শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

হাদির ওপর হামলাকারীর শেকড় যত শক্তিশালী হোক, উপড়ে ফেলা হবে: অ্যার্টনি জেনারেল

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীর শেকড় যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তা উপড়ে ফেলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেছেন, হাদি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক। আজ তিনি সন্ত্রাসীদের গুলিতে চিকিৎসাধীন। আমরা তাঁর জন্য কায়মনোবাক্যে দোয়া করি।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে শৈলকূপা উপজেলার মালিথিয়া গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

হাদির ওপর গুলির ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে ধ্বংস করতে পতিত স্বৈরাচারের সন্ত্রাসী বাহিনী টার্গেট করেছে। কিন্তু তারা সফল হবে না।

আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ হবে দাবি করে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। আগামী নির্বাচনে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবে। জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে এবারের নির্বাচনে।

এসময় তিনি বেগম খালেদা জিয়া ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীর সুস্থতায় সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

মুন্সীগঞ্জে আসছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী সাইয়েদ মাজহার সাঈদ শাহ।

উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকার কাছিমিয়া বাইতুল উলূম মাদরাসায় হাফেজ শিক্ষার্থীদের পাগড়ি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে তিনি প্রধান বক্তা হিসেবে বয়ান করবেন।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর এ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ও প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ সাইয়েদ মাজহার সাঈদ শাহকে।

আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি পাক–ভারত উপমহাদেশের খ্যাতিমান হাদিস বিশারদ খাতিমাতুল মুহাদ্দিসিন আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মিরী (রহ.)–এর সুযোগ্য পৌত্র এবং একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। মাহফিলে দেশ-বিদেশের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মাদরাসা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা।

মেসির কাছে ক্ষমা চাইলেন মমতা ব্যানার্জি

কলকাতায় লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে গেছে আজ। সে কারণে প্রকাশ্যে আর্জেন্টাইন মহাতারকার কাছে ক্ষমা চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শনিবার হাজার হাজার ভক্ত মেসিকে এক ঝলক দেখতে এসে হতাশ হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এক্সে দেওয়া বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজ সল্টলেক স্টেডিয়ামে যে অব্যবস্থাপনা হয়েছে, তাতে আমি গভীরভাবে বিচলিত ও মর্মাহত। আমি নিজেও হাজার হাজার ক্রীড়াপ্রেমী ও ভক্ত যারা প্রিয় ফুটবলার মেসিকে দেখতে সঙ্গে অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ছিলেন, তাদের সঙ্গেই ছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার জন্য আমি আন্তরিকভাবে লিওনেল মেসি এবং সব ক্রীড়াপ্রেমী ও তার ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইছি।’

মুখ্যমন্ত্রী জানান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব থাকবেন।

মমতা ব্যানার্জি লেখেন, ‘কমিটি এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করবে, দায় ঠিক করবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে সুপারিশ দেবে। আবারও সব ক্রীড়াপ্রেমীর কাছে আমার আন্তরিক ক্ষমাপ্রার্থনা।’

এই ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন আর্জেন্টিনার তারকা লিওনেল মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন স্থানীয় রাজনীতিবিদরা। এরপর যখন সময়ের আগেই মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় তাকে, তখন বিক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অনেকে ব্যারিকেড ভাঙছেন। মাঠের ভেতরে বোতল ও চেয়ার ছোড়া হচ্ছে।

অনেক দর্শক অভিযোগ করেন, টাকা দিয়েও তারা মেসিকে ঠিকভাবে দেখতে পাননি। এক দর্শক বলেন, ‘টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ছিল পাঁচ হাজার টাকা। তাহলে মেসির চারপাশে ভিভিআইপিরা কেন ছিল? আমরা তাকে দেখতেই পেলাম না। পুলিশ কেন ব্যবস্থা নেয়নি? সবাই খুব রেগে গিয়েছিল। আমরা টাকা ফেরত চাই।’ আরেকজন বলেন, ‘এটা একেবারে লজ্জাজনক ঘটনা। আমরা ভেবেছিলাম মেসি পুরো স্টেডিয়াম ঘুরবেন। তা হয়নি।’

