রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

শিশু আয়ানের মৃত্যু : ইউনাইটেড হাসপাতালের তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় ওই হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া তিন চিকিৎসক হলেন- সার্জন ডা. তাসনুভা মাহজাবীন, স্পেশাল অ্যানেসথেসিস্ট ডা. সৈয়দ সাব্বির আহমেদ ও সহকারী স্পেশাল অ্যানেসথেসিস্ট ডা. মো. নাজিম উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে তাদের বিরুদ্ধে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

বাড্ডা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের এসআই কামাল হোসেন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, শিশু আয়ান রাজধানীর একটি বেসরকারি স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর তাকে সুন্নতে খতনা করাতে সাঁতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের মাধ্যমে খতনা করা হলেও অপারেশনের কয়েক ঘণ্টা পরও তার জ্ঞান না ফেরায় তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তীতে আট দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে চিকিৎসকেরা আয়ানকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পুলিশ।

লাশ পোড়ানোর মামলায় ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন আশুলিয়ায় ছয় জনের লাশ পোড়ানোসহ অপর একজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়াও এ মামলায় আরও সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। সেই সাথে অপর দুই আসামিকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও একমাত্র রাজসাক্ষীকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি হলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, সাবেক এসআই আবদুল মালেক, সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

আজকের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা সাত আসামি হলেন-ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস ও সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান।

এছাড়া, আজকের রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন সাবেক এসআই আরাফাত উদ্দীন ও কামরুল হাসান। আর এই মামলায় রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হককে খালাস দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আজ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আজকের রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।

ট্রাইব্যুনালে এই মামলায় প্রসিকিউসন পক্ষে শুনানিতে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামীম, বি এম সুলতান মাহমুদ, ফারুক আহমেদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান সহ অপর প্রসিকিউটররা। চার আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান নির্মূলে পরিচালিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘোষিত তৃতীয় রায়।

এই মামলায় গ্রেফতার আট আসামি হলেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন আরজু, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক ও সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার।

আসামিদের মধ্যে শেখ আবজালুল হক রাজসাক্ষী হয়ে শহীদদের পরিবারসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে জবানবন্দি দেন।

ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ এ মামলার পলাতক আট আসামি হলেন ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও স্থানীয় যুবলীগ লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছয়জন আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা করার পর পুলিশ তাদের লাশ ভ্যানে তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে একজন জীবিত ছিলেন, কিন্তু তাকে বাঁচতে দেওয়া হয়নি।

দীর্ঘ বাণিজ্য বিতর্কের পর হোয়াইট হাউজে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো

সম্পর্কের বরফ গলাতে মর্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বৈঠক বসেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। হোয়াইট হাউজে প্রথমবারের মতো আলোচনায় অংশ নেন এ দুই রাষ্ট্রপ্রধান। খবর, বিবিসির।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দু’জনই আলোচনাকে সৌহার্দ্যপূর্ণ আখ্যা দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই পেত্রোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক সরবরাহে সহায়তার অভিযোগ তুলে আসছিলেন ট্রাম্প। এমনকি সামরিক পদক্ষেপের হুমকিও দিয়েছিলেন। তবে, বৈঠক শেষে বদলে গেছে ট্রাম্পের মনোভাব। এখন পেত্রোর সাথে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, পেত্রো এবং আমি বেস্ট ফ্রেন্ড নই। প্রথমে অপমানিত বোধ করেছিলাম, কারণ আমি তাকে চিনতাম না। এখন আমরা মিলেমিশে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করি।

আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছেন জামায়াত আমির

নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ সকাল ১০টায় নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি। জেলা জামায়াত নেতারা আশা করছেন, লক্ষাধিক লোক জামায়াতের শীর্ষ নেতার জনসভায় যোগ দেবেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দ্বিতীয়বারের মতো এটি তাঁর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সফর।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর প্রথমবারের মতো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে জামায়াতের জনসভায় বক্তব্য দেন ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াত সূত্র জানায়, জেলা জামায়াত আমির আবু জার গিফারীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবারের নির্বাচনী জনসভায় আরো উপস্থিত থাকবেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ জামায়াতের কেন্দ্রীয় এবং জোট নেতারা।

সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী ও রাজশাহী মহানগর আমির ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ড. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলসহ অন্য নেতারা বক্তব্য দেবেন।

সরকারি চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষার সব আবেদন ফি বাতিল করবে জামায়াত: শফিকুর রহমান

নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এলে সরকারি চাকরিতে সব ধরনের আবেদন ফি নেওয়ার প্রথা বাতিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষার সব স্তরে ভর্তি পরীক্ষার ফি নেওয়া বন্ধ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে এসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ইশতেহারে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য যে ফি নেওয়ার রীতি আছে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে এ নিয়ম বাতিল করা হবে।

শিক্ষাব্যবস্থা অংশে ১৯ নম্বর পয়েন্টে বলা হয়েছে, শিক্ষাকে সহজ ও সর্বজনীন করার লক্ষ্যে সব স্তর (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি) থেকে ভর্তি পরীক্ষা ফি বাদ দেওয়া হবে।

সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে ‘ভিশন: সবার আগে যুবসমাজ’ অংশে। এর ১০ নম্বর পয়েন্টে উল্লেখ রয়েছে, যোগ্যরাই সরকারি চাকরিতে, বয়স কোনো বাধা নয়- এ নীতি অনুসরণ করা হবে।

অন্যদিকে, শিক্ষাব্যবস্থা অংশের ৪২ নম্বর ধারায় উল্লেখ রয়েছে, অষ্টম শ্রেণির পর থেকে হায়ার সেকেন্ডারি বা উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে চারটি পৃথক ধারায় বিভক্ত করা হবে। সেগুলো হলো- ইসলামিক শিক্ষা, বিজ্ঞান শিক্ষা, সাধারণ শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা।

ইশতেহারে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে আরও বেশ কিছু পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, দলটি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের সমন্বয়ে স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। শিক্ষা বাজেট বাড়িয়ে জিডিপির ৬ শতাংশ করার কথাও তুলে ধরা হয়েছে ইশতেহারে।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল কোনো শিক্ষার্থী বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে বিনা সুদে প্রথম দুই সেমিস্টার ফি সরকার প্রদান করবে। আর দেশের ভেতর দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

স্নাতক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার এক লাখ মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ারও ঘোষণা রয়েছে ইশতেহারে।

স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পৃথক নিয়োগ পদ্ধতি ও বেতন কাঠামো প্রচলন করা হবে। এছাড়া, সব শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে উচ্চ গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য দূর করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছে দলটি। ইশতেহারে ঘোষণা করা হয়েছে, জামায়াত সরকার গঠন করলে ইবেতদায়ি মাদরাসাগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সরকারি করা হবে। পরিমার্জন করা হবে কওমি শিক্ষা সিলেবাসও।

নারীশিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে দলটি। এতে বলা হয়েছে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে স্নাতক পর্যন্ত নারীরা বিনা বেতনে পড়াশোনা করতে পারবেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধ, শিক্ষায় সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়নসহ বেশ কিছু পরিকল্পনার কথাও রয়েছে জামায়াতের ইশতেহারে।

ওয়াশিংটন-দিল্লির কথায় বাংলাদেশ চলবে না: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ওয়াশিংটন ও দিল্লির কথায় আর কখনো বাংলাদেশ চলবে না। আগামী দিনের বাংলাদেশ চলবে ইনসাফের ভিত্তিতে জনগণের অধিকার আদায়ের ভাষায়।

বুধবার রাতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার দক্ষিণ পাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করীম বলেন, ইসলামি শরিয়া মোতাবেক দেশ পরিচালনা করার চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে তার দল যখন এগিয়ে যায়; তখন জামায়াত ইসলামী বলেছে শরিয়ার ভিত্তিতে নয়, দেশ চলবে দেশের প্রচলিত নিয়মে। দেশের প্রচলিত নিয়ম গত ৫৪ বছর ধরে চলছে।

এ নিয়ম কখনো অন্যায়, অপরাধ, গুম, খুন, অনিয়ম, দুর্নীতি বন্ধ করতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন সেখানে কীভাবে জোট গঠন করতে পারে তাদের সাথে। এজন্য দেশের ও জনগণের স্বার্থে ইসলামী আন্দোলন এককভাবে হাতপাখা নিয়ে সবার সামনে। ইনশাআল্লাহ, জনগণের ভালোবাসা নিয়ে বিজয় অর্জন করতে চাই আমরা।

