শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬

দেশে আবার সন্ত্রাস করার পরিকল্পনা করা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশে আবার সন্ত্রাস করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কারণ তারা বুঝতে পেরেছে এভাবে আন্দোলন করে বা হামাগুড়ি দিয়ে, কয়দিন হাঁটা কর্মসূচি বা বসা কর্মসূচি কয়দিন দাঁড়ানো কর্মসূচি– এসব কর্মসূচি দিয়ে মানুষকে যে সম্পৃক্ত করা যায়নি সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এখন দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিশ্ব থেকে যেন ফায়দা লুটতে পারে সেজন্য তারা সন্ত্রাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, আপনাদের বলে দিতে চাই, আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে এবং রাজপথে থাকবে। কাউকে আর ২০১৩-১৫ সালের মতো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।

আজ সোমবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার ও সংসদ এলাকা কবর অপসারণের দাবিতে মায়ের কান্না আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি।
হাছান মাহমুদ বলেন, মানবাধিকার নিয়ে ব্যবসা দেশে-বিদেশে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। কিছু কিছু সংগঠন আছে পৃথিবীতে, যারা মানবাধিকার নিয়ে ব্যবসা করে। তারা কাউকে কিল মারলে বিবৃতি দেয়, কাউকে ঘুষি মারলেও বিবৃতি দেয়। কিন্তু তাদের আত্মীয়-স্বজন কাউকে মেরে ফেললে কোনো বিবৃতি নাই। ২০১৩-১৪ সালে যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, ফিলিস্তিনের শিশুরা যখন ঢিল ছুড়ে তার প্রতিবাদে ইসরাইলে সৈন্যরা যখন পাখির মতো শিশুদের শিকার করে, তখন কোনো বিবৃতি নাই। আপনাদের অনুরোধ জানাব, আপনারা যদি মানবাধিকার ব্যবসাটা করেন, তাহলে এই দিকগুলোর দিকেও আপনারা তাকাবেন। মায়ের কান্নার কান্না যখন আপনাদের কানে পৌঁছে না, তখন আপনারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন।

