পুনরায় বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অত্যন্ত আনন্দিত : প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

SHARE

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, পুনরায় বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অত্যন্ত আনন্দিত।

তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো, বৃত্তির মতো বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠাতে ও শিক্ষা গ্রহণ করতে উৎসাহিত করা। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে, আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী মতিঝিল আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো, শিক্ষার্থীরা যাতে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। আমি নিজে আজকে দুটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সারা দেশের খবরাখবর নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া সব রিপোর্টই ইতিবাচক বলে জানানো হয়েছে।

এ সময় তিনি আরও জানান, যদিও কিছু শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ভবিষ্যতে উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে যেগুলো রয়েছে সেগুলোও চালু থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছি তাদেরও কিছু চাহিদা রয়েছে যা সরকার আগামীতে আলোচনার মাধ্যমে পূরণের চেষ্টা করবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে, যার মধ্যে বৃত্তির অর্থের পরিমাণ এবং কত সংখ্যক শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে তা নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করা হতে পারে, যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আরও বেশি উৎসাহিত হন।’

শিক্ষার হার বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো শিক্ষার হারকে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৯৬ শতাংশে উন্নীত করা। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন— প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।