১৬৪ রান ওয়েলিংটনের স্কাই স্টেডিয়ামের জন্য খুব মন্দ কোনো স্কোর নয়। ভালো স্কোর, তবে যথেস্ট ভালো না। অন্তত ম্যাচ জেতার জন্য ঠিক পর্যাপ্তও নয়। ১৯ রানে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে হেরে সেই কথাই বললেন এই ম্যাচের নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক জিমি নিশাম। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ২-২ সমতা। সিরিজের পঞ্চম এবং শেষ ম্যাচেই ফয়সালা হবে ট্রফি কার?
সিরিজে সমতা আনা ম্যাচে ব্যাট হাতে নায়ক ছিলেন কনর ইস্টারহুইজেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই উইকেটকিপার কাম ব্যাটসম্যান ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ বলে ৫৭ রানের দারুণ এন্টারটেইনিং ইনিংস খেললেন। ৩ ছক্কা ৭ বাউন্ডারিতে ইস্টারহুইজেনের এই ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি তাকে ম্যাচ সেরার পুরস্কার এনে দিল।
টসে জিতে ম্যাচের শুরুটা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বাজেভাবে। দ্বিতীয় বলেই ওপেনার মুলডারকে হারায় তারা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ইস্টারহুইজেন এবং ওপেনার টনি ডি জর্জি সেই সঙ্কট কাটিয়ে উঠেন। মিডলঅর্ডারে রবিন হারম্যানের ২৫ বলে ২৮ রানের ইনিংসটাও ছিল অনেক কার্যকর।
ওয়েলিংটনে দক্ষিণ আফ্রিকার ১৬৪ রানের ইনিংসকে নিউজিল্যান্ডের জন্য খুব বেশিদুরের কিছু মনে হচ্ছিল না। শেষের ৬০ বলে ম্যাচ জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন দাড়ায় ৭০ রানের। হাতে জমা ছিল ৭ উইকেট। কিন্তু মাঝের ওভারে দুই স্পিনার কেশব মহারাজ ও জীবনের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা প্রিনেলান সুব্রায়েন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচে ফেরান। দুজনে মিলে ৭ ওভারে মাত্র ৩৫ রান খরচায় ৪ উইকেট তুলে নেন। এই দুই স্পিনারের সঙ্গে পেসার জেরাল্ড কোয়েতজিও বল হাতে জ¦লে উঠেন। ৩১ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি।
শেষের দিকে এসে ঝটপট উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে। বল ও রানের ব্যবধানে আর কমাতে পারেনি। গুটিয়ে যায় ১৪৫ রানে। সিরিজ নির্ধারনী পঞ্চম ও শেষ ম্যাচ হবে ক্রাইস্টচার্চে আগামী ২৫ মার্চ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৬৪/৫ (২০ ওভারে, জর্জি ২৩, ইস্টারহুইজেন ৫৭, হারম্যান ২৮, জেমিসন ২/২৯)।
নিউজিল্যান্ড: ১৪৫/১০ (১৮.৫ ওভারে টিম রবিনসন ৩২, ক্লেভার ২৬, কোয়েতজি ৩/৩১, বার্টম্যান ২/৩০, সুব্রাইয়েন ২/১৩, মাহারাজ ২/২২)।
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: কনর ইস্টারহুইজেন।




