মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

ছাত্রলীগ নেতা রুবেল হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসির আদেশ

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা এরশাদুল হাবীব রুবেল হত্যা মামলার চার আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জাহেদুল ইসলাম ওরফে ফরহাদ, আবু এরশাদ ওরফে জুয়েল, রুস্তম আলী ও আবদুল্ল্যা আল মামুন। আদালতের আদেশে আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেককে গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।

অপর দিকে খালাস পাওয়া চার আসামি হলেন আজহারুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, হোসাইন মোহাম্মদ ও মোহাম্মদ সৈয়দ।

আদালত সূত্র জানায়, রায়ের সময় জাহেদুল ইসলাম ফরহাদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এরশাদুল হাবীব রুবেল হত্যা ঘটনায় ২০০৬ সালে ১৭ অক্টোবর কুতুবদিয়া থানায় ১৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা হয়। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালে পুলিশ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন আদালত। এই মামলায় মোট ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

আদালত রায়ে প্রসিকিউশন পক্ষের বরাতে বলেছেন, অত্র মামলার আসামি ও বাদীপক্ষের লোকজন পরস্পর প্রতিবেশী ও আত্মীয়। তাঁদের উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন দরে জায়গাজমি দখল নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধের আক্রোশে একে অপরকে ঘায়েল করতে বিভিন্ন যড়যন্ত্র ও একাধিক মামলা-মোকদ্দমা হয়।

জানা গেছে, ২০০৬ সালে ১৫ অক্টোবর হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এরশাদুল হাবীব রুবেল। তিনি চট্টগ্রামে ওমর গণি এমইএস কলেজ ছাত্রসংসদের সদস্য থাকার পাশাপাশি কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

মামলাটির বিচারে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলার পর আসামিপক্ষের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁরা বিভিন্ন সময় মামলার কাজে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া বাদীপক্ষের লোকজনদের বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

২০১০ সালে কক্সবাজার জেলা আদালতে প্রথমে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। তবে এক যুগের বেশি সময় ধরে কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ না হওয়ায় মামলার কোনো অগ্রগতি ছিল না। এর মধ্যে নিহত ছাত্রলীগ নেতার দুই ভাই-বোন আইনজীবী পেশায় নিযুক্ত হয়ে হত্যা মামলাটির হাল ধরেন।

মামলাটির বাদী হিসেবে নিহত ছাত্রলীগ নেতা এরশাদুল হাবীব রুবেলের মা মারা যাওয়ার পর বাদীর জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হন নিহতের ছোট ভাই ব্যারিস্টার মো. হানিফ বিন কাশেম।

২০২২ সালে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে পরের বছর ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে আদালতে মামলাটি নথিভুক্ত হয়। এর পর থেকে চট্টগ্রাম আদালতে বিচারিক কার্যক্রম চলে আসছিল।

আইসিসিকে ফের চিঠি দেবে বিসিবি, ভারতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ

মঙ্গলবার মধ্যরাতে ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানায়, আইসিসি বিসিবিকে জানিয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে ভারতের মাটিতেই খেলতে হবে। গতকাল দুপুরে ওই খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দেয় বিসিবি। পরে বিকালে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সেখান থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বুলবুল বলেন, ‘আমরা আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করে যাব।’ পাশাপাশি ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বিসিবি অটল আছেÑসেই বার্তাও দেন তিনি। বুলবুল আত্মবিশ্বাসী, আইসিসিকে নিরাপত্তা সমস্যার কথা বোঝাতে পারবে বিসিবি।

আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি জানানÑশুধু ক্রিকেটার নয়, বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিক-দর্শকদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সরকারের নির্দেশনা নিতে এসেছেন তিনি। বুলবুলের কথায়, ‘আমাদের খেলোয়াড়দের দেখার (নিরাপত্তা দেওয়া) উপায় আছে। কিন্তু খেলোয়াড়ের বাইরে যে বড় একটা জনগোষ্ঠী আছে, আমাদের সাংবাদিকরা আছেন, ক্রিকেট স্পনসররা আছেন, ক্রিকেট সমর্থকরা আছেন, অনেকে খেলা দেখতে যাবেন। সব নিরাপত্তা তো ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য আমরা সরকারের নির্দেশনা নিচ্ছি।’ এ নিরাপত্তার ব্যাপারটি সুরাহা না হলে লড়াই চলবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘এই নিরাপত্তা যদি উন্নতি না করে, তাহলে বিশ্বকাপে আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করে যাব।’

নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতে যেতে অনাগ্রহের কথা জানানো বিসিবি সিদ্ধান্তে বদল আনবে না জানিয়ে বুলবুল বলেন, ‘না। একটা উপযুক্ত কারণ নিয়ে কথা বলছি। এতগুলো বিশ্বকাপ খেলেছি, কখনো এ ধরনের কথা বলিনি।’ তবে আইসিসিকে রাজি করাতে না পারলে কী হবেÑতা নিয়ে চূড়ান্ত কিছু বলেননি। বুলবুলের বিশ্বাস, আইসিসিকে বোঝাতে পারবে বিসিবি। তার কথায়, ‘পূর্বেও কিন্তু নিরাপত্তার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আপনারা জানেন, হাইব্রিড বিশ্বকাপ যে হচ্ছেÑসেটার মূল কারণটাই কিন্তু নিরাপত্তা। আমরা আশা করছি, যে কারণে যাচ্ছি নাÑসেগুলো আমরা বোঝাতে পারব।’

আইসিসি কী সিদ্ধান্ত দেবেÑসেটা তাদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সেই সিদ্ধান্ত কবে নাগাদ আসবে, তা নিয়ে কোনো কথা বলেননি। তবে বিশ্বকাপের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে জানিয়ে বলেন, ‘সবকিছুই আমাদের দিক থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। আমাদের এখানে কোনো ছাড় নেই।’ ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বিশ্বকাপে খেলবে নাÑএমন সিদ্ধান্তও আছে জানিয়ে বুলবুলের ভাষ্য, ‘আমরা আমাদের ব্যাপারে অনড়।’ এর আগে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন হবেÑএ খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বুলবুল বলেন, ‘একটা প্রোপাগান্ডা চলছে যে, আইসিসি আমাদের জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা খেলার সম্ভাবনা। এ ধরনের কোনো কথাই হয়নি আমাদের কারো সঙ্গে।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘এটা একটি প্রোপাগান্ডা বলব আমি। ভুয়া খবর। কেননা, এখনো আইসিসির সঙ্গে আমাদের একবার যোগাযোগ হয়েছে। আমরা তাদের জানিয়েছি; তারাও আমাদের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে কী কী ইস্যু। তো আমরা এখন কী কী ইস্যু, সেগুলো লিখে পাঠাব।’

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘ভারতে নিরাপদে খেলার মতো পরিস্থিতি নেই। বাংলাদেশের মর্যাদার প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। আরেকটি বিষয় হলো, আয়োজক দেশ আছে শ্রীলঙ্কা, সেখানে খেলতে চাই।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের মর্যাদা প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। আমরা ক্রিকেট খেলতে চাই, বিশ্বকাপ খেলতে চাই এবং এটা আমরা আরেকটি যে আয়োজক দেশ আছে শ্রীলঙ্কা, সেখানেও খেলতে চাই।’

সব মিলিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত পুরোটা নির্ভর করছে আইসিসির ওপর। বাংলাদেশের ফিরতি চিঠির পর তাদের সিদ্ধান্ত দেখে বিসিবি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দিনের বেলায় রোদ উঠতে পারে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর থেকে প্রকাশিত সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দিনের প্রথমার্ধে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দিনের বেলায় রোদ উঠতে পারে। সকালে বাতাসে শীতের অনুভূতি তুলনামূলক বেশি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কিছুটা কমে যাবে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সকাল ৭টায় ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

একই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৬৫ শতাংশ, যা সন্ধ্যায় নেমে আসতে পারে ৩১ শতাংশে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। বাতাসের গতি ঘণ্টায় প্রায় ৮ কিলোমিটার।

এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ২৮ মিনিটে। আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪৩ মিনিটে।

ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ৭ এবং সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন ১২° সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৩.৫° সেলসিয়াস। রাজশাহীতে সর্বনিম্ন ৭.৬° সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৩° সেলসিয়াস।

