শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

আর্জেন্টিনার জালে মরক্কোর ৭ গোল

গোলসংখ্যা ‘৭’ নিয়ে ফুটবলে হাস্যরসের অনেক নমুনার দেখা মেলে। সেই সাত গোল এবার আর্জেন্টিনার কপালেও জুটেছে। মরক্কোর কাছে ফুটসাল প্রীতি ম্যাচে আকাশী-সাদা জার্সিধারীরা হেরেছে ৭-০ গোলে।
মরক্কোর মাঠে সফরকারী আর্জেন্টিনা কোনো পাত্তাই পায়নি। শুরু থেকে স্বাগতিকরা তাদের জাল কাঁপিয়েছে, যা ম্যাচের শেষ পর্যন্তই অব্যাহত রাখে।

শুরুতে স্বাগতিক মরক্কোকে লিড এনে দেন ওটমানে বুমেজু। এরপর ব্যবধান বাড়ান আনাস এল আইয়ানে। দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন ইসমাইল আমজাল। চতুর্থ ও পঞ্চম গোলটি করেন সুফিয়ান এল মেসরার এবং ইদ্রিস রাইস এল ফেন্নি।
মরক্কোর ষষ্ঠ গোলটি আসে সোফিয়ান চাররাউইয়ের কাছ থেকে। আলবিসেলেস্তেদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেন গোলরক্ষক আবদেলক্রিম আনবিয়া। দুদল দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে আগামী শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মুখোমুখি হবে।

এপিএস মামুনের দায়ভারও খতিয়ে দেখা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এডিসি হারুন ও সানজিদা কাণ্ডে রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক মামুনের দায়ভার রয়েছে কিনা সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপোর (সিএসডি) নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইন সবার জন্য সমান। আইন অমান্যকারী জনপ্রতিনিধি কিংবা পুলিশ যে-ই হোক না কেন তাকে শাস্তি পেতেই হবে। ঘটনা ঘটার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যারা যারা ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো দুর্বলতা নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মামলা না হলেও মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে৷ সব ঘটনারই তদন্ত করা হবে।

খুব দ্রুত তেজগাঁও থেকে ট্রাক স্ট্যান্ড সরিয়ে ফেলা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আধুনিক ট্রাক স্ট্যান্ড করার জন্য প্রধানমন্ত্রী মেয়রকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

ভারতকে ৬ রানে হারাল বাংলাদেশ

শিয়া কাপের সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে ভারতকে ৬ রানে হারাল বাংলাদেশ। এ জয়ের মাধ্যমে এশিয়া কাপে ১১ বছর পর ভারতের বিপক্ষে জয় পেল টাইগাররা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান তুলে বাংলাদেশ। জবাবে ২৫৯ রানে থামে ভারত।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটাই ভালো হয়নি ভারতের। শুরুতেই দুই ভারতীয় ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠান অভিষিক্ত টাইগার পেসার তানহিম হাসান সাকিব। শূন্যরানে রোহিত ও ৫ রানে তিলক ভার্মা আউট হন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৫৫ রান। ১৯ রানে লোকেশ রাহুল ও ৫ রানে ইষাণ কিষাণ আউট হন।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে সূর্যকুমার যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার শুভমান গিল। ৩৪ বলে ২৬ রান করে আউট হন সূর্যকুমার। রবিন্দ্রো জাদেজার ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। এদিকে ফিফটির পর ব্যক্তিগত শতক পূরণ করেন গিল। শেখ মাহেদির বলে আউট হওয়ার আগে করেন ১২১ রান।

অষ্টম উইকেট জুটিতে শার্দুল ঠাকুরকে নিয়ে ৪০ রানের জুটি গড়েন অক্ষর প্যাটেল। কিন্তু আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও দলকে জেতাতে পারেননি তারা। ১১ রানে ফেরেন শার্দুল। আর অক্ষর প্যাটেল আউট হন ৪২ রানে।

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুটি উইকেট নেন তানহিম হাসান সাকিব।