শহীদ বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বুদ্ধিজীবীরা তাদের মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ, সাংস্কৃতিক চর্চা ও ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। যুদ্ধকালীন সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক ও কৌশলগত পরামর্শ দিয়ে জাতিকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিতেও তাদের ছিল অসামান্য ভূমিকা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক দুঃখজনক ও কলঙ্কময় দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিনগুলোতে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে দেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। শোকাবহ এ দিনে আমি শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করি।

তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা। বুদ্ধিজীবীরা তাদের মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ, সাংস্কৃতিক চর্চা ও ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। যুদ্ধকালীন সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক ও কৌশলগত পরামর্শ দিয়ে জাতিকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিতেও তাঁদের ছিল অসামান্য ভূমিকা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা এসব দেশপ্রেমিক শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলী, দার্শনিক, রাজনৈতিক ও চিন্তাবিদসহ দেশের মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে গুম ও হত্যা করে। এ পরিকল্পিত নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে থাকা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে একটি ব্যর্থ জাতিতে পরিণত করাই ছিল স্বাধীনতাবিরোধীদের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, আমাদের শহীদ বুদ্ধিজীবীরা স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি গণতান্ত্রিক উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমগ্র জাতিকে সাথে নিয়ে তেমনই একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে আমাদের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আমৃত্যু লালিত স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সবাইকে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আসুন সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে তুলি উন্নত, সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ।

সিরিয়ায় অতর্কিত হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত

সিরিয়ার পালমিরাতে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএসের এক সদস্যের অতর্কিত হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনা ও একজন দোভাষী নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার (১৩ ডিসেম্বর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টম) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে সেনা নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে। এরআগে পালমিরায় আইএসআইএসের হামলায় একাধিক সেনা আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিল তারা।

এই সেনাদের ওপর আইএসআইএসের মাত্র এক সদস্যই হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সেন্টম। এরপর ওই হামলাকারী পাল্টা হামলায় নিহত হয়।

মার্কিন দূত টম ব্যারাক জানিয়েছেন, আইএসআইএসের সন্ত্রাসী ‘মার্কিন ও সিরীয় সেনাদের যৌথ টহল গাড়িতে’ হামলা চালিয়েছে।

হামলাকারী নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটে হেগসেথ বলেছেন, “যে বর্বর এই হামলা চালিয়েছেন তিনি সহযোগী সেনাদের দ্বারা নিহত হয়েছেন।”

পরিবারের সদস্যদের না জানানো পর্যন্ত নিহত সেনাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানিয়েছে এক কর্মকর্তা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যেখানে হামলার ঘটনা ঘটেছে সেখানে সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল সারার নিয়ন্ত্রণ নেই।

সূত্র: আল-আরাবিয়া

রাফিনিয়ার জোড়া গোলে রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধানে বাড়াল বার্সেলোনা

এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হারই যেন তাতিয়ে দিয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে। এরপর থেকে লা লিগায় তারা টানা সপ্তম ম্যাচে জিতল। ওসাসুনার বিপক্ষে তারা এবার রীতিমতো একপেশে দাপট দেখিয়েছে। কাতালানদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফায়েল রাফিনিয়া। স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামাল গোল না পেলেও ম্যাচজুড়ে আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে গতকাল (শনিবার) রাতে ওসাসুনাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে লা লিগার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনা রিয়ালের চেয়ে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নিয়েছে। এক ম্যাচ বেশি খেলে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা এগিয়ে আছে ৭ পয়েন্টের ব্যবধানে। ওসাসুনার বিপক্ষে ৭০ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি ১৭টি শট নিয়ে ৭টি লক্ষ্যে রাখতে পারে বার্সা। বিপরীতে, সফরকারীদের ৩ শটের মাত্র একটি লক্ষ্যে ছিল।

