শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী ক্ষমতায় না থাকলে দেশ আবার অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে। তবে আমি জানি, বাংলাদেশের মানুষ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাইবে না।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির হলিডে একপ্রেস ইন হোটেলে আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি-জামায়াত সরকারের ২৯ বছরকে অন্ধকারের যুগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের (বিএনপি) শাসনামলে নিজেদের ভাগ্য গড়তে অনেকে ব্যস্ত থাকায় তারা জনগণের জন্য কিছুই করেনি।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত চক্র বাংলাদেশের মানুষের জীবন থেকে ২৯ বছর মুছে দিয়েছে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশব্যাপী ব্যাপক উন্নয়ন করে অনেক বছরের ঘাটতি পূরণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সরকারের রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী ২০০৯ সাল থেকে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে দেশ পরিচালনা করায় বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার ২০২৬ সাল থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং যার জন্য সরকার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে যাত্রাকে মসৃণ করার উপায় খুঁজে বের করতে মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি জানি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের যাত্রায় কোনো জটিলতা হবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচন এ কারণে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের অংশ হিসেবে আমরা ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে একটি কমিটি গঠন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ এখনো বিশ্বাস করে যে, আওয়ামী লীগই পারে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে এবং দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার বাবা, মা, ভাইসহ সবকিছু হারানোয় দেশের জনগণ তার কাছের মানুষ ও প্রিয়জন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ আমার শক্তি। দেশবাসী আমার পরিবার এবং আমি এটা মাথায় রেখে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি।

সরকারপ্রধান বলেন, তারা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বিনামূল্যে বাড়ি দিচ্ছেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, আড়াই কোটি শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দিচ্ছেন যাতে দেশবাসী আর কষ্ট না পান।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে আমরা পরিকল্পিতভাবে সবকিছু করে যাচ্ছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশের মানুষের কেউ গৃহহীন ও অতি দরিদ্র থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করছি। এখন উন্নয়নের পথে যাত্রা অব্যাহত রাখায় দেশকে একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছি।

তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, সতর্ক থাকুন, কারণ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে যাতে কেউ আর ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

বিএনপি-জামায়াতকে সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা বিশ্ব অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাদের (বিএনপি-জামায়াত চক্র) চরিত্রের এখনো পরিবর্তন হয়নি। তাই, তারা ষড়যন্ত্র করে এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশকে ধ্বংস করতে নেমেছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, দেশে-বিদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ দেখিয়ে দিয়ে আমাদের তাদের উচিত শিক্ষা দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতা-কর্মীদের আমেরিকায় তাদের এলাকার কংগ্রেসম্যান, সিনেট সদস্য এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করতে বলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়নের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াত চক্রের বাংলাদেশকে ধ্বংসের মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তাদের অবহিত করার আহ্বান জানান।

আওয়ামী সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণেই বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। এতো নিষ্ঠা ও ভালোবাসা নিয়ে দেশের উন্নয়নে আর কেউ কাজ করবে না। আমরা চাই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক এবং এক্ষেত্রে কেউ যেন বাধা সৃষ্টি করতে না পারে।

প্রধানমন্ত্রী ১৭ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৮তম অধিবেশনের এর ফাঁকে অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগদানের পর নিউইয়র্ক থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসি পৌঁছেন।

২১ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও প্রধানমন্ত্রী মানুষের পাশে থেকেছেন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ২১ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও এদেশের মানুষের পাশ থেকে কখনো সরে যাননি। জনগণকে উন্নত এবং আধুনিক জীবন উপহার দেওয়ার জন্য তিনি নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে সিম্পল লিভিং হাই থিংকিং জীবন দর্শন দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত স্মার্ট চিলড্রেন কার্নিভালে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের নিয়ে কেক কাটার সময় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নগরীতে শিশুদের জন্য আয়োজন একেবারে কম থাকে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কর্ণধারদের আনন্দ দিতে তেমন উদ্যোগ নেই বললেই চলে। সেজন্যই বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের নিয়ে একটি আনন্দঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করতেই এই বিশেষ আয়োজন হাতে নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। কেননা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। ভবিষ্যৎ স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরির জন্য রূপকল্প দিয়েছেন। ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সুবিধাসহ মৌলিক চাহিদা পূরণ করে আমাদেরকে একটি মধ্যম আয়ের মর্যাদাশীল বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আইসিটি সচিব মো. সামসুল আরেফিন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলা একাডেমির চিত্রশালায় আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে শুরু হয়েছে চারদিনের স্মার্ট চিলড্রেন কার্নিভ্যাল। চিলড্রেন কার্নিভ্যালে শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ইন্টারেক্টিভ গেমিংসহ খেলতে খেলতে পরিবেশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং ডিজিটাল সংযোগ নিয়ে জানার ও শেখার ব্যবস্থা রয়েছে।

