শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

‘দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিনে ৫০-৫৪ জনে সীমাবদ্ধ রয়েছে’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় গত এক মাস ধরে প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৫০ থেকে ৫৪ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে দাবি করেছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রেড জোন ঘোষিত ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ঝিগাতলা এলাকায় ডেঙ্গু বিস্তাররোধে মশক নিধনে জনসম্পৃক্ততা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, আমরা উৎস নিধনের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার কার্যক্রম গতিশীল রেখেছি। তার ফলশ্রুতিতে গত ১ মাস ধরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় রোগীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও বলছে, ঢাকায় এখন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা স্থিতিশীল। প্রতিদিন যে তদারকি করা হচ্ছে, সে অনুযায়ী তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় আমরা লক্ষ্য করেছি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় দৈনিক ৫০, ৫২, ৫৪ জন করে রোগী পাওয়া যাচ্ছে। আমরা মনে করি, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু কোনোভাবেই যেন এটা আর বাড়তে না পারে সেজন্যই আমাদের এই ব্যাপক কার্যক্রম।

সবাই সচেতন হলে অচিরেই রোগীর সংখ্যা আরও কমে আসবে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, গত সপ্তাহের পর্যালোচনায় ১৪ নম্বর ও ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড দুটিতে ১০ জনের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাই আমরা এই দুটি ওয়ার্ডকে রেড জোন ঘোষণা করেছি। সে প্রেক্ষিতে আমরা ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা, চিরুনি অভিযান ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছি। সেজন্য আমরা এলাকাবাসী, সামাজিক সংগঠন, রেড ক্রিসেন্ট, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এলাকার সকল বাসাবাড়ি, স্থাপনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান করছি এবং তাদেরকে সোঙ্গে নিয়েই আমরা দিনব্যাপী ব্যাপক চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছি। আমরা আশা করি, এতে এলাকাবাসী আরো সচেতন হবে এবং অচিরেই রোগীর সংখ্যা আরো কমে আসবে।

ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের ওপর জোর দিয়ে মেয়র বলেন, আমরা এলাকাবাসীর ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। আমরা কয়েকটি জায়গা পরিদর্শন করেছি। সবাই দায়িত্ব নিয়ে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, আঙ্গিনা, স্থাপনা পরিষ্কার রাখবে। পানি জমতে দিবে না। আমরা এটাই চাই। ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এডিসের প্রজননস্থল নির্মূল করব।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, মৌসুম শুরু হওয়ার অনেক আগেই আমরা মন্ত্রী পর্যায়ে এবং সিটি করপোরেশনেও আমরা আলাদাভাবে রেলওয়ে, গণপূর্ত, পুলিশসহ ঢাকা শহরে যাদের বৃহত্তর স্থাপনা রয়েছে, এরকম বিভিন্ন সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে সভা করেছি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করি যে, যথার্থ ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তারপরও আমরা তাদেরকে সাথে নিয়ে রেলওয়ে কলোনি, থানাগুলো, হাসপাতাল এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিষ্কার করেছি। আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাব। তবে আমরা আশা করব, তারা আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।

এর আগে যে ৪টি ওয়ার্ডকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে এবং সে প্রেক্ষিতে সেখানে যে প্রচার-প্রচারণা, চিরুনি অভিযান ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে, বর্তমানে সেসব ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা কমে এসেছে বলে জানান তিনি।

পরে মেয়র ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কামরাঙ্গীরচরের কয়েকটি এলাকায় বেশকটি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং জনসম্পৃক্ততা কার্যক্রমে অংশ নেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, অঞ্চল-৩ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা বাবর আলী মীর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসায় কানাডা সিনেটের মানবাধিকার কমিটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কানাডার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের মানবাধিকার কমিটির চেয়ার সালমা আতাউল্লাজান। শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, কানাডা সফররত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টরেন্টোর স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে হোটেল হলিডে ইনে সিনেটর আতাউল্লাজানের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

এসময় সিনেটর তার বাংলাদেশ সফরগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিশেষ করে নারী ক্ষমতায়ন, জনসংখ্যাবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ দমন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অর্জনে যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা অনন্য। প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয়দানের জন্যও তিনি শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন এবং শরণার্থীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেন।

