মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

সম্প্রতিক ঢাকা সফর ও বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারতে ফিরে যা বললেন জয়শঙ্কর

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ঢাকা থেকে ফিরে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) চেন্নাইতে, আইআইটি মাদ্রাজ টেকনো-এন্টারটেইনমেন্ট ফেস্ট শাস্ত্র ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, ‘হ্যাঁ আমি দুদিন আগে সেখানে গিয়েছিলাম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শেষকৃত্যে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে চলেছে। নির্বাচন নিয়ে আমরা তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আমরা আশা করি, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি থিতু হলে এই অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বৃদ্ধি পাবে।’

জয়শঙ্কর জানান, ভারত প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর স্থিতিশীলতার বিশ্বাসী। ভারতের দুই ধরনের প্রতিবেশী আছে। ভালো ও মন্দ। বেশির ভাগ প্রতিবেশীই মনে করে, ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটলে তাদেরও প্রবৃদ্ধি হবে। ভারতের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তারাও উন্নত হবে। ভারতের বিদেশনীতি গোটা বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে মনে করে এবং শক্তি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে। আর এই বার্তাই বাংলাদেশে তিনি দিয়ে এসেছেন।

এর আগে অবশ্য প্রতিবেশীসুলভ আচরণের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘সাধারণভাবে প্রতিবেশীর সঙ্গে সবাই ভালোই আচরণ করে। প্রতিবেশী অসুবিধায় পড়লে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়। কিছু না হলেও হাই, হ্যালো সম্পর্ক থাকে। পাশাপাশি বন্ধুত্ব স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। দেশ হিসেবেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমনই আচরণ করা হয়ে থাকে। এই সুপ্রতিবেশীসুলভ মনোভাবেরই নিদর্শন দেখা যায় ভারতের প্রতিবেশীদের ক্ষেত্রে।’

প্রতিবেশীদের সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছে। বিনিয়োগ করা হয়েছে। কোভিডের সময় অধিকাংশ প্রতিবেশী ভারত থেকেই প্রথম প্রতিষেধক (টিকা) পেয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় খাদ্য, সার ও জ্বালানিসংকট দেখা গিয়েছিল। ভারত সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কার দুর্দিনে ৪ বিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করেছে। সম্প্রতি ‘দ্বিতয়া’ সাইক্লোনের সময়েও শ্রীলঙ্কার জন্য প্রথম সাহায্য পাঠিয়েছে ভারতই। সবাই জানে, বিপদের সময় ভারত এগিয়ে আসবে। ভারতের ওপর নির্ভর করা যায়।

জয়শঙ্কর তার ভাষণে পাকিস্তানের নাম না নিলেও তিনি উল্লেখ করেন, ‘সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারত আত্মরক্ষার স্বার্থে কীভাবে তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করবে তার সিদ্ধান্ত ভারত নিজেই নেবে, অন্য কেউ নয়।’ ভারতের “প্রতিবেশী প্রথম” নীতির রূপরেখা তুলে ধরে জোর দিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শত্রুভাবাপন্ন প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। সীমান্তপারে ক্রমাগত সন্ত্রাসবাদের ঘটনা ঘটলে তা পারস্পরিক উন্নতির পথে অন্তরায় হয়ে ওঠে। হিংসা আর সহযোগিতা কখনও একসঙ্গে চলতে পারে না, আর তাই জলবণ্টন ব্যবস্থার মতো সুবিধা বাতিল করতে হয়েছে।

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে আবারও শাহবাগ অবরোধ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে তৃতীয়বারের মতো রাজধানীর শাহবাগ চত্বর অবরোধ করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ-মিছিল নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয়।

আগামী ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

তিনি বলেন, ঘটনার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সরকার এখনো প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা সরকারের সদিচ্ছার অভাবের প্রমাণ। সরকার আগামী ৭ জানুয়ারি চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেওয়ার কথা বললেও, শুধুমাত্র ফয়সাল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শাহবাগে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চলমান বিক্ষোভ সমাবেশে সবাইকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে এর আগেও দুই দফা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতার।
এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন সেই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

রিজার্ভ এখন ৩৩.১৮ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩.১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