খুলনায় সর্বনিম্ন ৬.৯° সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২২.৫° সেলসিয়াস। সিলেটে সর্বনিম্ন ১১.৫° সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৫.২° সেলসিয়াস। বরিশালে সর্বনিম্ন ৯° সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৩.০৩° সেলসিয়াস। রংপুরে সর্বনিম্ন ৭.৫° সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২০° সেলসিয়াস। ময়মনসিংহে সর্বনিম্ন ১০° সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৩.৯° সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদফতর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দিনের বেলায় রোদ উঠতে পারে।

সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

স্রোতের মতো টাকা ঢুকলো ব্যারিস্টার ফুয়াদের একাউন্টে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি দেশ ও প্রবাসের সমর্থকদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছিলেন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দেওয়া এক ভিডিও বার্তার পর বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে তিনি অনুদান সংগ্রহের সর্বশেষ হিসাব প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা

পোস্টে ব্যারিস্টার ফুয়াদ জানান, তার নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৩২ হাজার ১০১ জন। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী ভোটারপ্রতি ১০ টাকা হিসাবে তার সর্বোচ্চ ব্যয়ের সীমা নির্ধারিত হয়েছে ৩৩ লাখ ২১ হাজার ১০ টাকা।

তিনি জানান, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বিকাশের মাধ্যমে এসেছে ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৫৫২ টাকা, নগদের মাধ্যমে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬ টাকা এবং ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ১৮ লাখ ৭ হাজার ৯৪৮ টাকা। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট অনুদান দাঁড়িয়েছে ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫৫৬ টাকা।

অনুদানদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, দেশ ও প্রবাসের অসংখ্য মানুষ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি ফোন ও বার্তার মাধ্যমে ভালোবাসা জানিয়েছেন। প্রত্যেককে আলাদাভাবে উত্তর দিতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

অতিরিক্ত অনুদানের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অনুদানসংক্রান্ত সব হিসাব নির্বাচনকালীন সময়জুড়ে অডিট করে প্রকাশ করা হবে এবং নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন। কোনো আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা চাইলে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

আরও ৫ নেতাকে সুখবর দিল বিএনপি

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য ৫ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান টিপু, হারুন অর রশিদ, শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, পঞ্চগড় জেলাধীন বোদা উপজেলার ২নং ময়দানদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাড. মো. হাবিব আল-আমীন ফেরদৌস, দেবীগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুর রহিম ও পটুয়াখালী জেলাধীন দুমকি উপজেলা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

জকসু নির্বাচনে ২১টি পদের ১৬টিতে জয় পেয়েছেন শিবির

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ৩৮টি কেন্দ্র ও একটি হলের ভোটগণনা শেষ হয়েছে। এতে মোট ২১টি পদের ১৬টিতে জয় পেয়েছেন শিবির সমর্থিত প্যানেল।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) মধ্যরাতে জকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান ফলাফল ঘোষণা করেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে জয় পেয়েছেন শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম, জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) পদে আব্দুল আলিম আরিফ ও অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল সেক্রেটারি (এজিএস) পদে মাসুদ রানা।

৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভিপি পদে শিবিরের মো. রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ও ছাত্রঅধিকারের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

জিএস পদে শিবিরের প্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৪৭৫ ভোট, অপরদিকে ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন দুই হাজার ২০৩ ভোট। আর এজিএস পদে মাসুদ রানা পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২০ ভোট, অপরদিকে ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থী তানজিল পেয়েছেন তিন হাজার ৯৪৪ ভোট।

এ ছাড়া শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক পদে মো. নুরনবী ৫ হাজার ৪০০ ভোট, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল ৫ হাজার ৫২৪ ভোট, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সুখীমন খাতুন ৪ হাজার ৪৮৬ ভোট, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ ৪ হাজার ৪৭০ ভোট, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবীব মোহাম্মদ ফারুক ৪ হাজার ৬৫৪ ভোট, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নওশীন নাওয়ার ৪ হাজার ৪০১ ভোট, ক্রীড়া সম্পাদক পদে জর্জিস আনোয়ার নাইম ২ হাজার ৪৬৭ ভোট এবং সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান ৩ হাজার ৪৮৬ ভোট জয় পেয়েছেন।

অন্যদিকে একমাত্র নারী হলে ১৩টি পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ১০ পদে বিজয় লাভ করেছেন। হলটিতে শিবির সমর্থিত প্যানেলে ভিপি প্রার্থী হিসেবে অনানুষ্ঠানিক ফলে জয় পেয়েছেন জান্নাতুল উম্মি তারিন, জিএস পদে সুমাইয়া তাবাসসুম ও এজিএস পদে রেদওয়ানা খাওলা।

সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

সারাদেশে আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) এক নোটিশের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
জকসু নির্বাচনে যে ৫ পদে হারল শিবির

এতে বলা হয়েছে, আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সব এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে সব কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রমও স্থগিত থাকবে।

এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি দেয়। পরে সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন করে মূল্য সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের মাধ্যমে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধের দাবি জানানো হয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে বলেও জানায় সংগঠনটি।

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর ফার্মগেটে স্টার হোটেলের সামনে গুলির ঘটনা ঘটেছে। তাকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা ৫টি গুলি করে। এ ঘটনায় আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হলেও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন চিকিৎসক।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম বলেন, দুজনকে গুলি করা হয়েছে। আজিজুর রহমান মোসাব্বির মারা গেছেন।

এনসিপিকে ১০ আসন দেয়ার দাবি কাল্পনিক: ড. তাহের

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা: সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, অতীতের মতো পাতানো নির্বাচন হলে ধ্বংসের দিকে যাবে দেশ। বুধবার সকালে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ১১ দলের নির্বাচনি আসন নিয়ে সমঝোতা শিগগিরই। এনসিপিতে ১০ আসন দেওয়ার দাবি কাল্পনিক।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় এবার বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে বাংলাদেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাড়তি সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত জমা দিতে হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ডের আওতায় পড়া দেশগুলোর তালিকা আপডেট করেছে। এতেই যুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশের নাম। বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশের নাম এখন এ তালিকায় রয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, এই ৩৮ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার জন্য ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত জমা দিতে হতে পারে।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের হালনাগাদ তথ্যে এই নতুন দেশগুলোর তালিকা ও কার্যকর হওয়ার তারিখ প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও কনস্যুলার অফিসার চাইলে তার ওপর এই বন্ডের শর্তারোপ করতে পারেন। বন্ডের পরিমাণ নির্ধারিত হবে তিনটি ধাপে— ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার মার্কিন ডলার। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ওপর ভিত্তি করে এই পরিমাণ নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট ভিসা কর্মকর্তা।

বন্ডের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসার নির্দেশনা দেওয়ার আগে কোনো অর্থ জমা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান (ওভারস্টে), তাদের নিরুৎসাহিত করা। মূলত যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফিরে না আসার হার বেশি, সেসব দেশকেই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বন্ডের টাকা স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। স্টেট ডিপার্টমেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী নিচের পরিস্থিতিতে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে—
• যদি ভ্রমণকারী অনুমোদিত সময়ের মধ্যে বা তার আগে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন।
• যদি ভিসা পাওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করেন।
• যদি মার্কিন বিমানবন্দরে তাকে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়।

তবে যদি কেউ নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করেন বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন (যেমন এসাইলাম বা রাজনৈতিক আশ্রয়), তবে সেই জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে।

গণমাধ্যম বিষয়ক প্রশিক্ষণ
নির্দিষ্ট বিমানবন্দর ব্যবহার বাধ্যতামূলক
ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এখন বাংলাদেশিরা কেবল এই তিন বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। বিমানবন্দর তিনটি হলো— বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS), জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK) ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)।

এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা টাকা ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি এই তালিকায় আছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, ও নেপাল, উগান্ডা। তালিকার দেশগুলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন তারিখ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।

এই নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে।

ভিসা বন্ড কী
ভিসা বন্ড হলো একধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা। কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে এমন জামানত বা নিশ্চয়তা নিয়ে থাকে; যেন তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।

প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে অস্থায়ী নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। কোনো নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারী অনুমোদিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে সেটি ভিসা ওভারস্টে বলে গণ্য হয়।

বেশির ভাগ দেশই ভিসার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ থাকার প্রমাণ চায়। কিন্তু ফেরতযোগ্য জামানত দিয়ে দেশে প্রবেশের অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা চালু করেনি। নিউজিল্যান্ড একসময় ওভারস্টে নিয়ন্ত্রণে ভিসা বন্ড চালু করেছিল, পরে তা আর কার্যকর হয়নি। ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্য কিছু ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা বন্ড চালুর উদ্যোগ নেয়, কিন্তু পরে তা বাতিল করে।