বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন, “শিষ্টাচারবহির্ভূত ভাষায় যেভাবে কথা বলা হচ্ছে, আমার বয়স ও অবস্থান থেকে তার প্রত্যুত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। ওরা যা বলুক, এতে আমার কোনো ক্ষতি নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে রিয়্যাক্ট করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি, আমার রিয়্যাক্ট করার বয়স চলে গেছে।”
তিনি বলেন, “আমি প্রমাণ করতে পারব সরকারের একটি মহল কিছু কিছু প্রার্থীকে জয়ী করার চেষ্টা করছে। একজন রাষ্ট্রের প্রধান যখন নির্দিষ্ট কাউকে ইঙ্গিত করে বলেন—জয়ী হয়ে আসবে, তখন বোঝা যায় তাদের জয়ী করতেই চেষ্টা করা হবে।”
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম দিনে রাজধানীর শান্তিবাগ স্কুল ও পুরাতন রমনা থানা জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, “শিষ্টাচারবহির্ভূত ভাষায় যেভাবে কথা বলা হচ্ছে, আমার বয়স ও অবস্থান থেকে তার প্রত্যুত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। ওরা যা বলুক, এতে আমার কোনো ক্ষতি নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে রিয়্যাক্ট করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি, আমার রিয়্যাক্ট করার বয়স চলে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “ও আমার ছেলের চেয়েও ছোট। আমার ছেলে যেমন বাসায় দুষ্টুমি করে, আমি এটাকেও তেমনই ধরে নিয়েছি।”
ভোটের ফলাফল নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, “জয়ের ব্যাপারে নিরাশ হয়ে কেউ কাজ করে না। আমিও আশাবাদী। অতীতে প্রতিটি সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ী হয়েছি। এবারও যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, ইনশাআল্লাহ জয়লাভ করবো।”
তবে নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কার কথাও জানান তিনি। মির্জা আব্বাস বলেন, “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে ভয় পাচ্ছি। সরকারের একটি মহল বিশেষ কিছু প্রার্থীকে পরাজিত করার চেষ্টা করতে পারে। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবো কিনা জানি না, তবে চেষ্টা যে হবে তা নিশ্চিত।”
সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “তারপরও আমাদের নেতাকর্মীদের যে মনোবল দেখছি, তাতে বিশ্বাস করি সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বিজয় ছিনিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ।”
প্রচারণার প্রথম দিনে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।




