শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬

‘পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে যুক্ত হতে পেরে সেনাবাহিনী গর্বিত’

সেনাবাহিনী প্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। যেখানে সর্বাধুনিক ডিজাইন অনুসরণ করে নির্মাণ করা হয়েছে। যা প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনায় হয়েছে। সেনাবাহিনীকে এ প্রকল্পের সাথে যুক্ত করায় শুভেচ্ছা জানাই। দেশ ও জাতীর উন্নয়ন সহযোগী হতে পেরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গর্বিত। এ ধরনের উন্নয়নে সেনাবাহিনী সামনেও নিরলসভাবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ।
আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মাওয়ায় প্রান্তে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে রোল মডেল। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও আজ দক্ষ এবং সমৃদ্ধ। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌম রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার থেকে পাওয়া সব প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সঠিক সময়ে গুণগত মান ঠিক রেখে করে থাকে। পদ্মা সেতু প্রকল্পটিও সঠিক সময়ের মধ্যে হচ্ছে।
সেনাপ্রধান বলেন, ঢাকা-যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার পথের পুরো কাজ শেষ না হওয়ায় এই দফায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার রেলপথের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে বাকি কাজ শেষ হবে।
অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণ করছে রেলওয়ে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৮২ কিলোমিটার রেলপথ চালু হলো। যদিও যশোর পর্যন্ত পুরো প্রকল্প উদ্বোধন হবে ২০২৪ সালের জুনে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে ঢাকা-যশোর পর্যন্ত পদ্মা সেতু রেল লিংক রুটটি। এ রুট দিয়ে বাংলাদেশের রেলপথ ভারতের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে।