আমরা সবাই জানি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান: মাসুদ সাঈদী

আমরা সবাই জানি এবং বিশ্বাস করি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। একটি চক্র জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য বিকৃত করে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ করি এবং তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাই।

আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পিরোজপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সমাবেশ বাস্তবায়ন করার উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ সাঈদী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হোটেল নায়োরীতে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ । এ সময় জামায়াতের আমির বলেন সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম করবে জামায়াত।

তিনি জানান, সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এর মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধান, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা আক্তার মিতুসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী, পিরোজপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত এনসিপির প্রার্থী ড. শামীম হামিদী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. জহিরুল হক. পৌর আমির ইচাহাক আলী খান, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি নাসির উদ্দিন ওসমানীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

তারেক রহমানই আগামীর প্রধানমন্ত্রী: হুম্মাম কাদের

রাঙ্গুনিয়ার নতুন প্রজম্মের তরুণদের মুখোমুখি হয়েছেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের বিএনপির প্রার্থী হুম্মাম কাদের চৌধুরী। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি এমপি হই না হই, আগামী দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কাদের নগরের হুম্মাম কাদের চৌধুরীর নিজস্ব অডিটোরিয়ামে এ প্রশ্ন পর্ব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা, সামাজিক সংগঠনের কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, এখানে যারা উপস্থিত হয়েছেন তারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আপনারাই আগামীর বাংলাদেশ। আপনাদের মাধ্যমেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে। আগামীর রাঙ্গুনিয়া তৈরিতে আপনাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এক ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে দেখেছি এক এমপি বাড়ি যাওয়ার জন্য সাড়ে ৪ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ করেছেন। অন্যদিকে আরেক ইউনিয়নে সড়কদের বেহাল দশার কারণে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু হয়েছে। আমি এমন উন্নয়ন করতে চায় না। আমি রাঙ্গুনিয়ার সামগ্রিক উন্নয়ন চায়।

হুম্মাম বলেন, ছোট থেকে আমার প্রাণীদের প্রতি এক অন্যরকম ভালোবাসা কাজ করে। রাঙ্গুনিয়াতে আমি একটি ইকোপার্ক করতে চাই। চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আমি এভাবে রাখতে চাই না। আয়নাঘরে আমাকে যেভাবে রাখা হয়েছে চিড়িয়াখানার প্রাণীদেরও এভাবে রাখা হয়েছে। আমি এটি পরিবর্তন করতে চাই। এটিকে সাফারি পার্কে রুপান্তর করতে চাই।

রাঙামাটি সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী সায়মা বিনতে সৈয়দ হুমাম কাদেরকে করা প্রশ্নে বলেন, আপনি এমপি হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে একবার পরিদর্শন করবেন কি না?

জবাবে হুম্মাম কাদের বলেন, আমি যদি বছরে একবার পরিদর্শন করি তাহলে আগের এমপিদের মতো হয়ে যাব। আমি এমনটা করব না৷ আমি নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের যে বেতন-ভাতা তা দিয়ে তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। তাদের বেতন-ভাতা নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি? প্রশ্ন মাদরাসা ছাত্র হামিদুল ইসলাম রাকিবের।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা সম্পর্কে হুম্মাম বলেন, আমি এমপি হই বা না হই- আগামী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন তাদের রহমান। তিনি ইতোমধ্যে ইমাম মুয়াজ্জিনদের পরিবার পরিজন নিয়ে চলার মতো বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন। আর এটি বাস্তবায়নে আমি কাজ করব। তারা যেন পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে পারে সে ব্যবস্থা করব।

সহস্রাধিক তরুণদের অংশগ্রহণে এই মতবিনিময় সভায় উচ্ছ্বাসে মেতে ছিলেন সবাই। আগামীর রাঙ্গুনিয়ার সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধিকে বিভিন্ন বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতে পেরে খুশি তারা। তিনিও তাৎক্ষণিকভাবে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন এবং নির্বাচিত হলে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন: শাহবাজ শরিফ