এর আগে কলম্বোতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ সামির করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে কোনো রান না তুলেই সাজঘরে ফিরলেন টাইগার ওপেনার লিটন কুমার দাস। রানের দেখা পাননি তিনি। পরের ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরের পথ ধরেছেন তানজীদ হাসান তামিম। তিনি করেন ১৩ রান।

ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি এনামুল হক বিজয়। একটি চার হাঁকিয়েই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। এদিকে কিছুক্ষণ ক্রিজে সাকিবকে সঙ্গ দেওয়া মেহেদি হাসান মিরাজ আউট হয়েছেন ১৩ রানে।

মাত্র ৫৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলের হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও তাওহীদ হৃদয়। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ১০১ রানের জুটি। ফিফটি পূরণের পর সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন সাকিব। কিন্তু শার্দুল ঠাকুরের বলে আউট হওয়ার আগে ৮০ রান করেন তিনি।

ফিফটির দেখা পেয়েছেন তাওহীদ হৃদয়ও। কিন্তু এরপর আর ইনিংসটি দীর্ঘয়িত করতে পারেননি তিনি। ৮১ বলে ৫৪ রানে থামেন এই ব্যাটার। এছাড়া শামীম পাটোয়ারি আউট হন ১ রানে।

হুট করে তিন উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে দল। কিন্তু অষ্টম উইকেট জুটিতে আপনতালে খেলতে থাকেন নাসুম আহমেদ ও শেখ মাহেদি হাসান। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ৪৫ রানের জুটি। তাতেই আড়াইশর ছোঁয়া পায় দল। ছয়টি চার ও একটি চারে ৪৫ বলে ৪৪ রান করেন নাসুম। ২৩ বলে ২৯ রানে মাহেদি ও ৮ বলে ১৪ রানে তানজিম সাকিব অপরাজিত থাকেন।

টেনিস দিয়ে সমগ্র পৃথিবী বাংলাদেশকে চিনবে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বে টেনিস একটি মার্জিত ও অভিজাত খেলা। টেনিস খেলা দেখার জন্য অনেক সেলিব্রেটিরা টেনিস কোর্টে বসে থাকেন। আমাদের টেনিস খেলোয়াড়রা সমগ্র বিশ্বে দেশকে পরিচয় করে দিবে। ২০২৫ সালে টেনিস দিয়ে সমগ্র পৃথিবী বাংলাদেশকে চিনবে। টেনিস খেলোয়াড়রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টেনিস খেলা একসময় সর্বসাধারণের মুখে মুখে ছিল। টেনিসকে নিয়ে মানুষ চিন্তা করত, খেলতো। ৫০ বছর আগে বিভাগীয় পর্যায়ে, জেলা পর্যায়ে, এমনকি থানা পর্যায়ে টেনিস খেলার প্রচলন ছিল। টেনিসের সাফল্য সম্পর্কে জানতো, সেটা ছিল গর্বের জায়গা। সেই জায়গা থেকে টেনিস পিছিয়ে আছে। অনেক খেলা এগিয়ে গেছে। ফুটবল, হকি খেলোয়াড়দের নাম মানুষের মুখে মুখে ছিল। এখন অনেকটা পিছিয়ে। এখন ক্রিকেট জায়গা করে নিয়েছে। টেনিস পিছিয়েছে। এটা সাংগঠনিক দুর্বলতা। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে টেনিস এগিয়ে যেতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা একজন ক্রীড়া বান্ধব ব্যক্তিত্ব। তিনি ক্রীড়া পরিবার থেকে এসেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন খেলোয়াড় ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে উঠছে। আমাদের সাংগঠনিক তৎপরতা দরকার। টেনিস ফেডারেশন ধারাবাহিকভাবে টুর্নামেন্ট করছে। এটি ভালো উদ্যোগ। এটাকে ধরে রাখতে হবে। সাবেক টেনিস খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট সকলকে দল মত নির্বিশেষে টেনিস খেলাকে এগিয়ে নিতে তিনি সহযোগিতার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় উত্তরা ক্লাবে ‘উত্তরা ক্লাব টেনিস কার্ণিভালে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ক্লাবের পরিচালক গোলাম মাওলা, ক্লাবের পরিচালক সুলতান মইন আহমেদ রবিন, বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম হায়দার। এস এম হায়দারের স্পন্সরশিপে এবং বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সহযোগিতায় এ কার্ণিভাল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের পক্ষ থেকে উত্তরা ক্লাবের নিকট টেনিস সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

