রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

যেকোনও মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে বিভক্ত করবো না। বিগত সরকারে উদ্দেশে বলেন, ‘এরা দেশ ও মানুষের সম্পদ লুট করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। এনাফ ইজ এনাফ, অনেক হয়েছে, এবার রাজনীতি থেকে সরে যাও। নিজেদেরে তৈরি ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণা এড়াতে তারা দেশ ছেড়ে চলে যায়। আমরা বিপদের সময় দেশ ছেড়ে চলে যাইনি।’

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নীলফামারীর ডালিয়ার তিস্তার হেলিপ্যাডে জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী ও লালমনিরহাট শাখা আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিস্তার বর্তমান অবস্থা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘তিস্তা এ অঞ্চলের অহংকার হওয়ার কথা ছিল, এখন তিস্তা সাগর ও দুঃখ। আমরা ক্ষমতায় গেলে তিস্তায় হাইড্রোপাওয়ার করা হবে।’

তিস্তা অববাহিকা উত্তর বঙ্গের উন্নয়নের প্রধান অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যেকোনও কিছুর মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এতদিন ধরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সৎ মায়ের সন্তানের মতো আচরণ করা হয়েছে।’

হ্যাঁ ভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ ভোটের পক্ষের শক্তি বস্তা পচা রাজনীতি ও চাঁদাবাজদের সঙ্গে নেই। এরা জুলাইয়ের শক্তি। হ্যাঁ ভোটের বিজয় জনতার বিজয়, হ্যাঁ ভোটের পরাজয় জনতার পরাজয়।’

বর্তমান রাজনীতির অবস্থা বর্ণনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাজনীতি ও দুর্নীতি একসঙ্গে হয় না। দুটোর একসঙ্গে কিসের সম্পর্ক? যারা দুর্নীতি করে তারা ডাকাত। আমরা স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা কায়েম করবো। একই অপরাধে রাষ্ট্রপতি ও সাধারণ মানুষের একই সাজা হবে।’

সুষ্ঠু ভোট হলে তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, যদি সুষ্ঠু ভোট হয় আর কারচুপি না হয় ও যদি প্রশাসন-নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে, তাহলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠন করবে। আর তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে আয়োজিত নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, আজ তারেক রহমান ফরিদপুরে জনসভায় এসেছিলেন। জনসভায় তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছেন। তারেক রহমান ফরিদপুর বিভাগ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সুতরাং আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের জন্য কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, যুব সমাজ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। একটা উন্নয়নশীল সালথা উপজেলা গড়তে হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন করতে হবে। প্রত্যেক ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে। খেলাধুলার জন্য মাঠ তৈরি করতে হবে। যদি আমরা সরকারে যেতে পারি আর আমি যদি বিজয়ী হতে পারি, তাহলে এসব উন্নয়ন করা হবে। আধুনিক মাদ্রাসা ও মসজিদ নির্মাণ করা হবে। ছাত্র ও যুব সমাজের জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে ক্রীড়া সেন্টার খোলা হবে।

শামা ওবায়েদ বলেন, আমার বাবা মরহুম কেএম ওবায়দুর রহমান সৎপথে অনেক কাজ করে গেছেন। আমি তার সন্তান। আমি চাই- সালথা ও নগরকান্দা দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করতে। এই মাটিতে চাঁদাবাজি-ধান্দাবাজি ও টেন্ডারবাজি চলবে না। এসবের বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান থাকবে।

উঠান বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব, মনিরুজ্জামান মোল্যা, মজিবর সরদার, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ প্রমুখ।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হলো পবিত্র শবে বরাত

হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে বরাত বলা হয়। এ রাত মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মুসল্লিরা আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের প্রত্যাশায় এই রাতে ইবাদত, দোয়া ও বন্দেগিতে নিমগ্ন থাকেন।

