শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেওয়ার বিষয়ে আইন মেনে পরবর্তী ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা আছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, এ বিষয়ে আইন মেনেই পরবর্তী সময় ব্যবস্থা নিতে হবে।
আজ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটশনে জেলা ও সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন নেতাদের প্রতিনিধি সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে তার ভাইয়ের করা আবেদনে জটিলতা থাকায় তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তারা মতামত দিলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ জন্য তাকে আইনি প্রক্রিয়া মোকাবিলা করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া কয়েকটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তিনি কারাগারে ছিলেন। কিন্তু তার স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে বাসায় থেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যাতে তিনি উন্নত চিকিৎসা পান, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তাকে বিদেশে নিতে তার ভাই একটি আবেদন করেছিলেন। কিন্তু এখানে আইনি জটিলতা রয়েছে। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। এরপর কিছু করতে হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থায় যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রীও গতকাল এটা নিয়ে ব্রিফ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে নিরাপত্তা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সড়কে চারটি দেশকে স্পেশাল সিকিউরিটি দিয়ে আসছিলাম। এমনিতে তাদের দূতাবাসে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রয়েছে। আমি সংখ্যায় বলছি না, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে সর্বোচ্চ পুলিশ পাহাড়ায় নিয়োজিত আছে।

তিনি বলেন, যখন তারা বাইরে যান আমরা গাড়ির একটা প্রটেকশন দিতাম। কিছু মন্ত্রীর ক্ষেত্রে যেমন সামনে-পেছনে পুলিশের গাড়ি থাকে এমন চারটি দেশের রাষ্ট্রদূত চলাচলের সময় সে ধরনের প্রটেকশন দিতাম।
আমরা সেই রাস্তার প্রটেকশনে পুলিশের পরিবর্তে আনসার গার্ড রেজিমেন্ট নিয়োগ করেছিলাম। যারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম ও সেনাবাহিনী থেকে সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আমরা চেয়েছি রাস্তায় চলাচলের নিরাপত্তায় আনসার গার্ড রেজিমেন্ট থাকবে এবং একজন পুলিশ কমান্ডার থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে চারটি দেশের রাষ্ট্রদূতকে এটি দেওয়া হয়েছে, সেটি তারা মেনে নিয়েছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র একটু আপত্তি জানিয়েছে। এরপরও তারা মনে করলে এটা নিয়ে আমরা ভবিষ্যতে কথা বলব, চিন্তা করব।
এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না, আমরা আলোকিত বাংলাদেশে থাকতে চাই। অন্ধকারাচ্ছন্ন আর না খেয়ে থাকার বাংলাদেশকেও আপনারা দেখেছেন। আজ সারাদেশ মনে করে তারা আর অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে না। আপনাদের কাছে আহ্বান সেটিই, আপনারা এ ধারা অব্যাহত রাখবেন। আপনাদের মাধ্যমে আমরা আলোকিত বাংলাদেশ দেখতে চাই, স্মার্ট বাংলাদেশ দেখতে চাই।

‘বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে মতামত জানানো হবে রোববার’

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্যে বিদেশে নিতে করা আবেদনের বিষয়ে মতামত জানানো হবে আগামীকাল রোববার (১ অক্টোবর)।
আজ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান আনিসুল হক।