ষড়যন্ত্র করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না : হানিফ

ষড়যন্ত্র করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে শান্তি সমাবেশ তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি শক্তি ষড়যন্ত্র করছে। ষড়যন্ত্র করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। বিএনপি-জামায়াতের অশুভ তৎপরতা নসাৎ করে শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনব।

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুলের মুখে এখন আর হাসি নেই। মুখ শুকিয়ে গেছে। মার্কিন ভিসা নীতি ঘোষণার পর তারা ভেবেছিল ক্ষমতায় এসে গেছে।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা সরকার পতন ঘটাতে চায়। অশা করি, বিদেশি বন্ধুরা জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকবে।

হানিফ বলেন, ২০১৩ সালে হেফাজতের আন্দোলনের ওপরে ভর করে বিএনপি ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখেছিল। খালেদা জিয়া ভেবেছিল হেফাজতের আন্দোলনে সরকার নেমে যাবে।

এ সময় বিএনপি-জামায়াত কর্মসূচি দিলে রাজপথে থেকে তাদের যেকোনো ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুতে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ছুটল ট্রেন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতু পার হয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত পর্যন্ত গতি পরীক্ষা করার জন্য একটি ট্রেন চারবার আসা-যাওয়া করল।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় ভাঙ্গা থেকে মাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেনটির যাত্রা শুরু হয়।

প্রথম পর্যায়ে ৬০ কিলোমিটার থেকে চূড়ান্ত পর্বে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেনটি চালিয়ে পরীক্ষা করা হয়।

রেলসূত্র জানিয়েছে, সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ট্রেনটি ফরিদপুরের ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া স্টেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে সকাল ৯টা ৬ মিনিটে পৌঁছায়। এর গতিসীমা ছিল ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। পরে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে মাওয়া রেলস্টেশন থেকে পুনরায় ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তখন গতিসীমা নির্ধারণ করা হয় ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার।

এরপর সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ভাঙ্গা থেকে মাওয়ার উদ্দেশ্যে ১০০ কিলোমিটার বেগে ট্রেনটি ছেড়ে যায়। আবার মাওয়া থেকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেনটি ট্রায়াল রান করানো হয়। পরপর দুদিন এভাবে চালানো হবে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ইতিহাস সৃষ্টি করে এ প্রথমবারের মতো দেশে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালিয়েছি আমরা। নতুন এক গতির জগতে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ২৮ সেপ্টেম্বর

বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামী রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর (১২ রবিউল আউয়াল) বৃহস্পতিবার পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.)।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার।

মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়ে একটা সময় গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, তারা নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়ে। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ যুগকে বলা হতো আইয়ামে জাহেলিয়াত।
তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপুজা করত। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহ তায়ালা ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল মানব জাতির রহমত হিসেবে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) কে দুনিয়াতে পাঠান। এদিনই তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।
দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বাংলাদেশে দিনটি সরকারিভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালিত হয়।

শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নে বিশ্বাস করে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলেই দেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আজ শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে তিনি পটুয়াখালীর বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন কবলিত গোপালীয়া এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এখন জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামীতে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকার গঠনে সহযোগিতা করলে ভাঙ্গনরোধে মেগা প্রকল্প নেয়া হবে।
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি ও সাবেক চীফ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ এমপি বলেন,শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার। শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেছেন বলে এ দেশে এতো বেশী উন্নয়ন হয়েছে। যা অতিতে কোন সরকারের আমলে হয়নি। ঢাকা থেকে দক্ষিনের মানুষ যাতে সড়ক পথে সল্প সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেন এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। পায়রা সেতু নির্মাণ করেছেন। এ ছাড়াও লেবুখালীতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র,কোস্ট গার্টের দপ্তর নির্মাণ করেছেন। এই সরকারে আমলে বাউফলেও ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা নৌকা মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে পুনরায় সরকার গঠনে সহয়তা করবেন। বাহেরচরে উত্তর পার রগুনউদ্দিনকে ভাঙ্গনরোধের প্রকল্পের আওতায় আনা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক কুতুবুল আলম, পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফ হোসেন, বাউফলের ইউএনও মোঃ বশির গাজী। উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান, কাছিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ ।

ডেঙ্গুতে আরও ১২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২১২৯

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২১২৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৪৩ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২৮৬ জন। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গুতে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯ হাজার ৮৯১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪ হাজার ১৬ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৮৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬১ হাজার ৯৬৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৭১ হাজার ৫০৩ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯০ হাজার ৪৬১ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ২৮৩ জন। ঢাকায় ৬৬ হাজার ৯৪০ এবং ঢাকার বাইরে ৮৪ হাজার ৩৪৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৭৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আ.লীগ সরকার দেশের দারিদ্র্যের চিত্র অনেকটাই পাল্টে দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সরকার দেশের দারিদ্র্যের চিত্র অনেকটাই পাল্টে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে শিল্পী শাহাবুদ্দিনের একক চিত্র প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

শিল্পীদের কারণেই রাজনীতিবিদরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এগিয়ে নেওয়ার শক্তি পেয়েছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৭৫ জাতির পিতাকে হত্যা করা পর স্বাধীনতার চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ সবই মুছে গিয়েছিল। আমাদের কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, লেখকরা তাদের লেখনীর মধ্য দিয়ে এ চেতনাকে ধরে রেখেছিলেন। আমরা রাজনীতিবিদরা রাজনীতির মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলাম। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি।
একাত্তরের পরাজিত শক্তি দেশের বিজয়ের ইতিহাস মুছে দিয়েছিল মন্তব্য করে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়গাঁথা কেউ যেন আর বিকৃত করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শিল্পীদের অবদানের কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, শিল্পীকে কখনো দমানো যায় না। শিল্পীর আবেগ যখন বিকশিত হয়, তখন যত বাধাই আসুক না কেন তা বিকশিত হবেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাঙালি, জাতির পিতা আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দিয়ে গেছেন। শিল্পী শাহাবুদ্দিন একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার তুলিতে উঠে আসে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।
সরকারপ্রধান বলেন, চিত্রশিল্পীদের তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠে আমাদের প্রকৃতি, আমাদের দেশের নানা চিত্র। আমাদের ইতিহাস যেমন ফুটে উঠে, সেইসঙ্গে দরিদ্র মানুষের দৃশ্যগুলো উঠে আসে। আমি ’৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্পী একটা সম্মেলন করি। সেখানের কয়েকটি শিল্পকর্ম আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আমি নিজেও একটি কিনে নিই। তার সঙ্গে কয়েকটি উপহারও পাই। আমাদের পরিকল্পনা কমিশনে, যেখানে বসে উন্নয়নের পরিকল্পনা করি, সেখানে সেই চিত্রটি লাগিয়ে রেখেছি। আরেকটি আছে গণভবনে। এগুলো আমাদের সঙ্গেই থাকে। আমি যদি না থাকি, এগুলো তুলে নিয়ে যাব– কোনো সন্দেহ নাই।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি রেখেছি কেন জানেন? সেখানে কতগুলো ছোট ছোট বাচ্চা রাস্তায় পড়ে আছে। আমি সেখানে বসেই সব সময় আমার সঙ্গে যারা কাজ করে তাদের বলি, এই চিত্র আমি বাংলাদেশ থেকে বদলাতে চাই। আমরা অনেক ক্ষেত্রে সফল হতে পেরেছি। আমাদের মনে রাখতে হবে, শিল্পীর তুলির আঁচড় অনেক শক্তিশালী।