প্রতিটি সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে : রেলমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, সেই কারণে ইতোমধ্যে খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত আমাদের প্রকল্প গ্রহণ করা। প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ৯ নভেম্বর আপনার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) উপস্থিতিতে এই রেলপথের উদ্বোধন করতে পারব।
আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মাওয়া স্টেশনে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আংশিক (ঢাকা-ভাঙ্গা) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একই সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে অনেক বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে। অতীতে আমরা যে সময় অতিক্রম করেছি, ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের মতো বৈরী পরিবেশে অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও রেলওয়ে প্রকল্পগুলো কিন্তু চলমান ছিল। প্রচেষ্টার ফলে সেই রেলপথের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। আগামী ১২ নভেম্বর আপনার উপস্থিতিতে আমাদের কক্সবাজারের প্রকল্পটি উদ্বোধন করতে পারবো।
রেলপথমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের উন্নতি করতে হলে ভারসম্পন্ন যোগাযোগব্যবস্থা অতি গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্য যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে ২০১১ সালে রেল মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। তারপর রেলকে গড়ে তোলার জন্য আপনি ধীরে ধীরে প্রকল্প গ্রহণ করেছেন এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করতে চলেছেন। আপনার নেতৃত্বে আমরা এ টেকসই এবং আধুনিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবো। আমরা জানি, যে দেশ যত উন্নত সেই দেশে রেল ব্যবস্থা তত উন্নত। আমরা আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেই পরিকল্পনা সরকারের আছে। আপনার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন আপনি একে একে বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রেলপথ সচিব ড. হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল আহসান, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের পরিচালক আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরও উন্নত করা। এ জন্য নানা উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আর বিএনপি ধ্বংস নিয়েই আছে। তারা রেল উপড়ে ফেলা, বাসে আগুন, মানুষের জান মাল ধ্বংস করেছে। তারা এই ধ্বংসের মধ্যেই থাকবে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাব।
আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মাওয়া স্টেশন প্রাঙ্গণে এক সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথের ফলক উন্মোচন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। একজন ব্যক্তি একটা ব্যাংকের এমডি থাকতে পারবে না, বলেছিলাম। যদিও তিনি জগৎ বিখ্যাত। তার কারণে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করবে না, বলেছে বিশ্বব্যাংক। বলেছিলাম, নিজের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করবো, করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাঝে মাঝে দুঃসময় আসে। বিশ্বব্যাপী দুঃসময়ে আমাদের কাছেও আসে। এ জন্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। নিজের উৎপাদনে নিজেরা চলব। জাতির পিতার বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে চলবে।
আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই এদেশে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় দাবি করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বলেন, আজকে সুষ্ঠু ভোটের কথা বলে, অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসছে বলেই অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। যারা নির্বাচনের ধুয়া তুলে, আর প্রতিদিন আমাদের ক্ষমতা থেকে হটায়, তারা অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না। তাদের প্রতিষ্ঠাই হয়েছে, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাত থেকে।
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভোট চুরি করা ছাড়া তারা কোনো দিন ক্ষমতায় আসেনি। যে কারণে ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩০০ আসনে মাত্র ২৯টা সিট পেয়েছিল। তারপর থেকে নির্বাচন তারা নির্বাচন বয়কট, নির্বাচন নিয়ে খেলা, আগুন সন্ত্রাসে মেতে আছে।
যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, তারা এদেশের মানুষের উন্নয়নে মনোযোগী ছিল না মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, একমাত্র আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় আসার পর এদেশের মানুষের উন্নয়ন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে একটি মানুষও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। ইতোমধ্যে ৮ লাখ ৪০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীনকে ভূমি ও গৃহ দিয়েছি। মডেল মসজিদ করে দিয়েছি সব জেলা উপজেলায়।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরও উন্নত করা। ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। আড়াই কোটি শিক্ষার্থী বৃত্তি-উপবৃত্তি পাচ্ছে। যাতে দেশটা এগিয়ে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, এখন আমাদের লক্ষ্য, স্মার্ট বাংলাদেশ। প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। ল্যাব করে দিয়ে কম্পিউটার শিক্ষা দিচ্ছি। লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ লক্ষ্য ফ্রিল্যান্সারকে প্রশিক্ষিত করছি। তারা ইউনিয়নে বসে দেশ বিদেশের কাজ করে উপার্জন করছে।
শেখ হাসিনা বলেন, রেলের সার্বিক উন্নয়নে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমরা সাড়ে ১৪ বছরে ৮৭৩ কিলোমিটার নতুন রেল লাইন নির্মাণ করেছি। ২৮০ কিলোমিটার মিটারগেজ রেলপথকে ডুয়ালগেজে রূপান্তর করা হয়েছে। ১৩৯১ কিলোমিটার লাইন পুনর্র্নিমাণ করা হয়েছে। এক হাজার ৩৭টি নতুন রেল সেতু নির্মাণ ও ৭৯৪টি রেল সেতু পুনর্র্নিমাণ করেছি। ১৪৬টি নতুন স্টেশন ভবন নির্মাণ ও ২৩৭টি স্টেশণ ভবন পুনর্র্নিমাণ করেছি। অভ্যন্তরিণ ও আঞ্চলিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্ব দিয়েছি। আশা করি, ৩ থেকে ৪ বছরেরর মধ্যে বাংলাদেশে রেল যোগাযোগ আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, ২১ বছর পর আমরা সরকার গঠন করি। তখন থেকেই জনগণের সেবা শুরু করি। এর আগের ২৯ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা কেনো মানুষের জন্য কিছু করতে পারেনি? আসলে তারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে না। তারা চায় না, স্বাধীন দেশটি এগিয়ে যাক।
রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, সেনাপ্রধান এস এম শাফিউদ্দিন আহমেদ, চীনের রাষ্ট্রদূত ও রেল সচিব হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতাসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আবার নির্বাচিত হলে ফরিদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে ফরিদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় ডা. কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগের এক জনসমাবেশে এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি গ্রামে স্কুলগুলো উন্নত করে দিচ্ছি। রাস্তাঘাটের উন্নতি করে দিয়েছি। শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য আমরা প্রায় প্রতি জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। আমি জানি ফরিদপুরে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় নাই। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো- ফরিদপুরে যে মেডিক্যাল কলেজ ছিল মাত্র ২৫০ বেডের। আমি সরকারে আসার পর সেই মেডিক্যাল কলেজের উন্নতি করে দিয়েছি। বিভাগে এখন পর্যন্ত চারটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি।’
ফরিদপুর সবচেয়ে পুরনো একটা শহর হলেও সব সময় অবহেলিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ফরিদপুরের সার্বিক উন্নয়ন, সেই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায়ৃনৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে বলেই সমগ্র দেশের উন্নতি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ফরিদপুরে, আমি জানি সকলের অনেক দিনের আশা, এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করার। ইনশাআল্লাহ, আগামীতে সরকারে আসতে পারলে আমরা সেই বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেকটি উপজেলায় আমরা কারিগরি স্কুল করে দিচ্ছি। আমাদের ছেলে-মেয়েরা কারিগরি-ভোকেশনাল ট্রেনিং যাতে পায়, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়, সেটা আমরা করে দিচ্ছি।’
মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মেয়েদের কাজের সুযোগ করে দিয়েছি। প্রাইমারি শিক্ষক মেয়েরাও ৬০ পার্সেন্ট পাবে, সেইভাবে আমরা ব্যবস্থা করে দিয়েছি।
২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ওয়াদা দিয়েছিলেন, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখন সকলের হাতে মোবাইল ফোন। সবাই অনলাইন ব্যবহার করে।
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ। জনসভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও অংশ নেন।
এর আগে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া রেলস্টেশন থেকে একটি বিশেষ ট্রেনে যাত্রা শুরু করে ফরিদপুরের ভাঙ্গার রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তার বোন শেখ রেহানা সঙ্গে ছিলেন।
ভাঙ্গা ডা. আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসমাবেশ শেষে বিকেলে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে যাবেন। তার আগে তিনি ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথ উদ্বোধন করেন।