ফারসি ভাষায় ‘শবে বরাত’ শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। ইসলামিক পরিভাষায় এ রাতকে বলা হয় ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা মধ্য-শাবানের রজনী। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, মহান আল্লাহ এই রাতে দয়া এবং বরকত বর্ষণ করেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত জুড়ে দেশের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ইবাদত ও নফল নামাজ আদায় করেন।

এ সময় তারা কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে একে অপরের কল্যাণ এবং মৃত আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

দেশের বিভিন্ন মসজিদে ওয়াজ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মুসল্লিরা রাতভর মহান আল্লাহর দরবারে নিজেদের গুনাহ মাফ এবং শান্তিময় ও কল্যাণময় জীবন কামনা করেন।
ইমাম ও ধর্মীয় বক্তারা উপস্থিত মুসল্লিদের ইসলামের মহান আদর্শ অনুসরণ, ভ্রাতৃত্ব এবং সহমর্মিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শবে বরাতের এই রাতে আল্লাহ বান্দার ভাগ্য নির্ধারণ করেন এবং দোয়া কবুল করেন।

পবিত্র শবে বরাত মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত বরকতময় রাত হিসেবে গণ্য হয়। এ উপলক্ষে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা একসাথে ইবাদত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করেছেন।

ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ক্যাডেট মোতায়েনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন আর ভোটকেন্দ্রে নয়, কেবল পোস্টাল ব্যালট গণনা কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ক্যাডেটদের নিয়োজিত করা হবে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা সংশোধিত নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্থাপিত আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট (ওসিভি ও আইসিপিভি) গণনা কেন্দ্রে বিএনসিসি ক্যাডেটরা দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রে ৫টি সেকশন দায়িত্ব পালন করবে।

এক্ষেত্রে বিএনসিসির ক্যাডেটদেরকে নিম্নোক্ত নির্দেশনার আলোকে মোতায়েন করতে হবে—

(ক) রেজিমেন্ট কমান্ডাররা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মোতায়েন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বিএনসিসি মোতায়েন করবে;

(খ) নির্বাচনী দায়িত্ব প্রদানের আগে বিএনসিসি ক্যাডেটদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক সংশিষ্টতা যাচাই-বাছাই করে মোতায়েন করতে হবে;

(গ) সর্বোচ্চ ৩টি নির্বাচনী এলাকার জন্য ১টি করে সেকশন (১ জন কর করপোরাল ও ১০ জন ক্যাডেট) হারে ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার জন্য ১২৩ সেকশন বিএনসিসি মোতায়েন করতে হবে (পরিশিষ্ট ক)। এ ছাড়া ভোটগ্রহণের আগের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে স্থাপিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ও পরিস্থিতি প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং পরিবেশন কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিএনসিসির ৫টি সেকশন মোতায়েন করতে হবে।

(ঘ) রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মোতায়েনকৃত ক্যাডেটরা ভোটগ্রহণের আগের দিন হতে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ভোটগ্রহণের আগের দিন হতে চূড়ান্ত বেসামরিক ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত দায়িত্বপালন করবে;

(ঙ) মোতায়েনকৃত ক্যাডেটরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না; এবং

(চ) ক্যাডেটদের নির্বাচনী দায়িত্বপালনের নিমিত্তে নিয়োগ প্রদানের আগে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে।

এক্ষেত্রে রেজিমেন্ট কমান্ডাররা রিটার্নিং অফিসার ও সিনিয়র জেলা বা উপজেলা নির্বাচন অফিসারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুত করবেন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বিএনসিসির ক্যাডেটদের ব্যয় চাহিদা প্রাপ্তি সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বাজেট হতে সংস্থান করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বিএনসিসির ক্যাডেট মোতায়েন এবং মোতায়েনের আগে প্রশিক্ষণ প্রদানে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

স্বর্ণের দামে আবারও বড় লাফ, আজ থেকে কার্যকর

মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বাজারে আরেক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বুধবার থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ১৮৪ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে সকালে, ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি মূল্যবান এই ধাতুর দাম ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই।