জানা গেছে, এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর এই আবেদন করা হয়। এর আগে ভয়েস অব আমেরিকায় এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি নিতে হলে আবার খালেদা জিয়াকে করাগারে যেতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার আবেদন করতে হলে কারাগারে যেতে হবে, এ বিষয়ে আপনি কি বলবেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে করা আবেদন নিয়ে আজ এখন কিছু বলতে চাই না। এটা নিয়ে রোববার (১ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে। কী সিদ্ধান্ত হবে সেটি সেখানেই বলব, আজ নয়।
দণ্ডপ্রাপ্তদের বিষয়ে কোনো আবেদন করলে সেটি নিয়ম অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে করতে হয়। তাই আইন মোতাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনি মতামতের জন্য সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ চেয়ে তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এ বিষয়ে মতামতের জন্য আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সেদিনই সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে আইনের বিদ্যমান অবস্থান থেকে সরকারের আর কিছু করার নেই। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ (১)-এর ধারার ক্ষমতাবলে শর্ত যুক্তভাবে তার সাজা স্থগিত রেখে শর্তযুক্ত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহানুভবতায়। এখন আইনের যদি কোনো পরিবর্তন আনতে হয় তাহলে খালেদা জিয়াকে দেয়া শর্তযুক্ত মুক্তি আগে বাতিল করতে হবে। বাতিল করে আগের অবস্থায় যাওয়ার পর আবার অন্য বিবেচনা করা যাবে।
এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে গিয়েই বিদেশ যাওয়ার আবেদন করতে হবে। বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিতে হলে তাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে। তখন আগের আদেশ বাতিল হয়ে যাবে। আদেশ বাতিল হয়ে গেলে তিনি (খালেদা জিয়া) বাইরে থাকতে পারবেন না।

নবীজীর আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই সফলতা ও শান্তি নিহিত : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি বলেছেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)’র সুমহান আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যেই মুসলমানদের অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা ও শান্তি নিহিত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামালপুরের ইসলামপুরে ফাউন্ডেশন আয়োজনে উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামীক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ১৪৪৫ হিজরী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন- আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর সুমহান আদর্শ ও সুন্নাহ বিশ্ববাসীর জন্য উৎকৃষ্টতম অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় এবং এর মধ্যেই মুসলমানদের অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা ও শান্তি নিহিত রয়েছে। তাঁর অমিত সাহস, ধৈর্য ও বিচক্ষণতা তখনকার মানুষকে যেমন বিমুগ্ধ করে, তেমনি অনাগত মানুষের জন্যও শান্তি প্রতিষ্ঠার আদর্শ ও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
মুফতি উমর ফারুকের সভাপতিত্বে সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আঃ সালাম,সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার জাকিউল হক, আঃ খালেক আকন্দ, প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
পরে ইদে মিলাদুন্নবী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

‘শাহরুখের সঙ্গে পাঙ্গা নিও না’, প্রভাসকে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবাণী!

তেইশের বড়দিনে বক্স অফিসের অঙ্কটা সত্যিই কঠিন হতে চলেছে। কারণ ২২ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে শাহরুখ খানের ‘ডাঙ্কি’। আর ওই একই দিনে রিলিজ করছে প্রভাসের ‘সালার’। দুই তরফেই মুক্তির দিনক্ষণে অফিশিয়াল সিলমোহর বসানো হয়েছে। আর বলিউড বনাম দক্ষিণী দুই তারকার বক্স অফিস যুযুধান নিয়েই কপালে ভাঁজ সিনে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সাল যে শাহরুখের কেরিয়ারে ম্যাজিক ফিগার, ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’-এর বক্স অফিস অঙ্কই সেটা প্রমাণ করে দিয়েছে। দুটি ব্লকবাস্টার উপহার দেওয়ার পর এবার বড়দিনে ‘ডাঙ্কি’র পালা। উপরন্তু পরিচালক রাজকুমার হিরানি এবং শাহরুখ সমীকরণ। অতঃপর বড়দিনে সিনেপর্দায় যে বড় চমক পেতে চলেছেন দর্শকরা, তা হলফ করে বলা যায়।
অন্যদিকে, প্রভাসের এখন মন্দা বাজার। বক্স অফিসে ‘আদিপুরুষ’ ঢাহা ফ্লপ। উপরন্তু সিনে সমালোচকদের কলমেও ভাল নম্বর জোটেনি। প্রতিবেশী দেশেও বিতর্কের মুখে পড়েছিল প্রভাসের এই ছবি। সেই আবহে মুক্তি পাওয়া ‘সালার’-এর টিজারেও মুখ দেখা যায়নি দক্ষিণী সুপারস্টারের। অতঃপর বাহুবলী যে বক্স অফিসের লড়াইয়ে জিততে মরিয়া হবেন, তা বলাই বাহুল্য। আর সেই প্রেক্ষিতেই সিনে সমালোচকরা আগেভাগে প্রভাসকে সতর্কবাণী দিয়ে দিলেন। অনেকেরই দাবি, “শাহরুখের ছবির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামা হয়তো বুদ্ধিমত্তার হবে না। যদিও ‘সালার’ নির্মাতারা রিলিজের দিন নড়চড় করতে নারাজ! শুক্রবার টুইট করে তাতে সিলমোহরও বসিয়েছেন।
বক্স অফিসে ‘ডাঙ্কি’ বনাম ‘সালার’ প্রসঙ্গে জনপ্রিয় সিনে বাণিজ্য বিশ্লেষক তরণ আদর্শের মন্তব্য, “মোটেই ভাল না। ইন্ডাস্ট্রির জন্য অন্তত স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ এতে ব্যবসা ভাগাভাগি হবে। তাছাড়া হলে শো টাইমিং ভাগ করা নিয়েও চিন্তায় পড়বেন মালিকেরা। রিলিজের আগেই একটা তিক্ততার সৃষ্টি হবে। ওদের উচিত ছিল অন্য কোনও দিন নির্বাচন করা। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ব্যক্তিগত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চয় আছে। তবে ব্যবসায়িক দিক থেকে ভাবলে ফলাফল ভাল নয়। ‘ডাঙ্কি’ তো আগে থেকেই ঘোষণা করে দিয়েছিল যে ২২ ডিসেম্বর রিলিজ করবে। ‘সালার’ নির্মাতাদের অন্তত বুঝেশুনে পদক্ষেপ করা উচিত ছিল।”