আবারও নৌকা মার্কায় ভোট চাইলেন শেখ হাসিনা

আবারও নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আপনাদের পদ্মা সেতু, রেল উপহার দিয়েছি। একমাত্র নৌকায় ভোট দিলেই উন্নয়ন সম্ভব।
আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে ভাঙ্গার কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে ফরিদপুরে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া রেলওয়ে স্টেশনে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তিনি। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আংশিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রী হিসেবে টিকিট কেটে ট্রেনে উঠেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা ও নাতি-নাতনিরা।
উদ্বোধনের পর কাউন্টার থেকে টিকিট কাটেন শেখ হাসিনা। এরপর প্রধানমন্ত্রী নিজেই হুইসেল (বাঁশি) বাজান এবং সংকেত দেন ট্রেন ছাড়ার। আর মাওয়া প্রান্ত থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশে ট্রেনও ছুটে চলে।
বিকাল ৪টায় ভাঙ্গা থেকে গোপালগঞ্জ যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সাড়ে ৫টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাতে টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে থাকবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সব সময় ভালো থাকবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, পদ্মা রেলপথ চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক পরিবর্তন হবে। বাংলাদেশ ও চায়নার সম্পর্কে সব সময় বাণিজ্যিকভাবে ভালো থাকবে। বাংলাদেশের বড় মেগা প্রকল্পে চায়নার অর্থায়ন রয়েছে। বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে চীন।
আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মাওয়া রেলওয়ে স্টেশনে পদ্মা রেলসংযোগ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, এটা অনেক খুশির যে আমি এই উদ্বোধনে অংশ নিয়েছি। চায়না সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাই। একই সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও চীনের কর্মকর্তা যারা কাজ করেছেন তাদের শুভেচ্ছা।
পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রধান বিনিয়োগকারী চীন। প্রায় ৮৫ শতাংশ অর্থ প্রদান করছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এ জন্য বাংলাদেশের রেলপথে বিনিয়োগ করায় এ সময় রেলসচিব হুমায়ুন কবির চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ইসরায়েলে ঢুকতে শুরু করেছে হিজবুল্লাহ