তথ্যমন্ত্রী তার কাছে বাংলাদেশের এ উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সিনেটর আতাউল্লাজান মন্ত্রীকে জানান, আগামী বছরের প্রথমভাগেই তার আবার বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা রয়েছে।

কানাডা পার্লামেন্টের ইমিগ্রেশন এবং নাগরিকত্ব কমিটির চেয়ার সালমা জাহিদের সঙ্গে বৈঠক

এর আগে, কানাডা পার্লামেন্টের ইমিগ্রেশন এবং নাগরিকত্ব বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারপার্সন সালমা জাহিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

টরেন্টোর স্কেয়ারবরো এলাকায় তার আবাসিক অফিসে এ বৈঠকে মন্ত্রী বাংলাদেশিদের জন্য কানাডার ভিসা অফিস ঢাকায় স্থানান্তর এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডার স্টুডেন্ট ডিরেক্ট স্ট্রিমে (এসডিএস) অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন।

এ বিষয়ে তার উদ্যোগের কথা জানিয়ে সালমা জাহিদ বলেন, তিনি ইতোমধ্যেই কানাডার ইমিগ্রেশন মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং এর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এসময় দুই দেশের বাণিজ্য এ যাবৎকালের শীর্ষে থাকার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ ও পাশাপাশি বাংলাদেশে কানাডীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ‘ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রোটেকশন অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

সালমা জাহিদ বৈঠকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মাধ্যমে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার খলিলুর রহমান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ওজোনস্তর রক্ষায় সিএফসিমুক্ত ফ্রিজ ও এসি ব্যবহার করতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব মুক্ত থাকতে ওজোনস্তর ক্ষয়রোধে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে জনগণ সিএফসি মুক্ত ফ্রিজ ও এসি কিনতে পারেন। বায়ুতে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য যাতে নির্গমণ না হয় টেকনিশিয়ানগণকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ওজোনস্তরের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালি-পূর্ব সমাবেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শাহাব উদ্দিন বলেন, ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের ক্যান্সার, চোখে ছানি পড়া রোগ বৃদ্ধিসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। সিএফসি, মিথেন সহ নানা গ্যাসের প্রভাবে ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। এ গ্যাসগুলো সাধারণত রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, ইনহেলারে, প্লাস্টিক ফোম তৈরি করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এলক্ষ্যে ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী সিএফসি, এইচএফসি গ্যাসসমৃদ্ধ যন্ত্রপাতির ব্যবহার বন্ধ করলে শুধু পরিবেশ নয়, সকলের জন্যই মঙ্গল হবে।
সমাবেশ অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, অতিরিক্ত সচিব (পদূনি) মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ডক্টর ফাহমিদা খানম এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী আবু তাহের।
এ ছাড়া এতে মন্ত্রণালয় এবং তার অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার উর্ধতন কর্মকর্তা কর্মচারীগণ, বাংলাদেশ রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, সোসাইটি অফ রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস ও ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভয়ংকর দল হবে : সাকিব

দল হিসেবে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ এশিয়া কাপে দিতে পারেনি বলেই মনে করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
ইনজুরি সমস্যা ও গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের অনুপুস্থিতিতে এশিয়া কাপে নিজেদের সেরাটা দিতে পারেনি বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিতলেও, শ্রীলংকার কাছে দুবার (গ্রুপ ও সুপার ফোর) পাকিস্তানের কাছে সুপার ফোরে পরাজিত হয় বাংলাদেশ।