আরেক সিনে বাণিজ্য বিশ্লেষক রমেশ বালা বলছেন, “দেশে হয়তো ১০ হাজার স্ক্রিন রয়েছে। এবার ‘ডাঙ্কি’ না ‘সালার’ কোন শো কে নেবে? সেটা ভাগাভাগি হবে। অন্তত ওপেনিং ডে-র ব্যবসাটা মাঠে মারা যাবে! কারণ সবাই তো আর একদিনে ২টো সিনেমা দেখতে যাবেন না। এক্ষেত্রে আমজনতার পকেটের কথাও মাথায় রাখতে হবে।”

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চায় ভারত

সাত সপ্তাহের বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়েজনের মাধ্যমে আর্থিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ক্রমেই আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা ভারতের লক্ষ্য তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তোলা।
১৯৮৭ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল ভারত। পরের বার শ্রীলংকাকে সঙ্গে নিয়ে ১৯৯৬ সালে এবং সর্বশেষ ২০১১ সালে শ্রীলংকা ও বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করেছিল তারা। এবার একাই ৪৮টি ম্যাচের টুর্নামেন্টটি আয়োজন করতে যাচ্ছে ভারত। দেশের ১০টি আলাদা ভেন্যুতে ৪৬ দিন ধরে চলবে বিশ্বকাপ।

