শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

শরিফুল রাজকে পরীমণির ডিভোর্স নোটিশ

পরীমণি ও শরিফুল রাজের সংসার অবশেষে ভেঙেই গেল। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বামী রাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন পরীমণি। সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় রাজ-পরীর সঙ্গে। তবে তাদের একজনও সাড়া দেননি।

এর আগেও একাধিকবার রাজ-পরীমণির সংসারে ভাঙ্গনের সুর বেজেছে। তবে খাদের কিনার থেকেও এক হয়েছেন তারা। একরত্তি সন্তানের কথা ভেবেই হননি আলাদা। এবার আর শেষরক্ষা হলো না। পরী-রাজের দুই পথ দুদিকেই বেঁকে গেল।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট মান-অভিমান ভুলে একত্রিত হয়েছিলেন আলোচিত এ দম্পতি। ছেলে রাজ্যের জন্মদিন পালনকালে একসঙ্গে দেখা মিলেছিল তাদের।
পরে ১৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরীমণি-শরিফুল রাজের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন তাপস। এর মধ্যে একটি ছবিতে রাজকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায় পরীমণিকে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি হলুদ অনুষ্ঠানের পর ২২ জানুয়ারি রাতে জমকালো আয়োজনে ১০১ টাকা দেনমোহরে শরিফুল রাজ-পরীমণির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়। অতিথির তালিকায় ছিলেন তিন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চয়নিকা চৌধুরী ও রেদওয়ান রনি। সঙ্গে দুই পরিবারের স্বজনরা।
২০১৫ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পরীমণির। সে বছর ‘রানা প্লাজা’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। পরীমণি অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ভালোবাসব তোমায়’, ‘মহুয়া সুন্দরী’, ‘রক্ত’ ও ‘স্বপ্নজাল’।

রুশ হামলার বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে এক হওয়ার আহ্বান জেলেনস্কির

রাশিয়ার হামলার বিরুদ্ধে এক হতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরও সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এই আহ্বান জানান তিনি।

নিউইয়র্কে এক আবেগঘন বক্তৃতায় জেলেনস্কি বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত মস্কোকে ‘অবশ্যই বিশ্বকে চূড়ান্ত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া’ থেকে বিরত রাখতে হবে। রাশিয়ার হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বকে এক হতে হবে। কারণ এই আগ্রাসন বৈশ্বিক অর্ডারের ওপর হুমকি। রাশিয়ার বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোরও অভিযোগ করেছেন তিনি।
কেবল রাশিয়ার ‘পরমাণু অস্ত্র রাখার অধিকার নেই’ জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘অস্ত্রীকরণকে অবশ্যই সংযত করতে হবে, যুদ্ধাপরাধের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে, নির্বাসিত ব্যক্তিদের অবশ্যই দেশে ফিরে আসতে হবে এবং দখলদারকে অবশ্যই তাদের নিজস্ব জমিতে ফিরে আসতে হবে। আমাদের অবশ্যই এটি করতে। ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বক্তব্যে গত মাসে ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিনের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের পেছনে পুতিনের হাত রয়েছে বলে দাবি করেন জেলেনস্কি।
ইউক্রেনীয় শিশুদের অপহরণ করে ‘গণহত্যা’ চালানোর জন্য মস্কোকেও অভিযুক্ত করেন তিনি।
গত মার্চ মাসে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইউক্রেনীয় শিশুদের রাশিয়ায় বেআইনিভাবে নির্বাসনের অভিযোগে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। মস্কো বারবার ইউক্রেনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে- তবে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ এবং সংস্থা ক্রমবর্ধমান প্রমাণের দিকে ইঙ্গিত করেছে যে রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ করেছে।

জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়া ছাড়াও নিউইয়র্কে অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে জেলেনস্কির। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গেও দেখা করতে ওয়াশিংটনে যাবেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে পিএসজির জয়, গোল পেলেন এমবাপ্পে

এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে সবার আলাদা নজর থাকবে গ্রুপ ‘এফ’তে। ‘মৃত্যুকূপ’ হওয়ায় এই গ্রুপের প্রতিটি ম্যাচই দলগুলোর জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের যাত্রাটা দারুণভাবে শুরু করেছে ফরাসি ক্লাব পিএসজি। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা।
নেইমার এবং লিওনেল মেসি না থাকায় এবার পিএসজির মূল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফরাসি এই তারকা ফুটবলারের ম্যাচে শুরুটাও ছিল দারুণ। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে পিএসজি। বারবার আক্রমণ করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। উল্টো প্রতি-আক্রমণ থেকে গোল প্রায় খেয়েই ফেলেছিল। পিএসজির গোলরক্ষক দোন্নারুম্মার কল্যাণে সে যাত্রায় বেঁচে যায় পিএসজি।

প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা পায় পিএসজি। নিজের আদায় করা পেনাল্টি থেকে গোল করে প্যারিসের ক্লাবটিকে লিড এনে দেন এমবাপ্পে। নিজেদের দ্বিতীয় গোলের জন্যও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ফরাসি ক্লাবটিকে। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে হাকিমির দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান ২-০ করে পিএসজি।
দিনের অপর ম্যাচে চমক দেখিয়েছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফিরে ইতালির ক্লাব এসি মিলানকে রুখে দিয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি।

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৪ ফিলিস্তিনি নিহত

আবারও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় রক্ত ঝরলো ৪ ফিলিস্তিনির। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৪ জন নিহত হন। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, গাজা-ইসরায়েল সীমান্ত এবং পশ্চিম তীরের জেনিনে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে ফিলিস্তিনিদের। এরপরই এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ‘গাজা উপত্যাকার নিরাপত্তা বেষ্টনির সামনে সহিংসতায় জড়ো হয়েছিল শত শত ফিলিস্তিনি। তখন দাঙ্গাকারীদের কয়েকজন বিস্ফোরক ডিভাইস সক্রিয় করে’।

বিস্ফোরণে কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা, তা নিশ্চিত করেনি কোনও পক্ষ।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, সীমান্তে ২৫ বছর বয়সী ইউসুফ রাদওয়ান ঘাড়ে গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই মারা যান। সহিংসতায় আরও ১১ জন আহত হন।
এদিকে জেনিনে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৩ ফিলিস্তিনি যুবক নিহত হয়েছেন। দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন ৩০ জন।
ইসরায়েলের দাবি, অভিযান চালানোর সময় সামরিক বাহিনীর গাড়ির নিচে বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঘটে। আইডিএফ জানিয়েছে, অভিযান চলাকালে বন্দুকধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেনেহ বলেছেন, গাজা, জেনিন এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি শহরে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন পুরো অঞ্চলে সহিংসতা আরও উসকে দেবে।

কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বলেছেন, কমিউনিটি ভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অর্জনের চাবিকাঠি। সকলের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর এ প্রচেষ্টাকে সহায়তার জন্য উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা বহুপাক্ষিক অর্থায়ন সংস্থাগুলোসহ আমাদের উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি উন্নয়নশীল বিশ্বে কমিউনিটি-ক্লিনিক স্বাস্থ্য সেবায় তাদের সহায়তার হাত প্রসারিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ইউএনজিএ’র ৭৮তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ‘শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ অফ কমিউনিটি ক্লিনিক : ইনোভেটিভ এপ্রোচ এচিভিং ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ ইনক্লুসিভ অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ডিজঅ্যাবিলিটি’ শীর্ষক উচ্চ-স্তরের সাইড-ইভেন্টের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন ও সার্বজনীন স্বাস্থ্যের বিষয়ে আমাদের সম্মিলিত কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য এই বছর শপথ নেওয়ার সময় আমরা আপনাদের উপস্থিতিতে উৎসাহিত বোধ করছি।’
শেখ হাসিনা আরো বলেন, গ্লোবাল সাউথের উদীয়মান কণ্ঠস্বর হিসেবে হিসেবে বাংলাদেশ অর্থপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের সম্ভাব্য উপায় হিসেবে ইস্যুটিতে চ্যাম্পিয়ন হবে।তিনি বলেন, ‘আমাদের দিক থেকে, বাংলাদেশ আগ্রহীদের সাথে উপলব্ধি এবং দক্ষতা বিনিময় করতে প্রস্তুত আছে। সকল সুখের মূলে রয়েছে স্বাস্থ্য। আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে চারদিকে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি মন্ত্রী ও বিশেষজ্ঞদের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ-যারা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং এই মুহূর্তে তাদের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আশা করি যে, এই সাইড ইভেন্ট স্বাস্থ্য এবং আমাদের সকল জনগণ ও কমিউনিটির কল্যাণে আমাদের অভিন্ন অঙ্গীকারের আরেকটি নিদর্শন হয়ে থাকবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁরা বুঝতে পেরেছেন যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো পুনরায় চালু করা ও এগুলোর টেকসইয়ত্ব শুধুমাত্র এগুলোর মালিক ও রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী স্থানীয় জনগণের ওপর নির্ভর করে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, কেন ৯০ শতাংশ সেবাপ্রার্থী কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতি তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে- তা এই চিত্রটিই বলে দেয়।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে তাঁদের পার্লামেন্ট কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্ট অ্যাক্ট পাশ করেছে। যাতে এর কার্যক্রম ও ফান্ডিং পদ্ধতি আরও সহজতর করা যায়।
স্বাস্থ্যসেবা তৃণমূলে পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি অগ্রাধিকারের কথা ভাবেন।
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় রোধ করতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করার জন্য পাঁচটি অগ্রাধিকার অন্তর্ভুক্ত করা, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে বিশেষত এনসিডিগুলোর জন্য উন্নত ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও ডায়াগনস্টিক পরিষেবা প্রদান করতে সক্ষম করে তোলা এবং ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের মতো ক্রমবর্ধমান জলবায়ু-জনিত স্বাস্থ্য সংকট মোকাবেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সক্ষমতা আরও উন্নত করা।