তিনি বলেন, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে ২০১২-১৪ সালে কীভাবে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিরীহ মানুষ যারা রাজনীতি বোঝে না, রাজনীতি করে না, রাজনীতির অঙ্গনে হাঁটে না তাদের কীভাবে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে হত্যা করা হয়েছে। ক্লান্ত চালক-হেলপাররা যখন গাড়ির ভেতর ঘুমিয়ে ছিলেন, তারা যেন বাইরে বের হতে না পারে সেজন্য দরজায় তালা দিয়ে গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। গাড়িও পুড়ে গেছে আর ড্রাইভারের দেহ পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। এই হচ্ছে নির্মমতা নিষ্ঠুরতা। তখন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া বাইরে থেকে এগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন। আর বিদেশ বসে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে যাদের জন্ম রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে, খুনের ওপর দাঁড়িয়ে, যাদের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের মতো একজন নির্মম-নিষ্ঠুর মানুষ। যিনি নাস্তা খেতে খেতে ফাঁসির আদেশে সই করতেন। তার প্রতিষ্ঠিত দল এভাবেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০১৩-১৫ সালে এই দেশে নির্মমতা হয়েছে, মানবাধিকারের বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। রাজনীতির নামে নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে ফেলা এমনি এমনি হয়নি। রাজনৈতিক দাবি আদায়ের জন্য পৃথিবীর কোথাও এভাবে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়নি।
হাছান মাহমুদ বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিএনপির প্রধান সঙ্গী। তারা ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল, বিএনপি তাদের রাজনৈতিক দল আখ্যা দিয়ে বৈঠক করেছে। যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন, এই মায়ের কান্নার ব্যানারে যারা কেঁদে বেড়াচ্ছেন সমগ্র দেশজুড়ে গত কয়েক বছর ধরে, আপনাদের কর্ণ প্রহরে মায়ের কান্না কেন পৌঁছে না। আপনাদের কাছে বলা হয়েছিল, তারা দেখা করতে চায়। কিন্তু আপনারা এখনো পর্যন্ত দেখা করেননি। সুতরাং মানবাধিকার এখন কিছু কিছু রাষ্ট্রে অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবাধিকার নিয়ে ব্যবসা হওয়া, এটি দেশে-বিদেশে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।
দয়া করে আমাদের গণতন্ত্র শিক্ষা দেবেন না কেউ– জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা অনেকের পছন্দ নয়। সেজন্য নানা ছলছুতায় প্রথমে আনে মানবাধিকার, তারপর বলে সুষ্ঠু পথে নির্বাচন হয়নি। আমাদের দেশে অবশ্যই আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও জনগণের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে। সরকার সর্বোচ্চভাবে নির্বাচন কমিশনকে এটি করার জন্য সহযোগিতা করবে। দয়া করে আমাদেরকে গণতন্ত্র শিক্ষা দেবেন না কেউ।
তিনি বলেন, আমাদের পার্লামেন্ট ভবনে ঘেরাও করে কেউ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়নি। আমাদের দেশে পরাজিত প্রার্থীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরাজয় মেনে নেয়। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো পরাজয় মেনে নেয়নি। যারা গণতন্ত্র শিক্ষা দিতে চান, তাদের অনেকের দেশেই গণতন্ত্র নেই।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশে খালেদা জিয়ার যেন সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত হয়, সেজন্য সরকার যা কিছু করার তা করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। কিন্তু বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে আপনার রাজনীতি করবেন, সেটা তো করতে দেওয়া যায় না। বিএনপি খালেদা জিয়াকে রাজনীতির দাবার ঘুটি বানিয়েছে। এতে করে মনে হয়েছে, তারা চায় না বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ হোক। তারা চায় খালেদা জিয়া আরও অসুস্থ হয়ে থাকুক। তাহলে তারা রাজনীতিটা করতে পারে খালেদা জিয়াকে নিয়ে। খালেদা জিয়া দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় সরকার তার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারটা আদালতের। আদালতের অনুমতি ছাড়া তো তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না। এ নিয়ে দয়া করে রাজনীতি করবেন না।
মায়ের কান্না সংগঠনের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান মিয়া লেলিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম প্রমুখ।

এবার শরিফুল রাজের নায়িকা বুবলী

এবার বড়পর্দায় দেখা যাবে নতুন রসায়ন। প্রথমবার চলচ্চিত্রে জুটি হয়েছেন আলোচিত নায়ক শরিফুল রাজ ও শবনম ইয়াসমিন বুবলী।
সরকারি অনুদানের ‘দেওয়ালের দেশ’ নামের সিনেমায় দেখা যাবে তাদের। এটি নির্মাণে রয়েছেন মিশুক মনি।

এই নির্মাতা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার (০২ অক্টোবর) সিনেমাটির ফার্স্টলুক প্রকাশ হবে।
অনেকটাই গোপনেই সিনেমাটির কাজ শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে নির্মাতা মিশুক মনির ভাষ্য, আমি চেয়েছিলাম আগে কাজটি সম্পন্ন করি এরপর আলোচনা করা যাবে। আমি চাই মানুষ কাজের আলোচনা করুক। প্রধান চরিত্রে আছেন শবনম ইয়াসমিন বুবলী ও শরিফুল রাজ। আমরা যথেষ্ঠ যত্ন নিয়ে ‘দেওয়ালের দেশ’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছি। একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফার্স্টলুক প্রকাশের মাধ্যমে সিনেমাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানাব।
২০২০-২০২১ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পায় সিনেমাটি। এরপরের বছর এর দৃশ্যধারণের কাজ শুরু। সিনেমার গল্প দুটি সময়ের কথা বলবে। ৭ বছর আগে ও পরের গল্প নিয়েই এগিয়ে চলে চরিত্রগুলো।
প্রসঙ্গত, শাকিব খানের নায়িকা হয়েই ঢালিউডে পা রাখেন বুবলী। এরপর সাইমন সাদিক, নিরব, ইমন, মাহফুজ আহমেদ, জিয়াউল রোশান থেকে শুরু করে হালের আদর আজাদের সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করছেন এই অভিনেত্রী।