স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এবার দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৪ টাকা।

উন্নয়ন খাতে ইউএনডিপির ভূমিকার প্রশংসা বাংলাদেশের

বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতার প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং জাতীয় অগ্রাধিকার অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রমে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ইউএনডিপির নির্বাহী বোর্ডের বার্ষিক বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ জোরদার ও বিচারিক সংস্কারে ইউএনডিপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত চৌধুরী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য ধারাবাহিক ও পূর্বানুমেয় আন্তর্জাতিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো যে ক্ষতি ও লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় নতুন, অতিরিক্ত ও সহজপ্রাপ্য জলবায়ু অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন।

বাংলাদেশ চলমান জাতিসংঘ সংস্কার উদ্যোগের প্রতিও সমর্থন জানায় এবং একই সঙ্গে ইউএনডিপির বাস্তবায়ন ম্যান্ডেট ও দেশভিত্তিক কর্মসূচি অক্ষুণ্ন রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে।

এছাড়া রাষ্ট্রদূত চৌধুরী নতুন ইউএনডিপি প্রশাসক আলেকজান্ডার ডে ক্রো-কে দায়িত্ব গ্রহণে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত: এবার আদালতের কাঠগড়ায় ট্রাম্প প্রশাসন

বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ব্যাপকভাবে স্থগিত করায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে একদল নাগরিক অধিকার সংগঠন ও মার্কিন নাগরিক।

তাঁদের অভিযোগ, নতুন এই নীতি ‘দশকের পর দশক ধরে প্রতিষ্ঠিত অভিবাসন আইনকে কার্যত খর্ব করার চেষ্টা।’

২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা নিষেধাজ্ঞা আফগানিস্তান, সোমালিয়া, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, থাইল্যান্ড, রাশিয়া, কম্বোডিয়া ও বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের ওপর প্রযোজ্য।

নীতিটির লক্ষ্য হিসেবে বলা হয়েছে যেসব দেশ থেকে আগত অভিবাসীরা ‘অগ্রহণযোগ্য হারে মার্কিন কল্যাণ সুবিধা গ্রহণ করে’ সেসব দেশ থেকে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা।

তবে সোমবার ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে দায়ের করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এটি কার্যত জাতীয়তা-ভিত্তিক আইনি অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, যা পরিবার ও কর্মজীবী মানুষকে আইনে নিশ্চয়তা দেওয়া প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করছে।

মামলায় বলা হয়, ‘আইন কখনোই কাউকে কেবল এই কারণে অযোগ্য ঘোষণা করেনি যে তিনি অতীতে বা ভবিষ্যতে নগদ নয় এমন কোনো সরকারি সহায়তা বা বেসরকারি দাতব্য সাহায্য পেয়েছেন বা পেতে পারেন। বরং এমন সাময়িক সহায়তাকে বরাবরই বৈধ একীভূতকরণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে।’

এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগের পোস্টে দপ্তরটি বলেছিল, এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ‘যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে যে নতুন অভিবাসীরা মার্কিন জনগণের সম্পদ শোষণ করবে না।’

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা অধিকাংশ দেশের জনসংখ্যা ইউরোপের বাইরে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠভাবে অ-শ্বেতাঙ্গ।

মামলাটি দায়ের করেছে ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ল’ সেন্টার, ডেমোক্রেসি ফরওয়ার্ড এবং দ্য লিগ্যাল এইড সোসাইটিসহ একাধিক সংগঠন।

মামলার বাদীদের মধ্যে এমন মার্কিন নাগরিকরাও রয়েছেন, যারা এই নীতির কারণে পরিবারের সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন।

ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ল’ সেন্টারের লিটিগেশনবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট এফ্রেন অলিভারেস এনপিআরকে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও–এর নির্দেশনায় পররাষ্ট্র দপ্তর অভিবাসী ভিসায় সার্বিক স্থগিতাদেশ জারির আগে প্রয়োজনীয় বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি।

