবাজির রাজনীতি চলবে না। দুর্নীতির রাজনীতি চলবে না। হত্যা করার রাজনীতিও চলবে না। পাথর মেরে মানুষ হত্যা করা এ রাজনীতিও চলবে না।
সিলেট থেকে পাথর নিয়ে খেয়ে ফেলবেন এ রাজনীতি আর চলবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই কাঁদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি বন্ধ হোক। আপনি নিজস্ব রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে হাজির হোন। দেশের মানুষের জন্য কী করবেন এটা নিয়ে হাজির হোন। বাংলাদেশে সৎ মানুষের রাজনীতি চলবে।’

‎আওয়ামী লীগ ২০০৬ সালে লগি-বৈঠার মাধ্যমে হত্যা করে লাশের ওপর নৃত্য করেছিল উল্লেখ করে ‎শিবির সভাপতি বলেন, ‘এরপর ক্ষমতায় এসেই দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের হত্যা করেছে হাসিনা। দিল্লির কাছে দেশকে ইজারা দিতে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। শাপলা চত্বরে আলেমদের গণহত্যা করেছে। জুলাইতে আবাবিলের মত সব শ্রেণির লোক পাঠিয়ে হাসিনাকে পতন করেছে। সব শ্রেণির মানুষ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল। জুলাই কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়। এটি বহু দিনের জাগরণ ছিল। আদর্শিক ভিত্তি থেকে জুলাই সংগঠিত হয়েছে।’

‎নাজিব মোমেনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘নাজিবুর রহমান মোমেন তরুণ প্রজন্মের আইকন। তিনি বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিবেন। নাজিব মোমেন ভাইকে দাঁড়িপাল্লায় বিজয়ী করতে হবে। যাতে দেশে ন্যায় ইনসাফের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন।’

‎সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী ব্যরিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম, পাবনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর প্রিন্সিপাল মাওলানা ইকবাল হোসাইন, পাবনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান, পাবনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক হেসাব উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি আবু সালেহ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

ঢাকায় পৌঁছেছেন ডা. জুবাইদা

লন্ডন থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী বিমান। ভিআইপি ফটক দিয়ে বেরিয়ে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছেন তিনি।

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে হি‌থ্রো বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে দেশের পথে রওনা হন ডা. জুবাইদা রহমান।

এদিকে কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স না পৌঁছানোয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি পিছিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘কারিগরি ত্রুটির কারণে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স শুক্রবার আসছে না। সব ঠিক থাকলে সেটা শনিবার পৌঁছাতে পারে।
ম্যাডামের শরীর যদি যাত্রার উপযুক্ত থাকে এবং মেডিক্যাল বোর্ড যদি সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে ইনশা-আল্লাহ আগামী রবিবার ফ্লাই করবেন।’