‘শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের ৮৮ শতাংশ কাজ শেষ’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কাজ ৮৮ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল ৯০ শতাংশ কাজ শেষ করে সফট ওপেনিং করা হবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত ৮৮ শতাংশ কাজ হয়েছে। এর মাঝে বৃষ্টি ছিল। তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে বাকি কাজ সম্পন্ন হবে।’
আজ সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে থার্ড টার্মিনালের নিচতলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রতিটি শ্রমিক এক সপ্তাহ ট্রেনিং নিয়ে কাজে যোগদান করেছে। যদিও আমাদের দুজন নিহত হয়েছিল। তবে এটা হয়েছিল অবহেলার কারণে।
উদ্বোধনের প্রসঙ্গ টেনে এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন, ‘সফট ওপেনিংয়ের আগে আমাদের টার্মিনালের কাজ শেষ হয়েছে। লিফট, ব্যাগেজ হ্যান্ডেলিং, বোর্ডিং ব্রিজ বসে গেছে। এগুলো সফট ওপেনিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হলো। বাকি ১০ শতাংশ কাজ সফট ওপেনিংয়ের পর শুরু হবে। আপাতত আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বুঝে নেব। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরে আমরা টার্মিনালটি সবার জন্য উন্মুক্ত করতে পারব।’
এম মফিদুর রহমান বলেন, ১২৪১তম দিনে সংবাদ সম্মেলন করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের আগে আমরা সফট ওপেনিং করতে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কারণে সবকিছু সম্ভব হয়েছে। আমরা সকল মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকেও তদারকি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বেবিচক চেয়ারম্যান ছাড়াও সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৬

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সোমবার (২ অক্টোবর) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি জানান, এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩৯ গ্রাম হেরোইন, ২ হাজার ৯০৭ ইয়াবা, ১১৪ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৫০০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
তাদের নামে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪০টি মামলা করা হয়েছে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ১ মাসে পৌনে ৭ কোটি টাকার টোল আদায়

নগরীর অভ্যন্তরীণ সড়কে গাড়ির চাপ কমাতে নেওয়া হয়েছিল ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। কিন্তু সেটি নগরীতে যানজট কমাতে না পারলেও অর্জিত হয়েছে যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা।
বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তি আছে, দৈনিক সাড়ে ১৩ হাজারের চেয়ে কম যানবাহন চলাচল করলে সরকার ক্ষতিপূরণ দেবে। আর এ বিধান কার্যকর হওয়ার কথা ২০২৪ সালের ০১ জুন থেকে, যে সময় কাওলা থেকে কুতুবখালি পর্যন্ত পুরো প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু তার আগেই প্রথমাংশ উদ্বোধনের পরে অর্জিত হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা।
এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ দিনে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে গাড়ি চলেছে ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৫৫৮টি। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। তবে এর মধ্যে ৯৯ শতাংশই ব্যক্তিগত যান (প্রাইভেট কার), যার সংখ্যা ৮ লাখ ২৮ হাজার ৯৮৭টি।
এদিকে এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল করে লাভে আছে বিআরটিসি।
এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করলে বেসরকারি গণপরিবহনগুলো যানজট এড়াতে পারতো। কিন্তু চলতি পথের যাত্রী সংকট হবে এমন অযুহাত দেখিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করছে না অন্য কোনো গণপরিবহন।
তবে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশন (বিআরটিসি) বাস চলাচল চালু করে। শুরুর দিনে ৮টি বাস চলাচল করে সংস্থাটি রাজস্ব আয় করে প্রায় ৬৮ হাজার টাকা। তবে দ্বিতীয় দিন দ্বিগুণ হয়ে সংস্থাটি রাজস্ব আয় পায় প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এরপর থেকে ক্রমান্বয়ে বিআরটিসি বাড়িয়েছে বাসের সংখ্যা আর আয়ও বেড়েছে সংস্থাটির।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের শুধু প্রথমাংশ উদ্বোধন হওয়ায় এখনও চালু হয়নি একাধিক র‍্যাম্প।