আজ শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম৬) অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ২৮.৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিন দিনের মধ্যে ব্যানার-পোস্টার সরানোর সিদ্ধান্ত বিএনপির

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব জায়গা থেকে তিন দিনের মধ্যে ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সদ্য প্রয়াত দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানানো ব্যানার-পোস্টার বাদে অন্য সব ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়।
বৈঠকে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। পরে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ব্যানার-পোস্টার অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘ব্যানার-পোস্টার রাজনৈতিক মত প্রকাশের মাধ্যম হলেও এগুলো লাগানোর ফলে শহরের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এসব লাগাতে গিয়ে কারো অধিকার যাতে ক্ষুণ্ন না হয়, সে জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি জানান, মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ব্যানার-পোস্টার সরানোর কাজ শুরু করেছে।

রিজভী বলেন, ‘ম্যাডামের মৃত্যুতে শোকের ব্যানার-পোস্টার হয়তো আরো কয়েক দিন থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে বৈঠক করে দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছি। কোনো কর্মসূচি শেষ হলে নিজ উদ্যোগেই সংশ্লিষ্ট ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে ফেলা উচিত।
সেই লক্ষ্যেই আজ ঢাকা মহানগরীতে কাজ শুরু হলো। এটি সারা দেশে চলবে। আশা করছি তিন দিনের মধ্যে সারা দেশ থেকে ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে ফেলা যাবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্যসচিব মোস্তফা জামান, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবীন, যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সহসভাপতি ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, ছাত্রদলের রাজু আহমেদ ও ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ অন্যরা।

ভোটকেন্দ্র দখলকারীদের বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেব না : হাসনাত আব্দুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে এনসিপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘যারা অতীতে ভোটকেন্দ্র দখল করেছেন, কেন্দ্র দখল করতে চান বা করতে সহায়তা করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমি স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি, আমরা আপনাদের বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেব না। সংস্কার ও ইনসাফপূর্ণ একটি সমাজ গড়তে হলে জোটের নেতৃত্বে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা সরকার গঠন করব।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌরসভার মিলনায়তনে উপজেলা জামায়াত ইসলাম কর্তৃক আয়োজিত খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলাম শহীদ।
তিনি এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, গত ১৪ মাসে আমি এক কাপ চায়ের টাকাও দুর্নীতি করিনি। সারা বাংলাদেশকে সাক্ষী রেখে বলতে পারব একজন এসেও আমার সামনে বলতে পারবে না কারো পকেট থেকে এক কাপ চায়ের টাকা আমি দুর্নীতি করেছি।

তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত আমার ওপর বেইনসাফি করা হবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত আমার নীতি স্পষ্ট।
আপনি আমার বিরুদ্ধে ভোট দেন, আমি আপনার ভোট দেওয়ার নিশ্চয়তা দেব। কিন্তু আপনি যদি মানুষের ভোটাধিকার হরণ করতে আসেন, কেন্দ্র দখল করতে আসেন আপনাকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না। প্রশাসন দিয়ে, পুলিশ দিয়ে, ক্যাডার দিয়ে, অর্থ দিয়ে নির্বাচন ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করছেন—আমরা আপনার বিরুদ্ধে দাঁড়াবই।’

বেগম খালেদা জিয়ার কথা উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া দল-মত-নির্বিশেষে সবার প্রিয় একজন মানুষ।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তাকে দীর্ঘদিন জেলবন্দি রেখে তিলে তিলে হত্যা করেছে, তবু তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। হাসিনা তাকে নিয়ে কথায় কথায় বিদ্রুপ-তামাশা করত কিন্তু তিনি কখনো কোনো জবাব দেননি। আমরা তার রাজনৈতিক জীবনী থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এ রাজনীতির ধারা অব্যাহত রাখব।’

দেবীদ্বার উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক রুহুল আমিনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক লোকমান হোসাইন, পৌর জামায়াতের আমির মো. ফেরদৌস আহমেদ, এনসিপির উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ইরানে বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর যদি নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়, তবে তিনি তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসবেন। কয়েক দিন ধরে চলমান এই অস্থিরতায় কয়েকজন নিহত হয়েছে, যা বহু বছরের মধ্যে ইরানি কর্তৃপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমরা প্রস্তুত—তৈরি এবং সজ্জিত।’ গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়—যা তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান অভিযানে যুক্ত হওয়ার অংশ ছিল।

ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তা আলি লারিজানি সতর্ক করে বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ গোটা অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার সমান হবে।

ইরান লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দেয়।

এদিকে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের এক স্থানীয় কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, যে কোনো অস্থিরতা বা বেআইনি সমাবেশ ‘কঠোর ও নির্দয়ভাবে’ দমন করা হবে, যা সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভে পশ্চিমাঞ্চলীয় লোরেস্তান ও চাহারমাহাল-ও- বাখতিয়ারি প্রদেশে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।

রাষ্ট্রসমর্থিত গণমাধ্যম ও অধিকার সংগঠনগুলো বুধবার থেকে কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে। এর মধ্যে একজন রেভলিউশনারি গার্ডস-সংশ্লিষ্ট বসিজ মিলিশিয়ার সদস্য ছিলেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক দশকগুলোতে ইরান কয়েক দফা বড় ধরনের অস্থিরতা মোকাবেলা করেছে, যেখানে কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা ও গণগ্রেপ্তার সাধারণ ঘটনা ছিল। কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট এবার কর্তৃপক্ষকে আরো দুর্বল করে তুলতে পারে।

সর্বশেষ অস্থিরতার মধ্যে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান আপসমূলক সুরে কথা বলেছেন। তিনি জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট নিয়ে বিক্ষোভ নেতাদের সঙ্গে সংলাপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যদিও অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে।

ট্রাম্পের হুমকির আগেই বৃহস্পতিবার পেজেশকিয়ান স্বীকার করেন, কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাই সংকটের পেছনে রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দোষ আমাদেরই… দোষ খুঁজতে আমেরিকা বা অন্য কারো দিকে তাকাবেন না। জনগণ যাতে সন্তুষ্ট থাকে—আমাদেরই সঠিকভাবে সেবা দিতে হবে… এই সমস্যাগুলোর সমাধান আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে।

পেজেশকিয়ানের সরকার অর্থনৈতিক উদারীকরণ কর্মসূচি চালু করার চেষ্টা করছে। তবে সেই উদ্যোগের একটি—কিছু মুদ্রা বিনিময় বিধিনিষেধ শিথিল করা—বাজারে ডলারের বিপরীতে রিয়ালের তীব্র পতনে ভূমিকা রেখেছে।

গত বছরের ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলা কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের পতন এবং ইরানের প্রধান আঞ্চলিক অংশীদার, লেবাননের হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা।

লারিজানি বলেন, ‘আমেরিকান জনগণকে জানা উচিত—ট্রাম্পই এই দুঃসাহসিকতা শুরু করেছেন। তাদের উচিত নিজেদের সেনাদের দিকে খেয়াল রাখা।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি মাদুরো

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মাদক পাচার, তেল ও অভিবাসন ইস্যুতে আলোচনায় বসতে আগ্রহী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। কয়েক সপ্তাহব্যাপী মার্কিন অভিযানের পর গতকাল বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) এমন সিন্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।

গত তিন মাস ধরে ক্যারিবীয় অঞ্চল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের সন্দেহে জাহাজগুলোতে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী।

ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে মাদুরো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেখানে চাইবে এবং যখন চাইবে তিনি সংলাপের জন্য প্রস্তুত ।

তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বক্তব্য সম্পর্কে করা প্রশ্ন এড়িয়ে যান। গত সোমবার ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় একটি ‘ডকিং ফ্যাসিলিটি’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যার ফলে একটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। যা দেশটির ভেতরে সিআইএ পরিচালিত প্রথম হামলা।

এখন পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের মাদকবিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে জাহাজগুলোর ওপর ৩০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে।

গত বুধবারে মাদক বহনের অভিযোগে দুটি নৌকায় আঘাত হানা হয়। এতে নৌকাগুলোতে থাকা পাঁচজন নিহত হওয়ার দাবি করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