অবশিষ্ট দুটি হল : মানসিক স্বাস্থ্য এবং স্নায়ুবিক ব্যাধির জন্য স্ক্রিনিং ও চিকিৎসা সেবা উন্নত করা-যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকে সেবা প্রদান করা এবং একটি শক্তিশালী ডেটা-চালিত স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রমের জন্য প্রাথমিক বিল্ডিং ব্লক হিসাবে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো ব্যবহার করা যায়।
এ সময় ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) বিষয়ভিত্তিক রাষ্ট্রদূত সায়মা ওয়াজেদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. এ কে আব্দুল মোমেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সিনিয়র পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক একটি ধারণা যা বাংলাদেশে সময়ের পরীক্ষায় দাঁড়িয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ‘এটি এখন আমাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই মডেলটিকে বাকি উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য একটি সর্বোত্তম অনুশীলন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।’
তিনি বলেন, জাতিসংঘ এটিকে ‘শেখ হাসিনা উদ্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় তিনি বিনম্র চিত্তে কৃতজ্ঞতা বোধ করছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে তিনি যখন প্রথম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তখন ‘সকলের জন্য স্বাস্থ্য’ সুবিধার উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো ছিল তাদের চালু করা উদ্ভাবনী ধারণাগুলোর মধ্যে একটি।
তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা আমাদের জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমার পিতা, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন দেখে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি।’
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই, জাতির পিতা সমগ্র জনগণের জন্য ‘চিকিৎসা সহায়তার ন্যূনতম সুযোগ’ দেয়ার জন্য গ্রামীণ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে চেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো তার স্বপ্ন এবং প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন।’
তিনি বলেন, এখন প্রায় ১৪ হাজার ৫০০টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে, যা স্বাস্থ্য, পরিবার-পরিকল্পনা এবং পুষ্টি-সম্পর্কিত পরিষেবাগুলোর জন্য ওয়ান-স্টপ সেন্টার হিসাবে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, এগুলো এখন সারা দেশে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো নবজাতক, শিশু এবং মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ৩,০০০ কমিউনিটি ক্লিনিক জন্মদানের জন্য দক্ষতাপূর্ণ সেবার সুবিধা প্রদান করছে।
তিনি বলেন, গড়ে প্রতি মাসে ৯ দশমিক ৫ থেকে ১০ মিলিয়ন লোক ক্লিনিকে সেবা নিতে আসে এবং সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী ও শিশু।
কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সর্বজনীন টিকাদানের স্থানীয় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এবং তারা কোভিড-১৯ টিকার কভারেজ সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য এবং স্নায়বিক ব্যাধিও পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং যেখানে সম্ভব মানসিক স্বাস্থের সহায়তা প্রসারিত করতে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছি। এ জন্য কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কফোর্সের প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা আপডেট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, তাঁর সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ২৭টি প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং তিনটি পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী বিনামূল্যে প্রদান করছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা অ্যান্টিবায়োটিকগুলোকে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক এবং অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ এজেন্ট দিয়ে প্রতিস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো জরুরী ও জটিল ক্ষেত্রে উচ্চতর চিকিৎসা সুবিধার জন্য রেফারেল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে।
তিনি বলেন, ‘সেবা প্রদানকারীরা স্বাস্থ্য ডেটা রেকর্ড করার জন্য ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে সজ্জিত। তারা স্বাস্থ্য এবং বিকলতা-সম্পর্কিত বিষয়গুলোর জন্য সামাজিক এবং আচরণগত পরিবর্তনের বিষয়গুলোতেও তারা সম্পৃক্ত।’
কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর প্রতিটি ৬,০০০ জন লোককে সেবার আওতায় আনবে বলে আশা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্লিনিকগুলো সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের একটি অনন্য মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, স্থানীয় লোকেরা এর জন্য জমি সরবরাহ করে এবং সরকার পরিচালনার খরচ বহন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণসহ সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকে নেয়া এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের দ্বারা এগুলো পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে, বিএনপি-জামায়াত সরকার ক্ষমতায় আসার পর, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো প্রায় সাত বছর ধরে অবহেলিত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ)-এর বিষয়ভিত্তিক রাষ্ট্রদূত সায়মা ওয়াজেদ।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে, সিন্ট মার্টেনের প্রধানমন্ত্রী সিলভেরিয়া এলফ্রিডা জ্যাকবস জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং সর্বজনীন স্বাস্থ সেবা কভারেজ অর্জনকারী বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক মডেলের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
মালদ্বীপের স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী সাফিয়া মোহাম্মদ সাঈদ বলেন, এত শক্তিশালী নারী নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে পেরে তিনি অভিভূত।