এশিয়া কাপ খেলতে ভারতীয় দল সীমান্তবর্তী পাকিস্তান সফরে জানায়। যে কারণে আংশকা ছিল পাকিস্তান হয়তোবা পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বিশ^কাপ খেলতে ভারত সফরে অস্বীকৃতি জানাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সেই পথে না হাটায় ভারতীয়দের জন্য টুর্নামেন্টের আয়োজন কারাটা আরও সহজ হয়ে গেছে।
মুলত আশঙ্কার কারণেই টুর্নামেন্টের সুচি নির্ধারন করতে হয়েছে দেরিতে। প্রথম বল মাঠে গড়ানোর মাত্র তিন মাস আগে চূড়ান্ত হয় ম্যাচ সূচি। এদিকে সূচি অনুযায়ী আহমেদাবাদে চির বৈরি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটির সূচি ফের পরিবর্তন করতে হয়েছে নিরাপত্তার কারণে। ম্যাচের তারিখ একদিন এগিয়ে আনার কারণে পরিবর্তন করতে হয়েছে আরো নয়টি ম্যাচের সূচি।
২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পাকিস্তান সর্বশেষ ভারত সফর করেছি। এরপর এই প্রথম ক্রিকেট খেলতে ভারতে এসেছে পাকিস্তান। আগামী ৫ অক্টোবর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠছে ৫০ ওভারের ওয়ানডে বিশ্বকাপের। আর টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ নভেম্বর আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নামের স্টেডিয়ামটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ভেন্যুটির ধারন ক্ষমতা ১ লাখ ৩০ হাজার। বিশাল ওই ভেন্যুতেই আগামী ১৪ অক্টোবর পরস্পরের মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের আয়োজক হতে চাওয়া ভারত যদি সফল হয় তাহলে এই আহমেদাবাদই হবে অলিম্পিকের সম্ভাব্য ভেন্যু।
জনসংখ্যার দিক থেকে চীনকে ছাড়িয়ে যাওয়া ভারত এক সময়ের শাসক ব্রিটিশদের হটিয়ে ২০২১ সালে বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে। এখন বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত ঘাটি খুঁজে বেড়াচ্ছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতোমধ্যে দুইবার ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করেছে ভারত। কপিল দেবের নেতৃত্বে প্রথমবার ১৯৮৩ আসরের বিশ^কাপ শিরোপা জিতেছিল ভারত। এরপর নিজ মাঠে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ২০১১ সালে দ্বিতীয়বার বিশ^কাপ শিরোপা ঘরে তোলে টিম ইন্ডিয়া।
ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার নাম বিরাট কোহলি। ওয়ানডে ফরম্যাটে যার রয়েছে ১৩ হাজারেরও বেশি রান। ১০ হাজারের ও বেশি রান নিয়ে তার পরেই রয়েছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ বোলারের আসন দখল করে আছেন ভারতের সিমার মোহাম্মদ সিরাজ। আর লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদব তার নিত্যনতুন কৌশল দিয়ে ক্রমেই নিজের প্রভাব বাড়িয়ে চলেছেন।

কোহলি বলেন, ‘২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ের মুহুর্তটি আমাদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। আমাদের সমর্থকদের জন্য আমরা নতুন স্মৃতি গড়তে করতে চাই।’

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পেছানো হবে না : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

উৎপাদন বাড়াতে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশকে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ। কিন্তু এখনো ইলিশের পেটে ডিম আসেনি দাবি করে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলে ও ব্যবসায়ীরা। গবেষণার মাধ্যমে পাওয়া তথ্য বিবেচনায় নিয়েই এ সময়সীমা নির্ধারণ হয়েছে। এ কারণে পেছানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ এবং মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ বাস্তবায়নের জন্য ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর (২৭ আশ্বিন থেকে ১৭ কার্তিক ১৪৩০) পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। এসময় দেশব্যাপী ইলিশ পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত এবং বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হবে। ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকাকালে ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের ভিজিএফ-এর আওতায় খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার।
সরকারের ঘোষণার পরই ২২ দিনের এ নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পটুয়াখালীর বড় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মহিপুরের জেলে ও ব্যবসায়ীরা।
সরকারের সব সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মহিপুর বন্দর আড়ৎ মালিক সমিতির সভাপতি মাসুম ব্যাপারী বলেন, কোনো ইলিশের পেটে এখন পর্যন্ত ডিম আসেনি। ১২ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা শুরু হলে ইলিশ মাছের প্রজনন বৃদ্ধিতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ ভেস্তে যাবে। তাই ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে ৩০ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছি।

একইভাবে নিষেধাজ্ঞা পেছানোর দাবি জানিয়েছে বরিশাল সদর থানা মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশন। ২৫ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নিরব হোসেন টুটুল বলেন, আগামী ১২ অক্টোবর সরকারের যে নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে তা এক মাস পরে অর্থাৎ আগামী ১২ নভেম্বর থেকে শুরু করার অনুরোধ জানাচ্ছি। তাছাড়া সরকারের ইলিশ রপ্তানি কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞা থাকলে মাছ রপ্তানিতেও সমস্যা হবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, সারা দেশের ইলিশ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের কল্যাণে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য।
তবে গবেষণা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্য বছর যেভাবে ইলিশ ধরা বন্ধের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়, এবারও সেভাবেই যে গবেষণা পদ্ধতি আছে, সে নিয়মের মধ্যেই নির্ধারণ হয়েছে। বিগত ৩৪ বছর যেহেতু ঠিকভাবেই এটি হয়েছে, এবারেরটাও সঠিক হবে।
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, উৎপাদন বাড়াতে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশকে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ করার বিষয়টি অনেক গবেষণার মাধ্যমে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই নির্ধারণ করা। যেহেতু জেলেরা এর বড় একটি অংশ, তাই তাদের মতামতও গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে তাদের সময়সীমা পেছানোর যে দাবি সেটি এ বছর বিবেচনার সুযোগ না থাকলেও আগামী বছর হয়তো সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে বিবেচনা করা যেতে পারে।

কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় আরও বেশি সচেষ্ট হতে হবে

আগামীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশে সফল নেতৃত্বের বিকাশে কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় আরও বেশি সচেষ্ট হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০২৩ উপলক্ষ্যে শুক্রবার এক বাণীতে এ আহ্বান জানান তিনি।

‘বিনিয়োগে অগ্রাধিকার, কন্যাশিশুর অধিকার’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০২৩ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এ দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সব কন্যাশিশুসহ সব শিশুর প্রতি রইল আমার আন্তরিক স্নেহ ও ভালোবাসা’।

দেশকে সমৃদ্ধির সুউচ্চ শিখরে পৌঁছানোর জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, শিক্ষিত প্রজন্ম অপরিহার্য উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার মায়ের গর্ভে থাকা সময় থেকে শুরু করে শিশুদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, চিকিৎসা, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আজকের কন্যাশিশুর মধ্যেই সুপ্তভাবে বিরাজ করছে আগামী দিনের আদর্শ মা। তাই কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রণয়ন করেছে বিভিন্ন আইন ও সুরক্ষা কার্যক্রম। ভবিষ্যৎ সুস্থ প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে কন্যাশিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। উপবৃত্তির সুযোগসহ যুগোপযোগী শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষাকে পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া, সমাজ সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কন্যাশিশুদের সম্পৃক্ত করায় দেশের তৃণমূল পর্যায়ের কন্যাশিশুরা শিক্ষিত ও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকারি-বেসরকারি নানা পদক্ষেপের কারণে দেশে কন্যাশিশুদের শিক্ষার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের হার কমে এসেছে। কন্যাশিশুরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে ঈর্ষণীয় সফলতা প্রদর্শন করছে। এছাড়াও তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে জেন্ডার সমতায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে রোল মডেল।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘কন্যাশিশুদের জন্য বিনিয়োগ হবে যথার্থ বিনিয়োগ। কারণ আজকের কন্যাশিশুই আগামী দিনে গড়ে তুলতে পারবে একটি শিক্ষিত পরিবার ও বিশ্বসভায় নেতৃত্ব দানে পারদর্শী সুযোগ্য সন্তান। আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের সফল নেতৃত্বের বিকাশে আমরা কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় আরও বেশি সচেষ্ট হব-এটাই সবার প্রত্যাশা।’

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তানজিন তিশা

তানজিন তিশা। তরুণ প্রজন্মের ক্রেজ তিনি। নিয়মিত কাজ করছেন ওটিটি প্লাটফর্ম, টিভি নাটক, বিজ্ঞাপনচিত্র ও মিউজিক ভিডিওতে। চলচ্চিত্রেও কাজের কথাবার্তা চলছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। তাকে বহন করা ব্যক্তিগত গাড়িটিকে ধাক্কা দেয় একটি ড্রাম ট্রাক। এতে আহত হন তিশা। গাড়ির পেছনের অংশ ভেঙে গেছে।

শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন তিশা। তবে, কোথায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা উল্লেখ করেননি তিনি।
দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তানজিন তিশা ছবির ক্যাপশনে লেখেন, গত রাতটি আমি ভুলতে পারব না। আমি সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলাম। একটি ড্রাম ট্রাক আমার গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে। আমার এই গাড়ি খুব প্রিয়। কারণ কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে এটি কিনেছি। সুতরাং এই ক্ষতি মেনে নেওয়া আমার জন্য সহজ নয়।
তিনি আরও বলেন, তারপরও আলহামদুলিল্লাহ! আমি শরীরে কিছু আঘাত পেয়েছি। কিন্তু এখন ঠিক আছি। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। যারা আমাকে ভালোবাসেন, আমার জন্য দোয়া করেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

