চ্যাম্পিয়নস লিগের মঞ্চে এক অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে স্পোর্টিং সিপি। শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে বোদো/গ্লিম্টকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে মোট ৫-৩ অ্যাগ্রিগেটে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগিজ ক্লাবটি।
প্রথম লেগে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছিল স্পোর্টিং। তবে ঘরের মাঠ এস্তাদিও জোসে আলভালাদেতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে তারা।
৩৪তম মিনিটে ত্রিনকাওয়ের কর্নার থেকে গনসালো ইনাসিওর হেডে প্রথম গোল পায় স্পোর্টিং। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় স্বাগতিকরা।
৬১তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে লুইস সুয়ারেজের পাসে পোটে দারুণ ফিনিশ করে ব্যবধান ২-০ করেন। কিছুক্ষণ পর ভিএআর যাচাইয়ের পর পাওয়া পেনাল্টি থেকে সুয়ারেজ নিজেই গোল করে দলকে অ্যাগ্রিগেটে সমতায় ফেরান।
নির্ধারিত সময়ে আর গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই আসে নাটকীয়তা। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ম্যাক্সি আরাউহো গোল করে প্রথমবারের মতো অ্যাগ্রিগেটে এগিয়ে দেন স্পোর্টিংকে।
শেষ মুহূর্তে, ১২১তম মিনিটে রাফায়েল নেল জোরালো শটে পঞ্চম গোল করে জয় নিশ্চিত করেন এবং স্মরণীয় এক রাত উপহার দেন সমর্থকদের।
পুরো ম্যাচে স্পোর্টিংয়ের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা নেয় ৩৮টি শট, যার ১৪টি ছিল লক্ষ্যে। এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতা নয়, বরং চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে স্পোর্টিংয়ের অন্যতম সেরা প্রত্যাবর্তন হিসেবে জায়গা করে নেবে।
এই জয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর স্পোর্টিং এখন তাকিয়ে আছে কোয়ার্টার ফাইনালের চ্যালেঞ্জের দিকে।