এবার ইসরায়েলে ঢুকতে শুরু করেছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সদস্যরা। এ সময় লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর সদস্যদের সঙ্গে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। হিজবুল্লাহ’র অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ইসরায়েল।
দক্ষিণ লেবানন থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি জেইনা খোদর বলেন, লেবানন সীমান্ত থেকে গোলাগুলির আওয়াজ শোনা গেছে। আমরা জানতে পেরেছি, দক্ষিণ লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলে গোলা ছোড়া হয়েছে। ইসরায়েলও পাল্টা জবাব দিচ্ছে।
খোদর আরও বলেছেন, পরিস্থিতি ক্রমেই আরও বেশি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। হামাস ও হিজবুল্লাহর যৌথ আক্রমণ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর উপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে। এমন অবস্থায় ইসরায়েল যদি গাজায় সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে, তাহলে অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীও ইসরায়েলকে আরও বিপদে ফেলতে পারে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেছেন লেবানন থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ইসরায়েলি ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ওই এলাকায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন রয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবানন থেকে ইসরায়েলে ঢুকে পড়া কয়েকজন সন্দেহভাজন বন্দুকধারীদের হত্যা করা হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হামাসের হামলায় ইসরায়েলি নিহতের সংখ্যা ৮০০ ছুঁয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার (৯ অক্টোবর) বিকেল পর্যন্ত ২,৫০৬ জন আহতকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ও ৩৫৩ জন আঘাত বা জখম গুরুতর।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মাহমুদুল্লাহ

আফগান-জুজু কাটিয়ে দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশ। এবার তাদের সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।
ধর্মশালার হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে টসভাগ্য সহায় হয়েছে টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাটিং করবে।
দুই দলের বিশ্বকাপ পরিসংখ্যান সমানে সমান। চারবারের মুখোমুখি দেখায় দুইটি করে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ আর ইংল্যান্ড।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় পেলেও বাংলাদেশের চিন্তার বিষয় তাদের ওপেনিং জুটি। দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল বিশ্বকাপ দলে না থাকায় বাড়তি দায়িত্ব তরুণ তানজিদ তামিম ও লিটন দাসের কাঁধে। তবে আফগান ম্যাচে দুই ওপেনারই হতাশ করেছেন।
টিম ম্যানেজম্যান্ট ইংলিশদের বিপক্ষে আবারো এই জুটির উপর ভরসা রেখেছে। বাড়তি স্পিনার খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজ টিম টাইগার্স। সেই জন্য একাদশে জায়গা হারিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার বদলে একাদশে জায়গা পেয়েছেন শেখ মাহেদি।
অপরদিকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরেছে ইংল্যান্ড। আজ ধর্মশালায় তাদের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকে পাচ্ছে না ইংলিশরা। কিউইদের বিপক্ষে হারের পর একাদশে আজ একটি পরিবর্তন এনেছে ইংল্যান্ড। মঈন আলীর বদলে জায়গা পেয়েছেন পেসার রিচ টপলি।
বাংলাদেশ একাদশ:
সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, শেখ মাহেদি, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।
ইংল্যান্ড একাদশ:
জস বাটলার (অধিনায়ক), জনি বেয়ারস্টো, ডেভিড মালান, জো রুট, হ্যারি ব্রুক, রিচ টপলি, স্যাম কারান, লিয়াম লিভিংস্টোন, আদিল রশিদ,মার্ক উড, ক্রিস ওকস।