তিনি সকলের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উপায়গুলো সহজ করার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক উপস্থিত ছিলেন।
জাতিসংঘে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের ভূমিকা নিয়ে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারিও দেখানো হয়।

করোনা-যুদ্ধের প্রভাব পড়লেও দেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই আছে: প্রধানমন্ত্রী

করোনা-যুদ্ধের প্রভাব পড়লেও দেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে ‘টুওয়ার্ডস এ ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ফাইনানশিয়াল আর্কিটেকচার’ শিরোনামে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থছাড়ের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, গ্লোবাল ক্রেডিট রেটিং পর্যালোচনা আবশ্যক।

এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অনুন্নত, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহজ অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিতে ৫টি প্রস্তাব দেন সরকারপ্রধান।
বাংলাদেশ কখনও ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভবিষ্যতেও এ রেকর্ড ধরে রাখার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এর আগে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে জাতিসংঘ স্বীকৃত বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিকের অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্রাউন ইউনিভার্সিটি মেডিকেল স্কুল’। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের লোটে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে প্রধানমন্ত্রীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
এদিকে কমিউনিটি ক্লিনিককে জাতিসংঘ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের উদ্ভাবনকে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অনুসরণ করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সারাবিশ্বে এ ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

অ্যান্টওয়ার্পকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার বড় জয় পেল বার্সেলোনা। বেলজিয়ান ক্লাব অ্যান্টওয়ার্পকে ৫-০ গালে উড়িয়ে দিলেন জাভির শিষ্যরা। বার্সার জয়ে জোড়া গোল করেছেন ফেলিক্স। একটি করে গোল করেছেন রবার্ট লেভানডফস্কি এবং গাভি।
আর অন্য গোলটি ছিল আত্মঘাতী।
এ দিন অ্যান্টওয়ার্পের বিপক্ষে বার্সেলোনার এগিয়ে যেতে সময় লাগে মাত্র ১১ মিনিট। বার্সায় এসে নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাওয়া জোয়াও ফেলিক্সের গোলে লিড নেয় বার্সা। শুরুতে রবার্ট লেভানডফস্কির সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে ফেলিক্সের উদ্দেশে বাড়ান ইলকাই গুন্দোয়ান। সেই বলকে দারুণ ফিনিশিংয়ে জালের পথ দেখান ফেলিক্স।
এই গোলের রেশ কাটার আক্রমণের ধারায় দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে যায় বার্সা। এবার গোল করেন লেভা। এই গোলেও ছিল ফেলিক্সের অবদান। ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের বাড়ানো থ্রো বল ধরে ফেলিক্স বাড়ান লেভার উদ্দেশে। ওয়ান টাচ ফিনিশিংয়ে বাকি কাজটা সহজে সেরে ব্যবধান ২-০ করেন পোলিশ স্ট্রাইকার।
২২ মিনিটে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে সেই ব্যবধান ৩-০ করে ম্যাচ থেকে একরকম ছিটকে যায় অ্যান্টওয়ার্প। এরপর প্রথমার্ধের বাকি সময়েও ছিল বার্সার দাপট। যদিও বিরতির আগে আর কোনো গোলের দেখা পায়নি তারা।
বিরতির পর ৫৪ মিনিটে ব্যবধান ৪-০ করেন গাভি। লেভার অ্যাসিস্ট থেকে গোলটি করেন এই স্প্যানিয়ার্ড। আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখে ৬৬ মিনিটে দ্বিতীয় ও দলের ৫ম গোলটি আদায় করে নেন ফেলিক্স। রাফিনিয়ার ক্রস থেকে দারুণ হেডে বল জালে জড়ান এই পর্তুগিজ তারকা।