তবে সাকিবের মতে, সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচে হট ফেভারিট ভারতকে ৬ রানে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশ।
দলের সেরা খেলোয়াড়দের পেলে আসন্ন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভয়ংকর দল হয়ে উঠবে বলে আত্মবিশ্বাসী সাকিব।
আগেভাগেই ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় প্রথম সারির পাঁচ খেলোয়াড়কে নিয়ে একাদশ সাজিয়েছিলো ভারত। অন্য দিকে ম্যাচে ছয়টি পরিবর্তন আনা বাংলাদেশ একাদশে আধিপত্য ছিল তরুণ ক্রিকেটারদেরই।
ম্যাচ পরবর্তী পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে সাকিব বলেন, ‘দলের অনেক খেলোয়াড়ই ইনজুরিতে এবং কেউ-কেউ আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলো। যেটা আমাদের জন্য সহায়ক ছিলনা। তবে সব কিছু ঠিক থাকলে বিশ্বকাপে আমরা একটি ভয়ংকর দল হব বলেই আমি মনে করছি।’
ব্যাট হাতে ৮৫ বলে ৮০ রান করার পাশাপাশি বোলিংয়ে ১০ ওভারে ৪৩ রানে ১ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন সাকিব। ৫৯ রানে ৪ উইকেট পতনের পর মূলত সাকিবের কাউন্টার অ্যাটাকে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। বোলিংয়ে বোলারদের বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার করেছেন সাকিব। তার বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্বে ৪৯ দশমিক ৫ ওভারে ২৫৯ রানে অলআউট হয় ভারত।

সাকিব বলেন, ‘আমরা ম্যাচ না খেলাদের সুযোগ দিয়েছি। শেষ দুই ম্যাচের পর আমাদের মনে হয়েছে-স্পিনাররা ভাল করবে। আজ আমি কিছুটা আগেই নেমেছি এবং ক্রিজে সময় কাটাতে পেরেছি। এটা চ্যালেঞ্জিং উইকেট ছিল। উইকেটে কিছুটা সীমিং ছিল এবং বল পুরানো হওয়ার পর সহজ হয়েছিল।’
১৩৩ বলে ১২১ রান করা শুভমান গিলকে শিকার করা অফ স্পিনার মেহেদি হাসানের প্রশংসা করেন সাকিব। অভিষেকে ৩২ রানে ২ উইকেট নেওয়া পেসার তানজিম হাসান সাকিবের আলাদা প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক।
সাকিব বলেন, ‘এ সময় বোলিং করাটা সহজ ছিল না। বোলিংয়ে এসে দলকে বেক্র-থ্রু এনে দেয় সে। শেষ পর্যন্ত তার পাঁচ ওভার বোলিং মোটেও সহজ ছিলো না। এ ছাড়া শুরুতে দারুন বোলিংয়ে দুই উইকেট শিকার করেন তানজিম। আমরা খুব ভালো একাট দল পেয়েছি।’
ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মার উইকেট নেন পেসার তানজিম। দ্বিতীয় বলেই তানজিমের শিকার হয়ে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে রোহিতকে।
তানজিম বলেন, ‘প্রথম উইকেটেই রোহিত ভাইকে শিকার এটি স্বপ্নের উইকেট। আমি শুধু লাইন এবং লেন্থের দিকে মনোযোগী ছিলাম। বড় স্পেল করার জন্য আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম। সামিকে করা শেষ ডেলিভারিতে আমার বিশ্বাস ছিল, আমি পারফেক্ট বল করতে পারব। খুবই ভালো লাগছে।’

গ্রুপ অব ডেথে আর্জেন্টিনা, সহজ প্রতিপক্ষ ব্রাজিলের

বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনা বড় নাম তাতে সন্দেহ নেই। ৯ মাস আগেই লিওনেল মেসির হাত ধরে নিজেদের ইতিহাসে তৃতীয় বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে তারা। এছাড়া অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ডিয়েগো ম্যারাডোনার যুগেই। এরপর মেসিও পেয়েছেন সেই শিরোপার স্বাদ। তবে এখন পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ে বিশ্বকাপ জেতা হয়নি আর্জেন্টাইন যুবাদের।

অধরা সেই শিরোপার লক্ষ্যে এবার ইন্দোনেশিয়ায় যাবে আলবিসেলেস্তেরা। ইন্দোনেশিয়া তে ১০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত চলবে এবারের ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ। ২৪ দলের এই বিশ্বকাপে এবার গ্রুপ ‘ডি’ থেকে অংশ নিচ্ছে আর্জেন্টিনা। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ জাপান, পোল্যান্ড এবং সেনেগাল।

তবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল পেয়েছে সহজ এক গ্রুপ। ‘সি’ গ্রুপে তাদের খেলতে হবে ইংল্যান্ড, ইরান এবং নিউ ক্যালিডোনিয়ার বিপক্ষে। আর্জেন্টিনার তুলনায় কিছুটা সহজ গ্রুপেই থাকছে ব্রাজিল। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ৪ বার শিরোপা পেয়েছে দলটি। এবারেও তারা নামবে ফেবারিটের তকমা নিয়ে।