পরিসংখ্যানে এগিয়ে পাকিস্তান, জয়ে ফিরতে চায় শ্রীলঙ্কা

এই হায়দরাবাদেই নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিলে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচের ভেন্যুও একই জায়গায় হওয়ায় বাড়তি অ্যাডভান্টেজ বাবর আজমের দলের। নিউজিল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস দ্বৈরথের ভেন্যুও ছিল একই। ব্যাক টু ব্যাক ম্যাচ আয়োজনে শতভাগ প্রস্তুত থাকবে তো রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম? সমালোচনা শুরু হয়েছে ইতোমধ্যেই।
সাম্প্রতিক সময়ে ওপেনিংয়ের দূর্বলতা বড় চিন্তার নাম পাকিস্তানের। ইমাম উল হক কিংবা ফখর জামান দু’জনই অধারাবাহিক। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে নিশ্চয়ই সেদিকে বাড়তি নজর থাকবে দলের।
সঙ্গে নির্ভরতার প্রতীক বাবর আজমও নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন। দলে ইনজুরি সমস্যা নেই। অপরিবর্তিত একাদশ দেখা যেতে পারে লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচে।
পাকিস্তান কোচ গ্র্যান্ট ব্র্যাডবার্ন বলেন, আমরা সব প্রতিপক্ষকে সমীহের চোখে দেখছি। সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কা আমাদের সঙ্গে ভালো খেলেছে। তবে পরিসংখ্যান না ঘেটে আমরা খেলায় মনোযোগ দিতে চাই।
বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান পাকিস্তানের পক্ষে। ৮ ম্যাচে কখনোই দলটাকে হারাতে পারেনি লঙ্কানরা। হেরেছে সাত ম্যাচ বাকিটা পরিত্যক্ত। সবমিলিয়ে ১৫৬ দেখায় ৯২ ম্যাচে জয় পাকিস্তানের। শ্রীলঙ্কা জিতেছে ৫৯ ম্যাচ।
এবারের সূচিটাই গোলমেলে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হেরে দিল্লি থেকে হায়দরাবাদে ফিরে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য মাত্র একদিন সময় লঙ্কানদের।
প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপের রেকর্ড রান দিয়েছে বোলাররা। অনুশীলনে তাই বোলিংয়ে জোর দিয়েছে সানাকার দল। এশিয়ার কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের স্মৃতি নিশ্চয়ই ফিরিয়ে আনতে চাইবে লঙ্কানরা।
শ্রীলঙ্কার সহকারী কোচ নাভিদ নেওয়াজ বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত খেলা হয়। তাই প্রতিপক্ষ সম্পর্কে ভালো ধারণা রয়েছে। আমরা মোমেন্টাম ধরে রেখে খেলতে চাই। জয় পরাজয় ছাপিয়ে কতটা ভালো খেলতে পারলাম সেটাই মুখ্য।
এ ম্যাচে ফিরছেন রহস্যময় স্পিনার মহেশ থিকসানা। নিশ্চিত করেছে লঙ্কান টিম ম্যানেজমেন্ট। হায়দরাবাদের এই ভেন্যু হাই স্কোরিং ম্যাচের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যেখানে প্রথম ইনিংসের গড় ২৮৮ রান।

গাজায় রাতভর ইসরায়েলের বোমা হামলা

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় রাতভর ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। একই সাথে গাজা উপত্যকা সম্পূর্ণ অবরুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। এর অংশ হিসেবে উপত্যকাটিতে খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হচ্ছে। এতে বিধ্বস্ত গাজায় ভয়ানক মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে।
ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার জবাবে শনিবার থেকে গাজায় বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী। এরই মধ্যে গতকাল সোমবার উপত্যকাটি সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গাজায় স্থল অভিযানের জন্য সেনা সমাবেশও ঘটানো হয়েছে। তিন লাখ রিজার্ভ সেনাকে বাহিনীতে যুক্ত করেছে ইসরায়েল।
গতকাল সোমবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গ্যালান্ট বলেছেন, আমি গাজা উপত্যকা সম্পূর্ণ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছি। বিদ্যুৎ, খাবার ও গ্যাসসহ সবকিছুই সেখানে বন্ধ থাকবে।’ যদিও শনিবার থেকেই গাজায় বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ বন্ধ বন্ধ রয়েছে।
এদিকে হামাসের হামলায় নিহত ইসরায়েলিদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০০-তে। নিহতদের মধ্যে বহু সেনাসদস্য, নারী ও শিশু রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও প্রায় ২৫০০ ইসরায়েলি।
এর আগে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় তাদের ‘গুঁড়িয়ে দিতে’ শুরু করেছে ইসরায়েল। গোটা উপত্যকাজুড়ে চলছে বোমা হামলা। এখন পর্যন্ত ৫৬০ ফিলিস্তিনি মারা গেছেন এবং আহত হয়েছেন ৩ হাজারের বেশি।
এর মধ্যে আজ ইসরায়েলের দক্ষিণে আক্রান্ত এলাকা সফরে গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ কেবল শুরু হয়েছে। আগামীতে হামাসকে আরও কঠিন ও ভয়ংকর কিছু দেখতে হবে। আমরা আপনাদের (সেনাবাহিনী) সঙ্গে আছি এবং আমরা তাদের (হামাসকে) সর্বশক্তি দিয়ে পরাজিত করব।