পাঁচ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর সুযোগ আরও এসেছিল বার্সার জন্য। এমনকি চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বকণিষ্ঠ গোলদাতা হওয়ার সুযোগও এসেছিল লামিনে ইয়ামালের সামনে। কিন্তু সেটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ইয়ামাল। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না পেলেও বড় জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে বার্সা।
একই রাতে রুদ্বশ্বাস লড়াইয়ের পর নাটকীয়ভাবে আতলেতিকো মাদ্রিদকে রুখে দিয়েছে লাৎসিও। এদিন ২৯ মিনিটে পাবলো বারিওসের গোলে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য লাৎসিওকে অপেক্ষা করতে হয়েছে যোগ করা সময়ের ৫ মিনিট পর্যন্ত। সেই সমতাসূচক গোলটি তারা পেয়েছে আবার গোলরক্ষকের মাধ্যমে। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে গোলরক্ষক ইভান প্রোভেডেলও উঠে আসেন ওপরে। আর সতীর্থ লুইস আলবার্তোর ক্রসে দারুণ এক হেডে দলকে সমতাতেও ফেরান এই গোলরক্ষক।

বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ চায় যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ বলেছেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ও সহযোগিতা হারাবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে অংশীদার হিসেবে দেখে। সংস্কার অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশকে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ব্রেন্ডন লিঞ্চ। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার কাঠামো চুক্তির (টিকফা) আওতায় আজ বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধিদল। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্রেন্ডন লিঞ্চ।

পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করতে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি শুল্ক দিতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারের জন্য বাংলাদেশ অনুরোধ করে আসছে। এ বিষয়ে ব্রেন্ডন লিঞ্চ বলেন, বাংলাদেশি পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক পণ্যের অনেক চাহিদা যুক্তরাষ্ট্রে। এখনো বাংলাদেশকে নির্ভরযোগ্য তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এমনকি কভিড-১৯ মহামারির সময়ও এটি ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক সরবরাহকারীদের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে আছে।
যুক্তরাষ্ট্র এখন তার বাজারে বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার সুবিধা (জিএসপি) ফিরিয়ে দিতে প্রস্তুত কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কর্মীদের অধিকারের ঘাটতি ও অনিরাপদ কাজের পরিবেশের কারণে বাংলাদেশ ২০১৩ সালে জিএসপি কর্মসূচির জন্য যোগ্যতা হারিয়েছিল। বিভিন্ন দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যে জিএসপি কর্মসূচি ছিল তার মেয়াদ ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়। আমরা এখন কংগ্রেসে জিএসপি কর্মসূচি আবারও অনুমোদন হওয়ার অপেক্ষায় আছি। ১০ বছর আগে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর কর্মীদের নিরাপত্তা মানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যে উন্নতি করেছে তার প্রশংসা আমরাও করি। তবে আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় বাংলাদেশে শ্রম অধিকারে এখনো ঘাটতি আছে। বিশেষ করে সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা ও সম্মিলিতভাবে দর-কষাকষির ক্ষেত্রে।