তিনি বলেন, পুরো একটি দেশের প্রতিটি মানুষই ‘পাবলিক চার্জ’ হয়ে উঠবে এমন ধারণা অবিশ্বাস্য।’

বাদীদের মধ্যে রয়েছেন কলম্বিয়ার একজন চিকিৎসক ও এন্ডোক্রিনোলজিস্ট, যিনি ২০০০ সালে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ব্রিঘাম অ্যান্ড উইমেনস হাসপাতালে পোস্টডক্টরাল প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।

তিনি ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ‘অসাধারণ দক্ষতা’সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত তথাকথিত ‘আইনস্টাইন ভিসা’তে অনুমোদন পান। কিন্তু গত সপ্তাহে জানতে পারেন, কলম্বিয়া নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ায় তিনি কর্মসংস্থানভিত্তিক প্রথম অগ্রাধিকার অভিবাসী ভিসার জন্য অযোগ্য।

এদিকে, কাটো ইনস্টিটিউট–এর গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘প্রতি ব্যক্তি হিসেবে অভিবাসীরা দেশজ আমেরিকানদের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ কম কল্যাণ সুবিধা ব্যবহার করেন যা অস্বাভাবিক নয়, কারণ কম দক্ষ অভিবাসীরাও সাধারণত ইতিবাচকভাবে নির্বাচিত হন এবং তাঁদের কল্যাণ সুবিধায় আইনি প্রবেশাধিকার সীমিত।’

অলিভারেস বলেন, ‘আমাদের একমাত্র দাবি হলো সরকার আইন মেনে চলুক, ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিভিত্তিক মূল্যায়ন করুক এবং বিশ্বের প্রায় অর্ধেক দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে জাতীয়তার ভিত্তিতে বৈষম্য না করুক।’

ভাইরাল ভিডিওর জেরে নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার কারিনা কাপুর

বলিউডে কারিনা কাপুর খান সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। কাপুর খানদানের কন্যা আর নবাব পরিবারের ঘরণি এই দুই পরিচয় তাকে অন্য তারকাদের থেকে আলাদা করে বলে অনেকের ধারণা। কেউ মনে করেন তিনি আত্মবিশ্বাসী, আবার কেউ তাকে কিছুটা অহংকারী মনে করেন। সম্প্রতি একটি মুহূর্ত যেন এই বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিল।

ঘটনাটি ঘটেছে ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগের একটি ম্যাচে। নিজের দল কলকাতা টাইগার্সের খেলা দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন সাইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর খান। তাদের সঙ্গে ছিলেন দুই সন্তান, তৈমুর এবং জেহ্। গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ‘বিগ বস ১৩’-এর খ্যাত অভিনেত্রী আরতি সিংহ, তার মা এবং স্বামী দীপক চৌহান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়,সাইফকে সামনে পেয়ে আরতি ও তার মা ছবি তোলার জন্য বেশ উৎসাহী হয়ে পড়েন। তবে বিপত্তি বাঁধে করিনাকে নিয়ে।

অভিযোগ উঠেছে, আরতি ও তার পরিবার কারিনার উপস্থিতি প্রায় উপেক্ষা করেই সাইফের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যা তিনি মোটেও সহজভাবে নেননি।

ভিডিওতে দেখা যায়, আরতির দিকে বেশ কড়া ও বাঁকা নজরে তাকাচ্ছেন তিনি। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে সাইফ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

যদিও ক্যামেরার সামনে সবাই হাসিমুখে পোজ দেন, করিনার বিরক্ত দৃষ্টির মুহূর্তটি নেটিজেনদের নজর এড়ায়নি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন। কেউ লিখেছেন, তার আচরণ সবসময়ই আত্মবিশ্বাসী। আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, নিজেকে অনেক বড় মনে করেন তিনি।

চাচাকে বাবা বানিয়ে কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়া সেই ইউএনও গ্রেপ্তার