সরেজমিনে দেখা যায়, এখনও মহাখালী, বনানী ওঠার দুইটি র‍্যাম্প চালু হয়নি। বনানীর সেতু ভবন থেকে মহাখালীর তেজগাঁও পর্যন্ত যানজট ছিল আগের মতোই তীব্র।
জানা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে সর্বনিম্ন সাড়ে ১৩ হাজার যানবাহন চলাচল না করলে সরকারকে দিতে হবে জরিমানা। তবে পুরোপুরি কাওলা থেকে কুতুবখালি পর্যন্ত চালু না হওয়া ও ৮০ হাজারের বেশি গাড়ি না চলায় এখন যে টোল আদায় হচ্ছে তার পুরোটা পাচ্ছে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোগুলো।
অন্যদিকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৮০ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করলে যে রাজস্ব আদায় হবে সেটির ২৫ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। আর সেতু কর্তৃপক্ষ প্রাপ্ত আয় থেকে ১০ শতাংশ দেবে রেলওয়েকে।

কুপ্রস্তাব পাওয়া নিয়ে যা বললেন এষা

২০১২ সালে ‘জন্নত ২’ ছবির মাধ্যমে নায়িকা হিসাবে আত্মপ্রকাশ এষা গুপ্তের। কুণাল দেশমুখ পরিচালিত ছবিতে বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমির সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন এষা। প্রথম ছবিতে অভিনেত্রী হিসাবে তেমনভাবে নজর কাড়তে পারেননি এষা। তা সত্ত্বেও অভিষেকের পর থেকে একের পর এক ছবিতে সুযোগ পেতে তেমন বেগ পেতে হয়নি তাকে। ফিল্মি পরিবারের সদস্য বা তারকাসন্তান না হয়েও কি তবে বলিউডে অনায়াসে নিজেকে তুলে ধরতে পেরেছিলেন এষা? তা একেবারেই নয়। এষার দাবি, একাধিক বার কাস্টিং কাউচের হাতে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে তাকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এষা জানান, নিজের এক দশকের অভিনয় জীবনে নাকি এখনো পর্যন্ত বার দুয়েক কাস্টিং কাউচের হেনস্থার শিকার হয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে এষা জানান, এক ছবির সেটে তার কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন ছবিরই সহ-প্রযোজক। অভিনেত্রী বলেন, ‘ছবির কাজ তখন প্রায় অর্ধেক হয়েছে। আমাকে সেই সময় ছবির সহ-প্রযোজক বলছেন, ‘আমি যদি ছবির বদলে তাকে কোনো কিছু সুবিধা না দিতে পারি, তা হলে আমাকে ছবিতে নিয়ে লাভ কী’! আমি তার পরে আর ওই ছবিতে কাজ করিনি।’ ওই ঘটনার পরে নাকি অনেক ছবিনির্মাতা অভিনেত্রীকে নিজের ছবিতে নেননি, দাবি এষার। আরও এক বার মুম্বাইয়ের বাইরে শুট করতে গিয়ে ফাঁপরে পড়েছিলেন এষা। একে অচেনা জায়গা, তার উপর তিনি একা। তবে ওই বার আর ছবি ছেড়ে বেরোননি এষা। বরং নতুন এক ফন্দি এঁটেছিলেন তিনি। এষা বলেন, ‘আমিও মাথায় যথেষ্ট বুদ্ধি ধরি। আমি সেই বার আমার ঘরে একা থাকিনি। আমার রূপসজ্জা শিল্পীকে বলেছিলাম আমার ঘরে এসে থাকতে।’

বার বার কেন এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন এষা? অভিনেত্রীর বক্তব্য, ‘‘আমি তো কোনো নামজাদা ফিল্মি পরিবারের সদস্য নই। কোনো তারকাসন্তানের সঙ্গে এমন কিছু হলে, তারা মা-বাবা তো ওই পরিচালক-প্রযোজকদের মেরেই ফেলতেন। এই বিষয়টা তারা জানেন। সেই কারণে তাদের কেউই তারকাসন্তানদের দিকে চোখ তুলেও তাকান না।’

