ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এখন আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দারুণ ফর্মে থাকা এই ব্রাজিলিয়ান তারকা এবার একই ছন্দ ধরে রাখতে চান ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের জার্সিতেও। সামনে বিশ্বকাপ, আর সেটাকেই নিজের সবচেয়ে বড় মঞ্চ হিসেবে দেখছেন তিনি।
চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না ভিনিসিয়ুসের জন্য।
টানা ১৬ ম্যাচ গোলশূন্য থাকার পাশাপাশি সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সমর্থকদের সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল তাকে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে সবকিছু। এখন তিনি আবারও নিজের সেরা ছন্দে ফিরেছেন।
এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রিয়ালের হয়ে ৪৩ ম্যাচে ১৭টি গোল ও ১৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন এই উইঙ্গার।
তার পারফরম্যান্সই প্রমাণ করে, খারাপ সময় কাটিয়ে আবার কিভাবে নিজেকে ফিরে পাওয়া যায়।
ক্লাব ফুটবলে ভিনিসিয়ুসের অর্জন ঈর্ষণীয়—দুটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং তিনটি লা লিগা শিরোপা ইতিমধ্যেই জিতেছেন তিনি। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে সেই সাফল্য এখনো আসেনি। ব্রাজিলের হয়ে ৪৫ ম্যাচে মাত্র ৮টি গোল করেছেন তিনি।
তাই এবার লক্ষ্য পরিষ্কার, রিয়ালের মতোই ব্রাজিলকেও সাফল্য এনে দেওয়া।
ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘আমি এখন অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। আমি সুখী, আর যখন আমি সুখী থাকি, তখন আমার চারপাশের সবাইও আত্মবিশ্বাসী থাকে।’
তিনি আরো বলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আমি যা করতে পারি, সেটাই জাতীয় দলের হয়েও করতে চাই। ছোটবেলা থেকেই এই দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখেছি।
আমি চাই আমাদের দেশকে গর্বিত করতে।’
২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কাতার ২০২২-এ কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর নতুন করে সাফল্যের খোঁজে রয়েছে ব্রাজিল। সেই মিশনে ভিনিসিয়ুস নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার মতো করেই প্রস্তুত করছেন।
বিশ্বকাপ যত এগিয়ে আসছে, ততই মনোযোগী হয়ে উঠছেন এই তারকা। বাইরের সমালোচনা নয়, নিজের লক্ষ্যেই স্থির থাকতে চান তিনি।
ভিনিসিয়ুসের ভাষায়, ‘আমি জানি আমি কী করতে পারি এবং বিশ্বকাপের জন্য কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছি।’