শেখ হাসিনার জন্মদিনে আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলটি এ আয়োজন করে। দলের নির্বাচনি ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির প্রথম সভায় শুরুতে এ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি ড. সিরাজী মোনাজাত পরিচালনা করেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বাক ড. আবদুর রাজ্জাক সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির সদস্য সচিব ড. সেলিম মাহমুদ, ড. বজলুল হক খন্দকার, অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ড. শামসুল আলম, ডা. দীপু মনি, অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম, শেখর দত্ত, ড. মাকসুদ কামাল, ড. মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক খায়রুল হোসেন, সাজ্জাদুল হাসান, তারানা হালিম, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, জুনায়েদ আহমেদ পলক, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল প্রমুখ।

ঢাকাসহ সব বড় শহর বৈদ্যুতিক তারমুক্ত হবে : নসরুল হামিদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ঢাকার আশপাশসহ চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা শহরের বৈদ্যুতিক তার আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ধানমন্ডি ৩ নং রোডে ডিপিডিসির জিটুজি প্রকল্পের ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার চলমান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধানমন্ডি ৩ নম্বর রোডের সব তার সরিয়ে ফেলা হয়েছে, এটা এখন মাটির নিচ দিয়ে চলে গেছে। প্রকল্পটি ৪ বছর আগে গ্রহণ করা হয়েছিল।নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের যে লক্ষ্যমাত্রা, তা এর মাধ্যমে শুরু করা হলো।

তিনি বলেন, আন্ডারগ্রাউন্ড করার ফলে লোড নিয়ে কাজ করা যায়, লোড কন্ট্রোল করা যায়, সর্বোপরি গ্রাহকসেবার মান উন্নত হয়। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য পুরো ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোকে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলে নিয়ে যাওয়া। এরইমধ্যে সে পরিকল্পনা করা হয়ে গেছে। কোভিডের কারণে আমরা পিছিয়ে গিয়েছিলাম, তাই এখন দ্রুতগতিতে সব সম্পন্ন করতে হচ্ছে।

নসরুল হামিদ বলেন, তারের জন্য গাছ কাটতে হতো, ঝড়ে তার ছিঁড়ে যেত। ফলে বিভিন্ন স্থানে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকতো না। তবে তার আন্ডারগ্রাউন্ড করার ফলে সেসবের আর আশঙ্কা নেই, এতে করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের তার আন্ডারগ্রাউন্ড হলেও ক্যাবল টিভি ও ইন্টারনেটের তারগুলো আন্ডারগ্রাউন্ড হয়নি। আমরা সংশ্লিষ্টদের বলেছি দ্রুত যেন তারাও আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায়। এতে করে শহরের সৌন্দর্য বাড়বে।

ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, ধানমন্ডি এলাকার ৩৪টি রোডের ওভারহেড বিতরণ লাইন আন্ডারগ্রাউন্ড লাইনে রূপান্তর করা হচ্ছে। এই এলাকার বর্তমানে বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ৩০ মেগাওয়াট। আগামী ২৫ বছরের লোড গ্রোথ বিবেচনায় এই এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ডিজাইন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এরইমধ্যে ৮টি রাস্তার আন্ডারগ্রাউন্ড লাইনে রূপান্তরের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ১১টি রাস্তার আন্ডার লাইনে রূপান্তরের কাজ চলমান আছে।আশা করছি আগামী বছরের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শতভাগ বাস্তবায়ন হবে।

ঢাকায় মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৯

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

এ সময় গ্রেপ্তারদের কাছে থেকে মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া ডিএমপির বিভিন্ন থানায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ৩০ টি মামলা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, ডিএমপির নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে থেকে থেকে ৯৫ গ্রাম হেরোইন, ৭০ বোতল ফেন্সিডিল, ১০৯৩১ পিস ইয়াবা, ৭১ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ৬ লিটার বিদেশিমদ ও ১৪ লিটার দেশিমদ জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩০টি মামলা রুজু হয়েছে।