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬–এ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান সরকার বা পিসিবির কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার কাছ থেকে এই প্রথম প্রকাশ্যে এমন ব্যাখ্যা এলো।

বুধবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলব না। কারণ খেলাধুলার মাঠে রাজনীতি থাকা উচিত নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাংলাদেশের পাশে পুরোপুরি দাঁড়ানো উচিত। আমার মনে হয় এটি একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত।’

এর আগে রোববার পাকিস্তান সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, দলটি বিশ্বকাপে অংশ নেবে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ ম্যাচ খেলবে না। ওই বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

এ বিষয়ে পিসিবি এখনো প্রকাশ্যে কিছু বলেনি। তবে আইসিসি ওই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক বিবৃতি দেয়। সেখানে বলা হয়, ‘আইসিসি আশা করে পিসিবি ক্রিকেটের বৈশ্বিক ব্যবস্থার ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করবে। কারণ এই ব্যবস্থার সদস্য ও সুবিধাভোগী পাকিস্তান নিজেও।’

আইসিসি আরও জানায়, তারা চায় পিসিবি এমন সমাধান খুঁজুক, যাতে সব পক্ষের স্বার্থ রক্ষা হয়। এখনো জানা যায়নি পিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে কিছু জানিয়েছে কি না।

শাহবাজ শরিফের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’র অভিযোগ রয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি একে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ডস’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ সরকার দলকে ভারতে পাঠাতে রাজি হয়নি। তারা চেয়েছিল, বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলুক। শ্রীলঙ্কা এই টুর্নামেন্টের সহ–আয়োজক এবং পাকিস্তানও সেখানে খেলছে। তবে আইসিসি বোর্ড ১৪–২ ভোটে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর বিপক্ষে ভোট দেয় পিসিবি ও বিসিবি।

এই সিদ্ধান্তের পর মহসিন নাকভি বলেছিলেন, ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড চলতে পারে না। একটি দেশের জন্য এক নিয়ম আর অন্যদের জন্য ভিন্ন নিয়ম হতে পারে না। তাই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি। বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। তারা বিশ্বকাপে খেলার অধিকার রাখে। ক্রিকেটে তারা বড় অংশীদার।’

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের পেছনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কারণ এখন প্রকাশ্যে এলো।

সূত্র- ক্রিকইনফো

নারী কর্মীদের ওপর ‘জামায়াতের হামলার’ প্রতিবাদে ইসলামী যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ

খুলনা ও ভোলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারী কর্মীদের ওপর জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা হামলা চালিয়েছেন অভিযোগ করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী দপ্তর সম্পাদক বরকত উল্লাহ লতিফ বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় খুলনা-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা আবু সাইদের সমর্থনে প্রচার চালানোর সময় দাকোপের লক্ষ্মীখোলা গ্রামে নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। স্থানীয় জামায়াত নেতা হরমুজ শেখ, ইলিয়াস ও আমানুল্লাহর নেতৃত্বে এই হামলা হয়।

বরকত উল্লাহ বলেন, ‘মহিলা ইউনিটের প্রধান রোজিনা বেগমসহ অন্তত ১১–১২ জন নারীকে ঘরে আটকে রেখে গালিগালাজ ও শারীরিক লাঞ্ছনা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’

বক্তব্যে গত ২৮ জানুয়ারির আরেকটি ঘটনার উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ‘ভোলা-৪ আসনে হাতপাখা প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালের ওপর জামায়াত নেতা সোহেল ও আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। আমরা তখনো প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। দুঃখের বিষয়, একটি ইসলামপন্থী সংগঠন হয়েও জামায়াত তাদের উগ্র কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এর ফলে এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।’

সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি মুফতি শওকত ওসমান বলেন, জামায়াতের কিছু উগ্র কর্মী সীমা অতিক্রম করেছে।

হাতপাখার গণজোয়ারে ভিত হয়ে তারা নারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, যা চরম ধৃষ্টতা। জামায়াত আমিরের উচিত, তাঁদের কর্মীদেরকে নিয়ন্ত্রণে রাখা ও সংশোধন করা।

ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ নেসার উদ্দিন হুজাইফের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি হাফেজ শাহাদাত হোসেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি হাফেজ মো. মুস্তাইজ বিল্লাহ প্রমুখ।