১৫ অক্টোবর থেকে চলবে কক্সবাজারের পরীক্ষামূলক ট্রেন

চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে পর্যটন নগর কক্সবাজার পর্যন্ত নবনির্মিত রেলপথ দিয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলতে যাচ্ছে আগামী ১৫ অক্টোবর। এ জন্য চট্টগ্রামের পটিয়া রেলস্টেশনে ট্রায়ালের জন্য রাখা হয়েছে ছয়টি বগির একটি ট্রেন।
শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের বিদায়ী পরিচালক মফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামী ২৮ অক্টোবর এ রেলপথ উদ্বোধন হতে পারে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের পটিয়া রেলস্টেশনে ট্রায়াল ট্রেন এসে পৌঁছেছে গত ৬ আগস্ট। ছয়টি বগির এই ট্রেনের প্রতি বগিতে ৬০ জন করে যাত্রী বসতে পারবে।
প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, আগামী বছরের ২৪ জুন পর্যন্ত এই প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও তার আগে আগামী ডিসেম্বরের দিকে পুরোপুরি কাজ শেষ হবে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালানোর জন্য তার আগেই বুঝিয়ে দেওয়া যাবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, প্রকল্পের কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার পর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এই লাইনে ট্রেন চালু হবে। নতুন এই রেলপথ চালু হলে চট্টগ্রাম থেকে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় পর্যটন নগর কক্সবাজারে পৌঁছানো যাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতির বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০১ কিলোমিটার লাইনের মধ্যে মোট প্রকল্পের কাজ ৮৯ শতাংশ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া এলাকার দিকে প্রায় চার কিলোমিটার কাজ বাকি আছে। তা চলতি মাসেই শেষ হবে।
দোহাজারী-কক্সবাজার প্রকল্পের রেলপথের কাজ অধিকাংশ সম্পন্ন হলেও চলমান রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী অংশের মধ্যকার কর্ণফুলী সেতুর কাজ। এ সেতুতে ভারী ইঞ্জিন বহনের সক্ষমতা না থাকায় চলছে সংস্কার কাজ। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে।

জাতিসংঘের আঞ্চলিক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হলেন মেয়র আতিক

জাতিসংঘের স্থানীয় ও আঞ্চলিক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সই করা এক চিঠিতে মনোনয়নের বিষয়টি জানানো হয়। পরে সম্মতি প্রদান করলে ডিএনসিসি মেয়রকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে চূড়ান্তভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন।

জাতিসংঘের মহাসচিব তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, আন্তঃসরকার ও জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নে স্থানীয় এবং আঞ্চলিক সরকারের সম্পৃক্ততা জোরদার করার ক্ষেত্রে উপদেষ্টা পরিষদের সময়োপযোগী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং আধুনিক শহর গড়তে স্থানীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে উপদেষ্টা পরিষদ করণীয় বিষয়ে ভূমিকা রাখবে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, উপদেষ্টা পরিষদ স্থানীয় এবং আঞ্চলিক সরকারের সংশ্লিষ্টতা এবং কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ দেবে। সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য, আমাদের বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় বিষয় সংশোধনে ভূমিকা রাখবে। জাতীয় পর্যায়ে যেসব বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিৎ এবং জাতীয় লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্থানীয় ও আঞ্চলিক সরকারগুলোর ধারাবাহিকভাবে যে ভূমিকা পালন করা উচিত এবং বৈশ্বিক পদক্ষেপেও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা অবদান রাখবে।

এই উপদেষ্টা পরিষদে মোট সদস্য ১৫ জন। এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে দুজন সদস্য হলেন মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং ফিলিপাইনের মাকাতি শহরের মেয়র অ্যাবি বিনায়।

অন্যান্য সদস্যগুলো হলো ইউরোপ থেকে তিনজন, আফ্রিকা মহাদেশ থেকে তিনজন, উত্তর আমেরিকা থেকে দুজন, ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয় অঞ্চল থেকে তিনজন, মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য আফ্রিকা থেকে দুজন।