এবারের আসরের বড় চমক নাইজেরিয়ার অনুপস্থিতি। সর্বোচ্চ ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন আফ্রিকান দেশটি এবার জায়গাই করতে পারেনি সেরাদের লড়াইয়ে। নাইজেরিয়া ছাড়াও আফ্রিকান অঞ্চলের আরেক হট ফেবারিট ঘানাও নেই এই আসরে।

২৪ দলের এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোনেশিয়ার চার শহরে। ২ ডিসেম্বর শেষ হবে ফিফার এই বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপ।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে একসঙ্গে রুশ-মার্কিন নভোচারী

ইউক্রেন ইস্যুতে দ্বন্দ্বের মধ্যেই একসঙ্গে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পা রাখলেন রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তিন মহাকাশচারী। তিন মহাকাশচারীর দুজন রাশিয়ার ও একজন যুক্তরাষ্ট্রের।

শুক্রবার রোসকসমস মহাকাশচারী ওলেগ কোননেনকো ও নিকোলাই শুব এবং নাসার মহাকাশচারী লোরাল ও’হারা কাজাখস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে সয়ুজ এমএস-২৪ মহাকাশযানে উঠেছিলেন।

রুশ মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, তিন ঘণ্টা যাত্রার পর তারা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছায়।

অরবিটিং স্টেশনে তারা আরও তিনজন রুশ, দুজন আমেরিকান, একজন জাপানি মহাকাশচারী এবং ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার একজন প্রতিনিধির সাথে যোগ দেবেন।

গত মাসে রাশিয়ার প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে প্রথম ব্যর্থ চন্দ্র অভিযানের পর মহাকাশচারীরা স্পেস স্টেশনে গেলেন।

মস্কো গত বছর ইউক্রেনে হামলা করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কে আরও অবনতি হয়। তবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন দেশ দুটির বিরল সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র।

যাত্রা শুরুর আগে বৃহস্পতিবার কোননেনকো সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন— মহাকাশে পরিস্থিতি পৃথিবীর মতো না, সেখানে মহাকাশচারীরা একে অপরের খেয়াল রাখেন।

ওজোন স্তর অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর সূর্য থেকে নিঃসৃত ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি আটকে দিয়ে মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়।

‘বিশ্ব ওজোন দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব ওজোন দিবস’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়ন করি-ওজোনস্তর রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করি’ যথার্থ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, অ্যারোসল, ফোম তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ক্লোরোফ্লোরোকার্বনসহ ব্যবহৃত দ্রব্যসমূহের কারণে প্রতিনিয়ত অতি গুরুত্বপূর্ণ ওজোনস্তরে ক্ষয়সাধন হচ্ছে। বায়ুমণ্ডলের এ অতি গুরুত্বপূর্ণ স্তর সুরক্ষার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ১৯৮৭ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে বিগত ৩৬ বছরে পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ওজোনস্তর ধীরে ধীরে পুনর্গঠিত হতে শুরু করেছে এবং আশা করা যায় ওজোনস্তর ২০৬৬ সালের মধ্যে তার পূর্বাবস্থায় ফিরে আসবে। এছাড়া মন্ট্রিল প্রটোকলের কিগালি সংশোধনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে হাইড্রোফ্লোরোকার্বন (এইচএফসি) ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাস এবং শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি-হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির পর তিনি অন্যান্য গুরুদায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশব্যাপী বনায়ন ও উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করেছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর আমরা মন্ট্রিল প্রটোকল যথাযথভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সরকার গঠনের ফলে আমরা ওজোনস্তর পুনর্গঠনে নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা ইতোমধ্যে দেশে এইচসিএফসি, হ্যালন, মিথাইলক্লোরোফরম, মিথাইল ব্রোমাইড ইত্যাদি ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছি। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ মন্ট্রিল প্রটোকল সফলভাবে বাস্তবায়নের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি), ওজোন সচিবালয় ও বিশ্ব কাস্টমস অ্যাসোসিয়েশন যথাক্রমে ২০১২, ২০১৭ ও ২০১৯ সালে বাংলাদেশকে প্রশংসামূলক সনদপত্র (সার্টিফিকেট অব এপ্রিসিয়েশন) প্রদান করেছে, যা আমাদের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