ঈদে মিল্লাদুন্নবী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে ধর্মীয় শোভাযাত্রা

রাজধানীতে প্রতি বছরের মতো এবারও হাজারো নবীপ্রেমীর অংশগ্রহণে জশনে জুলুস র‌্যালি বের করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে এই ধর্মীয় শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) এবং লিবারেল ইসলামিক জোটের চেয়ারম্যান ও মাইজভান্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ধর্মীয় শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শাহবাগ, মৎস্য ভবন ও দোয়েল চত্বর হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শান্তি মহাসমাবেশে মিলিত হয়।

শোভাযাত্রা ও শান্তি মহাসমাবেশে অংশগ্রহণ করতে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন বিভাগ, জেলা, উপজেলা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হয় হাজার হাজার জনতা।

শোভাযাত্রার অগ্রভাগে দৃষ্টিনন্দন বড় বড় হরফে লেখা ছিল ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’, ‘ইয়া রাসুল সালামু আলাইকা’। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) ও আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়ার ব্যবস্থাপনায় জশনে জুলুসে কলেমা খচিত পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন ছাড়াও বাংলাদেশের বিশাল জাতীয় পতাকা বহন করে অংশগ্রহণকারীরা। ‘নারায়ে তকবির, নারায়ে রেসালত’য়ের স্লোগানে স্লোগানে রাজধানীর রাজপথ মুখরিত করে তোলেন তারা।

এদিকে শান্তি মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন হুজুর কেবলা সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী। সঞ্চালনা করবেন পীরজাদা মুফতী মাওলানা বাকী বিল্লাহ আল-আযহারী ও শায়খ আজমাঈন আসরার।

এতে অতিথি ও আলোচক থাকবেন ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, লিবারেল ইসলামিক জোটের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ জনদলের (বিজেডি) চেয়ারম্যান ও লিবারেল ইসলামিক জোটের কো-চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী, মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও মইনীয়া যুব ফোরাম সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মেহবুব-এ-মইনুদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও মইনীয়া যুব ফোরামের নির্বাহী সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক-এ-মইনুদ্দীন।

আরও থাকবে এফবিসিআই পরিচালক মো. রেজাউল করিম রেজনু, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক আকন্দ, মাওলানা রুহুল আমিন ভূঁইয়া চাঁদপুরী, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. মো. আব্দুল আজিজ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার সহসভাপতি মো. কবীর চৌধুরী, অ্যাড. মো. ওয়াজ উদ্দিন মিয়া, মহাসচিব মো. আলমগীর খান ও হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ট্রাস্টের মহাসচিব কাজী মহসীন চৌধুরী।

মাশরাফি ভাইকে অধিনায়ক করলে মানুষ খুশি হবে : সাকিব

সদ্য সমাপ্ত এশিয়া কাপের আগ মুহূর্তে এসে নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন তামিম ইকবাল। এরপর সাকিব আল হাসানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর সাকিব বিশ্বকাপের আগে এসে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। গত ১৭ তারিখ তিনি পদত্যাগের জন্য বিসিবিকে মেইলও করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তিনি। বিশ্বকাপের আগে এসে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে ভক্তদের মধ্যে।

এমন সংকট নিরসনে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে মিস করছে বাংলাদেশ, এমনটাই ধারণা সাকিবের। বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, এখনো মাশরাফিকে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক করা হলে দেশের ক্রিকেট ভক্তরা খুশি হয়ে যাবে।

গতকাল দেশের এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে সাকিব বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এখনো যদি বলি মাশরাফি ভাইকে অধিনায়ক হিসেবে ২৩ এর বিশ্বকাপ খেলালে ভালো হতো; সবাই খুশি হয়ে যেত। আমি সাইকোলজিটা (সাধারণ মানুষের) বুঝতে পারি। তারা খুবই সহজ-সরল। এ কারণে তারা আসলে এভাবে চিন্তা করে যে, মাশরাফি ভাই যদি এখনো খেলোয়াড় কিংবা অধিনায়ক হিসেবে আসে বা দলের অংশ হয়, সবকিছু অন্যরকম হয়ে যাবে।’