সিএনএন ও নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয় এই বিস্ফোরণটি সিআইএ পরিচালিত একটি ড্রোন হামলায় ঘটেছে।

তবে সাক্ষাৎকারে হামলাটি নিয়ে মাদুরোকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ‘আমরা কয়েকদিনের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা করতে পারি।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের প্রভাব কমাতে ফেন্টানিল ও কোকেন পাচার বন্ধে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মাদুরোকে ধরিয়ে দিতে যে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল তা দ্বিগুণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। এ ছাড়া মাদুরো সরকারকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন (এফটিও) হিসেবে ঘোষণা করার হুমকি দিয়েছেন।

মাদুরো দাবি করেছেন তিনি কোনো মাদক চক্রের নেতা নন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের দখল নেওয়ার অজুহাতে ট্রাম্প প্রশাসন ‘মাদকবিরোধী যুদ্ধ’ ব্যবহার করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক মাদক পাচারে ভেনিজুয়েলা তুলনামূলকভাবে ছোট অংশ। এটি মূলত একটি ট্রানজিট দেশ, যা ব্যবহার করে অন্য দেশে উৎপাদিত মাদক পাচার করা হয়।

ভেনেজুয়েলার প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদক। তবে ধারণা করা হয় ভেনিজুয়েলা নয়, বরং অন্য পথ দিয়েই বেশিরভাগ মাদক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে।

ফেব্রুয়ারিতে আসছে জয়ার নতুন সিনেমা

গেল বছরটা বেশ দারুণ কেটেছে জয়া আহসানের। মুক্তি পেয়েছে একাধিক সিনেমা। ‘তাণ্ডব’, ‘উৎসব’, ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’, ‘ফেরেশতে’, ‘জয়া আর শারমিন’, ‘ডিয়ার মা’ দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বছরের শুরুতেই সুখবর দিলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।
জানালেন সিনেমার খবর।

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার ‘ওসিডি’ সিনেমাটি। পশ্চিমবঙ্গের পরিচালক সৌকর্য ঘোষালের এই মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার সিনেমায় জয়া অভিনয় করেছেন ‘শ্বেতা’ নামের একজন চিকিৎসকের চরিত্রে। ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে শ্বেতার জীবনের এক তিক্ত অতীত ও মানসিক ট্রমাকে কেন্দ্র করে।

নিজের ফেসবুকে পোস্টারটি শেয়ার করে জয়া আহসান লিখেছেন, ‘মনের কোণের সব দীনতা-মলিনতা ধুইয়ে দাও।’

বলা দরকার, ২০২১ সালে এই সিনেমার কাজ শেষ হলেও এটি মুক্তির আলো দেখেনি। তবে ২০২২ সালে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়। এর পর আরো কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে।
এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যমকে পরিচালক সৌকর্য ঘোষাল বলেন, ‘এই সিনেমাটি আমার এক প্রতিবাদের ভাষা বলা যেতে পারে। এতে এমন অনেক মানুষ ও শিশুদের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত এমন কিছু ঘটনার শিকার হয়, যা তারা কোনো দিন মুখ ফুটে বলতে পারে না। আমি নিজেও এমন অনেক শিশুকে দেখেছি, যারা পরিবারকে পাশে না পেয়ে চুপ করে যায়। অন্যদিকে অপরাধীরা সমাজে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
মাঝখান থেকে একটি গোটা জীবন নষ্ট হয়ে যায়, যার কোনো সমাধান নেই।’

মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে বাতিল ঘোষণা করেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, তার হলফনামায় সম্পদের বিবরণীর ফরম দাখিল করেননি। এ অসংগতির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে আপিল করার সুযোগ রয়েছে মান্নার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। জোটভিত্তিক নির্বাচনী সমঝোতার অংশ হিসেবে এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাকে।

শুরুতে ঋণখেলাপির তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম থাকায় মান্নার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়।
গত ২৯ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রার্থী হতে বাধা কেটে যায়।