লিঞ্চ বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার কাঠামো চুক্তির (টিকফা) কাউন্সিলে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কে শ্রমিকদের অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অন্যতম সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। শ্রমিক সংগঠনগুলোর নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট জটিলতাগুলো দূর করতে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগগুলোর আমরা প্রশংসা করি। আমরা দেখছি, এ ক্ষেত্রে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, টিকফা কাউন্সিলের বৈঠকে আমরা শ্রমিক ও তাদের সংগঠকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা মোকাবেলার পাশাপাশি সংগঠনবিরোধী বৈষম্য ও অন্যান্য অন্যায্য শ্রমচর্চা দূর করার ওপরও জোর দিচ্ছি। বকেয়া বেতনের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে সম্প্রতি শ্রমিক নেতা শহিদুল ইসলাম হত্যার শিকার হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে, বাংলাদেশে এখনো সংগঠক ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে শ্রম ও শ্রমিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতামূলকভাবে সম্পৃক্ত থাকার পরিকল্পনা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাওয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো বিষয় আছে কিনা জানতে চাইলে ব্রেন্ডন লিঞ্চ বলেন, শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনসম্মত কর্তৃপক্ষ হলো যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস। বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) দপ্তরের অগ্রাধিকারমূলক সুবিধাবিষয়ক কর্মসূচি চালুর কোনো আইনি সামর্থ্য নেই।

এলডিসি উত্তরণের পর বেশ কিছু বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা কমে যাবে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারকে শক্তিশালী রাখতে যুক্তরাষ্ট্র এ ক্ষেত্রে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য উত্তরণে ইঙ্গিত মেলে যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে কতটা উন্নতি করেছে। এলডিসি থেকে উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক খবর। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আরও সংস্কার করতে হবে। এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশ যাতে প্রতিযোগিতামূলক থাকে, তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হলো বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কার, বিশেষ করে সংগঠনের স্বাধীনতা, যৌথ দর-কষাকষি এবং অন্যায্য শ্রম অনুশীলনের দিকে মনোনিবেশ করা। বাংলাদেশের শ্রম আইনকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম মানদণ্ডের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করা হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি কর্মসূচির যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণে সহায়ক হতে পারে। এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশ সমর্থন ও সহযোগিতা হারাবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে অংশীদার হিসেবে দেখে। সংস্কার অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশকে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত ২০২৩ সালের বিনিয়োগ পরিবেশবিষয়ক বিবৃতির বাংলাদেশ অধ্যায়ে বলা হয়েছে, সাধারণ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ-এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
যুক্তরাষ্ট্রের কম্পানিগুলো কোথায় বিনিয়োগ করবে তা বিবেচনার ক্ষেত্রে স্থিতিশীল রাজনৈতিক ও নিরাপদ পরিবেশ খুব জরুরি। কম্পানিগুলো যদি মনে করে, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সক্ষম, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। যে দেশগুলো দীর্ঘ মেয়াদে স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে, সেই দেশগুলো বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো বাধা আছে কিনা জানতে চাইলে ব্রেন্ডন লিঞ্চ বলেন, বাংলাদেশের নিশ্চিত করা উচিত যে তার একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো আছে এবং ওই কাঠামো নিরপেক্ষ ও ন্যায্য। বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা উচিত। এগুলো সুষ্ঠু বিনিয়োগের পরিবেশকে উৎসাহিত করে। বাংলাদেশে ব্যবসা আছে এমন মার্কিন কম্পানিগুলোর কাছ থেকে একটি চ্যালেঞ্জের কথা আমরা শুনি। আর তা হলো বকেয়া পরিশোধসহ ব্যবসা ও চুক্তি সংক্রান্ত বিরোধগুলো যদি বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় ঢুকে পড়ে, তবে সেগুলোর সমাধান হতে কয়েক বছর লাগতে পারে। এই দেরির ঘটনাগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশের ধারণাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। মার্কিন কম্পানিগুলো যাতে অভিযোগ ও মামলা ন্যায্য, ন্যায়সংগত ও দক্ষ পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে পারে, সে জন্য আমরা বাংলাদেশকে বিচারব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়টি বিবেচনা করার পরামর্শ দিই।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত বছর সমৃদ্ধির জন্য ইন্দো-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক কাঠামো (আইপিইএফ) চালু করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র কি বাংলাদেশকে ওই ফোরামে চায়? ওই ফোরামে গেলে বাংলাদেশের কী লাভ হবে-এমন প্রশ্নে ব্রেন্ডন লিঞ্চ বলেন, আমরা আনন্দিত যে ইন্দো-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক কাঠামো (আইপিইএফ) প্রাথমিকভাবে শক্তিশালী অংশীদার ও বৈচিত্র্যময় গোষ্ঠীকে নিয়ে চালু করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ফলাফল দেওয়ার দিকে মনোনিবেশ করছি। যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট বলেছে, নতুন সদস্য নেওয়ার বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত ঐকমত্যের ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
ব্রেন্ডন লিঞ্চ বলেন, ২০১৩ সালে টিকফা চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে শক্তিশালী করপোরেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং টেকসই ও সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ অনুশীলনসহ দায়িত্বশীল ব্যাবসায়িক আচরণের বিষয়ে জোরালো পরামর্শ দিচ্ছে। কারণ এ বিষয়গুলো বিনিয়োগকারীদের কাছে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আগামী দিনগুলোর পূর্বাভাস পাওয়া যায়, এমন স্বচ্ছ সরকারি নীতিও যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ আকর্ষণের চাবিকাঠি।