‘শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশ, সুশিক্ষা ও সুস্থ বিনোদন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন ও সাহস জাগিয়ে দিতে সরকার সব সময় বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সুশিক্ষা ও সুস্থ বিনোদন নিশ্চিত করার জন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
সোমবার (২ অক্টোবর) ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০২৩’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘শিশুদের জন্য বিনিয়োগ করি, ভবিষ্যতের বিশ্ব গড়ি’ -এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের শিশুদেরকে জানাই আমার আন্তরিক স্নেহ ও ভালোবাসা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের অন্যতম অনুস্বাক্ষরকারী দেশ। জাতিসংঘ কর্তৃক ১৯৮৯ সালে শিশু অধিকার সনদ ঘোষণার ১৫ বছর পূর্বেই ১৯৭৪ সালে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশে শিশু আইন প্রণীত হয়। জাতির পিতা বিশ্বাস করতেন শিশুর সুরক্ষা ও সার্বিক উন্নয়ন ছাড়া সমৃদ্ধ জাতি গঠনের ভিত্তি নির্মাণ সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সেই প্রজ্ঞাপূর্ণ উপলব্ধি আজ আমাদের প্রেরণা।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে শিশুদের অধিকার রক্ষার কল্যাণে কাজ করেছে। আমরা ‘জাতীয় শিশুনীতি-২০১১’, ‘শিশু আইন ২০১৩’, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭’ প্রণয়ন করেছি। এছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিশু দিবস উদযাপন, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পুনর্বাসন এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, শিশুদের যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সরকার শিশুদের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার উপযোগী সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের শিশুরা বিশ্বের যেকোনো উন্নত দেশের শিশুদের মতোই মেধাবী ও প্রজ্ঞাবান। তারা নানাবিধ প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীল ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চ থেকে সাফল্য ছিনিয়ে আনছে। আমাদের সরকার বাল্যবিবাহ নিরোধ, শিশুর সুষম বিকাশ সাধন ও সুরক্ষা প্রদানে সচেষ্ট রয়েছে। তবু শুধু সরকারি পদক্ষেপই এজন্য যথেষ্ট নয়। শিশুর যাবতীয় অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন একান্ত জরুরি। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী এবং অটিস্টিক শিশুদের উন্নয়ন ও বিকাশের বিষয়ে সরকার সচেতন রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাসহ সব সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আজ যারা শিশু, তাদের নেতৃত্বেই পরিচালিত হবে ২০৪১ সালের উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।
তিনি ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশ অধিকার সপ্তাহ ২০২৩’ এর সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

প্রস্তুতি ম্যাচে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ

প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচের আগে শঙ্কা হিসেবে দেখা দিয়েছিলো, সাকিবের ইনজুরি। তবে পরে জানা গেলো, এই ইনজুরি খুব বড় নয়। তার প্রথম ম্যাচ খেলতে না পারার যে গুঞ্জন, সেটাও সঠিক নয়। সাকিব খেলতে পারবেন।
প্রশ্ন হলো, আজ দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে পারবেন তো সাকিব? ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলারের সঙ্গে কে টস করতে নামেন, সেটা দেখার পরই বোঝা যাবে। আবার দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচের আগে হালকা চোটে পড়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। যদিও তা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলা হচ্ছে না। তবুও সব মিলিয়ে দলের মধ্যে হালকা ইনজুরির আভাস রয়েছে।