স্বাগতিক কাতালানরা শুরু থেকেই চেপে ধরে ওসাসুনাকে। কিন্তু ধারার বিপরীতে খেলে ২০ মিনিটে সপরকারীরা ভালো একটি সুযোগ পেয়ে যায়। তবে আন্তে বুদেমিরের শট ঠেকিয়ে দেন বার্সা গোলরক্ষক হুয়ান গার্সিয়া। খানিক বাদেই লিড পেয়ে যায় ব্লুগ্রানারা। তবে মার্কাস রাশফোর্ডের ক্রসে হেডে বল জালে জড়ানোর পর ফেররান তোরেসের গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। ওই আক্রমণের শুরুতে রাফিনিয়া ও ইয়ামালের বল দেওয়া-নেওয়ার সময়ই ব্রাজিল তারকা অফসাইড অবস্থানে ছিলেন।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় থাকার পর ডেডলাইন ভাঙতে সময় লাগে ৭০ মিনিট পর্যন্ত। স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পেদ্রির বাড়ানো বল নিয়ে রাফিনিয়া বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বার্সাকে লিড এনে দেন। ৮৬ মিনিটে ব্যক্তিগত ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। জুলস কুন্দের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ফাঁকায় থাকা রাফিনিয়ার পায়ে তুলে দেন ওসাসুনা ডিফেন্ডার। এক স্পর্শে তিনি সেটি জালে জড়ান।

এই জয়ে ১৭ ম্যাচে ১৪ জয় ও এক ড্রয়ে শীর্ষে থাকা বার্সার পয়েন্ট দাঁড়াল ৪৩–এ। রিয়াল এক ম্যাচ কম খেলে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অবস্থান করছে।

অপু বিশ্বাস আন্তরিক, বুবলী দায়িত্বশীল : সজল

নতুন চলচ্চিত্র নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন অভিনেতা আব্দুন নূর সজল। সম্প্রতি নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন তিনি। চলতি মাসের মাঝামাঝিতে শুরু হচ্ছে আরেকটি নতুন ছবির কাজ; যেখানে তার বিপরীতে থাকছেন অপু বিশ্বাস।

নিজের কাজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে সজল বলেন, “দেখতে দেখতে বছর শেষ হয়ে আসছে। এ বছর বেশকিছু ভালো কাজ করেছি। বছরের শেষ মাসেও নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করব।”

এই প্রথম অপু বিশ্বাসের সঙ্গে জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন সজল। সিনেমাটির নাম ‘দুর্বার’। ছবিটি পরিচালনা করবেন কামরুল হাসান ফুয়াদ। সিনেমা প্রসঙ্গে সজল বলেন, ‘দুর্বার মূলত থ্রিলার ঘরানার সিনেমা। এতে অনেক চমক থাকবে। আশা করছি, দর্শকদের ভালো লাগবে।’

অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অপু বিশ্বাস অনেক সিনেমা করেছেন। তার অভিজ্ঞতা অনেক। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর আমরা রিহার্সাল করেছি। ভীষণ আন্তরিক। সংলাপ কীভাবে দিতে হয়, তা বেশ ভালো বোঝেন। খুব সহযোগিতা পরায়ণ এবং তার জানার জায়গা বেশি।’

এদিকে, সজল ও বুবলী জুটির আরেক সিনেমার নাম শাপলা শালুক। এটি পরিচালনা করেছেন রাশেদা আক্তার লাজুক। বুবলীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে সজল বলেন, ‘বুবলী ভীষণ সিনসিয়ার। মনেই হয়নি প্রথমবার দুজনে সিনেমা করছি। বোঝাপড়াটা বেশ ভালো ছিল। কাজের প্রতি অনেক বেশি দায়িত্বশীল।’

চলতি বছরে মুক্তি পাওয়া ‘জ্বীন থ্রি’ সিনেমার কথাও তুলে ধরেন তিনি। সেখানে তার বিপরীতে ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। সজলের ভাষায়, ‘এ বছর মুক্তি পাওয়া জ্বীন থ্রি সিনেমায় আমার বিপরীতে ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। এই সিনেমার কন্যা গানের জন্য এখনো প্রশংসা পাচ্ছি। সব মিলিয়ে বছরটি ভালো কাটলো।’

ঐক্যবদ্ধ না হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে ষড়যন্ত্র থেমে নেই, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এত সহজ হবে না। তিনি বলেন, ‘যে কথাটা আমি আগে বলেছিলাম, নির্বাচন অত সহজ হবে না, ষড়যন্ত্র থেমে নেই। শুক্রবারের ঘটনা, চট্টগ্রামে আমাদের প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণ, এ সবকিছুতেই প্রমাণ হচ্ছে, আমি যা বলেছি তা ধীরে ধীরে সত্য হচ্ছে। কাজেই আমরা যদি নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে নিয়ে না আসি, আমরা যদি নিজেরা ঐক্যবদ্ধ না হই।
এ দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।’

গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এ কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় খাল খনন, স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, শিক্ষাব্যবস্থা, বেকার সমস্যা, তথ্যপ্রযুক্তি, বায়ু ও পানি দূষণরোধসহ নানান বিষয়ে বিএনপির নেওয়া পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন তারেক রহমান।

‘প্রতিবার দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে বিএনপি উদ্ধার করেছে’ জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্রের খবর বলছে, এ ষড়যন্ত্রগুলো এখনই থেমে যাবে না।
আরও খারাপও হতে পারে। আমাদের ভয় পেলে ও আতঙ্কগ্রস্ত হলে চলবে না। মানুষকে সাহস দিতে হবে, নিজেদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যত ঐক্যবদ্ধ হব, যত সামনে এগিয়ে আসব, যে কোনো মূল্যে নির্বাচন হবে।
এ পরিস্থিতি যত তাড়াতাড়ি আমরা তৈরি করব, ষড়যন্ত্রকারীরা তত পিছু হটতে বাধ্য হবে।’ তারেক রহমান আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের পিছু হটানোর ক্ষমতা ও শক্তি একমাত্র বিএনপির আছে। তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের সময় এসেছে কী পেলাম বাদ দেওয়ার।

সময় এসেছে দেশ ও জাতির জন্য কতটুকু করতে পারলাম। আজ সময় এসেছে নিজে কী পেলাম এটা ভুলে যাওয়ার।
এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। দয়া করে আসুন, এই যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে। এই যুদ্ধে জেতার সবচেয়ে বড় সহযোগী বাংলাদেশের জনগণ’। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনা করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল।

আজ যেসব এলাকায় ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণমূলক কাজের কারণে সিলেট নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রবিবার সকাল ৮টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত ৩৩/১১ কেভি লাক্কাতুড়া উপকেন্দ্রের আওতাধীন ১১ কেভি ফিডারের কাকুয়ারপাড়, এয়ারপোর্ট থানা, বাইশটিলা, ওসমানী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস, ধোপাগুল, বনশ্রী, বাদামবাগিচা, পাহাড়িকা, বড়বাজার, লাক্কাতুড়া স্টেডিয়াম ফিডারের লাক্কাতুড়া বাজার, মুসলিম পাড়া, মালনীছড়া, বাঁশবাড়ী গলির মুখ, বাদাম বাগিচা, আঙ্গুর মিয়ার গলির মুখ, রূপসা আবাসিক এলাকা, খাসদবির প্রাইমারি স্কুল, ইসরাইল মিয়ার গলি, দারুস সালাম মাদরাসা রোড, বড় বাজার, আবাদানি, বড়শালা মসজিদের আশপাশের আংশিক এলাকা, পর্যটন, ফরিদাবাদ, সিলভার সিটি, কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া চা বাগান, ধোপাগুল, মহালদিক, উমদারপাড়া, আলাইবহর, লিলাপাড়া, দাপনাটিলা, সাহেবের বাজার, কালাগুল, লালবাগ, পীরেরগাঁও, ছালিয়া, রঙ্গিটিলা, সালুটিকরঘাট ও আশপাশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

একই দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩৩/১১ কেভি লাক্কাতুড়া উপকেন্দ্রের বড় বাজার, বনশ্রী এবং বাদামবাগিচা ফিডারের আওতাধীন বনশ্রী, বাদামবাগিচা, ইলাশকান্দি, উদয়ন, আনার মিয়ার গলি, সৈয়দ মুগনি, চৌকিদেখী, বাঁশবাড়ি গলি, সিলসিলা গলি, রূপসা গলি, আঙ্গুর মিয়ার গলি, মোল্লাপাড়া গলি, পাহাড়িকা, লাক্কাতুড়া বাজার, মুসলিমপাড়া, মালনিছড়া, খাসদবির প্রাইমারি স্কুল, ইসরাইল মিয়ার গলি, দারুস সালাম মাদরাসা রোড, বড় বাজার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দুই নির্বাহী প্রকৌশলীরা সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর গ্রাহকদের কাছে সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় রাষ্ট্রপতি মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সকাল ৭টা ২০ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান উপদেষ্টা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে এবং এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা পৃথকভাবে উপদেষ্টামণ্ডলী, শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্য আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।