গত ১১ আগস্ট তৃতীয় দফায় ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব নেন সাকিব। তখনই বলা হয়েছিল, সদ্য সমাপ্ত এশিয়া কাপ ও ভারত বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। আর গতকাল সাকিব জানালেন, বিশ্বকাপ শেষেই নেতৃত্ব ছাড়বেন তিনি।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘এই বিশ্বকাপই শেষ। এরপর একদিনও (অধিনায়কত্ব) করবো না। যে কারণে আমি এশিয়া কাপের আগে নিতে চাইনি। এরপরও এটা না। আমার কাছে মনে হয়েছে আমি হাসতে চাই, খেলতে চাই, পারফর্ম করতে চাই। এই একটা কারণে আমি করতে চাইনি।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে স্মার্ট বাংলাদেশ : রাষ্ট্রপতি

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বর। এ উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়ে উঠবে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর দেশের এক ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে শেখ হাসিনার জন্ম। শৈশব থেকেই তিনি দেখেছেন তার পিতা বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব, সংগ্রামী জীবন এবং দেশ ও গণমানুষের রাজনীতি। যুক্ত হয়েছেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনসহ বাঙালির অধিকার আদায়ের সব লড়াই-সংগ্রামে।

তিনি বলেন, জাতির পিতার কন্যা হওয়া সত্ত্বেও ছোটবেলা থেকেই শেখ হাসিনার জীবনযাপন ছিল সহজ-সরল, সাদামাটা। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু কারাভোগকালে তিনি বঙ্গমাতার সহযোদ্ধা হিসেবে ভাই-বোনসহ পরিবার পরিজনকে আগলে রাখতেন। তার চলার পথ কখনও কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন।

‘শহীদ হন মা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ অনেক আপনজন। শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা সেসময় তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান। মা, বাবা, ভাইসহ আপনজনদের হারানোর বেদনা বুকে ধারণ করে পরবর্তী ছয় বছর লন্ডন ও দিল্লিতে চরম প্রতিকূল পরিবেশে নির্বাসিত জীবন কাটান। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে গ্রেনেড হামলাসহ বহুবার তার ওপর হামলা হয়েছে। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতই প্রতিবার তাকে এসব বিপদ থেকে রক্ষা করেছে।’

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ১৯৮১ সালে ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। যা ছিল আওয়ামী লীগের একটি সঠিক ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে স্বজন হারানোর বেদনা বুকে নিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০-এর গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন হয়, বিজয় হয় গণতন্ত্রের। প্রতিষ্ঠা পায় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, শুরু হয় গণতন্ত্র আর উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।

‘১৯৯৬ সালের ১২ জুন সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। এসময় ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তিচুক্তি এবং প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার টানা তিনবার ক্ষমতায় আসে। এসময় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকরসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম শুরু ও রায়ের বাস্তবায়ন, সমুদ্রে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত স্থল সীমানা নির্ধারণ তথা ছিটমহল বিনিময় চুক্তি হয়। শেখ হাসিনার হাত ধরেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের পথে এগিয়ে যায় দেশ।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য নেতৃত্ব, সাহসিকতা, বলিষ্ঠ পদক্ষেপ এবং যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু উত্তাল পদ্মার বুকে জাতির গৌরবের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তিনিই আমাদের বিশ্বদরবারে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছেন। পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়নের পথ ধরে কর্ণফুলী টানেল, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বৃহৎ প্রকল্পগুলো সমাপ্তির পথে। দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে তিনি অবিরাম সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। গৃহহীনদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা, সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি চালুসহ জনকল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ দেশের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসছেন। দেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করতে তিনি রূপকল্প ‘ভিশন ২০২১’ এর সফল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ‘ভিশন ২০৪১’ কর্মসূচিসহ বাংলাদেশ ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা (ডেল্টা প্ল্যান ২১০০) গ্রহণ করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গড়ে উঠবে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’- ইনশাল্লাহ।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ-সমৃদ্ধি ও অব্যাহত কল্যাণ কামনা করেন।

বড় জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অস্ট্রেলিয়া

সর্বশেষ ৫ ম্যাচেই হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। হারের কারণ হিসাবে বারবার সামনে আসছিল বোলিং পারফরম্যান্স। ভারতের বিপক্ষে গতকাল রাজকোটে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে বোলাররা অবশ্য ভালোই করেছেন। তবে তার আগে মূল কাজটা করে রেখেছিলেন ব্যাটসম্যানরাই। এতেই ভারতকে ৬৬ রানে হারিয়ে ধবলধোলাই এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