আবার আজ বৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে গুয়াহাটির বারসাপাড়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরই মধ্যে এই মাঠে ভেস্তে গেছে ইংল্যান্ড ও ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচ। আজও কী তেমনটা হবে? বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সে শঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
কারণ, গত দু’দিন অবিরাম বর্ষণ হয়েছে গুয়াহাটিতে। ঢাকায় যেমন কয়েকদিন আগে অচল হয়ে গিয়েছিলো, তেমনি গুয়াহাটি শহরকেও বৃষ্টিতে ভেসে যেতে দেখেছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম তেমনটাই জানিয়েছেন মিডিয়াকে। তিনি বলছিলেন, ‘মনে হওয়া স্বাভাবিক ছিল যে আমরা বোধ হয় ঢাকাতেই আছি। বৃষ্টিতে রাস্তা পানির নিচে চলে গিয়েছিল।’
যদিও গতকাল থেকে গুয়াহাটিতে রোদ উঠেছে। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা ঐচ্ছিক অনুশীলনে গিয়েছিলেন। অনুশীলন করেছেন চার ক্রিকেটার- মাহমুদ উল্লাহ, মোস্তাফিজুর রহমান, শেখ মেহেদী হাসান ও নাসুম আহমেদ। ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে যথাসাধ্য বিশ্রাম এবং ফিট থাকার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা।
প্রস্তুতি ম্যাচে ইংলিশদের বিপক্ষে বাড়তি শক্তিও ক্ষয় করতে রাজি নয় বাংলাদেশ। কারণ, আজ থেকে ঠিক আটদিন পরই এই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। সুতরাং, প্রস্তুতি ম্যাচটা প্রস্তুতির মতোই সারতে চায় টাইগাররা। সুতরাং, কেমন হতে পারে আজকের ম্যাচ? সে দিকে তাকিয়ে সবাই।

সেপ্টেম্বরে ৪৩১ কোটি ডলারের রপ্তানি আয়

সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৪৩১ কোটি ডলার বা ৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। এ আয় গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১০ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে আয় হয়েছিল ৩৯০ কোটি ডলার।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রোববার (১ অক্টোবর) পণ্য রপ্তানির এ হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইপিবির তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে পণ্য রপ্তানি হয়েছিল যথাক্রমে ৪৫৯ ও ৪৭৮ কোটি ডলারের। সেপ্টেম্বরে তা কমে ৪৩১ কোটি ডলার হয়েছে। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের তুলনায় তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে। সেক্ষেত্রে গত জুলাইয়ের তুলনায় কমেছে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ আর আগস্টের তুলনায় কমেছে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। মাসটিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩৬ কোটি ডলার। আয় হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কম ৪৩১ কোটি ডলার।
সার্বিকভাবে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বা তিন মাসে এক হাজার ৩৬৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এ রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) তুলনায় ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ বেশি। গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রপ্তানি আয় ছিল ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলার। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।
বরাবরের মত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি থাকায় চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে।

রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। যেখানে ১ হাজার ১৬২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এ রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে ৬৭৬ কোটি ডলারের নিট পোশাক ও ৪৮৫ কোটি ডলারের ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এ সময়ে নিট পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৭০ শতাংশ আর ওভেন পোশাকের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
অন্যদিকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত খাদ্য, বাইসাইকেলসহ প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি কমেছে।
এ তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে এসেছে ২৬ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এ রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। এছাড়া প্রথম প্রান্তিকে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি ৯ দশমিক ৬৭, হোম টেক্সটাইলে ৪৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ, চামড়াবিহীন জুতায় ১ শতাংশ ও হিমায়িত খাদ্যের রপ্তানি ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ কমেছে।

ডেঙ্গুতে মৃত্যু হাজার ছাড়াল

শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।

এদিকে, নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২৮৮২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬২৯ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২৫৩ জন।

রোববার (১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯ হাজার ৩৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩ হাজার ১২০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৬ হাজার ২৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৫ হাজার ২৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৮৩ হাজার ৮৫১ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৩৭ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৯২৫ জন। ঢাকায় ৮০ হাজার ৮৩ এবং ঢাকার বাইরে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৪২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১০০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ছয় জন, ফেব্রুয়ারিতে তিন জন, মার্চে মৃত্যু শূন্য, এপ্রিলে দুই জন, মে মাসে দুই জন, জুন মাসে ৩৪ জন, জুলাই মাসে ২০৪ জন, আগস্ট মাসে ৩৪২ জন ও সেপ্টেম্বরে ৩৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।