বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিরাট সম্ভাবনার খাত: শিক্ষামন্ত্রী

SHARE

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে এবং উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সরকার দেশে উচ্চ শিক্ষার সব খাতকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন করে ঢেলে সাজাতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে।

আজ বুধবার সাভারের আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইউনির্ভাসিটির অষ্টম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তৃতায় একথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, আরো এগিয়ে যাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশে এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান, সমাবর্তন বক্তা ছিলেন থাইল্যান্ডের সিয়াম ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. পর্নচাই মঙ্গখোনভানিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস,এম, মাহবুব উল হক মজুমদার, বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, কোষাধ্যক্ষ মো. হামিদুল হক খান, রেজিস্টার অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. এ কে এম ফজলুল হক, বিদেশী শিক্ষার্থী ওমর আহমেদ হাসান ও সাইফুল ইসলাম অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দেশের উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিরাট সম্ভাবনার খাত। বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির সংখ্যা অনেক বেশি। শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি।

নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে ডিজিটাল বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

দারিদ্র্য দূরীকরণে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার দারিদ্র্য দূরীকরণে শিক্ষাকে কাজে লাগাতে নিরলসভাবে কাজ করছে।

সমাবর্তনে বিভিন্ন অনুষদের প্রায় ৫৬৩১ জন নবীন গ্র্যাজুয়েট (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর) ছাত্র-ছাত্রীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এরমধ্যে ১৫৬ জন বিদেশী শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শিতা ও সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী ১৭ জন মেধাবী গ্র্যাজুয়েটকে চেয়ারম্যান, চ্যান্সেলর ও ভাইস চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। এরমধ্যে ১১ জন সেরা গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।