টসে জিতে ব্যাটিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়াকে দারুণ শুরু এনে দেয় ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের ওপেনিং জুটি। ৮ ওভারেই দুজন তোলেন ৭৮ রান। ৩২ বলে ফিফটি করা ওয়ার্নার অবশ্য বেশি দূর যেতে পারেননি। তাতে অবশ্য সমস্যা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে ৯০ রানের পর প্রথম ২০ ওভারে ওঠে ১৪৬ রান।

দ্বিতীয় উইকেটে মার্শ ও স্টিভেন স্মিথের জুটিতে ওঠে ১১৯ বলে ১৩৭ রান। মার্শ সেঞ্চুরি পাননি ৪ রানের জন্য, তার আউটেই ভাঙে সে জুটি। স্মিথও এরপর বেশিক্ষণ টেকেননি, ৬১ বলে ৭৪ রান করে থামেন তিনি। এরপর মারনাস লাবুশেন একপ্রান্ত আগলে রাখলেও মিডল অর্ডারে বড় জুটি হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৫২ রান তুলেছে তারা।

শুবমান গিলের অনুপস্থিতিতে রোহিত শর্মার সঙ্গে রান তাড়ায় ভারতের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ওয়াশিংটন সুবিধা করতে পারেননি, ৩০ বল খেলে করেছেন ১৮ রান। তবে রোহিতের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে আসে ৭৪ রান, ১১তম ওভারে থামেন ওয়াশিংটন।

রোহিতের ৫৭ বলে ৮১, কোহলির ৬১ বলে ৫৬ ভারতকে লড়াইয়ে রেখেছিল ভালোভাবেই। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার করেন ৪৩ বলে ৪৮ রান। কিন্তু কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি, এমন রান তাড়ায় যেটির খুব দরকার ছিল। প্রথম ৩০ ওভারে উইকেট ধরে রাখলেও পরে গিয়ে আর পারেনি ভারত, রান ও বলের সমীকরণও মেলাতে পারেনি স্বাগতিকেরা। ফলে ভারত আটকে গেছে ২৮৬ রানে।

সালমানের টাইগার থ্রির টিজার নিয়ে যা বললেন শাহরুখ

‘টাইগার থ্রি’ সিনেমার প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসতেই ‘জাওয়ান’ কানেকশন খুঁজে পেয়েছে নেটিজেনরা। এবার সালমান খানের হয়ে গলা ফাটালেন শাহরুখ খান। দুই খানের বন্ধুত্বের কথা বলিউড ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনুরাগীমহলের সবারই জানা। এবার টাইগার থ্রির হয়ে গলা ফাটালেন বলিউড কিং শাহরুখ।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুটের অবসরে এক্স হ্যান্ডেলে প্রশ্নত্তোর পর্ব করেন শাহরুখ। সেখানেই ভক্তরা টাইগার থ্রির প্রথম ঝলক টিজার নিয়ে কিং খানের প্রতিক্রিয়া জানতে চান। নজর এড়ায়নি তার। জওয়ান-এর হাজার কোটির ক্লাবে প্রবেশের উদযাপনের মাঝেই সালমানের আগামী সিনেমার প্রচার করলেন শাহরুখ।

টাইগার থ্রির টিজারের ব্যাপারে তিনি বলেন, এটা তো টিজার শুধুমাত্র। টাইগার… পিকচার অভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত… এটা দুর্ধর্ষ সিনেমা হতে চলেছে।

আরেক স্ট্যাটাসে শাহরুখ বলেন, ভাই ভাই-ই হয়… টাইগার থ্রির ঝলক দারুণ লেগেছে।

প্রসঙ্গত, টাইগার থ্রির টিজারের জন্য বছরখানেক ধরেই অধীর আগ্রহে ছিলেন ভক্তরা। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান হলো। এদিকে, টিজার রিলিজ করেই যেন দিওয়ালির বক্স অফিসে দামামা বাজানোর ঘোষণা দিলেন সালমান। অন্যদিকে, একঝলক টিজার দেখেই ‘ভাইজান’ ভক্তরা ভবিষ্যদ্বাণী করে ফেলেছেন যে, শাহরুখের ব্লকবাস্টার দুই সিনেমা পাঠান ও জাওয়ানের হাজার কোটির রেকর্ডও ভেঙে ফেলবেন সালমান।