তিনি আশা করেন, এবারের ‘বিশ্ব ওজোন দিবস’ পালনের মাধ্যমে মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি ওজোনস্তর রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।

কাল যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ ৭৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল (রোববার) সরকারপ্রধান নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেবেন।

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সরকারপ্রধানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়া নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান করবেন। তিনি আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্ক পর্বে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যখাতে সাফল্য বিষয়ের ওপর আলোকপাত করবেন।

তিনি বলেন, পাশাপাশি, বিশ্বশান্তি, নিরাপত্তা, নিরাপদ অভিবাসন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক সংকট, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসবে। পাশাপাশি প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সাধারণ বিতর্ক পর্ব চলাকালীন বেশ কিছু উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

সিঙ্গাপুর গেলেন ওবায়দুল কাদের

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ (শনিবার) সকালে তিনি ঢাকা ছাড়েন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ তা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিঙ্গাপুর গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ০৫৮৪ ফ্লাইটে সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি ঢাকা ছাড়েন।

চলতি বছর সর্বোচ্চ দামে তেল বিক্রির রেকর্ড

জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় দুই সরবরাহকারী সৌদি আরব ও রাশিয়া তেলের দৈনিক উত্তোলন হ্রাসের পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। বৃহস্পতিবার যে দামে তেল বিক্রি হয়েছে, তা ছিল চলতি ২০২৩ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আগের দিন বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দুই বেঞ্চমার্ক ক্রুড এবং ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল (ডব্লিউটিআই) উভয়ের দামই বেড়েছে।

প্রতি ব্যারেল (১৫৯ লিটার) ব্রেন্ট ক্রুড এইদিন বিক্রি হয়েছে ৯৩ দশমিক ৭০ ডলারে এবং প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই এদিন বিক্রি হয়েছে ৯০ ডলারে। আগের দিন বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে বেড়েছে ১ দশমিক ৮২ ডলার বা শতকরা হিসেবে ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

আর ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রতি ব্যারেলে বেড়েছে ১ দশমিক ৬৪ ডলার বা শতকরা হিসেবে ১ দশমকি ৮৫ শতাংশ।

কিন্তু তেলের বাজারের এই চাঙ্গাভাবে সন্তুষ্ট নন অধিকাংশ পশ্চিমা বাজার বিশ্লেষক। তাদের মতে তেলের এই দাম বেড়েছে সৌদি ও রাশিয়ার ‘পরিকল্পিত’ কৌশলের কারণে।

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থা পিভিএমের কর্মকর্তা তামাস ভারগা রয়টার্সকে বলেন, ‘বাজারের এই চাঙ্গাভাব স্বাভাবিক নয়। এটা একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ এবং যারা এই কৌশল করছে, তারা আসলে বাজারের মানসিকতা নিয়ে খেলছে।’

বাজার বিশ্লেষণকারী অপর সংস্থা অ্যাগেইন ক্যাপিটালের কর্মকর্তা জন কিলডাফ বলেন, ‘অর্থনীতির প্রাণচাঞ্চল্যের কারণে তেলের বাজারে এই চাঙ্গাভাব আসেনি; বরং যেটাকে আমরা চাঙ্গাভাব বলছি, সেটি আসলে সরবরাহের সংকট।’

‘আর এই সংকটের জন্য দায়ী রাশিয়া ও সৌদি। এমন এক সময়ে তারা তেলের উত্তোলন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যখন শীতের কারণে আর কিছুদিনের মধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলোতে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।’

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ২০২২ সালের শুরুর দিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে উর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে চীন এবং ডলার সাশ্রয়ের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলো তেল কেনা কমিয়ে দেওয়ায় গত বছর জুন মাস থেকে অপরিশোধিত তেলের বাজারে মন্দাভাব শুরু হয়।

মাসের পর মাস ধরে এই মন্দাভাব চলায় আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে তেল উত্তোলন ও রপ্তানিকারী দেশগুলো।