চট্টগ্রামের বন্দর: ডিপো মাশুল নিয়ে সিদ্ধান্তে নমনীয়তা কর্তৃপক্ষের

বেসরকারি কনটেইনার ডিপোতে রপ্তানি ও খালি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ৬০ শতাংশ চার্জ বাড়ানোর আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে কর্তৃপক্ষ। ১৩টি সেবা খাতে আগামী ছয় মাসের জন্য মাশুল বাড়বে ২০ শতাংশ। এছাড়া আগামীতে ডিপোগুলোর চার্জ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে জটিলতা এড়াতে আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের প্রস্তাব বন্দর কর্তৃপক্ষের।

খরচ বেড়েছে দাবি করে কোনো আলোচনা ছাড়াই গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি পণ্যবাহী এবং খালি কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও পরিবহনের মাশুল সবোর্চ্চ ৬০ শতাংশ বাড়ায় চট্টগ্রামের ২১টি বেসরকারি কনটেইনার ডিপো। সেবাগ্রহীতারা এতে আপত্তি জানিয়ে বর্ধিত চার্জ স্থগিত রাখার আহবান জানালেও অনড় থাকে কর্তৃপক্ষ। যদিও এক রিটের রায়ে হাইকোর্ট বর্ধিত ট্যারিফ আদায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিলে নতুন মাশুল কার্যকর করতে পারেনি ডিপোগুলো।

এ অবস্থায়, গত ১১ নভেম্বর সব ডিপো একযোগে রপ্তানি ও খালি কনটেইনার হ্যান্ডলিং বন্ধ রাখার কর্মসূচি দিলেও পরে বন্দর চেয়ারম্যানের অনুরোধে প্রত্যাহার করে। অবশেষে বন্দর চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর আইসিডিগুলো চার্জ কমাতে সম্মত হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে আপাতত আগামী ছয় মাস রপ্তানি ও খালি কনটেইনার হ্যান্ডলিয়ের ১৩টি খাতে মাশুল বাড়বে ২০ শতাংশ।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘উভয়পক্ষের সঙ্গে বসেছিলাম, সেখানে বন্দর মিডিয়েটরের রোল প্লে করেছে। আলহামদুলিল্লাহ, এটা সমাধান হয়ে গেছে। আমরা উনাদের দুইপক্ষকেই সমঝোতায় আনতে পেরেছি, ২০ শতাংশ এখন বৃদ্ধি হবে।’

বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন শিকদার বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে যে সিদ্ধান্তে আমরা উপনীত হয়েছি, আপাতত আমরা আমাদের যে রেটগুলো সেটা সল্পকালীন সময়ের জন্য, ছয় মাসের জন্য ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে।’

সেবাগ্রহীতারা বলছেন, এ সিদ্ধান্তে বর্ধিত মাশুল নিয়ে চলমান বিরোধের অবসান হলো। এতে রপ্তানি পণ্য পরিবহনের খরচ সহনীয় থাকবে।

বাংলাদেশ ফ্রেইটফরওয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি খায়রুল আলম সুজন বলেন, ‘যারা রপ্তানির সঙ্গে জড়িত আছে, তাদের সঙ্গে একটা সেটেলমেন্টে আসছে। এটা যদি কন্টিনিউ করতে পারি, আমাদের যে ব্যয় এবং যে দূরত্ব ছিল সেটা নিরসন হলো। যে কার্যক্রমগুলো ছিল, সেগুলোতে নতুনভাবে স্বাভাবিক কার্যক্রমেও ফিরে আসতে পারলাম।’

যদিও ছয় মাস পর মাশুল বাড়ানোর আভাস দিয়েছে ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডা। এক্ষেত্রে বিরোধ এড়াতে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে মাশুল নির্ধারণের প্রস্তাব বিবেচনা করার কথা জানান সংগঠনের মহাসচিব।

রুহুল আমিন শিকদার বলেন, ‘বিদেশি অফডোরগুলোর দর ঠিক করা যায়, এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিদেশি কোনো কনসালটেন্সি ফার্মের মাধ্যমে আমাদের একটা নির্দিষ্ট দর ঠিক করার প্রস্তাবনা দিয়েছেন। যেটা হয়তো আমরা বিবেচনা করতে পারি।’

বছরে বর্তমানে প্রায় ২৫ লাখ লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে বেসরকারি ২১টি কনটেইনার ডিপো।