সুন্দরী প্রতিযোগিতা নিয়ে ক্ষেপেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

মালদ্বীপে গত বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত হয় ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান’ নামের একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতা। কয়েকশ তরুণীর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই শেষে সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হন এরিকা রবিন (২৪) নামের এক তরুণী। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন পাকিস্তানের কয়েকশ তরুণী। বিভিন্ন ধাপ পার করে সেরা পাঁচজনকে নিয়ে মালদ্বীপে এটির চূড়ান্ত আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছরের নভেম্বরে এল সালভাদরে বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করার কথা রয়েছে তার।

তবে সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়ে, এখন উল্টো বিপদে পড়ে গেছেন পাকিস্তানের করাচির এই তরুণী। পাকিস্তানের ভেতর থেকেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষেপেছেন পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার কাকারও। তিনি দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছেন, কীভাবে পাকিস্তানের নাম ব্যবহার করে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে সেটি যেন খুঁজে বের করা হয়। এছাড়া ধর্মীয় নেতারাও এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
এছাড়া কাকার এই আয়োজনকে ‘লজ্জাজনক’ এবং ‘পাকিস্তানের নারীদের জন্য সম্মানহানিকর ও শোষণ’ বলে অভিহিত করেছেন বলে জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান এখন পর্যন্ত নিজেদের কোনো তরুণীকে বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেয়নি।
তবে তীব্র সমালোচনা ও নিজের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে যাওয়ায় এরিকা রবিন জানিয়েছেন, তিনি নিজেই আর বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকাকে এ তরুণী জানিয়েছেন, প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, এ বিষয়টিকে তিনি দেশের জন্য অনেক বড় দায়িত্ব মনে করেছিলেন। কিন্তু এখন তিনি আর এতে অংশ নেবেন না।

সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিজ্ঞাপন দেখে আরও কয়েকশ তরুণীর মতো এতে নাম লেখান প্রফেশনাল মডেল এরিকা

তিনি বলেছেন, ‘আমার দেশের সম্মানের ক্ষতি হবে এমন কোনো কিছু আমি করব না। ’
এদিকে ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান’ এই সুন্দরী প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছিল দুবাইভিত্তিক সংস্থা ইয়ুগেন গ্রুপ। গত মার্চে পাকিস্তানে সুন্দরী প্রতিযোগিতার ঘোষণা দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে সংস্থাটি। তাদের এ বিজ্ঞাপন দেখে প্রফেশনাল মডেল এরিকাসহ কয়েকশ তরুণী এতে আবেদন করেন।

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা ডব্লিউএইচও প্রধানের

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক (ডিজি) টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৮তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাত্যহিক কার্যক্রমের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ‘ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক বাংলাদেশের সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি উদ্ভাবন। সেখান থেকে মানুষ বিনামূল্যে ৩০টিরও বেশি ওষুধ পাচ্ছেন।
আব্দুল মোমেন বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাদেশে শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার দ্রুত কমাতে সাহায্য করেছে। সুতরাং এতে মানুষের গড় আয়ু অনেক বেড়েছে।
তিনি বলেন বলেন, আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালককে বলেছি, বাংলাদেশ অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময় করতে চায়।