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা পরিচয়ে প্রতারণা করে কোটা সুবিধা নিয়ে বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে নাচোলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. কামাল হোসেনের দুদকের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়েরা জজ আদালতে জামিনের জন্য গেলে ডিএনএ টেস্টে অসযোগিতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেয় আদালত।

এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, কামাল হোসেনের প্রকৃত পিতা আবুল কাশেম ও মা হাবীয়া খাতুন। কিন্তু তিনি কাগজপত্রে তার চাচা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান হাবীব এবং চাচি সানোয়ারা খাতুনকে ‘পিতা-মাতা হিসেবে দেখিয়ে’ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ‘তিনি এসএসসি, এইচএসসি ও উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সব সনদে চাচা-চাচির নাম ব্যবহার করেছেন। এমনকি জন্ম সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রেও তাদের নাম বসিয়েছেন।’ অভিযোগ মতে, নবম শ্রেণি থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় তিনি চাচাকে পিতা ও চাচিকে মাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং এই জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছিলেন, নাচোলের ইউএনও কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুবিধা পেতে নিজের চাচাকে পিতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিসিএসে চাকরি নিয়েছেন, এমন অভিযোগ তদন্তে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে চাকরি ও অন্যান্য সুবিধা নেওয়ার বেশ কয়েকটি মামলা ও তদন্ত বর্তমানে চলমান।

মক্কা অঞ্চলে ফতোয়া প্রদানের দায়িত্ব পেলেন শায়খ ড. বান্দার বালিলাহ

সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে ফতোয়া প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে শায়খ ড. বান্দার বিন আব্দুল আজিজ বালিলাহকে।

মক্কা অঞ্চলে জন্য ফতোয়া প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে শায়খ ড. বান্দার বিন আব্দুল আজিজ বালিলাহকে। দেশটির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ ড. সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এই দায়িত্ব অর্পণ করেন।

এর মাধ্যমে মক্কা অঞ্চলে শরিয়াহভিত্তিক ফতোয়া প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো।

শায়খ ড. বান্দার বালিলাহ বর্তমানে মসজিদুল হারামের খ্যাতিমান ইমাম ও খতিব হিসেবে পরিচিত।

তার ইলমি গভীরতা, সংযমী বক্তব্য আর কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি সৌদি আরবসহ মুসলিম বিশ্বে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। নতুন দায়িত্বে তিনি মক্কা অঞ্চলের ধর্মীয় প্রশ্ন ও জটিল বিষয়ে অফিসিয়াল ফতোয়া প্রদান করবেন।

মক্কা অঞ্চলে ফতোয়ার দায়িত্ব বিভিন্ন সময় গ্র্যান্ড মুফতির সরাসরি তত্ত্বাবধানে বা তার মনোনীত আলেমদের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।

সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল-শায়খ দীর্ঘদিন এই ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার সময়ে হারামাইনকেন্দ্রিক বহু গুরুত্বপূর্ণ ফতোয়া প্রদান করা হয়, যা মুসলিম উম্মাহর জন্য দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করেছে। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতির পদটি বরাবরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পদধারীরা কেবল জাতীয় পর্যায়ে নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ইসলামি ফতোয়া ও শরিয়াহ নির্দেশনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। মক্কা যেহেতু মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু, তাই এখানকার ফতোয়ার গুরুত্ব আরও বেশি।

সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল-শায়খ দীর্ঘদিন এই ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার সময়ে হারামাইনকেন্দ্রিক বহু গুরুত্বপূর্ণ ফতোয়া প্রদান করা হয়, যা মুসলিম উম্মাহর জন্য দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করেছে।

এই নিয়োগের মাধ্যমে মক্কা অঞ্চলে একটি সুসংগঠিত, নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল ফতোয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মুসলিম উম্মাহ আশা করছে, শায়খ ড. বান্দার বালিলাহ তার জ্ঞান ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবেন জানান হারামাইন কতৃপক্ষ।

সূত্র: ইনসাইড দ্যা হারামাইন